Wednesday 8th of July 2020 08:14:48 PM

সিলেটবাসীসহ সকলের কাছে নিজের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন কামরান”

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সিলেটের প্রবীণ আ’লীগ নেতা ও সাবেক সিলেট সিটির মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হবে বলে জানা গেছে। সিলেট থেকে ঢাকায় যাওয়ার আগে কামরান নগরবাসীসহ সবার কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

জানা যায়, সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় গত শুক্রবার করোনা পজিটিভ ধরা পরে সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন কামরানের। গত শনিবার তিনি শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন। ঐ হাসপাতালে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।

এয়ার এম্বুলেন্সে উঠার আগে সেবা কর্মিদের সাথে বদর উদ্দিন কামরান

অবস্থা বেগতিক দেখে কামরানের পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে।আজ রোববার ড. আব্দুল মোমেন বিষয়টি অবগত করেন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে। সব কিছু শুনে প্রধানমন্ত্রী কামরানকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়ে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলেন ড. মোমেনকে। এরই প্রেক্ষিতে আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার পথে যাত্রা করেন বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।

একই দিন বিকাল পৌনে ৬টার দিকে কামরানকে শামসুদ্দিন মেমোরিয়াল হাসপাতাল থেকে নগরীর ওসমানী বিমানবন্দরে নেওয়া হয়।বিমান বন্দরে বদর উদ্দিন কামরান দুই হাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে সিলেট নগরবাসীসহ সবার কাছে তার সুস্থতার জন্য কাছে প্রার্থনা করেন।

কামরানের জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকেও তার সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে সবাইকে দোয়া করার অনুরোধ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ করোনার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সারা দেশের মসজিদ,মন্দির ও বিভিন্ন মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সরকারী উপহার প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন কর্তৃক ৩৯৭ টি মসজিদে চেকের মাধ্যমে ৫ হাজার করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলার এই অনুদান ৩৯৭টি মসজিদের প্রতিটিতে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৯ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
আজ রোববার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলা শহরের ভানুগাছ রোডস্থ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এসব আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক চীফ হুইপ, সাংসদ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব।
এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও ইমাম,মুয়াজ্জিনগণ উপস্থিত ছিলেন। ড. আব্দুস শহীদ বলেন করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্ব যখন স্তব্ধ হয়ে গেছে। একমাত্র আল্লাহ পাকই পারেন এই গজব থেকে আমাদের মুক্তি দিতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নানা খাতে ব্যাপক আর্থিক অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি এই মহৎ উদ্যোগটি হাতে নিয়েছেন, এবং প্রতিটি মসজিদে তিনি উপহার হিসেবে আর্থিক অনুদান প্রদান করছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি:  শ্রীমঙ্গলে গভীর রাতে জায়েদা বেগম (৫৫) ও ইয়াসমিন (২৪) মা ও মেয়ের মর্মান্তিক খুনের ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে প্রথমে সন্দেহমূলক খুনি হিসেবে জামাতা আজগরকে আটক করে পুলিশ।পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আজগর খুন করার কথা স্বীকার করেছেন।

জানা যায়, আশিদ্রোন ইউনিয়নের পূর্ব জামসী গ্রামে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় ঘরের পিছনের বেড়া ভেঙ্গে প্রবেশ করে নির্মমভাবে মা ও ২ শিশু সন্তানের জননী মেয়েকে খুনের ঘটনায় প্রধান আসামী আজগর আলীকে তার নিজ এলাকা সিন্দুরখান ইউনিয়নের তালতলা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি টিম।

এ ব্যাপারে সিনিয়র এএসপি আশরাফুজ্জামান আশিক আমার সিলেটকে বলেন, “ঘটনার দিন মাননীয় পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ স্যার পিপিএমসহ আমি ও শ্রীমঙ্গল থানার কর্মকর্তা আব্দুস ছালিক এবং পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরিদর্শন করি। এসপি স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক অনেকগুলো বিষয় মাথায় নিয়ে আমরা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করি। এর মধ্যে প্রধান টার্গেট ছিল নিহত ইয়াসমিনের সাবেক স্বামী। যেহেতু ১৫ মাস ধরে তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। সেহেতু তাকে সন্দেহের তালিকায় রেখে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এক পর্যায়ে সিন্দুরখান এলাকা থেকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার মধ্যে একটি অপরাধের অনুশোচনা কাজ করে, এক পর্যায়ে সে স্বীকার করে যে সে নিজেই খুন করেছে। কিভাবে খুন করেছে তার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, চুলায় আগুন জ্বালাতে ব্যবহৃত লোহার পাতলা চুঙ্গার দাঁড়ালো মাথা দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মা ও মেয়েকে খুন করে। এ সময় প্রথমে মাকে এবং পরে মেয়েকে খুন করে বলে স্বীকার করে। তার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে এসপি স্যারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।অপরাধীদের কোনো ছাড় নেই।”
উল্লেখ্য নিজ ঘরে খুন হওয়া মা ও মেয়ের দুটি লাশ এর মধ্যে প্রথমে মাকে খুন করা হয় এবং পরে মেয়েকে। রাতে খুন হলেও পরদিন শুক্রবার সকালে এলাকাবাসীর সংবাদে স্থানীয় চেয়ারম্যান জহর বর্ধনসহ পুলিশের উপস্থিতিতে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়। পূর্বের সংবাদেের লিংক দেখুন

শ্রীমঙ্গলে একই ঘরে মা ও মেয়ের জোড়া খুন !

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাঁর চিকিৎসার জন্য পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে মোহাম্মদ নাসিমের ব্যক্তিগত সহকারী আশরাফুল আলম মিন্টু জানান, বোর্ড মিটিংয়ে মোহাম্মদ নাসিমকে ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আশরাফুল আলম মিন্টু জানান, মোহাম্মদ নাসিমের চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়াকে প্রধান করে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অপারেশনের পর চিকিৎসকরা মোহাম্মদ নাসিমকে ৪৮ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখেন। এবার তা বাড়িয়ে ৭২ ঘণ্টা করা হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর গত সোমবার থেকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোহাম্মদ নাসিম। গত বৃহস্পতিবার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় শুক্রবার তাঁকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরের কথা ছিল। কিন্তু শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় স্ট্রোক করায় অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. রাজিউল হকের নেতৃত্বে তাঁর মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিকবার নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয় এবং অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রাজিউল হককে ফোন করে সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।পার্সটুডে

এদিকে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া বান্দরবানের আরও ৮ জনের শরীরের করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) কক্সবাজার ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হন তারা।

বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানা গেছে, বান্দরবান জেলায় শনিবার ৯ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এরা হলেন, জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিস এলাকার বাসিন্দা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। এছাড়া হা‌ফেজ‌ঘোনার বা‌সিন্দা ও কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজারসহ প‌রিবা‌রের ৩ জন। পার্বত্য জেলা পরিষদের মোতালেব নামের এক ১ কর্মচারী। রুমা উপজেলার জারজৌ সিয়াম খুমি (১৬), ভানলাল থালিয়ান বম ও ক্যায়িং প্রে ম্রো (৭) ও নাইক্ষ্যংছড়িতে ১ জন।

এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৬ জনে। সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শনাক্ত রোগী আছেন ৬ জন। উপসর্গ থাকা নমুনা সংগ্রহ করা রোগী আছেন ৪ জন।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ  দীর্ঘ ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর দু‘দেশের প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে এক বৈঠকের পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আজ শনিবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় দুই দেশের প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতাদের মাঝে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৩ মার্চ থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দু‘দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত ২৪ এপ্রিল আমদানি-রপ্তানি চালুর অনুমোদন থাকলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুমতি না থাকায় দীর্ঘদিন সড়কপথে বন্ধ ছিল ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে স্থলবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শুরুর অনুমতি দেয়ার অনুরোধ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন।
এছাড়াও বনগাঁর সিন্ডিকেটের কারণেও বাণিজ্যে জটিলতা দেখা দেয়। পরে রেলওয়ের মাধ্যমে পণ্য আমদানির অনুমতি দেয়ায় স্থলপথে আমদানি-রপ্তানির ওপর চাপ সৃষ্টি করে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর এলাকার শ্রমিকসহ ট্রাক মালিক ও চালকরা। বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি করে বৈঠকে বসে আমদানি-রপ্তানি চালু করতে রাজি হয় ভারতের প্রশাসনসহ বনগাঁ সিন্ডিকেট। করোনার সংক্রমণ নিয়ে আশঙ্কা থাকায় সীমান্ত অতিক্রমের আগেই গাড়ি চালকদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হবে।
এছাড়াও ট্রাকগুলো উভয় দেশে স্যানিটাইজ করা হবে। ফেরার সময়ও চালকদের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। সেই সাথে দ্রুত পণ্য খালাস করে দিনে দিনে ট্রাকগুলো ফিরে যাবে। বৈঠকে ভারতের উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলার জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তী, বনগাঁ পৌর সভার মেয়র শংকর আঢ্য ডাকুসহ কাস্টমস, পুলিশ, বিএসএফ ও পেট্রাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস, ট্রাক মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে বাংলাদেশের পক্ষে বেনাপোল বন্দর, কাস্টমস, বিজিবি ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন, সিএন্ডএফ স্টাফ এসোসিয়েশন ও ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, করোনার কারণে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ। করোনার ক্রান্তি সময়ে স্বাস্থ্যবিধিসহ অন্যান্য নির্দেশনা মেনে আজ শনিবার থেকে আমদানি-রপ্তানি শুরু করতে দু‘দেশের নেতৃবৃন্দ একমত পোষণ করেছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে আমদানি-রপ্তানির জন্য ৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক দিতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা সম্মতি দিয়েছেন। পরে পরিস্থিতি দেখে ট্রাকের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
এদিকে বেনাপোল স্থল বন্দরের উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু করতে বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া ভারতীয় চালককরা যাতে পোর্টের বাইরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশের সরকার অনুমোদিত ২৩টি স্থলবন্দরের মধ্যে চলমান ১২টি বন্দরের অন্যতম বেনাপোল স্থলবন্দর। এ বন্দর থেকে ভারতের কলকাতা শহরের দূরত্ব ৮৩ কিলোমিটার। মাত্র তিন ঘণ্টায় একটি পণ্যবাহী ট্রাক আমদানি পণ্য নিয়ে পৌঁছাতে পারে কলকাতা শহরে। তেমনি একই সময় কলকাতা থেকে পণ্যবাহী ট্রাক পৌঁছায় বেনাপোল বন্দরে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে এ পথে ব্যবসায়ীদের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৮০ হাজার মে. টন পণ্য আমদানি হচ্ছে। যা থেকে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। আমদানি পণ্যের মধ্যে গার্মেন্টস সামগ্রী, তৈরি পোশাক, শিল্পকারখানা ও ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, শিল্প প্রতিষ্ঠানের মূলধনী যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল, খাদ্যদ্রব্য, চাল, পিয়াজ, তুলা, বাস, ট্রাক ট্যাসিস, মটর সাইকেল এবং পার্টস ও টায়ার রয়েছে। রফতানি পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সাদা মাছ, ব্যাটারি, ওভেন গামেন্টস, নিটেড গামেন্টস, নিটেড ফেব্রিকস, কর্টন র‌্যাগস (বর্জ কাপড়) উল্লেখযোগ্য।

হবিগঞ্জ প্রতিবেদকঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানায় মাসরুল হক অপুর আত্মহত্যার মামলায় ৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাসরুল হক অপু উপজেলার ফান্দাউক গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে। ঘটনার পর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে নাসিরনগর থানায়; লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়ার মৃত সফর আলীর কন্যা নার্গিস আক্তার লুৎফা ও চুনারুঘাট উপজেলার নতুনব্রিজ এলাকার শিমুলতলা গ্রামের আ’লীগ নেতা আঃ মন্নানসহ ৬ জনের নামে এ মামলা করেন অপুর পিতা।

মামলার অনান্য আসামীরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের মোঃ আসর আলী, ইকবাল মিয়া, সাজাহান মিয়া, জসিম মিয়া। মামলা রুজুর পর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী ও উক্ত মামলার প্রধান আসামী নার্গিস ওরফে লুৎফাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নার্গিস আক্তার লুৎফা হবিগঞ্জেরে লাখাই উপজেলার ফুলবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আশকর আলীর মেয়ে।

মামলার বিবরণ ও নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, অপু আত্মহত্যার মূল হোতা আব্দুল মন্নানের প্ররোচনায় প্রতারক নারী নার্গিস আক্তার লুৎফাসহ একটি চক্র তাকে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্ল্যাকমেইল করে আসছিল। প্রতারক চক্রের মূল হোতা আব্দুল মন্নানের ছত্রছায়ায় প্রতারক নার্গিস তার বিভিন্ন কূট কৌশলের দ্বারা যুবকদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ বানিজ্য ও অসামাজিক কার্যকলাপ করে আসছে । জানা গেছে, বিগত প্রায় ৩বছর পূর্বে প্রতারক নার্গিস কসমেটিকস ব্যবসায়ী অপুর দোকানে পন্য ক্রয় করার সুবাধে পরিচয় হয় অপুর সাথে। তার পর থেকে শুরু হয় প্রেম ভালবাসার সম্পর্ক।

কিন্তু চলনাময়ী নার্গিস তার চক্রের মূল হোতা আব্দুল মন্নানের ছত্রছায়ায় অপুকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। একপর্যায়ে প্রতারক নারী চেতনা নাশক ঔষধ সেবন করিয়ে অচেতন করে অপুর সঙ্গে কিছু আপত্তিকর ছবি তোলে মোটা অংকের অর্থ দাবী করে। বিভিন্ন সময় ফাঁদে ফেলে অপুর নিকট থেকে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেয় নার্গিস ও তার চক্র। এমনকি এক পর্যায়ে প্রতারক চক্রের মাধ্যমে হাত মিলিয়ে অপুকে শারিরিক ও মানসিক ভাবে আঘাত করে ।

পরবর্তীতে মানসম্মানের ভয়ে নিজ এলাকা ছেড়ে আত্নসম্মান রক্ষার্থে হবিগঞ্জ জেলার অর্ন্তগত শায়েস্তাগঞ্জ ওলিপুর কোম্পানীতে চাকুরী নেয় অপু। কিন্তু সেখানেও রক্ষা পায়নি প্রতারক নারীর কবল থেকে। আত্নহত্যার পুর্বে অপুকে মানসিক চাপে ফেলে বড় অংকের অর্থ দাবী করে নার্গিস ও মন্নানের চক্র। অপুর পরিবার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেয়া ও হত্যার হুমকি দেয় নার্গীস ও মন্নানের চক্র ।

এতে মানসিক চাপ সইতে না পেরে গত ১৪ এপ্রিল রাতে অপু তার বাড়ির পাশে জাম্বুরা গাছে গলায় রশি বেঁধে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে। নিহতর পিতা মোজাম্মেল হক এই ভয়ংকর নারী ও চক্রের মুল হোতা আব্দুল মন্নানসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইব্রাহিম আকন্দ জানান, এপর্যন্ত মুল আসামী নার্গিসসহ তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে নতুন করে ১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চুনারুঘাটে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ২০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।

নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন, চুনারুঘাট মধ্য বাজারে সেতু ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী সুবীর পাল, দেওরগাছ গ্রামের তাহের আলী, শফিউল আলম সিদ্দিক, ফজলুল করিম, আবুল ফয়েজ সাইফুল, রাণীগাঁও গ্রামের আব্দুল হালিম, রাণীগাঁও দাখিল মাদরাসার শিক্ষক জালাল উদ্দিন, ডিসিপি হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক বশির আহমেদ ও করোনা পজিটিভ রাজার বাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের ডা. সিরাজ উদ্দিনের স্ত্রী শাহানেওয়াজ বেগম ও ছেলে শায়েখ শরিফ উদ্দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন জানান,শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ৩১ মে ও ১ জুন কভিট-১৯ নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২৪ জনের। তার মধ্যে ১০ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

উপজেলায় এ পর্যন্ত ৯৪০ জনের কভিট-১৯ (করোনাভাইরাস) নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে ৫৪ জনের নমুনা পজিটিভ আসে।

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার  ৯ নং রানীগাঁও ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মনিপুর গ্রামের সুন্নী মতাদর্শ  সমর্থনকারী মসজিদের ইমাম ক্বারী মৌলভী  কাউসার আহমদ তালুকদারের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাট করেছে এলাকার কালা বাহিনীসহ তার সহযোগি মান্নান ও সোহাগ গংরা ।
এ নিয়ে  আহলে সুন্নাত মতাদর্শী ও কালা বাহিনীর লোকদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা যায়, গত ৫ জুন বৃহস্পতিবার ৪ টার দিকে আহলে  সুন্নাত সমর্থনকারী মুনিপুর গ্রামের মসজিদের ইমাম ক্বারী  কাউছার আহমদ হাকাজুরা গ্রামের আব্দুল গফুরের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে, হাকাজুরা বড় জামে মসজিদের সামনে আসা মাত্রই ওয়াহাবী মতাদর্শী ও কালা বাহিনীর লোক  আব্দুল মান্নান ও তার  ছেলে সোহাগসহ একদল উত্তেজীত লোকজন সুন্নী জামা’আতের ইমাম ক্বারী  কাউসারের উপর হামলা চালায় এবং তার অর্থকড়ী  ও মালামাল লুটকরে নিয়ে যায়। এ সময় তার সুরচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ইমাম কাউছারকে উদ্ধার করেন।
এ নিয়ে এলাকায় দু পক্ষের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ফারুক মিয়া,চুনারুঘাট থেকেঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় সাড়ে ৩ ঘন্টার বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলে সাতছড়ি ত্রিপুরা পল্লীর রাস্তা, চা বাগানের গাইডওয়াল ও ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে পাহাড়ি ঢলে পুরনো ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চন্ডিছড়া থেকে সাতছড়ি পর্যন্ত ৫টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পুনরায় বৃষ্টি হলে যে কোন সময় এ সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত মুষলধারে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। অতিমাত্রায় বৃষ্টির কারনে পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বসবাসরত ত্রিপুরা পল্লীর ২৪টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা ছড়ার পানিতে ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। ফলে পল্লীর ২৪টি পরিবার এখন বাসাবন্দী হয়ে পড়েছে। ন্যাশনাল টি কোম্পানীর চন্ডিছড়া চা বাগানের নাচঘর ও মন্দির রক্ষার জন্য তৈরী প্রায় ৬০ ফুট গাইড ওয়াল ভেঙ্গে গেছে। ফলে আমু, নালুয়া চা বাগানের চলাচলের রাস্তাও বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া বাগানের লছমন মুন্ডা, লিটন মুন্ডা ও আলন রায়ের ৩টি কাচাঘর ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। পুরনো ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চন্ডিছড়া থেকে সাতছড়ি পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার এলাকার ৫টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

এ ছাড়া ওই এলাকার ৫টি ব্রিজ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে চন্ডিছড়া ও রামগঙ্গা ব্রিজ দুটি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যে কোন সময় পাহাড়ি ঢলে এ দুটি ব্রিজ ভেঙ্গে নিয়ে যেতে পারে। সাতছড়ি ত্রিপুরা পল্লীর হেডম্যান চিত্ত দেববর্মা জানান, দু’বছর আগে ঢলে আমাদের ৪টি ঘর ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। এখন আমাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি রাতে ভেঙ্গে নিয়ে যাওয়ায় আমরা পল্লী থেকে বের হতে পারছি না। পুনরায় বৃষ্টি হলে পাহাড়ি ঢলে আমাদের বসতভিটা ভেঙ্গে নিয়ে যাবে।

ইউপি সদস্য আবু তৈয়ব মুমিন জুয়েল বলেন, আমাদের বাগানের বেশ কয়েকটি চা শ্রমিকের ঘর ভেঙ্গেছে এবং বাগানের একমাত্র মন্দির ও নাচঘর রক্ষার গাইড ওয়ালটি ভেঙ্গে গেছে। ফলে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে মন্দির ও নাচঘর।

নড়াইল প্রতিনিধি: বাড়িতে থাকার একটিমাত্র জীর্নশীর্ন ঘর। থাকার জায়গা ছাড়া চাষের কোনো জমি নেই। শ্রম বিক্রি করে কোনো রকম সংসার চালাতে হয়। বাড়িতে নিজস্ব কোনো বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নেই। সাইড লাইনের মাধ্যমে কোনো রকম আলো জ্বলে। বাবা উপার্জন না করলে অর্ধাহারে-অনাহারে থাকতে হয়। এতো অভাবের মধ্যে বাবা লেখাপড়ার বিভিন্ন খরচ এবং প্রাইভেটের অর্থ জোগাড় করেছেন। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়েছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় এবারও সাফল্য পেয়েছে, এ কথা জানান সজিব।
নড়াইলের পল্লিতে সম্পদ নয়, দিনমজুর বাবার সামান্য আর্থিক যোগান এবং সজিবের অদম্য চেষ্টায় সে এবার এসএসসিতে সাফল্য পেয়েছে। মোঃ সজিব শেখ জেলার লোহাগড়া উপজেলার মিঠাপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ব্যবসায় শাখা (বানিজ্য) থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তার সাফল্যের জন্য স্কুলের সমস্ত শিক্ষকের অবদানের কথা বলতে ভুলেননি। উচ্চ শিক্ষা অর্জনের পর সে ভবিষ্যতে একজন ব্যাংকার হতে চায়।
জানা গেছে, সজিবরা দুই ভাই ও দুই বোন। দু’বোনের বিবাহ হয়েছে। ভাইদের সে বড়। ছোট ভাই পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। মা রেহেনা বেগম একটি গরু ও মুরগি পালনসহ সংসার দেখাশোনা করেন।
সজিবের বাবা আকরাম শেখ জানান, একান্ত ইচ্ছা ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করা। কিন্তু একার আয়ে কি সংসার চলে ? কতদিন সুস্থ থাকব, আর কতটুকুই বা করতে পারবো, তা শুধু আল্লাহই জানেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc