Sunday 12th of July 2020 06:26:41 PM

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকে: নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় নবীগঞ্জ উপজেলার বিজনা নদীর জলমহাল নিয়ে বাউসা ইউনিয়নের বাঁশডর গ্রামের দু’পক্ষের চলমান বিরোধ নিষ্পত্তি করার ৩দিন পরই আবারো উত্তেজনা বিরাজ করছে বাশড়র গ্রামে। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের সহিংসতা। গ্রামের লোকজন এক অজানা আতংকের মাঝে জীবন যাপন করছেন। গ্রামের সফিক মিয়ার পক্ষের লোকজনের সাথে অপর পক্ষ কাচন মিয়াগংদের লোকজন কথা বা মেলামেশা করলেই ৫ হাজার টাকা জরিমান করা হবে বলে জানা গেছে।

থানা আপোষ প্রক্রিয়ার রায় মেনে গিয়ে কাচন মিয়া, জলিল মিয়া, মাসুক মিয়া, বশির মিয়া, মনর মেম্বার, রাজা মেম্বার মন্নাফগংরা পরে গ্রামে গিয়ে তাদের লোকজনকে নিয়ে মিটিং করে পুলিশের হস্তক্ষেপে নিষ্পত্তি প্রত্যখান করেন। এবং অপর পক্ষের সফিক মিয়ার লোকজনের সাথে কথা বললেই নগদ টাকাসহ বিভিন্ন জরিমানা ঘোষনা দেন। শালিসের রায় পর থেকেই গ্রামে গিয়ে সফিক মিয়ার লোকজনের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার শুরু করে কাচন মিয়ার পক্ষের লোকজন।

অত্যাচার এবং উত্তেজনার খবর সফিক মিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমানকে বিষয়টি অবহিত করলে উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশ উভয় পক্ষকে আবারো খবর দিলে কাচন মিয়ার পক্ষের লোকজন সালিশ বিচারকদের ডাকে আসেনি। কাচন মিয়ার পক্ষের লোকজন আচরন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম বিষয়টি সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরীকে অবহিত করা হয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিজনা নদীর জলমহাল পুরো বাঁশডর গ্রামবাসী সম্মিলিতভাবে ভোগদখল করে আসছিল। কয়েক মাস পূর্বে বাঁশডর গ্রামের সফিক মিয়া স্থানীয় ২৫০জন মৎস্য জীবি নিয়ে বিজনা নদীর জলমহাল পাওয়ার জন্য আবেদন করে। প্রক্ষান্তরে বাঁশডর গ্রামবাসীর পক্ষে রাজা মেম্বার, কাচন মিয়াসহ ২৩৪জন মৎস্য জীবি বিজনা নদীর জলমহাল পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষের মধ্যে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা।

খবর পেয়ে উভয় পক্ষের সাথে আলাপ করে বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি করে দেয়ার আশ্বাস দেয় নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নবীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বের ন্যায় পুরো বাঁশডর গ্রামবাসী উক্ত বিজনা নদীর জলমহাল ভোগদখল করবেন এবং উভয় পক্ষের দেয়া পৃথক আবেদন প্রত্যাহার করে পুরোবাঁশডর গ্রামবাসী সকলে মিলেমিশে একটি আবেদন পুনরায় দিবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়।

এতে উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট হয়। উক্ত শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান, ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার দাশ, ওসি (অপারেশন) মো. আমিনুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এদিকে রাজা মিয়া, কাচন মিয়ার পক্ষ শালিশের রায় অমান্য করে মাছ ধরে বিক্রি করায় ফের উত্তেজনায় দেখা দিয়েছে বাশড়র গ্রামে। যে কোন সময়ে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা দারুস্সুন্নাহ কওমী মাদ্রাসা মসজিদ ঘুর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে বিধ্বস্ত হওয়ার পর তা সংস্কার না হওয়ায় মুসল্লীদের চরম দুভোগ পোহাতে হচ্ছে। গত প্রায় অধর্ মাস ধরে মসজিদটিতে মুসল্লীরা নামাজ আদায় করতে পারছেন না।
জানা যায়, গত ২০ মে দিবাগত রাতে প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে শাহাগোলা মাদ্রাসা মসজিদের টিনের ছাউনি সম্পূর্ণ উড়িয়ে নিয়ে যায়। এ সময় মসজিদে অবস্থানরত আকবর হোসেন বাচ্চু মন্ডল নামের একজন এতেকাফকারী গুরুতর আহত হন। এদিকে মসজিদটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় ১৩ দিন অতিবাহিত হলেও অর্থ সংকটের কারনে কর্তৃপক্ষ মসজিদ সংস্কার করতে পারননি। এখন পর্যন্ত সরকারী কোন অনুদানও তারা পাননি।ফলে সাধারণ মুসল্লীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

এ বিষয়ে মসজিদের মুসল্লী আলহাজ শামসুল হক বলেন, মসজিদের ছাউনি উড়ে যাওয়ায় জোহর ও আসরের নামাজ পড়তেই পারিনা। অন্যান্য নামাজ খোলা আকাশের নিচে পড়তে গেলে বৃষ্টি শুরু হলে নামাজ ছেড়ে দিয়ে দৌড় দিতে হয়।
এ ব্যাপারে মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মতিউর রহমান বলেন, মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিক মৌখিকভাবে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের ছবি সম্বলিত আবেদনও করেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাকে আশ^াস দিয়েছেন সরকারীভাবে সহযোগিতা করার জন্য। সরকারী কিছু সহযোগিতা পেলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমরা মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করতে পারবো।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, সুপারিশসহ আবেদন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। আল্লাহর ঘর মসজিদ কাজ শুরু করলে শেষ হবেই।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে একদিনে সবোচ্চ ১৬ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে পুলিশের ১১ জন এক ব্যাংকারসহ ১৬জনের করোনার রিপোট পজেটিভ বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবদুল মোমেন। 

তিনি বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে নড়াইলের হাইওয়ে পুলিশের দুই এসআইসহ পুলিশের ১১সদস্যকে তুলারামপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পে এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, নড়াইল শাখার কর্মকর্তা মঈনুদ্দীন আলীকে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া করোনা আক্রান্ত অপর ৪জন লোহাগড়া উপজেলার গোন্ডব গ্রামের রবিউল, শুলটিয়া গ্রামের মোঃ জাকির হোসেন, পাঁচুড়িয়া গ্রামের সৈয়দ মুজিবুর রহমান গোপিনাথপুর গ্রামের সেলিনা আলমকে নিজেদের বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। শনাক্ত ৪জনই ঢাকা থেকে বাড়ীতে বেড়াতে আসেন।

নিয়ে জেলায় সর্বমোট ৪৭জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৮চিকিৎসকসহ ১৮জন ইতিমধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন এবং দুইজন মারা গেছেন।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব তহবিলের আর্থিক অনুদান পেয়েছে মৌলভীবাজার শহরের পৌর এলাকার ৮৪টি মসজিদ। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে পৌর এলাকার মসজিদ সমূহের আর্থিক অস্বচ্ছলতা দূরীকরণে মসজিদের ইমামগণের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো: ফজলুর রহমান। সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার পৌর জনমিলন কেন্দ্রে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার তিন আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মিছবাহুর রহমান, মৌলভীবাজার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

এ সময় প্রতিটি মসজিদের জন্য ৫ হাজার টাকার চেক ইমামদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চেক গ্রহণ করে মসজিদের ইমামগন বলেন , মহামারীর এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মসজিদের আর্থিক উন্নয়নে অনুদান প্রদান করেছেন। আমরা দোয়া করি আল্লাহ তা’য়ালা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যেন দীর্ঘজীবী করেন।

চেক বিতরণের পূর্বে মোনাজাত পরিচালনা করেন টাউন দেওয়ানী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সৈয়দ মুহিত উদ্দিন।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শহরের কালিঘাট রোডস্থ নিপা ফার্মেসির মালিক ব্লাডম্যান একটি রক্তদান ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জুয়েল এর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব সিলেটের একটি হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি সন্তানাদিসহ অগণিত আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন।

জানা যায় ,আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ষ্টোক করলে প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করা হয় পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট নিয়ে গেলে তিনি ইন্তেকাল করেন বলে নিশ্চিত করেন কালিঘাট রোডের আওয়ামীলীগ নেতা সাকের আহমদ টিপু।

উল্লেখ্য, শহরের আবাসিক এলাকা শ্যামলীর  এই বাসিন্দা তিনি শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গার্ড অফ অনার জানিয়ে দাফন সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে জানা গেছে।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সুতাং নদী থেকে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহতের বয়স অনুমান ৬০ বছর হবে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ১০টায় উজেলার ৫নং শানখলা ইউনিয়নের মহিমাউড়া গ্রামের পাশদিয়ে বয়ে যাওয়া সুতাং নদী থেকে স্থানীয় লোকজন, চুনারুঘাট পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের নেতৃত্বে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আকল মিয়া ওই গ্রামের সাবেক মেম্বার জাহির মিয়ার বড় ভাই। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে পাওয়া, মঙ্গলবার আকল মিয়া ওই নদীতে মাছ ধরতে গেলে তিনি নদীতে জাল ফেলে নদীতে ঝাঁপ দিলে তিনি আর উঠে আসেন নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সকাল ১০টায় লাশ উদ্ধার করা হয়।

এব্যাপারে চুনারুঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

“সেচ্ছাসেবী টিমে আগ্রহীগনকে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে”

মিনহাজ তানভীরঃ পৃথিবীব্যাপী করোনার করালগ্রাসে উন্নত বিশ্বসহ জ্ঞান বিজ্ঞান ও চিকিৎসায় সেরা সকল বাঘা বাঘা দেশের নাগরিকরা আজ মহা আতংকে এর মধ্যে আমাদের মত অনুন্নত,উন্নয়নশীল দেশের অবস্থা কতটা করুন তা আমাদের অজানা নয়। তার পরেও এই দুর্যোগ মুহুর্তে এই অপ্রত্যাশিত মহামারীর চিকিৎসার চেয়েও আরও ভয়ানক আতঙ্ক মৃত দেহের দাফনকাফন ও সৎকার নিয়ে। বিভিন্ন দেশের নানা ধর্মে, বিভিন্নভাবে দাফন কাফন ছাড়াও জ্বালিয়ে দেওয়ার মত নানা ফর্মুলা ব্যবহার করলেও ইসলামী বিধানমতে জীবিতদের প্রতি মৃত ব্যক্তির অধিকার হচ্ছে সম্মানের সাথে সক্ষম একাংশ লোকেরা মৃত দেহকে সমাহিত করবে।আর এই ধর্মীয় অধিকার ও অনুভূতির ফলে করোনায় মৃতদের দাফনের উদ্যেশে মুসলিমদের মধ্যে আওয়াজ উঠেছে। আর আওয়াজ থেকেই  বাংলাদেশ গাউসিয়া কমিটির উদ্যোগে চট্টগ্রামসহ দেশের সব কটি জেলা ও থানায় পর্যায়ক্রমে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করে যাচ্ছে তারা।এরই ফলশ্রুতিতে মৌলভীবাজার জেলায়ও সাহসী ও আগ্রহী করোনা যোদ্ধাদের নিয়ে করোনাক্রান্ত মৃতদেহের  দাপন সংক্রান্ত কাজে অংশ গ্রহণ করতে স্বেচ্ছায় আগ্রহীদের অনুরোধ জানানো  হচ্ছে।আমরা ইতিমধ্যে জেনে গেছি যে মৃত দেহে ৩ ঘণ্টার অধিককাল করোনা জীবাণু অস্তিত্ব থাকে না,তাই করোনায় মৃত ব্যক্তিকে ৩ ঘণ্টা বা ৪ ঘণ্টার পর দাফনকাফনে কোন সমস্যা নেই।

জানা গেছে ইতিমধ্যে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ৭২ জনেরও অধিক করোনা পজেটিভ ও করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারীর মৃতদেহ গোসল,কাফন ও জানাযা সহকারে দাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে। অবশ্য অন্যান্য সংগঠন ও নিজ নিজ উদ্যোগে কাফন দাফনের কাজ করে যাচ্ছে ।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার থেকে কাজী কুতুব উদ্দিন আমার সিলেটকে বলেন, গাউসিয়া কমিটি মৌলভীবাজার জেলার উদ্যোগে করোনায় মৃতদের কাফন দাফনের জন্য় এ সময়ের সবচেয়ে সাহসী নারী পুরুষদের নিয়ে জেলা ব্যাপী স্বেচ্ছাসেবী একটি  টিম গঠন করা হচ্ছে, আগ্রহীগনকে সংবাদে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য  ০১৭১১-১২৮৭৬৫,০১৭৩২-৬৮৪৭০৯, অনুরোধ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মানুষ মানুষের জন্য আসুন কোন রোগী বা মৃতদের প্রতি অবহেলা না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই সংকটে কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে যে কোন পরিস্থিতির জন্য নিজেদেরকে তৈরি করে রাখি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc