Friday 4th of December 2020 02:17:45 PM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পটেটো,সিংঙ্গারা খাইয়ে ৮বছরের শিশুকে জোড় করে ধর্ষন করার অভিযোগে জহিরুল মিয়া(৩৫)নামে তিন সন্তানের জনকে আটক করেছে পুলিশ। সে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পুরান লাউড় গ্রামের গ্রামের হাসেন আলী ছেলে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি একেই গ্রামের মৃত তুতা মিয়া মেয়ে।
এঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে ২৫আগষ্ট রাতে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং ১৮,তারিখ ২৬,০৮,২০২০,ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ইং(সাং ২০০৩)এর ৯এর ৪ এর (খ)।
এর পর বুধবার অভিযান চালিয়ে পাশ্ববর্তি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার গামাইতলা থেকে জহিরুলকে আটক করে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠিয়েছে তাহিরপুর থানা পুলিশ।
মামলা দায়ের পর থেকে প্রভাবশালী জহিরুলের লোকজন বাদীকে নানান ভাবে হুমকি ও ভয় দেখাচ্ছে।
শিশুটির পরিবার ও তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাযায়,উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পুরান লাউড় গ্রামের মৃত তুতা মিয়ার ২মেয়ে ২ছেলের মধ্যে ধর্ষনের শিকার শিশু(৮)সবার ছোট। অভিযুক্ত জহিরুলের বাড়ি শিশুটির বাড়ির পাশেই। জহিরুলের পরিবারের সছলতার জন্য তার স্ত্রী কাজের সন্ধানে সৌদি প্রবাসী আর তার রয়েছে ২ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার স্ত্রী প্রবাসী হওয়ায় চলতি বছরের কোরবানী ঈদের পূর্বে ঐ শিশুটিকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে পটেটো আর সিংঙ্গারা খাইয়ে জোড় করে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ভয় দেখিয়ে ২বার ও এর পূর্বে একবার ধর্ষন করে। সম্প্রতি শিশুটি তার শরীলে ও গোপনাঙ্গে ব্যাথা অনুভব হলে তার খেলার সাথীদের জানানোর পর শিশুটির মায়ের কানে এই সব কথা পৌছায়।
এরপর গত ১৬ই আগষ্ট শিশুটির মা কৌশলে জানতে চাইলে সে জানায়,জহিরুল তার সাথে তিন দিন সিঙ্গারা ও পটেটোর খাইয়ে জোড় করে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। আর এই বিষয়টি কাউকে বললে তাকে মেরে ফেলবে। এই ভয়ে কাউকে কোন কথা না বলে গোপন রাখে। এই বিষয়টি শিশুটির মা জানার পর নিজ পরিবারের সদস্যদের কাছে জানায় আর এলাকায় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে অভিযুক্ত জহিরুল স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় একটি পক্ষ এই বিষয়টি দামাচাপা দেওয়ার জন্য বিচার শালিশে সমাধানের জন্য চেষ্টা করে। কিন্তু শিশুটির মা আইনের মাধ্যমে বিচার পেতে বাদী হয়ে গত ২৫আগষ্ট রাতে তাহিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে। এর পর বুধবার অভিযান চালিয়ে পাশ্ববর্তি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার গামাই তলা থেকে আটক করে তাহিরপুর পুলিশ।
শিশুটির মামা হারুন মোল্লা জানান,মামলা দায়ের পর থেকে মঞ্জুর মিয়া,ইব্রাহিম,নুরুল আমিন গং প্রভাবশালী জহিরুলের লোকজন আমাকে মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করার জন্য নানান ভাবে হুমকি ও ভয় দেখাচ্ছে। আমি কেন মামলা করার সহায়তা করেছি এই কারনে। আমি আমার ভাগনির সাথে এমন জগন্য কাজের বিচার চাই।
তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান জানান,শিশু ধর্ষনরে ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত জহিরুলকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭,০৮,২০২০) সকালে ধর্ষণের শিকার শিশুকে ও অভিযুক্ত আসামীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাট বাজারের ঠিকঠক খ্যাত শরিফকে মদ খাইয়ে ও ঠিকটক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ঘটনায় তাহিরপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৮জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তারা সবাই জেলার বিভিন্ন উপজেলার কলেজে অধ্যায়নরত।
সোমবার দুপুরে আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। ঠিকঠক খ্যাত শরিফ মিয়া(১৩)উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়েরগড় গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
রোববার(২৩,০৮,২০২০)রাতে আটককৃতদের এবং ভিকটিম শরিফকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ভিকটিম শরিফের বড়ভাই শামীম বাদী হয়ে আটক ৮জনসহ ১০জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও আইসিটি আইনে একটি মামলা দায়ের করে।
জানা যায়,চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষের দিকে বাদাঘাট বাজারের সততা স্টোরের মোজাম্মেল হকের ফেসবুক আইডি থেকে অভিবাবকদের সচেতন করার জন্য ও প্রশাসন,সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে কিশোর শরিফের ছবি ও একটি ভিডিও আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওতে শরিফ জানায় বাদাঘাটের কয়েক যুবক তাকে জোর পূর্বক মদ খাইয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রকমের টিকটক ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে।
বিষয়টি সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান পিপিএমের নজরে আসলে উনার দিকনির্দেশনায় তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান ও বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই মাহমুদুল হাসান বিষয়টি গোপনে তদন্ত শুরু করে।
রোববার দুপুরে শরিফের দেওয়া তথ‌্য অনুযায়ী ভিডিও ভাইরালের ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ও এই ভিডিও ফেইসবুকে আপলোড করায় উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মৃত আঃ গফুরের ছেলে মোজাম্মেল হক(২২)সহ মদ খাওয়ানো ও ঠিকটক তৈরীর সাথে জরিত থাকায় উত্তর ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামের শেখ আব্দুর রহমানের ছেলে আলম শেখ(২৩), আনোয়ার হাসেন রুমানের ছেলে তারেক(২২), নাজিম উদ্দিনের ছেলে দীপু(২২),বাচ্চু মিয়ার ছেলে রনি(১৭),বাদাঘাট গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ্(১৬),দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের পাগলপুর গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে মনির মিয়া(১৯) ও হাবিবুর রহমান সংগ্রামের ছেলে সাগর(২১)কে জরিত সন্দেহে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানিয়েছেন,ভিকটিমের বড় ভাই শামীম বাদী হয়ে মোট ১০জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আটককৃত ৮জনকে সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে তাদের আদালত জেল হাজতে প্রেরন করেন। আর পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অভ্যাহত আছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮মে,গীতি গমন চন্দ্র রায়,পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জাহানারা বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধুকে জুসের বোতলে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার ভেবড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে জাহানারা বেগম এর প্রথম পক্ষের পুত্র জাহিদুল ইসলাম তার মাকে জুসে বিষ মিশিয়ে খাওয়াতে হত্যার অভিযোগ এনে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। জাহানারা বেগম উপজেলার গড়গাঁও গ্রামের কালু মোহাম্মদের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে জাহানারা বেগমকে তার স্বামী আফাজ উদ্দীন জুসের সাথে জুসের সাথে স্ত্রীকে বিষ মিশিয়ে খাওয়ার কিছুক্ষণ পর সে বমি করতে থাকে এবং অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে গুরুত্বর অসুস্থ্য অবস্থায় পীরগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) চিত্তরঞ্জন রায় জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত আফাজউদ্দীনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc