Sunday 28th of February 2021 11:49:36 AM

জেলা প্রতিনিধি,হবিগঞ্জ:  হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইফুল আলম রুবেল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৮২ । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী বর্তমান মেয়র নাজিম উদ্দিন সামসু ধানের শীষ নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৭৫। উল্লেখ্য যে, চুনারুঘাট পৌরসভা প্রতিষ্টাকালীন সময় থেকে এ পৌরসভার মেয়র পদটি বিএনপির দখলে ছিল। ১৬ বছর পরে নৌকার প্রার্থী মোঃ সাইফুল আলম রুবেল বেসরকারি ফলাফলে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।
বিস্তারিত ফলাফল -সাইফুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ (নৌকা) ৬ হাজার ৭শত ৮২ ভোট।নাজিম উদ্দিন শামছু, বিএনপি (ধানের শীষ) ৩ হাজার ৫ শত ৭৫ ভোট।
আব্দুল বাছির, হাতপাখা পেয়েছেন = ৫ শত ৬ ভোট।
কাউন্সিলর:
১ নং ওয়ার্ডে= শামীম লস্কর।
২ নং ওয়ার্ডে= আব্দুল হান্নান।
৩ নং ওয়ার্ডে, মারুফ চৌধুরী।
৪ নং ওয়ার্ডে, অসীম কুমার দেব।
৫নং ওয়ার্ডে, আরজু মিয়া ।
৬ নং ওয়ার্ডে, মর্তুজ সর্দার।
৭ নং ওয়ার্ডে, জালাল মিয়া ।
৮ নং ওয়ার্ডে, আব্দুল হামিদ ।
৯ নং ওয়ার্ডে, ফরিদ তালুকদার ।
মহিলা কাউন্সিলরঃ
১-২-৩ নং ওয়ার্ডে, পাবনা আক্তার ।
৪-৫-৬ নং ওয়ার্ডে, ফেরদৌস বকুল ।
৭-৮-৯ নং ওয়ার্ডে, সাহেনা আক্তার।আপডেট

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জ ব্যাচ-৯৬ এর এক আলোচনা সভা ১৩ ফ্রেবুয়ারী শনিবার রাতে নবীগঞ্জ চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সংগঠনের আহবায়ক সঞ্জয় কুমার দাসের সভাপতিত্বে ও মোঃ ইকবাল আহমদ বেলাল এর পরিচালনায় ৯৬ ব্যাচর বন্ধুদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ হাবিবুর রহমান চৌধুরী শামীম, মোঃ সাজ্জাদুল হক রোমান, মোঃবদরুজ্জামান, সজল চক্রবর্তী, হাফিজুর রহমান মিলন, অসীম কুমার নাগ, রতন রায়, মোঃ লুৎফুর রহমান, মোঃ ইয়ামিন চৌধুরী, মোঃ মতলব রহমান, সুবল চন্দ্র দাস, হিমাদ্রি শেখর দাস, মোঃ সেলিম চৌধুরী, মোঃ মাজেদুর রহমান, মোঃ কাউসার মিয়া, মোঃ হামিদুল হক শিপন, নির্মল চন্দ্র পাল, মোঃ লয়লুর রহমান, রতন মনি দাস, মোঃ জাকির চৌধুরী, সঞ্জীব রায়, আবুল কালাম প্রমুখ। এতে বনভোজন (পিকনিক)কে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

৯৬ ব্যাচের কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ হাবিবুর রহমান চৌধুরী শামীম নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় সবার সবার পক্ষ থেকে ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ   জিয়াউর রহমানের সনদ বাতিলের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন।
রোববার দুপুর ১২ ঘটিকায় চৌমুহনা এলাকা থেকে প্রায় ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিন করে জুগিডর এলাকায় গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
জেলা বিএনপি’ সাধারণ সম্পাদক ভিপি মিজানুর রহমান মিজানের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,জেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ ফয়জুল করিম ময়ুনসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা, যদিও এর পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কথা আওয়ামী লীগ নেতারা বরাবরই বলে আসছেন।

বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার দশ দিনের মাথায় সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পাওয়া জিয়াও ওই হত্যাকাণ্ডে ‘পুরোপুরি’ জড়িত ছিলেন বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট তামাবিল সড়কের দামড়ী ব্রিজের রেলিং ভেঙে ট্রাক নদীতে পড়ে চালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন।নিহতরা হচ্ছেন, জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের বন্দরহাটি গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে এবাদুর রহমান খোকন (২৭) ও গোয়াইনঘাট উপজেলার নলজুরি পশ্চিমপাড় গ্রামের মাহতাব হোসেনের ছেলে রাসেল আহমদ (৩৫)।
রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দামড়ী ব্রিজে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিন আলী জানান, নিহত দুইজনের একজন ট্রাকের ড্রাইভার ও অপরজন ট্রাকের হেলপার। এরা ঘটনাস্থলে নিহত হন। মূলত ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে জৈন্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট উল্টে যাওয়া কাদা ও পানির মধ্যে অর্ধেক নিমজ্জিত ট্রাক থেকে চালক ও হেলপারকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের মরদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রতিনিধি,হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জেরচুনারুঘাটে প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থে‌কে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়‌নি। ‌এদিকে, ভোটাররা সকাল থে‌কে লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বিঘ্ন ভোট দিচ্ছেন। ভোট দি‌তে শুরু ক‌রে। সকালে পৌরসভার হাজী ইয়াসিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুরুষের তুলনায় নারী ভোটা‌রদের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। এছাড়া সকা‌লে প্রার্থীরাও নিজ নিজ কেন্দ্রে গি‌য়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

হাজী ইয়াসিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছেন ২০৮২ জন। এর মধ্যে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬টি ভোটকক্ষে ভোট কাস্ট হয়েছে ১৩১টি। এক নম্বর কক্ষে ৩৫৬ ভোটারের মধ্যে ভোট কাস্ট হয়েছে ২০টি, ২ নম্বর কক্ষে ৩৫৬ ভোটারের মধ্যে ২৩টি, ৩ নম্বর কক্ষে ৩৫৪ ভোটারের মধ্যে ২৪টি, ৪ নম্বর কক্ষে ৩৩৯ ভোটারের মধ্যে ২০টি, ৫ নম্বর কক্ষে ৩৩৯ ভোটারের মধ্যে ১৫টি, ৬ নম্বর কক্ষে ৩৩৮ ভোটারের মধ্যে ২৯টি ভোট কাস্ট হয়েছে। হাজী ইয়াসিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কথা হয় কয়েকজন নারী ভোটারদের সঙ্গে।

তারা জানান, ভিড় বাড়ার আগেই ভোট দিতে তারা ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। নিজেদের ভোট দেওয়া শেষ হলে অন্যদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করবেন তারা। এছাড়া সকাল সকাল ভোট দিয়ে গিয়ে বাড়ির কাজ করবেন। এদিকে, কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই বিপুল পরিমাণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। তারা ভোটারদের ভোট প্রদানে নানাভাবে সাহায্য করছেন। এদিকে পৌরসভায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ চলছে বলে জানান চুনারুঘাট নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার দীপক কুমার রায়।

চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনে ১১টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হচ্ছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছেন ১৪ হাজার ৩৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭১৭৮ জন নারী ৭২১৪ জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন ও নারী কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এ প্রথম বারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ পৌরসভার ১১কেন্দ্রে একযোগে ইভিএম পদ্ধতিতে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী ,নবীগঞ্জ: পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ভাসুর ও ঝা মিলে বেধরক মারপিট করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করেছে। স্বামী বাদি হয়ে আদালতে মামলা করলে বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন দিতে থানাকে আদেশ করেন। পুলিশ তদন্তে সত্যতা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালতের বিজ্ঞ বিচারককে প্রতিবেদন দিয়েছে। মামলার সুত্রে জানা গেছে- হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলা দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার পুত্র দিনমজুর মোঃ খালেদ মিয়া। সে তার ভাই সফর মিয়ার ধান কেটে দিলে মজুরি বাবত ১ হাজার ৫ শত টাকা পাওনা থাকে। জীবিকার তাগিদে সে চট্রগ্রামে কাজে সন্ধানে চলে যায়। যাবার সময় বলে রাখে ওই টাকা তার স্ত্রী পরনা বেগমকে দিতে হবে। স্বামী বাড়িতে না থাকার সুবাদে এরই মধ্যে সফর মিয়া খালেদের স্ত্রীর কাছে মাছ ধরার জাল চায়।

সে জানায়-তাদের মাছ ধরার জাল নেই। এনিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ভাসুর সফর অকথ্য ভাষায় পরনাকে গালিগালাজ করেন। এর কিছুদিন পর অর্থাৎ ১১জুন ২০১৯ সাল মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় খালেদের স্ত্রী পরনা বেগম ভাসুর সফরকে তার স্বামীর ধান কাটার পাওনা টাকা চায়। সে টাকা না দিয়ে উল্টো তার সাথে তর্ক ধরে। এমনকি পাশাপাশি বসতঘর হওয়ায় বীরদর্পে ভাসুর সফর ও ঝা মিনা বেগম একজোট হয়ে তার দেড় বছরের শিশু বাচ্চা নাছিরাকে মার কোল থেকে নিয়ে প্রাণে হত্যার উদ্দেশে মাটিতে ছুড়ে ফেলে এবং তার পরনা বেগমকে কানে,গালে থাপ্পর মারে। ভাসুর সফর মিয়া তার তলপেটে স্বজোরে লাথি মেরে গুরুতর আহত করে। ওই সংবাদ খালেদের শ্বশুর বাড়ির লোকজন জেনে আহত পরনা ও তার শিশু কন্যা নাছিরাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সেখানে টানা চারদিন রক্তকরনের পর তার গর্ভপাত হয়। দীর্ঘ ২০দিন চিকিৎসা শেষে স্ত্রী পরনা ও শিশু বাচ্ছা নাছিরাকে নিয়ে বাড়ি ফিরেন। এর বিচার চেয়ে খালেদ মিয়া বিগত  ১৪ জুলাই ২০১৯ সালে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সিআর ৩২০/২০১৯ ইং মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি আসামী করেন আপন ভাই সফর মিয়া, ভাইয়ের স্ত্রী মিনা বেগমকে। মামলাটি বিজ্ঞ বিচারক তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নবীগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। থানার ওসি এসআই সম্রাটকে তদন্তভার দেন। তিনি ওই মামলার ৯ জন স্বাক্ষীর ১৬১ ধারা জবানবন্ধি লিপিবদ্ধ করেন। অবশেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত ১ মার্চ ২০২০ ইং বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ ফকরুল ইসলাম জুয়েল বলেন-ঘটনা শুনেছি এবং আপোষে মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়া বলেন-এসব ঘটনা কেউ তাকে জানায়নি।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ড. সঞ্জিত সেন রায়ের স্বেচ্ছাচারিতা,সরকার ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বহির্ভুত কর্মকান্ড ও আর্থিক কেলেংকারীর অভিযোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।(১৩ ফেব্রুয়ারি) শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার সময় ইনাতগঞ্জ মায়াবন মার্কেটের সামনে বিশিষ্ট মুরুব্বি আব্দুল আজিজ এর সভাপতিত্বে কলেজের ছাত্র আলতাব হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্টিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ইনাতগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ গভর্নিংবডির সাবেক সদস্য আবুল কালাম আজাদ,আজবার উল্লা,তহির উদ্দিন,ইনাতগঞ্জ আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি কন্টাক্টার আজিজুর রহমান,আব্দুর রউফ,আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালিক,সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিল হোসেন, দীঘলবাক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম হোসেন রব্বানি, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আশাহীদ আলী আশা, জীবন আহমেদ,আছাব উল্লা,নোমান হোসেন,হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ নেতা কাইফু আহমেদ, প্রমূখ।এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ সভা শেষে ২৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে এই কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ,বিগত ১১/১১/২০১৭ ইংরেজি তারিখে ইনাতগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবডির নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। সরাসরি অভিভাবকদের ভোটে নির্বাচিত হন তহির উদ্দিনসহ ৪ জন সদস্য। ওই সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে কমিটির মেয়াদ ছিল চার বছর। নির্বাচন অনুষ্টিত হওয়ার পর কমিটির অনুমোদন হয় ১১ জানুয়ারী ২০১৮। মেয়াদকাল শেষ হওয়ার কথা ১০ জানুয়ারী ২০২২ইং।পরবর্তীতে গভর্নিংবডির প্রথম সভায় অধ্যক্ষ জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমিটির মেয়াদ দুই বছর অনুমোদন হয়ে আসছে। নির্বাচিত সদস্যরা জানান কমিটির মেয়াদতো চার বছর হওয়ার কথা। তখন অধ্যক্ষ তাদের জানান দুই বছর পূর্ণ হবার পর আবার কমিটি নবায়নের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাবো।কিন্ত কমিটির মেয়াদ দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই অধ্যক্ষ ঘোষণা দেন কমিটির মেয়াদ শেষ এবং নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে নির্বাচন দিতে হবে। পরে তিনি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন এবং ১৫/১২/২০১৯ ইং তারিখে নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।

তাছাড়া,বিগত ৯/১০ মাস ধরে নতুন নির্বাচিতদেরকে এমনকি গভর্নিংবডির সদস্যদের কোন কিছু না জানিয়ে কলেজের যাবতীয় কর্মকান্ড তিনি নিজে একাই পরিচালনা করে আসছেন।এমনকি অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে কলেজের অর্থকেলেংকারী,শিক্ষক ও তৃতীয় কর্মচারীদের মধ্য গ্রুপিং,২/৩ জন শিক্ষক নিয়ে ভর্তি বানিজ্য,কলেজের প্রতিষ্টাতা ও দাতা অথবা অভিভাবকদের সাথে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করারও অভিযোগ রয়েছে।ইনাতগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবডির সদস্যবৃন্দসহ এলাকাবাসী হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে প্রেক্ষিতে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আজিজুল হককে আহবায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।এ ব্যাপারে কমিটির আহবায়ক ডা: আজিজুল হক জানান,ইনাতগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সঞ্জিত সেন রায়ের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা সরকার ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বহির্ভূত কর্মকান্ড ও আর্থিক কেলেংকারীর অভিযোগে তদন্তে উভয় পক্ষের সাক্ষ নিয়েছি। তদন্ত চলমান রয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc