Friday 26th of February 2021 01:08:33 AM
Wednesday 27th of January 2021 08:47:54 PM

জৈন্তাপুরে নাগা মরিছ চাষী কৃষকের সোনালী স্বপ্ন সংকটে

অর্থনীতি-ব্যবসা, বৃহত্তর সিলেট ডেস্ক
আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম
জৈন্তাপুরে নাগা মরিছ চাষী কৃষকের সোনালী স্বপ্ন সংকটে

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে সরকারি সহযোগিতা ছাড়াই নাগা মরিছ চাষে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন দেখছেন। আশানুরুপ ফলন পেলেও বাজার সংকটের কারনে সঠিক দাম হতে বি ত হচ্ছেন উপজেলার নাগা মরিচ চাষীরা।
সরেজমিন জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়নের বারগাতি গ্রামের কৃষকের নাগা মরিছের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, এবৎসর নাগা মরিচ চাষ করে ৫০ হতে ৬০টি কৃষক পরিবার ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। তাবে বাজার না পাওয়ায় তারা হতাশার পড়েছে। সঠিক ভাবে নাগা মরিচের বাজার পেলে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে সুষ্ট ভাবে চলতে পারবে। এমন সোনালী স্বপ্ন নিয়ে তারা দিন যাপন করছে। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় নাগা মরিচ চাষি উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের করগ্রামের আব্দুল ওহাব এর ছেলে আব্দুল মতিন (৩০) এর সাথে।

তিনি প্রতিবেদককে জানান, বারগাতি এলাকার তার নাগা মরিচের বাগান সবচেয়ে বড়। তিনি ১ একর (তিন বিঘা বা নিরানব্বই শতাংশ) ভূমিতে নাগা মরিচ চাষ করেছেন। নিজের কৃষি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে এবং সার বীজ ও কিটনাশক ব্যবসায়ীদের পরামর্শে কয়েক বৎসর হতে নাগা মরিচের চাষা বাদ করেন। রোপন হতে পূর্ণ ফল পাওয়া পর্যন্ত ছয় মাস সময় লাগে। উপজেলা কৃষি বিভাগের কোন প্রকার সাহায্যে সহযোগিতা ছাড়াই প্রকৃতিক দূর্যোগ রোগ বালাই মোকাবেলা করে তারা নাগা মরিচের চাষ করে আসছেন। নাগা মরিচ চাষ করে পরিবার পরিজন নিয়ে সুষ্ট সুন্দর ভাবে বেঁেচ আসেন। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার নাগা মরিচ ফলন ভাল হলেও বাজারে কাস্টমার না থাকায় তারা বিপাকে রয়েছেন। তার পরও আশা ছাড়ছেন না যদি কিছুটা হলে বাজার ধরতে পারেন তাহলে তাদের সোনালী স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিবে। আব্দুল মতিন জানান, ১একর ভূমিতে নাগা মরিচ চাষে তার ব্যায় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা।

ইতোমধ্যে তিনি নাগা মরিচ বিক্রয় করেছেন প্রায় ৫ লক্ষ টাকার। প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিংবা শত্রুর আক্রমন, রোগ বালাইর হাত হতে রক্ষা এবং সটিক বাজার পেলে নাগা মরিচের যে ফলন বাগানে রয়েছে তাতে তার সোনালী স্বপ্ন বাস্তবে রূপ ধারন করে। তার রোপিত নাগা মরিচের মাঠ হতে আগামী দুই মাস তিনি বিক্রয় করতে পারবেন। বর্তমানে ২৫ কেজি ওজনের নাগা মরিচের বস্তার বাজার মূল্য পাচ্ছেন ৭ হতে ৮ হাজার টাকা। প্রতিদিন কমপক্ষে তিনি ৪ হতে ৬ বস্তা মরিচ মাঠ হতে উত্তোলন করতে পারছেন। বারগাতি এলাকায় প্রায় ৫০ হতে ৬০জন চাষীরা নাগা মরিচের চাষ করেছেন। মোটা মোটি কমবেশি সবারই ভাল ফলন এসেছে, তবে বাজার না থাকায় তারা সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না। তাদের নাগা মরিছ গুলো স্থানীয় বাজার সহ সিলেট বিভাগ ও ঢাকার বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন সরকারি সহযোগিতা সার, বীজ, কীটনাশক, প্রশিক্ষণ, মাঠ পর্যায়ে পরামর্শ ও সাহায্য পেলে তারা উপকৃত হতে পারতেন। তারা শুনেছেন অনেকেই কৃষি সহায়তা পাচ্ছেন, তবে কারা সুবিধা পাচ্ছেন তাদের জানা নেই।
অন্যান্য কৃষদের মাঠ ঘুরে এবং কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা গেলে বারগাতী এলাকায় অন্তত ২শত একর নাগা মরিচ চাষ হয়েছে এবং ফলন ভাল হয়েছে। প্রকৃতিক দূযোর্গ ও রোগবালাই অতিক্রম করে ফলন তুলতে পারলে তাদের সোনালী স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে আমরা সোনালী স্বপ্ন দেখছি।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc