Monday 26th of October 2020 12:46:14 PM

মিনহাজ তানভীর:  হবিগঞ্জ জেলার বাহূবল উপজেলার রসিদপুর এলাকায় গ্যাস ফিল্ড সংলগ্ন সড়কে হবিগঞ্জ বিরতি পরিবহনের একটি বাস ও একটি জীপ এর মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত ও ৮ জনের অধিক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে দ্রুত গতিসম্পন্ন হবিগঞ্জ বিরতি পরিবহনের একটি বাস ও লেবু বহনকারী একটি জীপ এর মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হয়েছে এবং গুরুতর আহত আরো তিনজনসহ ৮ জনের অধিক আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

নিহত দুইজনের একজন সঞ্জিত কর্মকার (৩০) পিতা মৃত মনোয়া কর্মকার, গ্রাম সাতগাঁও চা বাগান, থানা শ্রীমঙ্গল,জেলা মৌলভীবাজার।

নিহত অপরজন মহেশ রাজগড় (৩৫) পিতা-মৃত বাদল রাজগড়,গ্রাম ফয়জাবাদ, ডাকঘর রশিদপুর, থানা বাহুবল, জেলা হবিগঞ্জ।
শ্রীমঙ্গল ও বাহুবলের বর্ডারের ঘটনা স্থলে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি অপারেশন নয়ন কারকুন ,এসআই ফরিদ ও এসআই আলমগীরসহ পুলিশের একটি টিম এবং বাহুবল থানা পুলিশ ও ঘটনাস্থলে রয়েছে। তাৎক্ষণিক আহতদের পূর্ণ পরিচয় জানা যায়নি, এ ঘটনায়়় দেড় ঘন্টারও অধিক রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ ছিল। পুলিশের সহযোগিতায় রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। বিস্তারিত আসছে পরের সংবাদে।

মিনহাজ তানভীরঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের সেন্ট্রাল রোড ও মৌলভীবাজার রোডের পাইকারি ও খুচরা বাজার মনিটরিং করা হয় আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়। ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রির অপরাধে সালাউদ্দিন ট্রেডার্স এর মালিককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়। দ্রব্যের যোগান স্বাভাবিক ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স হালনাগাদ না থাকায় এক দোকানীকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫০০ টাকা এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫ জন মোটরবাইক চালককে ১৭০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নেছার উদ্দিন এবং শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (অপারেশন) নয়ন কারকুনসহ পুলিশের একটি টিম।

অভিযানের আরেকটি চিত্র। ছবি সংগৃহীত

প্রসঙ্গত, বাজারের সিন্ডিকেটকারীরা রাতারাতি পাইকারি ৩৮ থেকে ৬৫ টাকায় পিঁয়াজ বিক্রি করছে যার প্রভাবে খুচরা বাজারে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকছে। অপর দিকে পিঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল করতে বিভিন্ন স্থানে গোদামে পিঁয়াজ স্টকে রেখেছে বলে আমার সিলেট প্রতিনিধির গোপন সুত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই রকম অভিযান অব্যাহত রাখলে আমাদের হঠাৎ সমস্যায় পরতে হবেনা বলে সাধারণ জনগণ মনে করেন।

হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কের বিটিআরআই সংলগ্ন চা বাগান-রাবার বাগান এলাকার বেলতলী নামক স্থানে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে ডাকাতি করেছে বলে স্থানীয় একটি সুত্রে জানা গেছে ৷

বিস্তারিত অনুসন্ধানে জানা যায় শ্রীমঙ্গলের বিটিআরআই সংলগ্ন রাবার বাগানের সামনের রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতি করেছে একদল ডাকাত। তাদের হামলায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। ডাকাতরা যাত্রীদের মারধর করে মুঠোফোনসহ মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টা থেকে  ১২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের বিটিআরআই পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতির শিকার হওয়া গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এ্যান্ড গলফের কর্মচারী আরিফ রানার সাথে কথা বলে  জানা যায়, কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের বিটিআরআইয়ের পাশে বেলতলী এলাকায় গাছ ফেলে একদল লোক আমাদের স্টাফ বাসটি আটকে দেয় এবং আমাদের গাড়ীর দরজাটি খুলতে বলে৷আমরা দরজাটি না খুললে আমাদের গাড়ীর সামনের গ্লাসটি ভেঙ্গে ফেলে,তারপর আমরা গাড়ীর দরজা খুলতে বাধ্য হই ৷
দরজা খোলার সাথে সাথে ডাকতরা আমাদের উপর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পরে আমাদের কাছ থেকে মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং আমাদের  দুই স্টাফ ইমরান ও আশরাফের হাত ভেঙ্গে ফেলে ৷
অনান্য আহতরা হলেন- গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ হোটেলের  ড্রাইভার মনি সিংহ (৪৫), আরিফ রানা (২৮), হেলাল উদ্দিন (৩০), সোহেল মিয়া (১৮), সুজন বৈদ্য (৩০), দুলাল মিয়া (১৮), মিনহাজ (২০), মোহাম্মদ আলী (২৪), মো. আলম শেখ (১৯), মো. জুয়েল (১৭)। তারা শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহতরা জানান, ডাকাতরা ওই সড়কে যাত্রীদের সাড়ে ১১ টা থেকে প্রায় চল্লিশ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশ আসলে তারা চা বাগানের দিকে পালিয়ে যায়।
তারা আরও জানান ডাকাতরা চল্লিশ মিনিটের মধ্যে প্রায় ২০-২৫ টির মত গাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়,ডাকাতরা নিজেদের মধ্যে হবিগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিলো এবং গোপন সংকেত হিসেবে “মাছ” শব্দটি ব্যবহার করছিলো ৷
তবে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন,শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কের বেলতলী নামক স্থানে গতরাতে আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে একদল লোক ডাকাতির চেষ্টা করে এবং ৪/৫ টি গাড়ী,২টি সিএনজি,২টি প্রাইভেট কার ও একটি অটোরিক্সা ভাংচুর করে এবং নগদ ২০/২৫ হাজার টাকা ও ৭/৮ মোবাইল ছিনিয়ে নেয় ৷
ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর সাথে সাথে ডাকাতদল পালিয়ে যায়,আমরা ডাকাতদল কে ধরার জন্য অভিযান পরিচালনা করছি এবং শহরজুড়ে টহল জোরদার করেছি৷আপডেট নিউজ

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৪ডিসেম্বর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রোববার রাত সোয়া সাতটার দিকে  শ্রীমঙ্গলে  পর্যটকবাহী হানিফ পরিবহনের একটি বাস শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়কে গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্টের অদূরে রাধানগর নামক স্থানে পাহাড়ের বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে  ৩জন গুরুতরসহ ২০ জনের অধিক আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানিয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন এবং গুরুতর আহত ৩ জনকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পর্যটকবাহী বাসটিতে নাটোর জেলার মৌখাড় ইসলামিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারদের ১৪ পরিবারের ৩৫ জন সদস্য নিয়ে ২১ ডিসেম্বর সিলেটে বেড়াতে আসেন।শিক্ষক ও তাদের পরিবারবর্গসহ বাসটিতে ৩৫ জন যাত্রী ছিল।তারা মৌলভীবাজার জেলার  বড়লেখার মাধবকুন্ড জলপ্রপাত দেখে নাটোরের উদ্দেশ্যে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে বাসের অপর যাত্রীদের সুত্রে গেছে।

 ডুবছে মাটিয়ান হাওর,কৃষকের কান্না,দীর্ঘ শ্বাসে ভারী হচ্ছে আকাশ-বাতাশ

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৫এপ্রিল,জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জসুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় মাটিয়ান হাওরের আলমখালি বাঁধ বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে তীব্র গতিতে হাওরে প্রবেশ করছে পানি। নিমিষের মধ্যেই বিশাল হাওর পানিতে থৈ থৈ করছে। অথছ সোমবার পর্যন্ত সবুজের সমারোহে পরিনত ছিল এই হাওরটি। এ দিন সকালে এই বাঁধের অবস্থা খারাপের খবর পেয়ে ছুঠে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,তাহিরপুর থানার ওসি,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও হাওর পাড়ের কৃষকগন।

বাঁধ রক্ষার জন্য সবাই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে বাঁধ কে ঝুকিঁ মুক্ত করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হল না সোমবার মধ্য রাতেই প্রচুর পরিমানে বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে যায়। জানা যায়,মাটিয়ান হাওরটি উপজেলা প্রধান বোরো উৎপাদন সমৃদ্ধ হাওর। এ হাওরে সাড়ে ৩হাজার হেক্টরে অধিক বোরো ধানের চাষাবাদ করেছে ১০টি গ্রামের হাজার হাজার কৃষকগন।

পানিতে হাওরটি ডুবে যাওয়ায় এ হাওরের কৃষকরা এখন দিশেহারা হয়ে পরেছে। আর একমাত্র জীবন বাঁচার সম্পদ,কষ্টে ফলানো সোনার ফসল পানিতে ডুবে যাওয়া দৃশ্য দেখে তাদের চোখের পানি একারকার হচ্ছে পাহাড়ী ঢলের পানির সাথে। আর তাদের আর্তনাধ,আহাজারিতে এক হ্নদয় বিদায়ক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে হাওর পাড়ে। এছাড়াও উপজেলার এ পর্যন্ত মহালীয়া,লোবার হাওর,বলদার হাওর,কলমার হাওর সহ ১২টি হাওরের কাচাঁ,আধা পাকা বোরো ধান একবারেই পানিতে তলিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান ১০হাজারের হেক্টরের অধিক হবে বলে জানায় হাওর পাড়ের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকগন।

স্থানীয় কৃষকগন জানান,উপজেলার প্রতিটি বাঁধের যখন খারাপ অবস্থা খবর পেয়েছেন তখনেই বাঁধ রক্ষায় ফাঠল ও দেবে যাওয়া অংশে সংস্কারের কাজ করেছে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল সহ হাওর পাড়ে কৃষকগন দিন-রাত সেচ্চা শ্রমে। আর কাউকে আমাদের পাশে পাই নি। উপজেলা চেয়ারম্যানের মত সবাই যদি দূর্যোগ মুর্হুতে হাওরের বাঁধ রক্ষা আমাদের পাশে এসে দাড়াঁত তাহলে কিছুটা হলেও আরো রক্ষা করা যেত। তারা আরো জানায়,এই ফসল ফলাতে আমরা এনজিও,ব্যাংক ও মহাজনের কাছ থেকে ছড়া সুদে নেওয়া ঋন নেওয়ায় পরিশোধ ও ছেলে মেয়েদের পড়া শুনা ও জীবন কিভাবে বাঁচাব এ নিয়ে হতাশায় মধ্যে আছি।

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারীর মধ্যে হাওরের বেরী বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ করার সরকারি নির্দেশ থাকলেও ৪০ভাগ কাজও শেষ করেনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার ও পিআইসিরা। নিজেদের খেয়াল খুশিমতো বাঁধের উপর থাকা গাছ-পালা কেটে পরিস্কার না করে,বাঁধের দুই পাশ থেকে মাটি উত্তোলন করে কোন রকম দায়সারা ভাবে বাঁধ নির্মান করে। নিদির্ষ্ট দূরত্ব থেকে মাটি এনে,বস্তায় মাটি ভরে,বাঁশ দিয়ে প্রতিরক্ষা বাঁধ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে তা কেউ শুনেনি। অনেক হাওর পাড়ে বাঁধ নির্মান না করে পানি বাড়ার সাথে সাথে তড়িগড়ি করে নামমাত্র মাটি দেয় কর্মকর্তা কর্মচারী,ঠিকাদার ও পিআইসির প্রতিনিধিরা।

তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানান-হাওরের বাঁধ গুলো খুবেই যুঁকিপূর্ন অবস্থায় ছিল এবং এখনও আছে। হাওরের আলমখালি বাঁধ ভেঙ্গে মাটিয়ান হাওরের সর্ম্পূন বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান আরো বেড়ে যাবে। উপজেলার অন্যতম বৃহত্তর অন্য শনির হাওরটিও খুবেই যুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন-সঠিক ভাবে বাঁধ নির্মাণ না করার কারণে একের পর এক হাওর ডুবছে। মাটিয়ান হাওরের আলমখালী বাঁধটি রক্ষায় আমি সহ সবাই সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাঁধে সেচ্ছ শ্রমে কাজ করেছি সবাইকে সাথে নিয়ে। এর পরও হাজার হাজার কৃষকের একমাত্র বোরো ফসল রক্ষায় বাঁেধ এ পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাউকে দেখা যায় নি। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হল না মধ্য রাতেই এই বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় মাটিয়ান হাওরের সব বোরো ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে বাঁধ নির্মান অনিয়মকারীদের কোন ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সুনামগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আফছার উদ্দিন জানান,জেলার আমাদের রক্ষানাবেক্ষনকৃত ছোট বড় ৪৬টি হাওরের মধ্যে ১৯টি হাওর ডুবে গেছে। এতে প্রায় ২০হাজার হেক্টরের অধিক জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ২৪ঘন্টায় ৫০মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাহাড়ী ঢলে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৬সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc