Sunday 12th of July 2020 05:48:38 PM

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রামের কুয়েতপ্রবাসী সৈয়দ মিজানুর রহমান (৫০) হত্যা মামলার আসামি লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটুকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশ। রবিবার বিকেলে লিটুকে নড়াইল শহরের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এলাকাবাসী ও মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল দুপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে কুয়েতপ্রবাসী সৈয়দ মিজানুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। মিজানুর নোয়াগ্রামের সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন।

এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটুসহ ৪৯জনকে আসামি করে হত্যাকান্ডের পরেরদিন লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, রবিবার বিকেলে সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটুকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে হঠাৎ করে শুরু হওয়া অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও আশ পাশের বন্যা দূগর্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে শুকনো খাবার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ।
রবিবার ২৮,০৬,২০২০ অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে উদ্ভূত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সুনামগঞ্জ সদরে পৌর এলাকায়, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে, গৌরারং, রাধানগর,লক্ষনশ্রী গুচ্ছগ্রামে ৫০০ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ(চিড়া, গুড়,বিস্কুট, পানি বিশুদ্ধকরণ পাউডার,  দিয়াশলাই,মোম, মাস্ক) বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। এসময় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ইয়াসমিন নাহার রুমা, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. মোঃ আবুল হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ জানান,ইতিমধ্যেই সকল উপজেলায় জরুরি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সার্বক্ষণিক তদারকির সুবিধার্থে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রিত রয়েছে এবং  জনগণকে আতংকিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিকেল থেকে পানি কমতে শুরু করেছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ ফুটবল খেলতে গিয়ে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। জানা যায় রবিবার (২৮জুন) সাড়ে ৫ টার সময় নবীগঞ্জ উপজেলার নিজ আগনা গ্রামের আজিজ মিয়ার ছেলে সাদ্দাম মিয়া (৩২), বাড়ীর পাশে মাঠে বন্ধুদের সাথে ফুটবল  খেলার সময় হঠাৎ বুকের মাঝে ব্যথা অনুভব করেন।এ অবস্থায় পরিবারের লোকজন সিএনজি যুগে নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পূর্বেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন সাদ্দাম মিয়া।
পরবর্তীতে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেন।মৃত্যুর খবর শুনে আত্বীয় স্বজন এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

করোনা নেগেটিভ হয়ে ২৭ জুন উত্তরার বাসায় ফিরলেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবং সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি মহোদয়ের প্রথম ফলোআপ কোভিড টেষ্টের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।গত ২৪ জুন প্রথম ফলোআপ টেষ্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

তিনি দেশবাসী এবং শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

মহামান্য রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব সার্বক্ষণিক চিকিৎসার খোজ নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করেছেন।
এজন্য তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সার্বক্ষণিক পাশে থেকে চিকিৎসা সহযোগিতা করার জন্য।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার এবং চীফ হুইপ মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পাশে থাকার জন্য। এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যেসকল নেতা কর্মী সার্বক্ষণিক পাশে থেকেছেন তাদের সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

এছাড়া সার্বক্ষণিক পাশে থাকার জন্য ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সহ দেশে-বিদেশে অবস্থিত ডিপ্লোমেট এবং প্রবাসী যারা খোজ নিয়েছেন, দোয়া করেছেন, তাদের সবার প্রতি উপাধ্যক্ষ ড মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি মহোদয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি , গত ১৫ জুন করোনা পজিটিভ হন। প্রথমে শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাষ্ট্রোলিভার ইনিস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরবর্তীতে সতর্কতার জন্য মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে ১৮ জুন স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ তিনি করোনা জয় করে বাসায় ফিরলেন।
এবং ডাক্তারের পরামর্শে নিজ বাসায় আইসোলেশন সময় সম্পন্ন করবেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার কারণে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি শ্রেণিঘণ্টার সঙ্গে সমন্বয় করে কমানো হতে পারে মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির সিলেবাস। এমন পদক্ষেপের কারণে আগামী বছরে ঐচ্ছিক ছুটি কমিয়ে আনা হতে পারে। যেসব পরীক্ষা এখনও অনুষ্টিত হয়নি সেগুলোর সংখ্যা কমিয়ে আনা যায় কি না তাও ভাবছি। তবে সিলেবাস কামানোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা অর্জনের ব্যাপারে কোনো আপোষ করা হবে না।

শনিবার এডুকেশন রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমিয়ে অল্প সময়ে নেওয়া যায় কি-না সে ভাবনা আছে। তবে সিলেবাস কমানোর যৌক্তিকতা নেই। কারণ তারা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে।

করোনাকালে শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এ ভার্চুয়াল সেমিনারে সভাপতিত্ব সংগঠনের সভাপতি মুসতাক আহমদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানম। অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান ইরাব সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক। সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির নেওয়াজের সঞ্চালনায় এতে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ইরাব কোষাধ্যক্ষ শরিফুল আলম সুমন। আলোচনায় অংশ নেন ইরাব যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক এম এইচ রবিন, ডেইলি স্টারের সিনিয়র রিপোর্টার মহিউদ্দিন জুয়েল, ঢাকাটাইমসের স্টাফ রিপোর্টার তানিয়া আক্তার।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক সঙ্কটই নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসে। আমরা সেই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সবার সহযোগিতায় এগিয়ে যাব। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে আমরা কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। তাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্কুল-কলেজ খোলা হবে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হবে তা পুষিয়ে নিতে আমরা কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছি। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেয়া কোনভাবে সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘এইচএসসির এই বছরের সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ তারা তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন কথা হচ্ছে পরীক্ষা নিয়ে। আবারও এত লাখ লাখ পরিবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? তাহলে সেই পরীক্ষাটি আমরা কম সময়ে নিতে পারে কি-না। কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারে কি-না এ ধরনের সব ভাবনাই ভাবছি।

দীপু মনি বলেন, ‘বর্তমান সংকট পুষিয়ে নিতে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হবে কি-না, না ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে তা ভাবনা-চিন্তা চলছে। শিক্ষা বর্ষ বাড়ানো হলে আগামী বছরে ঐচ্ছিক ছুটি কমানোর প্রয়োজন হবে। একটি শিক্ষাবর্ষে আমরা ১৪০-১৪২ দিন পড়িয়ে থাকি। বাকিটা ছুটি থাকে। তাই এ বছর শিক্ষা বর্ষ বাড়াতে হলে আগামী বছরের ছুটি কমিয়ে হলেও তা করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী শিক্ষার্থীর জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা অর্জনের দিকটিতে আপোষ করা হবে না। কারিগরি শিক্ষায় যতটুকু শিখনফল ও দক্ষতা কাম্য সেটুকু যদি শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে না পারে তাহলে তাদেরকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ট্রেডিশনাল প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসরুম বা ল্যাবরেটরী কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়াই শিক্ষার্থীরা শিখতে পারবে না প্রযুক্তির এই যুগে এটা বলা ঠিক হবে না। যেহেতু ভার্চুয়াল ল্যাবরেটরির সুবিধাটি রয়েছে আমরা চেষ্টা করবো সে সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য।

সংসদ টিভির চলমান ক্লাসগুলো বিশেষ শিশুদের উপযোগী করে তোলার বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,বিশেষ শিশুরাও সংসদ টিভি ক্লাসগুলো করার সুযোগ যেন পায় সে উপযোগী করে তৈরি করার বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হবে। যাতে এই বিশেষ প্রতিবন্ধকতা জয় করা শিক্ষার্থীরাও এই অনলাইন ক্লাস গুলোর মাধ্যমে এই করোনার সময়ে পাঠের সুবিধা নিতে পারে।

সংসদ টিভির ক্লাসগুলো প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ৯০ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের জরিপে আমরা জানতে পেরেছি- সংসদ টিভির ক্লাস গুলো মোবাইল ফোনসহ প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। তবে এখনও ১০ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে সংসদ টিভির ক্লাসগুলো পৌঁছায়নি। কিন্তু এই দশভাগকে পিছনে ফেলে আমরা সামনে এগিয়ে যাব না। তাই ইতিমধ্যেই আমরা টোল ফ্রি মোবাইল সুবিধা দেব যা খুবই দ্রুত সেটা চালু করতে যাচ্ছি যার মাধ্যমে সেই ১০ ভাগ শিক্ষার্থীও শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে পাঠের সুযোগ পাবে। এ ছাড়া ইন্টারনেটের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে বাজেটে প্রস্তাবণা থাকলেও শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রকে এর বাইরে রেখে বা নাম মাত্র মূল্যে কিভাবে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া যায় সেটা নিয়েও আমরা ভাবছি। এ ছাড়াও কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমেও তাদের কাছে শিক্ষা পৌঁছানোর বিষয়ে আমাদের কাজ চলছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের তথ্য সেবা কেন্দ্র ও ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রগুলোকে শিক্ষার জন্য ব্যবহার করা পরিকল্পনা রয়েছে ।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্যসেবা কেন্দ্র ও ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকেও শিক্ষা সেবা নিতে পারে।তবে যেসব জায়গায় এই সুবিধা গুলো নেই সেখানে শিক্ষকরা শিক্ষাদানের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হতে পারে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘যেখানে এই ডিজিটাল সেবা পৌঁছাতে পারবে না, সেখানে শিক্ষকরা কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিভাবে পাঠ দান করতে পারে সেই বিষয়ে আমরা ভাবছি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললো আগের মত এক বেঞ্চে ৪ জন না বসিয়ে দুই অথবা তিন জন বসতে দেওয়া হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হবে। অনির্ধারিত ছুটি পুষিয়ে নিতে আমরা বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তার মধ্যে সিলেবাস বার্ষিক ছুটি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘সঠিক তথ্য ও প্রচার মানুষকে সচেতন করা গণমাধ্যমের বড় দায়িত্ব। একদিকে ইন্টারনেটের উপর সবকিছু নির্ভরশীল হচ্ছে অন্যদিকে এর ব্যবহার বাড়ালে সকল প্রস্তুতি বিফলে যাবে। ইন্টারনেট মানুষের হাতের নাগালে রাখতে হবে এ জন্য সরকারকে এ খাতে প্রণোদনা দিতে হবে। মনে রাখতে হবে শিক্ষার একটি প্রজন্ম হারিয়ে গেলে কয়েক প্রজন্ম হারিয়ে গেল, তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই কারণে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, ‘গোটা শিক্ষাব্যস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিতে হবে সরকারের। করোনাকালীন এই সংকটের কারণে যে ক্ষতির মুখে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থা তা পুষিয়ে নিতে পরিকল্পনা করতে হবে।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানম সমকালকে বলেন, ‘নন-এমপিও শিক্ষকরা খুবই কষ্টে আছেন। তাদের বেতন শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি এর ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এখন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সংকটে, ফলে দেশের বেতনহীন শিক্ষকদের দিকে সরকারের সদয় দৃষ্টি দিতে হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc