Monday 30th of November 2020 02:25:55 AM

“শ্রীমঙ্গলের আসিফ ইকবাল ফাহিম টিম লিডার,সদস্য তাসমিয়া তাবাসসুম আসিফ ইকবাল ফাহিমের ছোট বোন”

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: “নাসা অ্যাপ চ্যালেঞ্জে” গ্লোবাল রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে সিলেটের “টিম সিলিকন লিলি”। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের কৃতি সন্তান মোঃ আসিফ ইকবাল ফাহিমের নেতৃত্বে তার দল আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা আয়োজিত ‘The NASA Space Apps Challenge 2020’ গ্লোবাল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে রিজিওনাল চ্যাম্পিয়ন হয়ে একাধিক দলের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছে। দলের অন্যান্য সদস্যরা হলো জাহিদ হাসান, শৈশব আজাদ কানন, মোকাররম হোসেন এবং অপর সদস্য তাসমিয়া তাবাসসুম আসিফ ইকবাল ফাহিমের ছোট বোন।

ফাহিম তার দল নিয়ে নাসা অ্যাপস প্রতিযোগিতার Canect Data Discovery For Earth Science বিভাগে অংশ নিয়েছে। প্রজেক্ট হিসেবে তারা Nasa Earth Observatory Data Set ব্যবহার করে Environmental Natural Event তৈরি করছে।

আসিফ ইকবাল ফাহিম ঢাকার গ্রিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ বর্ষের ছাত্র। সে শ্রীমঙ্গলের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু মরহুম মোঃ আব্দুল মালিক লেবু স্যারের নাতি ও শ্রীমঙ্গলের সিনিয়র সাংবাদিক কাওছার ইকবাল ও নুরুন্নাহার বেগমের জেষ্ঠ্য পুত্র এবং সিনিয়র শিক্ষক, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ মনসুর ইকবালের ভাতিজা।

ফাহিম নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছে। ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সে নিজেকে দক্ষ একজন প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলছে।

ফাহিম সবার কাছে দোয়া, আশীর্বাদ কামনা করে বলেছে, সবার প্রেরণা নিয়েই সে যেন তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।

চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে কীভাবে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা যায়, সেই চিন্তা মাথায় রেখে যুবকদের দেশ গঠনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর বাসস, ইউএনবির।

যুবসমাজের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা ডিগ্রি নিয়েই চাকরির পেছনে না ছুটে নিজে কীভাবে কিছু করা যায়; নিজে কাজ করব, আরও ১০ জনকে চাকরি দেব, নিজে উদ্যোক্তা হবো, নিজেই বস হবো; এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে যে আমি আমার বস হবো, আমি কাজ দেব। আমার মধ্যে সেই শক্তিটা আছে, সেই শক্তিটা আমি কাজে লাগাব। আমাদের যুবকদের এই চিন্তাটা মাথায় যেন থাকে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমাদের তো সময় শেষ। কিন্তু যুবকরাই তো আসলে দেশে প্রাণ সঞ্চার করবে। কাজেই সেইভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে যাক, আমি সেটাই চাই।’

শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতার আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার কথাও অনুষ্ঠানে স্মরণ করেন তার মেয়ে শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারত। সেভাবেই তিনি পরিকল্পনা নিয়েছিলেন এবং কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছিলেন। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এবং হানাদার বাহিনীর দোসর, তাদের চাটুকার, যারা তোষামোদি করে তারাই কিন্তু জাতির পিতাকে হত্যা করে অগ্রযাত্রাটা ব্যাহত করে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর যুবসমাজই যে সবার আগে প্রতিবাদে এগিয়ে এসেছিল, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, সে কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের সব সময় একটা লক্ষ্য- জাতির পিতার যে আদর্শ, সেই আদর্শ সামনে নিয়ে আমাদের যুবসমাজকে আমরা গড়ে তুলব এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের আমরা গড়ে তুলব। এই বাংলাদেশ যেন একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে মর্যাদা নিয়ে বিশ্বে এগিয়ে যেতে পারে, আর সেই সঙ্গে আমাদের দেশটা যেন আত্মনির্ভরশীল এবং আত্মমর্যাদাশীল হয়।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আসার পর দেশের অর্থনীতি যেমন গতিশীলতা পেয়েছে, তেমনি আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।

যুবসমাজের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বয়সটা হলো কাজের, চিন্তার, মেধা বিকাশের সময়। আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে, তরুণদের কর্মসংস্থানের দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, এক সময় দেশে একটি টেলিভিশন ও একটা রেডিও স্টেশন ছিল। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দিতে তার সরকার বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এক সময় দেশে মাত্র একটি মোবাইল ফোন কোম্পানি সীমিত আকারে পরিচালিত হতো। মানুষের হাতের নাগালে মোবাইল ফোন ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর কম্পিউটার শিক্ষা থেকে শুরু করে সমস্ত আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান যাতে বিকশিত হয় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা যুবক, আগামী দিনে তারা দেশের কর্ণধার হবে। আজকে যে শিশুটি জন্ম নিল, তার ভবিষ্যৎ যেন উন্নত হয়, সে কথা চিন্তা করেই সরকার সব পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদক- এ ধরনের কাজের সঙ্গে যেন কেউ সম্পৃক্ত না হয়। জঙ্গিবাদ, মাদক, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের যে অবস্থান, সেটা কিন্তু কঠোর থাকবে।’

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মূল অনুষ্ঠানস্থলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব আখতার হোসেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আখতারুজ জামান খান কবিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। অনুষ্ঠানে ২১ জন স্বনির্ভর যুবক এবং ৫টি সফল যুব সংগঠনকে যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামে নিখোঁজের চারদিনের মাথায় সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাত ৮টার দিকে সীতাকুণ্ডের ছোট কুমিরা গরুর বাজার সংলগ্ন একটি খালের পাশে তাকে পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর।

কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর জানান, নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে অজ্ঞান অবস্থায় সীতাকুণ্ড থেকে পাওয়া গেছে। পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

সীতাকুণ্ডের ছোট কুমিরা গরুর বাজার সংলগ্ন একটি খালের পাশে কে বা কারা সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে ফেলে গেছে। স্থানীয়রা অজ্ঞান অবস্থায় তাকে পাওয়ার পর পুলিশকে খবর দেন। এসময় তার শরীরে ছিল একটি স্যান্ডো গেঞ্জি আর অন্তর্বাস। কিছুক্ষণ পর পর একটু জ্ঞান ফিরে আসলেই সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার শুধু বলতে থাকেন আমি আর নিউজ করব না; আমাকে তোমরা মেরো না-আমাকে ছেড়ে দাও।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ইনচার্জ (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, ‘সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন মানুষ একজনকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে পরিচয় খুঁজতে গিয়ে তিনি যে নিখোঁজ হওয়া সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার সেটি নিশ্চিত হই। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হওয়ায় আমরা তাৎক্ষণিক থানার ওসিকে খবর দিই। থানা থেকে একটি টিম রাতে এসে পৌঁছেছে। পরবর্তী যাবতীয় কাজ তারাই দেখভাল করবেন।

গত ২৯ অক্টোবর সকাল থেকে নিখোঁজ হন সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার। ওইদিন রাতে কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন আজকের সূর্যোদয়ের সহকারী সম্পাদক ও গোলাম সরওয়ারের সহকর্মী জুবায়ের সিদ্দিকী।

গোলাম সরওয়ার আজকের সূর্যোদয় চট্টগ্রাম অফিসের স্টাফ রিপোর্টার ও অনলাইন পোর্টাল সিটি নিউজ বিডি ডট কমের নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার নিখোঁজের পর থেকে অক্ষত অবস্থায় তাকে ফিরে পেতে বিক্ষোভ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। সর্বশেষ রোববার সকালে নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে উদ্ধারের দাবিতে সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সিইউজেসহ চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ।সমকাল থেকে

থাবা দিতে দিতে হাজী সেলিমের হাত থেকে রক্ষা পায়নি সরকারি বধির হাইস্কুলের জমিও। প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে লালবাগের বেড়িবাঁধ এলাকায় রাষ্ট্রপতির দেয়া ৩ একর ১ শতাংশ জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে পেট্রোল পাম্প ও ওয়ার্কশপ। অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিব্বত হলসহ বেহাত হওয়া অন্যান্য স্থাপনা ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকা সাত আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম কঠিন হৃদয়ে যেমন জায়গা দখল করতে ভালোবাসেন তেমনি নাচ-গানের জন্যও তার নরম একটা হৃদয় রয়েছে। বিশেষ করে দুর্বলের জিনিস লুট করে বিলাসিতার মজাই আলাদা।

পুরান ঢাকায় যার হুঙ্কারে বাঘে-মহিষে একঘাটে জল খায় তাকে ঠেকানোর সাধ্য কার। হাজী সেলিমের নাম শুনলেই থমকে যান সরকারি কর্মকর্তারা। অভিযোগ রয়েছে রাজধানীর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন লালবাগ এলাকায় প্রতিবন্ধীদের পড়ালেখার জন্য রাষ্ট্রপতির দেয়া জায়গাটি দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছেন এই সংসদ সদস্য। সরকারি অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও এর কোনও প্রতিকার পায়নি স্কুল কমিটি।
সরকারি ঢাকা বধির হাইস্কুলের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ২০০৮ সালে হাজী সেলিম জায়গাটি দখল করে এবং সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে দেয়। তারপর আমাদের লোকদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে যাওয়া হয়েছে, কিন্তু হাজী সেলিমের নাম শুনার পর তারা আর কোনও কথা বলে নাই। আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া বধির স্কুলের সম্পত্তি রক্ষা হবে না।

হাজী সেলিম পরিবারের অবস্থা বেগতিক দেখে নড়েচড়ে বসেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও। আবাসিক হলের অভাবে ব্যয়ভার বহন করতে না পারায় অনেক শিক্ষার্থীকে ঘুমাতে হয় বাসে। দখল হওয়া হলগুলো পুনরুদ্ধার হলে আবাসন সমস্যা অনেকটা দূর হবে বলে আশা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। তারা বলেন, টাকার অভাবে বাসে অনেককে ঘুমাতে হয়, কেউ আবার ফুটপাতে ঘুমায়, অথচ তিব্বত হল হাজী সেলিম দখল করে রেখেছেন। এই অত্যাচার আর আমাদের ভালো লাগছে না, আমরা পড়াশুনায় মনোযোগী হতে চাই। আমাদের থাকার জন্য যাতে আর আর্তনাদ না করতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি আমাদের হলগুলো উদ্ধার করে দিন।

খেতে কার না ভালো লাগে। তবে এমন কিছু মানুষ আছে যারা সবকিছু খেয়ে ফেলতে চায়। ঢাকা সাত আসনের সংসদ সদস্যের দখলে থাকা সব স্থাপনা উদ্ধার করা গেলে পুরান ঢাকায় শান্তি ফিরে আসবে মনে করেন এলাকাবাসী। “সূত্র আরটিভি অনলাইন”

“সরকারী নিয়ম লঙ্গন তাহিরপুরে মাদ্রাসায় সভাপতির স্ত্রীসহ জামায়াত,বিএনপির লোক নিয়োগ,এলাকায় ক্ষোভ” 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধ  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর হিফজুল উলুম সিনিয়র আলীয়া মাদ্রাসার ৬টি বিভিন্ন পদে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ঘুষে বানিজ্যে সরকারী নীতিমালা ভঙ্গ করে জামায়াতে ৩জন,বিএনপি ২জন ও এক জন ছাত্রলীগের লোক নিয়োগের অভিযোগ উঠছে। সরকারী বিধি বংঙ্গ করায় এই নিয়োগ বাতিল করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারী প্রার্থী ও উপজেলার সচেতন মহল। পদ গুলো হল,অধ্যাক্ষ,উপাদক্ষ্য,হিসাব রক্ষক,অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার,নাইটগার্ড ও আয়া।
জানা যায়,সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও কমিটির সদস্য তালিমুল ইসলাম(দুলাল)নিজের বউ,চাচাত ভাই বিএনপি,জামায়াতের লোকদের নিয়ে নিয়োগ পরীক্ষার দিন সকাল থেকে চালায় ব্যাপক তৎপরতা আর তিনটি পদে মোট তিনজন প্রার্থী রাখেন। আর অফিসসহকারীসহ অন্যান পদেও সিলেক্টেড করে এই নিয়োগ জায়েজ করতে নিজ মাদ্রাসায় ও জেলায় নিয়োগ পরীক্ষা না নিয়ে সিলেট বিভাগের আলীয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল(ডিজির প্রতিনিধি)ও তাহিরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী ও তার লোকজন নেয় কুটকৌশল।

তারা নিয়োগে সাক্ষাৎকারের জন্য সকাল দশটায় শুরুর কথা থাকলেও লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে মঙ্গলবার (২৭,১০,২০২০)সিলেট আলীয়া মাদ্রাসায় ১১টা ২০মিনিটে শুরু হয় ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে দুপুরে। পরে প‚র্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তাহিরপুর হিফজু উলুম আলীয়া মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলামের আপন চাচাত ভাই ও কমিটির সদস্য তালিমুল ইসলাম(দুলাল)এর উপস্থিতিতে আপন ভাই শরীফ মিয়া(দল জামায়াত),উপাদক্ষ্য পদে মহিবুর রহমান(জামায়াত),হিসাব রক্ষক পদে সভাপতি আমিনুল ইসলামের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার,অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে মুতাসির বিল্লাহ(বিএনপি ও জামায়াতে গুরুত্বপ‚র্ন পদে রয়েছে তার বাবা,চাচা,ভাই),নিরাপত্তা রক্ষী পদে সভাপতির নিজস্ব লোক,আয়া পদে ভাটি তাহিরপুর গ্রামের একজন মহিলা সভাপতির পাশের বাড়ি নিজস্ব লোক (দল বিএনপি) উত্তির্ন করায়।

উপজেলার স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মাদ্রাসার সভাপতি ও সুপার,ডিজির প্রতিনিধি তাদের নিজের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে কয়েকদফা মিটিং করে সিলেট আলীয়া মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষা নেয় কৌশলে। এই নিয়োগ আরো জায়েজ করতে শুক্রবার,শনিবার বন্ধের মধ্যে রেজুলেশন করে যোগদানের সর্বশেষ পরিকল্পনাও করেছে কয়েক দফা মিটিং করেছে। এই নিয়োগ বাতিল করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ
কামনা করি।
তাহিরপুর উপজেলা আ,লীগ,যুবলীগের নেতৃবৃন্দ খুবের সাথে জানান,সভাপতি নিজের স্ত্রী ও চাচাত ভাই জামায়াত বিএনপির লোকজনকে নিয়োগ দিতেই এই নিয়োগ দিয়েছে। যার ফলে পরীক্ষায় জালিয়াতি করার জন্য ভুয়া সনদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অশিক্ষিতদের নিয়োগ দিয়ে জামায়াতে ঘাটিতে পরিনত করেছে মাদ্রাসা তা মানা যায় না। তিনি ও তার পরিবারে যুদ্ধাপরাধী রয়েছে। তিনি নিজেও যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী। এই নিয়োগ আরো জায়েজ করতে শুক্রবার,শনিবার বন্ধের মধ্যে রেজুলেশনকরে যোগদানের সর্বশেষ পরিকল্পনাও করেছে কয়েক দফা মিটিং করেছে।
প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেন,মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতি যার কাছ থেকে বেশি টাকা পেয়েছেন তাকে নিয়োগ দিয়েছেন। আগ থেকেই ডিজির প্রতিনিধি ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে। এখানে প্রকৃত মেধাবীরা টাকার কাছে হেরে গেছেন। এ জালিয়াতির নিয়োগ বাতিল করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করি।

রোবি আক্তার নামে আরেক প্রার্থী জানান,আমি অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে আবেদন করেছিলাম। পরীক্ষার আগেই জানতে পারি মাদ্রাসার সভাপতিসহ
সংশ্লিষ্টরা অর্থের বিনিময়ে নিজেদের পছন্দ মত লোক নির্ধারন করেছেন। তাই সিলেট গিয়ে টাকা নষ্ট না করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে নি। এই নিয়োগ
বাতিলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি।

আরেক প্রার্থী জাকারিয়া মাসুদ জনান,আমি ন্যায় সংজ্ঞত ভাবে,সকল বৈধ কাগজ পত্র দিয়ে আবেদন করার পরও ইন্টারভিউ এর কার্ড পাই নি। আমার মত ইন্টারভিউ এর কার্ড পাই নি। অনেকেই কারন লোক আগেই নিধার্রন করা ছিল৷ আমি এই নিয়োগ বাতিলে দাবী জানাই।

তাহিরপুর হিফজু উলুম আলীয়া মাদ্রাসার সুপার(ভারপ্রাপ্ত)মাওলানা আবদুল হান্নান বলেন,নিয়োগে অনিয়ম হয় নি,নিজ প্রতিষ্ঠান কেন ইন্টারভিউ হল না এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,ডিজির প্রতিনিধি সিলেটের বিধায় সিলেটে নেওয়া হয়েছে। ডিজির প্রতিনিধি ত উপজেলা বা জেলা থেকে নেওয়া যায় এই প্রশ্নের জবাবে কোন সু উত্তর দিতে পারেন নি।

সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান,নিয়োগে কোন অনিয়ম করা হয় নি। নিয়ম মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তাহিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন,মাদ্রাসা নিয়োগে কোন অনিয়ম করা হয় নি আর এই বিষয়ে কোন অভিযোগ পাই নি।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান,নিজ উপজেলা ও জেলা সদরে নেওয়ার কথা। কেন বিভাগের একটি মাদ্রাসায় নেওয়া হল সে বিষয়ে খোঁজ
নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

সুনামগঞ্জ ১-আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন,মাদ্রাসায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইল চাঞ্চল্যকর কলেজ শিক্ষক (অব) অরুণ রায় হত্যার ঘটনায় দুই তরুনকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল পুলিশ। এ উপলক্ষে আজ রবিবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে জেলা পুলিশের আয়োজনে এক প্রেস ব্রিফং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসব্রিফিং এ পুলিশ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার) জানান,চাঞ্চল্যকর কলেজ শিক্ষক (অব) অরুণ রায় হত্যার ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে সদরের তুলারামপুর ইউনিয়নের ব্যানাহাটি গ্রামের একটি মাছের ঘের থেকে নরোত্তম দত্তের পূত্র একাদশ শ্রেণির ছাত্র রাজু দত্ত (১৮)কে এবং শনিবার সকালে দোগাছি গ্রামে বিলের মধ্যে থেকে রাজুর বন্ধু পার্শ্ববর্তী যশোর জেলার জামদিয়া ইউয়িনের দোগাছি গ্রামের কৃষ্ণ বিশ্বাসের পূত্র আলম সাধুর চালক দিপু বিশ্বাসকে (১৮) আটক করে।

গ্রেফতারকৃতরা হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দিয়েছে। আসামী দিপু রবিবার সকালে সিনিয়ার জুডিশিয়্যাল ম্যাজিষ্ট্রেট -১ মোঃ জাহিদুল আজাদের  আদালতে এবং শনিবার সন্ধ্যায় সিনিয়ার জুডিশিয়্যাল ম্যাজিষ্ট্রেট-২ মোঃ মোরশেদুল আলমের আদালতে জবানবন্ধি দেয়। শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নিহতের বাড়ির পূর্ব পার্শ্বের একটি ডোবা থেকে চাবির ছড়া (এতে ২১টি চাবি ছিল) বাড়ির ফল কাটা ছুরি এবং অরুন রায়ের ব্যবহৃত একটি টুপি উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ব্যক্তিগত রাগ,ক্ষোভ,আক্রোশে ছিল। এ ব্যাপারে আরো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। এ সময় জেলা পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাগনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক,অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদর থানা পুলিশ সদরের তুলরামপুর ইউনিয়নের হিন্দু অধ্যুষিত ব্যানাহাটি গ্রামের নিজ বাড়িতে অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক অরুণ রায়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, এ বাড়িতে তিনি একা থাকতেন। নিহতের ঘটনায় ২৪ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী নিভা রাণী পাঠক সদর থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  শ্রীমঙ্গলে স্কয়ার হাসপাতালের ডাক্তারের পরিচয়ে আসা হায়েস গাড়ীর চালক ও এক নারীসহ তিন পুরুষ আটক ছেলে পালিয়েছে। উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের কালাপুর বাজারের পূর্ব পাশে আসমা বেগমের বাড়ির সম্মুখ থেকে একটি সাদা হায়েস গাড়ী (ঢাকা মেট্রো চ ১৯৬৮০৩) চালকসহ একজন নারী ও তিনজন পুরুষকে শনিবার দিবাগত রাত সোয়া একটায় (২ নভেম্বর) আটক করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।

ঢাকা স্কয়ার হাসপাতাল থেকে ডাক্তার নিয়ে মাকে জোর করে গাড়িতে তুলে অপহরণ করতে চাইলে স্থানীয়রা বাঁধা দেন এ সময় ছেলে পালিয়ে গেলেও সাথে আসা স্কয়ারের ডাক্তারসহ অন্যারা পুলিশের হাতে আটকে যান।

সুত্রে জানা যায়, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান এসআই সুমনসহ পুলিশের একটি টিম। এ ব্যাপারে ঘটনা স্থলে আসা এস আই সুমন হাজরার সাথে কথা বললে তিনি আমার সিলেটকে বলেন এখনো বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি তবে যে মহিলা অভিযোগ করেছিলো যে তাকে মানসিক রোগী বানিয়ে তার ছেলে চিকিৎসার কথা বলে নিয়ে যেতে চাইছিলো, তিনি থানায় এসেছেন তার অভিযোগের আলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত আসছে……

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কাকুয়াকান্দি বিলে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় ১৩ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কাকুয়াকান্দি বিলে মাছ ধরা নিয়ে কাকুয়াকান্দি গ্রামের মৃত বিলাল মিয়ার ছেলে বারিক মিয়া ও একই গ্রামের মৃত কিসমত আলীর ছেলে মন্নান মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে নারী শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

আহতরা হলেন- জালাল মিয়া (৩৫), রাহেলা খাতুন (৩৮), কাসেম মিয়া (২০), ফয়সল আহমেদ (১৯), এমদাদুর রহমান (১৮), তাহির মিয়া (৬০), রেনু মিয়া (৪৫), মরম আলী (৫০), সোহাগ মিয়া (২৪), সমছু মিয়া (৫০), কাউছার আহমদ (২৬), আব্দুল আউয়াল (৫০), বদরুল আলমকে (১৭) হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

থানার ওসি মো. মাসুক আলী বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc