Thursday 3rd of December 2020 04:22:17 PM

নিশাত আনজুমান,আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: ভাগ্যের নির্মম পরিহাস :সহকারী প্রধান শিক্ষক এখন হোটেল বয় এক সময়ের জনপ্রিয় শিক্ষক রইচ উদ্দিন। নিজ হাতে শিক্ষা দিয়েছেন বহু ছাত্র-ছাত্রীকে। তারা এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিনি আজ হোটেল বয়। জয়পুরহাট শহরের একটি হোটেলে তিনি এই কাজ করছেন। জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কানুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি।
শিক্ষক রইচ উদ্দিন জানান, কানুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রইচ উদ্দিন ওরফে টিপু গত ২০১৮ সালের ২৪ মে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহন করেন। অর্থ সম্পদ তেমন না থাকলেও চাকুরী জীবনে বেশ কিছু সঞ্চয়ও করেছিলেন। কয়েক বছর আগে বিদ্যালয় থেকে বাই-সাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তার বাম পা ভেঙ্গে যায়। এর চিকিৎসায় খরচ করেন জমানো সঞ্চয়ের সব টাকা। শুধু তাই নয় নিজের বসত ভিটা পর্যন্ত বিক্রয় করতে হয় তাকে।
শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও এক পা ছোট আর এক পা বড় হয়ে যায়, এতে খুরিয়ে হাঁটতে হয় তাকে। অবসর গ্রহনের পর কর্মের জন্য পারি জমান রাজধানী ঢাকায়। চাকরী নেন একটি পলিথিন কারখানায়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য সেখানে বেশি দিন চাকুরী করতে পারেনি তিনি। নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় নিজ এলাকায়। জীবন জীবিকা চালাতে হোটেল বয় হিসাবে কাজ নেন জয়পুরহাট শহরের রেড প্লেস নামক চাইনিজ হোটেলে।
খাবারের প্লেট ধোয়া, টেবিলে পানি দেওয়া, গ্লাস পরিষ্কার, টিস্যু পেপার সরবরাহ করা তার কাজ। এ কাজে তিনি প্রতিদিন ১০০ টাকা পারিশ্রমিক পান। পরিবারে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি স্ত্রীসহ রয়েছে দুইটি কন্যা সন্তান। অর্থের অভাবে ভর্তি করাতে পারেননি কোন স্কুলে।
জয়পুরহাট শহরের বিশ্বাস পাড়া এলাকায় ৯০০ টাকায় ভাড়া দিয়ে খুপরি একটি ঘরে বসবাস করছেন এক সময়ের জনপ্রিয় শিক্ষক রইচ উদ্দিন ওরফে টিপু।
তার স্ত্রী জয়নব খাতুন বলেন, ‘এক সময় সংসারে অনেক কিছু ছিল। স্বচ্ছল সংসারে ভালই সুখে শান্তিতে দিন পার করেছি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। এখন আমরা নিঃস্ব।
সন্তানদের ভাল খাওয়াতে পারিনা, ছেঁড়া কাপড় পরিয়ে রেখেছি তাদের। এক বেলা খাওয়া হলেও অন্য বেলা না খেয়ে থাকতে হয়। লজ্জায় কাউকে বলতেও পারিনা’।
কানুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘তিনি একজন দায়িত্ববান শিক্ষক ছিলেন। ২০১৮ সালের মে মাসে অবসর নিলেও অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা উত্তোলনের ফাইল প্রস্তুত করতে তিনি বিলম্ব করেন। আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত ফাইল প্রস্তুত করে পাঠিয়েছি। তার এমন অবস্থা সত্যিই দুঃখজনক’।
জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শাহাদুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে ইতিমধ্যেই আমি অবগত হয়েছি। তার অবসরের টাকা অতি দ্রুত পাওয়ার জন্য ব্যবস্থা নেব। শিক্ষক সমাজকে তার পাশে এগিয়ে আসা উচিত’।

রাজধানীর উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ৩১টি হাতবোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তা নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। বোমা মজুতের দায়ে আটক করা হয়েছে দুজনকে। বোমা থাকার খবরে শুক্রবার বিকালে ওই বাড়িতে অভিযানে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়িটি ঘিরে ফেলে। এরপর সন্ধ্যার পর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট একে একে ৩১টি অবিস্ফোরিত হাতবোমা নিষ্ক্রিয় করে।

পুলিশ জানায়, গত ১২ নভেম্বর ঢাকা-১৮ আসনে উপ নির্বাচনের দিন উত্তরার মালেকা বানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন স্কুল কেন্দ্রের বাইরে বোমাবাজির ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় একটি মামলা করেছিল পুলিশ। সেই মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দুপুরে উত্তরা এলাকা থেকে মামুন ও সুমন নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিকালে কামার পাড়া এলাকায় ওই নির্মাণাধীন বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে ৩১টি তাজা ককটেল পাওয়া যায়।

ঢাকা মহানগর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যে আমরা বোমাগুলো পেয়েছি। ওই বোমাগুলো মজুতে জড়িত থাকার অভিযোগে তুরাগ থানা এলাকার সুমন ও মামুন নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা দুজনই স্থানীয় যুবদলের নেতা। তবে এই বোমা এখানে কিভাবে এলো? কোনো নাশকতার জন্য হয়েছিল কি সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি পুলিশ।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেট শহরতলীর টুলটিকর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত এক মাদক কারবারিকে গেফতার করা হয়েছে বলে র‍্যাবের সুত্রে জানা গেছে। র‍্যাব জানিয়েছে এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, ২০ রাউন্ড গুলি, ৩৭৫ পিস ইয়াবা, গাজা, একটি হ্যান্ডকাপ ও বেশকিছু সিলমোহর জব্দ করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে র‍্যাব-৯ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল টুলটিকরের মীরাপাড়া এলাকায় অভিযান শুরু করে। এসময় মাদক কারবারি রুমন খান (৩২)-কে গ্রেফতার করে র‍্যাব সদস্যারা। সে মীরাপাড়া বটতলার জমশেদ খানের ছেলে। আটকের সময় তার হেফাজতে থাকা একটি বিদেশি রিভলবার, ২০ রাউন্ড গুলি, ৩৭৫ পিস ইয়াবা, গাজা, একটি পুলিশ হ্যান্ডকাপ ও বেশকিছু সিলমোহর জব্দ করা হয়। পরে তাকে শাহপরাণ থানায় হস্তান্তর করে র্যা ব।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাব-৯ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু মুসা মো. শরীফুল ইসলাম।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ শহরের টমটম (ইজিবাইক) স্ট্যান্ডে আধিপত্য নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পর্যন্ত দফায় দফায় শ্রমিকদের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে দোকানপাট ভাংচুর করা হয়। এ সময় ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। রাবার বুলেট, টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় কয়েজনকে আটক করা হয়।

জানা যায়, শহরের উমেদনগর এলাকার খোয়াই বাধ ষ্ট্যান্ড থেকে রামপুর-সাতগ্রাম সড়কে চলাচল করে। ওই ষ্ট্যান্ডে আদিপত্য নিয়ে শেখ হান্নান ও মোক্তার হোসেন এর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গতকাল দুপুরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে আহত তারেক মিয়া (২০), এবাদুর রহমান (২০), মোতাব্বির (২৫), শান্ত মিয়া (২১), রোমান মিয়া (২২), কামরুল মিয়া (২২), মাসুম (২৭), তানভীর (৩২), আরিফ (২৫), মোশাহিদ (২০), ইমন আহমেদ (২৫), তোরাব আলী (২৫), সাব্বির (২৫), ফয়ছল (২০), ফয়ছল (২৭), জুলহাস (৩০), সাইফুল (২০), তাজুল (২০), মধু মিয়া (৬৫), কয়সর মিয়া (২০), ছমেদ (২৫), রশিদ (৪৫), সেকুল (৩০), মামুন (৩০), মুকিত (৪০) ও কায়েস (২০) কে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সংঘর্ষে টেটাবিদ্ধ কয়েকজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পুলিশের মধ্যে আহতরা হলেন, সদর থানার এসআই হারুন আল রশিদ, খুর্শেদ আলম, অভিজিৎ ভৌমিক, নাজমুল হাসান, সাইদুর রহমান, এসএআই সুমন চন্দ্র রায়, হাবিবুর রহমান, তোরাব হোসেন, নিজ সিংহকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ বিষয়ে সদর থানার ওসি জানান, পুলিশ এসল্ট মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। সংবাদ লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

প্রসঙ্গত, শহরে ১৩শ টমটম চলাচলের অনুমতি পৌরসভার পক্ষ থেকে দেয়া হলেও শহরের বাইরে বিভিন্ন সড়কে টমটমগুলো চলছে অবৈধভাবে। ফলে টমটমের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ঠরা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী হৃত্ত্বিক চন্দ্র বর্মণকেও আটক করে পুলিশ। সে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পঞ্চসাড় গ্রামের বিমল চন্দ্র বর্মণের পুত্র।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই দোয়ারাবাজার থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা পুলিশের সহযোগিতায় থানা এলাকা থেকে অপহৃত ছাত্রী (১৬)কে উদ্ধার ও অপহরণকারী হৃত্তিককে আটক করে পুলিশ।

ভিকটিম স্কুলছাত্রী স্থানীয় আমবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার তাদেরকে দোয়ারাবাজার থানায় নিয়ে আসা হয়।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের আমবাড়ি এলাকায় ভিকটিমের একই গ্রামে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পঞ্চসাড় গ্রামের বিমল চন্দ্র বর্মণের পুত্র হৃত্বিকের খালার বাড়ি হওয়ায় প্রায়ই সে এখানে আসা-যাওয়া করতো। ওই সুবাদে হৃত্বিক ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দিত। সে সনাতন (হিন্দু) ধর্মাম্বলি হওয়ায় ভিকটিম তার প্রেমে সাড়া না দেয়ায় তাকে কৌশলে অপহরণ করে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়  নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

ভিকটিমের বড় ভাই বলেন, আমার স্কুলপড়ুয়া ছোট বোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টিকটক খ্যাত বখাটে হৃত্বিক তাকে অপহরণ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করেছে। আমি ধর্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।

এব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজির আলম বলেন, আমরা অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছি।

জহিরুল ইসলাম.স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ১১ টি নতুন প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্সে।

ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্সের উদ্যোগ এবং ক্যারিনাম ও বাংলাদেশ বন বিভাগের সহযোগিতায় মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের উভচর ও সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর উপর এক গবেষণার তথ্য আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্র চেকলিস্টে প্রকাশিত হয়েছে।

ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্সের আয়োজনে মাঠ পর্যায়ের গবেষণায় উঠে এসেছে লাউয়াছড়ায় নতুন প্রজাতির প্রাণী প্রাপ্তির সন্ধান। মোট ৭১ প্রজাতির উভচর ও সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর সন্ধান মিলেছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে।যার মধ্যে ১১টিই বাংলাদেশে নতুন।

অপরদিকে চিকিলা, বাইবুন গেছো ব্যাঙ, ব্লিথের সাপের মতো প্রজাতি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পাওয়া গেছে যা আইইউসিএন এর লাল-তারিকায় অপর্যাপ্ত তথ্যের কারণে ডাটা ডেফিসিয়েন্ট তালিকায় রাখা হয়েছে বলে সেমিনারে জানানো হয়।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অজগরের বাস্তুসংস্থান এবং উভচর সরীসৃপ প্রাণীর জরিপের উপর গবেষণা কাজের ফলাফল উপস্থাপন শীর্ষক আলোচনায় এ তথ্য জানানো হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে এ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী। এছাড়াও এসিএফ আনিসুর রহমান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নজরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্সের প্রধান নির্বাহী শাহরিয়ার সিজার জানান, এই জাতীয় উদ্যানে ১৫ ধরনের উভচর, ৪৩ ধরনের সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী পাওয়ার তথ্য মিললেও এই গবেষণাকাজে সর্বমোট ৭১ প্রজাতির উভচর ও সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর সন্ধান মিলেছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে।যার ১১টিই বাংলাদেশে নতুন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে কয়েক প্রজাতির ব্যাঙ এবং কয়েক প্রজাতির সাপ।এগুলো আগে থেকেই হয়তো এখানে ছিল, এতদিন গবেষণায় উঠে আসেনি।

তিনি আরো বলেন, ২০১১ সালে বাংলাদেশ পাইথন প্রজেক্টের অধীনে এই বনে অজগর সাপের উপর গবেষণা কাজ শুরু হলে গবেষকদলের সামনে উঠে আসতে থাকে এই উদ্যানের জীববৈচিত্র্যের নানা ক্ষেত্র। মূলত অজগর সাপের আবাসস্থল খোঁজাকালীন লাউয়াছাড়ার ভিতর দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তার উপর মরে পড়ে থাকা উভচর,সরীসৃপ প্রাণীর দেহাবশেষ পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই গবেষণা কাজের যাত্রা শুরু বলা চলে।

‘বন বিভাগের অনুমতিক্রমে পরবর্তীসময়ে অজগর ও কচ্ছপের উপর শুরু হওয়া মূল গবেষণা কাজের পাশাপাশি বনের ভিতরের প্রাপ্ত উভচর ও  সরীসৃপ প্রাণী ছবি, তাদের দৈহিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে লাউয়াছড়ার উভচর ও সরীসৃপ প্রাণী তথ্য সংগ্রের কাজ চলমান থাকে। ’

গবেষণা সহযোগী হাসান আল রাজী জানান, ২৩ প্রজাতির উভচর ও সরীসৃপ যা আগে লাউয়াছড়ায় পাওয়া যেত বলে ধারণা করা হতো সেগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তাদের প্রজাতি নিরূপণ করা হয়েছে এই গবেষণা কাজের অধীনে। উভচর শ্রেণির মধ্যে ১৯ প্রজাতির ব্যাঙ এবং মাত্র এক প্রজাতির সিসিলিয়ান জাতীয় প্রাণ পাওয়া গেছে। সরীসৃপ শ্রেণির মধ্যে পাওয়া গেছে ২ প্রজাতির কচ্ছপ।

১৪ প্রজাতির টিকটিকি জাতীয় (২ প্রজাতির গুঁইসাপ) এবং ৩৫ প্রজাতির সাপ, যার মধ্যে মাত্র ৬ প্রজাতির বিষাক্ত সাপ। এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে রাজগোখরা, অজগর, পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ এরইমধ্যে বিশ্বব্যাপী আইইউসিএন এর লাল তালিকায় ‘মহাবিপন্ন’ বা ‘বিপন্ন’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২০ পালন করা হয়েছে। “সচেতনতা প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোত্তম উপায়” এই শ্লোগান কে সামনে রেখে ফায়ার সপ্তাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।
বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ তৌহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ফায়ার সপ্তাহ-২০২০ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স যশোরের সহকারী পরিচালক মতিয়ার রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, গন্যমান্য ব্যক্তি এবং ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি পুলক কুমার মন্ডল পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন। এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত জনসেবাই ফায়ার সার্ভিসের কাজ ও অগ্রনি ভুমিকার কার্যকরী ভূমিকা তুলে ধরেন। এরপর নাভারন থেকে বেনাপোল জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত র‍্যালির মধ্যে দিয়ে ফায়ার সপ্তাহ পালন করেন।
স্বাগত বক্তব্যে ফায়ার সার্ভিসের তথ্য উপস্থাপন করে জানান, চলতি বছরে উপজেলায় মোট আগুনের ঘটনা ঘটে ৩৯ টি। এর মধ্যে ক্ষতি সাধন হয় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। উদ্ধার করা হয় ৯ লক্ষ ৩০ হাজার সমপরিমাণ টাকা। সড়ক দূর্ঘটনাসহ অন্যান্য দূর্ঘটনার সংখ্যা ৬২টি। এর মধ্যে আহত ভাবে উদ্ধার করা হয় ৬৪ জনকে। এ ক্ষেত্রে নিহত উদ্ধার করা হয় ১ জনকে। সর্বপরি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সেবা দেওয়া হয় ১৬৩টি। সে সেবায় রোগী পরিবহন করা হয় ১৬৬ জন।
“প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুতি, দূর্যোগ মোকাবিলায় আনবে গতি” এই প্রতিপাদ্যে অগ্রনি ভুমিকা রাখার ব্রত নিয়ে বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স করোনা কালিন সময়েও কাজ করে যাচ্ছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের এই বীর সেনাদের প্রতি গভীর ভাবে ভালবাসা জ্ঞাপন করেন আগত অতিথিগণ।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি: কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তারকৃত এসআই (বরখাস্ত) আকবর হোসেন ভূইয়ার সীম ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদ টিম নিয়ে ডনা সীমান্তের ১৫০ফুট পাহাড়ের উপর থেকে সীম ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।

সিলেট জেলা পুলিশের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য; গত ৯ নভেম্বর সোমবার কানাইঘাটের ডোনা সীমান্ত এলাকা থেকে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ‘পুলিশি নির্যাতনে’ রায়হান আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় আকবরকে। রিমান্ড শেষে গতকাল বুধবার (১৮ নভেম্বর) তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন আদালত।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের আমড়াখালী চেকপোস্ট এলাকা থেকে ১৩ পিস (ওজন ১কেজি ৪৭৩ গ্রাম) সোনার বার সহ আশিক (৪০) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে এ সোনার বার সহ তাকে আটক করা হয়। আটক আশিক ঝিকরগাছা থানার উত্তর  দেওলি গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে।
বিজিবি জানায়, যশোর থেকে লোকাল বাসে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ পাচারের উদ্দেশ্যে একজন পাচারকারী রওনা হয়েছে, এমন গোপন সংবাদে আমড়াখালী চেকপোস্ট এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়। এসময় একটি লোকাল বাসে তল্লাশি চালালে আশিকের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে আটক করা হয়। পরে তার কোমরে বিশেষ কায়দায় বাঁধা অবস্থায় ১৩ পিস (ওজন ১কেজি ৪৭৩ গ্রাম) সোনার বার পাওয়া।
আটককৃত সোনার বারের মূল্য ১কোটি ৯ লক্ষ ২ শ’ টাকা বলে জানায় বিজিবি।
বেনাপোল আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্টের ইনচার্জ সুবেদার শাহীন জানান, আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ:  ‘‘আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার’’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মুজিববর্ষের মধ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীন সকল পরিবারের জন্য ঘর নিশ্চিতে সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছে সরকার। নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ‘ক’ শ্রেণি অর্থাৎ ভ‚মিহীন ও গৃহহীন ৬০টি পরিবারের ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে আউশকান্দি এলাকায় এর উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, ভাইস চেয়ারম্যান এড.গতি গোবিন্দ দাশ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমাইয়া মমিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান হারুন, পিআইও ছাদু মিয়া, সাংবাদিক  মতিউর রহমান মুন্না, ছনি চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজু, ইউপি সদস্য খালেদ আহমদ জজ প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৩৯০ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের তালিকা সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ‘ক’ শ্রেণি অর্থাৎ ভ‚মিহীন ও গৃহহীন ৬০টি পরিবারের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ‘ক’ শ্রেণি ভুক্ত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ খাস জমি প্রদান করে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট প্রতিটি আধা পাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। সবগুলো বাড়ি সরকার নির্ধারিত একই ডিজাইনে নির্মাণ করা হবে। রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট ও ইউলিটি স্পেসসহ অন্যান্য সুবিধা থাকবে এসব বাড়িতে।

এ ব্যাপারে এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ বলেন, দেশরত্ম জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের ঘর দেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা সফল করতে সর্বাত্মক কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে প্রথম পর্যায়ে ‘ক’ শ্রেণি অর্থাৎ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মুজিববর্ষে দেশের সব মানুষকে ঘরে বন্দোবস্তু করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে মাঠ প্রশাসন।

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি: ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ টি উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে বাঁশের তৈরি ঢাকী,কুলার বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার শিবগঞ্জ, নেকমরদ,কাতিহার,লাহিড়ী,জাদুরানী, জাবরহাট,নাশিবগঞ্জ বাজারসহ,বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
জানা যায়,প্রতি বছর আমন ধান কাটার সময় কৃষকেরা ঢাকী,কুলা ক্রয় করে থাকে।আর এসব ঢাকী,কুলা ধান তুলতে ও ধান পরিষ্কার করতে ব্যাবহার করে থাকে।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ কলেজ হাটে রমাকান্ত রায়ের সাথে কথা হলে জানায়, আমি প্রতি বছর ধান কাটার সময় নতুন ঢাকী,কুলা কিনে থাকি।এসব না হলে ধান মাড়াই করে বস্তুা করতে প্রয়োজন হয়।

আমিনুর রশিদ রুমনঃ  শ্রীমঙ্গলে নো মাস্ক,নো সার্ভিস কার্যক্রম পরিচালনা ও সপ্তাহব্যাপী প্রচার-প্রচারণার পর ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতে শ্রীমঙ্গল শহরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তিনঘন্টাব্যপি অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত মাস্ক না পরায় ৬১ জনকে ৯ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা করেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম, তিনি ৩৫ জনকে ৬ হাজার ৮০০ টাকা এবং একই দিনে মাস্ক না পরার দায়ে  শ্রীমঙ্গল সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. নেছার উদ্দিন  ২৬ জনকে ২ হাজার ৯৫০ টাকা জরিমানা করেন।
এ সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি দাস সহ অভিযানে সহযোগিতায় উপস্হিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কারকুন এসআই ইউসুফ প্রমুখ । শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম বলেন, স্বাস্হ্যবিধি ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমন আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সিআইপি আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেছে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ আজিজুর রহমান ইন্তেকালের পর শূন্য আসনে গত মাসে (২০ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ উপ নির্বাচনে নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুর রহিম শহীদ (সিআইপি আব্দুর রহিম) এর বিরুদ্ধে ১৮ নভেম্বর মামলা করা হয়। তার পিতার নাম মোঃ মখলিছ মিয়া স্থায়ী ঠিকানা সিআইপি ভবন ঢাকা সিলেট রোড বেরীরপাড় মৌলভীবাজার।

মামলায় তার বিরুদ্ধে বিগত ১৪/১০/২০২০ইং বেলা ২ ঘটিকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫নং কালাপুর ইউনিয়নের মেরীগোল্ড সিএনজি ফিলিং স্টেশনে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১০-১৫ জন ভোটারকে অবৈধভাবে অর্থ প্রদানের অভিযোগ আনা হয়।

নিম্নোক্ত ধারা মোতাবেক নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬এর ৭১(২) ও নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬এর ১৭(গ) ধারায় ঘটনাস্থল শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন জেলা নির্বাচন অফিসার আলমগীর হোসেন।মামলা নং ১৮, তারিখ ১৮/১১/২০২০ইং।

এ ব্যাপারে সিআইপি আব্দুর রহিম বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে একজন প্রার্থী সাড়ে ৫ লাখ টাকা নির্বাচনে কর্মী ও বুথের খরচ বিতরণ করতে পারেন। ওই দিন তিনি তার কর্মীদের ওই খরচই দিয়েছিলেন বলে জানান। এ ব্যাপার তিনি আরও জানান, নির্বাচনের দিন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিছবাহুর রহমান প্রভাব খাটিয়ে প্রতিটি সেন্টারে বুথের পরিবর্তে টেবিলের উপর প্রকাশ্যে ভোট কাষ্ট করান। এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিলেও কোন সহযোগিতা পাননি বলে জানান।এ নিয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

মামলার ব্যাপারে সিনিয়র এএসপি সার্কেল আশরাফুজ্জামান বলেন,প্রাথমিক তদন্ত কাজ চলছে এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে”

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব এম এ রহিম (সিআইপি) মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মিসবাহুর রহমান এর সাথে জেলা পরিষদ  এর উপ নির্বাচনে প্রতিদন্ধিতা করেন। নির্বাচনে আলহাজ্জ মিসবাহুর রহমান বিপুল ভোটে জয়ী হন।আপডেট

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc