Wednesday 8th of July 2020 08:01:32 PM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলার স্বেচ্ছাসেবক টিম কর্তৃক আজ ২৯ জুন জেলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল ইসলামের নির্দেশনায় শাহ মোস্তফা কলেজ রোড পুর্ব গির্জাপাড়া ব্যবসায়ী করোনা পজিটিভ হয়ে মৃত্যুবরণকারী মো শামসুল হুদা (৭৫) এর মরদেহের কাফন দাফন ও জানাযা নামাজের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

জানা যায় গত মধ্যরাতে গাউছিয়া কমিটি মৌলভীবাজার জেলা সেচ্ছাসেবী টিম প্রধান শাহ মাছুম ফারুকীর কাছে কল আসলে সাথে সাথে রেস্পন্স টিম ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সকাল ৬ টায় শহরের বাসায় মরহুমের লাশের গোসল ও কাফন সম্পন্ন করে এবং সকাল ১০ টায় সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে জানাজা সম্পন্ন করা হয়। পরে মরহুমের গ্রামের বাড়ি বিরাইমাবাদের পারিবারিক কবরস্থান দাফন কার্য শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দাফন কাজে অংশগ্রহন করেন, গাউসিয়া কমিটি মৌলভীবাজার জেলা সাধারন সম্পাদক, স্বেচছাসেবক টিম সমন্বয়ক কাজী মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন,টিম প্রধান শাহ মাছুম ফারুকী,সহ-টিম প্রধান মোহাম্মদ মুকিত হাসানী, সদস্য মাঃ জাফর সাদেক খান,দুলাল আহমেদ,জাবেদ এনাম আপু,মাওঃ আব্দুল করিমসহ ৮ সদস্যের একটি টিম।

স্বেচ্ছাসেবক সদস্য মাওলানা সাদেক খানের ইমামতিতে মরহুমের দুই ছেলেসহ নিকটাত্মীয়রা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জানাযা নামাজে অংশ গ্রহন করেন।

উল্লেখ্য যে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ এই করোনা মহামারীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে ৪০০+ মুসলিম/ননমুসলিমের দাফন ও সৎকার কাজ সম্পন্ন করেছে বলে কমিটির নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের আয়োজনে সোমবার ২৯ জুন দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার (২০১৯-২০২০) এ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম,উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমীর বিশ্বাস এবং ১১-২০ গ্রেডের শ্রেষ্ঠ কর্মচারী মধ্যে পুরস্কার গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের লাইব্রেরীয়ান পিন্টু রঞ্জন ধর।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ; সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা; সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুনামগঞ্জ সদর মো: আরিফ আদনান; জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের কৃষক মফিজ উদ্দীন মারা যাওয়ার সাত দিন পর জানা গেছে তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন।

রবিবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোকসানা হ্যাপি জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধের পাঠানো নমুনায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ জুন সকালে মফিজ উদ্দীন অন্য রোগের চিকিৎসা করার জন্য উপজেলা হাসপাতালে এসে ভর্তি হন। ওইদিন তার চিকিৎসা করার সময় করোনায় আক্রান্ত সন্দেহ হলে তার নমুনা সংগ্রহ করে তাকে ২০ জুন বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরের দিন ২১ জুন (রবিবার) সকালে তিনি মারা যান। পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। তার মারা যাওয়ার পর ২৮ জুন (রবিবার) নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে তার রিপোর্ট পজিটিভি এসেছে।

এদিকে, একইদিন আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের কর্মরত ১জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে এই উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ জন।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এক মহিষ ব্যবসায়ীকে মারধর করেছে একদল দূর্বৃত্ত। অভিযোগ থেকে জানা যায়, রবিবার (২৮জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ থেকে বাড়ি ফেরার পথিমধ্যে উবাহাটা গ্রামের মৃত আঃ ছোবাহানের ছেলে মহিষ ব্যবসায়ী নানু মিয়ার গতিরোধ করে একই গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে সাইফুল মিয়া, মুক্তার হোসেনের ছেলে তাজুল ইসলাম, মৃত আঃ বারিকের ছেলে রশিদ মিয়াসহ একদল দূর্বৃত্ত।
দূর্বৃত্তদের হামলায় নানু মিয়া ও মৃত আতর আলীর ছেলে ইউনুস মিয়া গুরুতর আহত হয়। এসময় দূর্বৃত্তরা আহত নানু মিয়ার কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা লুটপাট করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করে।
পরিশেষে আহতদের চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সোমবার দুপুরে নানু মিয়া বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করছেন।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে নতুন করে ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবদুল মোমেন বলেন, এর মধ্যে নড়াইল সদরে ৪জন লোহাগড়া উপজেলায় ৮জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় পর্যন্ত চিকিৎসক,ব্যাংক কর্মকর্তা  এবং পুলিশ হাইওয়ে পুলিশের সদস্যসহ মোট ১৭৮জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সদরে ৬৪ জন, লোহাগড়ায় ৯১জন  কালিয়ায় ২৩ জন। এর মধ্যে ৫৭সুস্থ্য হয়েছেন এবং ৭জন মারা গেছেন। এখন ১১৪ জন পজেটিভ রয়েছে। আজ ৭০ টি নমুনা সংগ্রহসহ পর্যন্ত মোট ১৫৫৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, ১৪৯৬টি রির্পোট পাওয়া গেছে,বাতিল হয়েছে ১৭৫ টি।  ৭০ টি নমুনা পেন্ডিং রয়েছে।

পযর্ন্ত জেলায় ১৮২৩জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে, ছাড়পত্র পেয়েছে ১৭৯২ জন। আইসুলেশনে রোগীর সংখ্যা ১১৭ জন।হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা জন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক করুনা সিন্ধু চৌধুরী  বাবুল সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
গত ২৭জুন জানতে পারেন তিনি ও তাঁর স্ত্রীর করোনা পজেটিভ। তিনি এখন সুনামগঞ্জ শহরে নিজের বাসায় ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আইসোলেশনে রয়েছেন। এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
এর পূর্বে তিনি ২৫জুন নিজ ফেইসবুকে এক স্ট্যাটসে লিখেছিলেন,করোনা টেস্ট করেছি, রিপোর্টের অপেক্ষায় অসুস্থ সকলের দোয়া আর্শীবাদ প্রার্থনা করি।
 
জানা যায়,করোনাভাইরাসের সংক্রমের শুরু থেকে তিনি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে চলেছেন কখনো করোনা রোগীর হোম কোয়ারেন্টািন নিশ্চিত করতে,কখনো জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে বা ত্রাণ বিতরণে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি মিশে গিয়েছিলেন জনতার সাথে। সেই করোনা এখন বাসা বেধেছে তার শরীরে। প্রিয় জনপ্রতিনিধি,প্রিয় নেতার জন্য তাহিরপুর উপজেলার সর্বস্থরের জনতাও তাদের প্রিয় নেতার সুস্থতা কামনা করে দোয়া ছেয়েছেন।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক করুনা সিন্ধু  চৌধুরী  বাবুল জানান,আমিসহ আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছি। তবে কোন লক্ষ্যন নেই। শুস্থ আছি।
মহান আল্লাহ আমাদের যেন দ্রুত করোনা মুক্ত করে আমার এলাকাবাসীসহ সকল প্রিয়জনের কাছে আবারও সুস্থ হয়ে সবার কল্যাণে কাজ করতে পারি। তার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। সবাই নিরাপদে,সুস্থ আর সর্তক থাকবেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  ঢাকায় শ্যামবাজার সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে আজ সোমবার সকালে যাত্রীবাহী একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। এ ঘটনায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ২৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সোমবার সকালে আরেকটি লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে লঞ্চটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ নারী ও ৩ শিশুসহ ২৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে সকল মৃতদের পরিচয় জানা যায়নি তবে অনুমান করা হচ্ছে মুন্সিগঞ্জ এলাকার লোকজন বেশী হবে। এ ছাড়া ঠিক কতজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, সেটাও স্পষ্ট নয়।

জানা গেছে, ডুবে যাওয়া লঞ্চটির নাম মর্নিং বার্ড। এটি একটি ছোট আকারের লঞ্চ। ময়ূর-২ নামে আরেকটি লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এটি ডুবে যায়। লঞ্চটি পানির নিচে উপুড় হয়ে আছে

ডুবে যাওয়া লঞ্চ মর্নিং বার্ড ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ রুটে চলাচল করতো। ডুবে যাওয়ার সময় লঞ্চটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়ূরী-২ লঞ্চটি লালকুঠী ঘাটে যাত্রী নামিয়ে সদরঘাটের চাঁদপুর ঘাটে গিয়ে নোঙ্গর করার জন্য পেছন দিকে ঘুরছিল। ওই সময় লঞ্চটির পেছনে থাকা মর্নিং বার্ডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ডুবে যায় মর্নিং বার্ড লঞ্চটি। এ সময় ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রীদের কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন।

উল্লেখ্য,গত বছরে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সরকার কর্তৃক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল প্রত্যেক লঞ্চের পিছনে সিসিটিভি লাগানোর জন্য কিন্তু এই অর্ডার কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

নড়াইল প্রতিনিধি: ছেলের নামে অপহরন মামলার প্রকৃত সত্য ঘটনা তদন্তের জন্য নড়াইলের পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অসহায় মা মিসেস মিল্লাত আরা মিলু । রবিবার শহরের দক্ষিন নড়াইলের নিজ বাসভবনের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত অভিযোগে মিল্লাত আরা মিলু সাংবাদিকদের জানান,আমার ছেলে যুবায়ের ২০১৯ সালের প্রথম দিকে নগদ ও রবি সিম রেজিষ্ট্রশনের প্রজেক্টে কাজ করতো।

কাজ বন্ধ থাকায় ঐ বছরের জুন মাসে সুমন নামের এক ছেলে কাজ দেবার কথা বলে নিয়ে যশোরে একটি ট্রেনিং করিয়ে ২টা ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন দিয়ে দেয় ও আরো ২টা ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে বলে এবং ভালো একটা মোবাইল কিনতে বলে।
সুমনের কথায় ১৪ হাজার টাকা দিয়ে স্যামসাং মোবাইল কিনে যুবায়ের তার বন্ধু সোহান ও আররাফ কে নিয়ে উক্ত ফিঙ্গার মেশিন দিয়ে আইডি কার্ড ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিলে সাবান দেওয়ার শুরু করে। এক পর্যায়ে যুবায়েররা জানতে পারে সুমনরা সাবান দেওয়ার আড়ালে মোবাইল সিম রেজিষ্টেশন করছে।

তখন তারা কাজ বন্ধ করে পুলিশ সুপারের কাছে উক্ত বিষয় খুলে বললে পুলিশ সুপারের নির্দেশে থানায় জিডি করে রেজিষ্টেশনকৃত মোবাইল সিম গুলো বাতিল করে এবং ডিবি এসে ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন ২টা নিয়ে যায়। এর তিন মাস পরে এক ডিবি পুলিশ যুবায়েরকে ফোন করে থানায় ডেকে নিয়ে আটক করে উক্ত স্যামসাং মোবাইলটা নিয়ে সাইবার ক্রাইমে ৮জনের নামে মামলা দেয়।

উক্ত মামলার ১ নম্বর আসামী সুমন, যুবায়ের কে বলে তাদের জামিনের ব্যবস্থা ও ক্ষতিপুরন দিবে। পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে সুমন বলে আমি যুবায়ের,আররাফ,সোহানদের কাজ দেই কিন্তু মোবাইল সিম রেজিষ্টেশনের কথা বলিনি। সেই সুবাদে ২ মাস পর যুবায়েরের জামিন করানো হয়। আসামী সুমন ও সোহান জেলে থাকে। গত বৃহস্পতিবার ২৫ জুন সুমনের জামিন হলে জেলগেটে যুবায়ের দেখা করতে গেলে সুমন আমাদের বাসায় আসে।

সুমনের কাছে কোন ফোন না থাকায় আমার ছেলে যুবায়েরের মোবাইল ফোন দিয়ে সুমন তার বাড়িতে এবং তার পরিচিত কয়েকজনকে ফোন করে। পরে শুক্রবার ভোর রাতে সদর থানা পুলিশ আমাদের বাড়ী থেকে সুমনকে নিয়ে যায় এবং যুবায়েরকে গ্রেফতার করে। পরে যুবায়ের সহ ৪জনের নামে সুমনকে অপহরনের মামলা দায়ের করা হয়
আমার ছেলে যদি অপহরন করবে তাহলে তার নিজ নামের রেজিষ্টেশনকৃত সিম দিয়ে ফোন কেন করবে ? এবং আমার বাড়িতে সুমনকে কেন রাখবে ? বা আমার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে কেনইবা আসতে বলবে ? তাই আমি আপনাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি সত্য ঘটনা তদন্ত করে আমার নিষ্পাপ ছেলে যুবায়েরের নিঃশর্ত মুক্তি জন্য।
উল্লেখ্য, নড়াইল গ্রামের শহীদুজ্জামানের ছেলে এস এম জুবায়ের হোসেন সহযোগী সহ ৪ জন সুমন বিশ্বাসকে জেলখানা গেটর সামনে পথ রোধ করে কৌশলে অপহরণের অভিযোগে শুক্রবার ভোর রাতে পৌর এলাকার দক্ষিণ নড়াইলের মৃত সৈয়দ এ কে এম আকবর আলীর বাড়ি থেকে সুমন বিশ্বাসকে উদ্ধার করেন সদর থানা পুলিশ। যুবায়েরকে গ্রেফতার করে এবং ৪ জনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের কা হয়।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ১জন স্বাস্থ্যকর্মী, ১জন স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ নতুন করে আরো ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে আত্রাই উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ জন।

রবিবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোকসানা হ্যাপি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রবিবার দুপুরে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থকর্মী শারমিন সুলতানা (২৫) ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক আসলাম হোসেন (৫৭) অপর একজন উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিন (৬০) এর রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

তিনি আরো বলেন, করোনায় আক্রান্ত মফিজ উদ্দিন গত কয়েক দিন আগে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। তার পরিক্ষার ফলাফল আমরা রবিবার দুপুরে পেয়েছি।

এছাড়াও করোনা শনাক্ত হওয়া স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তারা দুজনই সুস্থ্য রয়েছেন।

উল্লেখ্য এ পর্যন্ত উপজেলায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ১০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।

নূরুজ্জামান ফারুকী ,নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মেডিকেল অফিসার প্রিয়াঙ্কা পাল চৌধুরী করোনা সনাক্ত রিপোর্ট ঢাকা থেকে আসতে আসতে করোনা জয় করলেন। নমুনা পরীক্ষার ১২ দিন পর প্রথম রিপোর্ট পজিটিভ আসার ০২ দিনের ব্যবধানে ২য় নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্টটি নেগেটিভ এসেছে। এ ঘটনায় নবীগঞ্জে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়,  মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ল্যাবরেটরি এন্ড রিসোর্স সেন্টারের পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো প্রথম রিপোর্টে মেডিকেল অফিসার প্রিয়ংকা পাল চৌধুরী (৩৫) করোনায় আক্রান্ত বলে জানানো হয়েছিল। পরে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পুনরায় সিলেট মেডিকেল কলেজে এন্ড হাসপাতালের পিসি আর ল্যাবে পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়। মাত্র ০২ দিনের ব্যবধানে ( ২৬ জুন) শুক্রবার রাতে সিলেট মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে আসা ২য় নমুনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ জানান,গত ১১ই জুন নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেওয়ার ১২ দিন পর কোন ধরনের লক্ষণ ছাড়াই গত ২৩ জুন মঙ্গলবার মেডিকেল অফিসারের প্রথম করোনা পজিটিভ আসে পরে তিনি অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে গত ২৫ জুন তার নমুনা আবার ২য় বারের মতো সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করান।

বুধবার (২৬ জুন) নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। করোনা শনাক্ত হওয়ার পর মেডিকেল অফিসার অফিসিয়াল কার্যক্রম ও চেম্বার বন্ধ রেখে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে চিকিৎসা নেওয়ায় তিনি এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে যান। যেজন্য উনার ২য় রিপোর্টটি নেগেটিভ এসেছে। তিনি আরও জানান, এ উপজেলায় ২৭ জুন পর্যন্ত ৫২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৪ জন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc