Monday 21st of September 2020 06:42:09 PM

শংকর শীল,চুনারুঘাট,হবিগঞ্জঃ র্দীঘ ৭ মাস পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের রোকসানা আক্তার মিষ্টি (২২) হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। পরকীয়ার জের ধরে আসামিরা মিষ্টিকে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামি আফসার মিয়া (২৮) ও তার স্ত্রী রিপা বেগম (২৪) বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার ওসি (তদন্ত) চম্পক দাম বলেন,৬ ফেব্রয়ারী রাতে চুনারুঘাটের রানীগাঁও যুগীর টিলা নামক স্থানে অজ্ঞাত এক যুবতীর লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসে। পরে যুবতীর নাম ঠিকানা নিশ্চিত না হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরোদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার ওসি (তদন্ত) চম্পক দাম বলেন,৬ ফেব্রয়ারী রাতে চুনারুঘাটের রানীগাঁও যুগীর টিলা নামক স্থানে অজ্ঞাত এক যুবতীর লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসে। পরে যুবতীর নাম ঠিকানা নিশ্চিত না হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরোদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করে।

ঘটনার ৭ মাস পর আসামী আফসারের সাথে ঢাকার পাওনাদার ফারুকের মারামারি ঘটনার সূত্র ধরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় আসামি চুনারুঘাট উপজেলার পাচারগাঁও গ্রামের আবদুল খালেকের পুত্র আফসার মিয়া (২৮) ও তার স্ত্রী রিপা বেগম (২৪) কে চুনারুঘাট পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যলয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্যা সাংবাদিকদের বলেন,রোকসানা আক্তার মিষ্টি মৌলভীবাজারে একটি কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করত। মিষ্টি নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ষোল্লা গ্রামের খুর্শেদ আলী মজুমদারের কন্যা।
মৌলভীবারে রিফার সাথে মিষ্টির পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে মিষ্টি রিপা ও তার স্বামী আফসারের সাথে একই বাসায় ভাড়া থাকত। এ সুবাদে মিষ্টির সাথে আফসারের পরকিয়া প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে জগড়া বিবাধ লেগে থাকত। এ পর্যায়ে রিফা তার বাবার বড়ী চলে যায়।
পরে আফসার মিষ্টিকে দোনিয়া থেকে সড়িয়ে ফেলবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলে সে বাড়ী ফিরে আসে। এবং আফসারের গ্রামের বাড়ী চুনারুঘাটের পাচারগাঁও গ্রামে মিষ্টিকে নিয়ে ৬ ফেব্রয়ারী ২০২০ রাতে বেড়াতে আসে। রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে তাকে আসামিরা কৌশলে রানীগাঁও ও চাটপাড়া গ্রামের মাঝামাঝি হাওড়ের যুগীর আসন টিলায় নিয়ে আফসার মিষ্টিকে ধর্ষন করে এবং তার ওড়না দিয়ে রিফা ও তার স্বামী  মিষ্টিকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে তারা মিষ্টিকে টিলার নিচে ফেলে চলে যায়।

সোলেমান আহমেদ মানিক,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  শ্রীমঙ্গলে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন বিক্রির অপরাধে শহরের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্র্যামমান আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গল র‍্যাব-৯ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর আহমেদ নোমান জাকির এর উপস্থিতিতে র‌্যাবের সার্বিক সহায়তায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নেছার উদ্দিন এর নেতৃত্বে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ বদরুল হুদা।

শ্রীমঙ্গলে আটক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৬(ক) লংঘন করে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ বিক্রয় করায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার স্টেশন রোডস্থ আরেফিন সিদ্দিকীকে ২০,০০০ টাকা, সুমন রায় কে ৫৫,০০০ টাকা ও মাসুদ রানাকে ১,০০,০০০ টাকার,পৃথক ০৩ টি মামলায় মোট ১,৭৫,০০০ টাকা নগদ অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত পলিথিন শপিং ব্যাগ বিধিসম্মতভাবে ব্যবহার অনুপযোগী করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বেনাপোল প্রতিনিধি:  বেনাপোল স্থলবন্দরে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের হয়রানি ও জোর পূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগে ৬ প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে যশোর জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।
তিনি জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আব্দুল লতিফ তার নিজের বোন নুরজাহান, খালাতো বোন নাজমা খাতুন ও আলীমকে ভারতের পাঠানোর উদ্দেশ্য বেনাপোল চেকপোষ্ট‍ে গাড়ি থেকে নামার পর একজন প্রতারক তাকে সহজে ভারতে পার করে দেবে এমন প্রলোভন দেখিয়ে বেনাপোল ইমেগ্রেশন সংলগ্ন অফিসের পেছনে অবস্থিত একটি দোকান ঘরের মধ্যে তাদেরকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে কোনরূপ সেবা ও সুযোগ-সুবিধা না দিয়েই তাদের কাছে জোরপূর্বক ৩ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ১৪/১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি আসে তাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ৩জন টাকা ছিনিয়ে নেয়।
এ ঘটনায় সংবাদ পেয়ে পোর্ট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করে। পরবর্তী তাকে জিজ্ঞাসাবাদে অন্যদের নাম প্রকাশ করে । এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ ভয় প্রদর্শন পূর্বক জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করার অপরাধে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা করে। পুলিশ পরে ছয়জনকে আটক করে।
আটককৃতরা হলেন, বেনাপোল সাদিপুর গ্রামের মোস্তফা মোড়লের ছেলে ইয়াসিন, একই গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে জসীম উদ্দিন সর্দার, আজিজ সরদারের ছেলে পাভেল,  দুর্গাপুরের আকমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম, একই এলাকার মৃত চাঁদ আলী সরদারের ছেলে লুলু সরদার ও সাদিপুরের আব্বাসের ছেলে মোসলেম হোসেন রকি।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার ছাড়াও পুলিশের উর্দ্বোতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার কালিরবাজার থেকে ৫৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

 মঙ্গলবার(৮ সেপ্টেম্বর) রাতে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোরশেদ আলম এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 অভিযানে আটককৃতরা হলেন উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের তারাব আলীর ছেলে বাবুল মিয়া (৪০) এবং একই গ্রামের দুধ মিয়ার ছেলে নাসির মিয়া (৪৫)।

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোরশেদ আলম জানান, রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ৫৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ উল্লেখিত দুইজনকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের বিরোদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের এর প্রস্ততি চলছে।

মিনহাজ তানভীর: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার মাধ্যমে ভাসমান বেডে উৎপাদনকৃত আমন ধানের চারা আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের লামুয়া নামক গ্রামে কৃষকদের মাঝে এই ধানের চারা বিতরণ করা হয়।
জানা যায়,শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে লামুয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ কর্তৃক আটটি বেডে ভাসমান বিনা ২২ জাতের ধানের চারা উৎপাদন করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ধানের চারা বিতরণ করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি কৃষি অফিসার শ্রীমঙ্গল উপজেলা,মোহাম্মদ আলাউদ্দিন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল উপজেলা,রকেন্দ্র শর্মা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল উপজেলা,শামীম আহমেদ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল।

হাইল হাওরে বেডে ভাসমান বিনা ২২ জাতের ধানের চারা ঘুরে দেখছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি।ছবি সংগৃহীত 

আমন আবাদ বৃদ্ধি ও কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে স্থানীয় কৃষি অফিস কর্তৃক যেসকল উদ্যোগ গ্রহণ করেন কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা তা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনিসুল ইসলাম আশরাফী,শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য নাজমুল ইসলাম,আব্দুল মজিদ,আছলম মিয়া,আব্দুল মুকিত,চেরাগ আলী প্রমুখ।

“প্রিয় নবী ﷺ ও কুরআনের প্রতি অবমাননা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের গভীর ষড়যন্ত্র স.উ.ম. আবদুস সামাদ”

ফ্রান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এবদোয় রাসূল (ﷺ) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ ও সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মালমো শহরে উগ্রপন্থী খ্রিষ্টান কর্তৃক পবিত্র কুরআন শরীফে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে দেশব্যাপী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ০৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২ ঘটিকায় মানববন্ধনটি জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক, মহানগর ইসলামী ফ্রন্টের অর্থ সম্পাদক জননেতা এডভোকেট হেলাল উদ্দিন।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জননেতা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ স.উ.ম. আবদুস সামাদ। এ সময় তিনি বলেন, প্রিয় নবী ও কুরআনের প্রতি অবমাননা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের গভীর ষড়যন্ত্র। হজরত মুহাম্মদ (ﷺ) এঁর শানে অবমাননায় কোন মুসলমানের রক্ত শীতল থাকতে পারে না। অথচ প্যারিসের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এবদোয় বারংবার প্রিয় নবীজিকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের কলিজায় আঘাত করে যাচ্ছে। অপর দিকে সুইডেনের খ্রিষ্টান উগ্রগোষ্ঠি কুরআনে অগ্নিসংযোগ করে বিশ্বকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। সেই অনলে বিশ্ব শান্তি ঐক্য সংহতি সব পুড়ে ছারখার হওয়ার পূর্বেই বিশ্ব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগ সহ ফ্রান্স ও সুইডেন সরকারকে গোটা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা অপরিহার্য।

তিনি আরো বলেন, রাসূল (ﷺ) কে নিয়ে ফান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এবদোয় নিষিদ্ধকরণ এবং সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মালমোতে খ্রিষ্টান উগ্রগোষ্ঠি কর্তৃক কুরআন পোড়ানোর সাথে জড়িতদের শাস্তি প্রদানসহ ফ্রান্স ও সুইডেনকে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টির করতে সংস্থার প্রধান নির্বাহী মহাসচিব কে আহবান জানান। বিশেষ অতিথি ছিল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব জননেতা সৈয়দ মুজাফফর আহমাদ, জননেতা এড. ইসলাম উদ্দীন দুলাল, মাও. মুহিউদ্দীন হামিদী, মাও. বদরুল আলম, মাও. আব্বাস উদ্দীন, যুবসেনার সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা।

মহানগর ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক জননেতা মুহাম্মদ আব্দুল হাকিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমদ রুবেল, যুবসেনা ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাসউদ হোসাইন, যুবসেনার কেন্দ্রীয় সহ-অর্থ সম্পাদক এড. আবুল কালাম আজাদ, মাও. ফরহাদুল ইসলাম বুলবুলি, কাজী জসিম উদ্দিন নুরী, কাজী তৈয়্যব আলী, মাইনুল ইসলাম, মুফতি মোবারক হোসাইন, শেখ বোরহান উদ্দিন, হাফেজ ওমর ফারুক, হাফেজ জাহিদুর রহমান, খাজা সাইফুল হক আখন্দ, রফিকুল ইসলাম, আহমাদ রেজা সবুজ, সৈয়দ মুহাম্মদ আলী বসনি, আরিফুল ইসলাম, ইয়াহইয়া বিন সিদ্দিক, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ কবির হোসেন, মুহাম্মদ উল্লাহ্, হোসাইন রেজা, আল-মিরাজ, শরীফুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রিয়াদ, দিদার হোসেন, ওমর ফারুক, হাফেজ রাকিব প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, মুসলমান জাতিকে আরও শত্রুভাবাপন্ন করে তোলার ইন্ধন জোগানো হচ্ছে, মুসলিমদের হেয় করে উসকে দেওয়া হচ্ছে। এটা কখনোই মুক্তচিন্তা বা ‘রাইট টু ফ্রিডম অব স্পিচ’ হতে পারে না। বরংচ গোঁড়ামি ও বিদ্বেষমূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ এবং একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মানুভূতিতে আঘাত করা। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির কার্যালয় অভিমুখে এগিয়ে গেলে পুলিশের বাঁধা ও অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি প্রতিনিধি দল জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধিকে স্বারকলিপি প্রদান করে।

সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে হৃদয় বিদারক দুর্ঘটনা নারায়ণগঞ্জের বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় হান্নান (৫০) নামের আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট ২৮ জনের মৃত্যু হলো। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন পার্থ সংকর পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

৪ সেপ্টেম্বর রাত এশার নামাজের সময় ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে মসজিদের ভেতরে থাকা প্রায় ৫০ জনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়াহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন তারা। তাদের মধ্যে দগ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
এদিকে প্রাথমিকভাবে এসি নয়, গ্যাসলাইন থেকে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন। শুক্রবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ কথা জানান তিনি।

এ ঘটনায় তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস একটি, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ একটি ও জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

মসজিদে বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ফতুল্লা অফিসের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

তারা হচ্ছেন-তিতাসের ফতুল্লা অফিসের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপক মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এস এম হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, সিনিয়র সুপারভাইজার মো. মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী মো. আইউব আলী, সাহায্যকারী মো. হানিফ মিয়া এবং প্রো-কর্মী মো. ইসমাইল প্রধান।

এদিকে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্যাসলাইনের পাইপে আরও লিকেজ খুঁজতে দ্বিতীয় দিনের মতো মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের শ্রমিকরা মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কোনো নির্দেশনা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়নি। করোনা পরিস্থিতি পার হওয়ার পর পুনরায় স্কুল চালুর জন্য জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত যেসব নিয়ম মানতে হবে সে বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কিছু অনলাইনে স্কুল খোলার নির্দেশনা জারি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হাসান মঙ্গলবার বিকেলে সমকালকে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার কোনো নির্দেশনা কাউকে দেওয়া হয়নি। আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছি, স্কুল খোলার জন্য প্রস্তুতির যে নির্দেশিকার অনুমোদন দিয়েছি- তা বিদ্যালয় পর্যায়ে সরবরাহ করে সবাইকে অবহিত করতে। একইসঙ্গে সচেতনতা তৈরির জন্য পোস্টার ও লিফলেটের ব্যবস্থা করতে বলেছি।’

তিনি বলেন, ‘যখনই খুলে দেওয়া হোক না কেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর শর্ত প্রতিপালন করে বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার জন্য একটি নির্দেশিকা (স্কুল রি-ওপেনিং প্ল্যান) তৈর করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, আগের মত আর প্রতিদিন প্রতিটি বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে না। রুটিন সংকুচিত করা হবে। স্কুলে ঢুকেই সব শিশুকে হাত ধুতে হবে। স্কুল মাঠে খেলাধুলা সীমিত করা হবে। এ পরিকল্পনায় বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পর পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম চালানোর জন্য মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা অফিসার, প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের জন্য নানা নির্দেশাবলীও রয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, শিশুস্বাস্থ্য ও করোনা প্রতিরোধমূলক নানা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, স্কুল খুলে দেওয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালিত হবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মুখে মাস্ক পরা, হাত পরিষ্কার, থার্মোমিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে। আগের মতো প্রতিদিন সব বিষয়ের ক্লাস হবে না। কবে কোন বিষয়ের ক্লাস হবে তা শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) সদস্যরা বসে নির্ধারণ করবেন। এছাড়া প্রতিদিন কীভাবে ক্লাস পরিচালনা হবে, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে আলাদাভাবে তিনটি ক্যাটাগরিতে ৫০টির বেশি নির্দেশনা থাকছে এই পরিকল্পনায়। করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া স্বাস্থ্যবিধিগুলো অনুসরণ করে এসব নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন সমকালকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান পরিচালনা করতে তারা এই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে করোনা পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় পরিচালনায় দিকনিদের্শনা তৈরি করা হয়েছে। সবাইকে সেসব বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগের মতো আর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হবে হবে না। বিদ্যালয় খোলার ১৫ দিন আগে থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রস্তুতি শুরু করা হবে। ক্লাস চলাকালীন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করণীয় ও প্রতিদিন কীভাবে ক্লাস পরিচালনা করা হবে সেসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে।

এ পরিকল্পনায় দেখা গেছে, বিদ্যালয় খোলার সরকারি নির্দেশনার পর ন্যূনতম ১৫ দিন আগে শিক্ষক, কর্মচারী এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সদস্যদের উপস্থিতিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ক্লাস উপযোগী করে বিদ্যালয় পরিচ্ছন্ন করে তুলতে হবে। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। স্কুলের গেটে বা প্রবেশের স্থানে হাত ধোয়ার জন্য সাবান ও পানির ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করবে। থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করানো হবে।

আর স্কুল রি-ওপেনিংয়ের পাঠ্যক্রম পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, আগের মতো ক্লাসে এক বেঞ্চে তিন বা চারজন শিক্ষার্থী বসতে পারবে না। দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদান করা হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এক বেঞ্চে দুজন শিক্ষার্থীকে বসাতে হবে। প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আগের মতো আর সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস হবে না। একটি স্তরে সপ্তাহে দুই বা তিন দিন অথবা প্রতিদিন দুই-তিনটি ক্লাস নেওয়া হবে। তবে ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ শ্রেণিকে অধিক গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্যক্রম নির্বাচন করে কোন দিন কোন বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে তা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও এসএমসির সদস্যদের নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

বিদ্যালয় চলাকালীন করণীয় হিসেবে এ পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ে আসতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক মুখে মাস্ক পরে আসতে হবে। বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে উপচে পড়া, ভিড় করে খেলাধুলা, আড্ডা-গল্প করতে পারবে না। সামাজিক দূরত্ব রেখে হাঁটা-চলা করতে হবে। নোটিশ বোর্ডে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যোগাযোগ নম্বর লিখে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহায়তায় তাকে চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে।সমকাল থেকে

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ৭৪ বারের জন্য পিছিয়ে আগামী ১৪ অক্টোবর নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম মিল্লাত হোসেন নতুন এ দিন ধার্য করেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে রাজধানীর রাজাবাজারে তাদের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

আট বছর আগে সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের ঘটনায় এলিট ফোর্স বলে কথিত র‍্যাবের মত সংস্থার কাছ থেকে আজ পর্যন্ত একটি তদন্ত প্রতিবেদন না পেয়ে বিশ্মিত ও হতাশ দেশের সাংবাদিক নেতারা এবং সুশীল সমাজ।

সাংবাদিক দম্পতির হত্যার তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সোচ্চার সাংবাদিক সমাজের অন্যতম নেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল রেডিও তেহরানের কাছে তার ক্ষোভ ব্যক্ত করে জানান, বাংলাদেশের কোন মামলায় কেবল তদন্ত প্রতিবেন দেবার জন্য এতবার তারিখ পরিবর্তন করা হয়নি। আট বছরের বেশী সময় পার করেও যদি তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া যায় তাহলে এ মামলার বিচারকার্য কবে শুরু হবে এবং কবে নাগাদ শেষ হবে তার তো কোন নিশ্চয়তা নেই।

তিনি আরো বলেন, আলোড়ন সৃষ্টিকারী এরকম একটি হত্যা মামলার দীর্ঘসূত্রিতা থেকে এটাই প্রমাণ হয় যে, দেশে বিচার হীনতার সংস্কৃতি কতটা গেড়ে বসেছে। এ অবস্থায় সরকারকেই এর দায়ভার বহন করতে হবে।

উল্লেখ্য, এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান মন্তব্য করেছেন সরকারের উচ্চমহল থেকে আশ্বাস দেওয়ার পরও যখন এরকম একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন দিতে এত দীর্ঘ সময় নেয়া হয়, তখন সেটি বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেই তুলে ধরে।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার প্রথম তদন্তভার দেয়া হয় রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার এক উপ-পরিদর্শককে। চারদিন পর মামলার তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে অপারগ হয় ডিবি।

পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের (২০১২ সাল) ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারপর নিহত সাংবাদিকদের মৃতদেহ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয় দফা ময়না তন্ত করা হয়। ডিএনএ টেস্টের জন্য তাদের নমুনা আমেরিকার তদন্ত সংস্থা এফবিআইর কাছে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রিপোর্টও পাওয়া গেছে। আটক সন্দেহভাজনদের সাথে তার মিল-অমিল যাচাই করা হয়েছে। রহস্য প্রায় উন্মোচিত হবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে নানা সময়।

পিতা-মাতার নৃশংস হত্যার প্রত্যক্ষদর্শী একমাত্র সন্তান শিশু মেঘ দুঃস্বপ্নের স্মৃতি নিয়ে মাস-বছর পেরিয়ে এখন কিশোর। তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সাংবাদিকদের রাজপথে আন্দোলন, মানববন্ধন, মহাসমাবেশ, অফিসে কর্ম-বিরতি আর সরকারর সাথে বৈঠকি দেন-দরবার সবই এখন স্তিমিত। বিচার দেখার আশায় বছরের পর অপেক্ষা করে দেশবাসীর স্মৃতিতেও এতদিনে ঝাপসা হয়ে গেছে বিষয়টি। আর সাগরের মা সালেহা মনির কয়েক বছর আগেই সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার বা বিচারের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর দুঃখ যে তিনি আজও জানতে পারলেন না কেন তাঁর ছেলে এবং ছেলের বউকে হত্যা করা হলো। কারা হত্যা করল? হত্যাকারীরা প্রভাবশালী বলেই তাদের আড়াল করা হয়েছে বলে মনে করেন সালেহা মনির। তাই চরম হতাশা আর দুঃখ নিয়ে তিনি বলেছেন, এখন আল্লাহর কাছে বিচার চাওয়া ছাড়া আর কোনো ভরসা নেই তার।

“নৌকার মাঝি আনোয়ার হোসেন হেলাল,ধানের শীষে নজর এক ডর্জন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের” 

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ  নওগাঁ-৬,(আত্রাই-রাণীনগর) আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় মনোনিত প্রার্থী ঘোষনা করেছে আওয়ামীলীগ। এআসনে নৌকার মাঝি হিসেবে রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলালকে দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষনা করা হয়েছে। এদিকে তফশিীল ঘোষনা করা হলেও এখনো প্রার্থীতা চুড়ান্ত করতে পারেনী বিএনপি। তবে এআসনে দলের মনোনয়ন ও ধানের শীষ পেতে বিএনপি’র প্রায় এক ডর্জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে।

গত ২৭ জুলাই এই আসনের এমপি ইসরাফিল আলম মারা গেলে আসনটি শুন্য ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন। এর পর আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে মরহুম এমপি ইসরাফিল আলমের সহধর্মিনী সুলতানা পাররভিন বিউটি, রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলাল,নওগাঁ জেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যড: ওমর ফারুক সুমন,রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নওশের আলী,অতিরিক্ত সচিব(সাবেক) ড: মো: ইউনুছ আলী, মেজর(অব:) আব্দুল জলিল,ঢাকা মহানগর(উত্তর) শ্রমীক লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক ও রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ আলী দুলালসহ ৩৪ জন দলীয় মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেন। গত ২৩ অক্টোবর দলীয় মনোনয়ন জমাদান শেষ হলে সোমবার দলটি দলীয় মনোনিত প্রার্থী হিসেবে আনোয়ার হোসেন হেলালকে চুড়ান্ত প্রার্থীতা ঘোষনা করে।
এদিকে উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে এবং মনোনয়ন পেতে বিএনপি থেকে চার দলীয় জোটের সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির,তার ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন বুলু,তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক এছাহক আলী, কর্ণেল (অব;) আব্দুল লতিফ খাঁন,আত্রাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল ইসলাম রেজু শেখ্,যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেলাল, রাণীনগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আল ফারুক জেমস,নওগাঁ জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহ্বায়ক এ্যাড: রফিকুল ইসলাম,সদস্য শুকুর আলী,রতন মোল্লাহ এবং আত্রাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রজার মোল্লাসহ আরো কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রাণীনগর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি কাজী গোলাম কবির ও আত্রাই উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো: মোফাজ্জল হোসেন এর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইন্তেখাব আলম রুবেল এই আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য,গত ১৯৯১ ও ৯৬ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবীর নির্বাচনে বিজয়ী হন । এর পর ২০০১ সালে নির্বাচনে পুনরায় আলমগীর কবীর বিজয়ী হন। ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শেষের দিকে আলমগীর কবির এলডিপিতে যোগ দেন এবং একই বছরে এলডিপি থেকে পদত্যাগ করেন। এর পর ২০০৮ সালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবীরের ছোট ভাই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু নির্বাচনে অংশ নিলে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন সদ্য প্রয়াত ইসরাফিল আলম এমপি।

এরপর ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবীরকে পরাজিত করে পূনরায় বিজয়ী হন ইসরাফিল আলম। মূলত এ আসনটি চারবার বিএনপির অধীনে থাকলেও ২০০৮ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। গত ২৭ জুলাই এমপি ইসরাফিল আলম মারা গেলে আসনটি শুন্য ঘোষনা করে আাগামী ১৭ অক্টোবর ভোট গ্রহনের দিন ধার্য করে তফশিল ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া বা পূর্বে নির্ধারিত ভাড়ায় না ফিরে যাওয়ায় উপজেলা  প্রশাসন কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে কয়েকটি সিএনজিকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর)  নবীগঞ্জ পৌরসভার শেরপুর রোড হতে হবিগঞ্জ রোডের বিভিন্ন পয়েন্টে ও সিএনজি ষ্ট্যান্ডে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালন করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগীতা করেন নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ। সরকারের নির্দেশনা না মেনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অপরাধে আজ থেকে যানবাহন প্রয়োজনে  আটক করা হতে পারে বলে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করা হয়।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ কোভিট-১৯ সংকট: সাক্ষরতা শিক্ষায় পরিবর্তনশীল শিখন-শেখানো কৌশল এবং শিক্ষাবিদদের ভ’মিকা ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে নিরক্ষর মুক্ত দেশ গড়ায় প্রত্যয় নিয়ে সীমিত আকারে নড়াইলে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেনাবাহিনী কর্মকর্তা মেজর ইমরান,নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারি-অধ্যাপক আনন্দ মোহন বিশ্বাস,জেলা পরিষদের সদস্য রওশন আরা কবির লিলি, এনজিও প্রতিনিধি,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পিন্টু অধিকারী মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ মাধবপুর থানা ও ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে থানার ভেতরে অগ্নিনির্বাপক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় হবিগঞ্জ জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন ও মাধবপুর থানা পুলিশ ফোর্স উপস্থিতিতে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাধবপুর থানার কম্পাউন্ডার ভিতরে উক্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত মহড়ার উদ্দেশ্য হলো মানুষকে আগুন নামক দুর্যোগ সাবধানতা অবলম্বন সচেতনতা বৃদ্ধি করা, সেজন্যই ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাধবপুর থানা কর্তৃক উক্ত সচেতনতা মুলক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইকবাল হোসেন জানান মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে আমরা এই মহড়া আয়োজন করি, মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম দস্তগীর আরো জানান এই মহড়াকে সুন্দর ও সার্থক করে তোলার জন্য স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ফোর্সকে ধন্যবাদ জানাই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রোকন উদ্দিন লস্কর, সিনিয়র সাংবাদিক আইয়ুব খান, থানার কর্মরত পুলিশ ফোর্স, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ অনেকে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc