Sunday 1st of November 2020 12:40:55 AM

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৫নং ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২বৎসর করে সাজা ও ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করে রায় ঘোষনা করে মাননীয় বিচারিক আদালত।

রায় সূত্রে জানা যায়- বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নং-২ মহানগর সিলেট, বিচারক মুমিনুন নেসা’র আদালত গত ১২ আগস্ট ২০১৮ ইংরেজী তারিখে রায় প্রকাশ করে।

রায়ে জৈন্তাপুর উপজেলার ৫নং ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান লামা শ্যামপুর গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে মোঃ আব্দুর রশিদ, একই গ্রামের মৃত মুছা মিয়ার ছেলে মোঃ জয়নাল মিয়া, মোঃ হেলাল আহমদ, এবং দলইপাড়া (লামা শ্যামপুর) গ্রামের মোঃ আয়ত উল্লার ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ কে ২০০৮ সনে সিলেটের দক্ষিণ সূরমা থানার জি.আর মামলা নং ১৫৩/২০০৮ হতে উদ্ভুত যা দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং-৩ এবং বিশেষ ক্ষমতা মামলা নং-০৪/২০১৩ দীর্ঘ শুনানী শেষে স্বাক্ষী প্রমানের ভিত্তিত্বে দোষী সাবস্থ্য হওয়ায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নং-২ মহানগর সিলেট বিচারক মুমিনুন নেসা এ রায় প্রদান করেন।

উল্লেখ্য মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৪ জুলাই ২০০৮ তারিখ দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় র‌্যাব-৯ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ঢাকা সিলেট বিশ্বরোড়ের তেলিবাজার এলাকা হতে সিলেট-ট-১১-০০৭৭ গাড়ী তল্লাসী করে ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ ৪৪ বস্তা নছির বিড়ি জব্দ করে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা দায়ের করে।

দীর্ঘ তদন্ত পূর্বক এস আই শাহজাহান মুন্সি আসামিদের নাম উল্লেখ করে বিগত ১২ অক্টোবর ২০০৮ ইংরেজী তারিখে স্পেশাল পাওয়ার এ্যাক্ট. ১৯৭৪ এর ২৫(বি) ধারায় অভিযোগ পত্র নং- ১৫২ দাখিল করে।

পরবর্তীতে আদালত ১৪ জুলাই ২০১১ সনে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করে। ৯জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রদান শেষে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামী পক্ষের দীর্ঘ শুনানী পর বিগত ১২ আগষ্ট ২০১৮ ইংরেজী তারিখে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নং-২ মহানগর সিলেট বিচারক মুমিনুন নেসা’র আদালত প্রত্যেক আসামীকে ২বৎসর করে সাজা ও ৫ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দন্ডিত করে এ রায় প্রদান করেন এবং আসামিদের ধৃত করার জন্য গ্রেফতারী পরোয়নাসহ সাজা পরোয়ানা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করেন।

“সিলেটের জৈন্তাপুরে জুয়া’র আস্তানায় পুলিশের হানা, ১০জুয়াড়ী আটক, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫হাজার করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে ৭দিনের কারাদন্ড”

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০২মে,রেজওয়ান করিম সাব্বিরঃ পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে যানাযায় দীর্ঘ দিন হতে জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট পুকুরপাড় এলাকায় মনু মঞ্জিলের নীচ তলার দোকান কোঠা ভাড়া নিয়ে মোঃ বাবুল মিয়া ও আব্দুল খালিক নামের দুই জোয়াড়ী দিন রাত সমান ভাবে জুয়া খেলা ও তীর খেলা পরিচালনা করছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইস ফোন ব্যবহার করে “জান্ডি মুন্ডা” নামক জুয়া বোর্ড পরিচালনা করে এলাকার উঠতি বয়সী তরুন সমাজকে ধ্বংস করছে। জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ চক্রটি ধরতে নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করে গত ৩০ এপ্রিল রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সফিউল কবির এর নির্দেশে পুলিশের ১৫/২০জনের বিশেষ টিম মনু মঞ্জিলে অভিযানে নামে।

অভিযান পরিচালনা কালে তারা ১০জুয়াড়ীতে হাতে নাতে আটক করে। অভিযান পরিচালনা কালে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। তারা পুলিশের অভিযানকে ধন্যবাদ জানায় এবং জুয়াড়ীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করে। আটককৃত জুয়াড়ীরা হল কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ গ্রামের মৃত মকবুল আহমদের ছেলে রাজন আহমদ(২৭), জৈন্তাপুর উপজেলার লামনীগ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে মোঃ বিল্লাল আহমদ(৩৫), বাউরভাগ মল্লিফৌদ গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ এর ছেলে মোঃ শাহীন আহমদ(২৫), একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ শাহীন আহমদ(২২) একই গ্রামের ইরফান আলীর ছেলে মারফত আলী(৪৫), বাউরভাগ কান্দি গ্রামের জুনায়েদ আলীর ছেলে সাহাব উদ্দিন(৫৬), মুক্তাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিম এর ছেলে নুর উদ্দিন(৪৫), নিজপাট যশপুর গ্রামের আব্দুর রউফ এর ছেলে মোঃ কালা মিয়া(৩০), নিজপাট নয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে মোঃ রনি(২৫) সহ জুয়াবোর্ড এর মালিক জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ভিত্রিখেল (তেতইরতল) গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার এর ছেলে মোঃ বাবুল মিয়া (৫০)।

গতকাল সকাল ১লা মে সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট সুহেল মাহমুদের কার্যলয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে ধৃত ১০জুয়াড়ীকে হাজির করে পুলিশ। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট সুহেল মাহমদ প্রত্যেক জুয়াড়ীকে ৫হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন অনাদায়ে ৭দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেন।

এবিষয়ে অফিসার ইনচার্জ সফিউল কবির বলেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান পরিচালনা করি। জৈন্তাপুরের অপরাধ নিমূলে পুলিশের অভিযান নিয়মিত অভ্যাহৃত আছে এবং থাকবে। জৈন্তাপুরের অপরাধ নিমূলে সবাইকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহবান জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৬এপ্রিল,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় সাচনা ও জামালগঞ্জ বাজারের ১২জন ব্যবসায়ী কে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

আজ সকাল ১১ঘটিকায় চাল-আটা সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি করায় ১২ব্যবসায়ীকে ৩৪হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। অর্থদন্ড প্রাপ্ত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গুলো হল,জামালগঞ্জ বাজারের মের্সাস ভাই ভাই ট্রেডার্স ২হাজার,সাচনা বাজারের সাথী গ্রোসারী এন্ড কনফেকশনারী ২হাজার,সাথী এন্টার প্রাইজ ২হাজার,ইব্রাহিম এন্টারপ্রাইজ ১হাজার, মের্সাস দূর্জয় ষ্টোর ২হাজার,মের্সাস নয়ন ষ্টোর ৫হাজার,মের্সাস পিয়েস ষ্টোর ১হাজার, মের্সাস জয় কালী ভান্ডার ২হাজার,মের্সাস জয় ষ্টোর ৫হাজার,মের্সাস পিয়াস ষ্টোর ৫হাজার, মের্সাস জুবায়েদ ষ্টোর ৫হাজার,মের্সাস গৌরাঙ্গ ট্রেডার্স ২হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এ সময় সাথে ছিলেন,এস আই সাইফুল্লাহ আকন্দ সহ সঙ্গীয় ফোর্স। গত বুধবার ব্যবসায়ীদের সাথে প্রশাসন দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রনে রাখতে জরুরী বৈঠক করলেও উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে চড়া দামে ভোগ্যপণ্য বিক্রি করছেন।

এমন অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিষ্ট্রেট প্রসূন কুমার চক্রবর্তী দুর্গত এলাকার বাজার নিয়ন্ত্রনে চাল-আটা সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার প্রত্যেকটি বাজারে পুলিশ প্রশাসনের মনিটরিং জোরদার করার দাবী জানিয়েছেন ভোক্তভূগণ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc