Friday 26th of February 2021 10:31:49 PM

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় আউশকান্দি এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে লিটন (৩৫) কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছ।জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারী (রবিবার) সন্ধায় নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের উত্তর কসবা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বালু ভর্তি একটি ট্রাক ও আউশকান্দি এলাকার নুরুল ইসলামের পুত্র লিটন (৩৫) কে আটক করা হয়।

আটককৃত লিটন কে বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করেন নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। আটককৃত বালু বিধি মোতাবেক নিলাম এর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদীন ধরে এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহল কুশিয়ারা নদীর চড় থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করছিল। উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলেও প্রশাসন চলে আসার পর আবার আগের মত তারা বালু ও মাটি উত্তোলনে নেমে পড়ে ।

রোববার অভিযানের পর সোমবার আবারও সংঘবদ্ধ বালু ও মাটি খেকোরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কুশিয়ারা নদীতে নামে। খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন কুশিয়ারা নদীতে অভিযানে গেলে। প্রশাসন নদীর চড়ে যাওয়ার পূর্বেই সংঘবদ্ধ বালু ও মাটি খেকোরা পালিয়ে যায়।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের এক গৃহবধু প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে অশ্লীল লেখালেখির কারনে তথ্য প্রযুক্তি আইনে দায়েরী মামলায় নবীগঞ্জের ৫ যুবককে কারাগারে প্রেরন করেছেন বিজ্ঞ বিচারক। গত রবিবার হবিগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযুক্তরা হাজির হলে উভয় পক্ষের আইনজীবির দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আসামীদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন । এঘটনায় এলাকায় আলোচনার ঝড় বইছে। আটককৃতরা হল নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম শেখ পাড়া গ্রামের ছানু মিয়ার ছেলে এনামুল হোসেন (২৫), আলকাছ মিয়ার ছেলে সাইফুর রহমান (২০), কামরুল ইসলামের ছেলে ফয়জুল ইসলাম(২৪), ওছমান আলীর ছেলে তাহের আহমেদ (১৮) এবং শাহ হোসেন আলীর ছেলে শাহ শাহরিয়ার আহমেদ (২১)। উল্লেখ্য যে-নবীগঞ্জ উপজেলার ৮নং সদর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম শেখ পাড়া এলাকার একটি প্রবাসী পরিবার স্থানীয় দূর্বৃত্তদের অত্যাচারে জীবন বিপন্ন। উক্ত দূর্বৃত্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবং বিভিন্ন স্থানে ওই পরিবারের প্রবাসী স্ত্রী খেলন বেগমের বিরুদ্ধে অশ্লালীন কথাবার্তা লিখে প্রচার করায় পরিবারে নেমে আসে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অন্তকলহ। দেখা দিয়েছে সংসারে ভাঙ্গন। প্রবাসী স্বামী স্ত্রী খেলন বেগমকে ছাড়ার হুমকী দিয়েছেন। এছাড়া দূর্বৃত্তদের ভিত্তিহীন ফেসবুকে লেখালেখির কারনে মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন প্রবাসীর স্ত্রী খেলন বেগম। তাদের ভয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন বোনের বাসায় নবীগঞ্জ শহরে। আতংকিত ওই প্রবাসী পরিবার গত ৮ই নভেম্বর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালত সিআর ৪০৮/২০২০ ইং, দঃবিঃ ৫০০/৫০১/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রিট-২ আদালতে দঃবিঃ ১০৭/১১৪/১১৭(সি) ধারায় অপর একটি মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলা দায়ের করার খবর পেয়ে দূর্বৃত্ত ও বখাটে ওছমান আলী, শাহ হোসেন আলী ও রকমত মিয়া গংরা তাদের আত্বীয় এনামুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, সাইফুর রহমান, ফয়জুর রহমান গংদের দিয়ে ফেসবুকে উক্ত প্রবাসীর স্ত্রী খেলন বেগম ও তার পরিবারকে নিয়ে মানহানিকর অশ্লীল লেখা লেখির করানো হয়। পরে এ ব্যাপারে খেলন বেগম বাদী হয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা নং ১১/২০ইং ( জিআর নং ২১২/২০ইং) দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে উক্ত আসামীরা গাঁ ঢাকা দেয়। এক পর্যায়ে আসামী এনামুল, সাইফুর, ফয়জুল, তাহের ও শাহরিয়ার চলতি মাসের প্রথম দিকে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে দুই সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিনে বাড়ি আসে। বাড়িতে এসেই মামলা তোলার জন্য বাদীনি ও তার পরিবারকে নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এব্যাপারে বাদীনি তার নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে আসামীরা গত রবিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার হবিগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। আসামী পক্ষে শুনানীতে অংশ নেন এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী এবং বাদী পক্ষে শুনানী করেন এডভোকেট নির্মল ভট্রাচার্য্য রিংকু। অপর দু’ আসামী পলাতক রয়েছেন। উল্লেখিত আসামীগণ কারাগারে যাবার খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী দুই সন্তানের জনকের বিরুদ্ধে। হত্যার হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণের কারণে ওই তরুণী এখন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে প্রতিবেশী মৃত তাজিম উল্লার পুএ জসিম মিয়া (৩৮) কে আসামি করে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি তিনি স্ত্রীর মর্যাদা ও অনাগত সন্তানের স্বীকৃতি চান।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগ সূএে প্রকাশ,অভিযোগকারী তরুণী নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা গ্রামের জনৈক ব্যক্তির মেয়ে। গত বছরের ১ এপ্রিল রাতে হঠাৎ ওই তরুণীর ঘরে প্রবেশ করেন প্রতিবেশী দুই সন্তানের জনক জসিম মিয়া জোর পূর্বক ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জসিম দিনের পর দিন ধর্ষণ করলে এক পর্যায়ে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় চিকিৎসক জানান,তিনি অন্তঃসত্ত্বা ।

এ সময় জসিম মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানাতে বলে কিন্তু এরপর ধর্ষণের শিকার তরুণী জসিম মিয়াকে বিয়ের জন্য বার বার চাপ দিলে তিনি এড়িয়ে যান। বর্তমানে সে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা । এতে নিরুপায় হয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ওই তরুণী হবিগঞ্জ নারী ও শিশু দমন নির্যাতন ট্রাইবুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পাশাপাশি তিনি স্ত্রীর মর্যাদা ও অনাগত সন্তানের স্বীকৃতি চান। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত বলেন,ওসি স্যার একটি মামলার স্বাক্ষী দিতে সিলেট আছেন। তিনি বিষয়টি বলতে পারবেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী, নবীগঞ্জঃ  নবীগঞ্জে প্রভাবশালীদের হাত থেকে নদী রক্ষা করবে কে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে উপজেলাবাসীর। অবৈধভাবে দিনের পর দিন কুশিয়ারা নদী থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকায় নদী থেকে বালু উত্তোলনের লঙ্কাকান্ড দেখা যায়। ঘন্টা হিসাব মজুরিতে নদী থেকে বালু উত্তোলনে কাজ করেন প্রায় অর্ধশত শ্রমিক। আর শ্রমিকরা কুদাল দিয়ে নদীর পাড় খনন করে ট্রাকে বালু তুলেন।ট্রাক প্রতি এসব বালু ৪ হাজার টাকা ধরে বিক্রি করা হয় বিভিন্ন এলাকায়। কখনো ড্রেজারমেশিন আবার কখনো শ্রমিক দিয়ে।

এভাবেই নদীতে থেকে বালু উত্তোলন করে আসছে এক শ্রেণীর লোক। এতে করে বর্ষা মৌসুম আসলে নদীর দুপাড় ভেঙে গিয়ে তীরবর্তী বসবাসরত মানুষের ঘরবাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়। নদীর পাড় সংরক্ষণ করতে ব্যয় হয় সরকারের কোটি কোটি টাকা। সচেতন মহল মনে করেন বালু উত্তোলন বন্ধ করতেই পারলেই বর্ষা মৌসুমে তেমন একটা চিন্তা করতে হবে না নদীর তীরবর্তী মানুষের।বালু উত্তোলনের কাজ করতে আসা রুকম উদ্দিন নামে এক শ্রমিক বলেন, ঘন্টা হিসাব এখানে বালু উত্তোলনে কাজ করতে এসেছি।

বালু উত্তোলন করতে কে কাজ করাচ্ছেন জানতে চাইলে রুমক বলেন, কসবা গ্রামের রাসেল মিয়া, সুনাম আহমেদ, মস্তই মিয়া,সাবু মিয়া, সুমন, সুমেল মিয়ার মাধ্যমে কাজ করতে এসেছি। রুকম আরোও বলেন অনেকদিন ধরে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছি। আহমদ নামে আরেক শ্রমিক জানায়, কসবা গ্রামের সুমন নামে এক ব্যাক্তি তাদের মজুরি দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন করাচ্ছেন। উত্তোলনের পর এসব বালু কোথায় যায় জানতে চাইলে আহমদ বলেন, ট্রাকে তুলে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হয়। নদী থেকে বালু উত্তোলন অবৈধ কাজ এমন প্রশ্নের জবাবে আহমদ বলেন, আমরা পেটের দায় কাজ করতে এসেছি। ঘন্টা হিসাব কাজ করে প্রচুর টাকা পাচ্ছি। তাই কাজ করছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যাক্তি জানান, রাসেল মিয়া নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর মদদে এসব কাজ হচ্ছে। শ্রমিকদের তথ্য অনুযায়ী উল্লেখীত ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন। নদী মাতৃক দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা খবর পেয়েছি বালু উত্তোলন হচ্ছে। তাদের ধরতে অভিযান ও চালানো হচ্ছে। তবে আমরা ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই তারা খবর পেয়ে যায়। আমি ধারণা করছি বিশেষ একটি মহল এর পেছনে কাজ করছে। এ ঘটনার সাথে যারাই জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

নূরুজ্জামান ফারুকী,বিশেষ প্রতিনিধি: কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের মানবিক চেতনার জায়গাটি আরও বড় করতে হবে। শিশু ও তরুণদের মানবিক হতে ও সম্মান করতে শেখাতে হবে। জায়গাটিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নইলে আমাদের সব অর্জন এক জায়গাতে এসে থেমে যাবে। তাই শিশুদের বেশি করে বই পড়াতে হবে। বই জ্ঞানের তৃষ্ণা মেটায়।’ শনিবার রাতে হবিগঞ্জে মানিক চৌধুরী পাঠাগারের উদ্বোধন ও ফাগুন উৎসবে সেলিনা হোসেন এসব কথা বলেন। ‘ফাগুন হাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ুক পাঠ-আনন্দ’ স্লোগান নিয়ে এই পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়। জাদুঘর ভবনের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক। সেলিনা হোসেন বলেন, ‘আমাদের ভাষা আন্দোলনে তরুণেরাই প্রাণ দিয়েছে বেশি। তরুণেরাই দেশে প্রতিটি সংকটে এগিয়ে আসে। এ দেশের একদল তরুণ এখন লালন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছে।

তাদের এ উদ্যোগ আমাদের নতুন পথ দেখাবে।’ অনুষ্ঠানের আনিসুল হক বলেন, ‘যত ধরনের কাজ আছে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে মানুষকে আলোকিত করা। মানুষকে আলো দেওয়া। এ আলো দিয়ে আমরা বাংলাদেশটাকে গড়ে তুলব। সাম্প্রদায়িকতার অন্ধকার ও মৌলবাদের অন্ধকারের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হবে। এদের বিরুদ্ধে তো তরবারিযুদ্ধ চালানো যাবে না, এদের বিরুদ্ধে আলো জ্বালাতে হবে। বাংলাদেশ কখনো পরাজিত হবে না। বাংলাদেশ যে পরাজিত হবে না, তার ১০১ লক্ষণ আমরা দেখছি। মহামারির সময় সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।

আমরা পারছি আমরা স্বাধীনতাযুদ্ধে জয়ী হয়েছি বলে।’ মানিক চৌধুরী পাঠাগারের সভাপতি ইকরামুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ-২ (আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুশফিক হোসেন চৌধুরী, কমান্ড্যান্ট মানিক চৌধুরীর সহধর্মিণী রোকেয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক চৌধুরীর মেয়ে সাবেক সাংসদ আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। মানিক চৌধুরী পাঠাগার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করছেন চুনারুঘাট চা-শ্রমিক নারী শিল্পীরা।

শনিবার রাতেঅনুষ্ঠানে মহান ভাষা আন্দোলন ও মানিক চৌধুরী পাঠাগারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ হবিগঞ্জের দুই কৃতী সন্তানসহ চার বরেণ্য ব্যক্তিকে মানিক চৌধুরী পাঠাগার সম্মাননা পদক-২০২১ প্রদান করা হয়। তাঁরা হলেন ভাষাশহীদ সৈয়দ আফরোজ বখত (মরণোত্তর), চৌধুরী আবদুল হাই (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা স্থপতি কাজী নূরুল করিম (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর–মানিক চৌধুরী পাঠাগার ভবনের নকশা প্রণয়নে) ও চিত্রশিল্পী মাসুক হেলাল (মানিক চৌধুরী পাঠাগারের লোগো অঙ্কনে)।বেলা ৩টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠান চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা বাউলগান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জঃ  হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে সরকারীভাবে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে গৃহনির্মান করে বরাদ্দের লক্ষ্যে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির এক সভা সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্টিত হয়েছে। উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন,নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সুমাইয়া মমিন, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি উত্তম কুমার পাল হিমেল,মেডিকেল অফিসার ডাঃ আফজাল হোসেন,সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম তালুকদার,উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আজিজুল হক,কৃষি কর্মকর্তা এ কে,এম মাকসুদুল আলম,উপজেলা শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুল ইসলাম,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাদেক হোসেন,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ছাদু মিয়া, আশরাফ হোসেন,মোঃ আসাদ উল্লাহ,সুমন কিশোর চৌধুরী প্রমূখ।

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলায় ৩শ ৯০ টি আবেদনের মধ্যে যাচাই-বাচাই করে বরাদ্দকৃত মোট ১১০টি ঘরের মধ্যে প্রথম ধাপে ৬০ ও ২য় ধাপে ৫০টি গৃহ সরকারী ব্যয়ে নির্মানের অনুমতি পাওয়া গেছে বলে অবহিত করেন। নবীগঞ্জ উপজেলার মান্দরকান্দি,বৈঠাকাল,পানিউমদা রোকনপুর,ইনাতগঞ্জ,আউশকান্দির উলুকান্দি,কুর্শিসহ বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের ৬০টি ঘর গৃহহীনদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মানে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ও পরিবহর খরচ ৪ হাজার টাকাসহ বাকী ঘরগুলোর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।

গৃহহীনদের মাঝে গৃহ পেতে কোন ধরনের টাকা লাগে না ইউনিয়ন পর্যায়ে যদি কেউ কারো কাছে টাকা দাবী করে তাহলে তার নামসহ বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরে সম্প্রতি ছিনতাইসহ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস ছালিক এর নির্দেশনায়, তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন আহমেদ এর সহযোগিতায় ও এসআই জাকিরের অংশগ্রহণে এএসআই নজরুল ইসলাম সন্দেহজনক  গতিবিধির উপর জাহাঙ্গীর নামক পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসলে এক পর্যায়ে সে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করে, এ সময় দ্রুত থানার মূল ফটকের সম্মুখ থেকে তাকে আবারও আটক করা হয় বলে এ এস আই নজরুল ইসলাম জানান।

পুলিশের সুত্রে আরও জানা যায়, আটক করার পর তার সিডিএমএস (অপরাধ তালিকা) চেক করে দেখা যায় তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এরমধ্যে মৌলভীবাজার সদরে একটি রাজনগর একটি  ও কমলগঞ্জ থানায দুইটি চুরি ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে।

আটক ব্যাক্তি কমলগঞ্জ থানার নগর গ্রামের কলিম উল্লাহর ছেলে। জাহাঙ্গীর  দাবী করেছে সে পুর্বে অপরাধ করলেও এখন করেনা।তবে তার সাথে টাকার মতো ভাঁজ করা কাগজের বান্ডিল ও সন্দেহজনক দুটি ব্যাগ পাওয়া গেছে। পুলিশের সুত্রে জানা গেছে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদকবাহী ট্রাক ধাওয়া করায় র‌্যাব সদস্য কনস্টেবল মো. ইদ্রিস মোল্লাকে (২৮) চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গাজীপুরের পোড়াবাড়ীর তল্লাশি চৌকিতে থামার সংকেত অমান্য করে এগিয়ে যায় মাদকবাহী ট্রাক। পেছন থেকে মোটরসাইকেলে ধাওয়া করেন র‌্যাবের দুজন সদস্য। ট্রাক থেকে গাঁজার বস্তা ফেলে র‌্যাব সদস্যদের গতিরোধ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কনস্টেবল মো. ইদ্রিস মোল্লা (২৮) থামার পাত্র নন। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে ধাওয়া করতে থাকেন ট্রাকটিকে। ময়মনসিংহের ভালুকার কাছে গিয়ে ট্রাকটির পথ আগলে দাঁড়ান। ট্রাক চালক র‌্যাব সদস্য ইদ্রিসের ওপর দিয়েই চালিয়ে দেন ট্রাকটি। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কনস্টেবল ইদ্রিস।

র‌্যাবের পরিচালক (গণমাধ্যম ও আইন) আশিক বিল্লাহ বলেন, রোববার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে টঙ্গী থেকে ৩০ কেজি গাঁজার চালান নিয়ে একটি ট্রাক গাজীপুরের মাওনা যাচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১ পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ক্যাম্পের সামনে একটি তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে। পরে সন্দেহজনক একটি ট্রাককে আসতে দেখে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু চালক ট্রাক না থামিয়ে চালিয়ে যেতে থাকেন। ট্রাকটিকে ভালুকা থেকে জব্দ করা হয়। তবে ট্রাকচালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে যান।

র‌্যাবের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ট্রাকচালক ও তার সহকারীকে আটকে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। নিহত ইদ্রিস মোল্লার বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওরের কেল্লাই গ্রামে। ২০১১ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন তিনি। পরে ২০১৯ সালে প্রেষণে র‌্যাবে যোগদান করেন।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ তামাবিল স্থলবন্দরের সকল প্রকার সরকারী বেসরকারী সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে আধুনিক বন্দর হিসাবে গড়ে তোলা হবে। বন্দরের সুবিধা আধুনিক সুযোগ সুবিধা দিতে সরকার প্রস্তুত বললেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী এম.পি।
তামাবিল স্থলবন্দরের আয়োজনে সিলেটের সর্ববৃহত স্থলবন্দর স্টেক হোল্ডারদের সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব কেএম তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, তামাবিল স্থলবন্দর গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিলুর রহমান, গোয়াইনঘাট সার্কেল এএসপি প্রভাস কুমার সিংহ, তামাবিল কাষ্টমের সহকারী পরিচালক রুহুল আমিন, ৪৮ বিজিবি’র তামাবিল কোম্পানী কামান্ডার নায়েক সুবেদার জয়নাল আবেদীন, ৩নং পূর্ব জাফলং ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান লেবু, তামাবিল কয়লা পাথর আমদানী কারক গ্রুপের সভাপতি লিয়াকত আলী, সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিন্টু, জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন সেদু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম।

বক্তরা তামাবিল স্থলবন্দরের বিভিন্ন বিষয় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আর্কষণ করেন। তারা আরও বলেন দ্রুত সময়ের মধ্যে এসকল বিষয় সমাধান করা হয় তাহলে বাংলাদেশের মধ্যে আধুনিক স্থলবন্দর হিসাবে ররূপ লাভ করবে।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গ্রামীণ ঐতিহ্য বহনকারী বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হাডুডু অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার সকাল নয়টায় আদমপুরের কাউয়ারগলায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কাউয়ার গলা ফ্রেন্ড্স পাওয়ারের উদ্যোগে ১০ম হাডুডু টুর্নামেন্ট ২০২১ এর উদ্বোধন হয়। রাত সাড়ে নয়টায় সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১৬ টি দলের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্টিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আবহমান বাংলার চিরন্তন আকর্ষণীয় এ খেলা দেখতে দুর দুরান্ত থেকে আসা দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ছিল লক্ষনীয়। সারা দিনের হাডুডু টুর্নামেন্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, কমলগঞ্জ পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদ, সাবেক আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ ভূঁইয়া, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি শাব্বির এলাহী, ইউপি সদস্য হাজী আলমগীর হাসান, মোস্তফা কামাল, ছাত্রলীগ নেতা কাইয়ুম বক্ত, সমাজ সেবক আকাশ আহমেদ, সাদেক হোসেন প্রমূখ।

উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে দুটি মামলাই নথিভূক্ত হয়ঃরাজনগর ওসি

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার:  মৌলভীবাজার রাজনগর থানায় উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাজান খানের সমর্থকদের উপর হামলায়,২৫০ জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। চেয়ারম্যান শাহজাহান খানের পক্ষে উপজেলা যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক তানিম খান বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত, কামারচাক ইউপি চেয়ারম্যান নজমুল হক সেলিম, মুন্সিবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ছালেক আহমদ, ফতেহপুর ইউপি চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাস, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ময়নুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ফৌজি, ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল আহমদ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে ২৫০ জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলায় (নং-৪,জিআর ১৭/২০২১) বলা হয়েছে বাদীকে যুবলীগের সভাপতি ময়নুল ইসলাম খান, সহসভাপতি সিজু আহমদ সম্পাদক আব্দুল কাদির ফৌজিসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার প্রস্তাব করে।

এতে তিনি রাজি না হয়ে ঘটনার দিন ১১ ফেব্রুয়ারী উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিষয়টি জানানোর সময় সাধারণ সম্পাদক মিলন বখতের নেতৃত্বে বন্দুক, পিস্তল ও দেশিয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এতে তাদের বিভিন্ন নেতাকর্মী আহত হন। রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসিম বলেন, এঘটনায় উভয় পক্ষে রাজনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে দুটি মামলাই নথিভূক্ত হয়। মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উলেখ্য,সূত্র জানায় রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাহাজান খান এবং ৮ নং মনসুর নগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও রাজনগর উপাজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত এর মধ্যে ১১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টার পর একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। এসময় উপাজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত সমর্থকরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাজান খান সমর্থদের উপর। পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে মিলন বখত এর সমর্থকরা দেশীয়অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শাহাজান খানের সমর্থকদের উপর হামলা চালায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ১০৩ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪ রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc