Friday 4th of December 2020 01:59:27 PM

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: হবিগঞ্জে দৈনিক প্রভাকর পত্রিকার ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে এক চেয়ারম্যান কর্তৃক মানহানি মামলা করার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গল এশিয়ান জার্নালিস্ট চ্যারিটেবল সোসাইটির আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকালে বিরতি বিল্ডিং শ্রীমঙ্গল এর তৃতীয় তলায় প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক কালজয়ী পত্রিকার সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার কে এস এম আরিফুল ইসলাম,মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক ও অত্র সংগঠনের উপদেষ্টা আমজাদ হোসেন বাচ্চু, বিশিষ্ট কলামিস্ট আরপি নিউজ সম্পাদক সৈয়দ আমিরুজ্জামান,শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও অত্র সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম আশরাফী।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, অত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুল ইসলাম সবুজসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের সভাপতি নাছির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন এর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কর্তৃক নিম্নলিখিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, সাথে সাথে বিজ্ঞ প্রশাসনের প্রতি উক্ত মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছেন বক্তারা।

বক্তারা আরও দাবি করেন,জনগণের স্বার্থ উদ্ধারে এবং আদায়ের বেলায় সাংবাদিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল না থাকলে অপরাধীদের অবাধ বিচরণ রোধ করা সম্ভব হবে না, তাছাড়া সাংবাদিকদেরকেও সংবাদ প্রচারের আচরণবিধি মেনে চলতে হবে।

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, অত্র সংগঠনের সহসভাপতি মোশাহিদ আমির,সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন,দপ্তর সম্পাদক সুদিপ কৈরী,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, দুর্নীতিবিরোধী সংবাদ করায় মিথ্যা অভিযোগ এনে হবিগঞ্জের দৈনিক প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল হালিম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ বার্তা সম্পাদক সহিবুর রহমান ও প্রতিবেদক শেখ বেলাল আহমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ১১ নং বাঘাসুরা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন হবিগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-০৬ আদালত বরাবরে ২০কোটি টাকা মূল্যের সম্মানহানিকর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ:  ইউরোপের দেশ গ্রীসে নবীগঞ্জের এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু নিয়ে নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রীসের রাজধানী এথেন্সের একটি শহরে এ ঘটনাটি ঘঠেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে  গ্রীসের এথন্সে এথনিকি আমিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের নাম নাজমুল হোসেন। সে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লালাপুর গ্রামের মৃত আবুল কালামের পুত্র। শুক্রবার সকালে তাদের বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোকজন অভিযোগের সুরে বলেন, টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই খবরে নিহতের বাড়িতে চলছে স্বজনদের শোকের মাতম। অশ্রুসিক্ত নয়নে অপেক্ষায় আছেন কখন ছেলের লাশ বাড়ি ফিরবে। লাশ দেশে ফেরাতে সরকারের সহযোগীতাও চান নিহতের পরিবার।

জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার লালাপুর গ্রামের গ্রামের আবুল কালামের পুত্র নাজমুল হোসেন পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় ১৩ বছর পূর্বে বিদেশে পাড়ি জমান। ইরান, তুর্কি হয়ে প্রায় ৮ ধরে গ্রীসে বসবাস করছিলেন। একটি চায়নার কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেব কর্মরত ছিলেন। প্রায় ৮ মাস পূর্বে সেখানের নাগরিক হিসেবে বৈধতাও পেয়েছিলেন নাজমুল।

সম্প্রতি একই এলাকার মোস্তফাপুর গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের পুত্র মফিজুর রহমান গ্রীসে যায়। সেখানে গিয়ে নাজমুলের সাথে থাকে। তারা একটি ভাড়াটিয়া বাসায় থাকতো।

নাজমুলের পরিবারের লোকজন জানান, অনেক দিন ধরে কোন যোগাযোগ করছিল না নাজমুল। পরে তারা খবর পান গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে নাজমুলকে একটি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে স্থানীয় পুলিশ আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সে মারা যায়।

নাজমুলের পরিবারের লোকজনের দাবী, নাজমুলকে রাতে ঘুমের মধ্যে মফিজুর রহমান কোনকিছু খাইয়ে অজ্ঞান করে মৃত ভেবে দেহ দূরে কোথায় ফেলে আসে। পরে থাকে সেখানের পুলিশ দেহ দেখতে পেয়ে হাসপাতাল ভর্তি করে। এমন তথ্য দিয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে গেছেন নাজমুল।

এ ব্যাপারে নিহতের মা নাজমা বেগম জানান, ‘আমার ছেলের স্বপ্ন ছিল সে দেশে এসে বিয়ে করবে এ জন্য আমরা পাত্রীও খুঁজছিলাম। কিন্তু তার স্বপ্ন পূরণ হতে দিলো না ঘাতক। এসব বলেই বারবার মুর্চা যান তিনি।’

নিহতের ভাই এনামুল হোসেন জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছিলেন নাজমুল। ভিডিওতে মফিজুলের কথাই বারবার বলেছেন।

এনামুল আরো বলেন, প্রবাস জীবনের উপার্জিত টাকা পয়সা জমা ছিল নাজমুলের কাছে। কিছু দিন আগে জানিয়েছিল তার কাছে ১৫/১৬ লক্ষ টাকা আছে। তার স্বপ্ন ছিল ভাইকে বিদেশ পাঠাবে, জায়গা কিনে ঘর বানাবে এবং এ বছরই দেশে এসে বিয়ে করবে। তার ওই টাকা আত্মসাতের উদ্দেশেই তাকে হত্যা করে টাকা নিয়ে পালিয়েছে মফিজুর। এমন অভিযোগ করেন নাজমুলের মা ও ভাই। লাশটি দ্রুত দেশে এনে শেষ দেখা দেখতে অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। নিহত নাজমুলের ৫ ভাই ও ১ বোনের মাঝে সে ছিল সবার বড়।

সেখানে অবস্থানরত কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, লাশটি এখনো হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখনো আসেনি। রিপোর্ট আসার পর বুঝা যাবে কিভাবে নাজমুলের মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিনের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, লাশ দেশে আনতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা হবে।

‘আল্লাহ তুমি ওই ডাইনির বিচার কইরো, কী অপরাধ করছিল আমার মাইয়া। দুইডা ভাতের লাইগা শাকিলের বাড়িত কাজে দিছিলাম। আর শাকিলের বউ ঝুমুর আমার মাইয়াডারে নির্যাতন কইরা মাইরা হালাইল।’নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী সাদিয়ার মৃত্যুর পর তার মা আনোয়ারা বেগম এভাবেই চিৎকার করে আহাজারি করছিলেন, আর মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে ওই সব কথা বলছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় গৃহকর্মী সাদিয়া। সে শ্রীবরদী পৌরশহরের মুন্সীপাড়া এলাকার হতদরিদ্র ট্রলিচালক সাইফুল ইসলামের মেয়ে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহসান হাবিব শাকিলের বাসভবন থেকে রাত দেড়টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে শিশু সাদিয়াকে। শাকিলের স্ত্রী রুমানা জামান ঝুমুর শিশুটিকে নানা অজুহাতে নির্যাতন করতেন।
এক পর্যায়ে নির্যাতনের মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে, শিশুটির গায়ের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া থেকে শুরু করে গোপনাঙ্গে পর্যন্ত আঘাত করা হয়। নির্যাতনের ফলে তার মাথায় ব্যাপক ক্ষতের সৃষ্টি হয়। পিঠে ছ্যাঁকায় ঘা সৃষ্টি হয়। ওই দিন গভীর রাতে নির্যাতনের শিকার শিশুটির আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা ৯৯৯ ফোন করেন। পরে পৌর শহরের বিথি টাওয়ারের ছয় তলায় শাকিলের ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে শিশুটিকে। পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে শেরপুর জেলা হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে।

এ ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা করেন। পরদিন গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে আসামি ঝুমুরকে কারাগারে পাঠানো হয়।শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ হোসেন খোকা বলেন, ছেলে শাকিলের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। অনেক আগে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। শ্রীবরদী থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, মেয়েটিকে আমানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। ফলে শুক্রবার শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তিনি বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গৃহকর্ত্রী ঝুমুর বর্তমানে জেলা কারাগারে আছেন। শিশু সাদিয়া মারা যাওয়ায় মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার সকালে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে তিনি মারা যান বলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছে। এর আগে তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের বরাত দিয়ে শুক্রবার রাতে আদ-দ্বীন হাসপাতালের মহাপরিচালক ডা. অধ্যাপক নাহিদ ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তার অবস্থা সংকটাপন্ন।

রাতে ডা. অধ্যাপক নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে এখনও লাইফ সাপোর্টেই রাখা হয়েছে। তার অবস্থা অপরিবর্তিত। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত তিনি। তার চিকিৎসার জন্য একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
রক্ত শূন্যতা ও প্রস্রাবের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত জটিলতা দেখা দেয়ায় গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তার শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল। কিন্তু গত শনিবার ১৭ অক্টোবর তিনি কিছুটা সুস্থবোধ করলে সকালের দিকে বাসায় ফিরে যান। দুপুরের পরপরই ফের তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল)। ২০১৭ সালে বাম পায়ের হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের পর থেকে তার চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়ে। এ কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেতেন না।
বয়োবৃদ্ধ খ্যাতিমান এ মানুষটির বিছানায় শুয়েই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটতো। চলাফেরা করতে হুইল চেয়ার আর কর্মচারীরাই ছিল তার সঙ্গী।hajarika

নূরুজ্জামান ফারুকী বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা থেকে একটি পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। গ্রেনেড উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে কুলাউড়ায় মানুষের মাঝে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। যদিও পুলিশ জানিয়েছে এটি অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত। অনেকের ধারণা, স্বাধীনতার পূর্বে এটি যে কেউ মাটির নিচে পুঁতে রাখে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের নন্দনগর আকিলপুর এলাকা থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বরমচালের নন্দনগর আকিলপুর এলাকায় বিকেলে মাটি খুঁড়তে গিয়ে গ্রেনেডের মতো একটি বস্তু দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা। বিষয়টি সন্দেহ হলে তিনি পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। স্থানীয়দের ধারণা, এটি স্বাধীনতার পূর্বে কেউ গ্রেনেডটি (১৯৬৯ সালের খোদাই করা) মাটির গভীরে পুঁতে রাখা শক্তিশালী গ্রেনেড।

গ্রেনেড উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কুলাউড়া থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান জানান, উদ্ধারকৃত গ্রেনেডটি অব্যবহৃত এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

মিনহাজ তানভীর: মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে গুরুত্বর আহত সিএনজি চালক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর এলাকার মেরিগোল্ড ফিলিং স্টেশন (পেট্রোল পাম্পের) সম্মুখে আজ শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত আটটার দিকে সিএনজি ও একটি প্রাইভেটকারে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ভূনবীর ইউনিয়নের বিজয়পাল নামক এক সিএনজি চালকসহ প্রাইভেট কারের (সিলেট ক ১১-০০৭৭) এক শিশু গুরুতর আহত হয়।তাদের পুর্ন পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজি চালকের অবস্থা গুরুতর এবং প্রাইভেটকারে থাকা এক মেয়ে শিশু (৬) আহত হয়েছে ।
স্থানীয়রা জানান, প্রাইভেটকারে দুইজন পুরুষসহ কয়েকজন মেয়ে ছিল, ঘটনার সময়ে এনা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস শ্রীমঙ্গলের দিকে যাওয়ার সময়ে সিএনজিকে চাপা দিলে সিএনজিটি রাস্তার ভাঙ্গায় পরে কাত হয়ে ব্যালেন্স হারিয়ে প্রাইভেট কারের উপরে গিয়ে পড়ে এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালকের শরীর থেঁতলে গিয়ে গুরুতর আহত হয় , দুর্ঘটনায় প্রাইভেট কারের সম্মুখের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাইভেটকারে থাকা অন্যান্য নারীরা ও কিছুটা আহত হয়েছে। পেট্রোল পাম্পের এক ব্যবসায়ী বদরুল আলম বলেন,অনুমান করা হচ্ছে পূজা দর্শনার্থীরা প্রাইভেটকারে ছিলেন। তিনি আরও বলেন,আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত সিএনজি চালককে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং প্রাইভেটকারে থাকা শিশুটিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিএনজিটি নতুন এর কোন নম্বার প্লেট ও নেই, দুর্ঘটনার সময়ে সিএনজিতে কোন যাত্রী ছিল না।
ঘটনাস্থলে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের এসআই আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ছিল। এসআই আলমগীর এ প্রতিবেদককে বলেন গাড়ি দুটি থানায় নিয়ে যাওয়া হবে সবার ঠিকানা এখনো পাওয়া যায়নি তবে চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ওসি স্যারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত আসছে…।

পূর্বের সংবাদের লিঙ্ক দেখুন

শ্রীমঙ্গল কালাপুরে সিএনজি-কারের সংঘর্ষে গুরুতর আহত-২

প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত,নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে অবাঞ্চিত ঘোষণা

নড়াইল প্রতিনিধিঃ  প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে কালিয়া উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের একদিন পর, সাবেক কমিটির নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রলীগের অপর অংশ এ কমিটিকে অবাি ত ঘোষণা করেছে এবং এ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুুিষ্ঠত হয়।
শুক্রবার দুপুরে কালিয়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের ব্যানারো আয়োজিত এ কমিটিকে অগনতান্ত্রিক,একতরফা ,পকেট কমিটি ও টাকার বিনিময়ে গঠিত উল্লেখ করে কালিয়া শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে, পরে কালিয়া চৌরাস্তায় মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন শেষে কালিয়া চৌরাস্তায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে কালিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম শেখের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কালিয়া উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম রানা, কালিয়া সরকারি আব্দুস সালাম ডিগ্রি কলেজের সভাপতি পার্থ চক্রবর্তী, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অনিক শেখ, ছাত্রলীগ নেতা ইয়ামিন বিশ্বাস,মহিবুল হক,নিয়ামত হোসেন প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চল শাহরিয়ার মিম ও সাধারণ সম্পাদক রকিবুজ্জামান পলাশের স্বাক্ষরিত অগনতান্ত্রিক,একতরফা ,পকেট কমিটি ও টাকার বিনিময়ে কোন সম্মেলন ছাড়া, সাবেক কমিটির পরামর্শ না নিয়ে গঠিত এ কমিটি বাতিল করে , নতুন কমিটির বিবাহিত,বিতর্কিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে রাজপথের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরীক্ষিত সৈনিকদের নিয়ে নতুন কমিটির করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের প্রতি আহবান জানান। তাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে, এ সময় বর্তমান কমিটিকে কালিয়ায় অবাি ত ঘোষণা করা হয় ।
জানা গেছে, দীর্ঘ আট বছর পর বৃহস্পতিবার (২২অক্টোবর) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চ ল শাহরিয়ার মিম ও সাধারণ সম্পাদক রকিবুজ্জামান পলাশ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আগামি এক বছরের জন্য এফ এম সোহাগকে সভাপতি,মো.রাইসুল ইসলাম পান্নুকে সাধারণ সম্পাদক করে কালিয়া উপজেলা ও এম এম তানবীরুল ইসলামকে সভাপতি ও প্রশান্ত কুমার দাসকে সাধারণ সম্পাদক করে পৌর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ দু’টি কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী ৩০দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চ ল শাহরিয়ার মিম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, নতুন কমিটিতে নির্বাচিতদের দলীয় ও সামাজিক কর্মকান্ডের বিচার বিশ্লেষণ করেই কালিয়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc