Monday 30th of November 2020 01:55:54 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি; মৌলভীবাজার জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং-১২২৩ এর অন্তর্ভুক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে বুধবার (১৮ নভেম্বর)জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম শ্রীমঙ্গলে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে ময়না মিয়া সভাপতি মিছির মিয়া সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।সভাপতি পদে মোঃ মইনা মিঞা চেয়ার মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫১৭ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু কামাল খায়রুজ্জামান আনারস মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ৩১৫ ভোট।
অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে মিছির মিয়া মোরগ মার্কা নিয়ে ৫২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মুজাহিদুর রহমান ফটিক মই মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৩৫৩।
জানা যায়,নির্বাচনে ১৪৮৫ জন ভোটার নিয়ে ১৩টি পদে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। এর মধ্যে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে বারোশো ২২ টি।মঙ্গলবার (১৮নভেম্বর) সকাল ৮ টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজার সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ সালেহ আহমেদ বলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার নির্বাচন অবাদ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় কোহিনুর খানম নিতু (৩০) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার চরচারতলা এলাকার মো. আবু চান মিয়ার ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।নিহত কোহিনুর একই এলাকার আবুল হোসেন মিয়ার মেয়ে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জুয়েল মিয়া (৩২) পলাতক রয়েছেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মাদকাসক্ত স্বামী জুয়েল যৌতুকের জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন- জুয়েলের বাবা আবু চান মিয়া (৬৮), মা রহিমা বেগম (৫৫), বড় ভাইয়ের স্ত্রী তানিয়া বেগম (২৯), ছোটভাই কামরুল ইসলাম (২৮) ও তার স্ত্রী আর্জিনা বেগম (২৪)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে বিনিয়োগ করার জন্য দু’মাস আগে কোহিনুরের কাছে দুই লাখ টাকা চান জুয়েল। কিন্তু কোহিনুর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

বুধবার গভীর রাতে জুয়েল বটি ও দা দিয়ে কোহিনুরকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে কম্বল দিয়ে মরদেহ ঢেকে রেখে পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে সকালে পুলিশ গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

আশুগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্রীবাস চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি রক্তমাখা বটি ও দা উদ্ধার করা হয়েছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি:  চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ধানবোঝাই ট্রলি উল্টে পানিতে পড়ে ৭ কৃষক নিহত হয়েছেন। এতে আরও ৫ কৃষক আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের সোনাপুর-বারিকবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী গ্রামের মো. এরফান আলীর ছেলে বাবু , একই এলাকার শেখ মোহাম্মদের ছেলে তাজেমুল হক ও তার ছেলে মিঠুন, কাবিল উদ্দিনের ছেলে মো. কারিম, আমানুলের ছেলে মিলু, নওশাদের ছেলে আবুল কাশেম ও লাওঘাটা গ্রামের রেহমানের ছেলে আতাউর রহমান।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ হোসেন জানান, বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে ধান কেটে ১২ জন কৃষক ট্রলিতে করে ধান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের সোনাপুর-বারিকবাজার এলাকার ভাঙাব্রিজে পৌঁছালে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই ৭ কৃষক মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার এবং আহত ৫ জনকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জঃ বানিয়াচং উপজেলার হরিপুর গ্রামে আলোচিত কামাল উদ্দিন হত্যা মামলায় চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। গত ২ নভেম্বর নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে। তারা হলো, মাখন মিয়া, সাদিক, অনু, সালিক, শরীফ উদ্দিন, ফারুক মিয়া, লেবু মিয়া, মাহমুদ মিয়া, আব্দুল মজিদ ও মমিন মিয়া। জানা যায়, প্রতিপক্ষের লোকজনকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে শ্যালক কামাল উদ্দিনকে হত্যা করে তার দুলাভাই মাখন মিয়া। এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এমন তথ্যই নিশ্চিত করে পুলিশ।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারী আদালতে দেয়া আটক ফারুক মিয়ার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনার ৩ দিন পর নিহত কামাল উদ্দিনের বোন প্রতিপক্ষের ২৭ জনের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কিন্তু ঘটনার পরপরই নিহতের ভগ্নিপতি মাখন, ফারুক, শরীফ, লেবুসহ তার স্বজনরা ঘা-ঢাকা দেয় এবং মামলার বিষয়ে কোন সহযোগিতা না করায় পুলিশের সন্দেহ হয়। গত ৭ জানুযারী সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার গুচ্ছগ্রাম থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফারুক মিয়াকে আটক করে পুলিশ।

আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে ফারুক জানায়, ৬ নভেম্বর বানিয়াচং উপজেলার উজিরপুর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয় বজলু মিয়ার পুত্র ফজল মিয়া। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ মাখন মিয়াসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে ১০ নভেম্বর বানিয়াচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বোন আনোয়ারা। আসামী পক্ষের লোকজন আদালতে ফজল মিয়া হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়।

এ অবস্থায় বেকায়দায় পরে যায় মাখন মিয়াসহ অপরাপর আসামীরা। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পনা করে মাখন মিয়া। দলবল নিয়ে উজিরপুর গ্রামের মজিদ মিয়ার বাড়িতে গোপন বৈঠকে হয় মাষ্টার প্ল্যান। বৈঠকে ভগ্নিপতি মাখন মিয়ার বাড়িতে আশ্রয়ে থাকা শ্যালক কামাল উদ্দিনকে হত্যা করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেই অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর রাতে ভগ্নিপতি মাখন মিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী নিহত কামাল উদ্দিনকে হাওরে পাঠানো হয়। সেখানে শাখা বরাক নদীর পাশে ধান ক্ষেতে কামাল উদ্দিনকে পিছন দিক থেকে ধরে ফেলে শরীফ। এ সময় লেবু মিয়া ফিকল দিয়ে কামালের বুকে আঘাত করে।

এক পর্যায়ে মাখন, ফারুক, অনুসহ তাদের লোকজন কামালকে উপর্যপুরি আঘাত করে। তখন হামলাকারীরাই চিৎকার করে বলে যে, ‘প্রতিপক্ষের লোকজন কামাল উদ্দিনকে মেরে পালিয়ে যাচ্ছে। পরে স্থানীয় লোকজন কামালকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ইতিমধ্যে এ মামলার আসামি ফারুক মিয়া ও শরীফ মিয়া কারাগারে আছে। উল্লেখ্য নিহতের বোন আনোয়ারা বেগমের দায়েরকৃত মামলা তদন্ত করে সত্যতা না পাওয়ায় এজাহারভুক্ত সকল আসামিকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হয় এবং প্রধান আসামি ফারুক মিয়ার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ফারুকসহ উল্লেখিত ৯ আসামিকে চার্জশীটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিকে চার্জশীটভুক্ত যে কজন আসামি বাহিরে রয়েছে তাদের গ্রেফতারের দাবি উঠেছে

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধিঃ হেফাজতে ইসলামের নবনির্বাচিত আমির আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বলেছেন, রাজনীতি করা হেফাজতের উদ্দেশ্য নয়। হেফাজতে ইসলামের মূল লক্ষ্য ইসলামের আদর্শ ও নবী-রাসূলের মর্যাদা রক্ষা করা।

তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দেয়ার সময় এখনই। আওয়ামী লীগ-বিএনপির লড়াই আমরা চাই না। কারণ আওয়ামী লীগ-বিএনপি একই পথের পথিক। রাজনীতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক। ঈদের জামাত, জুমার নামাজ, বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদিতে এরা পাশাপাশি থাকে। হেফাজতের লড়াই আস্তিক-নাস্তিকের মধ্যে।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সোমবার (১৬ নভেম্বর) জনসম্মুখে বক্তব্য রাখেন আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। কক্সবাজারের পুরোনো দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রামু চাকমারকুল আল-জামিয়া আল ইসলামীয়া দারুল উলূম মাদরাসার ইছ্লাহে মাহফিল ও অভিভাবক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখেন।

হেফাজতের আমির বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম দেশবিরোধী নয়, সরকারবিরোধীও নয়। বর্তমান সরকার ১০০ বছর বা ৫০০ বছর দেশ শাসন করলেও হেফাজতের আপত্তি নেই। কিন্তু ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে পবিত্র ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামার ইজ্জতের ওপর কোনো আঘাত এলে দেশ অচল করে দেয়া হবে।

তিনি সরকার এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, যা খুশি করেন, কিন্তু ইসলামকে মাইনাস করে নয়। কারণ বাংলার মুসলমানরা এমন জাতি, যে জাতি রক্তে সাগর ভাসায়।

হেফাজতের এই শীর্ষনেতা বয়ানে আরও বলেন, ‘একমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য মুসলমানদের জীবন উৎসর্গ করতে হবে। মানুষের বড় নেয়ামত, সর্বোৎকৃষ্ট সংবিধান পবিত্র কোরআন চর্চা বেশি করে করতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, পবিত্র কোরআন পাঠ এবং আল্লাহর অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমেই দুনিয়া ও আখেরাতে মুক্তি লাভ সম্ভব।’

কক্সবাজার জেলা কওমি মাদরাসার ঐক্য পরিষদের সভাপতি, ধাওনখালী মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ মুসলিমের সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে বয়ান করেন ঢাকা মারকাযুল ফিক্য়িল ইসলামী বসুন্ধরার মুহ্তামিম মুফতি আরশাদ রহমানী, আল্লামা জুনাইদ আল হাবীব।

রামু জামেয়াতুল উলুম মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক কাজী এরশাদ উল্লাহর সঞ্চালনায় বিকেল ৩টা থেকে পশ্চিম চাকমারকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিশাল এ ইছ্লাহে মাহফিলে কক্সবাজার জেলা কওমি মাদরাসা ঐক্য পরিষদের মহাসচিব, রাজারকুল আজিজুল উলুম মাদরাসার মুহ্তামিম মোহছেন শরীফ, জোয়ারিয়ানালা এমদাদুল উলুম মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস হাফেজ আবদুল হক, চাকমারকুল আল-জামিয়া আল ইসলামীয়া মাদরাসার নির্বাহী মুহ্তামিম সিরাজুল ইসলাম, ইনানী মাদরাসার পরিচালক মো. ইদ্রিস, লেদা ইবনে আব্বাস মাদরাসার পরিচালক ক্বারী মোহাম্মদ শাকের, চকরিয়া চিরিঙ্গা মাদরাসার পরিচালক আনোয়ারুল আলম, বোয়ালখালী মাদরাসার পরিচালক নুরুল হাকিম, রামু মোজাহেরুল উলুম মাদরাসার পরিচালক মোহাম্মদ হারুন, রামু জামেয়াতুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ শামসুল হক, জোয়ারিয়ানালা মাদরাসার মুহাদ্দিস শামসুল হক, ধলিরছড়া মাছুয়াখালী মাদরাসার নির্বাহী মুহতামিম শাহেদ নুর, চাকমারকুল মাদরাসার মুহতামিম মুফতি কামাল হোসাইন, পোকখালী এমদাদুল উলুম মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম আবু সাঈদ, মশরাফিয়া মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক নুরুল কবির হিলালী, চাকমারকুল মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি ফিরোজ আহমদ প্রমুখ দেশবরেণ্য আলেমেদ্বীন বয়ান করেন।

এম এম সামছুল ইসলাম,জড়ী: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যযয়ে নির্মিত স্লুইস গেটটি প্রায় ৫ বছর যাবত অকেজো হয়ে পডড়ে আছে। সুফল পাচ্ছেন না কৃষক, সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতি নিয়েও রযয়েছে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ও সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (জাইকা)’র অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ধামাই গ্রামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় কাউলীছড়ায় একটি স্লুইস গেট, খাল খনন, দেড় কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।প্রকল্পের ভূমি দাতা জহির আলী, স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জুলেখা বেগমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এ এলাকার কৃষকের বোরো আবাদে পানি সেচের সুবিধার্থে স্লুইস গেট নির্মাণের পর বহু কষ্টে ২/৩ বছর সেটা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বেড়ি বাঁধে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় জমানোর আগেই বাঁধ অতিক্রম করে পানি চলে যায়।

কৃষকরা আগের মত মেশিনের সাহায্যে পানি সেচ দিয়ে জমি চাষ করছেন। আর সরকারের কোটি টাকার স্লুইস গেট অকেজো পড়ে আছে। সার্বিক বিষয়টি দেখাশুনা ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি গঠিত হয়। কিন্তু সমিতি গঠনের পর থেকে তাদের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় নাই। গোপনে এ কমিটি গঠন করা হয়। এতে স য় ও ঋণ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সমিতির সম্পাদক ৫ বছর থেকে এলাকায় থাকেন না।নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে সমিতির সদস্যরা বলেন- সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হোক। প্রকাশ্যে সমিতির হিসাব অডিট করা হোক।জানতে চাইলে কাউলীছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি (পাবসস) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুনিম রাজন বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারণে স য় বা শেয়ার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ডিসেম্বরে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি করা হবে।

এর প্রতিকার চেয়ে আগামী শুক্রবার (২০ নভেম্বর) এলাকাবাসির উদ্যোগে মানববন্ধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই সমিতিতে ৮৮ জন সদস্য রয়েছেন। সমিতির সদস্য নিজেরা কমিটি করেন। সমঝোতা না হলে নির্বাচন হয়। মেয়াদান্তে সদস্যরা চাইলে আবারো নির্বাচন হইবে। সবর্শেষ ২০১৮-২০১৯ সালে সমিতি অডিট হয়েছে। উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল মতিন বলেন, দীর্ঘ দিন থেকে স্লুইস গেইট অকেজো তা আগে কেউ আমাকে জানায়নি। সরেজমিন পরির্দশন করে সেটা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ছলিমগঞ্জ বাজারের ঐতিহ্যবাহী ছলিমবাড়ির কৃতি সন্তান বৃটেন প্রবাসী বিশিস্ট সমাজসেবক, ব্যবসায়ী, কমিউনিটি নেতা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও তাঁর ছেলে মোহাম্মদ আলী সাফওয়ান চৌধুরী ব্রিটেনের মহামান্য রানীর পক্ষ থেকে এ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে সাফওয়ান এর ব্যক্তিগত উদ্যোগ সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। ব্রিটিশ স্বাস্থ্য বিভাগের ডাক্তার, নার্স, কর্মী, ব্রিটিশ এ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশ বিভাগের কর্মীদের মধ্যে নিজ উদ্যোগে বিতরণ করেছেন হাজার হাজার প্যাকেট খাবার। যার কারণে ব্রিটেনের মহামান্য রাণীর প্রতিনিধি হিসেবে লড লেপ্টেনেন্ট ও হাই শেরিপ কর্তৃক সাফওয়ান চৌধুরী ও তাঁর পিতা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে “হিরো অব হার্ডফোর্ড শায়ার” খেতাবে ভূষিত করে।

বাংলাদেশী বংশদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক পিতা-পুত্র এলাকা ও দেশের জন্য অনন্য এক সম্মান বয়ে এনেছেন।১৯৯৬ সালে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ছলিমগঞ্জের ছলিমবাড়ির কৃতি সন্তান সাফওয়ান চৌধুরী লন্ডণের কেমব্রিজ শায়ারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মাতা: জিনিফা চৌধুরী। লেখাপাড়ার সুত্রপাত মেরিডিয়ান স্কুল রয়স্টন, যার ধারাবাহিকতায় ব্রিটেনের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেমব্রিজের পিটার জন এন্টারপ্রাইজ, একাডেমী (প্রাইভেট) প্রতিষ্ঠান যার প্রতিষ্ঠাতা ইইঈ-২ ড্রাগনস এর ডেন টাইকন পিটার জনস ঈইঊ থেকে কৃতিত্বের সাথে এ লেভেল সম্পন্ন করেন। পরবর্তী পর্যায়ে ইউনিভার্সিটি অব হার্ড ফোর্ডশায়ার থেকে মার্কেটিং এন্ড ইকোনমিকস এ গ্রেজুয়েশন সম্পন্ন করেন।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে কারী ইন্ড্রাষ্টিতে প্রথম পথ চলার শুরু। এর ফলস্বরূপ ঐ বছরই ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ট টেকওয়ে/রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ী হিসেবে স্বীকৃতি পান, যা ইইঈ ও ডেইলি স্টার বিশদভাবে তাদের নিউজে প্রকাশ করে। কারী ইন্ড্রাষ্টিতে তিন পুরুষের পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রেখে ২০১৯ সালে পিতার কাছ থেকে তার বর্তমান ব্যবসা ব্রিটিশ রাজ এক্সপ্রেসের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। যা এই এলাকার ভোজন বিলাসী মানুষের অন্যতম পছন্দের জায়গা হিসাবে ইতিমধ্যেই স্বীকৃতি পেয়েছে।
ব্যবসার পাশাপাশি ইউনিভার্সিটিতেও সাফওয়ান তার উজ্জ্বল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বিভিন্নভাবে। ছিলেন ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ইউনিয়নের নির্বাচিত চিফ ট্রাস্টি। যা একটি মাল্টিমিলিয়ন অগ্রেনাইজেশন। ইউনিভার্সিটির কমিউনিটিতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯ সালে জিতে নেন ঐতিহাসিক ইউনিয়ন ফেলোশীপ অ্যাওয়ার্ড। এছাড়াও হার্ড ফোর্ডশায়ার। ইউনিভাসির্টির বাংলাদেশী সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা এবং জেনারেল সেক্রেটারি দায়িত্ব পালন করেন।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে বাংলাদেশ ক্যাটারাস এসোসিয়েশন ইঈঅ এর সদস্য হিসাবে ব্রিটেনের কারী ইন্ড্রাটির সর্ববৃহৎ অভিভাবক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হন। মাত্র ২২ বছর বয়সে হন ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি, ঘঊঈ এর সদস্য। ইঈঅ এর ইস্ট অব ইংল্যান্ড ও হার্ড ফোর্ডশায়ার অ লের দু’বারের নির্বাচিত জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসাবেও বর্তমানে কাজ করছেন। ইউ.কে বাংলাদেশ ক্যাটালিস্ট অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিরও তিনি অন্যতম সদস্য। যুক্তরাজ্যস্থ কমলগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর সমাজকল্যাণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্টার সাথে। পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান চৌধুরী সিকন্দর আলী ফাউন্ডেশন এর ট্রাস্টি ও ডাইরেক্টর জেনারেল হিসেবে কাজ করার জন্য তিনি অঙ্গীকারাবদ্ধ।
তরুণ সমাজসেবক সাফওয়ান চৌধুরী ব্রিটেন কমিউনিটিতে এক পরিচিত ও উজ্জ্বল মুখ। কারী ইন্ডাষ্ট্রিতে অবদানের জন্যও বিভিন্নভাবে হয়েছেন পুরুষ্কৃত ও নন্দিত। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো চ্যানেল এস এর ইয়ং রেসরেন্টার অব দ্যা ইয়ার, ক্যাটারিং সার্কেল অ্যাওয়ার্ড, এশিয়ান কারী অ্যাওয়ার্ডের ইয়ং এন্টারপ্রনর অব দ্যা ইয়ার, ব্রিটিশ হাউজ অব পালামেন্টের (ঞওঋঋওঘ ঈটচ) হাইলি কমেন্ডেড কেটারার অ্যাওয়ার্ড। এছাড়াও বৃটিশ কারী অ্যাওয়ার্ড এর ৪ বারের ফাইনালিষ্ট। সাফওয়ান চৌধুরী তিন পুরুষ ধরে প্রতিষ্ঠিত ক্যাটারাস এসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ব্যক্তি জীবনে খেলাধুলার প্রতি তার ভীষণ ঝোক। তিনি ফুটবল, ক্রিকেট খেলার অসম্ভব ভক্ত। নিজেও খেলেছেন হার্ডফোড শায়ার ও ক্যামব্রিজ শায়ার। কাউন্টির ক্লাবের অন্যতম পৃষ্টপোষক হিসেবে রয়েছে তার অবদান। বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের চ্যারিটি অগ্রেনাইজেশন এর কাজেও সব সময় ব্যস্ত রাখেন নিজেকে।
ছলিমবাড়ির ঐতিহ্যকে বহন করে পৃথিবীর অন্যতম উন্নত দেশ ব্রিটেনে সাফওয়ান চৌধুরীর সাফল্য অর্জন স্বদেশ ও বিদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে, তা নি:সন্দেহে বলা যায়। তাঁর অসামান্য সাফল্যে গোটা কমলগঞ্জবাসী গর্বিত।
কমলগঞ্জের বিশিষ্ট লেখক-গবেষক আহমদ সিরাজ বলেন, ছলিমবাড়ির ঐতিহ্যপুরুষ বিশিস্ট শিক্ষানুরাগী মরহুম সিকন্দর আলী চৌধুরীর পুত্র, মরহুম নজির উদ্দিন চৌধুরীর ভ্রাতুষ্পুুত্র, গুণবতী স্ত্রী জিনিফা চৌধুরীর স্বামী, পুত্র সাফওয়ান চৌধুরীর পিতা ব্রিটেন প্রবাসী সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। পিতা-পুত্র উভয়েই ব্রিটেনের রানীর প্রতিনিধি কর্তৃক এ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর পিতার নামে চৌধুরী সিকন্দর আলী ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে স্বদেশের মানুষের নানা সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সচেষ্ট থাকতে অভিব্যক্ত ব্যক্ত করেছেন। তাঁর মানবিক কর্মকান্ড আরো ব্যাপক হয়ে উঠবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমরা আরো আশা করছি সাফওয়ান চৌধুরী বয়সে নবীন হলেও নিজ এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়ার মানোন্নয়নহসহ সামাজিক কর্মকান্ডে অবদান রাখবেন। তার দাদা চৌধুরী সিকন্দর আলী ফাউন্ডেশন এর অগ্রগতিতে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা কওে অবদান রাখবেন।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ভ’মি ও গৃহহীনদের জন্য মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ‘স্বপ্ননীর’। ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছানাউল ইসলাম এর তত্তাবধানে একযোগে উপজেলার ৫টি স্থানে ১৭৫টি ঘড়ের নির্মাণ কাজ চলছে। প্রতিটি ভ’মি ও গৃহহীন পরিবারের জন্য থাকছে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এ ঘর। নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম।

ইতোপূর্বে জনপ্রতিনিধি, ভূমি এবং প্রকল্প অফিসের সমন্বয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের স্থান নির্বাচন করা হয়। ঘড়গুলো আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ভূমি এবং গৃহহীনদের মাঝে দেওয়া হবে।

ইউএনও অফিসসূত্রে জানাযায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২০২০-২১ অর্থ বছরে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ভূমি ও গৃহহীনদের মর্যাদার সাথে বসবাসের লক্ষে সরকারের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জমিতে ঘড় নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারা দেশের ন্যায় নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মদনডাঙ্গা, মধুগুড়নই, তিলাবদুরী, হাটমোজাহারগঞ্জ এবং রসুলপুর নামক স্থানে ঘড় নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে । এতে প্রতি পরিবারের জন্য দুই শতক জমির উপর দুটি চৌচালা বিশিষ্ট রঙ্গিন টিনের ঘড় তাতে দুটি করে প্লেন শীটের জানালা ও দরজা, ইটের দেয়াল এবং পাকা মেঝে রয়েছে। এছাড়া বারান্দা এবং আলাদা স্থানে রান্না ঘড় ও টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতি বাসগৃহে একলক্ষ একাত্তর হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম বলেন, ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি সম্পন্ন বাসগৃহ নির্মাণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনব ও চমকপ্রদ একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী। মূলত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে এ প্রকল্প।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বাসগৃহগুলোর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে ভ’মি ও গৃহহীনদের মাধে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই থানা পুলিশের প্রচেষ্টায় হারিয়ে যাওয়া ৭বছর বয়সী শিশু সানজিতকে ফিরে পেয়েছে তার বাবা-মা। নিখোঁজের এক দিন পর সন্তানকে ফিরে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা তারা।

বুধবার বিকালে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দিন শিশু সানজিতকে তার মা সোহাগী বেগমের হাতে তুলে দেন।

এ বিষয়ে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার রসুলপুর বটতলা এলাকায় শিশু সানজিত একা দাঁড়িয়ে কান্নাকাটি করছিলো। স্থানীয়রা নাম-পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে সে কান্নাকাটি করতে থাকে এবং বলতে থাকে সে ঘুরতে ঘুরতে এ পর্যন্ত চলে এসেছে সে শুধু তার নাম ও বাড়ি জয়পুরহাট বলতে পারছিলো। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে থানায় নিয়ে আসেন।

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার রাতে সানজিত নামের ৭বছর বয়সী একটি শিশু পাওয়া গেছে এই মর্মে জয়পুরহাট জেলার প্রত্যেক থানায় ম্যাসেজ দেয়া হয়। এবং শিশুটির ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচার চালিয়ে বুধবার বিকেলে শিশুটির বাবা-মায়ের খোঁজ পাওয়া যায়। পরে শিশু সানজিতকে তার মা সোহাগী বেগমের হাতে তুলে দেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc