Monday 21st of September 2020 05:52:31 PM

বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে সুমন হোসেন (২৫) নামের এক যুবক আহত হয়েছে।
আহত সুমন কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে। আহত সুমনের খালাতো ভাই লাল্টু গুলিবিদ্ধের খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
সীমান্তের একাধিক সুত্র জানিয়েছেন, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে গয়ড়া গ্রামের সুমন, শার্শার দাউদখালী গ্রামের শিরাজুল ইসলামের ছেলে জাহিদ, রুদ্রপুর গ্রামের মৃত আমিন উদ্দীনের ছেলে আব্দুল মাজেদ ও জাহাঙ্গীরের ছেলে লিটন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে গরু আনতে যায়। তারা ৩ টি গরু নিয়ে ফিরে আসার পথে ভারতের তেতুল বাড়ীয়া ক্যাম্পের বিএসএফ তাদের আটক করে। এসময় বাকী ৩ জন ১ টি গরু নিয়ে পালিয়ে আসলেও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সুমন দু’টি গরুসহ বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে।
রুদ্রপুর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার আব্দুস সামাদ নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপার বিএসএফের সঙ্গে মঙ্গলবার সকালে একটি পতাকা বৈঠক করা হয়েছে। বাংলাদেশে পক্ষে ছিলেন সুবেদার মশিউর রহমান ও ভারতের পক্ষে ছিলেন এসি সন্তোষ কুমার।

পিন্টু অধিকারী মাধবপুর প্রতিনিধি:  হবিগঞ্জের মাধবপুরে উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নে তেলিয়াপাড়া নিজ বাড়িতে রাতের খাবারের পানির জন্য মটর সুইচ লাইন চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে অপ্রিতা কৈরী (তৃষা ) নামে এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন সোমবার রাতে ৯.৪৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ তার সৎক্রিয়া কাজ বিকালে সর্ম্পূন্ন হয়। তেলিয়াপাড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ৬ জানুযারি এক সড়ক দুর্ঘটনায় অপ্রিতা কৈরী বাবা গোপাল কৈরী প্রাণ হারান। অপ্রিতা কৈরী জগদীশপুর জেসি স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। মাধবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) গোলাম দস্তগীর আহমেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আত্রাইয়ে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জামাই ও শ্বশুরের সাজা দেওয় হয়েছে। সাজাকৃতরা হলো সাইদুল ইসলাম (৪৯) ও মেহেদী হাসান (২০)।

জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে সাইদুল ইসলামের মেয়ের সাথে মিরাপুর গ্রামের কুদ্দুর হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসানের বাল্য বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এমন গোপন সংবাদ পেয়ে আত্রাই থানার এস আই মোস্তাফিজুর ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছানাউল ইসলাম উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করেন।

পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে শ্বশুর সাইদুল ইসলামকে ১৫ দিনের সাজা এবং জামাই মেহেদী হাসানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার আসামীসহ ৯জনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে তাদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো, উপজেলার চৌরবাড়ি গ্রামের আইনুল হকের ছেলে রেজাউল ইসলাম (৩৫), বেওলা গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে আব্দুস ছালাম (৩১), ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী তিলাবাদুরী গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে শাহাজুল ইসলাম (৩৮), সদুপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ওয়াজেদ আলী স্বপন (৩১), মাগুড়াপাড়া গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে সুজন (৩৬), নবাবেরতাম্বু গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে ইয়াকুব আলী (৩৮), ইসমাইলের ছেলে সাইফুল হোসেন (৩৫), ইয়াকুব আলীর ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (৩২), মৃত আজিমের ছেলে হাফিজুর রহমান (৩২), মহাদিঘী গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে ময়েজ উদ্দিন।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসআই সালাউদ্দিন আল মামুন, এএসআই মুনিরুল, মাহাবুব, নজরুল ইসলাম, মামুন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার আসামীসহ ৯ জনকে আটক করা হয় এবং মঙ্গলবার দুপুরে তাদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

“অঞ্চলভিত্তিক উচ্চ শিক্ষাগত ভারসাম্য আনয়নের জন্য মৌলভীবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ এখন সময়ের দাবি”

সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা এস এম জাকির হোসেনের স্ট্যাটাস থেকে একটি জনসার্থ বিষয়ক আবেদন নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হল। 

“মৌলভীবাজার জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ এখন সময়ের দাবি” ২৫ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে মৌলভীবাজার একটি ঐতিহ্য মন্ডিত জেলা। দেশের কৃষ্টি, সভ্যতা, সংস্কৃতিতে জেলায় রয়েছে বৈচিত্র্যময় পরিবেশ। চা-বাগান সমূহের দৃষ্টি নন্দন দৃশ্য এবং মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। আদিবাসীদের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য, অভ্যন্তরীণ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা, প্রাকৃতিক অপার সৌন্দর্য সমাহারে এ জেলাটি অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। এ ভিন্নতা ছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার অন্যান্য আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, মনু ব্যারেজ, মাধবপুর চা-বাগান লেক, মনিপুরী পল্লী, প্রাকৃতিক গ্যাস ট্রান্সমিশন প্লান্ট, কমলা/লেবু/আনারস বাগান ইত্যাদি। এছাড়া পাহাড়, টিলা, সংরক্ষিত বনাঞ্চল, হাওড়/বাওড়/বিল, ঝর্ণা, নদ-নদী পরিবেষ্টিত এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। সব কিছু বিবেচনায় জাতীয় অর্থনীতিতে এই জেলার অবদান কম নয়। এত কিছু সত্ত্বেও মৌলভীবাজার জেলাটি যেন এখনো অপূর্ণাঙ্গ রয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদ্যানন্দিনী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে যখন শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়নের জোয়ার বইছে ঠিক অজানা কারণে মৌলভীবাজার জেলাটি শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন বঞ্চিত।এই অঞ্চলে বহু শিক্ষার্থী মেধার স্বাক্ষর রেখে বাংলাদেশের অন্যন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যায়। তাছাড়া নিজ জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় না থাকায় অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা দিতে আগ্রহ দেখান না। ফলে সুযোগের অভাবে অকালেই ঝড়ে যায় কিছু মেধাবী মুখ। তাছাড়া অঞ্চলভিত্তিক উচ্চ শিক্ষাগত ভারসাম্য আনয়নের জন্য মৌলভীবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ এখন সময়ের দাবি।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে আমাদের মৌলভীবাজার বাসীর আকুল আবেদন, আমাদের জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ প্রদান করে আমাদেরকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ করে দিবেন।যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ থাকবে উচ্চ শিক্ষা সবার দোরগোড়ায় পৌছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”

আমার সিলেট ডেস্কঃ হাওর এলাকায় ৯৭৪টি বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে ৮০৩ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১১তম বৈঠকের কার্যপত্র থেকে এতথ্য জানা যায়। বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম এতথ্য জানান। বৈঠকে ডেলটা প্লানের অধীন বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলা মিলে মোট ছয়টি জেলায় ৪৯ টি প্যাকেজের মাধ্যমে ২০৫ কিলোমিটারের অধিক স্থানে নদী খননের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

এছাড়া দেশব্যাপী সাম্প্রতিক বন্যায় নদী ভাঙ্গনরোধ এবং পাউবোর বাঁধ ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে সেপ্টেম্বর মাসের আগ পর্যন্ত প্রায় ১১৭ কিলোমিটার বাঁধ মেরামতের প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
বৈঠকে নদী ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং মেরামতের কাজ দ্রুত শেষ করার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কমিটি সদস্য জাহিদ ফারুক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ও কমিটি সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম, মো. আফজাল হোসেন, সামশুল হক চৌধুরী, মো. নজরুল ইসলাম, মো. ফরিদুল হক খান এবং নুরুন্নবী চৌধুরী অংশ নেন। এছাড়াও বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের উজিরপুর এলাকায় চার বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে সদর হাসপাতাল কর্তৃক মেডিকেল রির্পোটকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় নড়াইল সদর হাসপাতালের আয়োজনে নড়াইল প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমান বাবু জানান, গত ৩০ আগষ্ট রবিবার পৌর এলাকার উজিরপুরে চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ এনে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়, তাৎক্ষনিক ভিকটিমের পক্ষের লোক কর্তব্যরত চিকিৎসককে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষনের আলামত আছে বলে বক্তব্য নেয়।
পরে হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসকের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ধর্ষনের আলামত না পাওয়ার রির্পোট পেশ করা হয়। এ ব্যাপারে ভিকটিমের পক্ষের লোক অর্থের বিনিময়ে মেডিকেল রির্পোট পরিবর্তনের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করে । পরে এ মানববন্ধনের সংবাদ কিছু মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। এতে ডাক্তার সমাজের মান সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে । একটি মেডিকেল রির্পোট কারো ব্যাক্তিগত ইচ্ছাই হয় না ,এটি মেডিকেল বোর্ড তৈরী করে। আমরা এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এর তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ সুব্রত কুমার বাগচি, প্যাথলজিকাল বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ সুজল কুমার বকশি, শিশু অভিজ্ঞ ডাঃ আলিমুজ্জামান সেতু, মেডিকেল কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত নাগ ( এ সময়ের জরুরি বিভাগের ডাক্তার), ডাঃ কেয়াসহ হাসপাতালের নার্সরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লখ্য গত শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উজিরপুর এলাকাবাসীর আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম তারুণ্য হানড্রেড এর সহযোগিতায় নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে এ ব্যাপারে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তরা অভিযোগ করে বলেন ,ঐ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তির সময় কর্তব্যরত ডাক্তার অভিজ্ঞ মহিলা নার্সের সহযোগীতায় প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে ধর্ষনের আলামত আছে বলে জানান। কিন্তু পরবর্তিতে তরিঘড়ি করে ধর্ষক অপু বিশ্বাসের পিতার অর্থের জোরে হাসপাতাল থেকে ধর্ষনের রির্পোট পরিবর্তন করে দেয়া হয়। অবিলম্বে সঠিক রির্পোট না দেয়া হলে এ ব্যাপারে বৃহত্তর কর্মসুচি গ্রহন করা হবে বলেও মানববন্ধনে জানানো হয়।

জানা গেছে, গত ৩০ আগষ্ট রবিবার দুপুরে নড়াইল পৌরসভার উজিরপুরে প্রতিবেশী বখাটে অপু বিশ্বাস বেলা ১২টার দিকে শিশুটিকে মোবাইল ফোনে ছবি দেখানোর প্রলোভনে বাড়ির পাশের নির্জন বাগানের ঝোপে নিয়ে ধর্ষন করে। ঘটনার পর শিশুটি বাড়ি ফিরলেও ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি, রাতে ভাত খাওয়ার সময় মাকে ঘটনা জানায়। খবর পেয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম তারুণ্য হানড্রেড এর সহযোগিতায় ঐ দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অভিযুক্ত বখাটেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।এ ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা হয়েছে।

সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও করোনাভাইরাস মহামারীর থাবা পড়েছে। এর কারণে এ বছর পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর কারণে আগামী ডিসেম্বরে গ্রেড বা জিপিএ নম্বর ছাড়া সব পরীক্ষার্থীর জন্য পাসের সার্টিফিকেট বিতরণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে । প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের পাসের সার্টিফিকেট দেয়া হবে। তবে সে সব সার্টিফিকেটে কোনো জিপিএ বা গ্রেড পয়েন্ট উল্লেখ থাকবে না। সার্টিফিকেটে শুধু ‘উত্তীর্ণ’ লেখা থাকবে। সেটি নিয়েই শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সোমবার রাতে বলেন, এ বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেহেতু প্রাথমিক সমাপনী ও পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা হচ্ছে না সেহেতু তাদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করার বিষয়ে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রস্তাবে মন্ত্রণালয় বলেছে– ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৭১টি কর্মদিবস নষ্ট হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ৪০৬ বিষয়ভিত্তিক পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত। ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সিলেবাসের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পড়ানো সম্ভব হয়েছে। পাঠ্যবইয়ের অবশিষ্ট অংশ শেষ করতে কমপক্ষে ৫০ কর্মদিবস দরকার। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পাঠদান কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলেও ৫০ কর্মদিবস পাওয়া যাবে না।

এতে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিদ্যমান প্রাদুর্ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। খুলে দেয়া হলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে নাও পাঠাতে পারেন। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর ভাইরাস পরিস্থিতিতে পুনরায় বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অন্যদিকে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর টেলিভিশনে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টেলিভিশন পাঠদানের সুযোগটি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। সম্প্রতি বেতারে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাঠদানের আওতায় আসতে পারে। এ ছাড়া ৭৬ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লেখাপড়ার বিষয়ে কথা বলতে পেরেছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা বাতিলে গত ১৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। এ নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে পরীক্ষা না নেয়ার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। এর ভিত্তিতে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হলে তাতে সম্মতি দেয়া হয়। পরে পরীক্ষা না নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

মিনহাজ তানভীরঃ  শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা আইসিটি কমিটির সভা সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০) দুপুরে  অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আইসিটি কমিটির সভাপতি ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

উপজেলা আইসিটি সভায় উপস্থিত ছিলেন ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল,মোঃ দেলোয়ার হোসেন প্রভাষক শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা, সঞ্জয় মোহন সরকার উপজেলা প্রকৌশলী,  সুধাংশু রঞ্জন দেবনাথ প্রধান শিক্ষক শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, অয়ন চৌধুরী প্রধান শিক্ষক ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, দিলীপ কুমার বর্ধন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সুয়েব হোসেন চৌধুরী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, সহিদুর রহমান সিদ্দিকী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, জ্যোতিষ রঞ্জন দাস উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, রকেন্দ্র শর্মা এসএপিপিও, উপজেলা কৃষি অফিসসহ উপজেলা আইসিটি কমিটির  অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল পৌর ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা শিউলী আক্তার ও শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা ফাতেমা আক্তার লাকী।

উক্ত সভায় সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ সাজেদুল হাসান, সদস্য-সচিব উপজেলা আইসিটি কমিটি ও সহকারী প্রোগ্রামার, উপজেলা আইসিটি কার্যালয়, শ্রীমঙ্গল।

সভায় উপজেলা পোর্টালের অধীনস্থ সকল সরকারি অফিসগুলোর পোর্টাল এবং ইউনিয়ন পোর্টাল হালনাগাদকরণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইন প্লাটফর্মে অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে মুক্ত আলোচনা হয়।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার:  সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, গণমানুষের প্রিয় নেতা সৈয়দ মহসিন আলীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।
৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দূপুর সাড়ে ১২ টায় সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র:) মাজার প্রাঙ্গণে সৈয়দ মহসীন আলীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সৈয়দ মহসীন আলী ফাইন্ডেশন, পরিবারে সদস্য, জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ওই সময় দরগাহ মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় কুরআন খতম,মিলাদ (দঃ) মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ (দঃ) মাহফিল শেষে গরীব ও এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন মসজিদেও দোয়া, মিলাদ ও শিরনি বিতরণ করেন তাঁর অনুসারীরা।
এ বছর মৌলভীবাজার শহরের বেরীপাড়স্থ দর্জীমহলের বাড়িতে কোভিড-১৯ এর কারনে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। সব কর্মসূচীই পালিত হবে সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র:) মাজার প্রাঙ্গণে।
উল্লেখ্য সৈয়দ মহসীন আলী মৌলভীবাজার-৩ আসনে সংসদ সদস্য এবং মৌলভীবাজার পৌরসভায় পরপর ৩ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নড়াইল প্রতিনিধি:  নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জহিরুল ইসলাম রেজোয়ানকে (২৬) কুপিয়ে হত্যার ঘটনার ৩ দিন পর লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে নিহত রেজোয়ানের মা জরিনা বেগম বাদী হয়ে প্রধান আসামী সোহেল খানসহ ১৪কে আসামী করে এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ এজাহার ভূক্ত কোন আসামীকে আটক করতে পারে নাই।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। মামলার প্রধান আসামী সোহেল খান এলাকায় চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধে জড়িত ছিল। নিহত রেজোয়ান সন্ত্রাসী সোহেল খানের ওই সকল অপরাধের বিরোধিতা করায় সোহেলসহ তার সহযোগীরা রেজোয়ানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আশিকুর রহমান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপরই হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে ওই এলাকার ১০ জনকে আটক করে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে গত শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামীসহ অন্যান্য আসামীদের আটকের জন্য অভিযান অব্যহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রধান আসামী সোহেল পুলিশের বিশেষ শাখার তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী। তার নামে লোহাগড়া থানায় হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১১সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জহিরুল ইসলাম রেজোয়ানকে (২৬) কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে একদল দূর্বৃত্ত। নিহত রেজোয়ান কুমড়ি গ্রামের মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নবীগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন,ভূয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহন,নবীগঞ্জ শহরের নতুন বাজার বাস থামিলে জেল জরিমানা,বাজারে সকাল ৮ টা থেকে রাত ৯ টার পূর্বে কোন ধরনের মালবাহি ট্রাক লোড আনলোড,নসিম করিমন যানবাহন চলাচল বন্ধে জোরদার ব্যবস্থা গ্রহন, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ড্রাইভার গাড়ী চালানো আইনত দন্ডনীয় অপরাধ, নবীগঞ্জ বাজারে কোন ভ্রাম্যমান দোকানপাট বসানো নিষেধ, সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে সচেতন করা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের বাহিরের সীমানায় বহিরাগত কর্তৃক সংগঠিত বিভিন্ন ধরনের অপরাধমুলক কর্মকান্ডসহ অন্যান্য বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

সভায় সর্বসম্মতিকক্রমে এ সিদ্ধান্ত গুলো গৃহিত হয়। সকালে উপজেলা সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ বাহুবলের সংসদ সদস্য শাহনওয়াজ মিলাদ গাজী।বিশেষ অতিথি নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম।

বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সুমাইয়া মমিন,মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার নূর উদ্দিন (বীর প্রতিক),স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুম সামাদ, নবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার দাশ,ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার শাহিন আহমেদ,আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক আহমেদ মিলু,নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুসরাত ফেরদৌস, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, ইউপি চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান, আশিক মিয়া,আবু সাঈদ এওলা মিয়া,আবু সিদ্দিক,আলী আহমেদ মুসা,আব্দুল মুহিত চৌধুরী,জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু,বজলুর রশিদ,মহিবুর রহমান হারুন,সত্যজিৎ দাশ,মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সইফা রহমান কাকলী,ইসলামী ফাউন্ডেশনের সুপার ভাইজার মোঃ সুলেমান প্রমুখ।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নের শমশেরনগর ও আলীনগর চা বাগানে দুই প্রতিবন্ধী নারীর গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। সোমবার বেলা ১টায় কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আলীনগর চা বাগানে দুর্গা প্রসাদ রিকিয়াসন ও বেলা ২টায় শমশেরনগর চা বাগানে প্রতিবন্ধী সুকরমনী বাউরীর গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক।
উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চা শ্রমিকদের জীবন মান উন্নযনে টেকসই আবাসন নির্মাণে কমলগঞ্জে ৫টি চা বাগানে ৫ জন প্রতিবন্ধীর গৃহ নির্মাণ করা হবে। ইতিপূর্বে ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগান ও মাধবপুর ইউনিয়নের মাধবপুর চা বাগানে ২টি গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১টায় আলীনগর চা বাগানে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে প্রতিবন্ধী দুর্গা প্রসাদ রিকিয়াসনের পাকা গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক। এরপর বেলা ২টায় শমশেরনগর চা বাগানের আদমটিলা শ্রমিক বস্তিতে প্রতিবন্ধী সুকরমনী বাউরীর পাকা গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, উপজেলা বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমদ বুলবুল, উপজেলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মালিক বাবুল, শমশেরনগর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি নিপেন্দ্র বাউরী, সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত কানু, ইউপি সদস্যা নমিতা সিং, শমশেরনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক রতন বর্মা প্রমুখ।
কমলগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা বলেন, চা শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে টেকসই আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কমলগঞ্জ উপজেলায় ৫টি চা বাগানের ৫ জন প্রতবন্ধীর ৫টি গৃহ নির্মাণ করা হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত ৪টি চা বাগানের ৪ জন প্রতিবন্ধীর গৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়েছে। বাকি রয়েছে রহিমপুর ইউনিয়নের দেওড়াছড়া চা বাগানের। তিনি আরও বলেন প্রতিটি গৃহ নির্মাণে ব্যয় হবে ৪ লাখ ৭২৯ টাকা।

নজরুল ইসলাম তোফা: রূপবৈচিত্রের দেশ, বিনোদনের দেশ, স্বদেশ প্রেমের উৎসের দেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমির দেশ, ঋতুবৈচিত্রের দেশ, ষড়ঋতুর মনোরম পরিবেশের দেশ, এই বাংলাদেশ। মনকে খুব বড় করতে হলে প্রকৃতির কাছে যেতেই হয়। মানুষের মনে বিশালতা আসে বা আকাশ কিংবা সমুদ্রের কাছ থেকে। অসীম এ আকাশ বা সমুদ্র মানুষকে বড় হতে শেখায়। সুতরাং এই দেশের প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে সমুদ্র সব সময়ে অনেক পছন্দের একটি জায়গা। ঢেউ খেলানো বিশাল সমুদ্রের জলরাশি কে ভালোবাসে না এমন মানুষকেই যেন খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
এবার আসা যাক মুল কথায়, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত জীবনান্দদাসের বনলতা সেন খ্যাত এক বৃহৎ ঐতিহাসিক স্থান নাটোর। নাটোর শহরে রয়েছে পৃথিবী খ্যাত নাটোরের কাচাগোল্লা। তাছাড়াও অনেক দর্শনীয় স্পট আছে। তার মধ্যেই দিঘাপতিয়া গণভবন, বঙ্গজল রাজবাড়ী সহ উত্তরে নলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত পাটুলের মিনি কক্সবাজার। এই স্থানটি বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় বহুদূরেই অবস্থিত। সাগর দেখতে হলে- এমন অঞ্চলের মানুষকে পাড়ি দিতে হয় বহুদূর পথ। কিন্তু এই অঞ্চলের প্রকৃতি বোধ হয় মানুষকে সমুদ্রের স্বাদ থেকে কখনোই বঞ্চিত করতে চায় না। তাই পুরো নাটোর জুড়েই রয়েছে বাংলাদেশের বড় বিল, তাকে বলা যায় যে, ঐতিহাসিক চলনবিল। নাটোর শহর থেকে ১০ কিমি উত্তরেই রয়েছে হালতির বিল যা বর্ষাকালে পানিতে থৈথৈ করে। দু’চোখ যতদূর যায় শুধুই পানি আর পানি। উপরে নীল আকাশ আর নীচের ঢেউ খেলানো পানি, এই এলাকার মানুষকে সমুদ্রের অভাব পূরন করে দিয়েছে। আর তাই অনেকে আদর করে এই বিলটাকে বর্ষা কালে ‘মিনি কক্সবাজার’ নামেই ডাকে। এই হালতি বিলের চারটি দ্বীপগ্রাম অপূর্ণ সুন্দর। জানা যায় যে, প্রায় ৪০ হাজার একর জমি নিয়ে বিলটি। এই বিলের মাঝে মাঝে আছে ছোট্ট ছোট্ট গ্রাম। ব্রিটিশ আমলেই নাকি হালতি পাখির আবাস ছিলো এই খানে। সেখান থেকেই নাম হয় হালতি। বলা দরকার যে, চলনবিলের অংশ হালতির বিল। তবে নাটোরের হালতি বিল সমুদ্রসৈকতের অভাব অনেকটাই পুরণ করেছে এ দাবি করেন এই এলাকার সাগরপিয়াসী মানুষ।
আবার বর্ষা কিংবা বন্যার পানি চলে গেলে চলন বিলের ভিতরে দ্বীপের মত যে ছোট ছোট গ্রাম আছে, সে গুলো আরো মনোমুগ্ধকর হয়। এ নাটোর সদরের উপজেলায় খাজুরা, পিপরুল, মাধনগর, ব্রক্ষপুর ইউনিয়নের বিস্তৃত এলাকা হালতি বিলের অংশ। জানা দরকার যে, বৈশাখ মাস থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত এই বিল এলাকায় ৫ ফুট থেকে ৮ ফুট পানিতে নিমজ্জিত থাকে। তখন দেখা যায় যে, দেশে- বিদেশের হরেক রকম পাখিদের আনাগোনা। প্রাকৃতিক মাছের প্রজননস্থল হিসেবে এমন হালতি বিল বিখ্যাত। আত্রাই নদীর সাথেই হালতি বিলের সংযোগটা আছে। শীত কালে হালতি বিলের যে অংশে পানি থাকে, তা মৎস অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে, উক্ত অভয়ারণ্যে শীত কালে যে মাছ গুলোকে সংরক্ষণ করা হয়- সে গুলো বর্ষাকালে হালতি বিলে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাছের প্রজনন মৌসুমে প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রচুর পরিমান মাছ উৎপাদন হয়ে থাকে। উত্তরাঞ্চলেরই এমন বিলের কারণে উৎপাদিত ছোট- বড় দেশীয় মাছ অত্যন্ত সুস্বাদু হয়ে থাকে।
হালতি বিলের পাটুল ঘাটে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় হয় সারা বছর তবে ‘বর্ষাকালে বা বন্যার পানি’ এলে খুব বেশি লক্ষ্য করা যায়। বর্ষাতে মাছ শিকার কিংবা নৌকা চালানো এ এলাকার অধিকাংশ মানুষদের ‘প্রধান পেশা’ হয়ে দাঁড়ায়। বিলের অধিকাংশ জমিজমা গুলোই ব্যক্তি মালিকানাধীন। তবে এই অঞ্চলের মানুষদের জমি-জমা পরিমাণে অনেক বেশি। এক ফসলি জমির আয় দিয়েই চলেন তারা। তবে, বর্ষায় হাজার হাজার পর্যটক এদিকে আসায় নতুন আশা দেখছেন গ্রামবাসী। পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে যেন পাটুলের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে অনেক দোকানপাট সহ হোটেল। একটু পরিষ্কার ভাবেই জানানো দরকার, নাটোর শহর থেকেই ‘প্রায় ৮-৯ কিমি’ দূরে সিংড়া উপজেলার পাটুল আসতে হয়। পাটুল এসে অটোরিকশাওয়ালা বলেন, ভাইজান ‘মিনি কক্সবাজার’, বললাম কক্সবাজার সৈকতে পানি কই? তখন বললেন, পানি তো এখন পাবেন না। এটা শুধু বর্ষাকালের ক’মাস থাকে। তাই- না জেনে গিয়ে অনেকে একটু হতাশ হয়েই পড়েন। তবুও ‘মিনি কক্সবাজার’ খ্যাত নাটোরের হালতি বিলের পাটুল ঘাটে বিনোদন পিপাসুর ঢল নামে। “ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার”- ছুটিতে বিভিন্ন বয়সী হাজার হাজার মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে ছুটে আসেন এখানে।
এমন মিনি কক্সবাজারে বর্ষা কালের পানি না থাকলেও বাংলাদেশের সরকার বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা নিচ্ছে।যেন সারা বছর এই এলাকায় ‘পর্যটন কেন্দ্র’ চালু থাকে। জানা যায়, সরকার- ২০১৬ সালকে ‘পর্যটন বর্ষ ঘোষণা’ যখন করে, ঠিক তখন এ এলাকার মানুষের নতুন আশা নিয়ে বুক বাঁধে। বিলের মধ্যে ডুবন্ত সড়ক নির্মাণের পর থেকেই যেন এখানকার অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টাতে শুরু করেছে। দিনমজুররা বছরের অর্ধেক সময় “চাষাবাদ ও বাকি সময় নৌকা বেয়ে ভালোমতোই যেন জীবন যাপন করেন। অনেকেই বিল পাড়ে পাড়ে নানা দোকান বসিয়ে বাড়তি আয় করেন। বিলে বর্ষাকালে প্রতি দিন হাজারো মানুষ আসে সমুদ্রসৈকতের স্বাদ নিতে। উত্তরাঞ্চলে তো  সমুদ্র নেই, তাই এমন বিলই তাদের কাছে সমুদ্রসৈকত।হালতি বিলের উত্তাল জলরাশি আর ঢেউ যে কারো মন নিমেষেই ভালো করে দেওয়ার মতো। বিলের সামনেরই পাটুল-খাজুরা রাস্তাতে যেতে চোখে পড়বে বড় অক্ষরে লেখা সাইনবোর্ড “পাটুল মিনি কক্সবাজার’। আর একটু পথ ধরে দু’কদম গেলেই- অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগের উত্তাল জলরাশি। বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পাটুল থেকেই খাজুরা পর্যন্ত  যে রাস্তা আছে সেটাই বেশি আকর্ষণীয়। বর্ষায় যখন পানিতে পরিপূর্ণ হতে থাকে বিল, তখন এই রাস্তার সৌন্দর্যটাও যেন বাড়তে থাকে। আর ঠিক তখন পর্যটকের ভিড়ও বাড়তে থাকে।
বর্ষার অথৈ পানি আর শীতে ফসলি জমির এই বিলটির মাঝ বরাবর ৭ কিমি দীর্ঘ একটি সড়ক নির্মাণ আছে তা ২০০৪ সালেই নির্মাণ হয়। পানি কমতে থাকে যখন ঠিক তখনই ডুবন্ত সড়ক দেখা যায়। আর তখন সেই রাস্তাতে হেঁটে বেড়ানোসহ বিলের পানিতে সাঁতার কাটা ও নৌকা ভ্রমণ করে সময় কাটান হাজারও মানুষ। কক্সবাজারের আমেজ এখানেই উপভোগ করেন। না গেলে এ সৌন্দর্য বর্ণনা করা সম্ভব নয়। কংক্রিটের কাঁচা পাকা রাস্তা ধরে একটু এগোতেই চোখে পড়বে দুপাশের বিশালতা। আধা ঘণ্টা পরে নাটোর হতে খোল‍াবাড়িয়া গ্রামে পৌঁছা যাবে। অদ্ভুত সুন্দর একটি গ্রাম। সব ক্লান্তি, কষ্ট দূর হয়ে যাবে এক মুহূর্তে। চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে শুধুই সবুজ আর সবুজ। এমন সৌন্দর্যের লীলাভূমি দেখতে হলে চোখ বা দৃষ্টিভঙ্গিটাও সুন্দর হতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গি ও মনের চোখটা সুন্দর হলেই হয়তো বাংলাদেশের আসল সৌন্দর্যটাকেই উপভোগ করা যাবে। যেকোনো সৌন্দর্যকে উপভোগের জন্য আগ্রহ বৃদ্ধি করা দরকার। মানুষের মন যখন তৃপ্ত হয় তখন অল্প আনন্দে বা বিনোদনে মানুষ সুখী থাকে। মনের প্রশান্তি তাকে তৃপ্ত করে সুখের আবেশে। একজন সুখী, পরিপূর্ণ এবং পরিতৃপ্ত মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে হলে তাকে সৌন্দর্য পিপাসু হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই চলতে হবে। সুতরাং প্রকৃতিক পরিবেশ দর্শনের মধ্যেই রয়েছে- আত্মতুষ্টি যা মানুষের মনকে প্রফুল্ল রাখে বা সুখী করে।
লেখকঃনজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের সীমান্ত নদী যাদুকাটায় রাতের আধারে চলছে বালু লুটের মহোৎসব। ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু বোঝাই ৪টি ইঞ্জিনের নৌকাসহ ৫জনকে গ্রেফতার করে আজ ১৪.০৯.২০ইং সোমবার সকালে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন-জেলার বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার মিয়ারচর গ্রামের কামাল মিয়া(৫০),হযরত আলী(২৪),রুবেল মিয়া(২২),রবিউল আউয়াল(২৫) ও নুর মিয়া(২২)। তাদের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানার মামলা নং-৭ দায়ের করা হয়েছে। এব্যাপারে যাদুকাটা নদী তীরবর্তী বাসিন্দা জানান,জেলার তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গাগটিয়া জালরটেক হতে অদৈত মহাপ্রভুর বাড়ির পশ্চিমপাড় পর্যন্ত প্রায় ২কিলোমিটার এলাকায় চললে অবৈধ ভাবে বালু বিক্রির মহাতান্ডব।

প্রতিদিনের মতো গত শনিবার রাত ১২টায় যাদুকাটা নদীতে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায় অর্ধশতাধিক নৌকায় বালি বোঝাই করার সময় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু বোঝাই ৪টি ইঞ্জিনের নৌকাসহ ৫ জনকে আটক করে আর অন্যান্যরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে প্রথমে যাদুকাটা নদীর তীর ও তীর সংলগ্ন জায়গা থেকে বালি উত্তোলন করে ৭শত থেকে ১হাজার ফুট স্টিলের ইঞ্জিনের নৌকা বোঝাই করে।

পরে যাদুকাটা নদী হয়ে রক্তি ও সুরমা নদীপথ দিয়ে জামালগঞ্জ হয়ে কুমিল্লা,চাঁদপুর,কিশোরগঞ্জ ও ঢাকায় সেই বালি পাঠায়। প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে নৌকাসহ শ্রমিকদের আটক করলেও বালু খেকো স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। এব্যাপারে মিয়ারচর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার আজাদ বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত যাদুকাটা নদী থেকে শতাধিক নৌকা বোঝাই করে প্রায় ১০লক্ষ টাকা বালু বিক্রি করা হচ্ছে। তাতে সরকার লক্ষলক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে আর আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে কিছু সংখ্যক ব্যক্তিরা কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে প্রসাশন কখনোই জোরালো কোন পদক্ষেপ নেয়না।

কোনাটছড়া গ্রামের গোলাপ মিয়া বলেন,সিন্ডিকেড তৈরি করে পুলিশের নাম ভাংগিয়ে প্রতিফুট অবৈধ বালু থেকে ৫টাকা ও স্থানীয় সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে প্রতিফুট বালু থেকে ২টাকা চাঁদা নিচ্ছে স্থানীয় একজন সংবাদকর্মী,তার বিরুদ্ধে মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এব্যাপারে আমি সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার,র‌্যাব ও জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। গাগটিয়া ৬নং ওয়ার্ড কমিটির কৃষকলীগের সভাপতি সামসুজ্জামান বলেন, রাতের বেলায় যাদুকাটা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে বাড়িঘর নদীতে বিলিন হয়ে যাচ্ছে,আমরা গ্রামবাসী বাধা দিয়েও বাড়িঘর রক্ষা করতে পারছিনা,প্রশাসন সঠিক ভাবে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে শতশত পরিবার বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়েগেছে।

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমজাদ হোসেন বলেন, অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু বোঝাই ৪টি নৌকা লোক আটক করা হয়েছে এবং এব্যাপারে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলনকারী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করছেন যাদুকাটা নদীর তীরে বসবাসকারী অসহায় জনসাধারণ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc