Wednesday 8th of July 2020 09:03:22 PM

এস এম সুলতান খান চুনারুঘাট থেকেঃ  চুনারুঘাটে বড় বউয়ের অমতে ২য় বিয়ে করার খেসারত দিতে হলো এক প্রবাসিকে।নিজের বিশেষ অঙ্গ হারিয়ে ওই প্রবাসি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন হাসপাতালে।

স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে ব্যাগে ভরে বড় বউ পালিয়ে গেছে। সর্ব মহলে আলোচিত এই ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাত ২টার সময় উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম আলীনগরে। আহত স্বামী সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এলাকাবাসিরা জানান, আলীনগর গ্রামের ইছাক মিয়া (৩৫) একই গ্রামের ছিদ্দিক আলীর কন্যা দিলারা খাতুনকে বিয়ে করেন ৮/১০ বছর আগে। এরা বর্তমানে দুই সন্তানের জনক-জননী। ১৫ বছর ধরে ইছাক সৌদি আরব আছে।
বিগত ৩ বছর আগে তিনি দেশে এসে একই ইউনিয়নের উসমানপুর গ্রামের এক যুবতীকে বিয়ে করেন কিন্তু সেই বিয়ে মেনে নিতে পারছিলেন না বড় বউ দিলারা।
২য় বিয়ে করার কারনে স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। লকডাইনের ২০ দিন পুর্বে প্রবাসি ইউসুফ বাড়িতে আসেন। বাড়ি আসার পর স্ত্রী দিলারার অমতে তিনি ছোট বউর বাড়িতে যাতায়াত অব্যাহত রাখেন। রবিবার রাতে খাবার দাবার শেষে বড় বউ স্বামীকে আদর করে পিঠা খেতে দেন। পিঠা খেয়ে তিনি অচেতন অবস্থায় বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। রাত প্রায় ২ টায়, সময় সুযোগ বুঝে দিলারা স্বামীর লিঙ্গ কেটে নেন।
ইছাকের শোর চিৎকারে এলাকাবাসি ঘটনাস্থলে এসে আহত ইছাককে হাসপাতালে প্রেরন করেন। লিঙ্গ কর্তনকারী বড় বউ পলাতক।
এলাকাবাসীরা জানান, সিলেট ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসক বলেছেন, ১২ ঘন্টার মধে কাটা অঙ্গ সংযোজন না করলে রোগীকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে। অনেক খোঁজাখুঁজি করে পলাতক বড় বউ’র ব্যাগে থাকা সেই অঙ্গ নিয়ে আত্মীয়রা সিলেটের পথে যাত্রা করেছেন।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৯৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৮ জন। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইনে প্রেস ব্রিফিংয়ে আজ সোমবার এ তথ্য জানানো হয়। সব মিলিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯০ হাজার ৬১৯ জনের। আর মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২০৯ জনের। নতুন মারা যাওয়া ৩৮ জনের মধ্যে পুরুষ ৩২ জন ও নারী ৬ জন। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শততম দিন পূরণ হয়েছে। আর এ শততম দিনে দেশে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়াল।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, যাঁরা বাসায় থেকে সুস্থ হয়েছেন, তাঁদের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে। তাই আজ এটি অনেক বেড়ে গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৩৪ হাজার ২৭ জন সুস্থ হয়েছেন।

আইসোলেশন প্রসঙ্গে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আরো ৫৩৬ জনকে। একইসময় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৯৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে গেছেন ১৫ হাজার ৮৪৪ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮১৮ জন।

বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১০ হাজার ২৬ জন। কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গেও তথ্য দেওয়া হয় বুলেটিনে। বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে এসেছেন দুই হাজার ৯২২ জন।

একইসময় কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন তিন হাজার ৬৭ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন মোট তিন লাখ ২৩ হাজার ৩৫৮ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন দুই লাখ ৬১ হাজার ৬৮৯ জন। ছাড়ের পর বর্তমানে হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬১ হাজার ৬৬৯ জন। সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য প্রস্তুত ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে সেবা প্রদান যায় বলে জানানো হয় বুলেটিনে।

বুলেটিনে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বাতায়ন এবং আইইডিসিআর’র হটলাইনে কল এসেছে এক লাখ ৬৫ হাজার ১৮৮টি। এ নিয়ে এ পর্যন্ত হটলাইনে এক কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ৮২০ জনকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব কলে সবাইকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সংখ্যা বেড়েছে আরো ছয়জন। এ নিয়ে এখন মোট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬ হাজার ৩৪৯ জনে।

এ ছাড়া বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে হটলাইনে চার হাজার ২১৭ জন চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয় বুলেটিনে। ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, ১৫ হাজার ৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এর আগের দিন ১৪ হাজার ৫০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৫ লাখ ১৬ হাজার ৫০৩টি নমুনা।

অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা তিনি বলেন, করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন প্রতিদিন অনেকেই সংক্রমিত হয়ে মারা যাচ্ছেন। স্বাস্থ্যকর্মীরাও সেবা দিতে গিয়ে সংক্রমিত হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন। ক্ষতি এড়াতে সবাই সতর্ক থাকুন।

এ ছাড়া জোনভিত্তিক লকডাউনের বিষয়টি ওয়েবসাইটে বিস্তারিত দেওয়া আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। দেশে ৫৮টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর গত ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আ’লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও চলে গেলেন না ফেরার দেশে। রোববার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিক‌ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

গত ৭ জুন করোনাভাইরা‌সে আক্রান্ত কামরানকে সিলেটের শহীদ শামসু‌দ্দিন আহমদ হাসপাতা‌ল থেকে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য ঢাকার সিএম‌এই‌চে স্থানান্তর করা হয়। গত ৫ জুন ওসমানী মে‌ডিকেল কলেজের পি‌সিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় কামরানের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এর পর‌দিন তাকে শহীদ শামসু‌দ্দিনে ভ‌র্তি করা‌ হয়।

‌আজ সোমবার ভোরে সাবেক মেয়র কামরানের ছেলে ডা. আরমান আহমদ শিপলু তার মৃত্যু সংবাদ নি‌শ্চিত করেন। কামরানের ব্য‌ক্তিগত সহকারী বদরুল ইসলাম জানান, সিএমএই‌চে চি‌কিৎসাধীন অবস্থায় কামরানের স‌ঙ্গে তার বড় ছেলে ডা. আরমান আহমদ শিপলু রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার নির্দে‌শে কামরানকে ঢাকায় নেওয়ার পর চি‌কিৎসকরা তাকে ‘প্লাজমা থেরা‌পি’ দিয়ে‌ছিলেন।তার মৃত দেহ নিয়ে সিলেটের পথে রয়েছে তারা।

করোনা শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমে নগরীর ছড়ারপারের বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন কামরান। গত ৬ জুন সকালে বমি আর জ্বর নিয়ে তি‌নি নগরীর শহীদ শামসু‌দ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে বমি ও জ্বর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শারী‌রিক অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। এরপর প‌রিবারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ‌কে আব্দুল মোমেনের ‌সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী‌র নির্দে‌শে বিমানবা‌হিনীর এক‌টি বিমানে কামরানকে ঢাকার সিএমএই‌চে নেওয়া হয়। সেখা‌নে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর চি‌কিৎসকরা তার দেহে করোনাজয়ী একজনের শরীর থেকে সংগৃ‌হিত ‘এ’ পজ‌েটিভ রক্তের প্লাজমা থেরাপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এতে কামরা‌নের শারী‌রিক অবস্থার একটু উন্ন‌তি হয়।

তব‌ে রোববার মধ্যরা‌তের পর থেকে কামরানের শারী‌রিক অবস্থার অবন‌তি হতে থা‌কে। করোনায় আক্রান্ত কামরান দীর্ঘ‌দিন ধরে ডায়াবে‌টিকস, হার্টসহ বি‌ভিন্ন জ‌টিল রো‌গে ভুগ‌ছিলেন। ‌

সিলে‌ট সি‌টি করপোরেশনের প্রথম দুব‌ারের মেয়র কামরান তৎকালীন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন।

একইভা‌বে তি‌নি দীর্ঘ‌দিন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপ‌তির দা‌য়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মহানগরের সর্ব‌শেষ সম্মেল‌ন পর্যন্ত তি‌নি সভাপ‌তির দ‌া‌য়িত্বে ছিলেন।

প্রয়াত কামরানের স্ত্রী মহানগর ম‌হিলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আসমা কামরানও করোনা আক্রান্ত। গত ২৭ মে আসমা কামরানের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তিনি বর্তমানে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে আওয়ামী পরিবারের সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ এডভোকেট আব্দুল্লাহ ও ইন্তেকাল করেছেন।

 

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ দেশে হুহু করে করোনা পজিটিভ বেড়ে চললেও মৌলভীবাজারবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। মৌলভীবাজার এখনো রেড জোনে নয় এবং এখনই লকডাউন হচ্ছে না। এ তথ্যই গনমাধ‍্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন।

জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন বলেন, আজ পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা একশত’ একানব্বই জন। কিন্তু এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন একাত্তর জন।

এই পরিসংখান ও বিশ্লেষনে মৌলভীবাজার রেড জোনে পড়ছেনা। তবে জেলার কুলাউড়া উপজেলার একটি জায়গা রেডজোন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশংকা করেন।জেলার সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য একে অপরকে পরামর্শ দিতে সকলকে অনুরোধ করেন।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি ঠেকাতে সংক্রমণের হার বিবেচনায় দেশের সব এলাকাকে তিনটি আলাদা আলাদা জোনে ভাগ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রক্রিয়ায় অংশ হিসেবে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলাকে ইয়োলো জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সবচেয়ে রোগী শনাক্ত হওয়া এলাকাকে রেড, মাঝারি পর্যায়ে শনাক্ত হওয়া এলাকাকে ইয়োলো ও কম শনাক্ত হওয়া এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

চুনারুঘাট উপজেলায় এ পর্যন্ত ৬৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তদের মধ্যে ৩৩ জন চুনারুঘাট পৌর এলাকার, ১০ জন দেওরগাছ ইউনিয়নের, ৭ জন মিরাশী ইউনিয়নের, ৫ জন চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সত্যজিত রায় দাশ জানান, চুনারুঘাটকে ইয়েলো জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে উপজেলার অধিক শনাক্ত হওয়া এলাকায় জরুরী প্রয়োজন ব্যাতিরেকে জনগণের সকল ধরনের চলাফেরা সীমিত ঘোষণা করা হয়েে। ১৫ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এলাকাসমূহে জনগণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

তিনি জানান, কেবলমাত্র জরুরী রোগী পরিবহনকারী গাড়ি, কৃষিজ পণ্য পরিবহনকারী গাড়ি, জরুরী সেবা প্রদানকারী সংস্থার গাড়ি এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। এ সময়সীমার মধ্যে শুধুমাত্র কাঁচা বাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান সকাল ১০০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ফার্মেসী সমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা সহ সকল ধরনের যানবাহন সমূহের পৌর এলাকায় স্থাপিত ব্যারিকেড অতিক্রম করে শহরে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc