Monday 21st of September 2020 06:47:42 PM

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে সামাজিক বনায়নে উপকারীভোগীদের অধিকার খর্ব করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় নড়াইল পৌর এলাকার ঘোড়াখালী এলাকায় নড়াইলমাগুরা সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ঘোড়াখালী রঘুনাথপুর বনায়ন সমিতির আয়োজনে প্রায় ঘন্টাব্যাপী  মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন ঘোড়াখালী রঘুনাথপুর বনায়ন সমিতির সভাপতি মোঃ সাহেব আলী বেগ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সাইফুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ ঈমাম হাসান, ভূক্তভোগী ইউসুফ মোল্যা, মোঃ ইসলাম শেখ, আরজান বেগ, আবুল কালাম আজাদসহ অনেকে।

বক্তব্যকালে সমিতির সভাপতি সাহেব আলী বেগ সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল হাসান সাইফুল্লাহ বলেন, ‘ নড়াইল পৌরসভার ঘোড়াখালী সড়কে সমিতির মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বন বিভাগের সহযোগিতায় দ্বিতীয় দফায়  কিলোমিটারের অধিক সড়কে দুই হাজারের বেশি গাছ লাগানো হয়। মাসে ৩হাজার টাকা করে পাহারাদারকে দিয়ে গাছগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করেছি। ১২ বছর পর গাছগুলি নিজেদের দাবি করে অবৈধভাবে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে। জেলা পরিষদ কোনদিন খোঁজও নেয়নি। 

এই সড়কে প্রথম দফায় আমরা সমিতির মাধ্যমে গাছ লাগিয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করি। প্রথম দফায় বিক্রি করা গাছের লভ্যাংশ অনুযায়ী সুবিধাভোগী, বনবিভাগ, জেলা পরিষদ নড়াইল পৌরসভাকে অংশ মোতাবেক ভাগ করে দেয়া হয়। কিন্তু এবার সবাইকে বঞ্চিত করে জেলা পরিষদ গাছ বিক্রির ৎপরতা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে গাছে মার্কিং করে গেছে।

ব্যাপারে জেলা প্রশাসনসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যদি আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে জেলা পরিষদ গাছ কাটতে আসে, তাহলে আমরা উপকারভোগীরা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে রুখে দাড়াবো।

ব্যাপারে নড়াইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ^াস বলেন, ‘ জেলা পরিষদের সাথে ঘোড়াখালী রঘুনাথপুর বনায়ন সমিতির কোন চুক্তি নেই। নিয়মানুযায়ী গাছ বিক্রির অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা হবে। ব্যাপারে কোন ছাড় দিলে  আমার বিরুদ্ধে মামলা হবে। তবে আইনগতভাবে যদি ওই সমিতি টাকা পায় তাহলে অবশ্যই তাদের টাকা দেওয়া হবে। এক্ষেক্ষে আমার আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:  হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বালুমহালে ও ব্যবসা- প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে মিরাশি ইউপির নালমুখ বাজারের খোয়াই নদীর পাড়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সত্যজিত রায় দাশের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ অভিযানে সহযোগিতা করেন – সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চন্দ্র পাল, মিরাশী ইউপি চেয়ারম্যান মো: রমিজ উদ্দিন ও চুনারুঘাট থানা পুলিশের একটি টিম।  এসময় নালমুখ বাজারে বালুমহাল ও বিভিন্ন ব্যবসা – প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের দুটি মেশিনসহ প্রায় ৫০০ মিটার লম্বা পাইপ পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ ও বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

“স্ত্রীকে খুশি রাখতে পরকীয়া প্রেমিক কর্তৃক প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার স্বীকারোক্তি” 

মিজানুর রহমান,চুনারুঘাট থেকেঃ  বাসায় সাবলেট থাকা তরুণীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন মো. আফসার মিয়া কাওছার। কিন্তু বিষয়টি জেনে ফেলেন কাওছারের স্ত্রী রিপা বেগম। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চরম দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এক পর্যায়ে রিপা স্বামীর সাথে অভিমান করে বাবার বাড়ি চলে আসেন। কয়েকদির পর কাওছার তার স্ত্রীকে বাসায় ফিরিয়ে নিতে চাইলে রিপা বেগম প্রেমিকা মিষ্টিকে তার জীবন থেকে সড়াতে হবে বলে শর্ত দেয়।
এক পর্যায়ে দু’জন পরিকল্পনা করে মিষ্টিকে মৌলভীবাজার থেকে চুনারুঘাট নিয়ে আসে এবং পরিকল্পা অনুযায়ী রাতের আধারে যোগী টিলায় নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যাকান্ডের ৭ মাস পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উৎঘাটন করেছে পুলিশ।
বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা নিজ কার্যালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।
এ সময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারী চুনারুঘাট উপজেলার যোগীর আসন টিলা থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশের একটি চৌকশ টিম। দীর্ঘ তদন্ত শেষে এ হত্যাকান্ডে বেড়িয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। উৎঘাটন করা হয়েছে নিহত তরুণীর পরিচয়।
নিহত তরুণী রোকশানা আক্তার মিষ্টি নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার কামালপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলী মজুমদারের মেয়ে। এছাড়া আটককৃত আফসার মিয়া কাওছার (২৮) চুনারুঘাট উপজেলার পাচারগাঁও গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের ছেলে ও তার স্ত্রী রিপা বেগম। তারা দুজনেই মৌলভীবাজারে বসবাস করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, নিহত মিষ্টি মৌলভীবাজার শহরে একটি বেসরকারী কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করত। হত্যাকান্ডের প্রায় এক মাস আগে (চলতি বছরের জানুয়ারিতে) ঘটনাচক্রে আসামি রিপার সাথে ভিকটিম মিষ্টির পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বাসা ভাড়া নিয়ে কথাবার্তা হয়। এক পর্যায়ে রিপা মিষ্টিকে তাদের বাসায় সাবলেট হিসেবে থাকার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি হয় মিষ্টি।
পরে মিষ্টি মৌলভীবাজার শহরের দূর্গা মহল্লায় রিপার ভাড়া বাসায় উঠে। এ সময় মিষ্টির সাথে রিপার স্বামী আফসার মিয়া কাওছারের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। যা গড়ায় দৈহিক সম্পর্কে। বিষয়টি জেনে ফেলেন কাওছারের স্ত্রী রিপা। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চরম দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্বামীর সাথে ঝগড়া করে রিপা বেগম সৎ বাবার বাড়ি হবিগঞ্জ শহরতলীর ধুলিয়াখালে চলে আসেন।
পরদিন কাওছার তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে চাইলে রিপা স্বামীকে শর্ত দেন পরকিয়া প্রেমিকা মিষ্টিকে তার জীবন থেকে সড়াতে হবে। স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে ও খুশি করতে এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান কাওছার। এক পর্যায়ে দু’জন পরিকল্পনা করে মিষ্টিকে মৌলভীবাজার থেকে চুনারুঘাট নিয়ে আসে এবং পরিকল্পা অনুযায়ী রাতের আধারে যোগী টিলায় নিয়ে যান। সেখানে কাওছার আবারো স্ত্রীর সহযোগিতায় মিষ্টিকে ধর্ষণ করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পরে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে মিষ্টির গলায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মৌলভীবাজার চলে যায়। এ সময় মিষ্টির সাথে থাকা মোবাইলটি নিয়ে যায় এবং মৌলভীবাজারের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং ৭ মাস পর মূল রহস্য উৎঘাটনসহ ঘাতকদের আটক করে।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতরা ওই তরুণীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে বুধবার দুপুরে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এ সময় তারা হত্যাকান্ডের সম্পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছে আদালতকে। পরে ঘাতক স্বামী-স্ত্রীকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

নড়াইলের কৃতি সন্তান পর্বতারোহী ,দৌড়বিদ,সাইক্লিস্ট,সাংস্কৃতিক কর্মি ও শিক্ষক রেশমা নাহার রত্না হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইলের লোহাগড়ার কৃতি সন্তান পর্বতারোহী ,দৌড়বিদ,সাইক্লিস্ট,সাংস্কৃতিক কর্মি ও শিক্ষক রেশমা নাহার রত্না হত্যার বিচারের দাবিতে লোহাগড়ায় প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার লোহাগড়া উপজেলা বাসীর আয়োজনে নড়াইল -লোহাগড়া সড়কের লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের সামনে এ প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন নড়াইল-২এর সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ওয়াকার্স পাটির ,নড়াইল জেলা সভাপতি অ্যাডঃ হাফিজুর রহমান, লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান রুনু, কাশিপুর চেয়ারম্যান মোঃ মতিয়ার রহমান, লক্ষীপাশা বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক লিয়াকত বিশ্বাসসহ অনেকে।

বক্তারা নড়াইলের কৃতি সন্তান পর্বতারোহী ,দৌড়বিদ,সাইক্লিস্ট,সাংস্কৃতিক কর্মি ও শিক্ষক রেশমা নাহার রত্না হত্যা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে এ কৃতি সন্তানের হত্যাকারি বিচারের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি জানান।

পরে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্তার মুকুল কুমার মৈত্রের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। এ সময় স্থানীয় রজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ,সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জঃ  সিলেটে পর্নোগ্রাফি আইনে দায়েরকৃত এক মামলায় নবীগঞ্জের মোঃ নাজমুল আলম (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে পৌরসভার জয়নগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।
জানা যায়, সিলেট কোতায়তলী থানায় জনৈকা এক মহিলা পর্নোগ্রাফি আইনে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে জিআর ৬২০/১৯ নং মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় নাজমুল আলম দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার এএসআই আক্তার হোসেনসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে জয়নগর থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার দাশ।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আগামী ১৭অক্টোবর উপ-নির্বাচন হতে যাচ্ছে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে। রাণীনগর ও আত্রাই এই দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত নওগাঁ-৬ ও সংসদীয় আসন-৫১। বর্তমানে এই আসনে উপ-নির্বাচনের হাওয়া বইছে। সরকার দলীয় প্রার্থী ঘোষনা করা হলেও বিএনপি এখনো চ’ড়ান্ত প্রার্থী ঘোষনা করেনি। আসন্ন উপ-নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) মনোনয়ন ফরম বিতরন শুরু করেছে।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেকের নাম শোনা গেলেও জনসম্পৃক্ততা ও আলোচনায় রয়েছেন উপজেলার গোনা ইউনিয়নের গোনা গ্রামের বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব এছাহক আলী। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি তাঁতি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে রয়েছেন। তিনি বিএনপির ক্রান্তিকালসহ সব সময় মাঠে ছিলেন। এই অ লের মানুষের পাশে তিনি সব সময় ছিলেন এবং আগামীতেও থাকবেন বলে জানান এছাহক আলী।

এছাহক আলী বলেন বর্তমান অত্যাচারিত সরকারের দীর্ঘ সময়ে এই আসনের যে সকল বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন মামলাসহ অত্যাচারের শিকার হয়েছে আমি তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। বিএনপির দু:সময়ে দলের পাশে থেকে দলকে সুসংগঠিত রাখতে চেষ্টা করেছি। দেশনেত্রী বেগম জিয়া ও দলের সকল রাজবন্দিদের মুক্ত করার লক্ষ্যে সব সময় রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছি। আমি যখনই সুযোগ পাই তখনই এলাকায় এসে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরের লোকালয়ে গিয়ে সাধারন মানুষদের কাছে শহীদ জিয়ার আদর্শকে পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করি। অবহেলিত ও অত্যাচারিত মানুষদের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করে আসছি। তাই দল আমার সকল কিছু বিচার-বিশ্লেষন ও তৃনমূলের মতামতের ভিত্তিতে যদি আমাকে উন্নয়নের প্রতিক ধানের শীষ দেয় তাহলে আমি আশাবাদি আমি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দেশনেত্রীকে দীর্ঘদিন পরাজিত এই আসনটিকে উপহার দিতে পারবো।

কারণ মানুষরা বর্তমানে বিএনপির পক্ষ থেকে একজন নতুন মুখকে দেখতে চায়। এছাড়া আমি এই অ লের মানুষের কাছে একটি সুপরিচিত মুখ। কারণ দীর্ঘদিন যাবত এই অ লের মানুষ বর্তমান সরকারের দখলবাজি, চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতিসহ অন্যায়-অত্যাচারের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে দিশেহারা। তাই তারা শাসনের পরিবর্তন চায়। আর আমি আশা রাখি দল যদি আমাকে এই উপ-নির্বাচনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেয় এবং স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় তাহলে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে এই অ লের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া-পাওয়া পূরন করার চেষ্টায় কাজ করবো। আমি শতভাগ আশাবাদি যে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেই দলবল নির্বিশেষে সকল শ্রেণিরপেশার মানুষ আমাকেই ভোট দেবে। উল্লেখ্য, গত ২৭জুলাই আওয়ামীলীগের ৩বারের নির্বাচিত সাংসদ ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে এই আসনটি শুণ্য হয়।

মিনহাজ তানভীরঃ মৌলভীবাজার জেলায় নবাগত জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান’র সাথে শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও সেবা গ্রহীতাদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত পরিচালিত মতবিনিময় অনুষ্ঠান শ্রীমঙ্গলের ডাক বাংলোতে অবস্থিত জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রথমে ছাত্রদের মাঝে বাই-সাইকেল বিতরন করেন।

৪০ টি বাইসাইকেল নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ৪০ জন উপকার ভোগী ছাত্রকে প্রদান করা হয়।

পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনু্ষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন এবং অত্র জেলায় থাকাকালীন অবস্থার উপর নির্ভর করে পরবর্তিতে এই রকম একটি অনুষ্ঠানে এসে যে সকল সমস্যা তিনি নোট করেছেন এর কোনটি সমাধান করতে পেরেছেন এবং কোনটি কেন সমাধান করতে পারেননি তা ব্যাখ্যা করবেন বলে অনুষ্ঠানে অঙ্গিকার করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন শিক্ষক জহর তরফদার।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব, সাবেক বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সভাপতি ডা. হরিপদ রায়, শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মো. আশরাফুজ্জামান, শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মহসিন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. নেছার উদ্দিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রেম সাগর হাজরা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী রানী,শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুছ ছালিকসহ শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনাম হোসেন চৌধুরী মামুন, বদরুল আলম শিপলু, ৩ নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বানু লাল রায়, ৫ নং কালাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মুজুলসহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান।

অনুষ্ঠানের বক্তব্য রাখছেন সভাপতি নজরুল ইসলাম ইউএনঅ,শ্রীমঙ্গল।

স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে,কাওসার ইকবাল,আনিসুল ইসলাম আশরাফী,বিকুল চক্রবর্তি, আতাউর রহমান কাজলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদ কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ৪০ টি বাইসাইকেল নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ৪০ জন উপকার ভোগী ছাত্রকে প্রদান করা হয়।একই সময়ে ৬ জন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ও মৃতদের মনোনীতদের ৬ জনের মধ্যে ৩ লক্ষ টাকা সমাজ সেবা অফিসের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

বক্তব্য রাখছেন শ্রীমঙ্গল সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মো. আশরাফুজ্জামান।

প্রসঙ্গত, মতবিনিময় সভায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ নবাগত প্রশাসকের কাছে বিভিন্ন দাবী তুলে ধরেন, এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য দাবী গুলো হচ্ছে,দ্রুত প্রস্তাবিত পৌর এলাকার সীমানা মীমাংসা করে শ্রীমঙ্গল পৌর সভা নির্বাচন, সরকারী কলেজের সম্মুখস্থ মাঠ থেকে ময়লার বাগাড় সরানো, পর্যটন এলাকার রাস্তা ঘাট মেরামত, সড়কের দু পাশে থাকা ফুটপাতের গাছ গাছড়া কেটে রাস্তা পরিষ্কার করে পথচারীদের চলাচলের বাঁধা দুরকরন,দখলকৃত ও ভরাট হওয়া পাহাড়ি ছড়া গুলো উদ্ধার করে পাহাড়ি পানি হাওরের দিকে নিষ্কাসনের সুবিধা তৈরি,করোনা মৌসুমে উপজেলায় কর্মরত প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রণোদনা প্রদানের ব্যবস্থা করন, বেদখল হওয়া খেলা ধুলার মাঠ উদ্ধারসহ নতুন মাঠের ব্যবস্থা করন, শহরের রাস্তা ঘাটের ফুটপাতের দোকানপাট সরিয়ে স্কুল কলেজে যাতায়াতের রাস্তা পরিষ্কার করন,ব্যাটারি চালিত রিক্সাকে আইনের আওতায় আনয়ন,বাস স্ট্যান্ড নির্ধারন, পর্যটন এলাকার শ্রীবৃদ্ধি করন, লাউয়াছরা উদ্যানের সমাধান, কালাপুরে ইউনিয়নে কৃষি অফিস কর্তৃক চাষাবাদের জন্য পানির ব্যাস্থা করন,মৌলভীবাজারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ইত্যাদি দাবীর জবাবে জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেন এবং সম্ভাব্য ও এক্তিয়ারভুক্ত বিষয় গুলোর সমাধান করবেন।

অনুষ্ঠানে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কোন প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি।

পরিশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি নজরুল ইসলামের বক্তব্যের মাধ্যমে মতবিনিময় সভার সমাপ্তি হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc