Wednesday 8th of July 2020 08:38:47 PM

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ  যশোরের শার্শায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে শার্শা থানা ছাত্রদলের সভাপতি মোস্তাফিজজ্জোহা সেলিমের করোনা পজেটিভ হয়েছে। এ নিয়ে শার্শা উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৭ জন।
শনিবার (২৭ জুন) বিকালে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অন্যান্য আক্রান্তদের মধ্যে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২জন, গাতিপাড়ায় গ্রামে ১ জন এবং  বেনাপোলে ৩ জন ।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার আক্তার মারুফ জানান, শার্শা ও বেনাপোলের অবস্থা অনেক খারাপের দিকে। এখন প্রতিটি মানুষের উচিৎ ঘরে থাকা। এ জন্য তিনি শার্শার সচেতন জনগনকে আরও সতর্কতা অবলম্বন করে চলাছল করতে বলেন। তিনি প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে না যাওয়ার জন্য পরামর্শদেন। এ ছাড়া তিনি আরও বলেন প্রতিটি জনপ্রতিনিধি ও ইমামদের দায়িত্ব সহকারে করোনা মোকাবেলায় কাজ করার আহবান জানান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী জানান, নতুন করে নমুনা সংগ্রহ করে গত শনিববার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। এতে তাদের ৬ জনের নমুনায় করোনা পজেটিভ হয়েছে। আক্রান্তদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শার্শা উপজেলায় এই নিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪২ জন।

 কার্যক্রম শুরু করেছে দেশের কমিউনিটি রেডিও

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে দেশের উত্তরাঞ্চলে চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও দুর্যোগে ক্ষয়-ক্ষতি হ্রাস করার জন্য কমিউনিটি রেডিওগুলো গত ২৬ জুন (শুক্রবার), ২০২০ থেকে নিয়মিত অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেছে। রেডিওতে সম্প্রচার করার পাশাপাশি স্টেশনগুলো তাদের সামাজিক মাধ্যমেও (ফেসবুক এবং ইউটিউব চ্যানেল) এ বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রেডিওগুলোর এ সম্প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়োজিত রেডিও স্টেশনগুলো হলো- কমিউনিটি রেডিও চিলমারী ৯৯.২ এফএম (কুড়িগ্রাম), কমিউনিটি রেডিও সারাবেলা ৯৮.৮ এফএম (গাইবান্ধা), কমিউনিটি রেডিও মুক্তি ৯৯.২ এফএম (বগুড়া), কমিউনিটি রেডিও পল্লীকন্ঠ ৯৯.২ এফএম (মৌলভবাজার), কমিউনিটি রেডিও বিক্রমপুর ৯৯.২ এফএম (মুন্সিগঞ্জ), কমিউনিটি রেডিও পদ্মা ৯৯.২ এফএম (রাজশাহী), কমিউনিটি রেডিও বড়াল ৯৯.০এফএম (বাঘা রাজশাহী).

উক্ত রেডিওগুলোর মোট ২১ জন সম্প্রচারকারী ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ বেতার সদর দপ্তর, সম্প্রচারভুক্ত এলাকার সকল উপজেলার কন্ট্রোল রুম, পানি উন্নয়ন বোর্ড কন্ট্রোল রুম, জেলা প্রশাসকের কন্ট্রোল রুম, প্লাবিত ইউনিয়নসমূহের চেয়ারম্যান ও বন্যা কবলিত জনগোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং করণীয় সম্পর্কে নানারকম অনুষ্ঠান প্রচার করছে। রেডিও’র নির্ধারিত অধিবেশন সময়ের মধ্যে থেকে এসব সতর্কীকরণ বার্তা ও অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে।
অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানির কারণে ইতিমধ্যে ব্রহ্মপুত্রের পানি কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী, রৌমারি ও রাজাপুর, ধরলার পানি কুড়িগ্রাম সদরে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নুনখাওয়া নদী কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামরিতে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। যমুনার পানি গাইবান্ধার ফুলছড়ি, জামালপুরের বাহাদুরাবাদ, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, টাঙ্গাইলের এলাসিন এলাকায় বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জে সুরমা, রংপুর ও রাজারহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। পদ্মার পানি মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকূল ও গোয়ালন্দ এলাকা দিয়ে বিপদসীমা অতক্রম করতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
আজ পর্যন্ত সম্প্রচারিত মোট ২৪ঘন্টা বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বন্যা সংক্রান্ত বিশেষ বুলেটিন প্রচার, পাবলিক সার্ভিস অ্যানাউন্সমেন্ট (পিএসএ), স্পট, জিঙ্গেল, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাক্ষাতকার ইত্যাদি। এ সমস্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বন্যা কবলিত জনগণের জান-মাল রক্ষার্থে নানাবিধ তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে যেমন- স্থানীয় নদ-নদীসমূহের পানি বৃদ্ধির সর্বশেষ তথ্য, নদী ভাঙ্গনের খবর, পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা, প্লাবিত অ লের মানুষের সংকট ও প্রয়োজনের কথা, স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা, ত্রাণ তৎপরতা, পানিতে ডুবে থাকা বিদ্যুৎ লাইন সম্পর্কে সতর্ক বার্তা, বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের টোল ফ্রি নম্বর-১০৯০তে ফোন করার পদ্ধতি, শুকনো খাবার মজুদ রাখা, শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতীদের নিরাপদে রাখা, উঁচু স্থানে যাওয়া, গবাদি পশু রক্ষা, বন্যার পানি পান না করা, পানি ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, সাপের কামড়ে করণীয়, দরকারি কাগজপত্র নিরাপদে রাখা ইত্যাদি।

এ দিকে বাংলাদেশ এনজিওস নেটওযার্ক ফর রেডিও এন্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) তার ঢাকাস্থ অফিসে একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কন্ট্রোল রুম পরিচালনা করছে। বিএনএনআরসি’র কন্ট্রোল রুম চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কমিউনিটি রেডিওগুলোকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন, জনগণের জীবন এবং সম্পদ রক্ষার্থে কখন কিভাবে কোন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে তার গাইডলাইনসহ রেডিও স্টেশনের প্রস্তুতি ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান এবং রেডিওগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।

কমিউনিটি রেডিও স্টেশনের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দায়িত্বরত সম্প্রচারকারী এবং বিএনএনআরসি’র কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বরত কর্মকর্তা’র যোগাযোগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য হলো-

জনাব শাহানা পারভীন, স্টেশন ম্যানেজার, রেডিও পদ্মা, রাজশাহী, মোবা: ০১৭১২৬১৭০২৯।

জনাব, বশির আহমেদ, স্টেশন ম্যানেজার, রেডিও চিলমারী, কুড়িগ্রাম- মোবা: ০১৭১৯৪৬৪৯৮১।

জনাব মাহফুজ ফারুক, সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার, কমিউনিটি রেডিও সারাবেলা, গাইবান্ধা- মোবা: ০১৭৩০ ০৭ ২৫ ২৫, জনাব মেহেদি হাসান, সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার, রেডিও পল্লীকন্ঠ, মৌলভীবাজার-মোবা: ০১৭১১৯৮৫৫১০।

জনাব আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, সিনিয়র স্টেশন ইন চার্জ, রেডিও মুক্তি, বগুড়া মোবা: ০১৭৩৫৯৩৩১৫৬,জনাব আওলাদ হোসেন খান শিবলী, স্টেশন ম্যানেজার, রেডিও বিক্রমপুর, মুন্সিগঞ্জ, মোবা: ০১৬১৮৩২৯৩০৯।

জনাব খন্দকার মোনাসিব ফয়সাল তন্ময়, ইনচার্জ, কমিউনিটি রেডিও বড়াল, রাজশাহী মোবা: ০১৭১২ ৬৮৪৫১৪,
জনাব হীরেন পন্ডিত, ডিজাস্টার কন্ট্রোল রুম ইনচার্জ, বিএনএনআরসি, ঢাকা, মোবা: ০১৭২ ৬৩১ ১১ ০১।

পিন্টু অধিকারী,মাধবপুর থেকেঃ  হবিগঞ্জের মাধবপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মেহেদী উদ্ধার এবং গাঁজাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে। হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবি’র অধিনায়ক লে.কর্ণেল এসএমএন সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, শনিবার (২৭ জুন) ভোরে বিওপির হাবিলদার গোলাম মোস্তুুফার নেতৃত্বে একদল বিজিবি সদস্য জালুয়াবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ ঢাকা জেলার গাজীপুর উপজেলার কালিগঞ্জ ইশ্বরপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (২৬) এবং বহরা ইউনিয়নের শ্রীধর পুর ইয়াছিন মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া (২২) কে আটক করে।

অপরদিকে শুক্রবার (২৬ জুন) বিকালে উপজেলার ধর্মঘরের কালিকাপুর এলাকায় ধর্মঘর বিওপির নায়েক মোজাহিদ হোসেন এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১শ ৯৮ পিস ভারতীয় মেহেদী এবং মনতলা বিওপির নায়েব সুবেদার আঃ হালিম এর নেতৃত্বে চৌমুহনীর চৈতন্যপুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩ হাজার ৫০৪ জনের দেহে নভেল করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া, এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১৫ হাজার ১৫৭টি নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। এসব পরীক্ষায় নতুন করে ৩ হাজার ৫০৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হলো ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩.১২ শতাংশ।

ডা. নাসিমা জানান, শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৪ জনের। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৯৫ জনের মৃত্যু হলো। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.২৭ শতাংশ। সর্বশেষ মারা যাওয়া ৩৪ জনের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী।

এদিকে, আগে থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা আরও ১ হাজার ১৮৫ জন শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন জানিয়ে ডা. নাসিমা বলেন, এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়া ৫৪ হাজার ৩১৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০.৫৪ শতাংশ।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাস টিলা ভূমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার অভিযোগে কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)র পক্ষে সরেজমিন তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)। টিলা কেটে বাড়িঘর নির্মাণ, মাটি বিক্রি, কৃষিজমি তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে। বনের টিলা ঘেষা ব্যক্তিগত এসব পাহাড়ি টিলা কেটে নিশ্চিহ্ন করছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাদে উবাহাটা, সরইবাড়ি, মধ্য কালাছড়া, বড়চেগ গ্রাম এলাকায় খাস ভূমিতে বসবাসকারীরা প্রাকৃতিক টিলা কেটে মাটি বিক্রি করছেন। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে তারা টিলা কেটে টিলাকে সমতল ভূমিতে পরিণত করছেন। পাহাড়ি দুর্গম এলাকা থাকায় স্থানীয়রা এসব উঁচু উঁচু টিলা কেটে বাড়িঘর নির্মাণ, মাটি বিক্রি, টিলা ভূমিকে কৃষিজমিতে পরিনত ও মাটি দিয়ে পুকুর ভরাট করছেন। বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) সিলেট বিভাগীয় সম্পাদক আব্দুল করিম মুঠোফোনে বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া কোন অবস্থায় ভূমির ধরণ পরিবর্তন করা যাবে না। তাছাড়া টিলা কাটা সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। তিনি মনে করেন টিলার মালিক হলেও তিনি ইচ্ছে করে টিলা কাটতে পারবেন না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।
তবে নিজস্ব সম্পত্তি হলেও টিলাকাটার বিষয়ে প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি গ্রহণের প্রয়োজনবোধ মনে করছেন না স্থানীয় লোকজন। প্রাণি, উদ্ভিদ ও জীবজগতের জন্যে পাহাড়, টিলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এক শ্রেণির মানুষের আগ্রাসী ভূমিকা পরিবেশকেও বিনষ্ট করছে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, এসব এলাকা কিছুটা দুর্গম ও আড়ালে থাকায় প্রশাসনের নজর থাকে না। বাহির থেকে কেউ আসলে টিলা কাটার দৃশ্য দেখতে পান। এই টিলাগুলো প্রাকৃতিকভাবে উঁচু মানের রয়েছে। নানা উচ্চতার অসংখ্য টিলা সমতলে পরিণত হয়েছে। টিলাগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ্য দিবালোকে কেটে ফেলা হলেও জনপ্রতিনিধিসহ কারো মাথা ব্যাথা নেই। ফলে পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির স্থল হিসাবে পরিণত হচ্ছে।
অভিযোগ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বৃহস্পতিবার সরেজমিন সার্ভেয়ার তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। এরপর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনে নির্দেশনা চেয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলেই প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। আপাতত ঘটনাস্থল সরকারি খাস ভূমি এ ভূমির টিলা ও মাটি নিষেধ লিখে একটি সাইবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে বলেও সহকারি কমিশনার জানান। তবে টিলা কাটার সাথে জড়িত স্থানীয়দের দাবি, এসব টিলা তাদের নিজস্ব সম্পত্তি থাকায় নিজেদের প্রয়োজনে কেটে ফেলছেন। এতে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc