Monday 21st of September 2020 06:53:39 PM

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি মৃত্যুবরণ করেছেন। আর্মি হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।এনডিটিভি বলছে, প্রণব মুখার্জির সন্তান অভিজিত মুখার্জি গণমাধ্যমকে পিতার প্রয়াণের সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৪ বছর। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।এর আগে গভীর কোমায় ছিলেন প্রণব মুখার্জি। করোনাভাইরাসও পজিটিভ ছিলো। মস্তিষ্কে সার্জারির একদিন পর তার মৃত্যু হলো।

২০১২ থেকে ২০১১৭ সাল পযন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রণব মুখার্জি। তিনি ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন একই পরিবারের আরো ২ জন। নিহতের নাম জুয়েল মিয়া (১৩) এবং আহতরা হলেন তাঁর ভাই মুনসুর মিয়া (২০) ও পিতা ফজর আলী (৬০)।
জানা যায়, গতকাল শনিবার বিকাল ৫টায় উপজেলার ২নং পূর্ব বড় ভাকৈর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী ফার্মের বাজারের পাশে পিতা ও দুই পুত্র মিলে তাদের বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে তাদের হাঁসের খামারে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত হন তাঁর ভাই মুনসুর মিয়া ও পিতা ফজর আলী।

আহতদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ভারতের সীমান্তবর্তী দলই চা বাগান দীর্ঘ প্রায় ১ মাস ৩ দিন ধরে বন্ধ।
শ্রমিকের সাথে দূর্ব্যহারের প্রতিবাদ করায় মালিকপক্ষ সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে বাগান বন্ধ করে দেয়।এ সময়ে সকল মজুরি ও রেশন বন্ধ। অনাহারে অর্ধাহারে কাটছে শ্রমিকের জীবন। করোনার ঝুঁকিতেও শ্রমিকরা কাজ করেছে অথচ শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাদের প্রতি  এ আচরণ। তারপর ও শ্রমিকরা লড়ছে এটাই আশাবাদ। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি দলই চা বাগানের শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছে। অসহায় শ্রমিকদের আর্থিক সহযোগিতার জন্য সিলেট, হবিগঞ্জ এর বিভিন্ন চা বাগানের সাধারণ শ্রমিকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ৬০০০ টাকা আন্দোলন তহবিলে প্রদান করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চা শ্রমিক ফেডারেশনের উপদেষ্টা কমরেড উজ্জল রায়, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, চা শ্রমিক ফেডারেশনের সিলেট জেলার সংগঠক বীরেন সিং,অজিত রায়,হবিগঞ্জ জেলার সংগঠক সাধন কালিন্দি।
উপস্থিত ছিলেন চা শ্রমিক ছাত্র যুব মঞ্চের সদস্য মুখেশ কর্মকার।দলই চা বাগানের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  লছমি ভর,শুভাবতি ভর,রাজিব আলি,ফরিদ আলি,খোদেজা বেগম, ফাতেমা বেগম, সুদীপ্ত ভর প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বাগান চালু, শ্রমিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার,সকল বকেয়া মজুরি প্রদান, রেশন প্রদান ও ব্যাবস্থাপক আমিনুল ইসলামের প্রত্যাহার সহ শ্রমিকদের সকল দাবি মেনে নেয়ার জোর দাবি জানান।

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৯ কেজি ২শ’ গ্রাম ওজনের ৫৭টি সোনার বারসহ বানেছা খাতুন (৩৫) নামের এক নারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা । আটক নারী সীমান্তের সাদিপুর গ্রামের দুঃখে মিয়ার স্ত্রী।
শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) রাত ১০ টার সময় তার নিজ বাড়ি থেকে সোনার বারসহ আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, গোপনে একটি খবর আসে সাদিপুর গ্রামের বানেছা নামে একজন নারি স্বর্ন পাচারকারী বিপুল পরিমাণ সোনার একটি চালান ভারতে পাচার করবে। এ ধরনের খবরের ভিত্তিতে বেনাপোল বিজিবি কোম্পানী সদরের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে চালিয়ে ৯ কেজি ২শ’ ওজনের ৫৭ পিস সোনার বারসহ বানেছাকে হাতেনাতে আটক করা হয় । যার মুল্য সাড়ে ৫ কোটি টাকা বলে বিজিবি জানিযেছেন।
যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোঃ সেলিম রেজা সোনারবার সহ বানেছা নামে একজন নারি স্বর্ন পাচারকারী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটককৃত স্বর্ণের বার

আলী সভাপতি, এমএ কাদির সম্পাদক, সুমন সাংগঠনিক 
এস এম সুলতান খানঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। ২৯ শে অাগস্ট রোজঃ শনিবার সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবে শহীদে মিল্লাত আল্লামা শায়খ নূরুল ইসলামী ফারুকী (রহ:) এর স্মরণ সভা এবং জেলা অনুগামী সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ নূরুদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইদ্রিস আলীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত জেলা অনুগামী সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি জননেতা অধ্যক্ষ গোলাম সরোয়ারে আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি জননেতা সাইফুল মস্তোফা, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাহির উদ্দীন সিদ্দিকী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা খাইরুদ্দীন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল  ওয়াহেদ বাচ্চু, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি যুবনেতা মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব,সিনিয়র সহ-সভাপতি যুবনেতা মাওলানা আব্দুল কাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মোশাহিদ আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দীন আহমদ। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহম্মদ শাহ আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহম্মদ মঈনুল ইসলাম সদস্য ছাত্রনেতা মুহাম্মদ উমর ফারুক। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা কউসার আহমদ রুবেল।
অনুগামী সম্মেলন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পাঁচ সদস্যে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে ডেলিগেটদের সম্মতিক্রমে সৈয়দ মুহাম্মদ আলী বশনীকে সভাপতি, মুহাম্মদ মামুনুর রশীদকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মুহাম্মদ বিলাল মিয়া ইদ্রিস আলীকে সহ-সভাপতি, এম এ কাদিরকে সাধারণ সম্পাদক,মুহাম্মদ রহমত আলীকে সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন ও আফসার আহমদকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুল আওয়াল সুমনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, জুবায়ের আহমদ, নাহিদুল ইসলাম ও শাহিন আহমদকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুস সামাদকে অর্থ সম্পাদক, হাফেয আবিদুর রহমানকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, জুনায়েদকে দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আল আমিনকে সমাজসেবা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক, বোরহান উদ্দীনকে মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষনা সম্পাদক, আবু তাহেরকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মহিবুর রহমান রাজনকে ছাত্রকল্যাণ ও স্কুল বিষয়ক সম্পাদক এবং ফয়সল আহমদ, হেলাল উদ্দীন জাবেদ, সামছুল ইসলাম জাকি, হাফেয আবুল কাশেম, উজ্জল আহমদ, গোলাম সাফিউল আলম মাহিন, হানিফ আহমদ সজিব, সাফায়াত, মুহাম্মদ সাইফুর রহমান, মুহাম্মদ মুশাহিদ মিয়া ও মুহাম্মদ আজমলকে সদস্য করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন; গোলাম সাফিউল আলম মাহিন, মুহাম্মদ মহিবুর রহমান রাজন, ফাইজুর রহমান মাহিন, জুবায়ের আহমদ, আমজল আহমদ, সাজন আহমদ, আব্দুল আওয়াল সুমন, হেলাল উদ্দীন জাবেদ, জাবেদ আহমদ, হাফেয আবুল কাশেম ও হাফেয আব্দুল আজিজ প্রমূখ।

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় সুদের দেনার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেচিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে শামীম হোসেন (৩২) নামের যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার ভোর রাতে। নিহত শামীম শার্শা উপজেলার বেড়ি নারায়নপুর পশ্চিমপাড়ার হাবিলুর রহমানের ছেলে।
নিহতের পিতা হাবিলুর রহমান জানান, শামীম নাভারণ বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করত। ব্যবসাকালীন সময়ে সে কাউকে না জানিয়ে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার নেয়। পরে নিজের ব্যবসায় গুটিয়ে নেয়ার পর জানতে পারলাম সে অনেক টাকার দেনা। ছেলের বউ বাপের বাড়ি থাকায় অনেক রাত পর্যন্ত তার সাথে গল্প করে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সাথে তার দেহ ঝুলছে। চিৎকার করলে এ সময় স্থানীয়রা এসে তার লাশ উদ্ধার করে।
সূত্রে জানা যায়, শনিবার বাজারে পাওনাদারেরা আটকিয়ে রেখে টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে।
শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশটি ময়না তদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পিকআপ চালকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের বয়স অনুমান ২৩ বছর হবে। রবিবার (৩০ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কলিমনগরে এঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত পিকআপ চালক মালম মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউপির রতনপুর গ্রামের বশর উদ্দিনের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে পাওয়া, পিকআপ চালক মালম মিয়া গাছের সারি বোঝাই করে হবিগঞ্জ নিয়ে যাওয়ার পথে শায়েস্তাগঞ্জ টু হবিগঞ্জ বাইপাস রোডের কলিমনগর নামক স্থানে পিকআপের চাকা পাঞ্ছার হয়ে খাদে পড়ে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
এ ঘটনাস্থলেই পিকআপ চালকের মৃত্যু হয়েছে।
এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক এ ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মিনহাজ তানভীরঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে গতকাল শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল থেকে এক কলেজ ছাত্র নিখোঁজ হয়, নিখোঁজের পর আজ রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে তার মৃত দেহের সন্ধান পাওয়া যায় উপজেলার লাখাইছড়া চা বাগানে।
জানা যায়,শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যান দেব এর ছেলে স্বাক্ষর দেব (১৮) শনিবার ২৯ আগস্ট বিকেল ৬ টা থেকে নিখোঁজ হয়। স্বাক্ষরের বাড়ী শ্রীমঙ্গলের মৌলভীবাজার রোডস্থ ইসবপুর গ্রামে।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানায় ডায়েরী করা হয়। শ্রীমঙ্গল উপজেলার লাখাইছড়া চা বাগান হতে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর স্বাক্ষরের মৃত দেহের সন্ধান পায় স্থানীয় পুলিশ।
নিখোঁজের পর খুন করা হয়েছে কি না তা বলা যাচ্ছে না। কে বা কারা ? কেন ? তাকে খুন করেছে অথবা কিভাবে মৃত্যু হয়েছে এ বিষয়টি সঠিক ভাবে উদ্ঘাটনে তদন্ত করতে মৌলভীবাজার জেলা থেকে সিআইডির একটি স্পেশাল টিম আসছে বলে ঘটনা স্থলে থাকা শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সুত্রে জানা গেছে।
ঘটনা স্থলে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস ছালিক, তদন্ত ওসি সোহেল রানা ও এস আই আলআমীনসহ পুলিশের একটি টিম রয়েছে। জানা গেছে সিনিয়র এএসএসপি আশরাফুজ্জামান ও মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের এসপি  ফারুক আহমদ ঘটনা স্থলে আসছে বলে সেখানে থাকা রমা রঞ্জন দেব থেকে জানা গেছে। বিস্তারিত আসছে…।।

সাঁতরানোর সময় সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে মৃত্যু
(Death from swimming sensor technology)

মানুষ মাত্রই মরণশীল। পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষ ও প্রাণীকে নিয়মানুযায়ী একদিন মৃত্যু স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এই মৃত্যু স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক, তা আমরা অনেকেই জানিনা। পানিতে সাঁতরানো অবস্থায় মৃত্যু- তা আবার ভয়ঙ্কর, সবাইকে অবাক লাগিয়ে দেয়। কারণ যিনি পুকুর, জলাশয়, নদী বা সাগরে গোসল করার সময় সাঁতার কাটেন, আবার সাঁতার না জানলেও তিনি পরিমাণ মতো পানিতে থাকেন। কিন্তু যখন ঐ ব্যক্তি হঠাৎ ডুবে যান, আর সহজে ভেসে ওঠেন না। তখই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে- তিনি তো সাঁতার জানেন অথবা অল্প পানিতে অবস্থান করেছিলেন। আবার ১২ ঘণ্টা বা ২৪ ঘণ্টা পরে লাশ হয়ে আপনাআপনি ভেসে ওঠে।

আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর দেখি যে, পুকুর, জলাশয় বা নদীতে ডুবে মানুষ মারা গেছে অথবা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত,  টাঙ্গুয়ার হাওর বা অন্যান্য জায়গায় বেড়াতে গিয়ে মানুষ ডুবে মারা গেছে। তখন অনেকে বিভিন্ন ধরণের কুসংস্কারমূলক কথা বলে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে, যেমন-তার মৃত্যু হয়েছে খোয়াজপীরের কারণে, অথবা পানির দৈত্য তাকে খেয়ে ফেলেছে ইত্যাদি। আসলে জনসাধারণের এসব ধারণা সবই ভুল। আর ইহার জবাব মিলে আমার পিএইচডি গবেষণায় ইসনাহ পরীক্ষণের মাধ্যমে। উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেন্সর প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে।

কিভাবে সেন্সর প্রযুক্তির অপব্যবহারে মাধ্যমে পানিতে সাঁতরানো অবস্থায় মৃত্যু?
মনে করুন, আপনি নদীতে সাঁতার কাটার জন্য পানিতে নেমেছেন। আপনার আসে-পাশে আপনার পরিচিত বা অপরিচিত সাইবার হ্যাকার স্মার্ট মোবাইল ফোন বা সেন্সর ডিভাইস নিয়ে নৌকায় বা নদীর কিনারায় অথবা জিপিএস দূরত্বে আপনাকে দেখা যায় –এমন জায়গায় লুকিয়ে আছে। আপনার সাঁতার কাটা বা পানিতে অবস্থান নিশ্চিত করতে টেলিমেটিক্স ডিভাইস দিয়ে জিপিএস-এর সাহায্যে  আপনার অবস্থান অতিসহজেই জানা যায়। তাছাড়া, উক্ত স্থানে হাসি-কান্না, হাই-কাশি, কথা-শব্দ বলা, বায়ু নির্গত করা  বা খোলা চোখে থাকা প্রভৃতির মাধ্যমেও আপনার অবস্থান জানা যায়।

আপনার আস-পাশ থেকে টেলিম্যাটিক্স যন্ত্রের মাধ্যমে সাইবার হ্যাকার আপনার শরীরের দুই হাত ও দুই পায়ে প্রক্রিয়াগত মোবাইল তরঙ্গমালার দিয়ে হাত-পায়ের অবস্থান নির্ণয় করে তাদের মধ্যে দূরত্ব জেনে যাবে, তারপর সিটিস্ক্যান বা এমআরআই এর মতো সফ্টওয়্যার দিয়ে ডিজিটাল স্ক্যানিং করে উক্ত ব্যক্তির হাত ও পায়ে সেন্সরিং করবে (চিত্র)।  এরপর উক্ত জায়গার কানেকটিভ টিস্যুতে রিমোট সেন্সিং এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত ফ্রিকুয়েন্সির তড়িৎ চৌম্বকীয় বল প্রয়োগ করা হয় টেলিম্যাটিক্সের মাধ্যমে। হাত ও পায়ের রক্তনালীতে মোবাইল সেন্সর  হওয়ার পর সঙ্কুচিত হয়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় আর কানেকটিভ টিস্যুটি অকেজো হয়ে যায়, তখনই উক্ত পা ও হাত প্যারালাইস্ড হয়ে যায়। এরপর উক্ত ব্যক্তি হাত-পা নড়াচড়া করতে পারে না, ফলে সাঁতরাতে বা পানিতে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয় না, নিমেষেই ডুবে যায়।

ফলে শরীর পানির নিচে পড়ে থাকে আর ইলেক্ট্রন তথা অক্সিজেন চলাচল বন্ধ থাকায়,তার মৃত্যু হয়। ৬ঘণ্টা থেকে ১২ঘণ্টা অথবা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নরমাল বিএমআই বডি ভেসে ওঠে, কিন্তু মোটা বা অবিস বডি ভাসতে আরও সময় লাগে। এদিকে সাইবার হ্যাকার সরে গেছে অথবা সেও তাদের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে মিশে গেছে। এইভাবে ২০০০ সাল থেকে সাইবার হ্যাকাররা মানুষকে মেওে ফেলছে সেন্সর মোবাইল প্রযুক্তি দিয়ে আর মিডিয়া প্রচার করছে, উক্ত ব্যক্তি পানিতে ডুবে মারা গেছে। এমন ঘটনা বেশির ভাগ ঘটে বর্ষাকালে, যখন নদীতে,খালে, পুকুরে,বা জলাশয়ে পানি জমে, ঐসময়ে শিশু-পুরুষ-মহিলাসহ অনেকে এইভাবে মারা যায়।এক্ষত্রে আমাদেরকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

প্রতিকূলতা
আমাদের প্রত্যেককে সচেতন থাকতে হবে যে, যখন পুকুরে বা নদীতে নামার আগেই সংশ্লিষ্ট জায়গায় অবশ্যই নেটওয়ার্ক আইসোলেটর ব্যবহার করতে হবে, ফলে উক্ত জায়গায় কোন মোবাইল সেন্সর সংযোগ থাকবে না। আর কারো ক্ষতিরও সম্ভাবনা নেই। বন্ধুদের মাঝে স্মার্ট মোবাইল ফোন থাকলে, তা বন্ধ থাকতে হবেই। এরপরও কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে খুব দ্রুত ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে হবে এবং স্থলভাগে এন তাড়াতাড়ি পানি অপসারণ করতে হবে।

সুপারিশমালা
সেন্সর প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। সচেতনতার ক্ষেত্রে কতিপয় সুপারিশমালা, যা অনুসরণে আমরা উপকার পেতে পারি। যেমনঃ
(১)    পানিতে নামার জায়গায় কখনও নিজের কাছে বা আসে-পাশে মোবাইল ফোন এবং সেন্সর ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না।
(২)    পুকুর বা নদীর কিনারায় বা নৌকায়/লঞ্চ ও স্টীমারে কখনও মোবাইলফোন, ল্যাপ্টপ বা ইলেক্ট্রনিক জাতীয় যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। তবে নেটওয়ার্ক আইসোলেটর থাকলে খুবই ভালো।
(৩)    পানিতে থাকা বা সাঁতরানো অবস্থায় কখনও হাঁচি, কাশি, হাই, হেচকি, শব্দ বা কথা বলা যাবে না। এসব হলে সঙ্গে সঙ্গে সরে যেতে হবে।
(৪)    পুকুর বা নদীতে থাকা অবস্থায় শরীর থেকে দুষিত বাতাস বা ফ্লাটাস আসলে, তা নির্গত না করে  দ্রুত অন্যত্র করে সরে যেতে হবে।
(৫)  পানিতে অবস্থানের সময় কোন কথা, গল্প বা রাগ করা যাবে না। যদি প্রয়োজন হয় তবে ইশারা-সংকেত ব্যবহার করা ভালো।
(৬)   হঠাৎ হাত বা পা অবশ অনুভব হলে সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত উক্ত পানির জায়গা পরিবর্তন করে অন্যত্র সরে যেতে হবে।
(৭)   পুকুর, নদী, জলাশয়ে বা সমুদ্রে গোসল না করে বা সাঁতার না কেটে স্থলভাগে গোসল করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে।
(৮)   আপনার পুকুর বা নদী এলাকায় বা আসে-পাশে এন্টি-রেডিয়েশন প্রযুক্তি ব্যবহারে আপনার সঠিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বহন করে।

সাঁতরানোর সময় প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের মৃত্যু- খুবই দুঃখজনক। এটাই আমাদের জীবনে শিক্ষা। তাই বলে চিন্তিত হওয়া যাবে না। চলার পথে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, জীবন-মরণ হবে- এটাই স্বাভাবিক। পানিতে নামার ক্ষেত্রে বা গোসল করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সজাগ থাকতে হবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে পুকুর, জলাশয় ও নদী প্রভৃতি এলাকায় চলাচলে বা গোসলে বা পানিতে নামার ক্ষেত্রে, নৌকা বা লঞ্চ ভ্রমণে অবশ্যই সজাগ থাকা, দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করা খুবই ভালো। এজন্য আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ সাঁতার জানা, তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জন এবং স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহারে বাস্তব অভিজ্ঞতা অবশ্যই থাকা দরকার। আপনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন, যুগের সঙ্গে চলবেন, নেতৃত্ব দিবেন প্রভৃতি ক্ষেত্রে কোন উন্নয়ন বা ক্ষতি হলে কোন কোম্পানী, নিরাপত্তাবাহিনী বা সরকার একাই দায়ী না, এক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেকের সচেতনতার অভাব বা বুদ্ধিমত্তার ঘাটতি ছিল। তাই প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদেরকে সচেতন হয়ে সংঘবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে।

ড. মোঃ রহিমুল্যাহ মিঞা
বিভাগীয় প্রধান,
স্বাস্থ্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ,
নর্থইষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড,
দক্ষিণ সুরমা, সিলেট, বাংলাদেশ।

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকা সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের কান্দি গাও গ্রামের মৃত আজাদ আলীর পুএ মোঃ লিটল মিয়াকে নাম্বার বিহীন মোটরসাইকেল ও ২০০ পিচ ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে হবিগঞ্জ জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিওিতে h শনিবার ২ টায় হবিগঞ্জ জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণের সহকারী পরিচালক শেখ মোঃ খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে মো মিজানুর রহমান ও মোঃ নজীব আলী পরিদর্শক গণ এ অভিযানে অংশ নেন।

এ ব্যাপারে মাদক পরিদর্শক নজীব আলী জানান,আমরা তাকে ২০০ পিচ ইয়াবা সহ একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছি। এতে মাদক আইনে একটি মামলা করে নবীগঞ্জ থানায় মাদক ব্যবসায়ী লিটনকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নুরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জ উপজেলার কৃতিসন্তান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও উদ্যোক্তা, জে আই সি স্যুট লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী এবং সিলেট ‘রাতারগুল অর্গানিক এগ্রো টেকনোলজি পার্ক এন্ড রিসোর্ট’র চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাযার নামাজ ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ৯টায় নবীগঞ্জের আউশকান্দিতে তাঁর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমের জানাযার নামাজে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পরে ফখরুল ইসলাম চৌধুরীর নিজ গ্রাম নবীগঞ্জের বেতাপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে খরুল ইসলাম চৌধুরী মৃত্যুরবণ করেন। তিনি ঢাকার আল-হেলাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

ফখরুল ইসলাম চৌধুরী দীর্ঘদিন থেকে হৃদরোগ ও কিডনি রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিলো ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়ে, এক ভাই এবং পাঁচ বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: সিলেটের ওসমানীনগর থানা পুলিশ নবীগঞ্জ থেকে সাজাপ্রাপ্ত এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রাম থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামী শিপা বেগকে (৩৫) গ্রেফতার করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত শিপা বেগম ওসমানীনগর উপজেলার জায়ফরপুর গ্রামের মুহিত আহমদের স্ত্রী। একই রাতে ওসমানীনগর উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের খাদিমপুর গ্রাম থেকে পলাতক দুই সহোদরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের খাদিমপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার পুত্র নানু মিয়া (৩৮) নাজমুল মিয়া (৩৫)। ওসমানীনগর থানার এস আই সুজিত চক্রবর্তী ৩ জনকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিপা বেগম সাজাপ্রাপ্ত ও দুই সহোদর পলাতক আসামী ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

“অবিলম্বে বাগান চালু করে মজুরি-রেশন পরিশোধের দাবি এবং ধলই চা-বাগান চালু না করা হলে সমগ্র চা-শিল্পে শ্রম অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তার দায় মালিকপক্ষকে নিতে হবেঃট্রেড ইউনিয়ন সংঘ”

 অবিলম্বে কমলগঞ্জ উপজেলার দলই চা-বাগান চালু করে শ্রমিকদের মজুরি ও রেশন পরিশোধের দাবি করেছেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি হাবিবউল্লা বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম। ২৮ আগষ্ট গণমাধ্যমে পাঠানো একযুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন করোনা মহামারিকালীন দুর্যোগের সময়ে ধলই চা-বাগান কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে শ্রমআইন লঙ্ঘন করে আকম্মিকভাবে কোন রকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত ২৭ জুলাই রাত থেকে অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য বাগান বন্ধের নোটিশ প্রদান করেন।

এরপর জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রমঅধিদপ্তরের উদ্যোগে একাধিক বৈঠক হলেও মালিকপক্ষ তাদের আদেশ প্রত্যাহার করে বাগান চালু করেননি। প্রশাসনের মধ্যস্থতায় ১৯ আগষ্ট বাগান চালুর ব্যবস্থা করা হলেও পরদিন থেকে মালিকপক্ষ আরও একটি নোটিশ দিয়ে অনির্দিষ্ঠকালের জন্য বাগান বন্ধের ঘোষণা দেন। প্রশাসনকে আরও দৃড় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন দলই চা-বাগানের স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে হাজারো শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা রক্ষার্থে প্রয়োজনে ধলই চা-বাগানের লিজ বাতিল করে বাংলাদেশ চা-বোর্ডের অধীনে নিয়ে বাগান চালু করা হোক।

একই সাথে দলই চা-বাগানের মালিক রাগীব আলীকে চা-বাগান পরিচালনায় অনুপোযুক্ত ঘোষণা করে তার মালিকাধীন মালনীছড়া চা-বাগান, রাজনগর চা-বাগানসহ সকল চা-বাগানকে চা বোর্ডের আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। দলই চা-বাগনের শ্রমিকরা এক মাস যাবত অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ নেতৃবৃন্দ বলেন প্রশাসনের উদ্যোগে সর্বশেষ ৩০ জুলাই শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ করা হলেও রেশন প্রদান করা হয়নি। এরপর থেকে দীর্ঘদিন যাবত শ্রমিকরা মজুরি ও রেশন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

কমলগঞ্জ ধলই চা বাগান থেকে শ্রীমঙ্গলে আসা নারী নেত্রীবৃন্দ,যাদের অভিযোগ করোনা মৌসুমে কচু ও পাহাড়ী শাকপাতা দিয়ে তাদের জীবন রক্ষা হয়েছে তবুও বাগান কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসেনি। 

উল্লেখ্য বাগান কর্তৃপক্ষ গত ২৭ জুলাই রাত থেকে শ্রমআইনের ১৩ ধারা অনুয়ায়ী অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য বাগান বন্ধের নোটিশ প্রদান করেন। অথচ ২৭ জুলাইও বাগান কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শ্রমিকরা অতিরিক্ত কাজ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন শ্রমিকদের বেআইনী ধর্মঘটের কারণে মালিকপক্ষ বাংলাদেশ শ্রমআইন-২০০৬ এর ১৩ ধারার অনুযায়ী তার প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারেন। কিন্তু যেহেতু দলই চা-বাগানের উৎপাদন অব্যাহত ছিল, এমন কি ২৭ জুলাইও শ্রমিকরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নির্বিঘ্নে অতিরিক্ত কাজ করেছেন সেহেতু কর্তৃপক্ষ শ্রমআইনের ১৩ ধারার অপপ্রয়োগ করে শ্রমআইন লঙ্ঘন করেছেন। মালিকপক্ষের বেআইনী এই সিদ্ধান্তের জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবিলম্বে দলই চা-বাগান চালুর দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন ধলই চা-বাগান চালু না করা হলে সমগ্র চা-শিল্পে শ্রম অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তার দায় মালিকপক্ষকে নিতে হবে হুসিয়ার করেন। শ্রমিকদের ব্যবহার করে বাগান কর্তৃপক্ষ ও যেকোন স্বার্থান্বেশী মহলের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার অপচেষ্ঠার বিরুদ্ধে শ্রমিকদের সজাগ ও সর্তক থাকার আহবান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ চা-বাগান রক্ষায় শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে মজুরি বৃদ্ধিসহ নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:  মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুবৃত হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) বিকালে কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মিনারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫নং কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান। উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগমের স ালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর রাসেল মতলিব তরফদার, পৌর স্বেচ্ছাসবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন দেব।

অন্যান্যদের বক্তব্য রাখেন মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী মুন্না দেবরায়, প্রভাষক রাবেয়া বেগম, পারুল কুরাইয়া, রুবিনা বেগম, শেখ মনোয়ারা, উপজেলা যুবলীগ নেতা আনোয়ার পারভেজ আলাল, উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক শাকের আলী সজীব প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সকল শহীদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। পরে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় জালধরা হাওরের পানিতে ডুবে খাদিজা আক্তার (৫) ও বিয়া আক্তার (৭) নামে সহোদরা ২ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তারা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের বড়ই গ্রামের বাসিন্দা হবুল মিয়ার মেয়ে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে জালধরা হাওরের পানিতে পড়ে তারা তলিয়ে যায়।
এলাকাবাসী ও শিশু দুটির পরিবার সূত্র জানায়, উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের বড়ই গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে মাস খানেক আগে ওই দুটি মেয়ে শিশুকে নিয়ে মা ময়না আক্তার নিজের বাবার বাড়ি উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের ভাটাপাড়া গ্রামে বেড়াতে আসেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট)মা ময়না আক্তার তার দুজন মেয়েকে নিয়ে পাশ্ববর্তী সলপ গ্রামে আবদুল মোতালিব নামের এক আত্বীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে ওই দুটি শিশু শুক্রবার (২৮,০৮,২০২০)সকাল ১১টার দিকে ওই বাড়ির উঠানে খেলাধূলা করতে করতে এক পর্যায়ে তারা ওই বাড়ির সামনে থাকা জালধরা হাওরের পানিতে পড়ে গিয়ে তলিয়ে যায়।
পরিবারের লোকজন তাদের দেখতে না পেয়ে    খোজাঁ খোঁজি করার এক প্রযায়ে দুপুরে হাওরের পানি থেকে তাদের উদ্ধার করে ধর্শপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। পরে হাসপাতালের ডাক্তার ওই দুজন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
সেলবরষ ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ইকবাল মিয়া এই খবরটির তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc