Friday 26th of February 2021 09:13:53 PM

জেলা প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ চতুর্থ ধাপে আগামীকাল রোববার ১৪ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিতব্য হবে। এ পৌরসভা নির্বাচনে ৩জন মেয়র প্রার্থীসহ সাধারণ আসনে ৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি দলীয় (ধানের শীষ) প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসুসহ ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে, আওয়ামীলীগ দলীয় (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল আলম রুবেল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (পীর সাহেব চরমোনাই) দলীয় (হাত পাখা) প্রতীকের প্রার্থী মোঃ বাছির আহম্মদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ আসনে ৪১ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সংরক্ষিত আসনে ১১ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থীসহ ৫৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উল্লেখ, চতুর্থ ধাপে আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচন (ইভিএম) এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নাজমুল হক নহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে সরকারী নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুষ্ঠু সুন্দর ও নকল মুক্ত পরিবেশে ২০১৯ সনের ডিগ্রী পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

শনিবার দুপুর ২ টা হতে মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় সরকারী কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা শুরু হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরীক্ষা কেন্দ্রের মূল ফটোকের সামনে হাত ধোবার জন্য পানি,সাবান এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মাস্ক বিহিন কাউকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেহ ভূল বসত মাস্ক ছেড়ে আসলে কলেজের পক্ষ হতে মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক কক্ষ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে ব্যাঞ্চ সাজানো হয়েছে।পরীক্ষার্থীরা মনোরম পরিবেশে স্বাচ্ছন্দে পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানায়।

কেন্দ্র সচিব মাহবুবুল হক দুলু জানান, বৈশিক করোনা মহামারির মধ্যে পরীক্ষা গ্রহনের লক্ষে সরকারী নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ কেন্দ্রে ১২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকতেখারুল ইসলাম বলেন,করোনা মহামারির মধ্যে প্রথম পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে সরকারের দেয়া সকল নিয়ম অনুসরন করা হচ্ছে। সেইসাথে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অধিকতর সচেতন করতে সমস্ত উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে।

 বিয়ে,অবৈধ সম্পর্ক ও প্রতারণার শিকার হয়ে ন্যায়বিচারের আশায় শিল্পী

জহিরুল ইসলাম,সোহেলঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অসহায় মহিলা প্রতারণার স্বীকার হয়ে ন্যায় বিচারের আশায় বিভিন্ন জায়গাতে ঘোরেও সুফল না পেয়ে অবশেষে মৌলভীবাজার জেলা দায়রা জজ কোর্টে মামলা দায়ের করেছে, আগামী কাল রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারী) এই মামলায় বিজ্ঞ আদালত রায়ের দিন ধার্য করেছে।

অসম প্রেম যেনো কাল হয়ে গেলো শিল্পীর জীবনে।অল্প বয়সে হিন্দু রীতি মেনে বিয়ে হয়েছিলো হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের শংকর কুরীর সাথে।সুখের সংসারে বিয়ের ৩ বছরের মাথায় কোল জুড়ে আসে এক কন্যাশিশু। স্বামী ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী, সুখেই চলছিলো সংসার। হঠাৎ সে সংসারে নেমে এলো অমাবস্যার অন্ধকার।ছোট বোনের বিয়েতে শশুড় বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই স্বামী শংকর অজান্তে চলে যান ভারতে। আর কেউ খোঁজ খবর নেয় না, শিশু সন্তানকে নিয়ে পড়েন জীবনযুদ্ধে। আর সে সময়ই রিতার জীবনে আসে এক অচেনা লোক, যিনি দুর্বল অবস্থায় সহযোগীতা করার ছোঁতায় পরিচয়ের এক পর্যায়ে প্রেম নিবেদন করে বসেন।স্বামী নিরুদ্দেশ অন্যদেশে, একাকী জীবনে ভরসার জায়গা তৈরী হবে ভেবে বিনিময় করে ফেলেন মন।বিয়ে করে ভিটেবাড়িতে তোলার কথা বলে গভীর প্রেমের প্রণয়ে মত্ত হয়ে পড়েন শিল্পী কুরী ও সুরঞ্জিত সোম নামের ওই শিক্ষক।
মামলা সুত্রে ও শিল্পী কুরীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগের বরাতে জানা যায়, একপর্যায়ে শিল্পী কুরী (রিতা) সুরঞ্জিতের প্রেমের ফাঁদে পড়ে তার প্ররোচনায় স্বামী শংকরের সাথে আদালতের মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটান। ২০০৯ সালে সুরঞ্জিত রিতাকে বিয়ে করেন, তবে জাতপাতের ছোঁতায় নববিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে উঠেননি পির্তৃগৃহে।ঘরে তোলার প্রতিশ্রæতি দিয়ে কালক্ষেপন করতে থাকেন আর স্ত্রী ও সাথে থাকা শিশুসন্তানকে নিয়ে থাকতেন পর্যায়ক্রমে শহরতলীর উকিলবাড়ি ও সুরভীপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায়।হিন্দু এই নারী সুরঞ্জিতের ছলনা বুঝতে পারেননি তখনো। পিতার অসুখের কথা বলে স্ত্রীর সাথে রাত্রিযাপন করতেন না, দিনে শিক্ষকতার পেশা ফাঁকি দিয়ে এসে সময় কাটাতেন বাসায়।বিষয়টি বাসার মালিকও আঁচ করতে পেরেছিলেন। কিন্তু, এরপর প্রতারণায় নেশায় পেয়ে বসে বিয়ের তিন মাসের মাথায়ই ব্যাংক থেকে ঋণ তোলার মিথ্যে কথা বলে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন স্ত্রী শিল্পীর আর তা দিয়েই পরবর্তীতে তৈরী করেন ডিভোর্স লেটার। আর এভাবে ছলনা করেই চতুর সুরঞ্জিত ভোগ করতে থাকে রীতাকে।একপর্যায়ে স্ত্রী রীতাকে সংসারে অতিরিক্ত আয় – উপার্জনের জন্য চাপ দেয় সুরঞ্জিত, পরিবারে স্বচ্ছলতা আনয়নের কথা বলে ‘হাউজ মেইড’ হিসেবে স্ত্রী’কে পাঠিয়ে দেয় মধ্যপ্রাচ্যে। আর রীতা সেখানে যাওয়ার ৩/৪ মাস পরই বন্ধ করে দেয় সকল প্রকার যোগাযোগ।
প্রায় ২ বছর পর রীতা দেশে ফিরে আসলে কৌশলে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আর ঘরে তুলতে চায় না সুরঞ্জিত।সামাজিক নের্তৃস্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করেও বিষয়টির সুরাহা না হলে, চালচুলোহীন এই নারী শিশু সন্তানকে নিয়ে পড়েন মহাবিপাকে। ভাইয়ের আশ্রয়ে থেকে স্ত্রী’র অধিকার ফিরে পাবার প্রচেষ্টায় মৌলভীবাজার আদালতের (মামলা নং-২৫৮/১৭) স্মরনাপন্ন হন তিনি। অসহায় ও গরীব এই নারীর পক্ষে লিগ্যাল এইডের সহায়তায় আদালতে দাঁড়ান মৌলভীবাজারের বিজ্ঞ কৌশলী ও পাবলিক প্রসিকিউটর আ্যডভোকেট এএসএম আজাদুর রহমান ও আমিনুর রহমান পংঙ্খী। মামলা দায়েরের পরই জাম্বুরাছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুরঞ্জিত সোমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। মামলা চলাকালে সুরঞ্জিত বিয়ের ৩ মাসের মাথায় স্ত্রীর ডিভোর্স প্রদানের বিষয়টি আদালতকে দেখালে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে শিল্পীর, যদিও হিন্দু আইনে ‘ডিভোর্স’ আইনসিদ্ধ নয় বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন। বিচারিক কার্যক্রমের একপর্যায়ে আদালতে সুরঞ্জিতের প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ পায়। মাননীয় আদালতের নির্দেশনা ছিলো স্ত্রী’কে সাথে করে সংসার জীবন শুরু করার। সে আদালত থেকে রীতাকে নিয়ে বের হয়ে মাঝপথে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়, পরবর্তীতে রীতা বিষয়টি আদালতকে অবহিত করলে ‘ আদালতের নির্দেশ অমান্যের’ দায়ে মৌলভীবাজার জেলে ৪ দিনের সাজা ভোগ করে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন প্রতারণার শিকার হওয়া শিল্পী কুরী। এরপরও সে ক্ষান্ত হয়নি সে। সুত্রের খবর, বাসার কাজের মহিলা মিনুর সাথে রয়েছে তার অবৈধ ও অন্তরঙ্গ সখ্যতা – তা জানতে পেরে সম্প্রতি শিল্পী কুরী শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। আর সে অভিযোগের প্রেক্ষিতেই  শ্রীমঙ্গল থানা – পুলিশ অভিযান চালিয়ে তার ভাড়া বাসায় গিয়ে প্রায় দু’ঘন্টা চেষ্টার পর স্থানীয় পৌরসভার কমিশনারের উপস্থিতিতে ঘরের ভেতরের বাথরুমে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় পেয়ে যায় মিনুকে। এরপর পুলিশ বাসার মালিক ও কমিশনারের জিম্মায় এ নারীকে দিয়ে আসে। পরবর্তীতে এই কাজের মহিলা কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে যায়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় কমিশনার মো. ছাদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা রয়েছে, আমি সুরঞ্জিতের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়েছি। সে বাসায়ও নেই।
এ ব্যাপারে সুরঞ্জিত সোমের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭১৬০৮৬৫৮২) একাধিকবার ফোন করা হলে মুঠোফোন খোলা পাওয়া যায়, তবে তিনি কল রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারী) এই মামলায় বিজ্ঞ আদালতে রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানা গেছে ।

এস এম সুলতান খানঃ পৌর নির্বাচনে চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইভিএম পদ্ধতিতে চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচন। ৮.০১ কিলোমিটার আয়তনের এ পৌরসভায় কাল ১৪ ফেব্রুয়ারী  রবিবার অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ। এ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছেন ১৪৪০২ জন, পুরুষ ভোটার ৭১১১ ও মহিলা ৭২৯১ জন। ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১১টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ২০০৫ সালে বিএনজপ সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠিত হয় চুনারুঘাট পৌরসভা। বিগত তিন বছর আগে পৌরসভাটি ১ম শ্রেনীর মর্যাদা লাভ করে। প্রতিষ্ঠাকালীন পৌরসভার প্রশাসক এর দায়িত্ব পান উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী।

প্রথম নির্বাচনে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোৰ আবু তাহেরকে পরাজিত করে জয়লাভ করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুবরণ করায় উপ-নির্বাচনে তারই আপন চাচাতো ভাই চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিনের জৈষ্ঠ ছেলে নাজিম উদ্দিন সামসু বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। বিগত সর্বশেষ নির্বাচনে ও নাজিম উদ্দিন সামসু আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী সাবেক চুনারুঘাট  উপজেলা  ছাত্রলীগের   সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৪ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন। সব মিলিয়ে পৌর সভাটি শুরু থেকে অদ্যাবধি বিএনপির অনুকূলেই রয়ে গেছে। চুনারুঘাটের বহু দিনের কাঙ্ক্ষিত গোল চত্বর, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ সহ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার উন্নয়ন করেছেন বলে দাবী করেছেন বর্তমান মেয়র নাজিম উদ্দিন সামসু।

এ বছর নাজিম উদ্দিন সামসু, সাইফুল ইসলাম ছাড়া ও মেয়র পদে প্রার্থী হচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী  বাছির আহমদ। মেয়র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম রুবেল বলেন আমার দল ক্ষমতায় আমি নির্বাচিত হলে আপনাদের ইচ্ছানুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করতে পারবো। নাজিম উদ্দিন সামসু বলেন স্বাধিনতার পরে আমিই চুনারুঘাট মাছ বাজারে গনশৌচাকার নির্মান করেছি। আমার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য আবারও আমাকে নির্বাচিত করুন। সবমিলিয়ে নাজিম উদ্দিন সামসু ধানের শীষ ও সাইফুল ইসলাম রুবেল এর নৌকার মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ভোটারগণ জানিয়েছেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জঃ গত বুধ ও বৃহস্পতি বার ছিল নবীগঞ্জ চৌকি বিলপাড়ে হযরত শাহ জালাল (র:) এর সফর সঙ্গী, তরফ বিজয়ী ও ৩৬০ আওলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ তাজ উদ্দিন কোরেশী (র:) এর দুই দিন ব্যাপী ওয়াজ ও ওরছ মোবারক।

বুধবার মাজার সংলগ্ন তাহার বংশধর সাকির মোহাম্মদ লাখেরাজ খানেবাড়ীতে অবস্থিত বিলপাড় আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম চৌধুরী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র কোরআন তেলোয়াত পাঠ করে ওয়াজ ও ওরছে কার্যক্রম শুরু করেন অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক, মাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক ও মাজার মসজিদের ইমাম হাফেজ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার। বাদ জোহর মাজার শরীফের মোতাওয়াল্লী আব্দুল হামিদ চৌধুরীর পক্ষে মাজারে গিলাফ ছড়ান, সহিদুর রহমান চৌধুরী সাফি, গোলাম রহমান বজলু, মোতাহার চৌধুরী, মাওলানা হাফেজ এখলাছুর রহমান খান, মাওলানা কাজি আব্দুল আলিম, মাওলানা ইলিয়াছ উদ্দিন ভূইয়া, কারি কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা কারি মুজিবুর রহমান তাউস, নুরুল আমিন চৌধুরী, ফরিদ মিয়া, মছব্বির চৌধুরী, নূর ইসলাম চৌধুরী, মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র হাফেজ শাহিন মিয়া, হাফেজ আলামিন মিয়া, মাজার কমিটির সভাপতি মাতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ও মাজার মসজিদের ইমাম এবং মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, সহ সাধারন সম্পাদক রুবেল মিয়া, ক্যাশিয়ার মাসুক চৌধুরী সহ খাদেম বৃন্দ এবং অন্যানরা।

বাদ আছর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বয়ান রাখেন অত্র এলাকার প্রবীন মুরুব্বি মাওলানা হাফেজ এখলাছুর রহমান খান সাহেব, তিনি উল্লেখ করেন এই এলাকা ছিল সিলেটের শেষ হিন্দু রাজা গৌড় গোবিন্দের শেষ দক্ষিন সিমানা, সিমান্ত চৌকি, এবং এই এলাকার সীমান্ত শাসক বা নিরাপত্তা রক্ষির নাম ছিল সিং রাজা। হযরত শাহ জালাল (র:) এবং উনার সঙ্গীরা এখানে অবস্হান কালে সুপ্রিয় পানির প্রয়োজনে হযরত শাহ তাজ উদ্দিন কোরেশী (র:) তাহার হাতের আশা ছুঁড়ে (বাল্লা) মারেন, যে স্থানে আশাটি পতিত হয় ঐ স্থান হইতে আল্লাহ কুদরতে পানি উটে জলাশয়ের সৃস্টি হয়ে বিলে পরিনত হয়, তাই ইহা বাল্লা বিল এবং তীর বিলপাড় নামে খ্যাতি অর্জন করে।

ওলির এই কেরামতি দেখে সিং রাজা পালিয়ে যায়, হযরত শাহ জালাল (র:) এর নির্দেশে হযরত শাহ তাজ উদ্দিন কোরেশী (র:) সিং রাজার বাডিতে বসতি স্হাপন করে ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন এবং সেই সময়ের মুসলিম শাসক ওলির সম্মানে অত্র এলাকা লাখেরাজ করে দেন। এ বৎসর মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে অনুষ্টান সংক্ষিপ্ত করে বাদ আছর মিলাদ মাহফিল ও শিন্নি বিতরন করা হয়। বৃহস্পতি বার ওরছের সমাপনি দিন সকাল হইতে মাজার মসজিদে বিলপাড় আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম চৌধুরী হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্ররা পবিত্র কোরআন খতম করেন এবং বাদ আছর মাজার মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও মোতাওয়াল্লী পরিবারের পক্ষে শিন্নি বিতরন করা হয়। ওয়াজ ও ওরছে মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি, এবং দেশ বিদেশে থাকা প্রত্যেক আত্বীয় স্বজনের জন্য দোয়া করা হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc