Thursday 22nd of October 2020 06:23:40 PM

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকে: বানিয়াচংয়ে এক তরুণীকে (১৭) রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করার জন্য ছেলের হাতে তুলে দিলেন বাবা। এ সময় ওই তরুণীকে পিটিয়ে জখম করা হয়। এরপর রাতভর ধর্ষণ করে ছেলে এমন অভিযোগ উঠলেও একটি সূত্র বলছে ভিন্ন কথা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রোববার বিকেলে গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের লোকজন। বানিয়াচং উপজেলার বড়কান্দি গ্রামের ভুক্তভোগী ওই তরুণীর অভিযোগ- মাঝে মধ্যে সে বোনের বাড়ি একই উপজেলার দক্ষিণ সাঙ্গর গ্রামের বেড়াতে যেতেন। এ সময় ওই গ্রামের শাহাব উদ্দিনের ছেলে সজিব মিয়া (২২) তাকে উত্ত্যক্ত করত। গেল কয়েকদিন আগে সে আবার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। শনিবার সন্ধ্যায় সজিব মিয়ার বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় সেখানে কেউ না থাকার সুবাধে সজিব মিয়ার বাবা শাহাব উদ্দিন তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যান। পরে তার ছেলে সজিব মিয়াকে বিয়ে করার জন্য জোর করা হয় ওই তরুণীকে। এতে রাজি না হওয়ায় বাবা-ছেলে মিলে তাকে মারপিট করেন। এক পর্যায়ে তরুণীকে ছেলের হাতে তুলে দিয়ে শাহাব উদ্দিন ঘর থেকে বের হয়ে যান। রাতভর ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে সজিব।

এদিকে, ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজে পাননি। এক পর্যায়ে রোববার দুপুরে শাহাব উদ্দিনের বাড়ি থেকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতলে ভর্তি করেন। বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় পাশবিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী হাসপাতালের বিচানায় কাতরাচ্ছেন।

তবে একটি বিশ্বস্ত সূত্র বলছে ভিন্ন কথা- ধর্ষণের শিকার তরুণীর সাথে অভিযুক্ত সজিব মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে বিয়ের দাবিতে ওই তরুণী সজিবের বাড়িতে অবস্থান নেন। এ সময় সজিবের পরিবারের লোকজন তাদের মারপিট করে তাড়িয়ে দিতে চায়। কিন্তু ওই তরুণী না যেতে চাওয়ায় সজিব তার রুমে নিয়ে রাতভর তাকে ধর্ষণ করে।তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপর একটি সূত্র জানায় বিষয়টি প্রেমঘটিত হলেও মেয়েটি সেই সুযোগ নিয়েছে।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরান হোসেন বলেন- ‘বিষয়টি আমরা বিকেলে জানতে পেরেছি। ভুক্তভোগী তরুণী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের পরিত্যক্ত ভবনে এক গৃহবধুকে গণধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম কে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যম ও পুলিশের কাছে ভিকটিমের ভিন্নধর্মী বক্তব্যের কারনে ঘটনাটি নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের কালাভরপুর গ্রামের জনৈক গৃহবধু দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার সৈয়দপুর বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। কয়েক দিন আগে সে রহস্য জনক ভাবে নিখোজ হয়।

ভিকটিম গৃহবধু জানায়, রবিবার বিকেল ৫টায় সে শেরপুর থেকে একটি সিএনজি অটোরিক্সা যোগে আত্মীয় বাড়ীতে ফেরার পথে অজ্ঞাত অটো চালকসহ ৩জন যুবক তাকে হাত পা বেধে অপহরন করে গভীর রাতে আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের একটি পরিত্যাক্ত ভবনে নিয়ে পুর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আরো ৬/৭জন মিলে সংঘবদ্ধ ভাবে ধর্ষন করে। সকালে সিএনজি যোগে আবার তাকে আত্মীয়র বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এর পর স্থানীয় কিছু মাতব্বর ও জনপ্রতিনিধিরা আপস রফার চেষ্টা চালায়। ইতি মধ্যে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে গনধর্ষনের ঘটনাটি ভাইরাল হলে নবীগঞ্জ-বাহুবলের সার্কেল এ এসপি পারভেজ আলম চৌধুরী ও নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের দুইটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে ভিকটিম গৃহবধুকে উদ্ধারসহ তার বক্তব্য সংগ্রহ করেন।

এ সময় সংবাদকর্মী ও পুলিশের সামনে ধর্ষিতা গৃহবধু একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য দেন। কখনও বলেন ৭জন তাকে ধর্ষন করেছে কখনও বলেন ৩জন তাকে ধর্ষন করেছে। আবার কখনও তিনি ২১ থেকে ১৪জন তাকে ধর্ষন করেছে বলে বক্তব্য দেন। ফলে তার বক্তব্য নিয়ে পুলিশ ও উপস্থিত জনসাধারন ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান হারুন জানান, ওই মহিলার অসংলগ্ন বক্তব্যে আমরা বিষয়টি নিয়ে ধুম্রজালের মধ্যে পড়েছি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ-বাহুবলের সার্কেল এ এসপি পারভেজ আলম চৌধুরী বলেন, ওই গৃহবধুর ভিন্নধর্মী বক্তব্যের জন্য মুল ঘটনাটি উদঘাটন করতে আমাদের বিলম্ভ হচ্ছে। আমরা নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষন করে মুল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। রাতের মধ্যেই মুল ঘটনা উদঘাটন হবে বলে আমরা আশাবাদী। এদিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভিকটিম ও তার স্বামীকে থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: চুনারুঘাটে মা মেয়কে গণধর্ষণের ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে আসামি শাকিল মিয়া ও তার বন্ধু হারুন মিয়া। সোমবার বেলা ৩টায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুলতান উদ্দিন প্রধান এর আদালতে আসামিরা দায় স্বীকার করে এ জবানবন্দি দেয়। হবিগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক ওসি আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামিরা হলো জেলার চুনারুঘাট উপজেলার জিবধর ছড়া এলাকার সফিক মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া (২৫)ও একই এলাকার রেজ্জাক মিয়ার ছেলে হারুন মিয়া (১৯)। এর মধ্যে অন্যতম আসামি সালাউদ্দিন পলাতক রয়েছে। শাকিলের বরাত দিয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর তদন্ত জানান, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নিভৃত পাহাড়ি এলাকায় গত শুক্রবার গভীর রাতে গরমছড়ি ফরেস্ট এলাকায় মাজারে ঘুরতে যায় শাকিল হারুন ও সালাউদ্দিনসহ তার দলবল। সেখানে তারা হাত মুখ ধুয়ে মাজারের অদুরে পাহাড় বেষ্টিত পুর্বদিকের টিলায় জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে গৃহবধূকে চাচী বলে দরজা খুলতে বলে। পুর্ব পরিচিত ওই গৃহবধূ শাকিলকে চা-পান দেন।

এ সুযোগে শাকিলের নেতৃত্বে একদল যুবক হানা দিয়ে গৃহবধূ (৪৫) ও তার কন্যাকে (২৫) হাতে মুখে কাপড় বেঁধে গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর ভিকটিম মেয়ে বাদী হয়ে শনিবার রাতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে রবিবার বিকেলে চুনারুঘাট থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত চম্পক দাম এর নেতৃত্বে এসআই শেখ আলী আজহার ও এসআই মুসলিম উদ্দিনসহ একদল পুলিশ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করেন। হবিগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক ওসি আল আমিন জানান, আটককৃতদের আদালতে স্বীকারোক্তি শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মিনহাজ তানভির,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২ টি ইউনিয়নের উপ নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উপ-নির্বাচন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কার্যালয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ কারী প্রার্থীদের নিয়ে আইন শৃঙ্খলা ও নির্বাচনী বিধি নিয়ে একটি সভা রোববার বিকালে (৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা  নির্বাচনি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এএসপি আশরাফুজ্জামান আশিক (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেল)। শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস ছালেকসহ বিজিবি প্রতিনিধি ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন ও ভূনবীর ইউনিয়নের মৃত্যুবরণকারী সাবেক চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান চৌধুরী ও চেরাগ আলীর মৃত্যুতে ও মির্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক এক ইউপি সদস্যের মৃত্যুতে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
জানা যায় আগামী ২০ শে অক্টোবর ২০২০ তারিখ সকাল ৯ ঘটিকা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। সে উপলক্ষে ৪ অক্টোবর রোববার তারিখে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে উপ নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেছেন। উপনির্বাচনে ১ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দুইজন, ২ নং ভূনবীর ইউনিয়নে ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একই সময়ে মির্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী রয়েছেন পাঁচজন। উপনির্বাচনে ১ নং মির্জাপুর ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চেয়ারম্যান পদে ২ জন, তারা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে অপূর্ব চন্দ্র দেব,নৌকা মার্কা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে মোঃ সুফি মিয়া ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন।
অপরদিকে ২ নং ভূনবীর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন এর মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নৌকা মার্কায় লড়ছেন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রশিদ, স্বতন্ত্র থেকে কবির আহমদ প্রতীক মোটরসাইকেল, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আবুল বাশার প্রতীক চশমা, স্বতন্ত্র মোঃ কাওছার আহমেদ প্রতীক অটোরিকশা, মোঃ জলিল মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রতীক আনারস।
অপরদিকে মির্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের এক ওয়ার্ড সদস্য মারা যাওয়ায় এই ওয়ার্ডে মেম্বার পদে পাঁচজন নির্বাচনী প্রতিযোগিতা করছেন তারা হচ্ছেন, উত্তম দাস টিউবওয়েল, জাহের মিয়া ফুটবল, বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ বৈদ্যুতিক পাখা, মোঃ কলিম উল্লাহ তালা, মোঃ ফারুক আহমেদ মোরগ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জানা যায়,নির্বাচনী অফিসের সুত্রে জানা গেছে, ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা রয়েছে মোট ২০৫৪৯ জন এবং ২ নং ভূনবীর ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২৫৬৪৮ জন। অপরদিকে মির্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছে মাত্র ২৪৭৭ জন।
উপ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের নিয়ে আইন শৃঙ্খলা ও নির্বাচনী বিধি নিয়ে একটি সভায় উপজেলা কর্মকর্তা যে কোন আইন বিরোধী কাজের জন্য সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেন এর ব্যত্যয় ঘটলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না সে যে দলেরই হা।,আপনারা সোজা আমরা সোজা,আপনারা আমাদের কঠোর হতে বাধ্য করবেন না। এ সময় সিনিয়র এএসপি আশরাফুজ্জামান বলেন যেহেতু মাত্র ২ টি ইউনিয়নে নির্বাচন আপনাদের মনে রাখতে হবে এই নির্বাচনে পুলিশের লোকবলের অভাব হবে না,সুতরাং ভুলেও বাক্স নিয়ে দৌর দেওয়ার কল্পনা ও করবেন না।

 

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জঃ নবীগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণায় সরব। ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন এর আইন অনুযায়ী কোনো ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছরের মার্চে ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচ বছর মেয়াদ হবে। এবং উক্ত ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ ও নির্বাচন শুরুর সম্ভাব্য হিসাব করলে ভোটের এখনো প্রায় ৬ মাস বাকি থাকলেও এখন থেকেই প্রচারণায় সরব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা। নবীগঞ্জ উপজেলার ১নং বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়ন এর হালচাল।অত্র ইউনিয়নে প্রায় ১৪ হাজারের মত ভোটার রয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনে প্রার্থী হবার আলোচনায় রয়েছেন ঃ টানা দুই বারের ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামীলীগ সভাপতি

বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান সত্যজিৎ দাশ, সাবেক চেয়ারম্যান সমর চন্দ্র দাশ, আওয়ামীলীগ নেতা ময়ুক কান্তি চৌধুরী,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃশাহীদ আহমেদ তালুকদার,বিএনপি নেতা ও বিগত ইউনিয়ন পরিষদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী স্মৃতি ভূষণ চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গৌতম কুমার দাশ, তরুন সমাজ সেবক বর্তমান ফ্রান্স প্রবাসী মোঃ আলিমুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি নেতা ভুলা দাশ, প্রবাসী রঙ্গলাল দাশ প্রমূখ।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দুর্বৃত্তরা রাতের আধাঁরে কেটে দিয়েছে এক কৃষকের কয়েকশো ফলবান টমেটো গাছ। উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

চা শ্রমিক ও টমেটো চাষী উমেশ প্রজাপতি (২০) জানান, অনেক আশা নিয়ে তিনি অন্যের কাছ থেকে বার্ষিক চুক্তিতে লীজ নিয়ে ৩০ শতক জমিতে টমেটো চাষ করেছিলেন। ইতোমধ্যে গাছে গাছে টমেটো ধরে পাকা শুরু হয়েছে। রবিবার (০৪ অক্টোবর) সকালে তিনি ক্ষেতে গিয়ে দেখেন তার সমস্ত টমেটো গাছের গোড়া কে বা কারা কেটে দিয়েছে।

উমেশ ধারদেনা করে ও হাড্ডিসার পরিশ্রম করে স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় টমেটো লাগিয়েছিলেন।দুই-একদিনের মধ্যে পাইকাররা এসে টমেটো ক্রয় করার কথা ছিলো। কিন্তু দুর্বৃত্তরা টমেটোর গাছ কেটে তার সমস্ত আশা ভেঙে দিয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc