Monday 21st of September 2020 07:08:40 PM

জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি:  জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ডিবির হাওর সীমান্তের ঘিলাতৈল এলাকায় বিজিবি‘র টহল দলের উপর চোরাকারবারী কর্তৃক হামলার ঘটনা ঘটে। গতকাল ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ১০টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর রাতে ভারত থেকে অবৈধ পথে চোরাকারবারীরা ভারতীয় মহিষ নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করে। গোপন সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর সীমান্ত ফাড়িঁর বিজিবি‘র ৫জন সদস্য ঘিলাতৈল এলাকায় টহল কাজ শুরু করেন। এ সময় অভিযান চালিয়ে ৫টি ভারতীয় মহিষ আটক করা হয়। তখন স্থানীয় গ্রামের লোকজন এবং চোরাকারবারীরা সংবদ্ধ হয়ে বিজিবি‘র টহল দলের উপর হামলা করে মহিষ ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় বিজিবি‘র ২/৩ জন্য সদস্যরা কিছুটা আহত হন। আত্মরক্ষায় তখন বিজিবি সদস্যরা নিরাপদ স্থানে চলে যান। এক পর্যায়ে আরো ৮জন বিজিবি সদস্য টহল কাজে যোগদেয়।
বিজিবির উপর হামলার খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহসিন আলী ও ওসি তদন্ত ওমর ফারুক একদল পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। বিজিবি দুই‘টি টহল দল যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ৫টি মহিষ উদ্ধার করে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি‘র নিকট উদ্ধার হওয়ার ৫টি মহিষ জিম্মার রাখা হবে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় সরকারী কাজে বাধাঁ দেওয়ার অভিযোগ করে বিজিবি‘র পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহসিন আলী এই ঘটনায় মামলা দায়ের করার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার সাথে জড়িত ১৬ জন হামলাকারী কে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সিলেট-১৯ বিজিবি‘র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো: রফিকুল ইসলাম (পি এস সি) জানান, ভারত থেকে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ মহিষ প্রবেশ কালে জৈন্তাপুর সীমান্ত ফাড়িঁর বিজিবি‘র টহল দল ঘিলাতৈল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময়ে ঘিলাতৈল গ্রামের স্থানীয় লোকজন ও গরু চোরাকারবারীরা সংবদ্ধ হয়ে বিজিবি‘র উপর হামলা চালিয়ে ভারতীয় মহিষ ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে বিজিবি অভিযান চালিয়ে  ছিনিয়ে নেওয়া ৫টি মহিষ উদ্ধার করে। হামলার ঘটনার জৈন্তাপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। উদ্ধার হওয়ার ৫টি মহিষ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি‘র জিম্মায় রাখা হবে বলে জানান ৷

চুনারুঘাট(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি: চুনারুঘাট উপজেলার পাকুড়িয়া বৈধ বালু মহালে একাধিকবার জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার পাকুড়িয়া বৈধ বালু মহালে ১০হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চন্দ্র পাল।
এ সময় সড়ক পরিবহন আইনে দুই গাড়ী চালককে এ অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। এ নিয়ে বৈধ বালু মহালদারদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত পাকুড়িয়া বৈধ বালু মহাল থেকে একাধিকবার ১লক্ষ ২০হাজার টাকা বালু মহাল আইনে ও সড়ক পরিবহন আইনে জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
উল্লেখ্য যে, চলতি বছর ১ কোটি ৩৬লক্ষ ৫৬হাজার টাকা ইজারা মুল্য প্রদান করে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে ইজারা গ্রহণ করেন উপজেলার ৮নং সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামের নাজমুন নাহার লিপি। তাদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স রাহি ট্রেডার্স।
এমনিতেই করোনাকালীন সময়ে ওই বালু মহালটি লোকসানে পড়ে। এমতাবস্থায় পাকুড়িয়া বৈধ বালু মহালের পুঁজি উঠানো দায় হয়ে পড়েছে বলে দাবী করেন বৈধ বালু ব্যবসায়ীরা।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে (মাধবপুর – চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এড. মাহবুব আলীর নির্দেশনায় চুনারুঘাট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সায়েম তালুকদারের উদ্যোগে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ভর্তি ফরম, মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এবিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন – উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর, চুনারুঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অসিত কুমার পাল, চুনারুঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব রুমন ফরাজি প্রমুখ।
এতে উপজেলা চেয়ার‌ম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর সিসি ক্যামেরা, আসবাবপত্র, ও ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দিয়েছেন এবং চুনারুঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হক ১শ জোড়া বেঞ্চ ও ডেস্ক দেওয়ার ঘোষণা দেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মিনহাজ তানভীরঃ  মৌলভীবাজার পৌরসভার কাউন্সিলর মনবীর রায় মন্জু বাবুর চাচা সদর উপজেলার গোবিন্দপুর নিবাসী বাবু সুব্রত রায় (৮৫) করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেন।
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম প্রধান মাসুম ফারুকী অমুসলিম সদস্যদের (মিলন দে সহ ৬ সদস্যের টিম) সৎকার কাজে অংশ গ্রহণ করে সৎকার সম্পন্ন করেন ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে সৎকার কার্যক্রম। এ সময় তাকরীম ফাউন্দেশনের প্রধান সাইফুল ইসলাম জুনেদও উপস্থিত ছিলেন বলে জানান সাধারন সম্পাদক ও সমন্বয়ক গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা শাখার কাজী মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন।
বিশ্বব্যাপী করোনা আতংকে যখন মৃতদের দাফন নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ও ভয় ভীতি ছড়াচ্ছিল তখন মানবতার সেবায় গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সারাদেশে কাফন,দাফন ও সৎকারে অনন্য ভুমিকা পালন করে শুধু ইতিহাস তৈরি করেনি;দেশসহ সারা পৃথিবিতে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ইতিমধ্যে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ একহাজারের অধিক লাশ দাফনে সরাসরি সহযোগিতা করল,এর মধ্যে অমুসলিম সৎকারের তালিকায় মৌলভীবাজারের সুব্রত রায় ১৫তম সৎকার।
এ ছাড়াও করোনা মৌসুমে অতি গোপনে আর্থিক অনুদান প্রদানসহ অক্সিজেন, এম্বুলেন্স, রক্তদান,বৃক্ষ রোপণ,রাস্তাঘাট মেরামত সহ নানাবিধ সামাজিক কাজে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই মহান কাজে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা বিশেষ করে বাঙালি প্রবাসীদের সহযোগিতা লক্ষণীয়।

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম এর সৎকারের কয়েকটি চিত্রঃ

সৎকারের জন্য মৃত দেহের প্রস্তুতি কাজে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম এর সদস্যরা।

 

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম এর সদস্যরা  সৎকারের উদ্যেশে মৃতদেহ বহন করে নিয়ে যাচ্ছে শ্মশানে।

আমার সিলেট ডেস্কঃ  সারা দেশে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হয়েছে। রোববার শুরু হওয়া এই ভর্তি কার্যক্রম চলবে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের তথ্যমতে, এবার তিন ধাপে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কলেজে ভর্তির আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর করোনা পরিস্থিতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভিড ১৯ মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের লক্ষ্যে পূর্ব নির্ধারিত ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করে ১৩, ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বৃদ্ধি করে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হলো।
ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নম্বরপত্র, প্রশংসা পত্রসহ কোনো প্রকার প্রামাণ্যপত্র গ্রহণ না করতেও কলেজগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। তবে কোটাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অবশ্যই উপযুক্ত প্রামাণ্য সনদ দাখিল করতে হবে।

এছাড়া আরেক বিজ্ঞপ্তিতে তখন জানানো হয়, ভর্তি নীতিমালা না মেনে শিক্ষার্থী ভর্তি করালে সেই কলেজের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মফস্বলের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বসাকুল্যে এক হাজার টাকা, জেলা সদরে দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না। মেট্রোপলিটন এলাকার এমপিওভুক্ত কলেজে নেওয়া যাবে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা। মেট্রোপলিটন এলাকার আংশিক এমপিওভুক্ত বা নন এমপিও বাংলা মাধ্যমের প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।

আমার সিলেট ডেস্কঃ  রাজধানীতে লাখ টাকার বিনিময়ে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিত একটি চক্র। এদের অনেকেই আউট সোর্সিংয়ে নিয়োগ পেয়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। ফলে জালিয়াতির জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসের সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারতেন। শনিবার রাতে মিরপুরের চিড়িয়াখানা রোডের ডি-ব্লক এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) লালবাগ বিভাগ। রবিবার ডিএমপি নিউজে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- সুমন পারভেজ (৪০), মো. মজিদ (৪২), সিদ্দার্থ শংকর সূত্রধর (৩২), মো. আনোয়ারুল ইসলাম (২৬) ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪১)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে দ্বৈত, জাল ও ডুপ্লিকেট ১২টি জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ব্যাংকের ঋণ নিয়ে কেউ ঋণ খেলাপি হলে তাদের সিআইবি খারাপ হয় ফলে পুনরায় তারা ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন না। তখন গ্রেপ্তার সুমন ও মজিদ ঋণ পাশ করিয়ে দেবেন দাবি করে প্রথমে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা নিতেন।

পরবর্তীতে ঋণ পাশ হলে সেই পরিমাণ টাকার ১০% হারে দিতে হবে দাবি করে চুক্তি করতেন তারা। চুক্তিতে একমত হলে এই ব্যক্তিরা প্রথমে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিতেন। পরে ঋণ পাশ হলে চুক্তি অনুযায়ী ঋণে সম্পূর্ণ টাকার ১০% হারে নিয়ে নিতেন। এ জাল পরিচয়পত্র তৈরি করে দিতেন তাদের আরেক সহযোগী গ্রেপ্তার সিদ্দার্থ শংকর সূত্রধর ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম। তারা প্রত্যেকটি জাল জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি বাবদ ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা করে নিতেন।

পুলিশ জানায়, সিদ্দার্থ শংকর সূত্রধর ও আনোয়ারুল ইসলাম ই-জোন কোম্পানির মাধ্যমে আউট সোর্সিংয়ে নিয়োগ করা নির্বাচন কমিশনের অধীনে খিলগাঁও ও গুলশান অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। এ কারণে তারা নির্বাচন কমিশন অফিসের সফটওয়্যার ব্যবহার করে সহজেই জাল জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে পারতেন। গ্রেপ্তার পাঁচজন এ উপায়ে অনেককে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তোলন করে দিয়েছেন জানিয়ে পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মিরপুর মডের থানায় মামলা হয়েছে।

আমার সিলেট ডেস্কঃ  মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে কফিল-জাহাঙ্গীর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০-১২ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ওই অফিসের আশপাশে বিপুল সংখ্যাক পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টায় উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকে দলটি। কিন্তু তার আগেই সেখানে কফিল উদ্দিন ও যুবদল নেতা জাহাঙ্গীরের সমর্থকরা জড়ো হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময়ে এস এম জাহাঙ্গীরের বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে কফিল উদ্দিনের সমর্থকরা স্লোগান দিতে থাকলে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয় ও পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সমর্থকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরকে ধাওয়া দেয় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
এর আগে ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনে যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন না দিতে দলের হাইকমান্ডের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ঢাকা-১৮ নির্বাচনী এলাকার বিএনপি সমর্থিত আট কাউন্সিলর প্রার্থী। তারা হলেন- ১নং ওয়ার্ডের মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, ৫০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন, ৪৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন আয়নাল, ৪৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোতালেব হোসেন রতন, ৪৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আরিফুর রহমান আরিফ, ৪৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আক্তার হোসেন, সংরক্ষিত ৫২, ৫৩ ও ৫৪ ওয়ার্ডের প্রার্থী সোহেলী পারভীন শিখা এবং সংরক্ষিত ৪৯, ৫০ ও ৫১ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী লুৎফা খানম চৌধুরী।

তারা লিখিতভাবে বলেন, এসএম জাহাঙ্গীর এলাকায় বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে রাজনীতি করেন। এলাকার নির্যাতিত নেতা-কর্মীরা তার দ্বারাও নানাভাবে হেনস্তা ও নির্যাতনের শিকার। এছাড়া তিনি চাঁদাবাজির সাথে জড়িত।
গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান জানিয়েছেন, বিএনপির কার্যালয়ের সামনে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে ওই অফিসের আশপাশে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির ঘটনায় যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিনা উসকানিতে সেনাসমাবেশের প্রতিবাদে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে তলব করেছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দূতকে ডেকে নিয়ে মৌখিক প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি তার হাতে একটি কূটনীতিক পত্র ধরিয়ে দেয়া হয়।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন রাষ্ট্রদূতকে তলবের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

গত শুক্রবার ভোর থেকে মাছ ধরার ট্রলারে করে মিয়ানমারের সেনাদের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ করেছে বাংলাদেশ। সীমান্ত এলাকায় অন্তত তিনটি পয়েন্টে গত কয়েক দিনে মিয়ানমার সৈন্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। সন্দেহজনক এসব তৎপরতা বন্ধ করে দুই দেশের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি অবসানের জন্য মিয়ানমারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছে বাংলাদেশ।

মিয়ানমার ও ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সন্দেহজনক গতিবিধির মাধ্যমে এ সেনাসমাবেশ দুই দেশের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে গণহত্যা শুরুর প্রাথমিক পর্বে এভাবেই সেখানে সৈন্যদের জড়ো করেছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী। ফলে ১১ তারিখ ভোরে শুরু হওয়া সেনাসমাবেশের কারণে রাখাইনে এখন যেসব রোহিঙ্গা রয়েছেন, তাদের মধ্যে নতুন করে ভীতি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, চেকপোস্টে হামলার দাবি তুলে ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে গণহত্যা শুরু হয়।

জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে কা নিউন ছুয়াং, মিন গা লার গি ও গার খু ইয়া- দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের এ তিন পয়েন্টে ট্রলার থেকে সৈন্যরা নেমেছেন। এর সীমান্ত পয়েন্টগুলোর মধ্যে অন্তত একটির দূরত্ব আন্তর্জাতিক সীমান্তের ২০০ মিটারের মধ্যে। ওই তিন পয়েন্টে মাছ ধরার ট্রলারের কাঠের নিচে বসিয়ে সৈন্যদের জড়ো করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে অন্তত এক দিনেই এক হাজারের বেশি মিয়ানমারের সৈন্যদের আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নড়াইল প্রতিনিধি:  নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ডুমুরয়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাতিজার বল্লমের কোপে চাচা জলিল মুন্সি নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জলিল মুন্সী ঐ গ্রামের মৃত কালামিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, বসতভিটা নিয়ে উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের আঃ জলিল মুন্সির সঙ্গে তার ভাইপো আয়নালের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় শরিবার রাত ৯টার দিকে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে অয়নাল নিজের ঘর থেকে বল্লম বের করে নিয়ে জলিলের উপর চড়াও হয় এবং পেটে বল্লম দিয়ে আঘাত করে। পরিবারের সদস্যরা গুরুতর জখম জলিল মুন্সীকে রাত সাড়ে ১০টার গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে পৌছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নড়াইলের সহকারি পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রিপন চন্দ্র সরকার বলেন, চাচা ভাতিজার মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। হত্যার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ভাতিজা আয়নালকে ধরতে পুলিশী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

নবীগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ  নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ফার্মেসিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিম্নমানের ভেজাল  ও অনুমোদনহীন যৌন উওেজক ওষুধ।যে কারণে হুমকিতে পড়েছে জন স্বাস্থ্য।  চিকিৎসকের কোন প্রকার প্রকার প্রেসক্রিপশন ছাড়াই চলছে ফার্মেসিতে এ সব ওষুধ বিক্রয়।ফার্মেসি ছাড়া গ্রামের মুদি দোকানে ও বিক্রি হচ্ছে যৌন উওেজক এ ওষুধ। তা ছাড়া এ সব নিম্নমানের  অনুমোদনহীন  ওষুধ সেবনের ফলে স্টোক ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ছে। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে দৃষ্টি শক্তি  ও স্মৃতি শক্তি কমে যায়।তা ছাড়া এতে লিভার ও নার্ভ ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।সরেজমিন দেখা যায়,নবীগঞ্জ পৌরসভার একটি টিন শেডের দোকানে প্রকাশ্যেই সাজানো রয়েছে বিভিন্ন ধরনের যৌন উওেজক ওষুধ।

পরিচয় গোপন রেখে ওযুধ কিনতে চাইলে তিনি প্রায় পাঁচ থেকে ছয় প্রকার ওষুধ দেখান।যার মধ্যে রয়েছে যৌন উওেজক ফাইটন সিরাপ, জিংসিন,হর্স পাওয়ার,পিল- আর ও হারবাল জাতীয় মুকাব্বি খাছ,হাইসোক্যাল,আইবেরিসহ অনেক ওষুধ। ফার্মেসির মালিক এসএসসি ও পাস করেন নাই এবং এই ফার্মেসি দশ পনর বছর আগে।দোকানের ও কোন অনুমোদন নেই।তবে এই ওষুধের অধিকাংশই ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা দোকানে এসে বিক্রয় করেন।মাঝে মধ্যে ওযুধের চাহিদা অনুযায়ী তিনি সিলেট ও হবিগঞ্জের ফার্মেসি থেকে ক্রয় করেন।তিনি বলেন, সিলেট ও হবিগঞ্জ শহরে অনেক ফার্মেসিতে অবাধে বিক্রয় হচ্ছে এ সব ওষুধ।

তাছাড়া তার ফার্মেসি এই যৌন উওেজনাকর ওষুধ  প্রথম থেকে বিক্রয় করেন।তাদের চাহিদা ও অনুরোধে তিনি এই ধরনের যৌন উওেজক বিক্রয় করছেন।এসব ওযুধ বাকিতে বেশি বিক্রয় করেন এবং এিশ থেকে তিনশ টাকা পর্যন্ত দাম নেন।যৌন উওেজক ওষুধের একজন ক্রেতা বলেন,তিনি মাঝে – মধ্যে এ সব ওষুধ সেবন করেন।তবে তাকে কোন চিকিৎসক নির্দেশনা দেননি। তিনি কৌতূহলবশত সেবন করেন।এই ওষুধের ক্ষতিকর দিক তার জানা নেই।মুলত বাজারে রয়েছে দেশী -বিদেশিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক যৌন উওেজক ওষুধ। ক্যাপসুল পাওযার-৩০, কিং পাওয়ার ওয়েল, ফওলাদ, মুনইশ পাওয়ার ওয়েল,এনজয় পাওয়ার ওয়েল,পেইনস ম্যাসাজ ওয়েল,ডি বাজি করন, ভিগোসা,লুমিসেক,ডেফরল,ভিটামিন বি-৫০, ক্যালসিয়াম -ডি,ভারতীয় যৌন উওেজক ট্যাবলেট সেনেগ্র ও টার্গেট সহ নানা ধরনের ওষুধ বিক্রয় হচ্ছে।

নবীগঞ্জ হাসপাতালের ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন,যৌন উওেজক ওষুধ সেবনে শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়।বিভ্রান্ত হয়ে উওেজক ওষুধ খায় অনেকে।এসব ওষুধ হার্ট ব্লক ও কিডনি সমস্যার ঝু্ঁকি বাড়ায়।দীর্ঘদিন ব্যবহারে দৃষ্টি শক্তি ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়।তাছাড়া যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য আরো বেশি ক্ষতিকর। এতে লিভার  ও নার্ভ ড্যামেজ হওয়ার আশংকা আছে।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁ-৬ (আত্রাই – রাণীনগর) আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী তৃণমূলে সর্বাধিক জনপ্রিয় এ্যাড মো: ওমর ফারুক সমুনকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য পূনঃ বিবেচনার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় আত্রাই উপজেলার রেল স্টেশন এলাকায় আত্রাই–রাণীনগর এর শান্তিকামী জনগনের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাড মো: ওমর ফারুক সমুন। বক্তব্য রাখেন, উপজেলার আহসানগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মেছের আলী, আত্রাই উপজেলা আ”লীগের নেতা আব্দুলাহ আল মামুন,
মোঃ খাইরুল ইসলাম, শাহাগোলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ছমির উদ্দীন, যুবলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা সাবু,আব্দুল মালেক প্রমুখ।

এ্যাড.সুমন মাঠে ছিল মাঠে থাকবে। মাঠ জরিপ ও জনপ্রিয়তার দিক বিবেচনা করলে এ্যাড.ওমর ফারুক সুমনের দলীয় মনোনয়নের যোগ্য ও সবার চাইতে এগিয়ে।জনসাধারণের দাবি একমাত্র সুমনই এলাকার দূর্যোগপূর্ণ যে কোন সময়ে মাটি ও মানুষের পাশে ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সিদ্ধান্ত পূর্নবিবেচনা করবেন এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগনের ।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাড মো: ওমর ফারুক সমুন বলেন, এই নির্বাচনি এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রকৃত আওয়ামী লীগ ও তৃণমূল নেতা কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া প্রয়োজন। বর্তমানে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তিনি আওয়ামী লীগ বিদ্বেষী একজন ব্যাক্তি। তাই পূনঃ বিবেচনা অন্তে সঠিক ব্যাক্তিতে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানান তিনি।

উল্লেখ্য, নওগাঁ- ৬ নির্বাচনি এই আসনটি শূন্য হয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের মৃতুর পর। উপ নির্বাচন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আবেদন করেন ৩৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে গত কাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দেন রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলালকে। দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে শুরু হয় নির্বাচনের নতুন উত্তাপ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc