Wednesday 21st of October 2020 05:16:03 AM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু ও শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র শেখ ফজলে ফাহিম বলেন,সুনামগঞ্জের মানুষজন ধৈর্যশীল বলেই সকল প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করেই মাথা উচু করেই ঠিকে আছে। প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সুনামগঞ্জের মানুষে সব সময় খোজঁ খর৴ব রাখছেন। সকল প্রকার সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে নির্দেশও দিয়েছেন।
এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট আরো বলেন,হাওরবাসীর অবকাঠামো,শিক্ষা,স্বাস্থ্য,বাসস্থান,চিকিৎসা,যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সকল বিষয়ে উন্নয়নের জন্য নিরলশ ভাবে কাজ করছে বর্তমান সরকার।
এফবিসিসিআই এ জেলার পর্যটন এলাকা তাহিরপুরে হোটেল,রেষ্টুরেন্টসহ অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করবে।
তিনি বুধবার(২৪জুলাই)দুপুরে ব্যবসায়ীদের র্শীষ সংঘটন এফবিসিসিআই এর আয়োজনে ও সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সহযোগীতায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর বাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৫শতাধিক ক্ষাতিগ্রস্থ,অসহায় ও গরীব মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন।

সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপলের সভাপতিত্বে ও জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য সবুজ কান্তি দাসের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ, এফবিসিসিআই এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তাকিম আশরাফ প্রমুখ। এসময় জেলা ও উপজেলার স্থানীয় নেতাকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৫মে,ডেস্ক নিউজঃ ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৪মে) বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে টেলিফোনে কথা হয় বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।

প্রেস উইং সূত্রে জানা যায়, টেলিফোনে শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। এসময় শেখ হাসিনা মাহমুদ আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

উল্লেখ্য, অসুস্থ্যতার কারণে গত ২০ মে মাহমুদ আব্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আব্বাসের ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল বলে জানিয়েছে আল ইশতিহারি আরব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে ৬০ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যুর মতো সংকটময় পরিস্থিতিতে মাহমুদ আব্বাসের হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি এবং অসুস্থতা নিয়ে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে উদ্বেগ আছে।

প্যালেস্টানিয়ান লিবারেশন অরগানাইজেশন-পিএলওর ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আল আলওয়াল গণমাধ্যমকর্মীদেরকে জানান, তাদের নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

‘তার ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল এবং এ কারণে তার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল’-বলেন আলওয়াল।

‘কিন্তু আল ইশতিহারি হাসপাতাল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তার শরীর এখন স্বাভাবিক আচরণ করছে।’

পরিবারের সদস্যদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯জুলাই,এম এস জিলানী আখনজী, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউপির ঘনশ্যামপুর গ্রামের কলা বাড়ীর আব্দুল মালেক মিয়ার ৪র্থ ছেলে প্রতিবন্ধী রমজান মিয়া (২৪) নামে এক যুবক নিখোঁজ। ২৪ দিন পার হলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় আত্মীয়-স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সবার মাঝে অজানা আতঙ্ক আর আশঙ্কা বিরাজ করছে। নির্ঘুম রাত কাটছে সবার। ঘনশ্যামপুর গ্রামের মা ছালেমা বেগমের অত্যান্ত আদরের ছোট ২৪ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে রমজান মিয়ার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।

ঘনশ্যামপুর গ্রামের কলা বাড়িতে সন্তানের জন্য আহাজারি করছেন মা ও আত্বীয় স্বজনরা। তার পারিবারিক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রমজান মিয়া আমুরোড বাজার হইতে নিখোঁজ হয়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার গায়ে হাফ হাতা গেঞ্জী ও ফুল প্যান্ট পরনে ছিল। মূখ মন্ডল গোলাকার, হ্যাংলা, মাথার চুল খাটো, চোখের বর্ণ স্বাভাবিক, উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৫ ইি , এবং গায়ের রং উজ্জল শ্যামলা। সারাদিন অপেক্ষা করতে করতে রাত্রী ১টা পর্যন্ত আপেক্ষা করে, সে বাড়ীতে না ফেরায় তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন তথা চুনারুঘাটের বিভিন্ন স্থানে।

তার সন্ধান না পেয়ে তার বড় ভাই আব্দুল জলিল গত ১৬-০৭-১৭ইং চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি সাধারন ডায়েরী করে, যার জিডি নং-৯৪৭। জিডিতে উল্লেখ করা আছে আমুরোড বাজার হইতে নিখোঁজ হয়েছে রমজান মিয়া।

ইতিমধ্যেই, তার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ফেইসবুক মিডিয়াতে ঝড় বইছে। মাইকিং সহ  নিখোঁজের সংবাদ প্রচার করা হলেও নিখোঁজ হওয়া থানার সাধারন ডায়েরীর ফটোকপি সহ যাবতীয় বায়োডাটা দিয়ে রেখেছেন বাল্লা সীমান্ত, গুইবিল ও চিমটিবিল বিজিবি ক্যাম্পে।

এর সঠিক কোন তথ্য না থাকলেও এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে প্রতিবন্ধী রমজান মিয়া বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারত চলে গেছে। এ বিষয়টি প্রত্যেক ক্যাম্প থেকেই বিএসএফের সাথে শেয়ার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিন ক্যাম্পের কমান্ডারগন। রমজান মানষিক প্রতিবন্ধী হলেও বিভিন্ন সময়ে দেখা যেত রং-পূর্তি অভিনয়ে ছিল তার ব্যাপক ভূমিকা এবং সে বাংলা ইংরেজি সংমিশ্রণে কথা-বার্তায় এলাকাবাসীদের মুগ্ধ করতো।

তাই এলাকাবাসীও আফসোস করছেন তার জন্য। এইচ,এস,সি পাশ প্রতিবন্ধী রমজান নিয়মিত ভাষা বাংলা হলেও মাঝে মধ্যে ইংরেজিতে কথা-বার্তা বলত। নিখোঁজ প্রতিবন্ধী রমজান মিয়ার সন্ধান ফেলে নিকটস্থ থানার জিম্মিতে দেওয়ার জন্য সর্বশ্রেনী পেশার মানুষের কাছে অনুরুধ করেছেন তার পরিবার পরিজন।

কোন হৃদয়বান ব্যাক্তি প্রতিবন্ধী রমজানের সন্ধ্যান পেলে ০১৯৬৬-৪৮৬৫১৫ এই নাম্বারে যোগাযোগ করে সন্ধ্যান দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরুধ করছেন তার পরিবারের লোকজন।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৪মে,এম এস জিলানী আখনজী:  হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার জারুলিয়া গজারিপার গ্রামের লুতু হাজি বাড়ীর মোহাম্মদ আমিন মিয়ার ২য় ছেলে দিদার মিয়া (২৮) নিখোঁজ। পাঁচ দিন পার হলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সবার মাঝে অজানা আতঙ্ক আর আশঙ্কা বিরাজ করছে। নির্ঘুম রাত কাটছে সবার।

গজারিপার গ্রামের মা মরিয়ম বেগমের অত্যান্ত আদরের ২৮ বছর বয়সী ছেলে দিদার হোসেনের নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। গজারিপার গ্রামের লুতু হাজির বাড়িতে সন্তানের জন্য আহাজারি করছেন মা ও আত্বীয় স্বজনরা। তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দিদার মিয়া পেটের দায়ে চাকরির খোজে ঢাকায় প্রবেশ করে, টিক ৯দিনের মাথায় ২৯ এপ্রিল শনিবারে ঢাকা উত্তরা নয়ন নগর (তেতুল তলা নামে পরিচিত) ১০তলা জামে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যায়।

নিখোঁজ হওয়ার সময় তার গায়ে গেঞ্জী, টুপি ও পরনে চেক লুঙী ছিল এবং গায়ের রং কালো। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলে, বাসায় না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে  নয়ননগর (তেতুল তলার) ঢাকা উত্তরার ৬নং বাসার তার রুমমেন্ট ও তালত ভাই রাজু মিয়া । তার সন্ধান না পেয়ে গত ০১-০৫-১৭ইং ঢাকা তুরাগ থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি সাধারন ডায়েরী করে, যার জিডি নং-১২৬৫। জিডিতে উল্লেখ করা আছে মসজিদ থেকে নামাজের পর বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয়েছেন দিদার হোসেন। নিখোঁজ দিদার হোসেসের সন্ধান ফেলে নিকটস্থ থানার জিম্মিতে দেওয়ার জন্য সর্বশ্রেনী পেশার মানুষের কাছে অনুরুধ করেছেন দিদার হোসেনের পরিবার।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০২এপ্রিল,ডেস্ক নিউজ,জহিরুল ইসলামঃ মৌলভীবাজারে নাসিরপুরে জঙ্গি আস্তানায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদেরকে নিজের স্বজন দাবি করেছেন দিনাজপুরের এক ব্যক্তি; এই পরিবারটি তিন বছর ধরে যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন বলেও জানিয়েছেন তিনি। নাসিরপুরে একটি বাড়িতে সাম্প্রতিক অভিযানের পর সাতজনের ছিন্নভিন্ন লাশ পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা জানান, নিহতদের মধ্যে চারটি শিশু রয়েছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিক দাবি করেছেন, নিহত সাতজন তার মেয়ে, জামাতা ও নাতনী। তার বর্ণনা অনুযায়ী নিহতরা হলেন- লোকমান আলী (৪৫), তার স্ত্রী শিরিনা আক্তার ও তাদের মেয়ে আমেনা খাতুন, সুমাইয়া (১২), মরিয়ম (১০), ফাতেমা (৭) ও খাদিজা (৭ মাস)। কীভাবে নিশ্চিত হলেন- জানতে চাইলে আবু বক্কর গণমাধ্যমেকে জানায়, চারটি শিশু সন্তানের বয়স এবং কয়েকদিন আগে মেয়ের সঙ্গে টেলি কথোপোকথনকে প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন।

“প্রায় ৩ বছর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর ২৯ মার্চ রাত ১টার দিকে মেয়ে আমাকে ফোন করে বলে- ‘বাবা আমাকে মাফ করে দিও, আর কোনোদিন দেখা হবে না’। “তারা কোথায় আছে জানতে চাইলে মেয়ে কাঁপা গলায় বলে-‘এখানে কারো আসার উপায় নেই’। ওই সময় পাশেই জামাই লোকমান আছে বুঝতে পেরে তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও কথা বলেনি।”নাসিরপুরে এক প্রবাসীর বাড়িতে নব্য জেএমবির সদস্যরা আস্তানা গেঁড়েছে খবর পেয়ে পুলিশ গত ২৯ মার্চ ভোরে এলাকা ঘিরে ফেলে।

আবু বক্করের বক্তব্য অনুযায়ী, সেদিন রাতেই মেয়ের সঙ্গে কথা হয় তার। পরদিন সোয়াট ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট সেখানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, পালানোর পথ না পেয়ে আত্মঘাতী হন ওই বাড়ির বাসিন্দারা। গত বছর গুলশান হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গোয়েন্দা তৎপরতায় অনেকে স্বজন-বিচ্ছিন্ন হয়ে সপরিবারে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়ে পড়ার খবর মেলে। এদের কেউ কেউ দেশের বাইরেও পাড়ি জমান।

আবু বক্কর জানান, গত তিন বছর আগে তার মেয়ে ও নাতনীদের নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায় লোকমান। তাদের আর কোনো খোঁজ তিনি পাননি। এখন মেয়ে ও নাতনীদের লাশ ফেরত চাইলেও জামাতা লোকমানের লাশ নিতে নারাজ তিনি,লোকমান আমার মেয়ে ও নাতনিদের তিন বছর ধরে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখেছে। গত ২৯ মার্চ তাদের হত্যা করে নিজে আত্মহনন করেছে।” লাশগুলো মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ডিএনএ নমুনাও রেখেছেন চিকিৎসকরা, যাতে অচেনা এই ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। লোকমানের বাড়িও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে।

মাদ্রাসায় পড়ার সময় তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরে যুক্ত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানায়। শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আরও আগে থেকে নিজের বাড়ির সঙ্গে বিচ্ছিন্ন ছিলেন লোকমান। তিন ভাইয়ের মধ্যে লোকমান সবার ছোট। স্থানীয় কৃষ্ণরায়পুর মাদ্রসায় দাখিল পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করে বাড়িতে কৃষি কাজ করতেন তিনি।

লোকমানের ছোট বোন নুর বানু বলেন, “২০০২ সালে বিয়ের পর ৭/৮ বছর ভালোই ছিল। এরপর শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও প্রায় আট বছর থেকে আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই।” গণমাধ্যমে নাসিরপুরে নিহতদের ছবি প্রতিবেশীরা দেখানোর পর এক পুরুষ ব্যক্তিকে নিজের ভাই মনে করছেন নুর বানু। ভাইয়ের লাশও নিতে চাইছেন তিনি। নাসিরপুরে যে বাড়িতে জঙ্গি আস্তানা ছিল, তার তত্ত্বাবধায়ক পুলিশকে জানিয়েছেন, মাহফুজ নাম জানিয়ে একজন তিন মাস আগে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রতিবেশী আফজাল হোসেন ও ফারুক বলেন, লোকমান ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

কয়েকবার পুলিশ তার খোঁজে বাড়িতে এলে সে উধাও হয়ে যায়। সাত বছর আগে তার মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়িতে আসেননি তিনি। ঘোড়াঘাট থানার ওসি ইসরাইল হোসেন বলেন, লোকমানের নামে ঘোড়াঘাট থানায় কোনো মামলা নেই। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলা হয় ২০০৮ সালে ২৫ অক্টোবর।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc