Sunday 20th of September 2020 08:34:59 PM
Saturday 5th of September 2015 11:39:22 PM

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে

জাতীয় ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে

তার সমাধিতে পুস্পমাল্য অর্পন ও গার্ড অব অনার প্রদান

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৫সেপ্টেম্বর,এম ওসমান, বেনাপোল: বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে শার্শা থেকে ১৮ কি: মি: উওরে উপজেলার কাশিপুর সীমান্তে অবস্থিত নুর মোহাম্মদের সমাধিতে পুস্পমাল্য অর্পন, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও রাস্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেছে বিজিবি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা প্রশাসন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

গার্ড অব অনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিজিবি’র দক্ষিন পশ্চিমা লীয় রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম।

আলোচনা অংশ নেয় ২৬ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার, কর্নেল জাহাঙ্গীর হোসেন, নিহতের সন্তান আলহাজ্ব গোলাম মোস্তাফা।

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাক বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন রণাঙ্গনের লড়াকু সৈনিক নূর মোহাম্মদ শেখ। তাকে বেনাপোল থেকে ১৫ কি: মি: উওরে যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তে সমাহিত করা হয়।

জাতির শ্রেষ্ঠ সšতান নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডীবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে নূর মোহাম্মদ নগর। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ এবং মায়ের নাম জেন্নাতুন্নেছা। মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্য কালেই তিনি বাবা-মাকে হারান। লেখাপড়া করেছেন সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত।

১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (সাবেক ইপিআর, বর্তমানে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ-বিজিবি) যোগদান করেন। দিনাজপুর সীমান্তে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই বদলি হন যশোর সেক্টরে। পরবর্তীতে তিনি ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পান।

মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর অ ল নিয়ে গঠিত ৮নং সেক্টরে অংশগ্রহণ করে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নেতৃত্বে যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অ লে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন নড়াইলের এ সাহসী সন্তান (নূর মোহাম্মদ)। এ সময় এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮ নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরী এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এস এ মঞ্জুর নেতৃত্বে ৫ সেপ্টেম্বর পাক বাহিনীর গুলিতে নূর মোহাম্মদের সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হন। আহত সহযোদ্ধাকে কাঁধে নিয়েই এলএমজি হাতে শত্রু পরে সাথে যুদ্ধ করেছেন। গুলি ছুড়েছেন নূর মোহাম্মদ।

হঠাৎ পাক বাহিনীর মর্টারের আঘাতে নূর মোহাম্মদের হাঁটু ভেঙে যায় গুরুতর আহত হন তিনি। তবুও গুলি চালান তিনি। প্রিয় মাতৃ ভূূমিকে শক্রমুক্ত করার জন্য প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যান। এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। বর্তমানে তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা, ছেলে গোলাম মোস্তফা কামাল ও তিন মেয়ে আছেন।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc