Friday 26th of February 2021 03:25:35 PM

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়া পৌরসভায় আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান হীরার নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে ককটেল নিক্ষেপ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিনগত রাত ১টার দিকে বড় কালিয়ার ব্যাপারীপাড়া নির্বাচনী অফিসে ঘটনা ঘটে।

লীগের মেয়র প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান হীরার ভাই শহীদুল ইসলাম শাহী জানান, শনিবার দিনগত রাত ১টার দিকে বিদ্রোহী প্রার্থী ফকির মুশফিকুর রহমান লিটনের কর্মী সমর্থকরা বড়কালিয়ার ব্যাপারীপাড়া নির্বাচনী অফিসে ককটেল নিক্ষেপ করে। এসময় তিনটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পরে নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে লিটনের পক্ষে মিছিল দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। মিছিল থেকে কালিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ ঘোষকে হত্যার হুমকি দিয়ে শ্লোগান দেয়া হয়। 

তবে ব্যাপারে অভিযুক্ত আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র ফকির মুশফিকুর রহমান বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে কালিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ ঘোষ এসব ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের নির্বাচনকে বানচাল করতে এই নাটক করা হয়েছে। জন্য যাদি প্রশাসন নিরপেক্ষ না থেকে আমাদের লোকদের বা আমাাকে ধরে নিয়ে যায় তাহলে আমার করার কিছু নাই।

সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রিপন চন্দ্র মাঝি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল সদৃশ্যবস্ত দুটি ছ্যানদা উদ্ধার করা হয়েছে। এব্যাপারে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কালিয়ার আইনশংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। 

বিষয়ে পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম বার) বলেন, আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে জিরো টলারেন্স পন্থা আবলম্বন করবো। বিষয়টির সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে বা যারা অপরাধ করবে তাদের কোন ছাড় দেওয়া হবেনা।###

আগামী ৩০ জানুয়ারী তৃতীয়ধাপে কালিয়া পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ১৬হাজার ৩শ ৮৩জন।  এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮হাজার ১শ ৪৭ জন এবং নারী ভোটার ৮হাজার ২শ ৩৬ জন। মেয়র পদে ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান হীরা, বিএনপির  এসএম ওয়াহিদুজ্জামান মিলু বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন। এছাড়া সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে জন সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৯৭৬ সালে গঠিত কালিয়া পৌরসভাটি ২০১১ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সারা দেশে  ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের অংশ হিসেবে  মৌলভীবাজারের  কমলগঞ্জে ১ম ধাপে ৬০ গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘর ও জমির  দলিল  পেয়েছে। শনিবার  সকাল সাড়ে  এগারোটায় গণ ভবন থেকে  প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও  কনফারেন্সে একযোগে  গৃহ  প্রদান  উদ্বোধন  শেষে  কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ  মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হকের সভাপতিত্বে  ও শিক্ষক মোশাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায়  গৃহ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত  থেকে  ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে ঘর  ও জমির দলিল হস্তান্তর করেন  বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন একজন মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মল্লিকা দে,কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রফিকুর  রহমান, কমলগঞ্জের সহকারি কমিশনার (ভূমি)  নাসরিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আসলাম ইকবাল মিলন, থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ  আহমেদ বুলবুল, আলিনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল  হক বাদশা, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম,এ, হান্নান, কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।

১ম ধাপে ৬০ টি গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘর ও জমির  দলিল হস্তান্তর করা হচ্ছে।

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থেকে মাইক্রোবাসে বহন করা অবস্থায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছেন র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল। উনিশে জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১ টায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন একটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩০ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ১ টি মাইক্রোবাসসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আবুল বাশার (৬০), জেলা-কুমিল্লা, মোঃ বাশার মিয়া (৬০), জেলা-কুমিল্লা এবং মোঃ মোশারফ হোসেন (২২), জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে মাইক্রোবাসের মাধ্যমে বিশেষ কায়দায় রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ডিলারদের নিকট সরবরাহ করে আসছিলো।

র্যাব ৪ এর কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা যায়, উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

নূর মোহাম্মদ সাগর,শ্রীমঙ্গলঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নিরাপদ চিকিৎসা চাই (নি.চি.চা) শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার কমিটি ২০২১  সালের বিভিন্ন কার্যক্রম ও লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের  ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷
শনিবার(২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার  জেলা পরিষদ কনফারেন্স  রুমে নিরাপদ চিকিৎসা চাই মত বিনিময় সভায় সঞ্চালনা করেন  (নি.চি.চা) শাখার সহ-সভাপতি শাজান আহমেদ রানা ও  শ্রীমঙ্গল (নি.চি.চা) শাখার সভাপতি লুৎফুর রহমান পাবেল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ চিকিৎসা চাই এর কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি এম.এ.এইচ শিপলু।এ সময় তিনি বলেন দেশের বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিবর্তন চেয়ে সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর সুচিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ও গরীব দুস্থ মানুষের সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে ‘নিরাপদ চিকিৎসা চাই’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে। যার বর্তমান পরিচালক হলেন যুবরাজ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মােঃ রাজিউদ্দিন রাজা, (নি.চি.চা) শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ছৈয়দ মুনসুরুল হক,শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি উপদেষ্টা বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী,উপদেষ্টা মােঃ কামাল হােসেন ,উপদেষ্টা মসিউর রহমান রিপন,উপদেষ্টা মিতালি রায়,উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসান মামুনসহ সাংবাদিকবৃন্দ ও উপজেলা কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ।
এ সময় নিরাপদ চিকিৎসা চাই এর নেতৃবৃন্দ ১৪ দফা দাবি তুলে ধরেন এবং বলেন,  বর্তমান সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি মানুষের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা নিয়ে একদল নামধারী ডাক্তাররা কসাইয়ের মতাে আচরণ করছেন।
যার ফলে সাধারণ রােগীরা পড়ছেন ভােগান্তিতে এবং নিরাপদ চিকিৎসা থেকে হচ্ছে বঞ্চিত। আজকের এই অনুষ্ঠান থেকে আমরা দাবি জানাচ্ছি, নিরাপদ চিকিৎসা চাই কমিটি যেন ভুক্তভােগীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজের নামধারী কসাই থেকে তাদের রক্ষা করতে পারেন সেজন্য আমরা এই জোড়  দাবি জানাচ্ছি।

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স এবার খোলা হলো প্রায় পাঁচ মাস পর। এতে আটটি সিন্দুকে নগদ পাওয়া গেছে দুই কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা। এছাড়া বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। শনিবার বিকালে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এই তথ্য। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২২ আগস্ট খোলা হয়েছিল দানবাক্স। তখন এক কোটি ৭৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭১ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে পাঁচ মাস চার দিন পর খোলা হলো আটটি সিন্দুক।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানান, সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি সিন্দুক খোলা হয়। প্রথমে দানসিন্দুক থেকে টাকা বস্তায় ভরা হয়। এবার সবচেয়ে বেশি ১৪ বস্তা টাকা জমা হয়েছে সিন্দুকে। পরে বস্তা খুলে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে টাকা গণনায় মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে পাগলা মসজিদ অন্যতম। মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর এই মসজিদটি গড়ে উঠে। সময়ের বিবর্তনে মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি অত্যাধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্স এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়েছে মূল মসজিদ ভবন। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এই মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সাহায্য করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে প্রতিদিন হাজারও মানুষ এখানে নানা ধরনের অনুদান নিয়ে আসেন।

প্রসঙ্গত, পাগলা মসজিদটি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার হারুয়া নামক স্থানে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। জনশ্রুতি অনুসারে, ঈশা খার আমলে দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে জিল কদর পাগলা (রহঃ) নামক এক আল্লাহ্‌র অলি নদীর তীরে বসে নামাজ বন্দেগি করতেন। পরবর্তীতে ওই স্থানটিতেই স্মৃতি স্বরূপ মসজিদ নির্মিত হয়। জিল কদর পাগলার নামানুসারে মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ হিসেবে পরিচিতি পায়। অপর জনশ্রুতি অনুসারে, তৎকালীন কিশোরগঞ্জের হয়বতনগর জমিদার পরিবারের ‘পাগলা বিবি’র নামানুসারে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।

দ্বিতীয় জনশ্রুতির বিষয়ে স্থানীয় অলিআল্লাহ ভক্তরা দাবী করে বলেন, পাগলা ছিল একজন আল্লাহ্‌র অলি তার অনেক কারামত রয়েছে যা দাদার আমল থেকে শুনে আসছি ,এখানকার একটি গোষ্ঠী রয়েছে যারা পাগলা নামে কোন আল্লাহ্‌র অলিকে বিশ্বাস করেনা এর অস্তিত্ব ও স্বীকার করতে চাইনা ফলে ওরা চায় এটি ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করুক, কোন আল্লাহ্‌র অলির নামে নয়।

উল্লেখ্য, তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদটিতে একটি সউচ্চু মিনার রয়েছে। বর্তমানে মসজিদ কমপ্লেক্সটি ৩ একর ৮৮ শতাংশ জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ স্টেট  মসজিদটি পরিচালনা করছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc