Friday 26th of February 2021 10:21:27 PM

নূরুজ্জামান ফারুকী,বিশেষ প্রতিনিধি: শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়া। শুক্রবার দেশটির সুলাওসি দ্বীপে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত শতাধিক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশটির মাজেনা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল।

প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে দেশটির দুর্যোগ সংস্থা জানিয়েছে, ভুমিকম্পে নিহত হয়েছে ৪ জন। সেইসঙ্গে মাজেনা শহরে আহত হয়েছেন ৬৩৭ জন। এছাড়া পাশের মামুজু অঞ্চলে আরও তিনজন নিহত হয়েছেন । সেখানে আহত হয়েছে দুই ডজনের বেশি।

সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, দেশটির স্থানীয় সময় রাত ১ টা নাগাদ ভূমিকম্প আঘাত হানার পর হাজারো মানুষ বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানের খোঁজে পালায়। ভূমিকম্পে অন্তত ৬০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয়রা মোটরসাইকেলে করে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে উঁচু কোথাও যাওয়ার জন্য ছোটাছুটি করছে। ভিডিওতে, একটি ছোট্ট ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে এবং মানুষজন খালি হাতে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

সুদিরমান স্যামুয়েল নাম এক সাংবাদিক জানান, ভূমিকম্পে বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুই হোটেল, সুলায়িসি দ্বীপের অফিস, শপিং মল।

এছাড়া মামুজুর একটি রাস্তার চলাচল ব্যবস্থা বন্ধ হয়েছে একটি ব্রিজ ভেঙে পড়ার কারণে।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি:  সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার তিতাস আবাসিক হোটেলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ৯ পুরুষ, ৫ মহিলাসহ ১৪ জনকে আটক করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই মো. রোকনুজ্জামান চৌধুরী পিপিএম’র নেতৃত্বে এসআই নূরে আলম সিদ্দিক, এএসআই বুরহান উদ্দিন, এএসআই পিপলু সেন, এটিএসআই শামীম, কনস্টেবল শিবানী দাসসহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  জেলা  ব্যাপী  কর্মক্ষেত্র বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মানবাধিকার সংস্থা সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন’র মৌলভীবাজারের উপজেলা শ্রীমঙ্গলে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। দেশ ব্যাপী সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন’এর শাখা সমূহের কার্যক্রমকে আরাে গতিশীল করতে এবং সংগঠনের মধ্যে নতুন সদস্যদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন’র কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে সোমবার ১১ জানুয়ারী ২০২১ইং তারিখে সংস্থার মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী স্বাক্ষরিত পত্রে তরুণ সমাজসেবক মােহাম্মদ ফারুক হোসেনকে সভাপতি ও শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মােহাম্মদ আব্দুল মজিদকে সম্পাদক করে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি অনুমােদন দেওয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছে,সিনিয়র সহ-সভাপতি মাে: আবু হানিফ, সহ-সভাপতি মাে: আব্দুল হাই, যুগ্ম-সম্পাদক মােহাম্মদ মকবুল হাসান ইমরান,সাংগঠনিক সম্পাদক মােঃ ইউসুফ আহমেদ,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন তালুকদার, অর্থ সম্পাদক মােঃ ফারুক মিয়া,দপ্তর সম্পাদক আল আমিন,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মােঃ জাহেদ আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক সাহেদ আহমদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফাতেমা আক্তার,সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মােঃ জসিম উদ্দিন আন্তর্জাতিক সম্পাদক আব্দুল গফফার,সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুহানুর রহমান শুহান,তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাে: রুয়েল খান আশরাফুল,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবেদ শাহ আলী আবেদী,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাে: কামরুল হােসেন,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মােঃ মাের্শেদ আলম চৌধুরী,নির্বাহী সদস্য লােকেন্দ্র সিংহ ও নির্বাহী সদস্য মােঃ মােস্তাকিম আলী।

উল্লেখ্য,সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন শ্রীমঙ্গল উপজেলার নব গঠিত কমিটি জেলার প্রথম পুর্নাঙ্গ কমিটি। এই কার্যকরী কমিটি (২০২১-২০২২) সালের জন্য অনুমােদন দেওয়া হয়েছে এর পুর্বে ৭ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।অন্যান্য উপজেলায় ও দ্রুত গতিতে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জেলা আহ্বায়ক মুহাম্মদ আনিছুল ইসলাম জানিয়েছেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকে: জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাইকে রশি দিয়ে বেঁধে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। ভাইকে বাচাঁতে ৯৯৯-এ কল দেন বোন। পরে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

ভিডিওতে দেখা যায়- একটি যুবককে মাটিতে ফেলে রশি দিয়ে বেধে মারপিট করছে। যুবকটির চিৎকারে গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। কিন্তু উপস্থিত লোকজন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আজলপুর গ্রামের আবু বকরের সাথে তার বোন হেলেনা বেগমের মধ্যে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে গত ১১ জানুয়ারী সোমবার সকালে হেলেনা বেগম ও আবু বখরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তার ভাই রাজু মিয়া (২৪) এগিয়ে আসলে তাকে বেঁধে মারপিট করে আবু বকর ও তার লোকজন।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজু মিয়াকে উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগও আমরা পেয়েছি। এমন নেক্কারজনক ঘটনার সাথে যে বা যাহার জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকেঃ স্বামীকে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সিলেটের ওসমানী নগর থানার তাহির পুরে যৌতুকলোভী শশুরবাড়ীর লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চাঁন পুর গ্রামের অসহায় ৩ সন্তানের জননী মৃত আপ্তাব আলীর মেয়ে মোছাঃ নাসিমা বেগমের পরিবারে নেমে এসেছে অমানবিক নির্যাতনের ষ্টিম রোলার৷ নির্যাতনের শিকার হয়ে নাসিমার ৩টি অবুঝ সন্তান নিয়ে বিগত দেড় বছরধরে পিত্রালয়ে বসবাস করছেন হতবাগিনী মা, তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তার সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেও আশংকা প্রকাশ করছেন তিনি৷ এঘটনায় যৌতুকের শিকার নাসিমা বেগম বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কগ-৫) আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন (সংশোধিত ২০১৮ইং) এর ৩ ধারায় তার স্বামী ওসমানী নগর থানার তাহির
গ্রামের মৃত আঃ ছালামের পুত্র লেছু মিয়া(৪০) ও তার চাচাতো ভাই মৃত আব্দুল গনির পুত্র আবু বক্কর মিয়া(৪২) কে আসামী করে মামলা দায়ের করেন, তিনি এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০০৯ইং সালের ৫ই ফেব্রুয়ারীতে তার বিবাহ হয় বর্তমানে তাদের সংসারে ২ ছেলে ও ১টি মেয়ে সন্তান রয়েছে৷ তার স্বামী একজন সহজ সরল প্রকৃতির লোক ও বাকপ্রতিবন্দ্বী ব্যক্তি৷২নং আসামী বক্কর মিয়া একজন প্রতারক, চরিত্রহীনও লম্পট প্রকৃতির লোক৷ বক্কর মিয়া তার স্বামীকে বিভিন্ন ভাবে কুপরামর্শ দিয়ে একপর্যায়ে টমটম গাড়ী কিনিয়া দেওয়ার প্রলুবদ্ধ করিয়া নাসিমার মা-ভাইদের কাছথেকে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক বাবদ দেওয়ার জন্য তার স্বামীর মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ ও একাধিক বার নির্যাতন করেন৷
উক্ত টাকা দেওয়া নাসিমার পরিবারের লোকজনের সামর্থ্য না থাকায় নাসিমার উপর নেমে আসে নানা নির্যাতন একপর্যায়ে নাসিমার স্বামী ও বক্কর মিয়ার মাধ্যমে ৪ঠা
সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং সনে সন্তানদের নিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি তার পিত্রালয়ে চলে আসলে, টাকা দিতে না পারায় তাদেরকে নাসিমার পিত্রালয়ে ফেলে রেখে চলে যায় বক্করের প্ররোচনায়৷ এর পরথেকে আজবদী নাসিমা তার অবুঝ সন্তানদের নিয়ে তার মা-ভাইদের সাথেই আছেন৷ তার স্বামী বা তার শশুর বাড়ীর কেহই তাদের খোঁজ খবর নেননা৷এদিকে উক্ত ঘটনায মামলার প্রেক্ষিতে উল্লেখিত আসামীরা সম্প্রতি প্রায় মাসখানেক হাজতবাস করেন- এই মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন থাকায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিমার ভাই হামদু মিয়াকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্য বক্করের ভাই আকবর মিয়া ও আহমদ আলী হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখমী করলে, নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একই আদালতে পরবর্তীতে আরেকটি মামলা দায়ের করেন নাসিমার ভাই বাদী হয়ে৷
এঘটনায় নির্যাতনের শিকার নাসিমার পরিবারের লোকজন এখনো তাদের নানা হুমকি ধামকিতে আতংক দিনাতিপাত করছেন বলেও নাসিমা বেগম জানিয়েছেন৷ তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন৷

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc