Wednesday 28th of October 2020 05:40:55 AM

সোলেমান আহমেদ মানিক,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  শ্রীমঙ্গলে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন বিক্রির অপরাধে শহরের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্র্যামমান আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গল র‍্যাব-৯ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর আহমেদ নোমান জাকির এর উপস্থিতিতে র‌্যাবের সার্বিক সহায়তায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নেছার উদ্দিন এর নেতৃত্বে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ বদরুল হুদা।

শ্রীমঙ্গলে আটক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৬(ক) লংঘন করে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ বিক্রয় করায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার স্টেশন রোডস্থ আরেফিন সিদ্দিকীকে ২০,০০০ টাকা, সুমন রায় কে ৫৫,০০০ টাকা ও মাসুদ রানাকে ১,০০,০০০ টাকার,পৃথক ০৩ টি মামলায় মোট ১,৭৫,০০০ টাকা নগদ অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত পলিথিন শপিং ব্যাগ বিধিসম্মতভাবে ব্যবহার অনুপযোগী করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১মার্চ,এস কে দাশ সুমন:  শ্রীমঙ্গল  শহরতলির  বিভিন্ন  ব্যাবসা  প্রতিষ্ঠানসহ  হাট  বাজারে  দিন  দিন  বেড়েই  চলেছে  বাংলাদেশ  সরকার  কর্তৃক  নিষিদ্ধ  ঘোষিত  পলিথিনের  ব্যাগের  উৎপাদন  ও  ব্যবহার। কোন  কিছুতেই  লাগাম  টেনে  ধরা  যাচ্ছে  না  এই  নিষিদ্ধ পলিথিনের  উৎপাদন  ও  ব্যবহার , আর পরিবেশ  ও  জনস্বাস্থ্যের  জন্য  ক্ষতিকর  এসব  অপচনশীল  দ্রব্যে  মারাত্মক  স্বাস্থ্য  ঝুঁকিতে  ফেলেছে  আমাদের  জনজীবন  ও  জীব  বৈচিত্র্য।

সরেজমিনে  পরিদর্শনে  গিয়ে  দেখা  যায়  শ্রীমঙ্গল  উপজেলার  বিভিন্ন  ব্যাবসা  প্রতিষ্ঠান  শপিং  মল, কাঁচা বাজার,  মাছ  বাজারে  দেদারছে  পলিথিন  বিক্রির  রীতিমত  উৎসব  চলছে। অত্র  উপজেলার  হাট  বাজারের  বিভিন্ন  দোকানে  দেখা  গেছে  এসব  পলিথিনের  ব্যবহার । ফলে  মাটি  হারাচ্ছে  তার  উর্বরতা  ও  বন্ধ  হচ্ছে  পয়ঃনিষ্কাশন  ব্যবস্থা।  দূষিত হচ্ছে  বিশুদ্ধ  বায়ু  প্রবাহ  সেই  সাথে  ছড়াচ্ছে  বিভিন্ন  ক্ষতিকর  রোগ  জীবাণু। সল্প  পূঁজিতে  অধিক  লাভজনক  ও  বাজারে  এর  ব্যাপক  চাহিদা  থাকায়  কিছু  অসাধু  ব্যবসায়ী  পলিথিন  উৎপাদনে  আগ্রহী  হয়ে  উঠছে  এবং  রাতারাতি  আঙ্গুল  ফুলে  কলা  গাছ  হয়ে  যাচ্ছে।
পরিবেশ  অধিদপ্তরের  সুত্রমতে  ১৯৮২  সালের  প্রথম  দিকে  দেশের  অভ্যন্তরীণ  বাজারে  প্রথম  পলিথিনের  বাজারজাত  ও  ব্যবহার  পর্ব  শুরু  হয়।  সহজে পরিবহন  যোগ্য  ও  স্বল্পমূল্যের  কারণে  এদেশের  ব্যাপক  জনগোষ্ঠীর  কাছে  পলিথিনের  ব্যাবহার  দ্রুত  জনপ্রিয়  হয়ে  উঠে। কিন্তু  ক্রমান্বয়ে  পলিথিনের  ব্যাপক  চাহিদা  ও  যত্রতত্র  ব্যবহার  এবং  ফেলে  রাখার  কারনে  পরিবেশের  মারাত্মক  বিপর্যয়  ডেকে  আনছে  এই  পলিথিন । বিশেষ  করে  ড্রেন,  ডোবা,  পুকুর,  নালা, খাল  সহ  বিভিন্ন  জলাশয়ে  পলিথিন  জমা  হবার  কারনে  ওইসব  স্থানে  জলের  স্বাভাবিক  প্রবাহ  বাধাগ্রস্ত  হয়, যার  দরুন  মশা – মাছির  প্রজনন  বৃদ্ধি  সহ  পরিবেশের  মারাত্মক  বিপর্যয়  সৃষ্টি  করে।
এর  ফলশ্রুতিতে  গনপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশ  সরকারের  পরিবেশ  অধিদপ্তর  ২০০২  সালে  বাংলাদেশে  পলিথিন  ব্যাগ  উৎপাদন,  আমদানি,  বাজারজাত, ক্রয় – বিক্রয়,  প্রদর্শন,  মজুদ  ও  বিতরণ  সম্পূর্ণ  নিষিদ্ধ  করে। কিন্তু  পরিতাপের  বিষয়  সরকারের  পক্ষে  নিষিদ্ধ  ঘোষিত  হবার  একযুগ  পরেও  আবার  মাথাচাড়া  দিয়ে  উঠেছে  নিষিদ্ধ  পলিথিনের  অবাধ  বিক্রয়  ও  বিতরণ  সমগ্র  দেশের  ন্যায়  শ্রীমঙ্গলে  বিক্রি  হচ্ছে  পরিবেশ  ও  জনস্বাস্থ্যের  জন্য  ক্ষতিকর  এই  অপচনশীল  পলিথিন।
শহরতলির  বিভিন্ন  ব্যবসা  প্রতিষ্ঠান  ও  বাজারে  স্বল্পমূল্যে  এসব  পলিথিন  তুলে  দেওয়া  হচ্ছে  ক্রেতাদের  হাতে  যা  পরবর্তীতে  গিয়ে  পড়ছে  বিভিন্ন  পুকুর,  ডোবা,  ড্রেন  ও  রাস্তায়।  তৈরি  করছে  স্বাস্থ্য  ঝুঁকি  বন্ধ  হচ্ছে  পয়ঃনিস্কাশন  ব্যাবস্থা  তৈরি  হচ্ছে  জলাবদ্ধতা ।
দ্বরিকা  পাল  মহিলা  কলেজের  সহকারী  প্রভাসক  ও  লাউয়াছড়া  বন  ও  জীববৈচিত্র  রক্ষা  আন্দোলন  কমিটির  আহ্বায়ক  জলি  পাল  বলেন  পলিথিন  আমাদের  সমাজের  জন্য  মারাত্মক  হুমকি  স্বরূপ  এটি  পরিবেশের  ভারসাম্য  নষ্ট  করে  এতে  মাটির  উর্বরাশক্তি  বিনষ্ট  হয়  ফসল  উৎপাদনে  প্রতিবন্ধকতা  সৃষ্টি  করে,  আইনের  যথাযথ  প্রয়োগের  মাধ্যমেই  এর  ব্যবহার  রোধ  করা  সম্ভব।  এ  ব্যাপারে  পৌর  কতৃপক্ষ  এবং  স্থানীয়  প্রশাসনের  দৃষ্টি  আকর্ষণ  করছেন  শ্রীমঙ্গলের  সচেতন  নাগরিক  সমাজ।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৮জুন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদ্য ঘোষিত কমিটির সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানকে মানছেন না অধিকাংশ নেতা কর্মীরা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যে বলয়ে ছিলেন এই বলয়ের নেতাদেরও প্রবল বিরোধীতার মুখে পড়েছেন। তাদের দাবী বিএনপির মত একটি সংগঠনের জেলায় নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা তার অর্জন হয়নি।

অন্যদিকে বিএনপির রাজনীতির তার প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতাদের বক্তব্য তিনি সরকার দলের নেতাদের দালাল। সেকারণে উভয়মুখী চাপে পড়ে নতুন সম্পাদকের এখন নাস্তা নাবুদ অবস্থা।

গত ২৫ মে বিএনপির মহা সচিব স্বাক্ষরিত ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষনা করেন। ঐ কমিটিতে বিবদমান দু’গ্রুপ থেকেই সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক মনোনিত করা হয়। ভাবা হয়েছিল দীর্ঘ ৮ বছরের গ্রুপিং এর অবসান হবে। কিন্তু কমিটি ঘোষনার পর নতুন আরেক মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে।

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুর পর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি মূলত: দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর এক ভাগে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন প্রয়াত সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পুত্র সাবেক এমপি এম নাসের রহমান। অন্য অংশে নেতৃত্ব দেন মহিলা আসনের সাবেক সাংসদ বেগম খালেদা রব্বানী। বর্তমান কমিটির সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ছিলেন খালেদা রব্বানীর অনুসারী। এই অংশে আরো ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যান ফয়ছল আহমেদসহ উল্লেখ যোগ্য আরো নেতারা।

 এদিকে নতুন কমিটি ঘোষনার পর মিজানের অনুসারিরা শহরে আনন্দ মিছিল করলেও জেলা বিএনপির বৃহৎ অংশ ও ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদলসহ সকল অংগসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারী দলের দালাল আখ্যা দিয়ে তার বিপক্ষে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএপির সিনিয়র নেতা মৌলভী আব্দুল ওয়ালি সিদ্দিকী, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মুকিত,বকসী মিছবাউর রহমান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মতিন বকসসহ বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের আরো অনেকে।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মিজান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মতো তার কোন যোগ্যতা নেই। ষড়যন্ত্র করে তিনি সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামের নেতা কর্মীদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে মিজান সরকার দলের এজেন্ট ছিলেন। তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে সাইফুর রহমানের উত্তরসূরী হিসাবে এম নাসের রহমানই মৌলভীবাজার সদর আসনের বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। তিনি বলেন, মিজানকে জেলা বিএনপির সম্পাদক করায় সরকারী দলের এজেন্ডাই বাস্তাবায়ন হবে আর দলের আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রাম নির্বাচন কর্ম পরিকল্পনা আগাম ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

বিগত দিনে সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের তার উপর কোন একটি মামলা নেই। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সাথে আতাঁত করে তিনি রাজনীতি করেন। অনেক ত্যাগি ও সিনিয়র নেতাকর্মীদের রেখে সরকার দলের একজন দালালকে বিএনপিরমতো সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ত্যাগি নেতাকর্মীরা কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে পারছেন না।

 জানা গেছে,গত প্রায় ৮ বছর ধরে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির ৩ সদস্যের একটি অপুর্ণাঙ্গ কমিটি ছিল। ঐ কমিটির সভাপতি ছিলেন এম নাসের রহমান সাধারন সম্পাদক খালেদা রব্বানী ও প্রথম যুগ্ম সম্পাদক এম এ মুকিত। তারাই বিগত ৮ বছর ধরে জেলায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম  পরিচালনা করেন। তবে দৃশ্যত সাংগঠনিক কার্যক্রম দুই ধারায় পরিচালিত হয়। নাসের এর সঙ্গে ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক এম এ মুকিত। অন্যদিকে খালেদার সঙ্গে ছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন, চেয়ারম্যান ফয়ছল আহমেদ ও মিজানুর রহমান মিজান।

এদিকে জেলা বিএনপির নুতন কমিটি ঘোষনা করার পর দলের জন্য মামলা হামলা ও নির্যাতনের শিকার ত্যাগী নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের স ারিত হয়। তাদের অভিযোগ,বিগত সময়ে সরকার বিরোধী সকল আন্দোলনে মিজানের ভূমিকা ছিল দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ। আন্দোলন সংগ্রামের কারণে সাবেক অর্থমন্ত্রী পুত্র এম নাসের রহমানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ত্যাগী অনেক নেতা কর্মীরা পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ঐসব নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দেওয়া হয়। তখন সময় জেলার নেতারা পুলিশের তারা খেয়েও আন্দোলন সংগ্রাম পরিচালনা করেন। অন্যদিকে বর্তমান কেন্দ্র ঘোষিত কমিটির সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানের উপর সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময়ের কোন মামলাই হয়নি। জনশ্রতি রয়েছে সরকার দলের নেতাদের সঙ্গে আতাঁত করে লোক দেখানো মিছিল হয়েছে পৌরসভা থেকে চৌমোহনা পর্যন্ত। তাও করা হয়েছে পুলিশের অনুমতি নিয়ে। এসব অভিযোগে নতুন কমিটির সম্পাদককে কোন পক্ষই মেনে নিতে পারছেন না।

জেলা বিএনপি  নেতা ফয়ছল আহমদ বলেন,‘আমরা খালেদা রাব্বানীর বাসায় বসে বিএনপির কমিটির তালিকা কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। নতুন কমিটিতে কিভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি আরও বলেন,মিজানুর রহমান ছাত্র নেতা হিসাবে ঠিক থাকলেও জেলা বিএনপির মতো একটি কমিটিতে তাকে সেক্রেটারী করা হয়েছে তা যোগ্য হিসাবে আমি মনে করি না। আমরা কেন্দ্রে এ কমিটিকে অবিলম্বে বাতিলের জন্য সুপারিশ করব।

জেলা বিএনপির নতুন কমিটির  সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, হঠাৎ করে কিভাবে কমিটি হয়েছে তা আমি জানি না। আমরা যেভাবে তালিকা দিয়েছি সেভাবে কমিটি হয়নি। অনেক নেতাকর্মী আছেন যারা দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা রাখেন, তাদেরকে করা হয়েছে জেলা কমিটির সদস্য। অন্যান্য নেতা আছেন যারা যোগ্য পোষ্টে থাকার কথা তাদের নাম দেয়া হয়নি। আবার যারা ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা রাখেন তাদের নাম কমিটিতে নাই।

তিনি আরও বলেন,আমি দীর্ঘদিন জেলা বিএনপির সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেছি। এখন আমাকে দলের সহ সভাপতি করা হয়েছে। এটি দলের কেউ মানতে পারছেন না। বর্তমান সম্পাদকের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন এদের দিয়ে বিএনপির মত বৃহৎ সংগঠন পরিচালনা করা সম্ভব নয়। আমি দু তিন দিনের মধ্যে নেতাদের নিয়ে বসবো। নতুন কমিটির বিরুদ্ধে কেন্দ্রে অনাস্থা পাঠাব।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে সাবেক এমপি এম নাসের রহমানকে সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ভিপি মিজানুর রহমান মিজানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি’র অনুমোদন দেয়া হয় এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৫এপ্রিল,এস কে দাশ সুমন: শ্রীমঙ্গল শহরতলির  বিভিন্ন  ব্যাবসা  প্রতিষ্ঠান  সহ  হাট  বাজারে  দিন  দিন  বেড়েই  চলেছে বাংলাদেশ  সরকার  কর্তৃক   নিষিদ্ধ  ঘোষিত  পলিথিনের  ব্যাগের  উৎপাদন ও  ব্যবহার। কোন  কিছুতেই  লাগাম  টেনে  ধরা  যাচ্ছে  না  এই  নিষিদ্ধ  পলিথিনের  উৎপাদন  ও ব্যবহার , আর  পরিবেশ  ও  জনস্বাস্থ্যের  জন্য  ক্ষতিকর  এসব  অপচনশীল  দ্রব্যে  মারাত্মক স্বাস্থ্য  ঝুঁকিতে  ফেলেছে  আমাদের  জনজীবন  ও  জীব  বৈচিত্র্য।

শ্রীমঙ্গল  উপজেলার  বিভিন্ন  ব্যাবসা  প্রতিষ্ঠান  শপিং  মল, কাঁচা বাজার,  মাছ  বাজারে দেদারছে  পলিথিন  বিক্রির  রীতিমত  উৎসব  চলছে। অত্র  উপজেলার  হাট  বাজারের বিভিন্ন  দোকানে  দেখা  গেছে  এসব  পলিথিনের  ব্যবহার । ফলে  মাটি  হারাচ্ছে  তার উর্বরতা  ও  বন্ধ  হচ্ছে  পয়ঃনিষ্কাশন  ব্যবস্থা।  দূষিত  হচ্ছে  বিশুদ্ধ  বায়ু  প্রবাহ  সেই  সাথে ছড়াচ্ছে  বিভিন্ন  ক্ষতিকর  রোগ  জীবাণু। সল্প  পূঁজিতে  অধিক  লাভজনক  ও  বাজারে  এর ব্যাপক  চাহিদা  থাকায়  কিছু  অসাধু  ব্যবসায়ী  পলিথিন  উৎপাদনে  আগ্রহী  হয়ে  উঠছে এবং  রাতারাতি  আঙ্গুল  ফুলে  কলা  গাছ  হয়ে  যাচ্ছে।

পরিবেশ  অধিদপ্তরের  সুত্রমতে  ১৯৮২  সালের  প্রথম  দিকে  দেশের  অভ্যন্তরীণ  বাজারে প্রথম  পলিথিনের  বাজারজাত  ও  ব্যবহার  পর্ব  শুরু  হয়।  সহজে পরিবহন  যোগ্য  ও স্বল্পমূল্যের  কারণে  এদেশের  ব্যাপক  জনগোষ্ঠীর  কাছে  পলিথিনের  ব্যাবহার  দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে  উঠে। কিন্তু  ক্রমান্বয়ে  পলিথিনের  ব্যাপক  চাহিদা ও  যত্রতত্র  ব্যবহার  এবং  ফেলে রাখার  কারনে  পরিবেশের  মারাত্মক  বিপর্যয়  ডেকে  আনছে।বিশেষ  করে  ড্রেন,  ডোবা, পুকুর,  নালা, খাল  সহ বিভিন্ন  জলাশয়ে  পলিথিন  জমা  হবার  কারনে  ওইসব  স্থানে  জলের স্বাভাবিক  প্রবাহ  বাধাগ্রস্ত  হয়, যার  দরুন  মশা – মাছির  প্রজনন  বৃদ্ধি  সহ  পরিবেশের মারাত্মক  বিপর্যয়  সৃষ্টি  করে।

এর  ফলশ্রুতিতে  গনপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশ  সরকারের  পরিবেশ  অধিদপ্তর  ২০০২  সালে বাংলাদেশে  পলিথিন  ব্যাগ  উৎপাদন,  আমদানি,  বাজারজাত, ক্রয় -বিক্রয়,  প্রদর্শন,  মজুদ ও  বিতরণ  সম্পূর্ণ  নিষিদ্ধ করে। কিন্তু  পরিতাপের  বিষয়  সরকারের  পক্ষে নিষিদ্ধ  ঘোষিত হবার  একযুগ  পরেও  আবার  মাথাচাড়া  দিয়ে  উঠেছে  নিষিদ্ধ  পলিথিনের  অবাধ ব্যবহার। সরকারি  তথ্যমতে, ২০১০ সালে পলিথিনের পরিবর্তে  পাটজাত  ব্যাগ  ব্যবহারের  আইন পাশ  করা  হয়।

বাংলাদেশের  অভ্যন্তরীণ  বাজারে ২০০২ সালের  দিকে  পলিথিন ব্যাগ  বা  পলিথিন উৎপাদন নিষিদ্ধ  হওয়ার পর  সারাদেশে এর  বিপক্ষে জোরালো  অভিযান  পরিচালিত  হয়  এবং আইনের  কঠোর  প্রয়োগের মাধ্যমে  পলিথিনের  ব্যবহার  শূন্যের  কোঠায়  নামিয়ে আনা সম্ভব  হয়েছিল।  এরপর  দীর্ঘ  প্রায়  ১০  বছর  পার  হয়ে  যায়,  কিন্তু  আইন  ভঙ্গ  করে যারা  পলিথিন  উৎপাদন,  বিক্রয়  ও  ব্যবহার  করছে,  তাদের  বিরুদ্ধে  নজরদারি বা আইনগত  তেমন  কোনো  প্রক্রিয়া  এখন  আর  দেখা  যাচ্ছে  না।  যথাযথ  নজরদারি  না থাকায়   সেই  পুরোনো  আদলেই  পলিথিন  ব্যবহার  শুরু  হয়েছে

বলা  হয়ে  থাকে  পরিবেশ  ও  জনস্বাস্থ্যের  জন্য  মারাত্মক  হুমকির  কারন  ও  ক্ষতিকর দিক বিবেচনা  করে  রপ্তানিমুখী  শিল্প  ব্যতীত  বাংলাদেশে  সব  ধরনের  পলিথিন  ব্যাগ উৎপাদনকারী  শিল্পের  উৎপাদন,  বাজারজাতকরণ  ও  ব্যবহার  নিষিদ্ধ  করা  হয়েছিল ২০০২  সালে।  ওই  বছরই  ১  জানুয়ারি  ঢাকায়  এবং  ১  মার্চ  সারাদেশে  পরিবেশ  রক্ষায় পলিথিনের  তৈরি  ব্যাগের  ব্যবহার  নিষিদ্ধ  করা  হয়,  পরিবেশ  সংরক্ষণ  আইন  ( সংশোধিত )- ২০০২  অনুযায়ী,  এই  আইন  অমান্য  করলে  ১০  বছরের  সশ্রম  কারাদন্ড – এবং ১০  লাখ  টাকা  জরিমানা  করার  বিধান  রয়েছে।  আর  বাজারজাত  করলে  ৬ মাসের জেল  এবং  ১০  হাজার  টাকা  জরিমানার  বিধান  রাখা  হয়েছে।  কিন্তু   বর্তমানে  দেশের অভ্যন্তরীণ  বাজারে  প্রকাশ্যে  পলিথিন  ব্যবহার  করা  হলেও  এই  আইনের  কোনো  প্রয়োগ দেখা  যাচ্ছে  না।

বাংলাদেশ  সরকারের  পরিবেশ  অধিদপ্তরের  পরিসংখ্যানে  দেখা  যায়,  ১৯৯৩  সালে সারাদেশে  প্রতিদিন  ৪.৫  মিলিয়ন  পলিথিন  ব্যাগ  ব্যবহার  হতো ।  ২০১৩  সালে  এর ব্যবহার  বৃদ্ধি  পেয়ে  দাঁড়ায়  ৯.৩ মিলিয়নে  বর্তমানে  তার  দ্বিগুন  এভাবে  চলতে  থাকলে ভবিষ্যতে  এদেশের  জনস্বাস্থ্যে  পরিবেশ  ও  জীববৈচিত্রের  জন্য  অপেক্ষা  করছে  মারাত্মক বিপর্যয়।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৫এপ্রিল,এস কে দাশ সুমনঃ চায়ের  রাজধানী  খ্যাত  পর্যটক  নগরী   শ্রীমঙ্গল  শহরে   জননিরাপত্তার  কথা  মাথায় রেখে  ২০১৫  সালের  ফেব্রুয়ারি  মাসে  শ্রীমঙ্গল উপজেলার  আইন  শৃঙ্খলা  পরিস্থিতির  সভায় উপজেলা  প্রশাসন  শ্রীমঙ্গল  পৌরসভা  ও স্থানীয়  প্রশাসন  মিলে  সর্বসম্মত  ভাবে  অত্র এলাকায়  ও  আঞ্চলিক  মহাসড়কে  জন দুর্ভোগ  সৃষ্টিকারী  ব্যাটারি  চালিত  অটোরিক্সার চলাচল  নিষিদ্ধ  করে  স্থানীয়  প্রশাসন। তখনকার  উপজেলা  প্রশাসনের  দায়িত্বে  থাকা উপজেলা  নির্বাহী  কর্মকর্তা  মো. শহীদুল  হক এ  বিষয়ে  হুঁশিয়ারি  দিয়ে  বলেছিলেন  মন্ত্রী পরিষদ  বিভাগ  ও  জেলা  আইন  শৃঙ্খলা কমিটির  যথাযথ  নির্দেশনা  বাস্তবায়ন  করতেই জনস্বার্থে  এমন  সিদ্ধান্ত  নিতে  হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে  শহর  ও  পার্শ্ববর্তী  এলাকায়  প্রায়   ৮ শতাধিক  রিক্সা  চলাচল  করছে।  সল্পপূজিতে   অনেকেই  একে  লাভজনক  ব্যাবসা  মনে  করে মাত্র  ৪০  হাজার  টাকা  ব্যায়ে  ব্যাটারী  চালিত অটোরিক্সার  তৈরি  করেন। এসব  অটোরিক্সার প্রত্যেকটি  ব্যাটারি  চার্জ  দিতে  পাঁচ  দিনে  যে পরিমাণ  বিদ্যুত  খরচ  হয়  তা  দিয়ে  একটি পরিবারের  পুরো  মাসের  বিদ্যুতের  যোগান দেওয়া  সম্ভব।

তাছাড়া  ক্ষিপ্র  গতি  ও  গ্রাহকদের  কাছ  থেকে বাড়তি  ভাড়া  আদায়  করার  অভিযোগ  ত আছেই।  প্রতিনিয়ত  দূর্ঘটনার  শিকার  হয়েছেন অসংখ্য  যাত্রী।

বর্তমানের  প্রশাসনের  কর্তাব্যক্তিদের  বুড়ো আঙুল  দেখিয়ে  শ্রীমঙ্গল  শহরতলি  ও আশপাশের এলাকায়  চলছে  অটোরিক্সার দৌরাত্ম্য। যাত্রী  নিয়ে  হরহামেশাই  দেখা মিলছে  রিকশা  নামক দানব  যন্ত্রটির। বিশেষ করে  রাতের  বেলা  শ্রীমঙ্গল  চৌমুহনা  চত্বরে দেখতে  পাওয়া  যায় এই যন্ত্র  দানবের জটলা। শ্রীমঙ্গল  ট্রাফিক  বিভাগ  ও  প্রশাসনের  সুষ্ঠ নজর  দারির  অভাবে বেপরোয়া  এসব  চালক বৃন্দ বলে জানান স্থানিয়রা।

 

 প্রাথমিক ও কিন্ডার গার্ডেন শিক্ষকদের সহায়তায়

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০মার্চ,বেনা‌পোল থেকে এম ওসমান: যশোরের শার্শা উপজেলার ১২৬টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩৯টি কিন্ডার গার্টেনে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সহায়ক বই খ্যাত হিসাবে গাইড বই এর রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে প্রকাশনী সংস্থা। সংস্থার সাথে শার্শা উপজেলার কতিপয় শিক্ষক নেতা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সহযোগীতায় কোমলমতি শিশুদের কাধে তুলে দিচ্ছেন বাজারের কেজি দরের বিক্রয় যোগ্য এ সকল গাইড বই। প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীর হিসাব করে গড় আনুপাতিক হার অনুযায়ী প্রধানদের প্রকাশনী সংস্থার কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানে বা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বাসায় উপস্থিত হয়ে ১০/২০’হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ ও শ্রেণী শিক্ষকগণ প্রকাশনী সংস্থার নিকট থেকে নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী গ্রহণ করে ২য় শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের এসব নিষিদ্ধ গাইড বই কেনার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন।

উপজেলার নাভারণ, বেনাপোল, বাগআঁচড়া, জামতলা ও শার্শা সদরসহ ছোট বড় বিভিন্ন বাজারে ২০টি লাইব্রেরীতে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত এ সকল গাইড বই বিক্রয় করছে। অত্র অ লের সাধারণ মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে অবস্থানে থেকে দিন মজুরী খেটে অর্থ উপার্জন করে। তাদের পক্ষে নিজেদের সংসার চালিয়ে অধিক মূল্যে গাইড বই কিনে তাদের সন্তানদের লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নি¤œ আয়ের অভিভাবকেরা এখন এসব প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শ্রেণী শিক্ষকের কাছে হয়ে পড়েছে জিম্মি। এরপরও বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শ্রেণী শিক্ষকের চাপে পড়ে উচ্চ মূল্যের এসব নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতে হচ্ছে। ২য় শ্রেণী থেকে ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত গাইড বইগুলির মধ্যে রয়েছে আশার আলো, লেকচার, পাঞ্জেরী, জুপিটর, আদিল, দিগন্ত, ক্যামব্রিয়ান, গ্লোবাল, অনুপম, ক্লাস ফ্রেন্ড, এ্যাপোলো, সংসদ, ক্যাপ্টেন, জননী, সুপার ও ছাত্র কন্ঠ। এ সকল নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের চার্টলিষ্ট ও মূল্য তালিকা প্রস্তুত করে প্রকাশ্যে প্রত্যেক লাইব্রেরীর সামনে ঝুলিয়ে লাইব্রেরীর মালিকগণ বিক্রয় করছে।

শার্শা উপজেলায় ১৩টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ,৭ম ও ৮ম শ্রেণীতে উন্নীত হওয়ার সুবাদে স্ব-ঘোষিত ও অনির্বাচিত প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কতিপয় নেতাদের নের্তৃত্বে ২য় শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত চলছে গাইড বই বিক্রয়ের নির্দেশনা। এই ১৩টি প্রতিষ্ঠানে নতুন করে শুরু হয়েছে  নিষিদ্ধ সুপার গাইড বই বিক্রয়ের হিসাব নিকাশ। ক্ষমতাধর শিক্ষক নেতা, প্রকাশনী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কেজি দরের বিক্রয়যোগ্য নিষিদ্ধ গাইড বই ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিক্রয় করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ভাবে নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রয় সংক্রান্ত কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় পার পেয়ে যাচ্ছেন ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গরা।

এ বিষয়ে যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার অধিকারী বলেন, নিষিদ্ধ গাইড বই সংক্রান্ত ব্যাপারে কোন শিক্ষক জড়িত থাকলে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc