Wednesday 8th of July 2020 07:56:01 PM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  আওয়ামীপরিবারের ব্যানারে আজ রোববার দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক মানবজমিন এর শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি এম ইদ্রিছ আলীর রাষ্ট্র ও সমাজ বিরোধী কার্যক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে শ্রীমঙ্গল আওয়ামী পরিবারের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 এরই প্রেক্ষিতে আজ রোববার রাতে এক সভায় এম ইদ্রিস আলীকে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।  প্রেসক্লাব সদস্য মামুন আহমদ কর্তৃক অনলাইনে প্রচারিত নোটিশ থেকে জানা যায়, “শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম ইদ্রিস আলীকে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৬(১)৬(৫)৪(২খ) ধারা ৭(ঝ) লঙ্ঘন করার অপরাধে সাধারণ সম্পাদক এর পদ থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (১) ইমাম হোসেন সোহেলকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এর দায়ীত্ব পালনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
সভার সভাপতিত্বে ছিলেন প্রেসক্লাবের বর্তমান সভাপতি বিশ্বজ্যেতি চৌধুরী বুলেট।”

পুর্বের সংবাদের লিঙ্ক দেখুন এই খানে

মানবজমিন প্রতিনিধি ইদ্রিছ আলীর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: ‘সাম্মাম’ সৌদি জাতের নতুন ফল। আর এই ফল প্রথমবারের মতো উৎপাদন করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মিরাপুর গ্রামের সফল কৃষক রেজাউল ইসলাম। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে উৎপাদিত ফলটি চাষাবাদ এখন হচ্ছে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মিরাপুর এলাকায়। সৌদি থেকে বীজ সংগ্রহ করে দেড় বিঘা পতিত জমিতে দুই জাতের সাম্মাম চাষ করে প্রায় এক টন ফল উৎপাদন করেছেন তিনি।
এক জাতের সাম্মামের বাহিরের অংশ সবুজ আর ভিতরে লাল এবং আরেক জাতের সাম্মামের বাহিরের অংশ হলুদ আর ভিতরের অংশ লাল। তবে দুটি ফলই খেতে মিষ্টি, সু-স্বাদু ও সুগন্ধযুক্ত।
রেজাউল ইসলামের রহস্য ঘেরা এই নতুন জাতের রসালো ফল উৎপাদনের খবরে প্রতিদিন তার ক্ষেত দেখতে আসছেন আশপাশের কৃষকরা। কেউ কেউ আগামীতে নতুন জাতের এই রসালো ফল উৎপাদনের জন্য পরামর্শও নিচ্ছেন রেজাউল ইসলামের কাছ থেকে।
সৌদি আরব থেকে বীজ সংগ্রহ করে আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের মিরাপুর এলাকায় পতিত দেড় বিঘা জমিতে তরমুজ জাতীয় দুই ধরনের সাম্মাম বীজ বপন করেন রেজাউল ইসলাম। দেড় মাসের মধ্যেই ফল আসতে শুরু করে। তিন মাসের মধ্যেই পরিপক্ক হয় সাম্মাম ফল। এ ফলটি এলাকায় নতুন, খেতে খুবই মিষ্টি এবং রসালো হওয়ায় অনেকেই কিনছেন শখের বসতবর্তী হয়ে।
এ ব্যাপারে সফল ও সৌাখন কৃষক রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘সাম্মাম’ ফলের তেমন একটা রোগবালাই নেই, গাছে খুব সামান্য সার ও কিটনাশক দিতে হয়। পতিত দেড় বিঘা জমিতে প্রথমবারের মতো সাম্মাম চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছেন। প্রায় এক টন ফল উৎপাদন হয়েছে। একেকটি সাম্মাম ফল ২ থেকে আড়াই কেজি ওজন হয়। প্রতি কেজি সাম্মাম পাইকারী দেড়শ’ এবং খুচরা ২ থেকে আড়াইশ’ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে রেজাউল ইসলামের ছেলে সোহানুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, পড়াশোনার ফাঁকে বাবার কৃষি কাজে সহায়তা করছেন তিনি। তরমুজ জাতের সাম্মাম ফল উৎপাদনে তেমন কোন বেগ পেতে হয়নি। বীজ রোপন থেকে পরিচর্যা উপর গুরুত্ব দিতে হয়েছে। এছাড়া সময় মতো জৈব সার দেয়া হয়। এভাবে তিন মাস যেতে না যেতেই সাম্মাম পরিপক্ক ফলে রূপ নেয়। এই ফলের বেশ চাহিদা রয়েছে। নতুন জাতের এই ফল চাষ করলে সবাই লাভবান হবে বলে তিনি মনে করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, রেজাউল ইসলাম একজন আদর্শ কৃষক। সে সব সময় নতুন নতুন কৃষিতে আগ্রহী। ‘সাম্মাম’ তরমুজের মতো অনেকটা সংকর জাতের এই ফল গাছে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম। ফলনও বেশ ভালো।
খেতে সু-স্বাধু এই ফলের বেশ চাহিদা রয়েছে। এগুলো বিক্রি করে সে লাভবান হবে। তার দেখাদেখি আশপাশের অনেকেই আগামীতে সাম্মাম চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা কাউছার হোসেন।

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৪ জন।
রবিবার (২১ জুন) শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আক্রান্তরা হলেন, বেনাপোল পৌরসভার বড় আঁচড়া এলাকার জীবন কুমার ও দূর্গাপুর গ্রামের ফারুক আহমেদ এবং শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন নারী স্বাস্থ্য সহকরী ও সুমন নামে একজন স্বাস্থ্যকর্মী।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী জানান, নতুন করে নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। এতে তাদের ৪ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। তাদের বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, উপজেলায় এই নিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ জন। এর মধ্যে ১৭ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকিরা বাড়িতে ও হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী ,নবীগঞ্জ থেকে:  নবীগঞ্জ উপজেলা-বাসীকে করোনা সতর্কবার্তা দিয়ে মাইক হাতে নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিশ্বজিৎ কুমার পাল। প্রতিদিন বিকেল ৪ টার পর পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ফার্মেসী ব্যতীত সব ধরণের দোকান পাট বন্ধ রাখার ঘোষণা প্রচারণায় নামেন তিনি। জরুরী প্রয়োজনে ব্যতীত কাউকে ঘর থেকে বের না হওয়ার আহবান জানান তিনি । নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করতে গেলে মুখে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক। মাস্ক ছাড়া কাউকে বাহিরে পেলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রবিবার বেলা ১২ টায় নবীগঞ্জ শহরে মাইক হাতে উপজেলা-বাসীকে সতর্ক করতে প্রচার অভিযানে নামে প্রশাসন। এসময় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে চাল, মুদি, কাপড়, হোটেল দোকান মালিকসহ প্রায় ১০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১৭ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা বিভিন্ন আইনের ধারায় ১০টি মামলা দেওয়া হয়েছে । এতে নেতৃত্ব দেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার পাল। অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছাবির আহমদ চৌধুরী, থানার অফিসার ইন-চার্জ মোঃ আজিজুর রহমান, বাউসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবু সিদ্দিক, জেলা পরিষদের সদস্য আঃ মালিক, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগির মিয়াসহ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ।

এব্যাপারে ইউএনও বিশ্বজিৎ কুমার পাল বলেন, করোনাভাইরাস একটি মহামারী আকার ধারণ করেছে। আমদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, মুখে মাস্ক,এসব নির্দেশনা মানতে হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণকে সতর্ক করতে আমাদের প্রচার অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যারা নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জ থেকে: নবীগঞ্জে নতুন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ভূমি অফিসের অফিস সহায়কসহ ৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এ নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ জনে।

নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত ৭২৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। বাকি সবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এ নিয়ে নবীগঞ্জে ৩৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ জন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে মোট ৭২৭ জনের। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে তিনজনের অবস্থান নবীগঞ্জ পৌর এলাকায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, নবীগঞ্জে নতুন করে প্রথমে (২০ জুন রাতে) একজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। পরেরদিন (২১ জুন) আরও তিনজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে করোনায় আক্রান্ত নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজা ও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহসহ সারাদেশের দলীয় নেতাকর্মিদের আশু রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে॥ রবিবার বিকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে সভাকক্ষে আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবকলীগ, নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এ বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ,নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজার পিতা গোলাম মোর্তুজা স্বপন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ,নড়াইল জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক এস,এম পলাশ,জেলা আওয়ামীলীগ,আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবক লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মোর্তুজা ও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহসহ সারাদেশের দলীয় নেতাকর্মিদের করোনা থেকে মুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

“সাংবাদিকতার আড়ালে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের মত একটি পবিত্র স্থানকে রাষ্ট্র ও সমাজ বিরোধী কার্যক্রমে ব্যবহার করে আসছে দাবী করে দৈনিক মানবজমিন শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি এম ইদ্রিছ আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচীতে তাকে শ্রীমঙ্গলে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করা হয়” 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক মানবজমিন এর শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি এম ইদ্রিছ আলীর রাষ্ট্র ও সমাজ বিরোধী কার্যক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে শ্রীমঙ্গল আওয়ামী পরিবার।এসময় এম ইদ্রিস আলীকে প্রেসক্লাব থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কারের দাবী করা হয়।
আজ রোববার (২১ জুন) দুপুরে শহরের কলেজ রোডস্থ প্রেসক্লাবের সামনে এ প্রতিবাদ সভা ও অবস্থান কর্মসূচী করা হয়। এসময় ইদ্রিছ আলীর বিরুদ্ধে ডজনের ও অধিক অভিযোগ তুলে বক্তারা পরে একই প্রেসক্লাবের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ তুলে দেয় তারা।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জিল্লুল আনাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনাম হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, সালিক আহমেদ, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তহিরুল ইসলাম মিলন, উপজেলা যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালেব বাদশা, পৌর যুব লীগের সভাপতি আকবর হোসেন শাহীন, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি কামরুল হাসান দুলন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রাহিদ, সভাপতি মসুদুর রহমান মসুদ,সাধারণ সম্পাদক রাজু দেব রিটন, পৌর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খসরুল আলম সাধারণ সম্পাদক আবেদ হোসেন,কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান সুজাত, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কান্তি দাস প্রমুখ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তরা বলেন, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম ইদ্রিছ আলী শ্রীমঙ্গলে রাষ্ট্র বিরোধীদের একত্রিত করে রাষ্ট্র বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাংবাদিকতাকে ব্যবহার করছেন। তিনি কৌশলে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হয়ে একক আদিপত্য বিস্তারের লক্ষে প্রেসক্লাবকে ব্যবহার করে দেশ বিরোধী অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন। এম ইদ্রিছ আলী জামাত শিবিরের সাথে একাত্মতা করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গাড়িতে পেট্টোল বোমা নিক্ষেপসহ বিভিন্ন দাঙ্গা হাঙ্গামায় জড়িত থাকায় ইতিপূর্বে একাধিক মামালায় আসামী অর্ন্তভুক্ত রয়েছেন।

প্রেসক্লাব থেকে স্থায়ী বহিস্কারের দাবী জানিয়ে লিখিত অভিযোগ সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরীর হাতে তুলে দেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, “শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হুমকি দামকি দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন, পতিতা ব্যবসা, বন বিভাগ, মদের ডিপো ও অবৈধ ইজিবাইক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির মতো অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। এমনকি প্রকাশ্যে সমবায় সমিতির নামে সুদের ব্যবসা করে সাধারণ মানুষের সহায় সম্বল হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রকাশ করে তার অনুসারী বিভিন্ন সাংবাদিককে ই-মেইলে সরকার বিরোধী সাজানো ও বানোয়াট তথ্য এবং বিএনপির কার্যক্রম প্রকাশের জন্য প্রেরণ করে প্রচার করাতে বাধ্য করছেন।একই সাথে ধর্মীয় অনুভুতির উপর আঘাত আনার বিষয়ে প্রায়ই উস্কানি মুলক সংবাদ প্রকাশ করে শ্রীমঙ্গলে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগাচ্ছেন।”

বক্তারা আরও দাবী করেন, তিনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হয়ে প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিকদের কোনঠাসা ও বহিষ্কার করে প্রেসক্লাবকে দখলে নেয়।ইদ্রিস আলী শহরের এমন কোন খাত নেই যেখান থেকে চাঁদাবাজি করছে না। আর এসব কাজে তিনি শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবকে ব্যবহার করছেন। তার সাথে আছেন দৈনিক যুগান্তর শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি,দৈনিক করতোয়ার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ও এলিট সিকিউরিটি সুপারভাইজার শুক্কর আলী।

বক্তাদের অনেকেই দাবী করেন, “সিকিউরিটি গার্ড শুক্কর আলী নামে এক লোক সাংবাদিকতার কার্ড ব্যবহার করে তার এলাকা শ্রীমঙ্গলের দিলবরনগরে বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। তার গ্রামের কারোও সাথে পারিবারিক বা সামাজিক দন্ধ সংঘাতের মতো কিছু হলে সে তাদের উভয় পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের উস্কানি দিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করে প্রশাসনকে বিভ্রান্তমূলক তথ্য দিয়ে ব্যবহার করে সাধারণ লোকদেরকে জিম্মি করে রেখেছে। এমনকি প্রশাসনের সাথে সখ্যতা তৈরি করে প্রতিদিনই থানাতে আড্ডা দিতে দেখা যায়,অথচ আওয়ামী পন্থি সাংবাদিকরা এখানে তুচ্ছ।”

প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এম ইদ্রিস আলীকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন এবং সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা ও ঐতিহ্যবাহী শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব থেকে তাকে স্থায়ী বহিস্কারের জন্য দাবী জানিয়ে লিখিত অভিযোগ সংগঠনের সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী হাতে তুলে দেন প্রতিবাদকারীরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম ইদ্রিস আলী বলেন,”আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো অপপ্রচার ও অসত্য। প্রেসক্লাবে আমরা সবাই দলমত নির্বিশেষে মানুষের কাজ করি। এখানে সরকার বিরোধী কোন কার্যক্রম হয় না। আমি সরকার বা রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজের সাথে সম্পৃক্ত নই।”

অপরদিকে একই বিষয়ে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী বলেন, “শ্রীমঙ্গলের সাংবাদিকদের জন্য আজ কালোদিন।ব্যক্তিগতভাবে আমি চাঁদাবাজ পছন্দ করিনা।সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজদের কখনোই এই প্রেসক্লাব প্রশ্রয় দেবেনা। শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের একটি অতীত ঐতিহ্য আছে।এখানে দেশ বরেণ্য সাংবাদিকরা সাংবাদিকতা করে গেছেন।সেই অতীত ঐতিহ্য একজন ব্যক্তির জন্য ম্লান হয়ে গেলো।আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে।আমরা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি বসে সীদ্ধান্ত নিবো।”

 

নূরুজ্জামান ফারুকী ,নবীগঞ্জ  থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলার হত দরিদ্রের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সব সামাজিক সুরক্ষা তালিকায় হত দরিদ্রের জায়গায় গ্রামের স্বচ্ছল সার্মথ্যবান ব্যক্তি ও নিজের স্বজনদের নাম বসিয়েছেন ওর্য়াড মেম্বার শশাংক শেখর দাশ। তাদেরকে প্রাধান্য দিয়ে বানিয়েছেন সব সামাজিক সুরক্ষা তালিকা।

নবীগঞ্জ উপজেলার ১ নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হলিমপুর গ্রামের এই মেম্বার করোনা পরিস্থিতিতে হত দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষজনের জন্যে সরকারের চালু বিশেষ সহায়তা প্রকল্পের তালিকাতেও বাদ রাখেননি তাদের। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পরিবার প্রতি ২৫০০ টাকার এই তালিকার ৬৮৯ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে পল্লী চিকিৎসক প্রিয়তোষ তালুকদারের নাম। ৬৭৯ নম্বরে রয়েছেন আরেক পল্লী চিকিৎসক বিনয় তালুকদারের স্ত্রী শোভা তালুকদার। ৭০৭ নম্বরে আরেক পল্লী চিকিৎসক নিতাইপদ দাশ। ৬৮৩ ও ৬৮১ নম্বরে রয়েছে শচীন্দ্র দাশ তালুকদার ও হেনা রানী দাশ-সম্পর্কে এরা জামাতা শ্বাশুড়ি হলেও একই পরিবারভূক্ত এবং স্বচ্ছল পরিবার।

৬৮৬ নম্বরে শচীন্দ্র দাশ তালুকদারের ভাই জ্যোতির্ময় দাশ। মেম্বার শশাংক শেখর দাশ আপন ভাই অধীর তালুকদারকেও (ক্রমিক ৬৯২) এই তালিকায় রেখেছেন। ৬৯৩ নম্বরে স্বপ্না দাশ, স্বপ্না দাশের স্বামী মতিলাল দাশ (৬৪৫ নম্বর) ১০ টাকা কেজি চালের উপকারভোগী। ৬৪০ নম্বরের গনেশ দাশ স্বচ্ছল। ৬৬৬ নম্বরের অঞ্জলি তালুকদার বিধবা ভাতাও পেয়ে থাকেন। ৬৭৭ নম্বরের বিকেশ দাশ স্বচ্ছল,  ৭০৯ নম্বরে রয়েছে সাবেক মেম্বার বসুদেব দাশ তালুকদার। পেশা পল্লী চিকিৎসক কিংবা গৃহিনী সব তালিকায় সকলের পেশা লেখা হয়েছে দিনমজুর।

ওর্য়াড মেম্বারের এই কীর্তিতে ক্ষোভও জমা হয়েছে এলাকার বঞ্চিত হত-দরিদ্র মানুষজনের মধ্যে। ১০ টাকা কেজি চালের উপকার ভোগীর তালিকায়ও একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে। ৬৩৫ ও ৭১৮ নং ক্রমিকে রয়েছে সন্তোষ দাশ ও তার মা আরতী রানী দাশ উভয়ের নাম। আরতী রানী দাশের বড় ছেলে প্রবাসী। ৬৫৩ ও ৬৯২ নং ক্রমিকে জগৎ দেবনাথ ও তার স্ত্রী সবিতা দেবী।

এব্যাপারে ১নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নের ইউনিয়ন সচিব আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন হলিমপুরের ওর্য়াড মেম্বার অসুস্থ থাকায়,উনার কাজে মহিলা মেম্বার কঙ্কনা রানী দাশ সহযোগিতা করেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে মেম্বাররাই মূলত তালিকা করে থাকেন। এতে আমাদের কোন হাত নেই।

ওর্য়াড মেম্বার শশাংক শেখর দাশ বলেন ,  আমি অসুস্থ হওয়ায় এই তালিকা সর্ম্পকে কিছুই জানি না,আমার ওর্য়াডে চেয়ারম্যান মনোনিত লোক বিনয় তালুকদার ও নারায়ণ তালুকদার এই তালিকা করেছে। বয়স্ক ভাতার তালিকার বিষয়ে তার বক্তব্য নিজেদের অসহায়-বৃদ্ধ এক-দু’জনের নাম দেয়া হয়েছে। বৃদ্ধ মানুষ ছাড়াতো কারো নাম দেইনি।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের কাসিমনগর গ্রামে চাচাত ভাইয়ের হাতে ৩ বছরের শিশু ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে।

ধর্ষিতার পরিবার জানায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মেয়েকে ডেকে নিয়ে যায়, তারই চাচাত ভাই নবম শ্রেণী পড়ুয়া জাবেদ মিয়া সাথে তাদের ৫ বছরের ছেলে মুজাহিদ হোসেন।

 হঠাৎ মেয়েটির মা কান্নার শব্দ পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পেয়ে কান্না শুরু করলে ছেলেটির পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে প্রথমে বড়লেখা আজিজ মেডিকেলে যান, পরে সেখান থেকে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

বর্তমানে মেয়েটি এখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মেয়েটির মা ও বাবা জানান, তারা বড়লেখা থানায় গিয়ে শিশুটিকে দেখিয়ে এসেছেন, থানায় সবকিছু লিখে রেখেছে। তারা এর উপযুক্ত বিচার চান।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক ঘটনার সত্যতা ন্বীকার করে বলেন, তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে মামলা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: জৈন্তাপুরে এবার প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর জৈন্তিয়ার প্রথম মাধ্যমিক বিদ্যালয় #সেন্ট্রাল_জৈন্তা_হাই_স্কুলের’ প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মনসুরের সুযোগ্য সন্তান জৈন্তাপুরের কৃতি সন্তান ডা. মোহাম্মদ মুনির সম্পূর্ণ অলাভজনক এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। বিষয়টি এ দৈনিক জৈন্তাপুর প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন ইমরান আহমদ সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ খায়রুল ইসলাম।
তিনি জানান, সম্প্রতি “জৈন্তায় একদিন বিশ্ববিদ্যালয় হবে স্বপ্ন” এরকম আশাবাদী একটি পোস্ট তিনি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলে অনেকে তাঁর সাথে একমত পোষণ করে জৈন্তাপুরে বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সময়ের দাবী হিসেবে উল্লেখ করেন।
এর কিছু দিন পর ‘‘সেন্ট্রাল জৈন্তা হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করেন। উক্ত ভিডিও কনফারেন্সে ডা. মুনিরও অংশ গ্রহন করেন। ভিডিও কনফারেন্সে জৈন্তাপুরের শিক্ষার অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবী উঠে।
পরবর্তীতে ডা. মুনির ব্যাক্তিগত উদ্যেগে তাঁর বাবা মা’র নামে একটি বিশ্ববিদ্যায় স্থাপনের আশ্বাস প্রদান করেন। একই সাথে বিশ্ববিদ্যায়টি জৈন্তাপুরের দরবস্তে স্থাপনের ইচ্ছা পোষণ করেন। ইতিমধ্যে প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও ঠিক করা হয়েছে। সম্পূর্ণ অলাভজনক এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত নাম হলো #ছামিরুন_মনসুর_ক্রিয়েটিভ_ইউনিভার্সিটি।
উল্লেখ্য ডা. মুনিরের পিতা মরহুম মনসুর বৃহত্তর জৈন্তাপুর উপজেলার প্রথম গ্র্যাজুয়েট ছিলেন। জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, তথা কানাইঘাট উপজেলার প্রথম আইসিএস অফিসার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহচর মরহুম মনসুর সেন্ট্রাল জৈন্তা হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অবতৈনিক প্রধান শিক্ষক ও জৈন্তা কলেজের স্বপ্নদ্রষ্ঠা ছিলেন। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি এতো দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলেন। নিজের জীবন দিয়ে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, স্বার্থপরের মত শুধু নিজে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ঢাকায় পরিবার সহ না থেকেই সবকিছু বিসর্জন দিয়ে দরবস্তে ১৯৫০ সালে শুধু মাত্র একটি হাইস্কুল তৈরির লক্ষ্যে বসতবাড়ি সহ জমি কিনলেন।
তখন বৃহত্তর জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে কোন হাইস্কুল ছিলনা। জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলা সদরে শুধু জুনিয়র স্কুল ছিল। তাই ১৯৫০ সালে সিলেট-শিলং রোডের পাশে দরবস্তে স্থাপন করলেন বৃহত্তর জৈন্তার জন্য সেন্ট্রাল জৈন্তা উচ্চ বিদ্যালয়।
সেই শিক্ষনুরাগী পরিবারের সুযোগ্য সন্তান ডা. মোহাম্মদ মুনির এবার জৈন্তাপুরে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে এগিয়ে আসলেন। ইতিমধ্যে সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার পাওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছেন জৈন্তাপুরের সুধী সমাজ।

জহিরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ড্রেন থেকে পলিথিনে মোড়ানো ১ টি ৪-৫ মাস বয়সের ফিটাস শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গর্ভে থাকা অবস্থায় আনুমানিক প্রায় ৫-৬ মাস বয়স হবে।  চিকিৎসকরা এই ধরনের গর্ভস্থ সন্তানকে ফিটাস বলে থাকেন, ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে (ফিটাস) এবরেসন করে বের করা হয়েছে।

সংবাদ পেয়ে শনিবার শহরতলীর সিন্দুরখাঁন সড়কের পাশের ড্রেন থেকে মৃত  উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, এবরেসন এর মাধ্যমে গর্ভ থেকে বের করা হয়েছে। কে বা কারা ড্রেনে  ফেলে গেছে। সকালবেলা লোকজন ড্রেনে লাশটি দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যান। শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুছ ছালেক বলেন, আমরা লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

অপরদিকে ওসি অপারেশন নয়ন কারকুন বলেন,ভবিষ্যৎ অপরাধীদের খুঁজে বের করতে বাচ্চাটির ডিএনএ সংরক্ষিত করার বিধান রয়েছে।

সামাজিকভাবে নৈতিক অপরাধ বৃদ্ধির ফসল এই মৃতদেহ।সমাজ সচেতনদের ধারনা দ্রুত এর সাথে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করা উচিত। নতুবা অন্যেরা উৎসাহিত হবে ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc