Saturday 31st of October 2020 01:26:15 PM

প্রত্যাশিত স্বপ্ন পুরন হতে যাচ্ছে  চুনারুঘাটে উপজেলাবাসীর অনুমোদন পেল চুনারুঘাট সীমান্তে বর্ডার হাট। ৫০ টি করে দু’ দেশের থাকবে ১শ দোকান। স্থলবন্দর পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

এস এম সুলতান খান,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) থেকেঃ  প্রত্যাশিত স্বপ্ন পুরন হতে যাচ্ছে  চুনারুঘাটে উপজেলাবাসীর অনুমোদন  পেল চুনারুঘাট সীমান্তে বর্ডার হাট। ৫০ টি করে দু’ দেশের থাকবে ১শ দোকান। ক্রেতা থাকবেন প্রতিদিন হাজার। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা-কেদারাকোট স্থলবন্দর পরিদর্শন কালে  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেখ মোহাম্মদ জাকারিয়া এ  কতাগুলোো বলেন। (২৪ আগস্ট) শনিবার দুপুরে তিনি জেলা-উপজেলা প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বিজিবি, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাল্লা-কেদারাকোট সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিন ইকবাল, জেলা প্রশাসক কার্য্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা সজিব চন্দ্র রুদ্র, কাস্টম ইন্সপেক্টর মোঃ জাহেদ মিয়া, বাল্লা সীমান্ত ফাঁড়ির বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার মোঃ সেলিম উদ্দিন, গাজীপুর ইউনিয়ন তাঁতীলীগের আহবায়ক ও বাল্লা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানী কারক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন খান, গাজীপুর ইউনিয়ন তাঁতীলীগের সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল আলম রণি, ব্যবসায়ী সদস্য জুয়েল মিয়া ও জেলা-উপজেলার সার্ভেয়ার সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বন্দরগুলোর উন্নয়নে কাজ করছে। জমি অধিগ্রহনের কাজটি আমরা দ্রুত গতিতে শেষ করে দিচ্ছি। আমাদের কাজও প্রায় শেষের দিকে, খুব বেশি দিন সময় হয়ত লাগবেনা। মাস দেড়-দুই একের মধ্যেই জমি অধিগ্রহনের কাজটি শেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওরাও যতেষ্ট কাজ এগিয়ে রেখেছে, এদেরও প্রকল্প প্রায় পাশ করা। আমরা যায়গাটা বুঝিয়ে দিলেই ওরা প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিতে পাারবে।
উল্লেখ্য, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা স্থলবন্দরটি ১৯৫১ সালে ৪.৩৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এ স্থান দিয়ে বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য চলে আসছে। এখানে রয়েছে চেকপোস্টসহ সীমান্ত ঘাঁটি। বাল্লা স্থলবন্দরের স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে উঠলে বন্দরটি দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ২’শত কোটি টাকার পণ্য আমদানি-রপ্তানি হবে।
এতে এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সম্ভাবনাময় এ স্থলবন্দরটি বিগত ১৯৯১ সালে পুনরায় চালু হওয়ার পর এ বন্দর দিয়ে সিমেন্ট, ইট-পাথর, মাছসহ নানা পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। বিনিময়ে ভারত থেকে বিভিন্ন কাঁচামাল, ফলমূল, বাঁশ, চকলেট, ক্যান্ডি ইত্যাদি পণ্য আমদানি হচ্ছে। এছাড়া এ বন্দর দিয়ে লোকজনও বৈধভাবে পারাপার হচ্ছেন।

হৃদয় দাস শুভঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার ১০১সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের পর জেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদন করা হয়েছে।
দলীয় সুত্রে জানা গেছে,বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মৌলভীবাজার জেলা শাখার একাংশের সভাপতি এম নাসের রহমান স্বাক্ষরিত এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে এ কমিটি অনুমোদন করেন।
এতে মোঃ আতাউর রহমান (লাল হাজী) কে সভাপতি,সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসেস হেলেনা চৌধুরী,সহ-সভাপতি মোঃ দুধু মিয়া,সহ-সভাপতি মোঃ ছাইদ মিয়া, সহ-সভাপতি মোঃ ইদ্রিস আলী, সহ-সভাপতি মোঃ মশুদুর রহমান,সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আব্দুল  মালেক,সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.এ কাইয়ুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজি এমদাদুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম আহমদ, মো: মকবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো: হাসেম খান খোকন, প্রচার সম্পাদক এম রহিম,দপ্তর সম্পাদক আবুজার বাবলা।
এ ছাড়াও আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. মোসলে উদ্দিন, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো: মোছাব্বির মিয়া, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ,সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মো; কুতুব উদ্দিন,সমাজ কল্যান সম্পাদক মো: কাজী তারেক উজ্জামান, সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো: তারেক ইকবাল চৌধুরী,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো: শাহ জাহান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছা সুলতানা আক্তার রাজিয়া,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো: আব্দুল জব্বার আজাদ, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো: ফয়ছল আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস ছুবহান, উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক কামিনী দেববর্মা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো: রুকন উদ্দিন দুলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক টিটু দাস, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো: গুফরান আহমদ মজনু, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক লিটন আহমদ, প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক মোছা শাহানা আক্তার, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো: মুজিবুর রহমান তপন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান সম্পাদক মোছা: আলেয়া বেগম, প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক গাজী টিটু, ত্রান বিষয়ক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন ভুইয়া, সহ প্রচার সম্পাদক সেলিম আহমদ,সহ দপ্তর সম্পাদক আফজাল তরফদার, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক বশির আহমদ, সহক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো লুৎফুর ও সম্মানীত সদস্য মো: মহসিন মিয়া।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কমলগঞ্জ উপজেলা ও পৌর  শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেছে মৌলভীবাজার জেলা কমিটি। কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া শফিকে সভাপতি, মুন্সীবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান চৌধুরীকে সিনিয়র সহ সভাপতি, পতনঊষার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ চৌধুরীকে সহ সভাপতি, আলম পারভেজ চৌধুরী সোহেলকে সাধারণ সম্পাদক, মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু  এড: মো: আব্দুল আহাদকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আনোয়ার হোসেন বাবু ও মুজিবুর রহমান মুকুলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপি।

তাছাড়া কমলগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু ইব্রাহীম জমশেদকে সভাপতি, ইকবাল পারভেজ চৌধুরী শাহিনকে সিনিয়র সহ সভাপতি, মোঃ শফিকুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক, জসিম উদ্দিন সাকিলকে যুগ্ম সম্পাদক ও হাজ্বী মোঃ নোমান আলীকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমলগঞ্জ পৌর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম, নাসের রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমলগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিিিট ঘোষনা করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩মে,চুনারুঘাট প্রতিনিধি: দীর্ঘ প্রতিক্ষা ও সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবারো চুনারুঘাট উপজেলা তাঁতী লীগের ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। গত ৩০ই এপ্রিল রোজ সোমবার হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ কার্য্যালয়ে জেলা তাঁতী লীগের সভায়, সভার সর্বসম্মতিক্রমে পূণরায় মোঃ কবির মিয়া খন্দকারকে আহবায়ক ও মোঃ মিজানুর রহমান বাবুলকে সদস্য সচিব করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি জননেতা মুদ্দত আলী, জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরদার, জেলা তাঁতী লীগ নেতা সাজু নাছের চৌধুরী, মাহবুব ছাদিক উজ্জল, মুহিবুল আলম জীবন, সিমন মোল্লা, আহমদ আলীসহ জেলা ও উপজেলা তাঁতী লীগ নেতৃবৃন্দ।

এ সময় হবিগঞ্জ জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি জননেতা মুদ্দত আলী বলেন, আগামী ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভ্যানগার্ড হিসেবে তাঁতী লীগকে কাজ করতে হবে। জননেত্রী দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চতুর্থ বারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ী করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে হবে। এবং এরই ধারাবাহিকতায় তাঁতী লীগকে কাজ করতে হবে।

“সভাপতি আমিরুল হোসেন চৌধুরী,সম্পাদক মাহবুব আলমসহ ২৭ সদস্যের নাম ঘোষনা”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৬এপ্রিল,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার আগামী ১বছরের মেয়াদে জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি কেন্দ্র থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সোমবার ২৩ এপ্রিল মৌলভীবাজার জেলায় দিনব্যাপি সম্মেলন শেষে রাতে কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের সাক্ষরে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে আমিরুল হোসেন চৌধুরীকে সভাপতি ও মাহবুব আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৭ সদস্যের নাম ঘোষনা করা হয়।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন শেখ সামাদ আহমদ, আখতার উদ্দিন, হাসান আহমেদ তারেক, মো. তানভীর আহমেদ শিপু, মাজহারুল ইসলাম রাব্বী, ফয়সল মনসুর, অমিত রায়, সাইদুর রহমান মনি, জাকির হোসেন পান্না, সিদ্দিকুর রহমান ফজলে নুর, হুমায়ুন রশীদ রাজী, শেখ মো. মোর্শেদ জাহান মাসুম ও সুমন আহমেদ।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন সুজল, মেহের হোসাইন জাকির, টিকলু চন্দ্র কর ও আব্দুল্লাহ আল শাম্মু। সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. রাসেল আহমেদ, তানভীর চৌধুরী রবিন, আব্দুর রউফ, সাকিবুল হাসান রাজীব ও তুষার মোনায়েম। এছাড়াও প্রচারসম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, এবং উপ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন মেহেদী হাসান কবির ও রিফাত আহমদ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২০ বছর পর ২৩ এপ্রিল সোমবার মৌলভীবাজার পৌর জনমিলন কেন্দ্রে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হয় জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাঠ প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি।সম্মেলন শেষে রাতে কেন্দ্র থেকে নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা এবং এর মধ্যে ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তির বিধান রেখেছে ওই সভায়।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান।

“ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে জানান তিনি।”

সচিব বলেন, “মানহানিকর তথ্য পরিবেশনের জন্য খসড়া আইনে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।”

দেশের বিভিন্ন স্থানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহার বিশেষ করে এই ধারায় সাংবাদিকদের নামে মামলার কারণে এই ধারাটির বিরুদ্ধে সমালোচনা ওঠে। ধারাটি বাতিলের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে।

২০১৬ সালের বছরের ২২ আগস্ট ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। তবে খসড়াটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইনমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছিলেন, ‘যারা কনসার্ন স্টেক হোল্ডার (সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী) তাদের নিয়ে বৈঠক করে এটাকে (খসড়া আইন) আরেকটু পরিশীলিত করবেন।’

এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কয়েক দফা সভা করার পর গত বছরের ২৯ নবেম্বর এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়।এরপরই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ খসড়াটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে পাঠিয়েছে ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বরঃ   দেশের মন্ত্রিসভা ২০১৮ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছেন। আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী ছুটি মিলিয়ে ২২ দিন ছুটি থাকবে। ছুটির মধ্যে ৭ দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ছুটির তালিকা অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এ ছুটির মধ্যে তিনটি সপ্তাহিক ছুটির দিন পড়ে গেছে।’

চলতি বছরও সরকারি চাকুরিজীবিরা ২২ দিন ছুটি পেয়েছেন। এরমধ্যে ১০ দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবার।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৯জুনঃ  অবশেষে দেশে জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম বলেন, সরকার আগে থেকেই জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যমকে একটি নীতিমালার অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার সেটার খসড়া অনুমোদন দেয়া হলো।
তিনি বলেন, অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে চলমান প্রায় ২ হাজার অনলাইন গণমাধ্যমকে সরকারের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর এখন তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষা। মন্ত্রণালয় গেজেট প্রকাশ করলেই এটি কার্যকর হবে।
খসড়া অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত জাতীয় সম্প্রচার কমিশনই অনলাইন গণমাধ্যম পরিচালনা করবে। জারি করা বিধি-বিধান যথাযথভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তাও ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এই কমিশন।
সব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত বা প্রচারিত সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে ৬ মাস বা এক বছর পরপর প্রতিবেদন নেবে কমিশন। পরবর্তীতে তা পেশ করা হবে সরকারের কাছে। যে কোনো অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনও করবেন তারা।
নীতিমালা পরিপন্থী তথ্য প্রকাশ এবং দেশের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পেলে সংশ্লিষ্ট অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেবে কমিশন। স্বপ্রণোদিতভাবেও তারা এই কাজ করতে পারবে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করবে সরকারকে।
এ ছাড়া কমিশন আইনের বাস্তবায়ন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, বিধিবিধান প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নেবে। অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের জন্য একটি অনুসরণীয় নিয়মকানুনও তৈরি করবে কমিশন।
সংবাদপত্রের জন্য ১৯৭৩ সালের প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যক্ট থাকলেও অনলাইন পত্রিকা পরিচালনার জন্য দেশে কোনো আইন, নীতিমালা ও অধ্যাদেশ ছিলো না। ২০১২ সালে সরকার একটি খসড়া তৈরি করলেও তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এরপর অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশ ও সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।
অনলাইন গণমাধ্যমকে নিবন্ধন দিতে এরইমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করেছে সরকার।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২মার্চ,ডেস্ক নিউজঃ  নগরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও বাড়িঘর নির্মাণ এবং যে কোনো উন্নয়ন কাজে ভূমি ব্যবহারের প্রয়োজনে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে। ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে গ্রামাঞ্চলে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অনুমতির বিধান থাকলেও সেটি প্রতিপালিত হয় না। এখন এই বিধান যুক্ত করে ‘নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা আইন ২০১৭’ এর খসড়া মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এই নিয়ম না মানলে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের সঙ্গে ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ১৯৫০-এর আইনে শাস্তির বিধান ছিল না।

জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ইত্তেফাককে জানান, আইনটিতে মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এখন এটি আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা হবে। বিধি বিধান প্রণীত হবে। সেক্ষেত্রে কোথায় কোন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেবেন সেটি চূড়ান্ত থাকবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে পালনের জন্য জাতিসঙ্ঘে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। গত ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে এ প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

প্রসঙ্গত. ক্ষেত্রমতে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, এরকম অনুমোদন দিয়ে থাকে। ঢাকায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা রাজউক এ ধরনের অনুমোদনের জন্য দায়িত্ব পালন করে। ভবিষ্যতে এই ক্ষমতা ক্ষেত্রমতে ইউনিয়ন পরিষদের হাতেও দেওয়ার সুযোগ রয়েছে এই আইনে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে পরিষদ বিভাগের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সংশ্লিষ্ট সচিবেরা উপস্থিত ছিলেন।

ভূমি ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এই আইন করা হচ্ছে বলে এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে যেন জমির ব্যবহার করা হয়, সেজন্য আইনে অনেকগুলো প্রস্তাব আছে।

খসড়ায় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২৭ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাদের মূল দায়িত্ব হবে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর বা তাদের ছোট পরিষদের তত্ত্বাবধান করা। এছাড়া গণপূর্ত সচিবের নেতৃত্বে থাকবে ২৫ সদস্যের নির্বাহী পরিষদ। পূর্তমন্ত্রীর নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদ মূলত নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে কাজ করবে। আর উপদেষ্টা পরিষদের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে নির্বাহী পরিষদের কাজ। এছাড়া জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের কাছে পরিকল্পনাগুলো সুপারিশসহ উপস্থাপন করবে নির্বাহী পরিষদ।

সব সরকারি-বেরকারি সংস্থা, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান যাদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা এবং ভূমি ব্যবহার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে- সেসব সংস্থা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উপদেষ্টা পরিষদের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে।

উপদেষ্টা পরিষদ ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতা দিতে পারবে। রাজউকসহ এ সংক্রান্ত অন্য কর্তৃপক্ষের কাজের সমন্বয় করবে উপদেষ্টা পরিষদ। নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরকে নগর ও অঞ্চলের পরিকল্পনা ও ভূমি ব্যবহার ব্যবস্থাপনা প্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যাবে।

এ আইনের অধীনে প্রণীত পরিকল্পনা, বিধি, কোনো আদেশ, নির্দেশ মোতাবেক কাজ না করলে বা কোনো ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান এগুলো লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল বলেন, গ্রাম এলাকাতেও কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলো তাদের এখতিয়ারভুক্ত এলাকাগুলোতে নিজেরাই অনুমোদন দেবে। পৌরসভা ও স্থানীয় পরিষদ নিজেদের গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পাদন করবে। ইতোপূর্বে তারা যেসব কাজ করছে তা এই আইনের মধ্যে গণ্য হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে ‘মানুষের বাড়িঘর নির্মাণের বিষয়টিও’ আছে। ছাড়পত্র নেওয়ার বিষয়টি গ্রাম পর্যায়ে চলে যাবে। সারা দেশের যে কোনো জমি ব্যবহার করতে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে।

সচিব বলেন, গ্রামে বাড়িঘর তৈরির আগে ইউনিয়ন পরিষদের অনুমতি নেওয়ার নিয়ম এখনও আছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা নেওয়া হয় না। কৃষি জমিতে বাড়ি করতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু মানুষ সাধারণত সেই অনুমতি নেয় না। এগুলো আইনে আছে, পালন করা হয় না ।

নতুন আইন তৈরির যৌক্তিকতা তুলে ধরে শফিউল আলম বলেন, জমির অপব্যবহার ঠেকানো এর অন্যতম উদ্দেশ্য। পরিকল্পনা করে যেন ভূমি ব্যবহার নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। জমির অপব্যবহার যেন কম হয়।

প্রতি বছর এক শতাংশ করে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সেটা ‘ঠেকানো দরকার’। প্রস্তাবিত নতুন আইনে যেসব বিষয়ে বিস্তারিত বলা নেই, সেগুলো বিধির মাধ্যমে বিষদ করা হবে বলে জানান তিনি।

এ ছাড়া সভায় ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদের জারি করা পরিপত্র ‘ক’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সচিব বলেন, ‘ক’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করার অর্থ হলো, দিবসটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করা হবে।

এশিয়ায় স্যাটালাইটে যোগ দিতে ফিকোয়েন্সি আদান প্রদান সম্পর্কিত বাংলাদেশ-ভারত চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২০০৯ সালে করা বাংলাদেশ-ভারত পুঁজি বিনিয়োগ সম্পর্কিত চুক্তির কিছু বিষয় স্পষ্টকরণ করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

এ ছাড়া সভায় বালাইনাশক আইন’ ২০১৭, বস্ত্র আইন’ ২০১৭ এবং প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড আইন’ ২০১৭ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে বস্ত্র আইন দেশে এই প্রথমবারের মতো করা হল। এ পর্যন্ত সবকিছু প্রশাসনিক আদেশ নির্দেশে হয়েছে। বস্ত্র ও পাট সম্পর্কিত কলকারখানা প্রতিষ্ঠায় এখন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম জানান, এই আইনের ফলে এই মন্ত্রণালয়ের জমিজমা সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে শৃংখলা আনা সম্ভব হবে। ২০১৪ সাল থেকে এই আইনটি প্রণয়নের কাজ চলে। বিভিন্ন পর্যায়ের মতামত নেওয়া হয়। যদিও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই আইন করার বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে।

এ ছাড়া শততম টেস্ট ম্যাচে অবিস্মরণীয় জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।ইত্তেফাক

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc