Friday 4th of December 2020 01:52:25 PM

কালাপুর প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে “গ্রীন কালাপুর” সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত মাদকের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্যে ফুটবল টুর্নামেন্টের আজ (২১ অক্টোবর) দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালের ৩য় ম্যাচ কাকিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
আজকের ম্যাচে দুটি পক্ষ একে অপরের মুখোমুখি হয়। টীম দু’টি হলো ৩নং ওয়ার্ড কালাপুর ও ৮নং ওয়ার্ড বরুণা । দু’টি দলের মধ্যেই আক্রমণ পালটা আক্রমণ ছিলো দেখার মত। খেলায় প্রথমেই গোল করে এগিয়ে যায় ৩নং ওর্য়াড কিন্তু খেলার একদম শেষ সময়ে বরুণা গোল করে সমতা ফেরায়।

১-১গোলে খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।পরে ট্রাইবেকারে খেলার ফলাফল নির্ধারণ করা হয়। ফলাফল ৩নং ওর্য়াড কালাপুর ১-০গোলে জয়ী হয়ে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হয়। আজকের খেলা পরিচালনা করেন আবুল কাসেম, সিরাজুল ইসলাম,ও সুর্দশন দাস

খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় ৩নং ওয়ার্ডের গোলরক্ষক তোফায়েল আহমেদ পুরষ্কার তোলে দেন গ্রীন কালাপুরের সভাপতি জাকারিয়া আহমেদ এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই, সদস্য ফিরোজ মিয়া, সিপুল চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, মশিউর রহমান রিপন, সাকেদুর রহমান, আবদুল মজিদ, প্রমুখ। আগামীকালের ম্যাচ ৫নং ওয়ার্ড বনাম ৭ নং ওর্য়াড। ধারণা করা হচ্ছে আগামী কালকের খেলাতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
উল্লেখ্য গ্রীন কালাপুর একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে একত্রিত করে মাদক মুক্ত কালাপুর ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যেই এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন।

নূরুজ্জামান ফারুকীঃ   মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে অপহরণ মামলার এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে তাকে উপজেলার দুর্গম এক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‍্যাব সূত্রে জানা যায়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের জালালিয়া রোডস্থ জালাল আহমদের পুত্র রুমান খান সজিব (২৪)।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি ওবাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সৃষ্টিতে শেখ হাসিনা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শারদীয় দুর্গোৎসব ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যর বন্ধনকে আরও দৃঢ় ও সুসংহত করবে। কোন অশুভ শক্তি যেন এ সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যকে ধ্বংস করতে না পারে,সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মোস্তফা শহীদ অডিটরিয়ামে শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষে সার্বজনিন পূজা মন্ডপে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান ও সমাজ সেবা অধিদপ্ত কতৃক চা শ্রমিক পরিবার সমূহের মাঝে এককালীন অনুদান বিতর অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাসের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আবিদা খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চন্দ্র পাল, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলী আশরাফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট আকবর হোসেন জিতু,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু তাহের মিয়া মহালদার প্রমুখ। সভা শেষে চুনারুঘাট শহীদ মিনার চত্বরে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল এর উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী ।

 

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: নবীগঞ্জে ‘সামিয়া টেলিসপ’ থেকে নিজের নাম্বারে ১০ হাজার টাকা ‘ক্যাশইন’ করে প্রস্রাব করার কথা বলে উধাও হয়ে গেল এক প্রতারক। যদিও তার শেষ রক্ষা হলো না। জনতার হাতে ধরা পরতে হয়েছে তাকে। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে ১০ হাজার টাকাও। গতকাল মঙ্গলবার নবীগঞ্জ শহরে এ ঘটনাটি ঘটে। প্রতারক শেখ মো. খোকন মিয়া (৩০) বানিয়াচং উপজেলার নন্দিপাড়া গ্রামের মৃত এসকে জালাল আহমেদের ছেলে। সামিয়া টেলিসপের মালিক মিজানুর রহমান বলেন- ‘খোকন মিয়া আমার দোকানে এসে একটি নাম্বার দিয়ে ১০ হাজার টাকা ‘ক্যাশইন’ করতে বলে। ‘ক্যাশইন’ করার পর সে তার মোবাইল ফোন চার্জ করার জন্য আমার হাতে দেয়। মোবাইল চার্জে লাগানোর পর প্রস্রাব করার কথা বলে চলে যায়। অনেক্ষন হয়ে গেলেও সে আর না আসায় আমার সন্দেহ হয়। তখন তার মোবাইলে হাত দিয়ে দেখি ফোন চার্জে রয়েছে। কিন্তু মোবাইলে কোন সীম নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুজির পর সন্ধ্যায় ছালামতপুর থেকে প্রতারককে আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতারক খোকনকে আটক নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার উপপরির্দশক (এসআই) মহিউদ্দিন রতন বলেন- ‘খোকন যে সিমে টাকা নিয়েছিল সেই সিমটি তার কাছেই পাওয়া গেছে। এবং সিমের মধ্যে বিকাশ একাউন্টে টাকাও রয়েছে।

নুরুজ্জামান ফারুকীঃ  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী ইয়াসমিনের হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। অপহরণকারীর হাত থেকে বাঁচতে ৩ অক্টোবর চলন্ত সিএনজি অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে রাস্তায় পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ইব্রাহিম মিয়া নামে একজনকে গ্রেফতার করার পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যুর রহস্যের জট খুলেছে।

উপজেলার রাজনগর গ্রামের মালু মিয়া ছেলে ইব্রাহিমকে (১৪) মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে রোববার রাতে মনতলা থেকে গ্রেফতার করে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক গোলাম দস্তগীর আহমেদ।

সোমবার বিকালে ইব্রাহিমকে হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা। সেখানে ইব্রাহিম ১৬৪ ধারায় ইয়াসমিনের মৃত্যুর ঘটনায় তার জড়িত থাকার বিষয়ে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে ইব্রাহিম জানান, রাজনগর গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মোবারকের (২৫) সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মেরাশানী গ্রামের ইয়াসমিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মোবারক  সম্পর্কে ইব্রাহিমের মামা হয়। পেশায় সিএনজি চালক। ঘটনার দিন ৩ অক্টোবর সকালে মোবারক ইব্রাহিমকে ডেকে নিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় করে মনতলা রেললাইন এলাকায় যান। এর কিছুক্ষণ পর অটোরিকশায় এসে উঠে ইয়াসমিন।

গাড়িতে ওঠার পরই অটোরিকশাচালক মোবারক ইয়াসমিনকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু ইয়াসমিন ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাকে নামিয়ে দিতে বলে।

এ সময় সে বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশা চালাতে থাকে। এ সময় আতঙ্কে ইয়াসমিনের চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তায় ঝাঁপ দেয় ইয়াসমিন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় মোবারক গাড়ি নিয়ে মাধবপুর হয়ে আদাঐর চলে আসে।

এলাকাবাসী ইয়াসমিনকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইয়াসমিনকে বহনকারী সিএনজি অটোরিকশা রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আটক করেছেন। এ ঘটনায় ইয়াসমিনের মা আয়েশা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালতের নির্দেশে মাধবপুর থানায় ১৫ অক্টোবর মামলাটির এফআইআর হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় থানার পরিদর্শক তদন্ত গোলাম দস্তগীর আহমেদকে।

এর পরই তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবারকের সহযোগী  ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করে। মাধবপুর থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মাদ্রাসাছাত্রী ইয়াসমিনের মৃত্যুর রহস্যের জট খুলেছে। গ্রেফতারকৃত একজন আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনার মূল হোতা মোবারককে শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জঃ  নবীগঞ্জে কাতার নেয়ার নামে জাল ভিসা দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার নবীগঞ্জ উপজেলার নারাইন্দি গ্রামের মনর মিয়ার ছেলে রুমেল আহম্মেদ বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হলো, নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে মোঃ খালেদ মিয়া, তার ভাই মাহমুদ মিয়া ও এক ই উপজেলার নারাইন্দি গ্রামের নানু মিয়ার ছেলে ছালিক মিয়া।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, মামলার বাদী রুমেল আহম্মেদকে মামলার ১নং আসামী খালেদ মিয়া কাতার নেয়ার জন্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে মৌখিক চুক্তি হয়। কথা অনুযায়ী গত ১৬ জুন প্রথমে ৫০ হাজার টা dকা ও পাসপোর্ট দিয়ে দেন। এর পর ২৫ জুলাই রুমেলকে নিয়ে ঢাকায় ট্রেনিং করানো হয়। এরপর ২০ আগস্ট বাকী ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ভিসার একটি ফটোকপি দেয় ১নং আসামী। এরপর তাকে চাপ প্রয়োগ করলে তিনি জানান ধৈর্য ধর কিছুদিনের মধ্যে বিদেশ পাঠানো হবে। এক পর্যায়ে বাদী ভিসা সঠিক আছে কিনা এমবিসিতে যাচাই করলে তারা জানান ভিসাটি জাল। এরপর ১নং আসামী খালেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি টালবাহানা শুরু করে এবং ভিসা জাল বলে স্বীকার করেন এবং টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

কিন্তু টাকা ফেরত না দেয়ায় এ নিয়ে বেশ কয়েকবার  শালিস বিচার বৈঠক হলেও কোন সমাধান হয়নি ফলে বাধ্য হয়েই গতকাল আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলা গ্রহন করে সিআইডি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

কে এস এম আরিফুল ইসলামঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন রামনগর গ্রাম থেকে র‍্যাব-৯ সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প) এর অভিযানে ৪০ বোতল বিদেশী মদসহ চন্দন কুর্মি এবং স্বপন রাজ ভল্লব নামে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার (২০শে অক্টোবর) রাতে এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প)এর একটি অভিযানিক দল কোম্পানি কমান্ডার মেজর আহমেদ নোমান জাকি’র নেতৃত্বে রামনগর গ্রাম থেকে ৪০ বোতল বিদেশী মদ এবং তাদের ব্যবহারিত সিএনজি ()ও একটি মোবাইল সেটসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার লাখাইছড়া চা বাগানের বাসিন্দা ধনেশ কুর্মি’র ছেলে চন্দন কুর্মি (৩৪), অপরজন একই উপজেলার সীশেলবাড়ী চা বাগানের বাসিন্দা পিন্টু রাজ ভল্লব এর ছেলে স্বপন রাজ ভল্লব (১৮)।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আহমেদ নোমান জাকি এ প্রতিনিধিকে বলেন, “আমরা এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, একটি সিএনজিতে করে দুই মাদক কারবারি ৪০ বোতল মাদক বহন করছে বিক্রির জন্য। আর এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করি এবং তাদেরকে আলামতসহ গ্রেফতার করি।
আমি আশাকরি আপনারাও যদি আমাদেরকে এভাবে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা সবসময়ই দেশ ও জনগণের কল্যাণে পদক্ষেপ নিতে পিছপা হব না।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আলামতসহ আসামীদেরকে স্থানীয় থানায় প্রেরন করেন।

মাদকসহ উদ্ধারকৃত সিএনজ

পিন্টু অধিকারী মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি বাবুল হোসেন খাঁন নৌকা প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মোট ২৪হাজার ৬শ ৪৭ জন ভোটেরের মধ্যে ১৬হাজার ৭০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। মোট ৬৫.২০ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন। এরমধ্যে নৌকা প্রতিক নিয়ে বাবুল হোসেন খান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পারভেজ হোসেন চৌধুরীর চেয়ে ৯শ ৬২ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন। বাবুল হোসেন খানের প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৩শ ৩ ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পারভেজ হোসেন চৌধুরী পেয়েছে ৬হাজার ৩শ ৪১ভোট। এছাড়া সতন্ত্র প্রার্থী আলফাজ মিয়া পেয়েছে ২হাজার ২শ ৫০ ভোট। ১শ ৭৬ টি ভোট বাতিল হয়েছে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি বাবুল হোসেন খান বলেন, জনগণ উন্নয়ন চায়, বেঁচে থাকার গ্যারান্টি চায়, স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপনের নিশ্চয়তা চায়, তাই নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জনগন নৌকায় ভোট দিয়ে ও দিনের শেষে আমরা বিজয়ের হাসি এনেছি। আপনাদের সুখে-দুঃখে সব সময় আমি পাশে আছি ও থাকব। সবার সহযোগিতা পেয়ে আমি,৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করব। আপনাদের মূল্যবান ভোটই দিয়ে নৌকা প্রতীক বিজয়ী । জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ধর্ষন এবং বলাৎকার বর্তমানে বেশ পরিচিত একটি কর্ম যেটি কারো জন্য নগণ্য আবার কারো জন্য জগন্য,এর একটি নারী সংশ্লিষ্ট বলে সবাই আওয়াজ তুলে কিছুদিন বলাবলি করে পরে যেই লাউ সেই কদু! কিন্তু বলাৎকার একটি জাতি ধ্বংসের ঘৃণ্য ইতিহাস হলেও অনেকেই এটাকে ধর্মীয় কারণে অতি নগণ্য বলেই মনে করে। আদৌ বিষয়টির একটি শেষ সৃষ্টি হচ্ছে ধর্ষক জন্ম দেওয়া যা গবেষণা করলেই বেড়িয়ে আসবে বলে মনে করেন এক সাংবাদিক।তার ধারনা অপরাধীকে ধর্মের কলঙ্ক বা কোন গোষ্ঠীর মনে করে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা ধর্মের সাথে সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা করার নামান্তর। নিম্নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেওয়া একটি প্রবন্ধ গণসচেতনতার উদ্যেশ্যে হুবহু উল্লেখ করা হল।
“স্যার, ওরা তো খুব ছোট। তাই আমি সবসময় চেষ্টা করি, যেন ওরা বেশি ব্যথা না পায়। আমি তো ওদের শিক্ষক, ওরা ব্যথা পেয়ে কান্নাকাটি করলে আমার খুব কষ্ট লাগে”। ভাষ্যটি রাঙ্গুনিয়ার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক নাছির উদ্দিন (৩৫)এর। নিয়মিত অগণিত শিশুকে তার লালসার শিকারে পরিণত করলেও গ্রেপ্তার হবার পর আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ধর্ষিতদের প্রতি এমনই সদয় তিনি!!!
নাছিরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ফিরিস্তি শুনলে এই মায়াবাক্যাকে আপনার কাছে পরিহাসই মনে হবে। মাদ্রাসার হোস্টেলের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বে থাকার সুযোগ নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অনেক শিশু ছাত্রকেই নিয়মিত বিছানার সঙ্গী করেন তিনি। ঘটনা সংক্রান্তে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে যা বের হয়ে আসে, তাতে শিউরে উঠবেন যেকোনো বিবেকবান মানুষই। ধর্ষণ করার জন্য মূলত দশ বছরের নিচে বয়সী ছেলেশিশুদেরকেই টার্গেট করতেন তিনি। কোন শিশু তার আহ্বানে সাড়া না দিলে তাকে বাধ্য করার জন্য কারণে অকারণে তাকে বেধড়ক মারধোর করা হতো। যেহেতু সেখানে বেশিরভাগ শিশুই এতিম/দরিদ্র পরিবার থেকে আসা, শেষপর্যন্ত তার পক্ষে হুজুরের প্রস্তাবে হ্যাঁ বলা ভিন্ন কোন উপায় থাকতো না। নাছিরের ছেলেশিশু আসক্তি এমন পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিলো যে, বিষয়টি টের পেয়ে তার স্ত্রী তিন বছরের সন্তানকে নিয়ে তাকে ছেড়ে চলে যান।
ধর্ষিত শিশুর প্রতি সহমর্মি হবার পাশাপাশি নাছির আবার ভীষণ রকম নিয়মনিষ্ঠও। বিশৃঙ্খলা তার একদমই নাপছন্দ। তাই তো তিনি একেবারে রুটিন করে দিয়েছেন, ওস্তাদের খেদমতে কবে কখন কোন শিশু হাজির হবে। যেন সেই গল্পের অত্যাচারী সিংহের মতো, যে কিনা বনের পশুদের সাথে চুক্তি করেছিল যে, প্রতিদিন একটি করে প্রাণী খাবার হিসেবে তার নিকট চলে আসলে সে আর যারতার ওপর অত্যাচার করবে না। এই করে বেশ ভালমতোই চলে আসছিল শিক্ষকতার আড়ালে তার বেপরোয়া বিকৃত যৌনজীবন। ছাত্ররাও মারধর, হুমকিধামকির ভয়ে নীরবে নিশ্চুপে সব সয়ে যাচ্ছিলো।
ঝামেলা শুরু হয় গতকাল সন্ধ্যায়। এক অভিভাবকের কাছ থেকে প্রাথমিক অভিযোগ পাবার পর আমাদের বিশদ অনুসন্ধানে উঠে আসে বলাৎকারকারী নাছিরের গোপন বিকৃত যৌনজীবনের অবিশ্বাস্য সব খতিয়ান। তারপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের এবং মধ্যরাতে পরিচালিত আমাদের অভিযানে গ্রেপ্তার ভণ্ড হুজুর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর রীতিমতো ভোল পালটে ফেলেন তিনি। বারবার আমাদের নিকট দাবি করতে থাকেন, তিনি নাকি কাউকে জোর করে বিছানায় নিতেন না, ছাত্ররাই নাকি স্বেচ্ছায় তার সঙ্গ নিতে আসতো। যদিও গরিব ঘরের অসহায় ছেলেগুলোর সাথে দিনের পর দিন কোন কৌশলে, কি কি ঘটিয়েছে নরপশু নাছির, তা আমাদের অজানা ছিল না।
সুখের বিষয় হলো, আজ সকালে আদালতে পাঠানো হলে গ্রেপ্তারকৃত নাছির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে তার বিরুদ্ধে আনীত বলাৎকারের অভিযোগ স্বীকার করে নেন। পাশাপাশি বলাৎকারের শিকার শিশুদের মধ্যে চারজনও আদালতে উপস্থিত হয়ে তাদের উপর চালানো নির্মমতার বর্ণনা দেয়। ইনশাআল্লাহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই হবে তার। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ, আপনার শিশু ছেলে বা মেয়ে যাই হোক, তার নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় রাখুন। শিক্ষক হোক, আত্মীয় হোক কিংবা হোক প্রতিবেশী, আপনার সন্তানকে কারো অরক্ষিত শিকারে পরিণত হবার সুযোগ দিবেন না প্লিজ।
লেখকঃ Md. Anwar Hossan (Shamim Anwar),সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি),রাঙ্গুনিয়া সার্কেল , চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc