Thursday 29th of October 2020 08:10:13 PM

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের লোহাগড়ায় ঝড়ে পড়া আম বিষাক্ত ওষুধ স্প্রে করে পাকানোর চেষ্টাকালে মনিরুল ইসলাম মনির নামে এক আম ব্যবসায়ীকে ১০হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। 

জানাগেছে, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের শালবরাত গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে মনির ঝড়ে পড়ে যাওয়া ১৫ মন আম স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের কক্ষে বিষাক্ত ওষুধ স্প্রে করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া থানার এস আই মিল্টন কুমার দেবদাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আমগুলি জব্দ করেন।

পরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক লোহাগড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) রাখী ব্যানার্জী ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই আম ব্যবাসয়ীকে ১০হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে আমগুলি এড়েন্দা বাজার সংলগ্ন নবগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়া হয়।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় একটি ওষুধের ব্যবহারে চূড়ান্ত পর্যায়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে জাপানি কোম্পানি ফুজিফিল্ম। দুটি পর্যায়ে সফলভাবে পরীক্ষা শেষে এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পরীক্ষার অংশ হিসেব মানবদেহে এর প্রয়োগের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। মঙ্গলবার তারা এ ঘোষণা দিয়েছে। ওই ওষুধটির নাম অ্যাভিগান। ফুজিফিল্মের ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি টয়ামা কেমিক্যাল কোং লিমিটেড ওষুধটি তৈরি করেছে। দেহে ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে জাপানে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে অ্যাভিগান।

অ্যাভিগানের জেনেটিক নেম ফ্যাভিপিরাভির। ফুজিফিল্ম বলেছে, তারা আশা করছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধেও কার্যকরী প্রমাণিত হবে অ্যাভিগান। জাপানি কোম্পানিটি জানিয়েছে, অ্যাভিগান এক ধরনের অ্যান্টি-ভাইরার ড্রাগ। এ ধরনের ওষুধ মানবদেহে ভাইরাসের বংশবিস্তার রোধে দারুণ কার্যকর। এরা এক ধরনের এনজাইম খেয়ে ফেলে যা ভাইরাসের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। সে হিসাবে অ্যাভিগানও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।
এর আগে ইবোলা ভাইরাস চিকিৎসায় অ্যাভিগানের জেনেটিক গোত্রীয় ফ্যাভিপিরাভির’র প্রয়োগ ঘটান গবেষকরা। ইঁদুরের ওপর এর পরীক্ষা চালিয়ে ফলও পেয়েছিলেন তারা। তবে মানবদেহে এর কার্যকারিতা ঠিক কেমন-তা এখনও প্রমাণিত নয়। তবে গবেষকদের দাবি, মানবদেহে অ্যাভিগানের প্রয়োগে অপেক্ষাকৃত ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। ফুজিফিল্ম বলেছে, করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের অংশ হিসেবে প্রথম দুই ধাপ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে অ্যাভিগান। এখন তারা আশা করছেন, মানবদেহে প্রয়োগেও এর আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।
এদিকে মানবদেহে অ্যাভিগানের প্রয়োগে ফলাফল ইতিবাচক ধরে সামনের দিকে এগোচ্ছে ফুজিফিল্ম। ইতোমধ্যে উৎপাদনও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা।
জাপানি এই কোম্পানিটি জানিয়েছে, এটি কার্যকরী প্রমাণিত হলে শুধু জাপান নয়, সারাবিশ্ব জুড়ে সরবরাহ করা হবে অ্যাভিগান।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এ পর্যন্ত বিশ্বের ৪২ হাজার জনের প্রাণ নিয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে ৮ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। তবে মৃত্যু সংখ্যাতেও চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখ মানুষ মারা যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. টনি ফৌসি। করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে, ১২ হাজার ৪২৮ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৫ হাজার ৭৯২। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা গেছেন স্পেনে, ৮ হাজার ৪৬৪। তবে চীনে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা (সরকারি হিসাব ৩ হাজার ৩০৫ জন) নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বর্তমান করোনাভাইরাস মহামারি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই মহামারি কঠিন অর্থনৈতিক মন্দা এনে দিতে পারে, যার সমকক্ষ সম্ভবত বিগত অতীতে দেখা যায়নি।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,২আগস্ট,ডেস্ক নিউজঃ অযোগ্যতা ও অদক্ষতার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায়  ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ও সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি হাইকোর্টকে অবহিত করেন স্বাস্থ্য ও সেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান। এরপর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের ডিভিশন বেঞ্চ বরখাস্তের বিষয়টি অ্যাফিডেভিট আকারে আদালতে দাখিল করতে সচিবের আইনজীবীকে বলা হয়। আদালত বলেন হলফনামা দাখিলের পরই আদেশ দেয়া হবে।

এ্রর আগে ভেজাল প্যারাসিটামল সেবনে ২৮ শিশু মৃত্যুর মামলায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত ১৮ আগস্ট স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল হক খানকে তলব করে হাইকোর্ট। ওই তলব আদেশে বুধবার তিনি হাইকোর্টে হাজির হন। তার পক্ষে আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পক্ষে ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন শুনানি করেন। রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার শুনানি করেন।

মনজিল মোরসেদ বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে এখন পর্যন্ত ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র সতর্ক করা হয়েছে। ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, আগে সতর্ক তারপর বরখাস্ত। সতর্ক না করলে আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। আদালত বলেন, শুধুমাত্র সতর্ক করেছেন। এই সতর্ক করতে এতদিন সময় লাগল। কামরুল হক সিদ্দিকী বলেন, ব্যবস্থা নেওয়ার আগে তো কারণ দর্শানোর নোটিশ ও তদন্ত রয়েছে। শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার যথাযথভাবে ব্যাখ্যা দাখিল এবং সচিবকে পুনরায় হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
২০০৯ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে রিড ফার্মার বিষাক্ত প্যারাসিটামল সিরাপ পানে কিডনি নষ্ট হয়ে ২৮ শিশু মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনা তখন সারা দেশে ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যের জন্ম দেয়। কারখানায় ভেজাল ও নিম্নমানের প্যারাসিটামল তৈরির অভিযোগ এনে ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
এই মামলায় রিড ফার্মার মালিকসহ ৫ জনকে খালাস দেয় আদালত। রায়ে বলা হয়, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওই দু’জন কর্মকর্তার অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণেই রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে হিউম্যান রাইটস এন্ড পীস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।ইত্তেফাক।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৬এপ্রিল,বেনাপোল প্রতিনিধি: বন্দর নগরী বেনাপোলে কৃমিনাশক ওষুধ খেয়ে রিয়া (১০) প ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী  মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (০৬ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

রিয়া বেনাপোলের বাহাদুরপুর ইউনিয়নের তিন নম্বর ঘিবা গ্রামের আবু বক্করের মেয়ে ও ঘিবা সরকারি প্রাথিমক বিদ্যালয়ের প ম শ্রেণির ছাত্রী।

রিয়ার বাবা জানান, বুধবার (০৫ এপ্রিল) সকালে সে স্কুলে যায়। এসময় স্যারেরা তাকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ায়। এরপর থেকে বাড়িতে ফিরে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে যশোর মেডিকেলে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

ঘিবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, রিয়াসহ স্কুলের আরো অনেককে এই কৃমিনাশক ওষুধ খেয়েছে। এতে অন্য কারো সমস্যার খবর পাওয়া যায়নি। এ মেয়ের‍ কিভাবে সমস্যা হলো বুঝতে পারছিনা।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবার সকালে তাকে প্রাইভেট চিকিৎসালয়ে নিয়ে আসে। এসময় তার প্রচন্ড বমি ও খিচুনি হচ্ছিল। তাকে চিকিৎসা দিয়ে যশোরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পরে শুনি সে মারা গেছে। তবে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে কি তার মৃত্যু হয়েছে এ ব্যাপারে এই চিকিৎসক নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc