Thursday 22nd of October 2020 01:01:11 AM

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আদমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে কর্মশালা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজিত হয়েছে। এদিন বিকাল সাড়ে চারটায় স্থানীয় তেতই গাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি ফলজ চারা রোপনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়।পরে আদমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ জাকারিয়া হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশিদ মামুনের স ালনায় কর্মশালা ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ রিপুল।

সাবেক ও বর্তমান শতাধিক আওয়ামীলীগ.যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকের আলী সজীব। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এম,মুহিতুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকেরুল ইসলাম, কমলগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিংকু মল্লিক, সাবেক আদমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ আলী,সাধারণ সম্পাদক কাইয়ুম বক্ত প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজির বক্স,সাবেক আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ ভূইঁয়া, আদমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক এস,এম,রেজাউদ্দিন, আদমপুর ইউপি সদস্য কে,মনীন্দ্র সিংহ, বশির বক্স. স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হাজী জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।পরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক আনন্দ র‌্যালী আদমপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁ-৬ ( আত্রাই-রাণীনগর) আসনের উপ-নির্বাচনে ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী (নৌকা) আনোয়ার হোসেন হেলাল।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী বিএনপি’র শেখ রেজাউল ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১৭ ভোট। এনসিসি (আম) প্রার্থী ইন্তেখার আলম পেয়েছেন ৮০১ ভোট।

আত্রাই ও রানীনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে মোট ১০৪ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। এ বার ই প্রথম ইভিএম এর ব্যবহার হয় আসনে। ৩৬.৪ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম মারা গেলে আসনটি শূন্য ঘোষনা করা হয়।

নিজস্ব প্রতিনিধি:  শ্রীমঙ্গলে দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের আয়োজনে এবং শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল বিট পুলিশের এর তত্ত্বাবধানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটে পুলিশ জনতা- সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনাসহ বিভিন্ন এলাকায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে চন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহর তরপদারের সঞ্চালনায় শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুছ ছালেক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান আশিক। এ সময়  শ্রীমঙ্গল থানার অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট বিট-১২ নং এলাকাসহ বিভিন্ন বিট এলাকায় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ গণমাধ্যম কর্মীরাও সমাজের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ ওই সকল সমাবেশে অংশ নেন।

আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তার বক্তব্যে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান আশিক বলেন,সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ও ঘৃণ্য অপরাধে সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি নিশ্চিতকল্পে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ। তিনি আরও বলেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আদালতের মাধ্যমে এসব ঘৃণ্য অপরাধীর যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য্য, ৩নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানু লাল, সাংবাদিক মামুন আহমেদ ও শিক্ষিকা কাজী আসমাসহ প্রমুখ।

নূরুজ্জামান ফারুকী:  নবীগঞ্জ উপজেলায় দর্জি (টেইলারীর)কাজ শিখতে গিয়ে ফুফার যৌন লালসার শিকার হয়েছেন ১৬ বছর বয়সী এক তরুণী। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই ধর্ষণের ঘটনায় নবীগঞ্জ শহরজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। এ মামলায় স্বামী আজির উদ্দিন ও স্ত্রী নাজমা বেগমকে গ্রেফতার করেছে নবীগঞ্জ পুলিশ।

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার করগাও ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গুমগুমিয়া জনৈক তরুণী তার ফুফু নাজমা বেগমের ঘরে দর্জি ( টেইলারী ) কাজ শিখতে যায়। গত বুধবার সন্ধ্যার সময় নাজমার স্বামী আজির উদ্দিন ওই তরুণীকে অন্য একটি ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে । এতে সহযােগীতা করে নাজমা বেগম। নাজমা বেগম ওই ধর্ষনের ঘটনা তার মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারন করে। মেয়েকে বাড়ীতে আনতে নাজমার বাড়ীতে যান মামলার বাদী ওই তরুনীর মা। তখন তারা তাকে ঘরে প্রবেশ করতে বাধা দেয় এবং তরুণীকে আটকে রাখে। এক পর্যায়ে গ্রামের লোকজন নিয়ে গিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে নাজমা ও তার স্বামী আজিরের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেন । এ মামলায় নবীগঞ্জ থানার এস আই কামাল আহমেদসহ একদল পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে স্বামী স্ত্রী দুজনকে গ্রেফতার করেন । গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনর্চাজ আজিজুর রহমান।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  কুরআনুল কারীম মাদ্রাসার দ্বিতীয় বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী অত্র মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব শেখ রেশাদ আহমদের মৃত্যুতে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় ইসালে সওয়াব উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়,শ্রীমঙ্গল শহরের গরুর বাজার সংলগ্ন বাইতুস সালাম জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় পরিচালিত কুরআনুল কারীম মাদ্রাসার প্রায় ৮০ জনের অধিক ছাত্রদেরকে নানা গ্রেডে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এসময় অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম ইউসুফ ও মীর এম এ সালাম কাউন্সিলর ৭ নং ওয়ার্ড শ্রীমঙ্গল পৌরসভা প্যানেল মেয়র-২ ।

বক্তব্য রাখেন মীর এম এ সালাম,কাউন্সিলর ৭ নং ওয়ার্ড শ্রীমঙ্গল পৌরসভা প্যানেল মেয়র-২ ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অত্র মাদ্রাসার উপদেষ্টা নূরে আলম সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ মকবুল হোসেন। অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা এম এ রহিম নোমানী।
এসময় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ কুরআনুল কারীম মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীও ও তাদের অভিভাবকদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শিশু ছাত্ররা পবিত্র কুরআনুল কারীম থেকে তেলাওয়াত করে উপস্থিত মেহমানদের শুনান।

উপস্থিত কুরআনুল কারীম মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ।

পরিশেষে অত্র মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি শ্রীমঙ্গল শহরের মৌলভীবাজার রোডস্থ তরাজ ম্যানশনের মরহুম আলহাজ্ব শেখ রেশাদ আহমদ এর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা হাফেজ আবুল কালাম ইউসুফ।

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ  সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান হত্যায় অভিযুক্ত এসআই আকবারের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন ও সীমান্তে সতর্কতা জারী করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ও সীমান্তে বাড়তি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সীমান্তে কর্তব্যরত পুলিশ ও বিজিবি কর্মকর্তারা।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও বিস্তৃর্ণ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এ পথে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এজন্য দেশের অনান্য সীমান্তের পাশাপাশি বেনাপোল সীমান্তের ইমিগ্রেশন পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী বিজিবি সতর্কতা অবলম্বন করেছেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব জানান, এসআই আকবারের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা জারি করে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে একটি বার্তা এসেছে। কোনো কৌশল অবলম্বন করে সে যেন ভারতে পালাতে না পারে, তার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মিজানুর রহমান জানান, তারা সব ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সতর্ক থেকে কাজ করছেন। আর এ ধরনের খবর পেয়ে সীমান্তে কর্তব্যরতদের আরও সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মেডিকেলসহ কয়েক প্রকার ভিসায় বাংলাদেশিরা ভারতে প্রবেশ করছে এবং ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দেশে ফিরছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার মধ্যরাতে সিলেট কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্ত ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া রায়হান নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে কোতোয়ালি থানাধীন বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রেখে চাঁদার দাবীতে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করে তাঁর পরিবার। পরেরদিন সকালে তিনি মারা যান। নির্যাতনের সময় এক পুলিশের মুঠোফোন থেকে রায়হানের পরিবারের কাছে কল করে টাকা চাওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা সকালে ফাঁড়ি থেকে পরে হাসপাতালে গিয়ে রায়হানের লাশ শনাক্ত করেন। এ ঘটনার শুরুতে ওই ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ছিনতাইকারী সন্দেহে নগরের কাস্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে রায়হান নিহত হয়েছেন বলে প্রচার চালায়। কিন্তু গণপিটুনির স্থান হিসেবে যেখানকার কথা বলেছিল পুলিশ, সেখানে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্থাপন করা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায় এমন কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। এতে সন্দেহ হয় পুলিশের নির্যাতনের প্রতি।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জঃ  নবীগঞ্জে একটি জাল দলিল নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে তোলপাড়। রেজিস্ট্রিতে অবৈধ পথ ব্যবহার করায় দলিল লিখক ও সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌরসভার শিবপাশা মৌজার ৬৯৪ খতিয়ানের ১৫৫৬,১৫৫৭ দাগের ১২৯১ শতাংশের বাড়ী ও পুকুরের মূল মালিক পৌর এলাকার অনমনু গ্রামের মৃত ইছরান উল্লার পুত্র হিরন মিয়া। কাগজে কলমে এ জায়গার মূল মালিক হিরন মিয়া হলেও জাল-জালিয়াতি করে ৬৯৪ খতিয়ানের ১৫৫৬,১৫৫৭ দাগের ১২৯১ শতাংশের তিন শতক ৬৩ পয়েন্ট জায়গা মধু বিবি নামে এক মহিলা দলিল লিখক আব্দুর রকিবের মাধ্যমে জাল দলিল করে নেন। জুলাই মাসের ১৩ তারিখ সম্পাদিত ২৩০৬ নং জাল দলিলে নবীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নির্মল বমন বিশ্বাসের স্বাক্ষরও পাওয়া যায়। জাল দলিলটির রেজিস্ট্রিতে সাক্ষ্য দেন মধু বিবির পুত্র জিকু আহমেদ ও সোয়া মিয়া চৌধুরীর পুত্র উজ্জ্বল আহমেদ চৌধুরী।

জাল দলিল কিভাবে রেজিস্ট্রি করা হল, জানতে চাইলে সাব-রেজিস্ট্রার নির্মল বমন বিশ্বাস বলেন, ‘দলিল জাল কি না, এটা আমার দেখার বিষয় নয়। দলিল লিখকরা আমার কাছে রেজিস্ট্রি করতে নিয়ে আসলে স্বাক্ষর করে দেই।’

সচেতনমহল মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা রক্ষক হয়ে যদি বক্ষকের কাজ করেন তাহলে সমাজের পরিণতি ভয়াবহ হতে বাধ্য

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: গত এক সপ্তাহ ধরে নওগাঁর আত্রাইয়ের হাটসহ বিভিন্ন খুচরা বাজারে দফায় দফায় কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। বৃষ্টি ও বন্যার অজুহাত দেখিয়ে কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা। অথচ সপ্তাহ খানেক আগে এই কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার পেছনে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন হাটের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহখানেক ধরে বাজারে দফায় দফায় দাম বেড়ে যেন কাঁচা মরিচের ঝালে ক্রেতাদের চোখে পানি এসে গেছে। হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম এতে বেশি বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের ক্রেতা ওমর ফারুক জানান, গত মঙ্গলবার হাটে এই কাঁচা মরিচ কিনেছি প্রতিকেজি ৬০ টাকা, সেই মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২৫০ টাকা। এত দাম বাড়ার কারন কি জানতে চাইলে তিনি অধিক মুনাফালোভি ব্যবসায়ীদের কারসাজি হতে পারে বলে অভিযোগ করে বলেন, কাঁচা মরিচের দামে যেন আগুন লেগেছে।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষা মৌসুমের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগাম বন্যা হওয়ায় কাঁচা মরিচের ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এখন বিভিন্ন এলাকা থেকে যে পরিমাণ কাঁচা মরিচ বাজারে আসছে তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতির কারণে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে।

তারা আরও বলেন, পাইকারী বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তাই তারাও বেশি দামে বিক্রি করছেন। এখানে তাদের কিছু করার নেই।

তবে ক্রেতারা বলেছেন, মৌসুমের শেষে দাম একটু বাড়তে পারে। তাই বলে মৌসুমের ৫০/৬০ টাকার কাঁচা মরিচ এখনই ২৫০ টাকা হবে! তাহলে সারাবছর কাঁচা মরিচের দাম কত হবে?

বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়িয়েছেন অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, প্রতিটি সবজি বিক্রেতার দোকানেই যথেষ্ট পরিমাণ কাঁচা মরিচের মজুদ আছে। এমনিতেই ৬০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মেলে না। তার ওপর কাঁচা মরিচের দাম এতো বেশি।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শেষ পর্যায়ে জোরেশোরে চলছে ইউনিয়নের উপ নির্বাচনের প্রচারণা।মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১ নং মির্জাপুর ইউনিয়ন ও ২ নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান যথাক্রমে আবু সুফিয়ান চৌধুরী ও চেরাগ আলীর মৃত্যুতে নির্ধারিত সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত উপনির্বাচনের প্রার্থী যাচাই-বাছাই করার পর প্রতীক দেওয়ার পর থেকে শুরু হয়েছে ইউনিয়ন দুটিতে ব্যাপক প্রচারণা।

সরেজমিনে ইউনিয়ন দুটি ঘুরে দেখা যায় প্রার্থীরা পথসভা, উঠান বৈঠক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত রয়েছেন। সমর্থকরাও নিজ নিজ প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা করে চলেছেন। তবে মির্জাপুর ইউনিয়ন থেকে ভূনবীর ইউনিয়নের নির্বাচনী প্রচারণা বেশ জোরেশোরে চলছে। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা ৮ টা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা লক্ষ করা যায়। এখন ভোটারদের প্রশ্ন শ্রীমঙ্গের ১ নং মির্জাপুর ইউপির উপ নির্বাচনে কে হচ্ছেন নতুন চেয়ারম্যান ?

১নং মির্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, গ্রামের বিভিন্ন রাস্তায় সিএনজি যোগে মাইক দিয়ে গান বাজিয়ে,গ্রাম্য বাজারে খণ্ড খণ্ড মিছিলের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছে প্রার্থীরা।  সাবেক মেম্বার বর্তমান চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপির দলীয় প্রার্থী ধানের শীষ মার্কা নিয়ে প্রতিপক্ষ সরকারী দল আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অপুর্ব চন্দ্র দেবের সাথে প্রতিদন্ধিতা করছেন।

বিএনপির দলীয় প্রার্থী চেয়ারম্যান প্রার্থী সুফি মিয়া ধানের শীষ মার্কা নিয়ে বৈঠকের প্রাক্ষালে তোলা ছবি।

নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে মোঃ সুফি মিয়ার সাথে কথা হয় এ প্রতিনিধির। বৃহস্পতিবার বিকেল বেলায় তাকে ফোন দিলে পরিচয় জানতে চান একপর্যায়ে পরিচয় দেওয়ার পর তিনি প্রথমে কিছুটা অনীহা দেখালেও একসময় নিজেই মির্জাপুর বাজারে চলে আসেন এবং তার সাথে কথা হয়। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন আমি অতীতেও জনসেবা করেছি এবং এখনও জনসেবা করার উদ্দেশ্যেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি আমার তেমন অর্থকরী নেই, তাছাড়া নির্বাচনে অতিরিক্ত পয়সা খরচা করার ইচ্ছাও নেই, পয়সা খরচ করলে পয়সা তুলতে হবে। নির্বাচনে কোনো বাধা-বিপত্তি সরাসরি নেই প্রচার-প্রসারের কোন সমস্যা হচ্ছে না, আমি আশা করি জনগণ আমাকে মায়া করবে এবং আমি নির্বাচনে জয়ী হব ইনশাল্লাহ, এ ইউনিয়নের হিন্দু-মুসলিম আমরা সবই এক আমরা একে অপরের বিপদে এগিয়ে যাই আমাদের সম্পর্ক ভালো, ধর্মের কারণে আমাদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ নাই।আমরা সবাই মির্জাপুর বাসি এটাই আমাদের পরিচয়।যদি এলাকাবাসী আমাকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেন তাহলে আমি মির্জাপুরকে একটি দুর্নীতি মুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে উদাহরণ তৈরি করতে চাই।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন অপূর্ব দেব যদি ও ওনাকে কয়েকবার ফোন করা হয়েছে তিনি রিসিভ না করায় তার সাথে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা হলে,তাদের অনেকেই প্রত্যাশা করেন যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি যেন এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে চেষ্টা করেন এবং নির্বাচনে যেন কোন প্রকার কারচুপি না হয়।তবে ইউপির উপ নির্বাচনে কে হচ্ছেন চেয়ারম্যান ? তার জন্য আমাদের আরও তিন টি দিন অপেক্ষা করতে হবে।

উল্লেখ্য,ইতিমধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম,সিনিয়র এএসপি আশরাফুজ্জামান ও থানার ওসি আব্দুস ছালেকসহ প্রশাসনের স্থানীয় কর্মকর্তারা নির্বাচন নিরপেক্ষতার প্রয়োজনে সকল প্রকার আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। চলতি অক্টোবর মাসের ২০ তারিখে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন ও পন্য পরীক্ষনে নানা বিধ হয়রানির প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম  বন্ধ করে দিয়েছে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরকার।
স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে কোন কাজ করার পরিবেশ নেই। শুল্কায়ন গ্রুপের সুপারেনটেনডেন্ট মনে যা খুশি তাই করতে চাই। আমদানিকৃত পণ্যের একটি ফাইল গ্রুপে নিয়ে গেলে তারা ইচ্ছামত এইচএস কোড পরিবর্তন করে এবং ভ্যালু পরিবর্তন করতে চাই। তারা পূর্বের কোন এইচএস কোড বা পূর্বের কোন রেফারেন্স মূল্য, ডাটাশিট মূল্য মানতে চায় না। তারা জোর করে ১০% এর মাল ২৫% এ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ধরনের সমস্যা গুলো বেশি হচ্ছ বেনাপোল কাস্টমস এর ৩ নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপ এবং ৪ নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপে। এই দুই গ্রুপে কর্মরত দুই কাস্টমস অফিসারা এ ধরনের কাজ করে থাকেন। এসব গ্রুপে একের অধিক স্টাফরা ফাইল নিয়ে গেলে তাদেরকে অনেক সময় তাড়িয়ে বের করে দেয়া হয়। এসব নানাবিধ হয়রানীর কারনে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ৩ নম্বর গ্রুপ এবং ৪ নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপের কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এদিকে বেনাপোল কাস্টমস এর একটি পরীক্ষার গ্রুপ ইনভেস্টিগেশন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইআরএম) কর্তৃক পণ্য পরীক্ষা নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমদানিকৃত একই পণ্য এখন ৩ বার  পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। একবার ইন্সপেক্টর মাল পরীক্ষণ করে আসার পর সে পন্য আবার সুপারেনটেনডেন্ট পরীক্ষণ করতে যাচ্ছেন। এরপর রাতে ডেপুটি কমিশনার আবারও সেই একই মাল পরীক্ষণ করছেন। তিনবার আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষণ করার কারণে তিনবার লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই পন্য বারবার পরীক্ষণ করার কারণে সময় লেগে যাচ্ছে কয়েক দিন।একটি পণ্য পরীক্ষণ করে তার রিপোর্ট নিতে এখন সময় লাগছে ৭ থেকে ১০ দিন ।অনেক সময় ১৫ দিনও সময় লেগে যাচ্ছে । এসব হয়রানির প্রতিবাদে আমাদের কোন স্টাফ বেনাপোল কাস্টমস হাউসে কাজ করতে চাচ্ছে না। তাছাড়া আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাজ করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এসব হয়রানীর প্রতিবাদে আমদানিকৃত পণ্য পরীক্ষণ সহ শুল্কায়নের কাজ আমরা  বন্ধ রেখেছি।
 বেনাপোলে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, আমরা কাস্টমস অফিসার কর্তৃক পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছি। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। কাস্টমস অফিসারা মনে যা করবে সবকিছু মেনে নেয়া যায়না। তারা ইচ্ছামত শুল্কায়নে কাজ করছেন ।তারা কোনো এইচএস কোড ও রেফারেন্স বা ডাটাশিট মূল্য মানতে চান না।কাস্টমসের আইনে বলে ডাটা শিটে সর্ব নিম্ন মূল্যে আমদানিকৃত পণ্য অ্যাসেসমেন্ট করার কথা থাকলেও কাস্টমস অফিসারা সেটা মানেন না। তারা সব সময় উচ্চতর মূল্যে শুল্কায়ন করতে চাই। বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হাউসে ডাটাশিট মূল্য মানলেও ব্যতিক্রম শুধু বেনাপোল কাস্টমস হাউসে। বেনাপোলে মিনিমাম মূল্য, ডাটাশিট মূল্য বা রেফারেন্স মূল্য মানা হয়না। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা রাজস্ব টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইচ্ছামত পন্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করেন। ইচ্ছামত আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর এসব হয়রানির কারণে আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি ছেড়ে দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, বেনাপোল কাস্টমসে হয়রানির কোন শেষ নাই। মাল ঢুকা থেকে  শুরু করে পরীক্ষণ ও শুল্কায়নে নানাবিধ ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।  আমদানিকৃত একই পণ্য ৩ বার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। পরীক্ষণ করে রিপোর্ট নিতে সময় লাগছে ১০  থেকে ১৫ দিন । এরপর শুরু হয় শুল্কায়নে বিরম্বনা। শুল্কায়নে মানা হচ্ছে না পূর্বের কোন রেফারেন্স। এখানে মানা হয়না কোন রেফারেন্স মূল্য বা ডাটাশিট মূল্য। কাস্টমস অফিসার রা তার নিজেদের খেয়ালখুশি মতো মূল্য নির্ধারণ করে অ্যাসেসমেন্ট করার চেষ্টা করেন। এসব নানা বিধ হয়রানির কারণে আমদানিকারকরা এ বন্দর ছেড়ে অন্য বন্দর দিয়ে আমদানি করছেন। তাই বেনাপোলে ব্যবসায়ীরা কাস্টমস কর্তৃক নানাবিধ ও হয়রানির প্রতিবাদে পরীক্ষন সহ বেনাপোল কাস্টমস এর কয়েকটি গ্রুপে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন। শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে সরকার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কাস্টমস অফিসার কর্তৃক এসব হয়রানি মূলক কার্যক্রম বন্ধ না হলে আগামীতে এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

কালাপুর প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের অরাজনৈতিক সংগঠন গ্রীন কালাপুর কর্তৃক কাকিয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত আজ শুক্রবার বিকালে ফুটবল টুর্নামেন্টের ৭ম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। আজকের ম্যাচে দুটি পক্ষ একে অপরের মুখোমুখি হয়,টীম দুটি হলো ৭ নং ওয়ার্ড হাজীপুর ১নং ওর্য়াড সিরাজ নগর । দুটি দলের মধ্যেই তুমুল টান টান উত্তেজনা পূর্ণ খেলা চলে । খেলার ১৫ মিনিটের মাথায় ৭ নং
ওয়ার্ড ১ গোলে এগিয়ে যায়। দলের পক্ষে গোল করে সোহাগ কিন্তু খেলার ৩০ মিনিটের মাথায় ১ নং ওর্য়াডের দলনেতা সাজিম কর্ণার কীক থেকে দূর্দান্ত ১ গোলে ম্যাচের সমতায় ফিরায় এবং ম্যাচে চরম উত্তেজনা পূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়, কিন্তু খেলা শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে ৭ নং ওয়ার্ড দলনেতা ইমরান গোলকরে দলকে জিতিয়ে ২য় রাউন্ডে নিয়ে যায়।
আজকের খেলা দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন আনিসুল ইসলাম আশরাফী প্রধান সম্পাদক আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম ও সহ সভাপতি গ্রীন কালাপুর, মনির মিয়া ও ৬ নং ওর্য়াডের সদস্য ফিরোজ মিয়া। খেলার ফলাফল ২-১ গোলে জয়ী ৭নং ওর্য়াড।আজকের খেলা পরিচালনা করেন সুর্দশন দাস, মিজানুর রহমান ও আবুল কাসেম ।খেলার ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় ৭ নং ওর্য়াডের দলনেতা ইমরান ।ম্যান অব দ্যা ম্যাচ পুরস্কার তুলেদেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালেহ আহমেদ, জেলা পরিষদ সদস্য মশিউর রহমান রিপন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কালাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই, বিমল দেব, আবদুল মজিদ,দেলোয়ার মামুন, সালেহ আহমেদ, শিপুল চৌধুরী, কামরুল হাসান প্রমুখ। আগামীকালের ম্যাচ একই ইউনিয়নের ৫ নং ওর্য়াড বনাম ৮ নং ওয়ার্ড।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc