Monday 26th of October 2020 10:11:19 AM

নড়াইল প্রতিনিধি: সাপকে খাবার খাওয়াতে গিয়ে সেই সাপের কামড়ে মারা গেলেন ইশা খা  (৫৫) নামে এক ব্যক্তি। শনিবার দুপুরে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি নড়াইলের নড়াগাতী থানার মহাজন গ্রামের। ইশা খা পেশায় একজন চুরি-সুতার দোকানী। মাঝে মধ্যে তিনি সাপ ধরতেন।

নড়াগাতী থানা যুবলীগের আহবায়ক মহাজন এলাকার বাসিন্দা শেখ হাদিউজ্জামান হাদি জানান, উত্তর মহাজন গ্রামের তিশা খা শুক্রবার বিকালে বড়দিয়া থেকে একটি বিষধর সাপ ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

শনিবার সকালে সাপটিকে খাবার খাওয়াতে যান। এসময় অসাবধানতাবশত ইশা খাকে সাপে দংশন করে। পরে স্থানীয়ভাবে শরীর থেকে বিষ নামানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌছানোর পর কতর্ব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ:  ৫ দিন লড়াই করে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন হবিগঞ্জ শহরের ‘সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ টিউমার অপারেশ করতে গিয়ে জরায়ু কেটে দেয়া খদর চাঁন বিবি (৬৫)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সিলেটের ‘মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে’র আইসিইউতে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত খদর চাঁন বিবির ভাগ্নে মহিবুল ইসলাম শাহীন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘শঙ্কটাপন্ন রোগী তিনদিন সিলেট হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও একদিনও খবর নেননি জরায়ু কেটে দেয়া চিকিৎসক ডাঃ আরশেদ আলী। রোগী মারা যাওয়ার পর আমরা ডা. আরশেদ আলীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি এক রকম গাঁ ঢাকা দিয়ে রয়েছেন।’ তবে সেন্ট্রাল হসপিটাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানে নিহত খদর চাঁন বিবির পরিবারের সাথে আলোচনায় বসতে চায় বলেও জানান তিনি।

শাহিন বলেন- ‘আমরা চাই ডা. আরশেদ আলী ও সেন্ট্রাল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। এজন্য ইতোমধ্যে আমরা প্রশাসনকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছি। যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডা. আরশেদ আলীসহ দুষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা আইনের আশ্রয় নেব।’

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে যানাজা শেষে নিহত খদর চাঁন বিবির লাশ তার গ্রামের বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে ডা. আরশেদ আলী বলেন- ‘ভুল হতেই পারে, তবে দীর্ঘ চিকিৎসা জীবনে অনেক অপারেশন করেছি এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। এই রোগীর কিডনিতে আরও আগের থেকেই সমস্যা ছিল যার কারণে এমনটা হয়েছে।’
সকল অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন- ‘সেন্ট্রাল হসপিটাল ও আমার পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক একজন ব্যক্তি রোগীর খোঁজ নিচ্ছেন। এক ঘন্টা পরপরই রোগীর স্বজনদের মোবাইল কলের মাধ্যমে সর্বশেষ অবস্থার খবর নেয়া হচ্ছে। এছাড়া সিলেট চিকিৎসা করাতে যা খরচ হচ্ছে সবটাই আমাদের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে।’ বিষয়টি সমাধানের জন্য নিহত নারীর পরিবারের সাথে আলোচনায় বসে সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি : নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ৭ ঘন্টা পর ইকরামুল ইসলাম (১২) নামে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ার ৭ ঘন্টা পর খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল লাশটি উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটেছে বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা – ঘিবা জোড়া ব্রিজের নীচে কোদলা নদীতে।
শনিবার বেলা ১ টার সময় কোদলা নদীতে সে বন্ধুদের সাঁতার কাটতে গিয়ে হারিয়ে যায়। নিহত ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট থানার ধ্যান্যখোলা দক্ষিনপাড়া গ্রামের ইমামুল হকের ছেলে।
এদিকে কোদলা নদীর দুপারে কয়েক হাজার নারী পুরুষ উদ্ধার কাজ দেখার জন্য ভীড় জমিয়ে ছিলো। অপরদিকে স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। ইকরামুলের মায়ের একটি আর্তনাত আমার ছেলেকে এনে দেও।
স্থানীয়রা জানায়, ইকরামুল, রনি ও হাবিবুল্লাহ কোদলা নদীর ব্রীজ থেকে লাফিয়ে সাঁতার কেটে দক্ষিন দিকে যায়। সেখান থেকে ফেরার সময় রনি ও হাবিবুল্লাহ ব্রীজের উপর উঠলেও ইকরামুল উঠতে পারেনি। এসময় তার বন্ধুরা দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে গ্রামের লোকজনদের খবর দেই। এরপর গ্রামের লোকজন এসে চেষ্টা করে তাকে উদ্ধার করতে পারেনি।
আজিজুল নামে ঘিবা গ্রামের এক যুবক বলে আমরা হারিয়ে যাওয়া কিশোরকে উদ্ধার করতে না পেরে বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ইউনিটকে খবর দেই।
বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট প্রধান তৌহিদুর রহমান সুমন বলেন, নদীতে সামান্য স্রোত থাকায় আমরা লাশটি উদ্ধার করতে ব‍্যর্থ হয়। পরে খুলনা থেকে ডুবুরি দল এসে সন্ধ্যা ৭ টার সময় ইকরামুলের লাশটি উদ্ধার করেছে।

সাদিক আহমেদ,নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার আর কে মিশন রোড সংলগ্ন সোনামিয়া রোডে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ছেলেটির নাম শাকিল আহমেদ (২২)। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আজ ১৯ জুলাই (রোববার) দুপুর ২:৩০ মিনিটে হাজী আলাবক্স জামে মসজিদের পুকুরে ডুবে যাওয়ার বিষয়টি পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

পরবর্তীতে তাকে পুকুর থেকে তুলে এনে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।পরবর্তীতে দুপুর ৩ টায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল থেকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, নিহত শাকিল আহমেদ সোনামিয়া রোডের বক্স বাড়ির ভাড়াটিয়া চান মিয়ার পুত্র। চার ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম।

নিহতের জানাজা আজ বাদ এশা সোনা মিয়া রোড হাজী আলাবক্স জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য মৃত্যুর ১০/১৫ মিনিট আগেও সে অনলাইনে ছিল। পরিবার সূত্রে জানা গেছে নিহত শাকিল কয়েক মাস ধরে সাঁতার শিখেছেন।

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ী প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের জুড়ীতে গাছ থেকে পড়ে গিয়ে নেপাল দাস (৩১) নামের এক যুবক মারাত্মক আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
নিহত নেপাল দাস এর পরিবার সূত্রে জানা জায়,গত মঙ্গলবার দুপুরে তিনি গাছের কাঠাল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি মারা যান। উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভূয়াই এলাকার বাসিন্দা মৃত রতীশ দাসের ছেলে নেপাল দাস।
জায়ফরনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য আজন মিয়া জানান- নেপাল দাসের লাশ বাড়ীতে এনে বিকাল চারটায় অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় আকস্মিক বন্যা। কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ। আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নদী-নালা, খাল-বিল পানিতে টুই-টম্বুর। উপজেলার অনেক মানুষ হয়ে পড়েছেন পানি বন্দি। অনেকেই ঘর থেকে রাস্তায় বেরোতে পারছেন না।
বৈরি আবহাওয়ার কারণে থেমে নেই সামাজিক নানা অনুষ্টান। পূর্ব নির্ধারিত এসকল অনুষ্টান সফল করতে হচ্ছে বন্যার পানি মাড়িয়ে। অনেক সময় কনেকে আনতে বরদেরকে যেতে হচ্ছে কারো ঘাড়ে চেপে বা কলা গাছের তৈরি ভেলায় করে। এমনই একটি বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে সিলেটের জৈন্তাপুরে। একজনের কাঁধে চড়ে বর যাচ্ছেন কনের বাড়িতে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের একটি ছবি ভাইরাল হয় শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই। এখন ছবি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট উজানীনগর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে রুবেল আহমদের সঙ্গে বিয়ের দিন ধার্য হয় শুক্রবার (১২ জুলাই)। তারিখ অনুযায়ী বরও কনেকে আনতে যান যথাসময়ে। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া কিছুটা বিষন্ন করলেও শেষ পর্যন্ত দমাতে পারেনি বিয়ের অনুষ্ঠান। বেশ কয়েকজন বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়ি জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট মেঘলি গ্রামের রজব আলীর মেয়ে শামিমা বেগমকে আনতে রওয়ানা দেন রুবেল মিয়া ও তার সঙ্গে থাকা বরযাত্রীরা। এসময় বর পক্ষের সঙ্গি ছিলেন নিজপাট ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের জন নন্দিত ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির খান। বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় বর ভিজে যাবেন, তাই বর রুবেলকে নিজ কাধে তুলে নেন হুমায়ুন। তার এমন মহানুভবতা দেখে অনেকেই তাকে সাধুবাদও জানান। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বর রুবেল আহমদ কিছুটা প্রতিবন্ধী। আর এ কারনেই তিনি নিজ উদ্যোগেই এটি করেন বলে অন্যান্য বর যাত্রীরা জৈন্তাপুর উপজেলার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, অবিরাম বৃষ্টির ফলে জৈন্তাপুর উপজেলার জনজীবন বির্পযস্থ। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকার মানুষের বাড়িঘরে বানের পানি প্রবেশ করেছে। অনেক এলাকায় গ্রামীণ রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। জনসাধারণকে নৌকা ও কলার গাছের তৈরি ভেলায় চড়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যায় নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা, দরবস্ত ও ফতেহপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ গ্রামে পানি প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বন্যা কবলিত নিজপাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে তিনি নিম্নাঞ্চল এলাকায় বসবাসরত মানুষ সর্তক থাকার আহবান জানান। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সর্তক রযেছে বলে জানিয়েছেন।
জৈন্তাপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিশ্বজিৎ কুমার পাল জনান- বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে মানুষ-কে রক্ষা করতে প্রশাসন সর্তক রয়েছে। ত্রাণ সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাটের জাফলংয়ে পানির পাম্প মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ২ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার সিমরাইল এলাকার আউয়াল মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া (১৯) ও হবিগঞ্জ জেলার আজমেরিগঞ্জ উপজেলার নগর গ্রামের আহের মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন (১৮)। সোমবার দুপুরে জাফলংয়ের পানামার ক্রাশিং জোন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাফলংয়ের পানামার জোন এলাকায় ফাহিমা ষ্টোন ক্রাশার নামক পাথর ভাঙ্গার ক্রাশার মেশিনের পানি উত্তোলনের পাম্প বিকল হলে মেরামত করতে কূয়ার ভেতরে নামে মেশিনেরি অপারেটর ইকবাল। এসময় বিদ্যুৎতের তারে আটকে যায়। তাকে উদ্ধারে পার্শ্ববর্তী আরেকটি ক্রাশার মেশিনের অপারেটর খোকন মিয়া এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়।
সংবাদ পেয়ে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ও জৈন্তাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে কূয়ার ভেতর থেকে দু’জনের লাশ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি (তদন্ত) হিল্লোল রায় জানান- সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে কূয়া হতে দু’জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ দুটির সুরত হাল রির্পোট তৈরী করে অধিকত্বর তদন্তের জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানি মেডিকেল কলেজে প্রেরন করা হয়েছে৷ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হন্তান্তর করা হবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুন,ডেস্ক নিউজঃ আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩০ জুন) গণভবনে ওই সভায় তিনি কিছু সময়ের জন্য আবেগাপ্লুত হয়ে থমকে যান। এসময় আওয়ামী লীগ নেতারা জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী যখন স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের কথা তুলে ধরছিলেন তখন তিনি ৭৫-এর নৃশংস খুনের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ওই হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ৩২ নম্বরের নিজ বাড়িতেও যেতে পারেননি বলে উল্লেখ করতে গিয়েই কেঁদে ফেলেন। এসময় কিছু সময়ের জন্য সভায় নীরবতার সৃষ্টি হয়। তখন আওয়ামী লীগ নেতাদের স্লোগানের পর আবারও বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমার পরিবার বিশাল পরিবার। আমার পরিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের পরিবার।

তার এমন বক্তব্যের পর সভাস্থলে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা হাততালি দিয়ে তাকে সমর্থন জানান।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্বাধীনতাপূর্ব ইতিহাস তুলে ধরেন। দেশ বিভাগের পরের ইতিহাস বর্ণনা করতে গিয়ে পাকিস্তানিদের নির্যাতন ও বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাকরি থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রেই বৈষম্যের শিকার হতেন বাংলাদেশিরা। এসব বৈষম্য বন্ধ করতে বাংলাদেশিরা আন্দোলন করেছে। এর ফলশ্রুতিতে তারা যা অর্জন করেছে তার সবই রক্ত দিয়েই অর্জন করতে হয়েছে।

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে, ছয় দফা দাবি, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হাতে তার গ্রেফতার হওয়া, মিথ্যা মামলার শিকার হওয়া এবং স্বাধীনতার ঘোষণার কথা তুলে ধরেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫মে,এস কে দাশ সুমন: শ্রীমঙ্গল  শহরের  ভানুগাছ  রোডস্থ  হিল  ভিউ  রেস্ট  হাউজে  বিদ্যুৎ  স্পর্শে  মো. জীবন  মিয়া  (৩০)  নামে  এক  ব্যক্তি  মারা  গেছেন । আজ মঙ্গলবার (১৫ মে) দুপুর ১১ ঘটিকায়  ঘটনাটি  ঘটে।

শ্রীমঙ্গল  থানা  এবং  স্থানীয়  জনসাধারণের  ভাষ্যে  মতে  আজ  দুপুরে  মোঃ  জীবন  মিয়া  রেস্ট  হাউজের  ছাদে  উঠে  লোহার  পাইপ  দিয়ে  গাছ  থেকে  আম  পাড়ছিলো  এসময়  অসাবধানতাবশত  আমগাছের  সাথে  থাকা  পল্লী  বিদ্যুতের  হাই  ভোল্টেজ  লাইনে হাতে  থাকা  পাইপটি  স্পর্শ  করলে   জীবন  মিয়ার  শরীরে  বিদ্যুৎ  স্পর্শ  হয়ে  ঘটনাস্থলেই  মারা  যায় । পরে  ফায়ার  সার্ভিস  ও  পুলিশ  প্রশাসনের  লোকজন  ঘটনাস্থলে  গিয়ে  লাশ  উদ্ধার  করে।
শ্রীমঙ্গল  থানার  এস  আই  রফিকুল  ইসলাম  ঘটনার  সত্যতা  নিশ্চিত  করে  বলেন  আমরা  লাশ  উদ্ধার  করে  মৌলভীবাজার  সদর  হাসপাতাল  মর্গে  পাঠিয়েছি  পরবর্তীতে  আইন  অনুযায়ী  ব্যবস্থা  গ্রহণ  করা  হবে ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩অক্টোবর,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ প্রেমিকার বাড়ী গিয়ে লাশ হয়ে ফিরেছে চুনারুঘাট উপজেলার গোছাপাড়া গ্রামের মনির হোসেন (১৬) নামের এক কিশোর। সে উপজেলার গোছাপাড়া গ্রামের মোতাব্বির কনিষ্ঠ পুত্র ও জারুলিয়া দাখিল মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণীর ছাত্র।

মনিরের বাবা মোতাব্বির হোসেন জানান, গত রমজানের আগে জারুলিয়া ক্বারী হাঠি গ্রামের মকসুদ মোল্লার মেয়ে শারমিন আক্তার (১৬) কে প্রেমের জন্য বিরক্ত করে বলে অভিযোগ করেন এ নিয়ে স্থানীয় মেম্বার, মাদ্রাসার শিক্ষক ও মোরব্বিদের নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকে মনিরকে সতর্ক করে দেওয়ার জন্য মনিরের বাবা মোতাব্বির হোসেনকে বলা হয়।

তিনি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনিরকে সতর্ক করে দেন। এর পর উভয়ের’ই মাদ্রাসায় আসা যাওয়া টিক মতে চলতে থাকে। মনিরের টেস্ট পরীক্ষা চলাকালিন গত ১১ অক্টোবর বুধবার রাত সাড়ে ৯ টায় শারমিনের মামা নানু মিয়া মনিরের বাড়ীতে গিয়ে তার মাকে জানান, মনির বিশ খেয়ে আহত অবস্থায় মকসুদ মোল্লার বসত বাড়ীতে পরে আছে। মনিরের বড় ভাই ফরিদ হোসেন জানান, একই রাত ৯ : ৪০ মিনিটে ঐ গ্রামের তার এক আত্মীয় তাকে মুঠোফোনে ঘটনাটি জানালে ফরিদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে সুবা।নামের এক ব্যাক্তি আহত মনিরকে মূহুর্তে না সড়ালে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলবে। তখন ফরিদ মনিরকে হাসপাতাল নেয়ার জন্য সহযোগীতা চাইলে সুবা তার নিজ মোটরসাইকেলে আহত মনিরকে জারুলীয়া বাজার পর্যন্ত পৌছে দেন।

পরে মনিরের স্বজনরা তাকে সিলেট উসমানি হাসপাতাল নিয়ে গেলে পরদিন বেলা ১১টায় চিকিৎসাধিন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মনিরের বাবার দাবী মনির বিশ পানে অাত্মহত্যা করেনি, থাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে মেয়ের বাবা মকসুদ মোল্লা। এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কাজল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ব্যাপারটি ঘটনারদিন রাত সাড়ে ১০ টায় জারুলিয়া মদ্রাসার সুপারিন্টেন্ড থাকে মুটোফোনে অবগত করলে তিনি একজন গ্রাম পুলিশকে মনিরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। গ্রাম পুলিশ সেখানে পৌছে মনিরকে পাননি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭আগস্ট,চুনারুঘাট  প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক বৃদ্ধা মহিলা নিখোজ হয়েছেন। জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টায় উপজেলার ১০নং মিরাশী ইউনিয়নের পড়াঝার গ্রামের মৃত সুরেন্দ্র চন্দ্র দাসের স্ত্রী রুক্ষিনী বালা দাস (৮০) খোয়াই নদীর খেয়া ঘাটে গোসল করতে গিয়ে নিখোজ হয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রুক্ষিনী বালা দাস বাড়ীতে ফিরেননি।

এ ব্যাপারে রুক্ষিনী বালার ছেলে নিরঞ্জন চন্দ্র দাস বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমার মা খোয়াই নদীর খেয়া ঘাটে গোসল করতে যান। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার মায়ের কোন খোজ পাচ্ছি না। কোন সুহৃদয়বান ব্যক্তি উনার খবর পেলে এ ০১৭৬৫-৭২৬৭৪৪ মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৩জুন,ডেস্ক নিউজঃ   রাঙ্গামাটির মানিক ছড়িতে পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আশেপাশের মানুষ পাহাড় ধসের কারনে যখন চরম ভোগান্তিতে পড়েন তখন পাহাড় ধসের এলাকার পাশে থাকা সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী এসে উদ্ধার কাজ চালান। কিন্তু স্থানীয়দের উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ দিলেন ৬ সেনা।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে যায় শতশত মানুষ। এ সময় পাশে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছিলেন, উদ্ধার করতে এস তারাই মাটির নিচে চাপা পড়ে যান।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৬ জনের লাশ আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- মেজর মাহফুজ, ক্যাপটেন তানভির, করপোরাল আজিজ, সৈনিক শাহিন। বাকিদের নাম জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহত আরও ৬ সেনাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হলেও প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ায় তা সম্ভব হয় নি। অন্যদিকে মানিকছড়ি থেকে রাঙ্গামটিতেও নেওয়া যাচ্ছে না আহতদেরকে। তাদেরকে স্থানীয়ভাবেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,২৪মে,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে ডুবে ভাই বোনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়েরগড় গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে অরজিনা বেগম (৮) ও ছেলে মাহফুজ আলম (৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,গত সোমবার সন্ধার সময় প্রচন্ড গরম অনুভব করে মাহফুজ আলম (৫) সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে বাড়ির পাশে যাদুকাটা নদীতে গোসল করতে যায়। পিছনে পিছনে যার বড় বোন অরজিনা বেগম। গোসল করার এক প্রর্যায়ে নদীর গভীরে মাহফুজ ডুবে যায়। তা দেখে বোন অরজিনা বেগম ছোট ভাইকে বাচাঁতে এগিয়ে গেলে দু-জনেই পানিতে ডুবে ঘটনাস্থলে মারা যায়।

পরিবারের লোকজন অরজিনা ও মাহফুজ কে বাড়িতে না পেয়ে খোঁজ-খুজিঁ শুরু করে। খুঁজাখুজিঁর এক প্রর্যায়ে দু-জনের লাশ যাদুুকাটা নদীতে একজন আরেক জনকে জরিয়ে ধরা ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাদের লাশ উদ্ধর করে এলাকাবাসী। পরে রাত বারোটায় সময় তাদের লাশ দাফন করা হয়।

এঘটনায় ঐ পরিবারে ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৬মে,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  ঝড়ের সময় আম কুড়াতে গিয়ে নড়াইল শহরের ভওয়াখালীতে নারিকেল গাছচাপা পড়ে  হৃদয় ঘোষ (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত ১টার দিকে বাড়ির গাছের আম কুড়ানোর সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। হৃদয় ভওয়াখালীর দিলীপ ঘোষের ছেলে  এবং নড়াইল রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১টার দিকে ঝড় শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজেদের গাছের আম  কুড়াতে যায় হৃদয়। এ সময় আম গাছের পাশে থাকা নারকেল গাছ পড়ে হৃদয়ের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে সহপাঠী, পরিবারসহ সবার মাঝে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০১মে,এম এ কাদেরঃ   ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের এক হোটেল কর্মাচারীকে মাদক  মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে  এক এএসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার নাসিরনগর থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহিন উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রাম থেকে অলিল মিয়া (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন এ, এস,আই মাহিন উদ্দিন এবং বলা হয় যে তাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত অলিল মিয়া ভাল লোক ও তাঁকে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠে। এলাকার লোকজন এ বিষয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ ও করে। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মো. মনিরুজ্জামান  ঘটনার তদন্ত করে সত্যতা পান।

এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান  জানান, এ, এস,আই মাহিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এরই প্রেক্ষিতে আজ রবিবার তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে ন্যাস্ত করা হয়েছে। নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবু জাফর এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে ক্লোজ করে জেলা পুলিশ লাইনে নিয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে একটি বিষয়ে অভিযোগ উঠার পর এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

এদিকে স্থানীয়দের দাবী ওই এএসআই এর বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে, শুধু  লাইনে পাঠালেই তার বিচার হবে না।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc