Wednesday 28th of October 2020 08:09:03 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩এপ্রিল,চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ):   ছাতকে ২২লাখ টাকার ৫৪মে.টন সরকারি ওএমএসের চালের বস্তা পাল্টিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ির কাছে বিক্রির অভিযোগে ২জনকে পুলিশ আটক করেছে। এসময় ৫৪মেট্রিকটন ওএমএসের চাল উদ্ধার করা হয়। আটককৃত চাল জড়িত দু’ব্যক্তিকে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের নির্দেশে অবশেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এলাকাবাসি ও প্রশাসনের পরস্পর বিরুধি বক্তব্য নিয়েই উপজেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের গণক্ষাই গ্রামের দিলোয়ার হোসেনের বাড়ি ভাড়ায় নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে সরকারি ওএমএসের চালের বস্তা পরিবর্তন করে বিভিন্ন ব্যবসায়ির কাছে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকার লোকজন সোচ্চার হলে গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গুদামে অভিযান চালায়।

এসময় ওএমএসের চালের বস্তা পাল্টানোর সাথে জড়িত গণক্ষাই গ্রামের খোয়াজ আলীর পুত্র সুজন মিয়া (২৫)সহ ৩শ্রমিক পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি চালক মখলিছুর রহমানের পুত্র মাসুক আহমদও তার সহযোগি বাঁশখালা গ্রামের মৃত হাজি ফজর আলীর পুত্র রূপা মিয়াকে আটক করে। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে পুলিশ তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এসব খয়রাতি ওএমএসের চাল বিক্রির টাকা নির্বাহী অফিসার, এলএসডি ও খাদ্য নিয়ন্ত্রকের পকেটে যাচ্ছে। এব্যাপারে গণক্ষাই গ্রামের কালা মিয়া, শামছুল ইসলাম, আব্দুল আহাদ ও আরজ আলীসহ গ্রামবাসি জানান, গণক্ষাই গ্রামের দিলোয়ার হোসেনের বাড়িতে দীর্ঘদিন থেকে ইউএনওর ড্রাইভারের পুত্র মাসুকের নেতৃত্বে একটিচক্র সরকারি চালের বস্তা বদল করে বিক্রি করে আসছে।

এর আগে গ্রামবাসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় এর প্রতিবাদ করা হয়েছে। কিন্তু মাসুক নিজেকে ইউএনওর পুত্র পরিচয় দিয়ে গ্রামবাসিকে হুমকি প্রদর্শন করে আসছিল। এব্যাপারে এসআই অরুন কুমার দাস জানান, গণক্ষাই গ্রামের একটি বাড়িতে ৪৮মে.টন সরকারি ওএমএসের চাল পাওয়া যায়। এগুলো নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে রেখে আসছেন বলে জানান।

নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নাছির উল্লাহ খান জানান, পিআইসির মাধ্যমেই ৪৮মে.টন চাল বিক্রি করা হয়েছে। ৩টি ডিওর মাধ্যমে ৪৮মে.টন চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। পরে মাসুক মিয়া নামের একজনের কাছে এসব চাল বিক্রি করা হয়। তবে চালগুলো অবশ্যই সরকারি চাল ছিল বলে তিনি দাবি করেন। সুনামগঞ্জ সহকারি পুলিশ সূপার (ছাতক-দোয়ারা জোন) মো. দোলন মিয়া জানান, গণক্ষাই এলাকায় একটি বাড়িতে সরকারি চালের বস্তা পরিবর্তনের ঘটনা জেনে তিনি পুলিশ পাঠিয়েছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১ফেব্রুয়ারি,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের গোয়াইনঘাটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বিশেষ ভিজিএফ এর আওতায় বরাদ্ধকৃত ২৫বস্থা চাল আত্মসাতের সময় পুলিশ পাচারকারী ও গাড়ী চালক সহ ৩ জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশের এসআই সমিরণ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন যার নং-১৭/১৮।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলা সদরের সবজি বাজার পয়েন্ট দিয়ে জাফলং পাচার কালে ভিজিএফের চাল বোঝাই পিকআপ ভ্যান সিলেট-ন-১১-২১৮৯ নং গাড়ী চালক এবাদসহ আলীরগাঁও ইউনিয়নের পুর্নানগর গ্রামের হাসমত উল্লাহর পুত্র ফারুক আহমদ (৪০), একই গ্রামের শফিকুর রহমানের পুত্র মজুল মিয়াকে (৩৫) কে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।

সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলা প্রশাসন হতে ভিবিন্ন ইউনিয়নের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের নামের তালিকা চাওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ভিবিন্ন ইউপি সদস্যরা তালিকা প্রধান করেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এসকল পরিবার প্রতি ৩০ কেজি চাল পেলেও স্থানীয় ইউপি সদস্যরা খাদ্য গোদাম কর্মকর্তার সাথে অাতাত করে বিজিএফের চাল আত্মসাৎ করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেন৷ মঙ্গলবার উপজেলা খাদ্য গোদাম হতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও খাদ্য গোদাম কর্মকর্তা ২৫২ বস্থা চালের স্থলে ২৭৭ বস্থা চাল গ্রহন করেন। খাদ্য গোদামের তালিকায় ২৫২ বস্তা চাল গ্রহন করা হয়েছে বলে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট খাদ্য গোদামের কর্মকর্তা শিবু ভুষন পাল’র সাথে আলাপ করলে প্রথমে এ বিষয়ে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদকে অনুরোধ করেন। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় থানার অফিসার ইনচার্জ মো: দেলওয়ার হোসেন চাউল আত্মসাতের ঘটনায় ৩ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,
এঘটনায় এজহারে উল্লেখ করা অপরাপর আসামীদের আটক করতে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫মার্চ,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সরকারী খাদ্য গোদাম থেকে পাচাঁরের সময় ২টি ট্রলি ও ৫টন চালসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোলাম আউলিয়া,নিরাপত্তা প্রহরী তারি মিয়া,চালের ডিলার শফি আলম ও রাইস মিল মালিক আলী হায়দারকে আসামী করে থানায় মামলা নং-১২ দায়ের করা হয়েছে।বুধবার দুপুর ১টায় মামলাটি দায়ের করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহকারী অজয় চন্দ্র দাস। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামের চালের ডিলার শফি আলম ও জয়নগর গ্রামের রাইস মিল মালিক আলী হায়দায়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার সরকারী খাদ্য গোদাম থেকে ৫০কেজি ওজনের ১০০বস্তা চাল ২টি ট্রলি যোগে পাচাঁর করে সোলামানপুর নামক স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় খবর পেয়ে তাহিরপুর থানার এসআই রফিক ট্রলিসহ চাল আটক করেন। এসময় ট্রলির চালকরা চালের বস্তাসহ ২টি ট্রলি রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটককৃত চালের বস্তায় সরকারী খাদ্য অধিদফতরের সীল মোহর রয়েছে এবং ১শত বস্তা চালের মধ্যে ১৮বস্তা চাল পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খাদ্য গোদামের চাল রয়েছে। পরে যাচাই বাচাইয়ের জন্য সন্ধ্যা ৬টায় আটককৃত চালের বস্তাগুলো ট্রলিসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়া হয়। এবং রাত ৯টায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জবানবন্দি নিয়ে রাইস মিল মালিক আলী হায়দার ও চালের ডিলার শফি আলমকে গ্রেফতার করা হয়।

এব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা গোলাম আউলিয়া বলেন,আটককৃত চালের বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারব না,কারণ আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,সরকারী চাল পাচাঁরের ঘটনার প্রেক্ষিতে ২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আর ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গোদাম কর্মকর্তা গোলাম আউলিয়া ও নিরাপত্তা প্রহরী তারি মিয়াকে গ্রেফতারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিদের্শনা চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর বলেন,গ্রেফতারকৃত আসামীদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc