Friday 30th of October 2020 10:06:35 AM

নূরুজ্জামান ফারুকীঃ   মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে অপহরণ মামলার এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে তাকে উপজেলার দুর্গম এক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‍্যাব সূত্রে জানা যায়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের জালালিয়া রোডস্থ জালাল আহমদের পুত্র রুমান খান সজিব (২৪)।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি ওবাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।

কে এস এম আরিফুল ইসলামঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন রামনগর গ্রাম থেকে র‍্যাব-৯ সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প) এর অভিযানে ৪০ বোতল বিদেশী মদসহ চন্দন কুর্মি এবং স্বপন রাজ ভল্লব নামে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার (২০শে অক্টোবর) রাতে এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প)এর একটি অভিযানিক দল কোম্পানি কমান্ডার মেজর আহমেদ নোমান জাকি’র নেতৃত্বে রামনগর গ্রাম থেকে ৪০ বোতল বিদেশী মদ এবং তাদের ব্যবহারিত সিএনজি ()ও একটি মোবাইল সেটসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার লাখাইছড়া চা বাগানের বাসিন্দা ধনেশ কুর্মি’র ছেলে চন্দন কুর্মি (৩৪), অপরজন একই উপজেলার সীশেলবাড়ী চা বাগানের বাসিন্দা পিন্টু রাজ ভল্লব এর ছেলে স্বপন রাজ ভল্লব (১৮)।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আহমেদ নোমান জাকি এ প্রতিনিধিকে বলেন, “আমরা এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, একটি সিএনজিতে করে দুই মাদক কারবারি ৪০ বোতল মাদক বহন করছে বিক্রির জন্য। আর এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করি এবং তাদেরকে আলামতসহ গ্রেফতার করি।
আমি আশাকরি আপনারাও যদি আমাদেরকে এভাবে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা সবসময়ই দেশ ও জনগণের কল্যাণে পদক্ষেপ নিতে পিছপা হব না।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আলামতসহ আসামীদেরকে স্থানীয় থানায় প্রেরন করেন।

মাদকসহ উদ্ধারকৃত সিএনজ

সিলেটে প্রতিনিধিঃ  সিলেটে নগরীর বন্দর বাজার ফাঁড়িতে ‘পুলিশের নির্যাতনে’ মারা যাওয়া রায়হান আহমদ হত্যায় জড়িতদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা না হলে হরতাল সড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়েছে।

দুপরে নিহত রায়হান আহমদের পরিবার ও বৃহত্তর আখালিয়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানানো হয়। একইসঙ্গে এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ছয় দফা দাবিও জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগমের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রায়হানের মামাতো ভাই শওকত।

দাবিগুলি হলো রায়হান হত্যাকাণ্ডে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন, রায়হান হত্যায় জড়িত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর ভূঁইয়াসহ দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, পলাতক এসআই আকবর ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তারে আইজিপির নির্দেশ কামনা, পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য, নিহতের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করলে হরতাল-সড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলন।

পুলিশের দাবি ছিনতাইকালে রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রায়হানের বিরুদ্ধে মামলা আছে কিনা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে উত্তরে পরিবার জানায় রায়হানের বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই সে ভালো ছেলে।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর ভোরে নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার যুবক রায়হান আহমদকে পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে এনে নির্যাতন করা হয়।
এরপর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১২ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর আকবরসহ চার পুলিশকে বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর বিকেল থেকে আকবর পলাতক রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রায়হানের মরদেহ কবর থেকে তুলে দ্বিতীবার ময়নাতদন্ত করে পিবিআই। ওই দিনই শেষে বিকেলে আখালিয়া নবাবী মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে রায়হানের মরদেহ আবারও দাফন করা হয়।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:   হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরসভার পশ্চিম পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা দৈনিক খবরপত্র ও দৈনিক হবিগঞ্জের জননী পত্রিকার চুনারুঘাট প্রতিনিধি মোঃ মোজাম্মেল হক ও তার পিতা মোঃ তুরাব আলীকে পুর্ব বিরোধের জের ধরে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় একই গ্রামের সোলেমান মিয়ার ছেলে দোলন মিয়া (২৩)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১টায় ওই গ্রামে চুনারুঘাট থানা এসআই রাজন দেবের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দোলন কে গ্রেপ্তার করে। চুনারুঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলী আশরাফ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২৯ এপ্রিল বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে ওই গ্রামের আব্দুল করিমের নেতৃত্বে সুলাইমান, দোলন মিয়া, সুজন ,মিজান মিয়া, রইছুন্নেছাসহ একদল দূর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক মোজাম্মেল হক ও তার পিতাকে কুপিয়ে আহত করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মামলার প্রেক্ষিতে দোলনকে গ্রেপ্তার করেছি। সে অনেকদিন ধরে পলাতক ছিলো। রবিবার বেলা ১২টায় জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:   নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন মামলার আরেক আসামি শামসুদ্দিন সুমনকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী কালেঙ্গা পাহাড় থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কালেঙ্গা ত্রিপুরা বস্তি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সুমন নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার ইখলাছপুর গ্রামের নিয়ামত উল্লাহর ছেলে। তাকে বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

হবিগঞ্জ পিবিআই ইন্সপেক্টর মুক্তাদির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিবিআইর একটি টিম কালেঙ্গা পাহাড়ে ত্রিপুরা বস্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় পাহাড় থেকে সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাসপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় ওই গৃহবধূর বসতঘরে ঢুকে তার স্বামীকে পাশের কক্ষে বেঁধে রাখেন স্থানীয় বাদল ও তার সহযোগীরা।এর পর গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা।

এ সময় গৃহবধূ বাধা দিলে তারা বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করে মোবাইলে ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। সেটি ছড়িয়ে দেন ইন্টারনেটে। এ ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

রোববার রাত ১টার দিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নির্যাতিত গৃহবধূ (৩৫) বাদী হয়ে মামলা করেন।

মিনহাজ তানভীর:  পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) এর নির্দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বিভিন্ন থানায় ১২ মামলার আসামি ওয়াদুদ মিয়া, পিতা-মৃত ধলাই মিয়া, গ্রাম- জাতুর্কুন পাড়া, থানা-বানিয়াচং, জেলা হবিগঞ্জ-কে গ্রেফতার করে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে সদর থানার ২টি ডাকাতি, বড়লেখা থানার ১টি ডাকাতি ও ১টি অস্ত্র মামলা, শ্রীমঙ্গল থানায় ১টি ডাকাতি, ১টি মাদক ও ৩ টি চুরির মামলা এবং হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানায় ১টি চুরির মামলা, বানিয়াচং থানার ২টি চুরির মামলাসহ মোট ১২ টি মামলা রয়েছে।
জানা যায় শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনাস্হ কিংসুজ দোকানের সম্মুখ থেকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে নয়টায় তাকে আটক করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের এএসআই নজরুল ইসলামসহ পুলিশের একটি টিম। এসময় তার সাথে বিভিন্ন জাতের পাউডার ও নেশা জাতীয় দ্রব্য পাওয়া যায়।পরের দিন তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস ছালেক গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ জাতীয় অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি পলাতক আসামিদের ব্যাপারে তথ্য দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানান।
প্রসঙ্গত আটককৃত ওয়াদুদ এর ব্যাপারে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়,সে রেলওয়েসহ যাত্রীবাহী বাস ও অন্যান্য যানবাহনে চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহার করে চুরি ছিনতাই চালিয়ে যাচ্ছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জঃ  সিলেটে পর্নোগ্রাফি আইনে দায়েরকৃত এক মামলায় নবীগঞ্জের মোঃ নাজমুল আলম (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে পৌরসভার জয়নগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।
জানা যায়, সিলেট কোতায়তলী থানায় জনৈকা এক মহিলা পর্নোগ্রাফি আইনে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে জিআর ৬২০/১৯ নং মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় নাজমুল আলম দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার এএসআই আক্তার হোসেনসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে জয়নগর থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার দাশ।

 

 

 

 

 

 

মিনহাজ তানভীরঃ  শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এর সরকারী বাসায় গত সোমবার ৩১ আগস্ট ভোর রাতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুইটি ল্যাপটপ একটি আইফোনসহ ৪টি মোবাইল, নগদ ১৫ হাজার টাকা ও কিছু বডি স্প্রে চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সিসিটিভির ফুটেজের সুত্র ধরে শনাক্তকৃত চোরকে মালামালসহ আটক করেছে শ্রীমঙ্গল পুলিশ।
জানা যায়, ঘটনার পর থেকে পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে সুত্র ধরে তল্লাশি চালিয়ে আজ শনিবার (৫আগস্ট) রাতে গোপন সূত্রে চোরের অবস্থানের খবর নিশ্চিত করে শহরের শাহিবাগ আবাসিক এলাকা থেকে রাজন মিয়া পিতা দুলাল মিয়াকে আটক করে তার স্বীকারোক্তিতে একটি জলাশয় থেকে তিনটি মোবাইল উদ্ধার করেন শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি টিম।

সিসিটিভি ফুটেজ থেকে প্রাপ্ত ছবি। ছবি সংগৃহীত 

প্রসঙ্গত প্রথমে চুরি হওয়া মালামালের মধ্য থেকে দুটি ল্যাপটপ, একটি আইফোন, কিছু বডি স্প্রে, ইউএনও এর বাসার বাউন্ডারির ভিতরে ময়লা আবর্জনা ঢাকা অবস্থায় জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। আজ আরও তিনটি মোবাইল উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস ছালেকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম।

উদ্ধার কৃত মোবাইলের ৩ টি সেট। ছবি সংগৃহীত

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস ছালেক আমার সিলেটকে বলেন,গত ৩১ আগস্ট দিবাগত রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে ল্যাপটপ,মোবাইল,ডিএসএলআর ক্যামেরা,নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।এ ব্যাপারে অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সিসিটিভিসহ বিভিন্ন ওয়েতে খুঁজে লেগে যায়  পরে সিসিটিভি ফুটেজের সুত্র থেকে তাকে শনাক্ত করে আটক করি,রোববার পুর্বের মামলার ভিত্তিতেই আদালতে  আদালতে প্রেরণ করা হবে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকে:  নবীগঞ্জ উপজেলার শাহ্ তাজ উদ্দিন কোরেশি স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিজ বাড়ী থেকে অপহরণের ঘটনায় মামলা দায়েরের একবছর পর আসামীকে পৌরসভার কানাইপুর থেকে গ্রেফতার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১০ আগষ্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দেবপাড়া (বাঁশঢর) গ্রামের নিজ বাড়ীর টিউবওয়েল থেকে পানি আনার পথে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। ওই ঘটনা পরপর স্কুল ছাত্রীর স্বজনরা মেয়েকে উদ্ধারে গেলে আসামীরা স্বজনদের উপর হামলা করে। হামলার স্কুল ছাত্রীর পিতা-মাতাসহ ৪ জন আহত হয়। পরে ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা বাউসা দেবপাড়া স্কুলের সহকারী শিক্ষক ১৩ আগষ্ট নবীগঞ্জ থানায় রাব্বীসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নিযার্তন দমন আইনে মামলা করেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ.এস আই রুহল আমিন পৌরসভার কানাইপুর তার নানা বাড়ি থেকে বাউসা ইউনিয়নের বাঁশঢর গ্রামের শাহাব উদ্দিনের ছেলে মামলার ২নং আসামী নবাব উদ্দিনকে (২০) গ্রেফতার করে। পরে আসামিকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সমীরন দাশ বলেন, আসামী চার্জশিটভুক্ত ২ নং আসামী। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর আসামীকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকেঃ  নবীগঞ্জ বাউসা ইউনিয়নের বাশডর (দেবপাড়া) গ্রামে জাহির হত্যা মামলার ৩ আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বিশেষ অভিযান চালিয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাশডর (দেবপাড়া) গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় জাহির হত্যা মামলার অন্যতম মৃত করম আলীর পুত্র মোঃ ছোবান মিয়া (৩৮), মৃত জবেদ আলীর পুত্র মোঃ হামিদ মিয়া (২৪) ও মৃত মিঠাই মিয়ার পুত্র মোঃ জনাব আলী (৩২) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, নবীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম বাশডর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: নবীগঞ্জ উপজেলার বাউশা ইউনিয়নের বাশডর (দেবপাড়া) জাহির আলী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মনর মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৌলভীবাজার লামাতাশি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার (ওসি) অপারেশন মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে জাহির আলী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মনর মিয়াকে গ্রেফতার করে।
নবীগঞ্জ উপজেলার বাউশা ইউনিয়নের বাশডর (দেবপাড়া) গ্রামে বিজনা নদীর জমহাল নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপরে বাড়ীঘরে হামলা ভাংচুর, লুটপাট ও বর্শা দিয়ে বৃদ্ধ জাহির আলী (৭৫)কে খুন করা হয়।

ঘটনায় নিহতের ছেলে আরস আলী বাদী হয়ে ৯৩ জনের নাম উল্লেখ করে (১৭ জুলাই) নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। উল্লেখ্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মনর মিয়াসহ এই হত্যা মামলায় ১৫ জনকে আটক করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

জহিরুল ইসলাম,প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য মন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে নানা কটুক্তি ও ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রচারের অভিযোগে দেলোয়ার হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ১৯ জুন বিকেলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন সহ রুমেল আহমদ ওরফে মমতা আহমদ, মুহিবুর রহমান, সৈয়দ আদনানুল হক, আসুক আহমদ গত ১০ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীকে নিয়ে ফেইসবুকে মিথ্যা ও আপত্তিকর স্ট্যাটাস, ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন আপলোড ও শেয়ার করতে থাকে।

এ ধরণের অপপ্রচারে সামজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টির আশঙ্কায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এর আগে ১ নং আসামী সহ অন্যান্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে ১৮/০৮/২০১৮ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধায়ায় মামলা হয়। মামলাটি বিচারাধিন রয়েছে।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলার উমরপুর গ্রামে এক লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত ৭ ডাকাতকে আটক করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ বিভিন্ন স্থানে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এসময় ডাকাতদলের ধস্তাধস্তিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আটককৃতরা হলো, নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী গ্রামের আজমান মিয়ার পুত্র নজির মিয়া (৩০), একই উপজেলার পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের কাজী তাহের মিয়ার পুত্র কাজী ইব্রাহিম (২৫) মামদপুর গ্রামের নুরুল রবির পুত্র ছাওয়াল রবি জঙ্গী (৩০), বানিয়াচঙ্গ উপজেলার বক্তারপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের পুত্র জুনেল মিয়া (২৫), একই গ্রামের অলিউরের পুত্র রুমেল (২৫), ও মোশাহিদ মিয়ার পুত্র তোফাজ্জল মিয়া (২০)।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ২৪ বছর পরেও বাঁচতে পারেনি মৌলভীবাজারের এক খুনের আসামি । কথায় বলে “অপরাধ কোনদিন কাউকে ক্ষমা করে না” এই প্রবাদ বাক্যটি চলে গেল ২৪ বছরের পলাতক খুনের আসামি রহিমুল্লাহর জীবনে কমলগঞ্জ থানার পুলিশের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় একটি হত্যা মামলায় চব্বিশ (২৪) বছর ধরে পলাতক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রহিম উল্ল্যা (৫৫) কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। সে আদমপুর ইউনিয়নের তাহির উল্ল্যার ছেলে। ১৯৯৫ সালের আরজান মিয়া নামক এক ব্যক্তিকে হত্যা করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার অন্যতম আসামী ছিলেন তিনি।
গত কাল রোজ বুধবার (১৫ জানুয়ারী) বিকালে আদমপুর ইউনিয়নের সাঙ্গাইছাবী গ্রামের আসামীর নিজ বাড়ি থেকে এএসআই আনিছুজ্জমান ও রিপন সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের সাঙ্গাইছাবী গ্রামের আরজান মিয়াকে ১৯৯৫ সালে হত্যা করা হয়। তৎকালীন সময়ে কমলগঞ্জ একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার জি আর নং-১৭৭/৯৫। সে মামলার অন্যতম আসামী রহিম উল্ল্যা। মামলার পর থেকেই সে পলাতক ছিলো । বিজ্ঞ আদালত ২০১৩ সালে রহিম উল্যার বিরোদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। দীর্ঘ চব্বিশ (২৪) বছর পর রোজ বুধবার গোপন সংবাদে ভিত্তিতে ওসি মোঃ আরিফুর রহমানের নিদের্শে এএস আই আনিছুজ্জমান ও রিপন সরকারের নেতৃতে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল তাকে আদমপুরের সাঙ্গাইছাবি গ্রাম থেকে বিকালে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়।
কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান হত্যা মামলার আসামী রহিম উল্ল্যাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

অপরদিকে সিনিয়র এএসপি {কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল} সার্কেল আশরাফুজ্জামান বলেন ,হত্যা মামলার আসামি অথবা আদালতের রায়ে অভিযুক্ত পলাতক আসামি আমরা ২৪বছর কেন মরনের আগ পর্যন্ত হলেও গ্রেপ্তার করা হবে। আইনের কাছে কোন অপরাধীর অপরাধ  কখন ও  কোন কারণে শিথিল হয় না।  

মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই গ্রেপ্তার হয়েছে ধর্ষক মজনু। বুধবার দুপুরে কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান র‍্যাবের পরিচালক (গণমাধ্যম) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক মজনুকে গ্রেপ্তারের বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, মামলাটি ক্লুলেস ছিল। মূলত নির্যাতনের শিকার ছাত্রীর মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করতে আমরা সক্ষম হই।মোবাইলের সূত্র ধরেই শেওড়া স্টেশনের কাছ থেকে মজনুকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মজনু ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছে। বলেছে সে একাই ছিল, নির্যাতনের শিকার ছাত্রীও তেমনই বলেছে। জিজ্ঞাসাবাদে মজনু র‍্যাবকে জানিয়েছে, সে নিরক্ষর।

ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে বাসে ওঠেন ঢাবি শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পর মজনু তাকে পেছন থেকে গলা ঝাপটে ধরে পাশে ঝোপের আড়ালে নিয়ে যায়। সেদিন মজনু অসুস্থতার কারণে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছিল। সেখান থেকে রাস্তায় বের হয়ে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে দেখে। এরপরই সে আলোড়িত হয় ও ধর্ষণ করার জন্য টার্গেট করে।

ঘটনার পর মজনু ঘটনাস্থল থেকে চলে যান রাস্তার ওপারে শেওড়ার রেলস্টেশন এলাকায়। সেখানে অরুণা নামের এক নারীর কাছে মজনু কেড়ে নেওয়া মোবাইল ফোন সেটটি ৪০০ টাকায় বিক্রি করেন। এরপর মজনু ওই রাতে পাড়ি দেন নরসিংদী জেলায়। নরসিংদী রেলস্টেশন এলাকায় ঘটনার পরদিন সোমবার পুরো দিন কাটিয়ে দেন তিনি। সেখান থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে আবার চলে আসেন শেওড়া রেলক্রসিং এলাকায়। এরপরই ধরা পড়েন মজনু।
মজনুকে ধরার পর বুধবার দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান র‍্যাবের পরিচালক (গণমাধ্যম) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, মজনু যাঁর কাছে তাঁর মোবাইল ফোনটি বিক্রি করেন, সেই অরুণাকে আটক করা হয়। আটকের পর অরুণা জানান, তিনি কেনার সময় মোবাইল ফোনটি বন্ধ পান। মেরামতের জন্য অরুণা সেটটি খায়রুল নামের একজনের কাছে দিয়েছিলেন। পরে খায়রুলকে আটক করা হয়। অরুণা ও খায়রুলের কাছেই মজনুর শারীরিক গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে মজনুকে আটক করা হয়।

মজনুর মুখের সামনে দুটি দাঁত ভাঙা ছিল। ১২ বছর আগে ট্রেন থেকে পড়ে দাঁত দুটি ভেঙে যায়। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির দেওয়া বিবরণের সঙ্গে অরুণা ও খায়রুলের দেওয়া মজনুর চেহারার বিবরণ মিলে যায়। এরই সূত্র ধরে মজনু আটকের জন্য র‍্যাব অভিযান শুরু করে।

র‍্যাবের ব্রিফিংয়ে বলা হয়, মজনুর গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা গ্রামে। বেশ কিছু দিন আগে তাঁর স্ত্রী মারা যান। মজনু ঢাকায় বিমানবন্দর, শেওড়া এলাকায় কখনো দিনমজুর, কখনো হকারের কাজ করতেন। তবে এসব পেশার আড়ালে তিনি ছিনতাই, চুরি করতেন। আবার মাদকাসক্তও ছিলেন। এর চেয়েও ভয়ংকর ঘটনাও ঘটাতেন মজনু। সেটি হচ্ছে ধর্ষণ। ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী নারীদের তিনি টার্গেট করতেন। এ ধরনের নারীদের কৌশলে নিয়ে শেওড়া এলাকায় রাখতেন তিনি। এরপর এই নারীদের ধর্ষণ করতেন মজনু। তিনি একজন ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’ বা ক্রমিক ধর্ষণকারী।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, মজনু এভাবে পাঁচ-ছয়জনকে ধর্ষণ করেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মজনু তাঁর এসব অপকর্ম ও হিংস্রতার কথা স্বীকার করেছেন। ধরা পড়ার পরও মজনু নির্বিকার রয়েছেন। র‍্যাবের পরিচালক সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, ‘মজনু বিকৃত মানসিকতার লোক। তাঁকে শনাক্ত করেছেন ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। মেয়েটির সঙ্গে আমি কয়েকবার কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, আমি দুনিয়া সমস্ত মানুষের চেহারা ভুলব। কিন্তু এর চেহারা ভুলব না।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc