Monday 26th of October 2020 06:12:27 PM

বিমানের ফ্লাইট লন্ডন থেকে রওনা দিয়ে সরাসরি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে আগামী সোমবার ।

এর মধ্যদিয়ে ফের লন্ডন-সিলেট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইট ফের চালু হচ্ছে। সিলেট হয়ে ফ্লাইটটি ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাবে।

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত মঙ্গলবার বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রোকসিন্দা ফারহানা স্বাক্ষরিত পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে ।

তবে সিলেট আটাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিলের দাবি, করোনার কারণে নয়, করোনার অজুহাতে সিলেটের সঙ্গে সরাসরি বিমানের ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছিল।

তার মতে, অন্যত্র ফ্লাইট চালু রাখলেও করোনার অজুহাত ছিল শুধু সিলেটের বেলায়। এর পেছনে সিলেট বিদ্বেষী ষড়যন্ত্রীদের হাত থাকতেও পারে।

এদিকে, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পত্রে সিলেটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট অবতরণের বিষয়ে আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধকল্পে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওসমানী বিমানবন্দরকে সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

এবাপারে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ বলেন, যাত্রীদের করোনার বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগ দেখবে।

আইসোলেশনের জন্য ডা. শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতাল প্রস্তুত আছে। আব্দুল জব্বার জলিল জানান, বিমানের ফ্লাইটে যদি কোনো আক্রান্ত সন্দেহভাজন থেকে থাকেন, তাদের জন্য আইসোলেশন, কোয়ারেন্টিনেরও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কোয়ারেন্টিনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে সিলেটের নাইওরপুলের ফরচুন গার্ডেন হেটেলটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার লন্ডন থেকে সরাসরি ফ্লাইট সিলেটে আসার পর যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে।

এরমধ্যে কারো যদি করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে তবে তাদের আইসোলেশন, কোয়রেন্টাইনে রাখা হবে। আর যে সব যাত্রীর করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকবে- সে সব যাত্রী নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাবেন।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট বিভাগে গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে আগামী ৩০ মে শনিবার বৈঠকে বসবে প্রশাসন ও শ্রমিক নেতারা এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে । বৃহস্পতিবার (২৮মে) সকালে সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক এ কথা জানান। তিনি বলেন, গতকাল রাতে সীমিতভাবে গণপরিবহন চালু হতে যাচ্ছে বিষয়টা জেনেছি।

আমরা এ বিষয়ে আগামী শনিবার বৈঠকে বসবো। বৈঠকে সবার মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে চলমান সাধারণ ছুটি আর না বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সীমিতভাবে গণপরিবহন (বাস, নৌযান ও ট্রেন) চালু হতে যাচ্ছে।

৩১ মে থেকে সিলেটে গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সবসময়ই সরকারের সিদ্ধান্তের পক্ষেই আছি এবং করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের আদেশ জারির পর থেকেই সিলেটেও গণপরিবহন বন্ধ করে দেই।

সরকার যদি সারা দেশে গণপরিবহন ৩১ মে থেকে চালুর নির্দেশনা দেয়, তবে আমরাও সে নির্দেশের আলোকেই সিদ্ধান্ত নিবো।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ৩১ মে থেকে সীমিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সড়কে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীবাহী নৌযান ও ট্রেনও চলাচল করবে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, স্বল্প সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলবে। গণপরিবহন চলাচলের বিষয়টি আমরা স্থানীয় প্রশাসন থেকে ঠিক করে দেব। গণপরিবহন চালালে তো ঠাসাঠাসি করে চালানো যাবে না।সামাজিক দূরত্ব মেনেই চালাতে হবে।

অবশ্যই যাত্রীদের মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কতটুকু নিয়মকানুন মেনে গণপরিবহন চলাচল করতে পারে সেটা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা নেব।

“ডিসিদের প্রতি মাঠ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি চালু করার আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ মো. আবদুল হামিদ”

ডেস্ক নিউজঃ  রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ মো. আবদুল হামিদ সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রতি মাঠ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি চালু করার আহ্বান জানিয়ে ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া বাদ দিয়ে জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে দেশের সব বিভাগ ও জেলার প্রশাসনিক প্রধানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া বাদ দিয়ে জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিন।’

রাষ্ট্রপতি তাদের সত্যিকারের ‘জনসেবক’ হিসেবে দেশ ও জনগণের সেবা করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘জনগণ যাতে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় তাও নিশ্চিত করতে হবে।’

দুর্নীতি সমাজ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি ডিসিদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে সচেতন করে তোলার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি ডিসিদের তাদের কোনো কর্মকাণ্ডে সরকার বা স্থানীয় প্রশাসন যাতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন।

উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বিষয়ে নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পরবর্তী এক বছরের জন্য কাজে অগ্রাধিকার ও দিক-নির্দেশনা প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশকে ধর্ম নিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে মাঠপর্যায়ে প্রশাসকদের জঙ্গি তৎপরতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন।

কৃষি, শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে সরকারের বিভিন্ন মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জনগণের প্রতিটি টাকার যাতে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে পরিচালিত সরকারের সব কার্যক্রম বাস্তবায়নে ডিসিদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য জেলা প্রশাসকদের পরামর্শ দেন। তিনি গ্রামপর্যায়ে জনকল্যাণমুখী ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাইজড করতে জেলা প্রশাসকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি কর্মকাণ্ডের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে জেলা প্রশাসকদের মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি হামিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ২০৩০ সালের মধ্যেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সব অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করে ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত অর্থনীতির দেশে পরিণত করতে সরকারি কর্মকর্তাসহ দেশবাসীর ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি ডিসিদের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, পরিবেশ ও যুব উন্নয়নসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইস্যুতে ডিসিদের বেশ কিছু দিক-নির্দেশনাও দেন।

মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোখলেসুর রহমান সরকার ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তৃতা করেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকবৃন্দ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬মে,শিমুল তরফদার,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১৪ মে শুরু হতে যাচ্ছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের কার্যক্রম। সংবাদ সম্মেলন করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে টি প্লান্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
রোববার (৬মে) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে টি প্লান্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর নেতৃবৃন্দ নিলাম শুরুর বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
সংবাদ সম্মেলনে এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব জহর তরফদার জানান, আগামী ১৪ মে আনুষ্ঠানিক ভাবে শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রায় সকল ‘টি বায়ার’রা এতে অংশগ্রণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ১৪ মে প্রথম নিলামের পর আগামী ২৬ জুন ও ১৭ জুলাই আরো দুটি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। টি প্লান্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশর এর পরিচালনায় এ কেন্দ্রে পর পর তিনটি আন্তর্জাতিক নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম বন্ধ রাখা হবে। এই তিন নিলামের পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেশের দ্বিতীয় নিলাম কেন্দ্রের পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে চা বোর্ড।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্ন আহবায়ক, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য সচিব জহর তরফদার, চা নিলাম কেন্দ্র বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য শেখ লুৎফুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নেছার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিছবাউর রহমান, দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ডা. এম এ আহাদ প্রমুখ।
এসোসিয়েশনের যুগ্ন আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এই নিলাম কেন্দ্র হওয়াতে আমাদের অনেক সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। আগে শ্রীমঙ্গল থেকে চা নিয়ে চট্টগ্রামে নিলাম করতে পায় ১৫ থেকে ২০ দিন সময় চলে যেত। কিন্তু এ নিলাম কেন্দ্র চালু হওয়াতে ফ্যাক্টরি থেকে চা নিলামে যেতে মাত্র ১ সপ্তাহ সময় লাগবে। এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের তুলনায় শ্রীমঙ্গলের দূরত্ব কম থাকায় ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়াতে বায়ার’রা দিনে এসে নিলামে অংশগ্রহণ করে রাতেই ঢাকা ফিরতে পারবেন এবং কি ফাইভস্টার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের উন্নত হোটেল-রিসোর্ট রয়েছে শ্রীমঙ্গলে যার ফলে বিদেশীরাও এসে এখানে নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এই নিলাম কেন্দ্র দেশের চা শিল্পের ভাগ্য বদল করে দিতে পারবে বলে আমরা আশা করছি।

জানা যায়, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের একাধিক জনসভায় এই চা নিলাম কেন্দ্র চালুর ঘোষণা দেন। তার প্রেক্ষিতে নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন হলেও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কার্যক্রম চালু করতে পারেনি। অবশেষে এই নিলাম কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে চা বোর্ড।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩মে,বিক্রমজিত বর্ধন:   মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পরীক্ষামূলকভাবে আগামী ১৪ই মে শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক চা নিলামকেন্দ্রের কার্যক্রম। টি প্ল্যান্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিপিটিএবি) সদস্য সচিব জহর তরফদার এ তথ্য জানিয়েছেন।
শ্রীমঙ্গলে ২০১৭ সালের ৮ ডিসেম্বরে উদ্বোধন হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রের। তবে এ কেন্দ্রে এতদিন কোনো নিলাম অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিটিএবি)’র পরিচালনায় এ কেন্দ্রে পর পর তিনটি আন্তর্জাতিক নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম বন্ধ রাখা হবে। টি সেলস কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক নিলামের পর পর্যালোচনা শেষে দেশের দ্বিতীয় চা নিলামকেন্দ্রের পরবর্তী কার্যক্রম বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশিস বসুর সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ১০ এপ্রিল এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান, চা বোর্ডের সদস্য (অর্থ ও বাণিজ্য) মো. ইরফান শরীফ, কমিটির সদস্য সচিব ও চা বোর্ডের উপ-পরিচালক (বাণিজ্য) মুহাম্মদ মদহুল কবীর চৌধুরী, টিটিএবির সহসভাপতি মোঃ ইউসুফ এবং শ্রীমঙ্গলে চায়ের নিলাম আয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান টি প্ল্যান্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিপিটিএবি) সদস্য সচিব জহর তরফদার। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রতিশ্রুতি মোতাবেক এ বছরই শ্রীমঙ্গলের নিলামকেন্দ্রে চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। আগামী ১৪ মে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম নিলাম।
পরের দুটি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ২৬ জুন ও ১৭ জুলাই। এ কারণে চট্টগ্রামে পূর্বনির্ধারিত মৌসুমের ৫, ১০ ও ১৮ নম্বর আন্তর্জাতিক নিলাম অনুষ্ঠিত হবে না। এছাড়া, চট্টগ্রামে প্রথাগতভাবে সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম অনুষ্ঠিত হলেও শ্রীমঙ্গলে তিনটি নিলাম হবে বুধবারে।এ বিষয়ে টিটিএবির সহসভাপতি মো. ইউসুফ বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলের নিলামকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক নিলাম আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে টি প্ল্যান্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। এখানে তিনটি আন্তর্জাতিক নিলামের পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেশের দ্বিতীয় নিলামকেন্দ্রের পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে চা বোর্ড।
এদিকে, দেশের দ্বিতীয় নিলামকেন্দ্রের উদ্বোধনের পর চা বোর্ডের পক্ষ থেকে মৌলভীবাজারে পাঁচটি ব্রোকার হাউজের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গলে চা বিক্রির জন্য অনুমোদিত ব্রোকার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জালালাবাদ টি ব্রোকার্স, এসটি ব্রোকার্স লিমিটেড, এসটিএলটি ব্রোকার্স লিমিটেড, গ্রেটার সিলেট টি ব্রোকার্স লিমিটেড ও শ্রীমঙ্গল টি ব্রোকার্স লিমিটেড।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮নভেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বির,নিজস্ব প্রতিনিধি: সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সকল নির্বাচনী ওয়াদা পালন করর যাচ্চেন। গত নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা বলেছিলেন বেকারদের জন্য ন্যাশনাল সার্ভিস চালু হবে, আজ তার বাস্তবায়ন হচ্ছে। সকল শিক্ষিত বেকারদের কাজে লাগিয়ে এদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করতে হবে। ২০৪১ সালে আমাদের দেশ হবে একটি উন্নত দেশ। তিনি বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুবকদের কাজ করতে হবে। তিনি শনিবার উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে জৈন্তাপুর উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরিন করিমের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন, ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জয়মতি রানী, জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মোঃ ময়নুল জাকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামাল আহমদ, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও জৈন্তাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর ররহমান, সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী, নিজপাট ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর এলাহি সম্রাট, চিকনাগুল ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ, চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি উপাধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, সাবেক সভাপতি ফয়েজ ফয়েজ অাহমদ, আব্দুল কাদির, চিকানাগুল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হাসনাত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী, নিজপাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম, কামরুজ্জামান চৌধুরী, জাকারিয়া মাহমুদ, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ফারুক আহমদ, যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম শাহিনুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য এবাদুর রহমান, মাসুদ আহমদ, সুমন আহমদ, নাসির উদ্দিন রাসেল, মোতাহার হোসেন শিমুল, নিক্সন রায়, নির্মল দেবনাথ, জালাল উদ্দিন, শামীম আহমদ, বাদশা মিয়া, জুয়েল আহমদ ডালিম, কামরান আহমদ, লুৎফুর রহমান, সুলতান মাহমুদ টিটন, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ শফিক আহমদ, কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ইউ,পি সদস্য শামীম আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আহমদ, মির্জান আহমদ রুবেল, মাহবুবুর রহমান সবুজ, জাহিদুল ইসলাম জায়েদ, ময়নুল ইসলাম বীর, মনসুর আহমদ।
জৈন্তাপুর উপজেলার ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসুচির আওতায় ৬টি ইউনিয়নের ৯শ ১৬জন বেকার যুবক যুবতীর কর্মসংস্থান হবে। ৩ মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তাদেরকে বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ দেয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১নভেম্বর,মিজানুর রহমান,সৌদি আরব প্রতিনিধিঃএবার ভ্রমণ ভিসা চালু করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। এ উপলক্ষে ইতিমধ্যে একটি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আপাতত গ্রুপভিত্তিক ভ্রমণ ভিসা দেওয়া হবে। তবে এ ভিসা পেতে হলে অনুমোদিত ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তাবুক ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ মেম্বার জামাল আল ফাখরি বলেন, অনুমোদিত এজেন্সিগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে তাবুক।

এ ভিসা চালু হলে ভ্রমণপ্রিয়দের দারুণ গন্তব্য হবে সৌদি আরব। ভ্রমণ ভিসা চালু হলে সৌদি আরবে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান হবে। সৌদি আরবের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রুস্তম-আল-কুবাইশি বলেন, সৌদি আরবে অনেক দক্ষ কর্মী আছে।
অনেক কর্মীরা বিদেশি ভাষা জানে। ভ্রমণ ভিসা চালু হলে কাজের খুব সুবিধা হবে। এর আগে গত মাসে সৌদি নারীদের ওপর থেকে ড্রাইভিংয়ের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।এরপরে স্টেডিয়ামে বসে সৌদি নারীরা যেন  খেলা দেখতে পারে সেই অনুমতিও দিতে যাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১অক্টোবর,মিজানুর রহমান সৌদি আরব প্রতিনিধিঃ সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবায় উদ্বোধন করা হয়েছে ‘প্রবাসী সেবা কেন্দ্র’।স্থানীয় সময় বুধবার বিকালে রিয়াদের স্থানীয় এক হোটেলে বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ ও জেদ্দা কনস্যুলেটের পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের প্রকল্পের সহযোগিতায় এ দু্টি প্রবাসী সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা একসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের মো. মুস্তাফিজুর রহমানসহ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মিশন উপপ্রধান এমডি নজরুল ইসলাম, কার্যালয় প্রধান ফরিদ উদ্দিন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক তারেকুল ইসলামসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা।বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহজ ও সুন্দরভাবে সেবা দেওয়া ও তাদের কষ্ট লাঘব করার জন্য প্রবাসী সেবা কেন্দ্রসমূহ কাজ করবে। ভবিষ্যতে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে পর্যায়ক্রমে আরও সেবা কেন্দ্র খোলা হবে।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রশংসা করে বলেন, দূতাবাসের সেবা প্রবাসীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। প্রবাসীরা ছুটির দিনে ও অফিস সময়ের পরে এসব সেবা কেন্দ্র থেকে সেবা নিতে পারবেন।”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮সেপ্টেম্বর,মিজানুর রহমান,সৌদি আরব থেকেঃ    বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৌদি আরবও দ্রুতগতির ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সৌদির আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে জর্দান সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চলীয় আল জওয়াফ প্রদেশের গুরায়াত শহর পর্যন্ত বিশ্বর অন্যতম দীর্ঘ দ্রুতগতির রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২৪ ডিসেম্বরে প্রায় ২,৭৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ উদ্বোধন করা হবে।
এতে দেশটির উত্তরাঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ মানুষের বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই রেলপথ তৈরি হওয়ার ফলে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগের সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা কমবে।
“এর ফলে সৌদির উত্তরে বসবাসরত মানুষের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিবে” এক বার্তায় বলেছেন সৌদি রেলওয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।এক বিবৃতিতে সৌদি রেলওয়ে জানিয়েছে, ওই লাইনে চলাচলকারী প্রত্যেকটি ট্রেন ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে চলবে এবং ৪৪৪ জনের মত যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। দুই শিফটে ভাগ করা সার্ভিসটিতে দিনে ও রাতে একটি করে ট্রেন চলবে।
এই রেললাইনের জন্য ৬টি রেল স্টেশন নির্ধারণ করা হয়েছে যেখানে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধাসহ গাড়ি পার্কিং , দোকান , ভ্রমণার্থীদের জন্য বিশ্রাম কক্ষ ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের দুই পবিত্র নগরী মক্কা এবং মদিনার মধ্যে যাতায়াতের জন্যও উচ্চগতির ট্রেন চালু করা হচ্ছে। ‘হারামাইন এক্সপ্রেস’ নামের বিশেষ এই ট্রেন সার্ভিস আসছে জানুয়ারিতে চালু হবে বলে জানিয়েছে সৌদি গেজেট।
‘হারামাইন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার (১৯০ মাইল) বেগে মক্কা থেকে মদিনা পর্যন্ত ৪৫৩ কিলোমিটার পথে বিরতিহীনভাবে (নন-স্টপ) চলাচল করবে। এতে  হজ, ওমরা ও জিয়ারতকারীরা নিরাপদ, আরামদায়ক এবং যানজটমুক্তভাবে শহর দুটির মধ্যে চলাচল করতে পারবে। পাশাপাশি এতে বাস সার্ভিসের ওপরও চাপ কমবে।
এই রেললাইনের ১০টি লেনের মধ্যে ৬টি লেনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকী কাজগুলো আগামী কয়েক মাসে শেষে হবে বলে আশাবাদী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এ প্রকল্পটি জেদ্দায় অবস্থিত বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রেলওয়ে স্থাপনার অংশবিশেষ।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় রেললাইনটি নির্মিত হচ্ছে।
বৈদ্যুতিক এই রেললাইনটি জেদ্দা থেকে মক্কা পর্যন্তও চালু হবে। উল্লেখ্য যে, সৌদি আরবের নির্মাণাধীন ৪৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ উচ্চগতির ইন্টারসিটি রেল ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম হিসেবে হারামাইন হাইস্পিড রেল প্রকল্পটি ‘ওয়েস্টার্ন রেলওয়’ বা ‘মক্কা-মদিনা হাই স্পিড রেলওয়ে’ নামে পরিচিত। এটি হজ, ওমরা ও দর্শণার্থী মিলিয়ে বছরে ৩ লাখ যাত্রী পরিবহন করতে পারবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০জুলাই,বেনাপোল প্রতিনিধি : গ্রীণলাইন পরিবহনের ঢাকা কোলকাতা দু’টি সৌহার্দ যাত্রীবাহী বাসের সরাসরি চলাচলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। সোমবার বেলা ১২ টার সময় ভারতীয় গ্রীণলাইন পরিবহনের দুটি বাস হরিদাসপুর চেকপোষ্ট দিয়ে বেনাপোল চেকপোষ্টে প্রবেশ করে। ভারতীয় শ্যামলী-সৌহার্দ্য পরিবহনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন চুক্তি হয়েছে গ্রীণলাইন পরিবহনের সাথে।
ভারতীয় গ্রীণলাইন পরিবহনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সঞ্জয় দত্ত ও তার সহোযোগী পার্টনার আলী হোসেন বাস দুটিতে ২২ জনের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে কোলকাতা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে। বেনাপোল চেকপোষ্টে গাড়ি দু‘টি বেলা ১২ টার সময় প্রবেশ করলে বাংলাদেশ গ্রীণলাইন পরিবহনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আলাউদ্দিন, বেনাপোল বাজার গ্রীণলাইন পরিবহনের ব্যবস্থাপক রবীন্দ্রনাথ ও চেকপোষ্ট কাউন্টারের ম্যানেজার জসিম উদ্দিনের নের্তৃত্বে গাড়ি দু‘টিতে ফুল ছিটিয়ে বরণ করে নেয়।
নতুন এ সৌহার্দ্য বাস দু’টিতে কোলকাতা থেকে ঢাকার ভাড়া ধার্য্য করা হয়েছে ভারতীয় এক হাজার চার শত (১৪০০) টাকা এবং ঢাকা থেকে কোলকাতার ভাড়া ধার্য করা হয়েছে বাংলাদেশী এক হাজার সাত শত (১৭০০) টাকা
বাংলাদেশের গাড়ির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হাজী আলাউদ্দিন জানান, ভারতের করুণাময় সল্টলেক থেকে গাড়ি দু‘টি সোমবার বুধবার ও শুক্রবার সপ্তাহে তিন দিন ছেড়ে আসবে। বাংলাদেশের ঢাকা কমলাপুর থেকে শনি, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ছেড়ে যাবে।

প্রবাসীদের হটিয়ে স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান বাড়াতে চায় সৌদি আরব!

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ প্রবাসী ও তাদের উপর নির্ভরশীল সদস্যদের উপর নতুন ট্যাক্স আরোপ করেছে সৌদি আরব। গলফ নিউজের খবরে বলা হচ্ছে, গত ১ জুলাই থেকে এই ট্যাক্স আদায় শুরু হচ্ছে। গত দুই বছর দাম রেকর্ড কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের ব্যবসায় ধরা খায় সৌদি আরব। এক বছরে দেশটির ঘাটতি বাজেট দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি ডলার।

এর পরই সৌদি অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে নড়েচড়ে বসে। ইতিমধ্যে দেশটি ২০৩০ ভিশন নামে একটি রূপকল্প হাতে নিয়েছে; যার আওতায় প্রবাসীদের উপর ট্যাক্স আদায়ের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রবাসীদের ওপর নির্ভরশীল প্রত্যেক সদস্যকে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে মাসিকভিত্তিতে ১০০ রিয়াল করে ফি দিতে হবে।

এটা বছরে বছরে বাড়ানো হবে। ২০১৮ সালের জুলাইতে এই ফি হবে ২০০ রিয়াল, ২০১৯ সালে হবে ৩০০ রিয়াল আর ২০২০ সালে হবে ৪০০ রিয়াল।

প্রবাসীদের হটিয়ে স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান বাড়াতে চায় সৌদি আরব। সে পরিকল্পনায় দেশটি প্রবাসীরা কাজ করে এমন কোম্পানির উপরও এক ধরনের কর আরোপ করে; বছরে বছরে এ করও বাড়বে বলে জানানো হয়।
যেসব কোম্পানিতে প্রবাসীর সংখ্যা স্থানীয় নাগরিকদের সমান বা তার কম- তাদের জন্য ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানকে জনপ্রতি ৩০০ রিয়াল করে মাসিক ফি দিতে হবে। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে এটা হবে ৫০০ রিয়াল। আর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে হবে ৭০০ রিয়াল।
স্থানীয়দের চেয়ে কোম্পানিতে প্রবাসী বেশি হলে ওই কোম্পানিকে জন প্রতি ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে দিতে হবে ৪০০ রিয়াল, ২০১৯ সালে দিতে হবে ৬০০ রিয়াল এবং ২০২০ সালে তা হবে ৮০০ রিয়াল।
খবরে বলা হয়, সেসব কোম্পানিতে স্থানীয়দের চেয়ে বিদেশিরা বেশি; সেসব কোম্পানিকে বিদেশি জনপ্রতি ২০০ রিয়াল করে লেভি (এক ধরনের কর) দিতে হয়। এই ফি ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হবে। তবে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের ওপর ট্যাক্স বসানোর যে চিন্তা ছিল তা কার্যকর হচ্ছে না।
এ ধরনের পরিকল্পনা আপাতত সৌদি আরবের নেই বলে দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।  এ ধরনের পরিকল্পনা আপাতত সৌদি আরবের নেই বলে দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯মে,বেনাপোল থেকে এম ওসমান: উদ্বোধনের দীর্ঘ ৩ বছর ৯ মাস পার হওয়ার পর আগামী ২ জুন চালু হতে যাচ্ছে বেনাপোল চেকপোস্ট স্থলবন্দর আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন। নকশায় না থাকলেও ভবনটির তৃতীয় তলাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বন্দর পরিচালকের দপ্তর হিসেবে। অন্যদিকে নিচতলায় পরিবহনের কাউন্টার করায় বন্দরের কর্মকর্তাদের মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি হয়েছে। পরিবহন কাউন্টারের জন্য আলাদা টার্মিনাল ও পরিবহন মালিকদের আলাদা অফিস কাউন্টার রয়েছে। এর ফলে স্বাচ্ছন্দ্যে যাত্রীদের পারাপারে বাধাগ্রস্ত হবেন।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহাজান খান প্যাসেঞ্জার টার্মিনালটির আবারও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালুর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
এর আগে ২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট নৌ-পরিবহন মন্ত্রী এই প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও অবহেলায় এতদিন তা চালু করেনি। এদিকে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনে প্রবেশ করলেই যাত্রীদের মাথাপিছু ৩৩ টাকা পরিশোধ করতে হবে। যাত্রীরা টার্মিনালে প্রবেশ করবে কি না তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে অনেকে বলেছেন পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকলে সেটা দিতে কোনো অসুবিধা নেই।
বেনাপোল স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ভবনের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে এ আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনাল। ১০ তলা ভিত্তির ওপর বর্তমানে ৩ তলা পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৬৭৫ বর্গফুটের এ ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় ৭ কোটি ৬৮ লাখ ১৭ হাজার ৮৮২ টাকা। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিক ট্রেডিং কর্পোরেশন নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করে ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে ভবনটি হস্তান্তর করে। তারপর নৌ-পরিবহন মন্ত্রী উদ্বোধন করেন। এর পরপরই ভবনটির তিন তলায় চালু করা হয় বন্দরের প্রশাসনিক ভবনের কার্যক্রম। আর নিচতলা ও দ্বিতীয় তলা খালি পড়ে থাকে।

ভবনের নকশায় রয়েছে, নিচতলায় একই সময়ে পাঁচটি বড় বাস দাঁড়ানোর মতো খালি জায়গা, খোলা বারান্দা, কাঁচ দিয়ে ঘেরা যাত্রীদের বিশ্রামকক্ষ, পর্যাপ্ত শৌচাগার, ব্যাংকের বুথ ও টোল আদায় কক্ষ, দ্বিতীয় তলায় যাত্রীদের জন্য ৩ হাজার ৮৪০ বর্গফুটের রেস্তোরাঁ, শৌচাগারসহ বিশ্রামকক্ষ, হাত-মুখ ধোয়ার কক্ষ (ওয়াশ রুম) এবং তৃতীয় তলায় টার্মিনাল তদারকি কার্যালয়, বিশেষ অতিথিদের (ভিআইপি) জন্য পাঁচটি বিশ্রামকক্ষ, শৌচাগার ও খোলা প্রাঙ্গণ থাকার কথা।
ভবনে ঢুকে দেখা গেছে, নিচতলায় কিছু পরিবহনের কাউন্টার করা হয়েছে। দোতলায় কাজ চলছে। তৃতীয় তলায় ভিআইপিদের জন্য নির্মিত পাঁচটি কক্ষে বসে দিব্যি অফিস করছেন বন্দর পরিচালকের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। যাত্রীদের বিশ্রামের বিশাল কক্ষে বসেন কর্মচারীরা। তার একপাশে বানানো হয়েছে নামাজের স্থান। প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের নকশায় এর কোনোটিই নেই।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ব্যবসা, ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার দেশি-বিদেশি পাসপোর্টযাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করছে। ভ্রমণ কর বাবদ সরকার প্রতি বছরে প্রায় একশ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আয় করে থাকে। কিন্তু শুরু থেকে এপথে যাত্রী সেবার মান খুব নাজুক ছিল। সরকার ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বেনাপোল চেকপোস্টে আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জের টার্মিনাল নির্মাণ করেন। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এতদিন তা চালু করা হয়নি। ফলে যাত্রীরা বি ত হচ্ছিলেন তাদের কাঙ্খিত সেবা থেকে।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেন, বন্দরের সাথে বিভিন্ন বৈঠকে যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি আলোচনায় আসার পর এক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক বাস ও প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল নির্মাণের স্বপ্ন পূরণ হয় বেনাপোলবাসীর। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও তার সুফল মানুষ ভোগ করতে পারছিল না। এখন এটা চালু হলে মানুষ কাঙ্খিত সেবা পাবে বলে তিনি আশা করেন।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন মজুমদার বলেন, প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন চালু হলে যাত্রীরা সেখানে মাত্র ৩৩ টাকার বিনিময়ে বিশ্রামের জন্য দিনভর অবস্থান করতে পারবেন। একই ভবনের নিচে থাকছে ঢাকা-কলকাতাগামী যাত্রীবাহী পরিবহন কাউন্টার ও খাওয়ার জন্য ক্যান্টিনের ব্যবস্থা। এতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের সিনিয়র উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ও ইমিগ্রেশন কাস্টমস কার্যালয়ের ভবন পাশাপাশি অবস্থিত। দুটি ভবনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের বিষয়ে দুই পক্ষের একমত হতে তিন বছরের বেশি সময় লেগে গেছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সবাই একমত হওয়ায় আগামী ২ জুন এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে। এর ফলে যাত্রীরা টার্মিনালের মধ্য দিয়ে ইমিগ্রেশনে সরাসরি যেতে পারবেন।

এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টার্মিনাল ভবনের নকশায় না থাকলেও বন্দর পরিচালকের দপ্তর আপাতত টার্মিনাল ভবনেই থাকবে। কারণ, বন্দর পরিচালকের ভবনে এখন রাজস্ব বিভাগের কাজ চলে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৬মে,নাজমুল সুমন: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ২১মে বৃটেনের  বার্মিংহামের সহকারী হাইকমিশনের সাবিক ব্যাবস্তাপনায় ও কমিউনিটি নেতাদের সহযোগীতায়  আনন্দঘণ পরিবেশে কার্ডিফের গ্রেঞ্জটাউন দি হ্যাভ কমিউনিটি সেন্টারে  সাড়াদিনব্যাপী কনসূলার সার্ভিস প্রদান করা হয়েছে। ওয়েলসের কার্ডিফ ছাড়াও সোয়ানসী নিউপোট ব্রিজেন্ড ও বারী সহ বিভিন্ন শহর থেকে কনসূলার সার্ভিসে প্রচুর লোকের সমাঘম হয়েছে।বৃটেনের বার্মিংহামের সহকারী হাইকমিশনার হিজএক্সেলেন্সী মোহাম্মদ জুলকার নাঈন এর নেতৃত্বে হাইকমিশনের অন্যান্য অফিসার বৃন্দের মধ্যে ২য় সচিব মোহাম্মদ রেজাউল করিম. প্রশাসনিক অফিসার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম,ইশতিয়াক আকবর, মোশারফ হোসেন ও জয়নাল আবেদীন এই সার্ভিস প্রদান করেন।

সকাল ১০ ঘটিকা থেকে সন্ধ্যা  ৬টা পযন্ত অনুষ্ঠিত কনসূলার সার্ভিসের শুরু থেকে শেযঅবধি কমিউনিটি লিডার আলহাজ্ব আনোয়ার আলী ও কমিউনিটি সংগঠক সাংবাদিক মকিস মনসুর আহমদ ও জাকির হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ কার্ডিফ তথা  ওয়েলসবাসীর পক্ষ থেকে এই  সার্ভিস প্রদানে সহযোগী হিসাবে ভৃমিকা পালন করেছেন।

ওয়েলসের কার্ডিফ কমিউনিটির দাবীর পরিপেক্ষিতে বছরে অন্ততপক্ষে ৪টি সার্ভিস প্রদানের ব্যাপারে ওয়েলস বাংলা নিউজের এডিটর  সাংবাদিক মকিস মনসুর এর এক প্রশ্নের জবাবে বার্মিংহামের সহকারী  হাইকমিশনার মোহাম্মদ জুলকার নাঈন কমিউনিটির সহযোগীতাকারী সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো সহ কমিউনিটির চাহিদা থাকলে বছরে ৪টি সার্ভিস প্রদান করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন এবং  প্রয়োজনে আগামী জুলাই মাসে আরেকটি কনসূলার সার্ভিস দেওয়া যেতে পারে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেছেন। সার্ভিস শেষে বার্মিংহামের সহকারী হাইকমিশনার মোহাম্মদ জুলকার নাঈনকে কমিউনিটি লিডার আলহাজ্ব আনোয়ার আলী ও কমিউনিটি সংগঠক মকিস মনসুর আহমদ দীর্ঘদিন পর কনসূলার সার্ভিস প্রদান করায় কমিউনিটির পক্ষ থেকে  কৃতজ্ঞতা ও  অভিনন্দন সহ বিদায়ী ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এদিকে বার্মিংহামের সহকারী হাইকমিশনার  হিজএক্সেলেন্সী মোহাম্মদ জুলকার নাঈন  ঐতিহ্যবাহী কার্ডিফ শাহ্‌জালাল  বাংলা স্কুল ও কাডিফে ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্ট প্রজেক্ট এর  জায়গা পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৩মে,এইচ আর খানঃ  সিলেটে শিক্ষার্থীদের পুষ্ঠিহীনতার হাত থেকে রক্ষা ও স্কুলমুখী করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধে ‘মিড ডে মিল’ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের পুষ্ঠিহীনতার হাত থেকে রক্ষা ও স্কুলমুখী করতে সিলেটের জেলা পুলিশ এ উদ্যোগ নিয়েছে।শনিবার দুপুরে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা জকিগঞ্জের বিয়াবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়ে গেলো ‘মিড ডে মিল’ চালু করেন সিলেটের পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান। সিলেটের পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান নিজের হাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের হাতে খাবার তুলে দেন।এসময় প্রথম বারের মতো স্কুলে খাবার পেয়ে  শিক্ষার্থীরা উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন।

পর্যায়ক্রমে সিলেট জেলার সবক’টি থানা ও এলাকার একটি করে বিদ্যালয়ে এ ‘মিল’ চালু করা হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন পুলিশ সুপার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন- পিছিয়ে পড়া এলাকার লোকজন তাদের শিশুদের স্কুলে দিতে আগ্রহী হননা। এছাড়া যেসব শিশু স্কুলে ভর্তি হয় তারা প্রাথমিক শিক্ষা শেষ না করেই ঝরে পড়ে। এই ঝরে পড়া রোধে ‘মিড ডে মিল’ কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। সিলেটের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগীরা এগিয়ে আসলে সিলেটের সবক’টি স্কুলে এ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ড. আকতারুজ্জামান বসুনিয়ার সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাক আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) সুজ্ঞান চাকমা, সিলেট জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্র চন্দ্র দাস প্রমুখ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮মার্চ,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জনবল সংকটের কারনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ রেলওয়ের হবিগঞ্জ জেলার শাহাজীবাজার,মুকুন্দপুরসহ ৬০টি স্টেশন আবারও চালু হয়েছে। বৃহস্পতিবার নরসিংদীর ঘোড়াশাল স্টেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের ঘোষণার মধ্য দিয়ে বন্ধ এ স্টেশনগুলো পুনরায় চালু করা হলো। লোকবল সংকটের কারণে দীর্ঘদিন থেকে এই রেলস্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় রেলের গতি ফিরছিল না।

এগুলো পুনরায় চালু করার মধ্য দিয়ে তা ফিরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ৬০টি চালু করা হলেও পর্যায়ক্রমে রেলওয়ের সকল বন্ধ স্টেশন চালু করা হবে। ৬০টি স্টেশনের জন্য ১২০জন স্টেশন ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ পয়েন্টম্যান্ট, সুইপারও রয়েছে। স্টেশন ম্যানেজার ১২ ঘন্টা করে রোস্টারিং পদ্ধতিতে দ্বায়িত্ব পালন করবেন।

সূত্র জানায়, ১৯৯১-৯২ সাল থেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করে বিএনপি সরকার রেল স্টেশন পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা শুরু করে। এরপর তারা দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেই ২০০১ সাল থেকে বন্ধ করে দেয় রেলের জনবল নিয়োগ। তাছাড়া প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার লোকবল গোল্ডেন হেন্ডশেক দিয়ে বিদায় দেয়া হয় সেসময়। পাশাপাশি ছাটাই করা হয় বিপুল সংখ্যক কর্মচারী। ফলে ধীরে ধীরে ১৪০টি রেল স্টেশন বন্ধ হয়ে যায়। এতে এক দিকে যেমন যাত্রী দুর্ভোগ বেড়েছে, অন্য দিকে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে রেল বিভাগকে রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বলে জানায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

জানা গেছে, সারা দেশে রেল স্টেশন রয়েছে ৪৫৯টি। এর মধ্যে বন্ধ রয়েছে ১৪০টি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দেশের বিভিন্ন জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিলেও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এসব স্টেশন। এবার এগুলো চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রথম দফায় চালু হওয়া স্টেশনগুলো হলো, শাহাজীবাজার, মুকুন্দপুর, সাতগাঁও, লংলা বরমচাল, মুহুরীগঞ্জ, ফাজিলপুর, শর্শদী, নাওটী, ময়নামতি, দৌলতগঞ্জ, খিলা, নাথেরপেটুয়া, বজরা, শাহাতলী, সরকারহাট, ঝাউতলা, ফুলতলা, রূপদিয়া, মেহেরুল্লানগর, সফদারপুর, আনসারবাড়ীয়া, মিরপুর, পাকশী, আজিমনগর, মাধনগর, রানীনগর, হিলি, ভাবানীপুর, ডোমার, কাঁকনহাট, নাচোল, বেনাপোল, কুমারখালী, খোকসা, পাংশা, পাঁচুরিয়া জংশন, আমিরাবাদ, ফরিদপুর, মধুখালী জংশন, আলতাফনগর, ভেলুরপাড়া, মহিমাগঞ্জ, ঘোড়াশাল,আমীরগঞ্জ, শ্রীনিধি, ভাওয়াল গাজীপুর, সাতখামাইর, ধলা, উমেদ নগর, পিয়ারপুর, কেন্দুয়া বাজার, ভূয়াপুর, বিস্কা, সোহাগী, নান্দাইল রোড, কালিকাপ্রসাদ, ঠাকুরকোনা, বারহাট্টা ও অন্নদা নগর।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc