Sunday 28th of February 2021 12:54:44 PM

বেড়েছে গরু চুরি,বিক্রি হয় সদরসহ জেলার কিছু গোস্তের দোকানে !

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে গরু চুরি। বিগত কয়েক মাসে প্রায় ৯০টি গরু চুরি হয়েছে মৌলভীবাজার জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। কে, কিভাবে এই গরু গুলো চুরি করছিলো তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলো গরুর মালিকরা। চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন গরু মালিকেরা। পাহারা দিতে অনেকেই গোয়ালঘরে বিছানা করে গরুর সঙ্গে রাত্রিযাপনেও বাধ্য হচ্ছেন।
সকালে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে একটি সিএনজি নিয়ে নিলু মিয়ার ছেলে রিদয় মিয়া (২২) আব্দুর রহিমের ছেলে ইবরাহিম মিয়া ( বিম) (২০) ও

এরশাদ মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া রসি কেটে সিএনজিতে তোলার সময় গ্রামবাসী দেখে পেলে । দুজন ধরা পরলেও গ্রামবাসীর দাওয়া একজন সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায় । গ্রামবাসী মৌলভীবাজার সদর থানাকে খবর দিয়ে পুলিশের কাছে গরু চোরদের তোলে দেয়, তাদের সবার বাসা মৌলভীবাজার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বেড়িরচড় গোলবাগ এলাকায় এমন দাবি করছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, রাসেল মিট হাউজের কাজ করে রিদয় মিয়া। দোকানের মালিক পৌর কাউন্সিলর ফয়ছল আহমদ । তার কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যাবসা করছে শাহ আলম ।

এ বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর ফয়ছল আহমদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান “রাসেল মিট হাউজের দোকানের মালিক গরু চুরি করেনি। তবে গরু চোরদের বিষয়ে এলাকার মানুষ নিয়ে একটি ব্যাবস্থা নিবো।”
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ ইয়াছিনুল হক বলেন, “দুজন গরু চোরকে আমরা আটক করেছি গরু চুরির ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তবে তাদের উপর গরু চুরির একাদিক মামলা রয়েছে। আমরা চোর চক্রের সিন্ডিকেট ধরার চেষ্ট চালিয়ে যাচ্ছি।”

অপরদিকে সচেতন মহল সন্দেহ পোষণ করছে যে উপজেলার অন্যান্য গোশত বিক্রির দোকানেও প্রশাসনের নজর রাখা উচিত কেননা অভিযোগ রয়েছে যে কিছু দোকানিদের সাথে গরু চোরদের বেশ সখ্যতা দেখা যায়। নিউজ আপডেট

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। জানা যায়,আজ মঙ্গলবার বিকাল পৌনে তিনটায় শহরের অদূরে উত্তরসুর এলাকায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করতে যাওয়ার পথে শাপলা বাগ আ/এ পয়েন্টে অটোরিকশা ও সিএনজির সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। এতে তার হাতে ও পায়ের আঙ্গুলসহ গোড়ালির হাড়ে মারাত্মক জখম লাগে বলে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত জানিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি বাসায় রয়েছেন।জানা যায় স্থানীয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুমিনুল হোসেন সোহেলসহ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।

মামলা না নিতে হামলাকারীদের পক্ষে ক্ষমতাধর রাজনৈতিক নেতারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন

নুরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নবীগঞ্জ জোনাল অফিসের আউশকান্দি অভিযোগ কেন্দ্রের আওতাধীন দেওতৈল গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে রাইট অব ওয়ে লাইনের নিকটবর্তী ডালপালা কর্তনকালে পল্লী বিদ্যুতের দুই শ্রমিককে জুতোপেটার ঘটনা ঘটে।এঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের নবীগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানাজার বাদি হয়ে হামলাকারী দুজনের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু দীর্ঘ আজ ১১দিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারনে মামলা নেয়নি নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে মামলা না নিতে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা পুলিশের সাথে রফাদফায় লিপ্ত রয়েছেন। কিন্তু পুলিশ বলছে আপোষে মীমাংসা হওয়ায় মামলা নিতে কিছু বিলম্ব হচ্ছে।

সুত্রে জানা গেছে-গত ৫ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে ওই এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের শ্রমিকগন গাছের ডালপালা কাটতে যান। এতে শ্রমিকদের কাজে বাঁধা দেয়ার এক পর্যায়ে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার দ্বি-পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত আলী হাসানের পুত্র শ্রমিক সাগর (১৮) একই উপজেলার পশ্চিম কালাইকুড়ি গ্রামের মৃত ইসমাঈল হোসেনের পুত্র জিল্লুর রহমান (৪৫) কে জনসম্মুখে জুতোপেটা করেন ওই উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের দেওতৈল গ্রামের মৃত তখলিছ মিয়ার পুত্র মোঃ ছালিক মিয়া ও তার ভাগ্নে মৃত গিয়াস উদ্দিনের পুত্র মোঃ বুরহান উদ্দিন। এসময় বেগতিক দেখে অন্যান্য শ্রমিকগন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।এঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানাজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাদি হয়ে হামলাকারী দুই জনকে আসামী করে নবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দাযের করেন। কিন্তু রহস্যজনক কারনে আজ ১১ দিন অতিবাহিত হলে থানায় মামলা (এফআইআর) হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মকর্তা বলেন-ওই ঘটনায় মামলা না নিতে হামলাকারীদের পক্ষ নিয়ে ক্ষমতাধর রাজনৈতিক নেতাগন আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে নবীগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম আলীবর্দী খাঁন সুজন বলেন-আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য আমরা থানার দ্বারস্থ হয়েছি। এক্ষেত্রে যদি অন্য কিছু হয় তাহা হলে সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে স্বাভাবিক।

এব্যাপারে জানতে চাইলে নবীগঞ্জ থানার ওসি অপারেশন আমিনুল ইসলাম বলেন-স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তি করার চেষ্টা করায় মামলা নিতে কিছু বিলম্ব হচ্ছে। তবে অচিরেই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হবে।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত (৩৮) এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আত্রাইয়ের আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ব্রিজের উপর কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু হয়। বেলা ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে আত্রাই আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পারবর্তীপুর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী উত্তরা ট্রেনে কাটা পড়ে এ নারীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা নিহতের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

কণ্ঠ শিল্পী মারিয়া রহমান বর্ষা মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রে প্লে ব্যাকের পাশাপাশি এবার ‘আমি যে নাগীন’ শিরোনামে নতুন ধারার একটি সাপের গানে কন্ঠ দিয়েছেন। রাহুল রাজ এর কথায় আমি যে নাগীন গানের সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ইয়ার মোহাম্মদ ডালিম। ইতোমধ্যে গানটির রেকর্ড ও স্টুডিও ভার্সন প্রকাশ করা হয়েছে।

সাংবাদিক, নাট্যকার ও গীতিকার রাহুল রাজের ‘আমি যে নাগীন’ যে কোন অনুষ্ঠানে বিদেশী সাপের গানের পরিবর্তে দেশী নাগীন বাজবে বলে আশাব্যক্ত করেন সুরক ইয়ার মোহাম্মদ ডালিম। তিনি আরো জানান, বাংলা ভাষায় সাপের গানের কদর থাকলেও নাচের জন্য খুব বেশি সাপের গান বাংলায় তৈরি হয়নি।

গান সম্পর্কে কণ্ঠশিল্পী মারিয়া রহমান বর্ষা বলেন, ‘ভাল একটি সাপের গান করার ইচ্ছা ছিল। যে গানটি দর্শক হৃদয়ে আলাদা স্থান পাবে। রাহুল রাজের আমি যে নাগীন শিরোনামের গানটি সকলের মনে গেঁথে থাকবে এটাই আমার বিশ্বাস। কাব্য বিলাস ইউটিউব চ্যানেলে চলতি মাসেই গানটি সকলের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের অদূরে হাউজিংস্টেট এর নিকটবর্তী এলাকায় আসমা আক্তার এর বাসা থেকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে দুই নারী ও দুই যুবককে পুলিশ আটক করেছে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আবদুস ছালিকের নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ূন আহমেদের সহযোগিতায় এসআই মোহাম্মদ আলমগীর ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের অংশগ্রহণে ১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় হাউজিংস্টেট এলাকার সন্নিকটে অভিযান চালিয়ে আসমা আক্তারের বাসা থেকে দুই যুবক ও দুই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে, আটককৃতরা বর্তমানে থানায় রয়েছে।
আটককৃতরা হলো আফসানা বেগম (৩৫) পিতা আমীর হোসেন দেওয়ান,গজারিয়া,মুন্সিগঞ্জ।রাশিদা বেগম (২৬) পিতা মোঃ আইয়ুব আলী, গ্রাম কলারদুলিয়া,নাজিরপুর,পিরোজপুর,বরিশাল। আব্দুল ওয়াহিদ (২৭) পিতা রহমত আলী, গ্রাম স্নানঘাট, বাহুবল, হবিগঞ্জ।মোহন মিয়া (২৩) পিতা শেখুল মিয়া, গ্রাম লালবাগ, থানা শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ূন আহমেদ আমার সিলেটকে তাদের আটকের কথা স্বীকার করে বলেন, অসামাজিক কর্ম কাণ্ডের মূল হোতাকে যথাসম্ভব দ্রুত গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে এলাকাবাসীর দাবী অসামাজিক কর্ম কাণ্ডের সবগুলো স্পটে নিয়মিত অভিযান চালালে অনৈতিক কর্ম কাণ্ডের লাগাম ধরা যাবে। বিশেষ করে যে সমস্ত আবাসিক স্পট কথিত রিসোর্টের নামে স্কুল কলেজ গামীদের বিপথের রাস্তা খোলাসা করে দিচ্ছে তাদের প্রতি নজর রাখার জন্য শ্রীমঙ্গল থানা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc