Friday 26th of February 2021 10:41:29 PM

এম ওসমান,যশোর : যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কালীগঞ্জের বারোবাজারে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাক সংঘর্ষে শিশুসহ এ পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে দূর্ঘটনায় পতিত বাসের মধ্য থেকে। আর একজন মারা গেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। এছাছাড়াও ওই বাসের আহত ৩০ জন যাত্রীকে কালীগঞ্জ ও যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। আহত ও নিহতদের অধিকাংশই মাস্টার্স পরীক্ষার্থী।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলার বারোবাজার তেলপাম্পের সামনে।
স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার, কালীগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস , বারোবাজার হাইওয়ে পুলিশের কর্মিরা ও স্থানীয় লোকজন প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি ও মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ ২ জন মহিলা ১ টি শিশু রয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

কালীগঞ্জ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ৫ জনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা হলেন, চুয়াডাঙ্গা ডিঙ্গেদার আব্দুর রশিদের কন্যা রেসমা খাতুন (২৬), একই জেলার নাগদাগ গ্রামের জান্নাতুল বিশ্বাসের ছেলে ওলিউল আলম শুভ (২৬) ও কালীগঞ্জের সুন্দরপুর গ্রামের ইছাহক মন্ডলের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), একই উপজেলার বড় ভাটপাড়া গ্রামের রনজিত দাসের ছেলে সোনাতন দাস (২৬) ও ঝিনাইদহের নাথকুন্ডু গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে ইউনুছ আলী (২৬)। তারা সকলেই মাষ্টার্স পরীক্ষার্থী ছিলেন। বাকিদের শনাক্তের কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার দিনভর উদ্ধার ও লাশ শনাক্তের কাজে সহযোগীতা করছেন। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে তিনি ফায়ার সার্ভিসের কর্মিদের সাথে একটি পিকআপ ভ্যানে মৃত দেহগুলো কালীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথও ছুটে এসেছেন কালীগঞ্জ হাসপাতালে। মৃতদেহ শনাক্তের কাজ এখনও চলছে। দূর্ঘটনার পর সড়কের সকল ধরনের যান চলাচল প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপী বন্ধ ছিল।

কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ড. মামুনুর রশিদ জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী একটি বাস যার নাম্বার ঢাকা মেট্রো ব- (১১০২১৪) ঝিনাইদহের উদ্দেশ্য যাচ্ছিল। বাসটি ঝিনাইদহ যশোরের মাঝখানে বারোজার তেল পাম্পের নিকটে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় দ্রুতগামী বাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মহাসড়কের উপরেই আড়াআড়ি ভাবে উল্টে পড়ে। এ সময় বাসের সকল যাত্রীই রক্তাক্ত আহত হয়। আহতদের চিৎকারে একাবাসী এগিয়ে আসে। এরপর খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মি ও স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার ঘটনাস্থলে পৌছে বাসের মধ্য থেকে এ পর্যন্ত ৩০/৩৫ জনকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির করা হয়েছে। বাসটির মধ্য থেকে মোট ৯ আর হাসপাতালে মারা গেছেন অজ্ঞাত ১ জন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ মাস্টার্স পরীক্ষা পরীক্ষা ছিল। কাজেই নিহত/আহতদের মধ্যে বেশির ভাগই মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘদিন এ সড়কে চলাচলরত অনেক যাত্রীবাহীবাস বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালিয়ে যাত্রী বহন করে আসছে। যে কারনে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। যার কোন প্রতিকার নেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহাফুজুর রহমান মিয়া জানান, হাসপাতালে রেখে লাশ শনাক্তের কাজ চলছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্তের কাজ এখনও চলছে।

স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার জানান,খবর পেয়েই আমি ঘটনাস্থলে পৌচেছি। আমি দেখেছি মানুষের আহাজারী। আহতদের আকুতি। আমি নিজে, ফায়ার সার্ভিসসহ এলাকার মানুষের সাহায্যে দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এরপর সাথে থেকে মৃতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এসে শনাক্ত ও লাশ হস্তান্তের কাজ চালাচ্ছি। তিনি বলেন, এমন বীভৎস ঘটনায় এলাকার নারী পুরুষ আহত যাত্রীদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে গিয়েছিল। সর্বশেষ মৃতদেহ শনাক্তের জন্য হাসপাতালে থেকে সাহায্য করছি।

প্রতিনিধি,শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়েছে আইডিএলসি-প্রথম আলো ট্রাস্ট ‘অদ্বিতীয়া সংবর্ধনা ২০২০।  বুধবার দুপুরে শহরের লেবার হাউজ অডিটোরিয়ামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটির ‘ফাস্ট ফিমেল ইন দ্যা ফ্যামিলি স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়া শিক্ষার্থীর সনদ ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর হাজরা, কমলগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী, চন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহর তরফদার, বালাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য, ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অয়ন চৌধুরী, আইডিএলসি ফাইনার্স লিমিটেডের ডেপুটি হেড অব সিএসআর খন্দকার নাগিব আনোয়ার, প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা, জ্যোষ্ট কর্মসূচী কর্মকর্তা মো নাজিম উদ্দিন, প্রথম আলো শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি শিমুল তরফদার প্রমুখ।
অদ্বিতীয়া সংবর্ধনা পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন, বৃষ্টি অধিকারী, সোমা গোস্বামী, বন্যা উরাং, প্রিয়াংকা গোয়ালা, বিন্তি তাঁতী, প্রিয়াংকা মাহালী, অঞ্জলী রানী ভৌমিক, মনি মুন্ডা, মনি পাল, আফরিন মৌ রিমু। এরা সবাই মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন চা বাগানের চা শ্রমিকদের সন্তান।
উল্লেখ্য ২০১২ সাল থেকে এইউডব্লিউ-প্রথম আলো ‘ফার্স্ট ফিমেল ইন দ্য ফ্যামিলি স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ নামে দেওয়া হয় এইবৃত্তি। ট্রান্সকম গ্রুপের সহায়তায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন এ শিক্ষাবৃত্তি শুরু হয়। ট্রান্সকমের সহায়তায় ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪২ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৭ সাল থেকে আইডিএলসি এই শিক্ষাবৃত্তির দায়িত্ব নিয়েছে। নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘অদ্বিতীয়া’। আইডিএলসির সহায়তা এ পর্যন্ত ৩৬ জনকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছরের নতুন ১০জন অদ্বিতীয়াকে দেওয়া হবে সংবর্ধনা। ট্রান্সকম ও আইডিএলসির সহায়তায় এ পর্যন্ত মোট ৭৮ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছে(২০২০পর্যন্ত)। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনও তাঁদের বৃত্তি দেয়।

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রভাবশালীরা  নির্ভিঘ্নে উর্বর কৃষি জমি নষ্ট করে ব্যাপক হারে মাটি উত্তোলন করছে। এতে হাজার হাজার হেক্টর দু’ফসলি কৃষি জমি থেকে উর্বর মাটি কেটে নেয়ায় নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার উর্বরতা। এসব ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার পর তা পরিবহনের জন্য পাকা ও কাঁচা সড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে। মাটি বোঝাই যন্ত্রদানব ট্রাক্টর ও ট্রাক চলাচল করার কারণে রাস্তায় মাটি পড়ে তা অন্যান্য যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। আর গ্রামীণ সড়কগুলো নষ্ট হওয়ায় অবকাঠামোর বিরাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং ভোগান্তি পোহাচ্ছে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ও তেমন কোন ধারাবাহিক অভিযান দেখা যায়না।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কৃষি জমির উর্বর মাটি ৬ ইঞ্চি পরিমাণ গভীরতা চাষাবাদ উপযোগী। এই মাটি সরিয়ে ফেলা হলে পরের ৪-৫ বছর এ জমিতে ভালো ফসল হয় না। প্রচুর গোবর ও জৈবসার দিয়ে মাটিকে উৎপাদনের উপযোগী করতে কোন কোন ক্ষেত্রে আট দশ বছর লেগে যায়। যা শুধু কৃষকেরই ক্ষতি হচ্ছে না এতে গোটা দেশের কৃষিজ উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে যা অপূরনীয়। এই জমিকে উপযোগী করতে প্রচুরপরিমাণ কৃত্রিম ও জৈবসার জমিতে দিতে হয়।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর, ভূনবীর, সিন্দুরখান, আশিদ্রোন, কালাপুর, শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকা হইতে কৃষি জমির কেটে মাটি নেয়া হচ্ছে। এইসব মাটি ট্রাক ও ট্রাষ্টর বুঝাই করে নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। এতে দিন দিন কমে আসছে আবাদি জমি। বিশেষ করে তিন ফসলি জমিতে পুকুর খনন করায় খাদ্য ফসল উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পড়তে যাচ্ছে।
শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের রূপশপুর গ্রামের কৃষক মো. রাজু মিয়া জানান, উঁচু ফসলের জমিতে পানি না উঠায় আমাদের ফসলি জমির মাটি বিক্রি করতে হয়। তাছাড়া আমরা জানতাম না মাটি কাটলে ফসলে উর্বরতা কমে। আজ জানলাম আর কোন দিন জমির মাটি বিক্রয় করব না।
সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের দরবেশনগর গ্রামের কৃষক মো সাজ্জাদ মিয়া জানান, আমাদের এলাকায় যেসব জমি উচু, পানি থাকে না সেসব জমি কেটে মাটি বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তর করা হয়। এ বছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আমাদের জমি থেকে যারা মাটি কেটে নেন তারা পরবর্তীতে আমাদের জৈবসার গোবর ও নানা ধরণের সার দিয়ে সহায়তা করেন। মাটি কেটে নেয়ার ফলে জমির উর্বরতার যে ঘাটতি হয় তা গোবর ও সারে পূর্ণ হয়ে যায়। তিনি ফসলী জমি থেকে মাটি কেটে নেয়ায় ফসলী জমির যে উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে তা জানেন না বলে জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি বলেন, কৃষি জমির উর্বর মাটি ৬ ইঞ্চি পরিমাণ গভীরতা হলে। এই জমিতে প্রচুর গোবর ও জৈবসার দিয়ে মাটিকে উৎপাদনের উপযোগী করতে আট দশ বছর লেগে যায়। যা শুধু কৃষকেরই ক্ষতি হচ্ছে না এতে গোটা দেশের কৃষিজ উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে যা অপূরনীয়। এই জমিকে উপযোগী করতে প্রচুর পরিমাণ কৃত্রিম ও জৈবসার জমিতে দিতে হয়। কৃষকদের সাথে আমরা মাঠ পর্যায়ে এবিষয়ে আলোচনা করে থাকি।
মৌলভীবাজার মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, জমির মাটি যদি নেয়া হয়। এই জমিকে উপযোগী করতে প্রচুর পরিমাণ কৃত্রিম ও জৈবসার জমিতে দিতে হয়। আমরা প্রতি মিটিংয়ে এনিয়ে আলোচনা করে থাকি। এবিষয় শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নজরুল ইসলাম ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: নবীগঞ্জের এক মিশুক চালক গাড়ীসহ নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়,নবীগঞ্জ উপজেলার ফুটারমাটি গ্রামের ফুলই মিয়ার ছেলে পাপ্পু ( ১৬) পিতা ফুল মিয়াকে পাওয়া যাচ্ছে না। সে মঙ্গলবার ( ৯ ফেব্রুয়ারি) ফুটারমাটি গ্রামের কামরান আহমদের মিশুক গাড়ী নিয়ে প্রতিদিনের মত রোজগারের জন্য বের হয়।সন্ধ্যায় গাড়ী ফেরত দেয়ার সময় হলেও মিলেনি তার কোন সন্ধান।

ফুটারমাটি গ্রামের এক যুবক বলেন,আমি আসরের নামাজের পর তাকে গ্রামের কবরস্থানের পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে দেখেছি। কিন্তু তখন সে একাই ছিলো,গাড়ী বা অন্য কোন ব্যক্তি তার সাথে দেখিনি।ওই দিন মাগরিবে নামাজের পর থেকে তার কোন খোঁজ মিলছেনা।তার মোবাইল ফোনে প্রথম দিকে কল ঢুকলেও কেউ রিসিভ করছিল না এবং পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোন সুইচঅফ পাওয়া যায়।সন্তান নিখোঁজে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।মা- বাবা পাগল প্রায়। স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরির প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

জেলা প্রতিনিধি,হবিগঞ্জ: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক কামাল হোসেন রাফিকে (৩০) গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিমতলায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এটিএন বাংলার হবিগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুল হালীমের সভাপতিত্বে ও হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ সেলিমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন,
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, সাবেক সভাপতি মো. ফজলুর রহমান ও মোহাম্মদ নাহিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন, সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী, আবুল হোসেন, এম এ আর শায়েল, জুয়েল চৌধুরী, সৈয়দ মশিউর রহমান, শাহাউর রহমান বেলাল, সহিবুর রহমান, এম সজলু, মোহাম্মদ শাহ্ আলম, নায়েব হোসেন, সুকান্ত গোপ, জায়েদ আলী মামুন, সাইফুর রহমান তারেক, রুবেল তালুকদার, জাহাঙ্গীর রহমান, হাবিবুর রহমান, সঞ্জব আলী, প্রিয়া আক্তার, সুলতান মাহমুদ আরজু, জুনাইদ আহমেদ, আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, সিজিল আহমেদ, সেলিম মিয়া প্রমুখ। মানববন্ধনে
সাংবাদিক কামাল হোসেনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এ ছাড়াও এ ঘটনার নেপথ্যে থাকা বালুমহাল সিন্ডিকেটদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান কর্মরত সাংবাদিকরা।
প্রসঙ্গত, সোমবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে তাহিরপুরে যাদুকাটা নদী‌তে অবৈধভা‌বে বালু-পাথর উত্তোল‌নের ছ‌বি তোলায় গাছের সঙ্গে বেঁধে সাংবা‌দিক‌কে কামাল হো‌সেন রা‌ফিকে মারধর করা হয়।
মারধর করেন বালু-পাথর উত্তোল‌ন চক্রের মাহমুদুল, রইছসহ ক‌য়েকজন। সাংবা‌দিক‌কে রা‌ফি দৈনিক সংবাদ প‌ত্রিকার তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি হি‌সে‌বে কর্মরত আছেন।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের মন্দিরগাও গ্রামের ঝরনা আক্তারের বাড়ীতে  হাতাহাতির ঘটনায় ভিকটিম গুরুতর আহত হওয়ার পর ঝরনা আক্তার এর লোকজন ভিকটিমকে সাবেক চেয়ারম্যান আরজু মিয়ার বাড়ীর পাশে ফেলে রেখে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গতকাল ৯ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫ টার দিকে মোছাঃ খালেদা আক্তার  (৫৮) স্বামী মোঃ চুনু মিয়া সাং ১১৫ কোয়ারপাড় আ/এ থানা কোতয়ালী সদর সিলেট থেকে তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারি বোনের বাড়ী শ্রীমঙ্গলের সিন্দুরখান ইউনিয়নের মন্দিরগাও গ্রামের মোছাঃ লায়লা আক্তার (৫০) স্বামী মোঃ আব্দুস শহীদ গ্রাম মন্দিরগাও থানা শ্রীমঙ্গল জেলা মৌলভীবাজার এর বাড়ীতে আসেন।

পরের দিন মঙ্গলবার বিকালে বোনের বাড়ী থেকে প্রায় কয়েক শত গজ দূরে অবস্হিত মোছাঃ ঝড়না আক্তার (৪৮) স্বামী শাহজাহান মিয়া সাং মন্দিরগাও থানা শ্রীমঙ্গল জেলা মৌলভীবাজার নামে এক মহিলার ছেলে জয় কে বিশ হাজার টাকা (ধানের উপর লগনী দেওয়া) পাওনা টাকা আনার উদ্যাশে ঝড়না আক্তারের বাড়ীতে গেলে যথা সময়ে ভিকটিম বোনের বাড়ীতে ফেরত না আসায় বোনের বাড়ীর লোকজন খোজাখুজি করিয়া রাত প্রায় সাড়ে ৭ টায় খবর পাওয়া যায় যে মন্দিরগাও গ্রামের বাসিন্দা সাবেক চেয়ারম্যান আরজু মিয়ার বাড়ীর পাশে বিবস্ত্র অবস্থায় এক নারী পরে রয়েছেন। ঘটনা স্থলে যেয়ে ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজন মহিলাকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল সদর হাসপাতালে ঐ দিন রাত ৯ টায় নিয়ে আসেন এবং রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

উল্লেখ,পাওনা টাঁকা নিয়ে ভিকটিম এবং ঝড়না আক্তারের পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি হয়ে ভিকটিম গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

মৃত দেহ বর্তমানে শ্রীমঙ্গল থানায় রয়েছে, ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হবে।এ ব্যাপারে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।আইনগত ব্যবস্হা প্রক্রিয়াধীন বলে শ্রীমঙ্গল থানা সুত্রে জানা গেছে।  বিস্তারিত পরের সংবাদে আসছে…।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে মাদক ব্যবসায়িকে  যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড  প্রদান করেছে জেলা দায়রা জজ মুন্সী মোঃ মশিউর রহমান। দন্ডপ্রাপ্তরা হলোযশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নিত্যানন্দপুর গ্রামের শের আলী মোল্যার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩২) এবং একই উপজেলার বাররা গ্রামের কিসমত সরদারের ছেলে আবু সাঈদ সরদার (২০) রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 বুধবার সকাল ১০ টায় নড়াইল জেলা দায়রা জজ আদালতে,১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯() এর ৩৩ ) ধারায়  মামলার রায় ঘোষনা করেন জেলা দায়রা জজ মুন্সি মোঃ মশিউর রহমান।

 মামলার বিবরনে জানা গেছে,১২০১৩ সালের ফেব্রƒয়ারী মাসের ১৩ তারিখে সদর উপজেলার বিছালী ক্যাম্পের এস,আই মোঃ নজরুল ইসলাম সন্ধ্যা টা ২০ দিকে এই এলাকার  কামদহ মাঠের ব্রিজের উপর  মোঃ রফিকুল ইসলাম মোঃ আবু সাইদ সরদারকে দেখে সন্দেহ হলে   উপস্থিত লোকদের সামনে তাদের দেহ তল্লাশী করে, রফিকুলের পিঠে স্কুল ব্যাগ থেকে ৭০ বোতন ফেনসিডিল সাইদের হাতে থাকা ব্যগের ভিতর থেকে ৩০ বোতন ফেনসিডিল  মোট ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।  পরে সদর থানার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এস,আই খাইরুল  অভিযোগ প্রাথমিক ভাবে প্রমানিত হওয়ায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য আইনের ১৯() এর () ধারায় ০৩.০৪.২০১৩ তারিখে  সদর থানায় ৯১ নং অভিযোগ  দাখিল করেন।  বিজ্ঞ আদালত আমলাটি আমলে নিয়ে জন সাক্ষির সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বিজ্ঞ বিচারক জেলা দায়রা জজ মুন্সি মোঃ মশিউর রহমান  আসামীদ্বয়কে,১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯() এর ৩৩ ) ধারায়  যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড   সাজা প্রদান  করেন।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শমশেরনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে একটি ভ্যাকসিন সেন্টারের। মঙ্গলবার(৯ ফেব্রুযারি) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি ভ্যকসিন সেন্টারের উদ্বোন হয়েছে। এদিন  বিকাল ৪টায় উপজেলার শমশেরনগর চাতলাপুর সড়কে সুমন্ত মেডিক্যাল হল এন্ড ভ্যাকসিন সেন্টারের উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া ।শমসেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুয়েল আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জুর স ালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক শাহাজাহান মানিক, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল এন্ড ভ্যাকসিন লি:-এর এলাকা ব্যবস্থাপক মো. ইকরামুল ইসলাম,সমাজকর্মী রাজিউল ইসলাম রাজু প্রমূখ। কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া জানান, মৌলভীবাজার জেলার প্রথম ভ্যাকসিন সেন্টার কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে উদ্বোধন হলো।

ভ্যাকসিন সেন্টারের পরিচালক ডা. সুমন্ত দেবনাথ জানান, এখানে হেপাটাইসিস- বি,ইন্ফ্লুয়েঞ্জা, টায়ফয়েড, কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন র‌্যাবিস, টিটেনাস ও মাসেলাস রুবেলার ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। সার্বক্ষনিক এসব ভ্রাকসিন রাখারও  সু-ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরও বলেন কুকুরের কামড়ের পর অনকে সময় সবস্থানে র‌্যাবিস ভ্যাকসিন পাওয়া যায় না।  এ ভ্যাকসিনের সাথে এসব ফ্লুর ভ্রাকসিন এখানে সব সময় মজুদ থাকবে।

মিনহাজ তানভীরঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মতিগঞ্জ এলাকাধীন হাইল হাওরে অবস্থিত “রাজা ফিশারিজ এন্ড হ্যাচারী কমপ্লেক্সে”র সাবেক প্রতিষ্ঠাতা স্বত্বাধিকারী মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা মিয়ার মৃতদেহ বহু জল্পনা-কল্পনার অবশেষে তদন্তকারী কর্মকর্তার বারবার নোটিশ প্রদানের পর বিজ্ঞ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান’র উপস্থিতে স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের সরেজমিন থেকে মৃত্যুর প্রায় তিন বছর পর আজ মঙ্গলবার (৯ফেব্রুয়ারী) সকাল  ১১টা থেকে বিকাল পৌনে তিনটা পর্যন্ত আইনি সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উত্তোলন কাজ শেষ করে এম্বুলেন্স যোগে প্রথমে শ্রীমঙ্গল থানায় আইনি প্রক্রিয়ার পর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এসময়  শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আলী তানভীর হক রাহাত উপস্থিত থেকে লাশ উত্তোলনের পর ময়না তদন্তের প্রাথমিক সকল প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন।

মরদেহ উত্তোলন সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল থানার এসআই মোহাম্মদ আলমগীর আমার সিলেটকে জানান, মরহুম মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা মিয়ার মৃত্যু নিয়ে তারই ছেলে গোলাম মোরসালিন মোস্তফার করা হত্যা মামলার তদন্ত সাপেক্ষ ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিজ্ঞ আদালত মৃতদেহ উত্তোলন করে অধিকতর ফরেনসিক তদন্তের প্রয়োজনে পোস্টমর্টেম করার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সুত্রে তিনি আরো বলেন, মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে মৃত রাজা মিয়াকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী অর্থাৎ অভিযোগকারী গোলাম মুরসালিনের সৎ মা নুরজাহান রানী ও তার সহযোগীদের নিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে,বিষ প্রয়োগ করে কিংবা অন্য কোন উপায়ে হত্যা করে থাকতে পারে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার সাধারণ প্রক্রিয়া অনুযায়ি সঠিক কারণ নির্নয় করার সার্থে ন্যায় বিচারের লক্ষ্যে আদালত তার মৃতদেহ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করে আমরা তদন্তের জন্য বারবার নোটিশ করা হলেও মামলার বাদী পক্ষ আমাদেরকে কোন সহযোগিতা করেনি এমনকি আজ তাদের কেহ এখানে উপস্থিত ও হয়নি অথচ আমাকেই এই মামলা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে মরদেহ উত্তোলনের আরও তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে,কারণ হিসেবে আমার বাদী পক্ষের একজন প্রবাস থেকে আসছেন বলে জানানো হয়েছিলো,শেষ পর্যন্ত আজ তাদের কাউকেই উপস্থিত হতে দেখা যাচ্ছে না।

অপরদিকে মরদেহ উত্তোলনে বাদী পক্ষের অসহযোগিতার ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মৃতদেহ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য মামলার বাদী পক্ষের অসহযোগিতার কারনে আমরা এক ঘন্টার উপরে দাড়িয়ে থাকতে হয়েছে।শেষ পর্যায়ে বাদী পক্ষের প্রতিনিধি রাজা ফিশারিজ এর ম্যানেজার জামান আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থলে আসলে তিনি সাংবাদিকদের তুপের মুখে পরলে তিনি অন্যত্র ফিসারির কাজে ব্যাস্ত ছিল বলে জানান। আমারসিলেট প্রতিনিধি বাদীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সাক্ষাত করতে পারেনি।

সর্বশেষ ৮ জানুয়ারি বিকালে রাজা ফিসারিজ মালিকের মরদেহ উত্তোলনের নোটিশ ২য় বারের মত ঘরের ওয়ালে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়। পুর্ব ঘোষিত নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১ টা থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানের উপস্থিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আলমগীর এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ স্কটের মাধ্যমে মৃতদেহ উত্তোলনের কাজ আরম্ভ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আশিদ্রোন ইউপি চেয়ারম্যান রনেন্দ্র প্রসাদ জহর,স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শহীদ,শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি আনিছুল ইসলাম আশরাফী,সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক  সম্পাদক ইয়াছিন তালুকদার,সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রুহেল খান আশরাফুলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক ও স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ।

প্রসঙ্গত, মাষ্টার গোলাম মোস্তফা রাজা ৩১ জানুয়ারী ২০১৭ ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করেন।মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পর গত বছর ২৬/০৮/২০২০ তারিখে মৃত রাজা মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নুরজাহান রানীকে প্রধান আসামি ও তার ভাই দেওয়ান আলামিন রাজা, দেওয়ান সেলিম, দেওয়ান জান্নাতুল ফেরদৌস লিখন ও নাছির মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আদালত দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে আরজি বা নালিশকে গত ০৭/০৯/২০২০ তারিখের মধ্যে এফআইআর হিসেবে গণ্য করতে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, মরহুম মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা মিয়া হাওরপারের লোকদের কাছে খুব জনপ্রিয় ছিলেন।স্থানীয়রা খুব মর্মাহত তার লাশ উত্তোলন নিয়ে,তবে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তাদের কিছু জানা নেই,তিনি শ্বাস জনিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানান তারা।সুত্রে জানা যায়,মরহুম রাজা মিয়া অসুস্থ হয়ে পরলে রাস্তা খারাপ থাকায় তার নিজের গাড়ী (prado car) নিতে অসম্ভব থাকায় একটি সিএনজি যোগে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়, তাও পুকুরের পাড় দিয়ে,এ সময় রাস্তা ভাঙ্গা ছিল সংস্কার কাজে তখন বড় গাড়ীর যাতায়াত হতনা।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc