Wednesday 28th of October 2020 05:42:35 AM

শাব্বির এলাহী,কমলগঞ্জ: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় সমাজ সেবা অধিদপ্তর কর্তৃক চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতাায় কমলগঞ্জ উপজেলায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের ২২টি চা বাগানে চা শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহায়তা এককালীন ৫০০০ হাজার টাকার চেক বিতরণের জন্য ৩ হাজার শ্রমিকের নাম তালিকাভুক্ত করতে ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০১৮ সালের বরাদ্দকৃত চেক চলতি বছরের জুন মাস থেকে বিতরণ শুরু করছে সমাজ সেবা অধিদপ্তর। শমসেরনগর ও কানিহাটি চা বাগানের তালিকায় দুইএনআইডি নাম্বারের বিপরীতে ৭৪জন শ্রমিকের নাম রয়েছে।

একইভাবে অন্যান্য চা বাগানের ষ্টাফ, কর্মচারী, অশ্রমিক, জনপ্রতিনিধির আত্মীয়স্বজনদের নামও তালিকায় রয়েছে। চা বাগান সংশ্লিস্টরা বিষয়টি তদন্ত করার দাবী জানিয়েছেন।জানা যায়, সম্প্রতি মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাংসদ উপাধ্যক্ষ . মো. আব্দুস শহীদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২২০০ জন শ্রমিক পরিবারের মাঝে ৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করার মাধ্যমে কমলগঞ্জ উপজেলায় এ কার্য়ক্রম উদ্বোধন করেন। তারপর থেকেই সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাগান প ায়েত কর্তৃক তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম উঠেছে। বিশেষ করে শমশেরনগর ও কানিহাটি চা বাগানের তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে। তালিকায় দেখা যায়, শমশেরনগর চা বাগানের প্রাপ্ত ১১৩ নং হতে ১৪০ নং পর্যন্ত ২৭জন শ্রমিকদের নামের পাশে একই এনআইডি (৫৮১৫৬৮৫) নাম্বার দেয়া আছে। একই তালিকায় শমশেরনগর শিংরাউলী গ্রামের মাইক্রোবাস চালক নুনু মিয়ার নামও রয়েছে। তাছাড়া তালিকাভুক্ত অধিকাংশ চা বাগানের নিবন্ধিত চা শ্রমিক নন।

একই চা বাগানের ফাঁড়ি বাগান কানিহাটি চা বাগানের নামের তালিকায় আরেকটি এনআইডির (৫৮১৫৬৮৫৯৫) বিপরীতে ১নং হতে ৪৫নং পর্যন্ত ৪৫ জন শ্রমিকদের নাম রয়েছে। একইভাবে উপজেলার আলীনগর চাবাগানের তালিকায়ও ষ্টাফ, কর্মচারী ও চাকুরীজীবিদের নামও রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মাধবপুর, পাত্রখোলা, মৃত্তিঙ্গা, চাম্পারায়সহ বেশ কয়েকটি বাগানের স্থানীয় প ায়েত ও জনপ্রতিনিধিরা শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে টাকা নয়ছয় করতে এমন আশ্রয় নিয়েছেন বলে সাধারণ শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন।্ অপর দিকে স্থানীয় সাংবাদিকরা সারা উপজেলায় বিতরণকৃত চা শ্রমিকদের এককালীন সহায়তার নামের তালিকা সমাজসেবা অধিদপ্তরে চাইলে সমাজ সেবা অফিসার তালিকা দিতে রাজি হননি পরে তথ্যাধিকার আইনে আবেদন করেছেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে কানিহাটি চা বাগানের ইউপি সদস্য সীতারাম বীন বলেন, তালিকা আমি করিনি। স্থানীয় বাগান প ায়েত ও চেয়ারম্যান করেছেন বলে জেনেছি। শমশেরনগর চা বাগানের ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী বলেন, অনিয়ম বিষয়টি তার জানা নেই, তবে ইউনিয়ন অফিসের কম্পিউটারে তালিকা করা হয়। হয়তো সেখানে ভুল হতে পারে।

কমলগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা বলেন, কিছু অনিয়মের কথা শুনেছি তবে চেক বিতরণ করা হলেও সমাজ সেবা বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে চেকের টাকা প্রদানে এখনও কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ   আজ রক্তস্নাত ২০ মে, চা শ্রমিক হত্যা দিবস। ১৯২১ সালের ২০ ই মে  ব্রিটিশদের অত্যাচার থেকে মুক্ত হতে সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার চা-শ্রমিক নিজেদের জন্মস্থানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা চালায়।
মেঘনা ঘাটে এসে পৌছালে আসাম রাইফেলস এর গোর্খা সৈনিকরা  নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হাজার হাজার চা শ্রমিকদের  নির্মমভাবে হত্যা করে  এরপর থেকে ২০ মে চা-শ্রমিকেরা ‘চা-শ্রমিক দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছেন।

তবে বারবার দাবি জানানো এবং অনেক আন্দোলনের পরও ৯৮ বছরেও স্বীকৃতি পায়নি দিবসটি। ঘুচেনি চা শ্রমিকদের বঞ্চনা। চা শ্রমিক ইউনিয়ন এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চানপুর চা বাগানের শ্রমিক নিপেন পাল জানান, চা শ্রমিকদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে এদেশে এনে স্বল্প মজুরীর মাধ্যমে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের কাজ করানো হয়। তাই শ্রমিকরা নিজ মুল্লুকে ফিরে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। এখনো চা শ্রমিকরা বঞ্চিত আছে। চা শ্রমিক দিবস উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলার চান্দপুর চা বাগান,আমু চা বাগান সহ এবং লস্করপুর ভ্যালীর বেশ কয়েকটি বাগানে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয। পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীতে চীন ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোথাও চায়ের প্রচলন ছিল না।

১৮৫৪ সালে পরীক্ষামূলকভাবে সিলেটের মালিনীছড়া চা বাগানে চা চাষ শুরু করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। সে সময় বৃহত্তর সিলেটে চা বাগান তৈরির জন্য ভারতের আসাম, উড়িষ্যা, বিহার, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয়। বিশাল পাহাড় পরিষ্কার করে চা বাগান করতে গিয়ে হিংস্র পশুর কবলে পড়ে কত শ্রমিকের জীবন গেছে তার কোনো হিসেব নেই।

এ ছাড়া ব্রিটিশদের অত্যাচার তো ছিলই। তাদের অব্যাহত নির্যাতনের প্রতিবাদে তৎকালীন চা শ্রমিক নেতা পণ্ডিত গঙ্গাচরণ দীক্ষিত ও পণ্ডিত দেওসরন ‘মুল্লুকে চল’ (দেশে চল) আন্দোলনের ডাক দেন। ১৯২১ সালের ২০ মে সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার চা শ্রমিক সিলেট থেকে হেঁটে চাঁদপুর মেঘনা স্টিমার ঘাটে পৌঁছেন। তারা জাহাজে চড়ে নিজ দেশে ফিরে যেতে চাইলে ব্রিটিশরা গুলি চালিয়ে শত শত চা শ্রমিককে হত্যা করে মেঘনা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। যারা পালিয়ে এসেছিলেন তাদেরকেও আন্দোলন করার অপরাধে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

মেঘনা ঘাটে আসাম রাইফেলস এর গোর্খা সৈনিকরা নির্মমভাবে চা শ্রমিকদের হত্যা করে। এর পর যারা বেঁচে ছিলেন তারা নিরুপায় হয়ে আবারো বাগানে চলে আসেন। পরে বঙ্গবন্ধুর ডাকে চা-শ্রমিকরা তীর-ধনুক নিয়ে যুদ্ধ করে। কিন্তু দেশে এখনো চা শ্রমিকরা ভূমির অধিকার ধেকে বঞ্চিত।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন  সাধন সাঁওতাল জানান এখনো চা শ্রমিকদের জীবনমানের কোনো উন্নয়ন ঘটে নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের মৌলিক চাহিদা এখনও পূরণ হয়নি। অবিলম্বে চা শ্রমিকদের চুক্তি নবায়ন, দৈনিক মজুরী ৩০০ টাকা, রেশন হিসাবে সাপ্তাহিক ৫ কেজি চালসহ ৭ দফা দাবি মানতে হবে।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাঁচ’শতাধিক চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জিআর এর চাল বিতরন করা হয়েছে। কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার কালিঘাট ইউনিয়ন পরিষদ প্রঙ্গণে এ চাল বিতরন করা হয়।

চাল বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য   উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মল্লিকা দে, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান মামুন, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুছ ছালেক প্রমুখ।

এসময় কালিঘাট ইউনিয়নের ৯টি চা বাগানের পাঁচ’শতাধিক চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা  হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১জুন,ফারুক মিয়া,চুনারুঘাট থেকেঃ  চুনারুঘাটে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন উপলক্ষে প্যানেল ভিত্তিক সভাপতি ও সম্পাদক পদের প্রার্থীদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার বিকাল ৩টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঈন উদ্দিন ইকবালের সভাপতিত্বে ও চুনারুঘাট থানার ওসি কে.এম আজমিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, ২৩টি চা বাগানের লস্করপুর ভ্যালীর সভাপতি ও সম্পাদকবৃন্দ। আগামী ২৪ জুন রবিবার বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন উপলক্ষে সভাপতি ও সম্পাদক পদপ্রার্থীদের সাথে নির্বাচনী আচরণ বিধি সহ নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ইউএনও মঈন উদ্দিন ইকবাল। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী শ্রম পরিচালক মোঃ ফিরোজুর রহমান, শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ নাহিদুল ইসলাম, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, চুনারুঘাট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ফারুক মিয়া, সাংবাদিক আব্দুল হাই প্রিন্স,  সাতছড়ি চা বাগানের সভাপতি প্রার্থী শ্যামলাল ভৌমিক, সহ-সভাপতি মুক্তি সাংমা, সম্পাদক প্রার্থী রমিন তাঁতী, সহ-সম্পাদক লিটন মুন্ডা, সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নৃপেন পাল, মহাসংগ্রাম পরিষদের সভাপতি প্রার্থী রবীন্দ্র গৌড়, সহ-সভাপতি প্রার্থী উজ্জলা পানিকা, রঘুনন্দন চা বাগানের সভাপতি প্রার্থী গিরিশ মুন্ডা, সহ-সভাপতি আমবতী মুড়া, সম্পাদক প্রার্থী গৌতম মুড়া, সহ-সম্পাদক অঞ্জু মুড়া, অর্থ সম্পাদক জগদীশ মুড়া, দারাগাঁও চা বাগানের প্যানেল সভাপতি প্রার্থী প্রেমলাল আহির, সহ-সভাপতি সবিতা বাউরী, সম্পাদক রুহিত কল, সহ-সভাপতি অষ্টমী রবিদাস, অর্থ সম্পাদক প্রার্থী জগত সিং ছত্রী প্রমুখ।

নির্বাচনকালীন সময়ে বাগানের এলাকায় সিএনজি, অটোরিক্সা, টমটম গাড়ি, মোটরসাইকেল সহ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মতবিনিময় সভায় চুনারুঘাট থানার ওসি কে.এম আজমিরুজ্জামান বলেন, চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্নের জন্য চুনারুঘাট থানা পুলিশ চা বাগানের প্রত্যেকটি কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবে।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর,জহিরুল ইসলাম,ষ্টাফ রিপোর্টার,মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার কালীঘাট ইউনিয়নের জাগছড়া চা বাগান নাট মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ও কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব, ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর হাজরা, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান এম এ রহিম, বাগান মালিক প্রতিনিধি তারসীন আহমেদ চৌধুরী ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান পরাগ বারই।
পংকজ কন্দ’র স ালনায় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখনলাল কর্মকারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ স¤পাদক রাম ভজন কৈরী।
সভায় বিভিন্ন ভ্যালীর সভাপতি-স¤পাদক, বাগান প ায়েত সভাপতি-স¤পাদক, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সহ কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ চা-শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আওয়ামীলীগের কেন্দ্রী কার্যনির্বাহি সদস্য কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রফিকুর রহমান, বলেন আওয়ামীলীগ সরকার কোন ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।তিনি চা শ্রমিকের দু:খ কষ্ট বুঝেন। আপনাদের পাশে সব সময় তিনি আছেন এবং থাকবেন। তিনি আপনাদের ছেলে মেয়েদের জন্য প্রতিটি চা বাগানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দিয়েছেন। ভষ্যিতে আর দিবেন।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের, ৭ টি ভ্যালীর চা শ্রমিক সদস্যরা উপস্থিত ছিল, ভ্যালী গুলো হলো,বালিশরিা, লংলা, মনদলই, জুড়ি, সিলেট, লস্কপুর,এবং চট্রগ্রাম বিভাগের ভ্যালী অংশগ্রহণ করে।
সভায় বাগান মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আরো সু-স¤পর্ক গড়ে ওঠার লক্ষ্যে চা শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবিসমূহ পূরণ ও তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সকলের সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধতা কামনা করেন সংগঠনের নেতারা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩মার্চ,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের জগদীশপুর চা বাগানের নিরেন শীলের স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী নিয়তী শীল (৪৫) নামে এক চা শ্রমিক গত ৭ মার্চ চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া চা বাগানের বেলাবিল ফাঁড়ি বাগানে তার বোন ময়না রানী শীলের বাড়িতে বেড়াতে এসে এর পরদিন ৮ মার্চ সকাল ১০টায় পূনরায় তার বাড়ি জগদীশপুর চা বাগানে যাওয়ার জন্য তার বোনের বাড়ি থেকে বের হয়ে আর তার বাড়িতে ফিরেননি।

তার পুত্র জুয়েল শীল তাদের আত্মীয় স্বজন ও সম্ভাব্য সকল স্থানে তার মা নিয়তী শীলকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও তাকে না পেয়ে তার পুত্র চুনারুঘাট থানায় জি.ডি করেন। চুনারুঘাট থানার জি.ডি নং- ৬৭১/১৭, তারিখ- ১৩/০৩/২০১৭।

মাকে হারিয়ে তার ৩ সন্তানরা প্রায় পাগল হয়ে পড়েছেন। নিখোঁজ নিয়তী শীলের গায়ের রং শ্যামলা, মুখমন্ডল- গোলাকার, মাথার চুল অনুমান ০১ হাত লম্বা ও কালো, উচ্চতা অনুমান ৫ ফুট, বয়স ৪৫, পরনে নীল রংয়ের প্রিন্টের শাড়ী ছিল। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে তার পুত্র- ০১৭১০-৯৯৪৯৯৬, জন্টু শীল- ০১৭১৭-৫৪২৩৮৯ নম্বরে মোবাইলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার পুত্র জুয়েল শীল।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc