Friday 4th of December 2020 01:35:55 PM

সরকারি শিশু পরিবারের এতিম নিবাসিরা তাদের ওপর অত্যাচার ও বিভিন্ন দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও

নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইল সরকারি শিশু পরিবারের এতিম নিবাসিরা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের অত্যাচারের অভিযোগ এবং বিভিন্ন দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেছে। সোমবার সকাল ৯টার দিকে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করলে পরে তাদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিমাংসার আশ্বাস দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার দুপুরে সরেজমিনে নড়াইল সরকারি শিশু পরিবারে গেলে নবম শ্রেণির ছাত্র মোঃ তৌফিক,৭ম শ্রেণির আসিফ গাজী, ৬ষ্ঠ শ্রেণির রবি, প্রিন্স, মুন্না ও ৪র্থ শ্রেণির হুসাইন বিভিন্ন অভিযোগে জানান, রবিবার রাত ১০টার দিকে ৭ম শ্রেণির ছাত্র ১০-১২ দিন ধরে অসুস্থ সোহান সিকদারের জরুরি চিকিৎসার জন্য নীচে গেটের সামনে আসি। এ সময় গেট বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি করে কাওকে না পেয়ে কাচের জানালার ফাঁক দিয়ে নীচে নেমে কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে সোহানের চিকিৎসার দাবি জানাই। এই ছিল আমাদের অপরাধ। পরে রাত ২টার দিকে কর্তৃপক্ষ ২জন পুলিশকে সাথে নিয়ে তাদের ঘুম থেকে ডেকে তুলে কান ধরায় এবং চড় থাপ্পড় মারে। আমাদের অপরাধ আমরা নাকি হৈচৈ ও শব্দ করেছি এবং চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করেছি। এসব আমরা কিছুই করিনি। পুলিশ বলেছে, তোরা গাঁজা ও ফেন্সিডিলখোর,জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হবি। কখনও মানুষ হতে পারবি না। ছোট থেকে বড় সবাই তোরা খারাপ।

তারা আরও জানায়, তাদের সাথে কর্তৃপক্ষ প্রায় সময় অসদাচরণ করে থাকে। কিছু হলেই আমাদের নাম কেটে দেওয়ার ভয় দেখায়। মৈত্রি মন্ডল নামে এক কারিগরি প্রশিক্ষক প্রায় তাদের জন্য বরাদ্দকৃত বিস্কুট, মুড়ি, চানাচুর নিয়ে যায়। তাদের দিয়ে উপ-তত্ত্বাবধায়ক মাঝে মাঝে ঘরের মেঝে পরিস্কার করায় এবং ময়লা ফেলায়। বর্তমান উপ তত্ত্বাবধায়ক গত ২বছর এখানে আসার পর থেকে এ সমস্যা শুরু হয়েছে। তারা বলেন, ডরমেটরিতে ৩০টি ফ্যানের মধ্যে ৭টি ফ্যান নষ্ট। অনেকগুলি আস্তে আস্তে ঘোরে। জগ নেই, গ্লাস নেই। দুপুরের রান্না করা খাবার রাতে খেতে দেয়। ফলে অনেক সময় খাবার দিয়ে গন্ধ বেরায়। এতদিন খেলতে দিন না। মাত্র কয়েকদিন দিচ্ছে।
৭ম শ্রেণির ছাত্র সোহান সিকদার জানায়, সে ১০-১২ দিন ধরে অসুস্থ। গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি রয়েছে। শুধু নাপা খেতে দেয়। আর একটি কাশির সিরাপ দিয়েছে। এতে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। সিরাপ খেলে মাথা ঘোরায়। রোববার রাতে আমাদের প্রতিবাদের কারনে এতো দিন পর সদর হাসপাতালে চিকিৎসক দেখাতে নিয়ে যায়। ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র সৌরভ মোল্যা জানায়, ১ মাস ধরে তার ডান হাতে চুলকানি-একজিমা ধরনের সমস্যা হয়েছে। ঠিকমতো ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। ৬ষ্ঠ শ্রেণির আল মামুন জানায়, সে এক মাস ধরে তার হাতের আঙ্গুল কেটে গেছে। তার ঠিকমতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। জোবায়ের মোল্যা জানায় তাকে গত ১বছর পূর্বে তাকে ডিস লাইনের তার দিয়ে উপ তত্ত্বাবধায়ক স্যার মেরেছিল।
বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক আসাদুল্লাহ বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা তাদের সাথে সব সময় ভালো ব্যবহার করি। তারা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর এমন উচ্ছৃংখল আচরণ শুরু করেছে। তাদের কিছু দিন খেলতে সাতার কাটতে না দেওয়া একটি কারণ হতে পারে। রোববার রাতে নিবাসিরা লাঠি নিয়ে নিচে বের হয় আমাকে মারার জন্য। রাতে সমাজসেবার উপ পরিচালকের অনুমতি নিয়ে পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করে তাদের বুঝিয়েছে। কোনো মারধর করেনি। শিশু পরিবারে ৬৬জন ভর্তি থাকলেও নিবাসি উপস্থিত থাকে ৫০-৫৫জন। কিন্তু প্রায় সবার নামেই খাবার রান্না হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রতন হালদার বলেন, শিশুরা একটু উশৃংখল হয়ে গেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে তারা ডরমেটরির চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করেছে। ফলে ব্যাপক শব্দ হয়েছে। টহল পুলিশ শব্দ টের পেয়ে আমাদের অনুমতি নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করেন। কিন্তু কাওকে মারধর করেনি। তাদের দিয়ে কাজ করানো, খেলতে না দেওয়া, শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার কথা তিনি অস্বীকার করেন। এছাড়া প্যান নষ্ট, বা পোশাক না পাওয়া, জগ, গ্লাসসহ বিভিন্ন দ্রব্য না পাওয়ার ব্যাপারে বলেন, আমরা বরাদ্দের বাইরেতো দিতে পারি না। তারপরও এসব ঘটনায় একটি তদন্ত টিম গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, শিশুরা তাদের কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছে। শিশু পরিবারের শিশু এবং কর্তৃপক্ষ নিয়ে সোমবার বসাবসি করেছি। দুপক্ষের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ শোনা হয়েছে। কিভাবে এর সুষ্ঠু সমাধান করা যায় সেটা দেখছি।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: বছর ঘুরে আবার আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাখো ভক্তকে ভারাকান্ত করে দোলায় চড়ে বিদায় নিলেন দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা। এরই মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। করোনার সংক্রমণ কারণে পুণ্যার্থীদের জন্য এবার পরিবেশটা বেশ প্রতিকুল।

অন্যান্যবারের মতো উৎসবে ভাটা দেখা গেলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সোমবার সন্ধ্যায় আত্রাই নদীর তীরে ‘দুর্গা মা কি, জয়। মহামায়া কি, জয়। ’ একের পর এক এমন জয়ধ্বনি, ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও ঘণ্টা বাজিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। বিকেলে বিজয়া দশমীর পূজা অর্চনা ও সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দুপুরের পর থেকে মন্ডপগুলোর প্রতিমা যানবাহনে করে নৌকায় তোলা হয়। উপজেলা সদর ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কিছু প্রতিমা নৌকায় করে আত্রাই ছোট যমুনা নদীতে আনা হয়। প্রতিমাবাহী নৌকা ছাড়াও ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনসমূহের শত শত নৌকা নদীতে ভাসানো হয়। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে চলতে থাকে নৌবিহার।

এ সময় অনেক ভক্ত কান্নায় ভেঙে পড়েন। সৃষ্টি হয় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের।

সোমবার সকলে দেবী বিসর্জনের লগ্ন শুরু হয়। ফলে সকাল থেকেই মন্ডপে মন্ডপে নামে ভক্তদের ঢল। এসময় মন্ডপে মন্ডপে ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, মন্ত্রপাঠ, উলুধ্বনি, অঞ্জলি, নাচ, সিঁদুর খেলা হয়। মুখরিত হয়ে ওঠে মন্ডপ প্রাঙ্গণ। ধান, দুর্বা, মিষ্টি আর আবির দিয়ে দেবীকে বিদায় জানান ভক্তরা।

একদিকে বিদায়ের সুর, অন্যদিকে উৎসবের আমেজ।

সকালে দেওয়া হয় দর্পণ ঘট বিসর্জন। এমনই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুর্গতিনাশিনী দেবী বাবার বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে গেলেন স্বামীগৃহে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অসুর শক্তি বিনাশকারী দেবী বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে সব অপশক্তির বিনাশ হবে। শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে যাবে সবখানে।

প্রথা অনুযায়ী, প্রতিমা বিসর্জনের পর সেখান থেকে শান্তির জল মঙ্গলঘটে নিয়ে তা হৃদয়ে ধারণ করা হয়। আগামী বছর আবার এ শান্তির জল হৃদয় থেকে ঘটে, ঘট থেকে প্রতিমার সম্মুখে রেখে পূজা করা হবে। দৈনন্দিন জীবনের বাঁধা হিসেবে আবদ্ধ বাঙালি আসলে পূজার চার দিনে মুক্তির ছোঁয়া পায়। সারা বছরে লুকিয়ে থাকা ইচ্ছে ডানাগুলো এদিক-ওদিক থেকে বেরিয়ে আসে। খুশিয়াল মেজাজে ভর করে তাদের চার দিন অবাধ ওড়াউড়ির সমাপ্তি হলো সোমবার। আবার তাদের গুটিয়ে যাওয়ার পালা। এবার ফিরে চলা প্রতীক্ষার কাছে। তবে মনের মধ্যে অবিরাম ঢাকের বাদ্যি জানান দিয়ে যায় আসছে বছর আবার হবে।

এ উপলক্ষে আত্রাই নদীর দুই পাড়সহ পুরো এলাকাজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দীর্ঘ সময় নৌবিহার শেষে সন্ধ্যায় উপজেলার সুটকিগাছা রাবারড্রাম সংলগ্ন স্থানে পর্যায়ক্রমে প্রতিমাগুলো বিসর্জন দেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণভাবে এ বছরের মতো শেষ হয় শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উপলক্ষে সেখানে বসে গ্রামীণ মেলা।

উল্লেখ্য, এ বছর আত্রাই উপজেলায় মোট ৪৭টি পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:  দেশব্যাপী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব আজ বিভিন্ন নিয়ম পালন করে সমাপ্তি হলো। এ উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রেরিত হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচদিনব্যাপী দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে জানিয়েছে।

চন্ডীপাঠ, বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে ২২অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দেবী এবার এসেছেন দোলায়, গেছেন গজে চড়ে। এবছর চুনারুঘাট পৌরসভায় ৯টি, বিভিন্ন বাগানে ২৮টি ও বিভিন্ন গ্রামে ৪৬টিসহ মোট ৮৩টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছে দূর্গাপূজা।
যদিও করোনা মহামারীর কারণে সংক্রমণ এড়াতে এবারের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করা হয়। উৎসব সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পরিহার করে সাত্ত্বিক পূজায় সীমাবদ্ধ রাখতে হবে বিধায় এবারের দুর্গোৎসবকে শুধু ‘দুর্গাপূজা’ হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। বিভিন্ন পূজামন্ডপে
সরেজমিনে দেখা যায়, বৈশ্বিক করোনা মহামারীর কারণে মন্ডপে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল সীমিত আকারে। সন্ধ্যায় আরতির পরই বন্ধ করে দেওয়া হয় পূজামন্ডপ। কিন্তু বিভিন্ন বাগানে রাতেও ছিলো জাঁকজমকপূর্ণ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধুনুচি নাচের প্রতিযোগিতা এবার ছিল না। জনসমাগমের কারণে স্বাস্থ্যবিধি যাতে ভঙ্গ না হয় সেদিকে খেয়াল রেখেই প্রসাদ বিতরণ ও বিজয়া দশমীর শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়। পূজার সময় বেশির ভাগ ভক্তরা এবার অঞ্জলি নিয়েছেন ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে।চুনারুঘাট পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় পাল বলেন, এ উপজেলায়
শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মূখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে দুর্গাপূজা। আইন- শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। চুনারুঘাট পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় পাল চুনারুঘাট পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মূখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করায় সকল রাজনৈতিক দল, ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় বিষপানে শাম্মী বেগম (১৫) নামের এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে উপজেলার কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের করেরগ্রাম এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। শাম্মী বেগম করেরগ্রামের কালা মিয়ার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাম্মী রোববার রাত ৯টার দিকে পরিবারের সকলের অজান্তে বিষপান করে। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর রাত ১১টার দিকে শাম্মী বেগম মারা যান।

কুলাউড়া থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ:   নবীগঞ্জে দুই দিন ধরে আবিদ উল্লাহ সেজু (১৮) নামে এক মিশুক চালক নিখোঁজ রয়েছেন। সে উপজেলার গোজাখাইর গ্রামের সাহিদ উল্লাহ ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষে মিশুক নিয়ে নবীগঞ্জ শহরে যায় সেজু। কিন্তু গভীর রাত পর্যন্ত তার জন্য অপেক্ষা করলেও তিনি আর ফিরে আসেননি।

পরে সেজু পরিবারের লোকজন তাদের সকল অত্মীয়দের বাড়িতে খুঁজ খবর নিয়েও কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। গতকাল রোববার নবীগঞ্জ থানার একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরী করা হয়। (যার নং ১৩৩৭) নিখোজের বিষয়টি পরিবারের পাশাপাশি পুলিশও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি শুরু করলেও তার সন্ধান এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের বিষয়ে তার বাবা সাহিদ উল্লাহ বলেন, বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তার কোন সন্ধান মিলছে না। পুলিশ জানিয়েছে, তারা আমার ছেলের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আজিজুল রহমান বলেন, পুলিশ বিভিন্ন স্থানে সেজুকে খুঁজছে। বিভিন্ন থানায়ও ইতোমধ্যে অবগত করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত তার সন্ধান পাওয়া যাবে।

পুর্বর সংবাদ দেখুন

নবীগঞ্জে দুই দিন ধরে নিখোঁজ মিশুক চালক

তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে গাড়ি থেকে জাহিদ ও আবু বক্কর সিদ্দিকসহ আরও ২-৩ জন তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। তাকে ও তার স্ত্রীকে হত্যার হুমকিসহ তুলে নেয়ার হুমকি দেয় তারা।

ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পর গাড়িটি ফেলে এর নম্বরপ্লেট ভেঙে চলে যান হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ডরা। গাড়ির নম্বর– ঢাকা মেট্টো- ঘ ১১-৫৭৩৬। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানিয়েছে, মারধর করা ব্যক্তি হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ড। তবে হাজী সেলিমের ৩ ছেলের মধ্যে কোন ছেলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় রাতে ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মো. ওয়াসিফ আহমেদ খান নামে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার ওই কর্মকর্তা।

এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ওয়াসিম আহমেদকে রক্তাক্ত দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে মারধর করে তার দাঁত ভেঙে ফেলা হয়েছে দাবি করলেও, জিডিতে এ কথা উল্লেখ করা হয়নি। জিডিতে ওয়াসিফ আহমেদ উল্লেখ করেছেন, তিনি ও তার স্ত্রী মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের গাড়ি তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা সামলে সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থেকে নেমে গাড়িটির সামনে দাঁড়ান ওয়াসিম। তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে গাড়ি থেকে জাহিদ ও আবু বক্কর সিদ্দিকসহ আরও ২-৩ জন তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। তাকে ও তার স্ত্রীকে হত্যার হুমকিসহ তুলে নেয়ার হুমকি দেয় তারা।

ধানমন্ডি থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ জাহিদ জানান, সাংসদ হাজী সেলিমের জিপ গাড়ির সঙ্গে নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল সামান্য ঘষা লাগায় প্রথমে কথা কাটাকাটি, এরপর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল ও গাড়িটি জব্দ করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।হাজারিকা থেকে

মিজানুর রহমান,চুনারুঘাট থেকেঃ চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাস এর সাথে চুনারুঘাট অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা চুনারুঘাটের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় উপস্হিত ছিলেন চুনারুঘাট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিদ আহমেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি জুনাইদ আহমদ,সহ সভাপতি ফারুক মিয়া,সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাষ্টার আবুল ফজল ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আহাদ নির্বাহী সদস্য হাফিজ তালুকদার, সাইফুর রাব্বী প্রমুখ।

মত বিনিময়কালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, এ সমাজকে ভালোর দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আজকাল উৎসাহ উদদীপনা সংবাদ প্রচার কম হচ্ছে, সম্ভাবনাময় দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিতে পজেটিভ সংবাদ প্রচার অনেকটাই সহায়ক হয়। যেটা এখন অনেক কম হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বেশি বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান এবং নীতিগত সকল কাজে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। চুনারুঘাটের ওপার সম্ভাবনার কথা দেশ ও জাতীর কাছে তুলে ধরার অনুরোধ জানান। চুনারুঘাটের সকল সাংবাদিকগন একমত পোষন করলে প্রয়োজনে সাংবাদিক প্রশিক্ষনের ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহনের ও আশ্বাস প্রদান করেন। পরিশেষে চা চক্রের মধ্য দিয়ে মতবিনিময় সভার সমাপ্তি হয়।

নিজ জেলা নোয়াখালীতে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে দুঃখ প্রকাশ করে সরকারের সড়ক-সেতুমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কোম্পানীগঞ্জ শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির কমপ্লেক্সে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে শুভেচ্ছা মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় তিনি লজ্জিত। তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের সাথে যদি আ’লীগ অথবা এর অঙ্গসংগঠনের কেউ জড়িত থাকে তবে তাদেরকেও ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনকারীদের দল থেকে শুধু বের করে দেয়া হবেনা তাদের জন্য আ’লীগের দরজা চিরতরে বন্ধ করে দেয়া হবে।

এসময় ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ কবিরহাট অঞ্চলের মানুষদের শান্তিপ্রিয় বলে দাবী করে সবাইকে অনুরোধ করেন, আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কেউ যেন বিনষ্ট করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দল মত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বলেন, আপনারা নিজেদের সংখ্যালঘু মনে করবেন না। এই দেশ আমাদের সকলের।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মিলন কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কমলকান্তি মজুমদারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল হক মীর, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কর্মকার, শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি নির্মল চন্দ্র দে ও সাধারণ সম্পাদক দীপক সূত্রধর।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে এবার চেয়ারম্যান মেম্বারসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে গনর্ধষণের অভিযোগে হবিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর গণ্যে তিনদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নবীগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনাটি সর্বত্র তোলপাড় হচ্ছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকালে নবীগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করা হলে নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান জানান- মামলাটি রাতেই এফআইআর গণ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার সুত্রে জানা যায়-নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল গ্রামের মহিবুর রহমানের স্ত্রী মৌসুমী বেগম গত ৮ অক্টোবর বিকালে রিক্সা যোগে শেরপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পারকুল গ্রামের মেম্বার দুলাল মিয়ার বাড়ির সামনে আসা মাত্র আসামীগন তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজি যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। একটি অজ্ঞাতস্থানে তিনদিন আটক করে আসামীগন পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ৪ দিন পরে আসামীগণ স্থানীয় আউশকান্দি বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে সামনে সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে ভিকটিমের স্বামী মুহিবুর রহমান এসে তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। উক্ত ধর্ষণ মামলার আসামীরা হচ্ছেন উপজেলার আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন (৫০) ও তার পরিষদের সদস্য দুলাল আহমদ (৪০) সেবুল মিয়া (২৮) ,সহিদুল মিয়া (২৫) জিবু মিয়া ( ২৭) সহ অজ্ঞাত ৩ জন ।

নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক হবিগঞ্জ জেলা দায়রা ও জেলা জজ মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী গত ১৮ অক্টোবর, নালিশকারীর দরখাস্ত ও জবানবন্দী পর্যালোচনা করে নির্দেশে তিনি বলেন, নালিশের অভিযোগ অপরাধ যোগ্য, তাই নবীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জকে মামলা এফ আই আর করার নির্দেশ দেন এবং তিন কার্য দিবসের মধ্যে মামলা রজু করে প্রতিবেদন অত্র ট্রাইব্যুনালে প্রেরন করার নির্দেশ দেন।

এদিকে মামলায় বাদীর স্বামী মুহিবুর রহমান অভিযোগ করেন,মামলার সাক্ষীদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করে, স্বাক্ষীদের হুমকি দামকি দিয়ে তাদের কাছ থেকে এভিডেভিড করার চেষ্টা করছেন। তাকে মামলা তোলার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। তিনি আরও জানান,তারা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়াতে, তাদের লোকজন  দিয়ে আমাকে নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছে,এতে আমি আমার নিজ বাড়িতে যাওয়ার মত সাহস পাচ্ছি না।

এব্যাপারে,ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন বলেন, আমি শোনেছি একটি নারী নির্যাতন মামলা হয়েছে । এব্যাপারে বিস্তারিত আমি কিছুই জানিনা।এ ব্যাপারে, ইউপি সদস্য দুলাল আহমদ বলেন,এই রকম ঘৃণিত কাজের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই,আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে। নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান জানান, মামলাটি আদালতের আদেশে প্রক্রিয়াধীন আছে। আজ রাতেই এফআইআর গণ্যে ব্যবস্থা নেওয়া  হবে।

পুর্বের সংবাদের লিং দেখুনঃ

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

সভাপতি মোঃ আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাস্তফা কামাল

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন রেজি নং-চট্ট-১৯০৯ এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন। সভাপতি পদে মোঃ আব্দুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ মস্তফা কামাল বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃহত্তর সিলেটের সবচেয়ে বড় এবং পুরাতন সংগঠন হল বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন, এই ট্রেডের অধিনে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বেলচা শ্রমিকদের নিয়ে গঠিত ট্রেড ইউনিয়ন। ২৪ অক্টোবর শনিবার জৈন্তাপুর উপজেলার নিজাপট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সকাল ৮ঘটিকা হইতে বিকাল ৪ঘটিকা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ভোটারের চাপে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। প্রায় ৩হাজার ৫শত ভোটার মধ্যে ভোট প্রয়োগ করে ২হাজার ৮শত ৪ জন। ভোট গণনা শেষে ভোর ৬টায় নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেনের নেতৃত্ব ফলাফল ঘোষণা করেন অত্র ট্রেড ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ। সভাপতি পদে মোঃ আব্দুর রহমান চেয়ার মার্কায় ১৬৬৯ টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী মোঃ আলী আকবর ছাতা মার্কায় ৪৮৪ ভোট পান। সহ-সভাপতি পদে মোঃ কামাল হোসেন মগ মার্কায় ৯৮৫টি ভোট, মোঃ জামাল উদ্দীন বালতি মার্কায় ৬১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ মোস্তফা কামাল আনারস মার্কায় ৮৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ মামানুর রশিদ মোটার সাইকেল মার্কায় ৯৬৮ ভোট ও মোঃ সিরাজ উদ্দীন উড়োজাহাজ মার্কায় ৬৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ লিয়কত আলী টেবিল মার্কায় ১৪৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অর্থ সম্পাদক পদে মোঃ মস্তফা মিয়া হারিকেন মার্কায় ৯৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ সোহেল আহমদ মোমবাতি মার্কায় ৬০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ হেলাল মিয়া ফুটবল মার্কায় ৮২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অধূদ মিয়া গাভী মার্কায় ৮৯৮ ভোট, মোঃ নেকই মিয়া ঘোড়া মার্কায় ৫৮৬ ভোট, মোঃ আব্দুল হান্নান বাঘ মার্কায় ৪৮৬ এবং মোঃ ফরিদ মিয়া দোয়েল পাখি মার্কায় ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ ও সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেন, জৈন্তাপুর মডেল থানার এস.আই কাজী শাহেদ সহ সংশ্লিষ্টরা নির্বাচন সুষ্ট ভাবে পরিচালনা করেন।
অপরদিকে নির্বাচন পরিদর্শন করেন জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফারুক আহমদ, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহসিন আলী, অফিসার ইনচার্জ তদন্ত ওমর ফারুক মোড়ল, জৈন্তাপুর উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানগণ, গনমাধ্যমকর্মী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে শান্তিপূর্ণ সুষ্ট ভাবে সর্ব বৃহত ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc