Friday 23rd of October 2020 12:06:05 AM

মিনহাজ তানভীর:  আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৭ নং রাজঘাট ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড খেজুরি ছড়া চা বাগানে শ্রীমঙ্গল থানা কর্তৃক “বিট পুলিশিং ও মাদকবিরোধী চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে” এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
এতে এসআই সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুছ ছালেক অফিসার ইনচার্জ শ্রীমঙ্গল থানা, বিজয় বোনার্জী চেয়ারম্যান রাজঘাট ইউপি।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সুমন তাঁতি, প্রমোদ গোয়ালা, অজয় ব্যানার্জি, অসুখ বুনার্জীসহ পঞ্চায়েত কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এস আই মোঃ সাইফুল ইসলাম, এস আই মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোক এই সভায় উপস্থিত ছিলেন ।

চা বাগান শিক্ষা অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ’র উদ্যোগে আজ অর্থমন্ত্রী বরাবরে  সিলেট ও হবিগঞ্জে জেলা প্রশাসক ও ফেঞ্চুগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। সিলেটে স্মারকলিপি পেশের পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। চা বাগান শিক্ষা অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের সংগঠক অধীর বাউরীর সভাপতিত্বে ও রানা বাউরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,সঞ্জয় কান্ত দাস,নেপাল ছত্রী,রাম নিধি,আরমান হোসেন,সাগর,গোপন বাউরী প্রমুখ।
হবিগঞ্জে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের সাথে স্বাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি পেশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চা বাগান শিক্ষা অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের উপদেষ্টা শফিকুল ইসলাম,শ্রী প্রসাদ চৌহান। ফেঞ্চুগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে স্বাক্ষাৎ করে স্বারকলিপি পেশ করেন শিপু বাউরী, শুভন রায় দীপ্ত, রাজেন কুর্মি, যীশু আচার্য প্রমুখ।
এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, “অর্থকরী ফসল চা। চা জনগোষ্ঠির অমানুষিক পরিশ্রমে শুধু নান্দনিক সৌন্দর্যের চা বাগানই গড়ে উঠছে না, সচল হচ্ছে দেশের অর্থনীতির চাকা। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বর্তমান করোনা সংক্রমণের মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখার কাজ করে যাচ্ছেন চা শ্রমিকরা। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিকরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন,এমনকি মারাও গেছেন কয়েক জন। সংক্রমনের শুরুতেই করোনায় সবেতন ছুটি চেয়েও ছুটি মিলে নি, আবার এখনও পর্যন্ত চা শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম ঝুঁকিভাতার কোন ঘোষণা আসেনি। করোনায় গোটা দেশের ন্যায় চা শ্রমিকদের জীবনও থমকে আছে। মাত্র ১০২ টাকা দৈনিক মজুরি দিয়ে কোন ভাবেই একটি চা শ্রমিক পরিবার চলতে পারে না, সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক সময়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাগানের বাইরে যতটুকু সম্ভব কাজ করেও অন্তত কোন রকমে জীবন ধারনের চেষ্টা করেন। কিন্তু করোনকালীন সময়ে বাইরের সকল কাজ বন্ধ আছে।
এদিকে বাগানে কাজ চালু আছে এ কারণে চা শ্রমিকরা বিশেষ কোন ত্রাণও পাননি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা এ সময়ে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এনজিওগুলো কিস্তি আদায়ে তৎপর হয়ে উঠেছে, যা সামনে বাড়বে। আবার চা বাগানের শিক্ষার্থীরাও তার পড়াশোনসহ সমাগ্রিক ব্যয় নির্বাহ করেন কোন না কোন জায়গায় কাজের বিনিময়ে অর্জিত টাকা দিয়ে,এ সময় তাও সম্ভব হয়নি।
এ অবস্থায় চা বাগানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন বিপন্ন প্রায়। খুব স্বাভাবিক ভাবেই চলতি শিক্ষা বর্ষের বেতন ও অন্যন্য ফি, আসন্ন একাদশ শ্রেণীর ভর্তি ফি জোগাড় করতে না পারার কারনে বহু শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এদিকে দুঃখজনক হলেও সত্যি স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরও শিক্ষাসহ সকল মৌল মানবিক অধিকার বঞ্চিত চা শ্রমিকরা। আজ সারা দেশের ১৬৬ টি বাগানের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে মাত্র ১২/১৪টিতে, আর মাধ্যমিক স্কুল আছে ৩টিতে। অথচ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “রাষ্ট্র একই পদ্ধতির গণমুখী ও সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যে এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা দানের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন”।
সংবিধানের এ ঘোষণা চা বাগানে আজও কার্যকর হয়নি, শুধু তাই নয় ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ সরকারের ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা’ কর্মসূচিও চা বাগানে বাস্তবায়ন করা হয়নি। এরপরও যে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে চূড়ান্ত আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিক্ষার উপকরণই তারা ক্রয় করতে পারে না। তাই বাগান কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শিক্ষা বৃত্তি চালু এবং বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণও সরবরাহ করা প্রয়োজন।
এমনিতর পরিস্থিতিতে চা জনগোষ্টির সামগ্রিক জীবন মান উন্নয়নে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তাই আসন্ন জাতীয় বাজেটে চা বাগানের শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে চা জনগোষ্টির শিক্ষার অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং চা বাগানের শিক্ষার নিম্নোক্ত আশু সমস্যাগুলোর সমাধাণ করবেন।”
দাবি সমূহ
১. চা বাগানের শিক্ষাক্ষেত্রে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দাও।
২. চা বাগানের শিক্ষার্থীদের চলতি শিক্ষা বর্ষের বেতন ফি মওকুফ কর।
৩. চা বাগানের শিক্ষার্থীদের জন্য আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি ফি মওকুফ কর।
৪. চা বাগানের শিক্ষার্থীদের জন্য বাগান কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শিক্ষাবৃত্তি চালু এবং সকল প্রকার শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে সরবরাহ কর।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৪মার্চ,শিমুল তরফদারঃ একজন চা শ্রমিকের স্বপ্নের মধ্যেও ছিলো না তার ছেলে-মেয়ে স্কুলে পড়বে শিক্ষার আলোয় শিক্ষিত হয়ে দেশ সেবায় নিয়োজিত হবে। আর হাওর পাড়ের একটি জেলে পরিবারের কর্তা ব্যাক্তির ধারণা ছিলো আমার ছেলে আমার চেয়ে আরও বেশি মাছ ধরায় পটু হবে। এ দুই শ্রেণীর  ছেলে মেয়েরা শৈশব থেকেই বিদ্যালয়ের পরিবর্তে শিক্ষা নিতো চা বাগানের কাজ ও মাছ ধরার কাজে। এই অবস্থায় ওই এলাকায় শিক্ষার হার বাড়বে ভাবাই যেতো না, এটাকে অসম্ভব বলেই ধরে নিয়েছিলেন সেখানকার মানুষ। কিন্তু এই অসম্ভবকেই সম্ভব করে এখন চা বাগান গুলোতে জ্বলে উঠছে শিক্ষার আলো। দুর হচ্ছে অন্ধকার।

কয়েক বছর আগে যখন এ উপজেলায় স্কুলগামী শিক্ষাথীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ৬০ ভাগ তা এখন বেড়ে দাড়িয়েছে প্রায় শতভাগ। আর এই বিশাল পরিবর্তন এসেছে বিগত ৫/৬ বছরে। অবিশ্বাস্যভাবে পরিবর্তন এর জন্য বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে  হয়েছে। আর তা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজরে এ এলাকার চা বাগান গুলোতে ৩৮টি নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে। কয়েক বছর আগেও যে ছেলে মেয়েরা স্কুলের পরিবর্তে সময় কাটতো গো-চারণে কিংবা হাইল হাওরে খাল-বিলে আজ তারা বিদ্যাপিঠে।

কয়দিন আগেও যখন এক শ্রেণীর নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যত ছিলো অনিশ্চিত আজ তারা স্বপ্ন দেখছে দেশ গড়ার কারিগর হওয়ার। তিন দিকে পাহাড় আর একদিকে হাওর বেষ্টিত শ্রীমঙ্গল উপজেলার শিক্ষার হার ছিলো অনেক নিচে। স্কুলগামী ছাত্রের চেয়ে ঝরে পড়ার হারই ছিলো বেশি। এর প্রধান কারণ ছিলো শ্রীমঙ্গলের ভু-খন্ডের ৫৫ ভাগই চা বাগান অধ্যুষিত অন্যদিকে হাওর পাড়ে বিশাল এক জনগোষ্ঠি বরাবরই ছিলো অবহেলিত। তাদের প্রধান অন্তরায় ছিল বিদ্যালয় সংকট, অনুন্নত রাস্তাঘাট। জেনারেশন বাই জেনারেশেনই ছিলো শিক্ষার আলো বি ত।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১০ সালে শ্রীমঙ্গলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিলো ৬৬টি। আর ২০১৩- সালে এর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৩৮টি। কিছু বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় করণের পাশাপাশি শ্রীমঙ্গলের প্রত্যেকটি চা বাগানে একটি করে ও স্কুল বিহিন গ্রামে একটি করে সম্পুর্ণ নতুন স্কুল স্থাপন করে তা জাতীয়করণ করা হয়। আর সে সময় সরকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩শ থেকে বেড়ে বর্তমানে সরকারী শিক্ষকের সংখ্যা ৭০৪ জন। এর ফলে শিক্ষার আওতায় এসেছে প্রায় ১০ হাজার ঝরে পড়া শিক্ষার্থী।

উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক জরিপে উঠে আসে ২০১০ সালে শ্রীমঙ্গলে ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা ছিলো ৮ হাজার ১৩ জন। যা প্রতিবছরই বৃদ্ধি পেতো। ২০১০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০ হাজারের নিচে আর বর্তমানে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫ হাজারের উপরে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মোশারফ হোসেন এর পরিবর্তনের মুল কারন হিসেবে জানান, বর্তমান সকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা নীতি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া। বাংলাদেশের ইতিহাসে একসাথে এতো বিদ্যালয় কোন সরকার জাতীয়করণ করতে পারেনি। আর ভবিষ্যতেও পারবেনা। জাতীয়করণকৃত ও রেজিষ্টার্ড বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ ছাত্র ছাত্রীকে দেয়া হচ্ছে উপবৃত্তি। বছরের প্রথম দিনেই তাদের হাতে দেয়া হয় নতুন বই। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য আলাদা কক্ষ, আলদা শিক্ষক, শিশুতোষ শিক্ষা উপকরণ দেয়া হয় প্রতিবছর।

প্রতিটি বিদ্যালয়কে দৃষ্টি নন্দন করে রাখার জন্য প্রত্যেক বছরই ৪০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। যার মাধ্যমে বিদ্যালয় রঙ্গিন করা, ফুল বাগান সৃষ্টি, শহীদ মিনার তৈরী ও পরিচর্যা করা হয়। । প্রতি ৩ বছরে প্রত্যেক বিদ্যালয়ে মেরামতের জন্য একটি বরাদ্ধ দেয়া হয় ৫০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা। এছাড়াও পরিচ্ছন্নতার জন্য গতবছর  প্রত্যেক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে ৫ হাজার টাকা। প্রত্যেক বিদ্যালয়েই সরকার নিয়োগ দিয়েছে একজন নৈশ প্রহরী। শিক্ষা অফিসে দেয়া হয়েছে কয়েকটি মটর সাইকেল।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবাশশেরুল ইসলাম জানান, শ্রীমঙ্গলের প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা খুবই ভালো। ঝরে পড়ার সংখ্যা নেই বললেই চলে। শিক্ষকরাও খুব আন্তরিকতার সহিত ছাত্রদের পাঠদান করান। এর ফলাফল হিসেবে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে এসেছে জাতীয় পর্যায়ের কৃতিত্ব।

শ্রীমঙ্গল প্রাথমিক স্কুলগুলোতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলগুলোতে লেগেছে বাহারী রং এর ছোঁয়া। পুরো বিদ্যালয়ে ভিতর বাহিরে দেয়ালে বিভিন্ন রং দিয়ে পেইন্ট করা হয়েছে। এর উপর অঙ্কন করা হয়েছে বিভিন্ন আল্পনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বিভিন্ন মুনি ঋষিদের বাণী। স্কুলের সামনে রয়েছে মনোরম ফুলের বাগান ও শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য একটি শহীদ মিনার।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন আরো জানান, দেশের অন্য যে কোন উপজেলার চেয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শিক্ষার চিত্র অনেক ভালো। ২০১৬ সালে শ্রীমঙ্গলে প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষায় পাসের হার ছিলো ৯৯.২৯%। তবে তিনি এর জন্য প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জানান তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয় স্থাপন, ভুমি জটিলতা ও নতুন ভবন পাওয়া গেছেএবং খুব শীঘ্রই বিদ্যালয়গুলোতে মিডডে মিল এর ব্যবস্থা করবেন।

এ ব্যাপারে জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি জানান, তার এলাকা শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে ছিল। তিনিও মনে প্রাণে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতি হোক তা চান। এ জন্য তিনি প্রত্যেকটি চা বাগানে একটি করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc