Thursday 22nd of October 2020 01:14:37 AM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের নিয়মিত তল্লাশিকালে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে ড্রাইভিং সিট এবং যাত্রী বসার সিট থেকে পলি বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় প্রায় ১০ কেজি গাঁজাসহ ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় সোহান মিয়া (২০) পিতা মণ্ড মিয়া,গ্রাম ইকরতরি চুনারুঘাটকে আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড এলাকা থেকে আটক করা হয়। এ সময় ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও রিকশাটিকে জব্দ করা হয়।

পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার বিধু ভূষণ দাস জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাকে আটক করা হয়, এসময় খালেদ মাহমুদ খান (টি আই) উপস্থিত ছিলেন।তবে ঘটনা স্থল বাহুবল থানায় হওয়াতে আমরা আসামী কে বাহুবল থানায় সোপর্দ করেছি।

এ ব্যাপারে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার বিধু ভূষণ দাস আরও জানান, ১০টি প্যাকেটে ১০ কেজির মত গাঁজা রয়েছে যার বাজার মুল্য প্রায় দের লক্ষ টাকা এবং আটক অটো রিক্সার মুল্য হবে প্রায় ৮০ হাজার টাকা।  নিউজ আপডেট

কালাপুর প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে “গ্রীন কালাপুর” সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত মাদকের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্যে ফুটবল টুর্নামেন্টের আজ তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
আজকের ম্যাচে দুটি পক্ষ একে অপরের মুখোমুখি হয়। টীম দু’টি হলো ২ নং ওয়ার্ড লামুয়া ও ৯ নং ওয়ার্ড নয়নশ্রী। দু’টি দলের মধ্যেই আক্রমণ পালটা আক্রমণ ছিলো দেখার মত। কিন্তু খেলায় দু’টি দলেরই জয়ের সম্ভাবনা থাকলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কোন দলই। দুই দলের গোলরক্ষদের অসাধারণ নৈপুণ্যের কারণে কারো বল গোল পোস্টে প্রবেশ করাতে পারেনি।

পরিশেষে গোল ০ খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। খেলার ফলাফল ২ নং লামুয়া ওর্য়াড ০ ৯ নং ওর্য়াড নয়নশ্রী ০ গোলে ড্র করে। আজকের খেলা পরিচালনা করেন সুর্দশন দাস আবুল কাসেম ও মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ।

খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় ২নং ওয়ার্ড লামুয়া গ্রামের দলনেতা মোহাম্মদ রিমন। আগামীকালের ম্যাচ ৪ নং ওয়ার্ড বনাম ৭ নং ওর্য়াড। ধারণা করা হচ্ছে আগামী কালকের খেলাতে ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
উল্লেখ্য গ্রীন কালাপুর একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে একত্রিত করে মাদক মুক্ত কালাপুর ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যেই এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন।

নূরুজ্জামান ফারুকী: অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক প্রভাকর’ এর ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে, ২০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন মাধবপুর উপজেলার ১১নং বাঘাসুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন আহম্মদ।

মামলার আসামিরা হলেন, দৈনিক প্রভাকরের সম্পাদক মো. আব্দুল হালীম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. সহিবুর রহমান, বার্তা সম্পাদক আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ ও প্রতিবেদক শেখ সাহাউর রহমান বেলাল।

১৪ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (আমল-৬) আদালতে ১০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ৩০ আগস্ট ও ৩ সেপ্টেম্বর দুটি সংবাদ প্রকাশ করে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রভাকর। এতে বাঘাসুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন আহম্মদের পারিবারিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে ২০ কোটি টাকা মূল্যের মানহানি হয়েছে।

এই চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দৈনিক প্রভাকরের বার্তা সম্পাদক আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ। তিনি বলেন, দুর্নীতি অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় বাঘাসুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন আহম্মদ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

এদিকে, মামলা দায়েরের ঘটনায় হবিগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

সিলেট নগরীর স্টেডিয়াম মার্কেটস্থ ডা. আবদুল গফ্ফারের চেম্বারে সহকারী হিসেবে চাকরি করতেন। সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়ার গুলতেরা মঞ্জিলের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। এক শিশু সন্তানের পিতা রায়হান। এক দেড় বছরের মধ্যে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে চলে যাবার কথা ছিলো তার। রায়হানের আমেরিকা প্রবাসী বোন আবেদন করেছিলেন তার পক্ষে। রায়হানের সকল স্বপ্ন চোরাবালিতে মিলিয়ে গেল। তার মৃত্যুর রহস্য বের করা পুলিশের অবশ্য কর্তব্য। দেশবাসী জানতে চাই এর মূল কারণ।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরের কোন এক সময়ে রায়হান পৃথিবীর মায়া ছিন্ন করে চলে গেছেন পরপারে। পরিবারের অভিযোগ ছিনতাইকারী বানিয়ে রায়হানকে পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করেছে।

অন্যদিকে রায়হানের মৃত্যুর পর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ভিন্ন কথা। তারা বলেছে- ছিনতাইকালে নগরীর কাস্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে। কোনটি সত্য এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ তোলার পর তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

নগরীর ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও রায়হানের প্রতিবেশি মখলিছুর রহমান কামরান দৈনিক সিলেট পত্রিকার প্রতিবেদককে জানান, রায়হান তার এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। সে নিজেও অত্যন্ত ভদ্র স্বভাবের ছেলে। তিনি পুলিশের দাবীকে অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। পুলিশ বলছে সকাল ৭ টায় সে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে অথচ রায়হান বন্দবাজার পুলিশ ফাঁড়ি হতে পুলিশের নাম্বার থেকে ফোন দিয়েছে ভোর ৪টার সময়।

এসময় টাকা নিয়ে এসে তাকে বাঁচাবার জন্য তার পরিবারকে আবেদন জানায়। তিনি বলেন গণপিটুনীতে কেউ মারা গেলে তার শরীর, হাত এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকে। রায়হানের সে রকম কোন চিহ্ন নেই। রায়হানের আঙ্গুলের নখ উঠানো এবং হাটুর নিচে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তিনি বলেন পুলিশ নিরপরাধ এই যুবককে হত্যা করে নাটক সাজিয়েছে।

রায়হানের মা সালমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, কর্মস্থল চিকিৎসকের চেম্বার থেকে ফিরতে দেরি দেখে শনিবার রাত ১০টায় রায়হানের মোবাইলে ফোন দেন মা ও স্ত্রী। কিন্তু ফোন বন্ধ পান। ভোর ৪টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোনে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে কল দিয়ে রায়হান জানায় পুলিশ তাকে ধরে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নিয়ে এসেছে। এখন তার কাছে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করছে। টাকা দিলে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিবে।

এ কথা শুনে রায়হানের মা তার চাচাকে ৪ হাজার টাকা দিয়ে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পাঠান। রায়হানের চাচা হাবিবুল্লাহ রোববার ফজরের সময় টাকা নিয়ে ভাতিজা রায়হানকে ছাড়িয়ে আনতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে যান।

এসময় সাদা পোষাকে ফাঁড়িতে থাকা এক পুলিশ সদস্য বলেন, ‘আপনার ১০ হাজার টাকা নিয়ে আসার কথা। ৪ হাজার টাকা কেন নিয়ে এসেছেন। আপনি চলে যান, রায়হান এখন ঘুমাচ্ছে এবং যে পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধরে নিয়ে এসেছেন তিনিও ফাঁড়িতে নেই। আপনি ১০ হাজার টাকা নিয়ে সকাল ৯টার দিকে আসেন। আসলেই তাকে নিয়ে যেতে পারবেন। তাকে আমরা কোর্টে চালান করবো না। ’

এ কথা শুনার পর রায়হানের চাচা বাসায় চলে যান এবং পরে সকাল ৯টার দিকে টাকা নিয়ে আবারও বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে যান।

এসময় পুলিশ সদস্যরা জানান, অসুস্থ হয়ে পড়ায় সকাল ৭টার দিকে রায়হানকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ খবরে হাবিবুল্লাহ তৎক্ষণাৎ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন রায়হানের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে।

রায়হানের বাবা নেই এক ভাই এবং দুই বোনের মধ্যে রায়হান সবার বড়। রায়হান ছিলেন বিবাহিত এবং এক শিশু সস্তানের জনক।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্ষিজোড়া এলাকা থেকে ৬ শত ২৫ পিস ইয়াবা ও স্বামী স্ত্রীসহ তিন জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিক মাইজপাড়ার রংগু মিয়ার বাড়ি থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন মো: গোলাম সারোয়ার (২৬) পিতা আব্দুল মুহিত,নাইমা আক্তার লিপি (২২) স্বামী গোলাম সারোয়ার ,মাহমুদুর রহমান ইয়াসিন (২৪) পিতা আলিমুর রহমান ।
মৌলভীবাজার জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. এমদাদুল্লাহ জানান, গোপন সংবাদের ভিতিত্তে সদর থানার মাইজপাড়া এলাকার রংগু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৬ শত ২৫ পিস ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করা হয় । তারা রংগু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকত বলে তিনি জানান।তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশ্রফ আলী, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নে তার আবা‌স। ধলাই নদীর পাড় ঘেঁষে কাটাবিল গ্রামে একটি জীর্ণ কুঁড়ে ঘরে স্ত্রী, নাবালক ছেলে মেয়ে নিয়ে তার  সংসার । সারাদিন বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে তাজা শাকসবজি কিনে সন্ধ্যায় বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গতবছর প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ঘরে পড়ে রইলেন বহুদিন । তার শরীরের বাম অংশ অবশ অচেতন। ভিটেমাটি বিক্রি করে সাধ্যমত চিকিৎসা করালেও কোন লাভ হয়নি। স্ত্রী সন্তানদের খাবার যোগাবেন নাকি নিজের চিকিৎসা করাবেন সে চিন্তায় অস্থির আশ্রফ আলি আধপেটা খেয়ে না খেয়ে অনেকদিন বিছানায় পড়ে ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত কোন উপায় না পেয়ে লাঠি হাতে ভিক্ষায় বেরিয়ে গেলেন। হাত পেতে যা পান তা দিয়েই সংসার চালান।

তিনি বলেন, ভিক্ষা করতে লজ্জা লাগে, কিন্তু কি করব ?এছাড়া যে উপায় নেই। প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা সরকারি কোন সাহায্য তার কপালে জোটেনি। তবে হিড বাংলাদেশ নামক একটি এনজিও থেকে মাসিক ৫০০ টাকা করে পান তিনি। আশরাফ আলীর জীবন যেভাবেই যাক তার স্বপ্ন ছিল নাবালক ছেলেটিকে লেখাপড়া করিয়ে মানুষ করবেন। তার সে স্বপ্ন পূরণের জন্য সরকার সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ:  হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অপহরণের পর একদিন আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৯ অক্টোবর এই ঘটনায় গতকাল রাতে ধর্ষিতার মা অভিযুক্ত দুই জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই পৌরশহরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করেন।

আটককৃতরা হলেন চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের জিকুয়া গ্রামের আকল মিয়ার ছেলে টমটম চালক শাহাব উদ্দিন (২০) ও একই গ্রামের জলিল মিয়ার ছেলে মঈন উদ্দিন (২৫) ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার বগাডুবি গ্রামের জৈনক গৃহবধূ বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি বিবাড়ীয় জেলার আখাউড়া যাওয়ার উদ্দ্যেশ্যে স্থানীয় রাজার বাজার স্ট্যান্ডে এসে শাহাব উদ্দিনের টমটমে উঠে শায়েস্তাগঞ্জের দিকে রওনা দেন। সাথে ছিল শাহাব উদ্দিনের সহযোগী মঈন উদ্দিন। তারা ওই গৃহবধূকে একা পেয়ে তুলে নিয়ে হাতুড়াকান্দি মঈন উদ্দিনের খালার বাড়ি নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরদিন ওই গৃহবধূ কৌশলে তাদেরকে নিয়ে চুনারুঘাটে আসে। এসময় স্থানীয়রা তাদেরকে আটক করে পু্লেিশ খবর দেন। গতকাল রাতে চুনারুঘাট থানার এসআই সম্রাটের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন।
মামলার বাদী মা জানান, ৬ মাস পুর্বে আখাউড়া নতুন পাড়া মৃত তফন মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। গত ৯ অক্টোবর দুপুরে তার স্বামীর বাড়ি যাওয়ার জন্যে বের হয়। স্ট্যান্ডে এসে শায়েস্তাগঞ্জে যেতে শাহাব উদ্দিনের টমটমে ওঠে। টমটম চালক শাহাব উদ্দিন তাকে শায়েস্তাগঞ্জ না নিয়ে মঈনউদ্দিনকে সাথে নিয়ে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে একদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

পরে আমার মেয়ে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে এসে আমাদেরকে ঘটনা জানায়। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার চুনারুঘাট থানায় এসে মামলা দায়ের করেছি বলে জানান তিনি। থানা পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে ওই গৃহবধূকে আজ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়। এ ব্যাপারে ইন্সপেক্টর তদন্ত চম্পক দাম জানান, মামলা গ্রহণ করে আসামী দুইজনকে অপহরণ ও ধর্ষনের দায়ে জেলহাজতে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোব মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদল।
রবিবার (১১,১০,২০২০) বিকালে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্য্যালয়ের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
এসময় বক্তব্য রাখেন,তাহিরপুর উপজেলা বিএনপি নেতা বশির আহমদ,তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাদল মিয়া, তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি  কারিউল কবির, উপজেলা যুবদল নেতা আবুল ইসলাম,আবুল কালাম,রফিকুল ইসলাম, মালু মিয়া, রমজান আলী, সবুজ মিয়া, শালম মিয়া আল আমিন,জমির হোসেন,তোফায়েল আহমেদ,তৌফিক মিয়া, হাফিজ উদ্দিন, এমদাদুল হক।
উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি সফিক মিয়া,সাধারন সম্পাদক আল-আমীন গণি,উপজেলা ছাত্রদল নেতা আরিফ আহমেদ তালুকদার, সুহেল কবির,হৃদয়, আকরাম,  অভি আহমেদ, রুবেল মিয়া ওয়াজিউর রহমান শাহি,শেখ সারোয়ার শোভন,ঋতুরাজ বর্মন, জয়নাল আবেদীন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল নেতা  জসীম উদ্দিন উদ্দিন চয়ন, রমজান আলম খান, আল আমিন সায়েম প্রমূখ।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে একই দিন পৃথক জায়গা থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে আব্দুর রহমান(৬৩) আট দিন আগে এবং অপরজন হাজি রফিকুল ইসলাম গত শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন । এ ঘটনায় উভয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় পৃথক সাধারন ডায়েরী দায়ের করা হয় ।

রোববার সকালে উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের কচুয়া বিল থেকে পুলিশ আব্দুর রহমানের এবং বেলা ১১টার দিকে ভোঁপাড়া ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা ইসরাফিল আলম সেতুর পাশের খাল থেকে হাত,পা ও মূখ বাঁধা বস্তাবন্দি অবস্থায় রফিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুর রহমান এবং রফিকুল ইসলাম দুজনের বাড়ি উপজেলার বাঁকা গ্রামে । তবে রফিকুল ইসলাম উপজেলার খোলাপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বাস করতেন ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহমান গত ৪ অক্টোবর রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে আত্রাই যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে যায়। এর পর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরিবারের লোকজন অনেক সন্ধান করে কোথাও তাঁর সন্ধান না পেয়ে আত্রাই থানায় জিডি দায়ের করেন। রোববার সকালে উপজেলার কচুয়া বিলে একটি লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে আব্দুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা তাঁর লাশ সনাক্ত করেন ।

অপরদিকে রফিকুল ইসলাম শুক্রবার এশার নামাজ পড়ার পর খোলাপাড়া মসজিদে তাবলীগ জামাতের কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেন। এক সময় তাঁর মুঠোফোনে একটি কল আসলে তিনি ১০ মিনিট পরে আসছি বলে মসজিদের মুসল্লীদের নিকট থেকে বিদায় নিয়ে বাইরে চলে যান। এরপর রাত গভীর হলেও তিনি মসজিদ বা তাঁর নিজ বাসায় ফেরেন নি। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বাসায় না পৌঁছায় এবং তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সকলের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পরে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ সকল জায়গায় সন্ধান করে রফিকুল ইসলামের কোন সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামের স্ত্রী দৌলতুন্নেছা শনিবার সকালে আত্রাই থানায় একটি জিডি দায়ের করেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সোনাইডাঙ্গা ইসরাফিল আলম সেতুর পাশের খাল থেকে হাত,পা ও মূখ বাঁধা অবস্থায় রফিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে ।

এ ব্যাপারে রফিকুলের ছোটভাই সিদ্দিকুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, তাঁর ভাতিজি এবং জামাইয়ের সাথে বড়ভাইয়ের টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল । এ কারনে আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে ।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ দুটি হত্যাকান্ডের কারন উৎঘাটনে কাজ করছে পুলিশ । মামলার প্রস্তুতি চলছে । রবিবার সকালে লাশ দুটি উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কালাপুর প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের অরাজনৈতিক সংগঠন “গ্রীন কালাপুর” ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ এর আজ দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। আজকের ম্যাচে দুটি পক্ষ একে অপরের মুখোমুখি হয়। টীম দুটি হলো ৫নং কালাপুরের ৩নং ওর্য়াড কালাপুর বনাম ৮ং ওর্য়াড বরুণা দুটি দলের মধ্যেই তুমুল লড়াই চলে আসছিল। কিন্তু খেলার প্রথমে কালাপুর একটি সুযোগ পায় আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কালাপুর গোল আদায় করে নিয়ে প্রথম হাফএনআওয়ার শেষ করে।

কালাপুরের পক্ষে গোল করে দলনেতা সৌরভ। দ্বিতীয় হাফএন আওয়ারে তুমুল লড়াই চলে, বরুণা কয়েকটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি কালাপুরের গোলরক্ষকের অসাধারণ নৈপুণ্যের কারণে। এভাবেই খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

খেলার ফলাফল কালাপুর ১-০ গোলে জয়লাভ করে। আজকের খেলা পরিচালনা করেন মিজানুর রহমান, আবুল কাসেম ও সুর্দশন দাস।খেলার ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় কালাপুরের গোলরক্ষক তোফায়েল আহমেদ। আগামীকালের ম্যাচ ২নং ওর্য়াড লামুয়া বনাম ৯নং ওর্য়াড নয়ন শ্রী।

পুর্বের সংবাদের লিঙ্ক দেখুন

শ্রীমঙ্গলে ‘গ্রীন কালাপুর’ সংস্থার ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc