Monday 26th of October 2020 09:21:56 AM

এম, ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বিশ্বব্যাপী করোনা আতঙ্ক দিন দিন আরো বেশি প্রকট হওয়ায় চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমনে যে সব বাংলাদেশিরা ভারতে অবস্থান করছিলেন তারা আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে দ্রুত দেশে ফিরে আসছেন। তবে দুই দেশের মধ্যে বিমান, বাস ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের কষ্ট করে ফিরতে হচ্ছে। দেশে ফেরার সময় সব ধরনের যাত্রীদের ইমিগ্রেশনে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা  করতে হচ্ছে।
এদিকে বাংলাদেশে ভ্রমনের ক্ষেত্রে ভারতীয় ইমিগ্রেশনে কড়াকড়ি আরোপে সাধারণ কোন ভারতীয় বা বিদেশি নাগরীক ১৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশে আসা বন্ধ রয়েছে। তবে যে সকল বাংলাদেশিরা ভারতে অবস্থান করছিলেন তারা দেশে ফিরে আসছেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়রা নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন। নতুন করে সাধারণ পাসপোর্টধারী যাত্রী আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইমিগ্রেশনের এক অংশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার আজিম উদ্দীন বলেন, করোনা সংক্রমন এড়াতে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, স্থলবন্দররের দুটি পণ্য প্রবেশ দ্বার ও রেল ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে গত ১৭ জানুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯০ হাজার ভারত ফেরত দেশী-বিদেশি যাত্রী ও পণ্য বাহী ট্রাক চালককে স্বাস্থ্য  পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে যাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে এরা সবাই ছিল করোনা ঝুকি মুক্ত।
বেনালোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মহাসিন হোসেন বলেন, কোন ভারতীয় বা বাংলাদেশি নাগরীক বাংলাদেশে প্রবেশে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা জারী হয়নি। তবে সাধারণ ভারতীয় বা বিদেশি নাগরীক ভারত থেকে আসছেনা। যে সকল বাংলাদেশি ভারতে অবস্থান করছিলেন তারা ফিরে আসছে। এছাড়া যে সকল ভারতীয়রা বাংলাদেশে ছিলেন তারাও ফিরছেন।
ভারত ফেরত বাংলাদেশি যাত্রী আবুল কাশেম বলেন, করোনা নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত তারা এতে দ্রুত কাজ শেষে ফিরে এসেছেন।
যাত্রী রহিম বলেন, তিনি রেল পথে ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন দুই দেশ।  মধ্যে বাস, ট্রেন ও বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় কষ্ট করে ফিরতে হয়েছে।
উল্লেখ্য করোনা সংক্রমন এড়াতে গত ১৩ মার্চ বিকাল ৫ টা থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ভারত সরকার সাধারণ বাংলাদেশিদের ভারতে ভ্রমনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে। আর ১৫ মার্চ থেকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী রেল,বাস ও বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে। তবে এপথে এখনও স্থল ও রেল পথে আমদানি,রফতানি বাণিজ্য সচল  রয়েছে।

উচ্ছেদ আতঙ্কিত পরিবার গুলো প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০আগস্ট,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পাহাড় ঘেরা প্রত্যন্ত গ্রাম ববানপুর। ১৯৫২ সালে ছরিম উল্ল্যা নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৫ একর জমি ক্রয় করে বসতি গড়ে তোলেন ২৪টি পরিবার। পরবর্তীকালে পরিবারগলো সেই জমির খাজনা দিয়ে বংশানুক্রমে অদ্যাবধি তারা এই গ্রামে বসবাস করে  আসছে। ১৯৬৫ সালে এই গ্রামের পাশের একটি চা বাগান গড়ে উঠলে ২০০৭ সালে হঠাৎ করে বাগান  কর্তৃপক্ষ ভূমিটির মালিকানা দাবী করে ৫৫ বছরের পুরনো গ্রামটি দখলে নিতে গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ নোটিশ দেয়। দেশের বিশিষ্ট সমাজসেবক লায়লা কবিরের মালিকানাধিন দিনারপুর টি এস্টেট নামে এই  বাগান কর্তৃপক্ষ দাবী করছে- বাগান সম্প্রসারণ লক্ষে তারা বিবাদমান জমিটিসহ কিছু ভূমি সরকার থেকে ৩৬ বছরের লীজ বন্দোবস্তর নিয়েছে।এ নিয়ে গ্রামবাসীর পক্ষে ছতির মিয়া গং আদালতে মামলা করে পরে হেরে যায়। এরপর গ্রামবাসীরা আপিল করলে এ পর্যন্ত মামলাটি স্থিত অবস্থায় রয়ে যায়।

 এ  অবস্থায় দিনারপুর টি এস্টেট কর্তৃপক্ষ মামলার রায়ের জোরে গ্রামটি উচ্ছেদে চেষ্টা করায় এই ৫০টি  পরিবারের ৪ শতাধিক মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। গতকাল সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে এলাকার অবাল বৃদ্ধ নারী পুরুষ সাংবাদিকদের ঘিরে ধরেন।চোখে মুখে অনিশ্চয়তার ছাপ নিয়ে ৭৫ বছর বয়সী খোদেজা বিবি বলেন, প্রায় ৬০ বছর আগে সে এই গ্রামে  এসেছিলেন নববধূর পোষাকে। এরপর একে একে শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামী মারা গেছেন এখানেই। এই গ্রামের বেশির ভাগই পরিবার হত দরিদ্র। গ্রামের ৫০টি  পরিবারের সবগুলি ঘরই মাটির তৈরী। বিদ্যুতের আলোহীন গ্রামে নেই কোন কৃষি জমি। উঠানে সবজি,বাঁশ চাষাবাদ ও দিনমজুরী গ্রামবাসীদের আয়ের উৎস।

৬৫ বছর বয়সী গ্রামের আব্রু মিয়া বলেন, চা  বাগান মালিকদের টাকা আছে। আমরা দরিদ্র মানুষ। এ ভিটে নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তাায় আছি। ওরা  আমাদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করলে কোথায় যাব, আমাদের তো যাবার কোন জায়গা নেই। মোছদ্দর  আলী বলেন, ওরা জোর করে উচ্ছেদ করতে বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে হুমকি  দিয়ে বেড়াচ্ছে।

এ ব্যাপারে উচ্ছেদ আতঙ্কিত পরিবার গুলো প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় মির্জাপুর ইউনিয়নের সদস্য লুৎফুর রহমান বলেন, “একদিকে উচ্ছেদ অন্যদিকে সন্ত্রাসী হামলার আশংকায় গ্রামের দরিদ্র মানুষরা তাদের নারী ও শিশুদের নিয়ে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।” যোগাযোগ করা হলে দিনারপুর চা বাগানের ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, “জোর করে গ্রামবাসীদের উচ্ছেদ করার অভিযোগ সত্য নয়। বিবাদমান ভূমির মালিকানা প্রশ্নে কোর্ট বাগানের পক্ষে যে রায় দিয়েছে তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। কোর্ট আবার যদি গ্রামবাসীদের পক্ষে রায় দেয় তবে তারা থাকবে।সন্ত্রাসী ভাড়াটে দিয়ে গ্রামবাসীদের উচ্ছেদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন-আদালতের রায় পাওয়ার পর সন্ত্রাসী দিয়ে ভূমি দখল নেয়ার কোন প্রয়োজন পরেনা।”

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৭মে,গীতি গমন চন্দ্র রায়,পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌরশহরের নিকটবর্তী এলাকা পীরগঞ্জ-বীরগঞ্জ রোডের উত্তরে গুয়াগাঁও কান্দরে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ফসলী জমির উপর প্রশাসনের অজান্তেই ইটভাটার নির্মাণ কার্য্য চালাইতেছেন নতুন আঙ্গিকে। জানা যায়, পীরগঞ্জ উপজেলার ভেমটিয়া গ্রামের আকবর আলী নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তি উক্ত এলাকায় নতুন ভাটা নির্মাণ কাজ করছেন।

এ বিষয়ে গুয়াগাঁও কান্দরে পর্যবেক্ষণে দেখা যায় পাশাপাশি ৫টি ভাটার কার্যক্রম চলছে। ঐ এলাকার ধান,গম, ভূট্রা,বাগান, ফসলী জমি আবাদী কৃষকেরা জানায় আমাদের এই কান্দরে আর বুঝি ফসল ফলানো যাবেনা। যেভাবে একের পর এক ইটভাটা নির্মাণ হচ্ছে মনে হয় গুয়াগাঁও কান্দরে কোন আবাদী জমি থাকবে না।

সমস্ত কান্দর ইটভাটায় পরিণত হবে বলে কৃষকেরা জানায়। ঐ এলাকার আবাদী জমির মালিক ও কৃষকেরা ঐ নতুন ইটভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্যে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৪এপ্রিল,এস,কে,দাশ  সুমনঃ সিলেটের আতিয়ামহলের  পর  মৌলভীবাজারের  নাসিরপুর  ও  বড়হাটে  জঙ্গি  আস্তানার সন্ধান পাওয়ায়  দেশ  জুরে  চরম  আতঙ্ক  বিরাজ  করছে।  সম্প্রতি  কুমিল্লার  ঘটনায়  জঙ্গি ধরা না পড়ায়  জনগণের  উদ্বেগ  আরো  বৃদ্ধি  পেয়েছে।

অপরদিকে ময়মনসিংহেও আটক করা হয়েছে জঙ্গি সন্দেহে কয়েকজনকে।এদিকে  দেশজুরে চলমান অস্থিরতা  জঙ্গি  আতঙ্ক  ও সার্বিক  আইন  শৃঙ্খলার  অবনতি  হওয়ায়  পর্যটক  শূণ্য হয়ে পড়েছে  চায়ের  রাজধানী  শ্রীমঙ্গল।

যেখানে  মার্চ  মাস  জুড়েই  শ্রীমঙ্গলের  প্রতিটি  হোটেল  রিসোর্ট  কটেজ  ছিল  পর্যটক  পূর্ণ সেখানে  বর্তমান  অবস্থান  রয়েছে  উল্টাচিত্র  হোটেল  গুলো  পর্যটক  শূন্য,তাছাড়া  শ্রীমঙ্গল দর্শনীয়  পর্যটন  কেন্দ্র  বধ্যভূমি  ৭১  সহ  নীলকন্ঠ  টি  কেবিন  ঘুরে  দেখা  মিলেনি পর্যটকের।
এ  ব্যাপারে  কথা  হয়  রামনগর  মণিপুরী  পাড়ায়  অবস্থিত  আদি  নীলকন্ঠ  টি কেবিনের সত্তাধিকারী  রাজীব  গৌড়ের  সাথে  তিনি  বলেন,ভাই  ব্যাবসা  বানিজ্যের  চরম খারাপ অবস্থা  বেচা  বিকি  নাই  বললেই  চলে,মনে  হয়  মৌলভীবাজারের  জঙ্গি  ঘটনায় ব্যাবসার এই  অবস্থা  আমরা  ছোট  খাট  ব্যাবসায়ি  ব্যাবসা  না  হলে  খাব  কি  সারাদিন বসে  বসে আড্ডা  দিচ্ছি।
পর্যটকের  উপর  নির্ভরশীল  শ্রীমঙ্গলের  অর্ধশতাধিক হোটেল  রিসোর্ট কটেজ  গুলোর বর্তমান  চিত্র  ভাবিয়ে  তুলেছে  ব্যাবসায়িদের। কথা  হয়  কলেজ  রোডস্ত  গ্রীনলিফ  গেষ্ট হাউজের  ম্যানেজার  বিজয়  দাশের  সাথে  তিনি  বলেন  মাসের  শেষে  পর্যটক  বা  গেষ্ট  না থাকায়  কর্মচারীরের  বেতন  দেওয়া  যাচ্ছে  না  এ  অবস্থা  চলতে  থাকলে  সরকার  বঞ্চিত হবে  বড়  অংকের  রাজস্ব  আদায়  থেকে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc