Sunday 12th of July 2020 05:59:14 PM

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  চুনারুঘাট  হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চুনারুঘাটের কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) রাত ৮ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সত্যজিত রায় দাস বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।

এসময় উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চন্দ্র পাল, চুনারুঘাট প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম, সহ সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন লিটন, যুগ্ন সম্পাদক ইসলাম হোসেন বাচ্চু, শায়েস্তাগঞ্জ আঞ্চলিক প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ নূর উদ্দিন সুমন, খন্দকার আলাউদ্দিন, শংকর শীল, সৈকত আলী, মীর জুবায়ের আলম প্রমূখ।

অনলাইন এডিটরস কাউন্সিল এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনলাইন নিউজ পোর্টালের অধিকার আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে দেশের অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশদের সংগঠন হিসাবে এই কমিটি গঠন করা হয়। এম এ আহাদ চৌধুরী তুহিন সভাপতি ও ইউসুফ হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক মনোনিত করে শনিবার রাজধানীর বারিধারা কার্যালয়ে আগামী দু’বছরের জন্য ৪১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিগত দুই বছর আহ্ববায়ক কমিটি দিয়ে সংগঠনটি নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান।

অনলাইন এডিটরস কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ- ২০২০-২০২১ ইং

১। সভাপতি – এম এ আহাদ চৌধুরী তুহিন (বাংলাদেশ মিরর)
২। কার্যকরী সভাপতি – আবুল কালাম আজাদ (দৈনিক আলোকিত সকাল)
৩। সিনিয়র সহ-সভাপতি – আবদুর রহমান (তৃণমূল বার্তা)
৪। সহ-সভাপতি – মোস্তফা খান (জোনাকি টেলিভিশন)
৫। সহ-সভাপতি – মো. কামরুজ্জামান (ভয়েস অব সাতক্ষীরা)
৬। সাধারণ সম্পাদক – ইউসুফ হোসাইন (বিডি ফিনান্সিয়াল নিউজ ২৪ ডট কম)
৭। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক – নাসির উদ্দিন পাটোয়ারি (বার্তা বাজার)
৮। যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক – এস এম উজ্জল হোসেন (সংবাদ প্রকাশ)
৯। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক – এম শাহিন আল আমিন (গণ জয়)
১০। সহ-সাধারণ সম্পাদক – মোক্তাদুল পালোয়ান (বাংলাদেশ সবুজপত্র)
১১। সাংগঠনিক সম্পাদক – নাজমা সুলতানা নীলা (পিপলস নিউজ ২৪ ডট কম )
১২। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক – এস এম জীবন (বার্তা সময়)
১৩। অর্থ সম্পাদক – মিজানুর রহমান (দেশের কাগজ)
১৪। দপ্তর সম্পাদক – খান সেলিম রহমান (দৈনিক মাতৃজগৎ)
১৫। আইন বিষয়ক সম্পাদক – অ্যাড. মনিরুল ইসলাম (ভোলা নিউজ ডট কম )
১৬। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক – রাহুল রাজ বিশ^াস (চমক নিউজ ডট কম)
১৭। সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক – মেহেদী হাসান (আই ভিশন)
১৮। সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক – মাসুদুর রহমান ( এম আর নববার্তা ডট কম)
১৯। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক – নাসির উদ্দিন বিপ্লব (সাগর কন্যা নিউজ ডট কম)
২০। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক – আশরাফুল ইসলাম (প্রবাসীর দিগন্ত)
২১। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক – মেহেদী হাসান (ভোরের আলো)
২২। মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক – সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি (ঢাকার নিউজ ২৪ ডট কম)
২৩। ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক – কাজী নোমান (ফেয়ার বার্তা)
২৪। যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক – ফরাহাদ জাহান (ব্রাইট নিউজ ৯৯ ডট কম)
২৫। পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক – তুহিন ভূইয়াঁ (আলোকিত খবর)
২৬। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক – আরিফুল ইসলাম (কালের কলম)

কার্যনির্বাহী সদস্য –
২৭। শিমুল খান (স্বাধীন নিউজ ২৪ ডট কম)
২৮। মাসুদ পারভেজ (সিটিজেন নিউজ ডট কম)
২৯। মাহমুদুল হাসান মোয়াজ্জেম (ক্রাইম নিউজ ডট নেট)
৩০। মাহফুজুর রহমান মন্ডল (বিডি নিয়ালা নিউজ ডট কম)
৩১। এসকে দোয়েল (প্রথম দৃষ্টি ডট কম)
৩২। এস এম বাবু (সমীকরণ ডট কম)
৩৩। রফিকুল হাসান (উচ্চকণ্ঠ ডট কম)
৩৪। সারোয়ার সবুজ (বিডি সময় নিউজ)
৩৫। মামুনুর রহমান(গ্রাম বাংলা ২৪ ডট কম)
৩৬। হাসান আলি তালুকদার (ক্রাইম অনুসন্ধান)
৩৭। সিদ্দিক আল মামুন (আলোকিত সময় ২৪ ডট কম)
৩৮। সামসুর রাহমান সোহেল (প্রতিদিন বাংলাদেশ)
৩৯। ফাতেমা রহমান রুমা (জর্মান বাংলা ২৪ ডট কম)
৪০। আলি হোসেন ( গ্রীন বাংলা ডট কম)
৪১। বাহার মোসলে উদ্দিন (মানব সময়),প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শাব্বির এলাহী,কমলগঞ্জ: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সম্মূখ সারিতে থেকে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। করোনা সংকটের শুরু থেকেই পরিবারের কথা না ভেবে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে সমানতালে কাজ করছেন তিন করোনাযোদ্ধা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ সৌমিত্র সিনহা, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) সুর্নিমল কুমার সিংহ ও মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ইপিআই) আশরাফুল আলম।

করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তারা ছুটে যাচ্ছেন নমুনা সংগ্রহ করতে। আবার করোনা পজিটিভ আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে আসছেন।

একই সঙ্গে হাসপাতালে আসা উপসর্গের রোগীদের নমুনা সংগ্রহের পর সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানোর দায়িত্বও পালন করছেন তারা। তাদের পরিবারের সদস্যরা নিজেরা করোনা আতঙ্কে থাকলেও নমুনা সংগ্রহের এ দায়িত্ব পালনে সম্মতি দেন।

আর এতে নিষ্টার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন এই তিনজন। তারা বিরামহীন দিন-রাত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও আক্রান্তদের নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন তারা। করোনা পরিস্থিতির কারণে সচেতন লেঅকজন যখন নিরাপদে বাসা-বাড়িতে থাকছেন, তখন কিছু মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাসিমুখে জরুরি সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। মহামারীর এই সময়ে দায়িত্ব পালনে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও, সেবা দিতে পেরেই গর্বিত তারা।

মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) সুর্নিমল কুমার সিংহ বলেন, এ রকম মহৎ কাজে জড়িত হয়ে মানুষের সেবা দিয়ে যেতে পারছি বলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।সতর্কতা অবলম্বন করে আমরা নমুনা সংগ্রহ করে যাচ্ছি।’মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ইপিআই) আশরাফুল আলম বলেন, সরকারি চাকরির পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাও রয়েছে। এ কারণে আমরা যতœ সহকারে উপসর্গের রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করি। এজন্য বন্ধু-বান্ধব প্রতিবেশী কেউই আমাদের কাছে আসতে চায় না। তাদের ধারণা আমরা যেন করোনাভাইরাস নিয়ে বসে আছি, তখন কষ্ট পাই।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) ৩ জনসহ কমলগঞ্জ উপজেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৬৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে মোট ২৭ জনের পজেটিভ রিপোর্ট আসে। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন। করোনার সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা দিলেই কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিম নমুনা সংগ্রহ করতে ছুটে যান। ঈদসহ অনেক আনন্দকে পাশ কাটিয়ে দিনের পর দিন জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পরিবার পরিজনের মায়া ত্যাগ করে এই সংকটময় মুহুর্তে তাঁরা মানবতার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা মনে রাখবে চিরকাল কমলগঞ্জবাসী। তাদের ত্যাগ ও অবদান নিঃসন্দেহে অভিবাদন পাওয়ার যোগ্য। করোনাকালে করোনাযুদ্ধের অগ্রসৈনিক এই স্বাস্থ্যকর্মীরা।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডাঃ এম, মাহবুবুল আলম ভূঁইয়ার নির্দেশনায় নমুনাগুলো সংগ্রহ করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নমুনা সংগ্রহ টিমের সদস্যরা হলেন- মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ সৌমিত্র সিনহা, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) সুর্নিমল কুমার সিংহ ও মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ইপিআই) আশরাফুল আলম। এছাড়াও বিভিন্ন সময় নমুনা সংগ্রহ করে থাকেন মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ জয়দ্বীপ পাল, আব্দুল আউয়াল ও অভিজিত সিংহ।
করোনা যোদ্ধারা জানান, সমাজের অনেকেই করোনা রোগীদের পাশাপাশি আমাদেরকেও খারাপ চোখে দেখে, খারাপ মন্তব্য করে। তবুও পরিবারের সবাইকে নিরাপদ রেখে সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নিজের কর্মক্ষেত্রকে সম্মান করে কাজ করে যাচ্ছি। তারা সবাইকে অনুরোধ করেন বলেন, করোনায় সংক্রমিত হওয়া কোন অপরাধ নয়। করোনা পজেটিভ মানেই মৃত্যু নয়। করোনা রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা দেখান, সামাজিক সচেতনতাই পারে করোনা ভয়কে জয় করতে।
আলাপকালে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এম, মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই তিনজন সার্বক্ষণিক নমুনা সংগ্রহের কাজ করছেন। এছাড়া আরো তিনজন পর্যায়ক্রমে সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়ে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়েও নমুনা সংগ্রহ করছেন।

এ পর্যন্ত উপজেলায় ৩৬৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে এ উপজেলায় মোট ২৭ জনের পজিটিভ এসেছে। পজিটিভের মধ্যে মোট ৭ জন সুস্থ আছেন। তারা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি আরো বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ইতিমধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর সুরক্ষা বুথ স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০টি বেড নিয়ে আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত রয়েছে।

করোনাভাইরাস পজিটিভ অবস্থায় ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শুক্রবার দুপুরে  এই তথ্য জানিয়েছেন। বিপ্লব বড়ুয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয়কে ফোন করে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নাসিমের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। এর আগে শুক্রবার ভোরে ব্রেইন স্ট্রোক করেন নাসিম। পরে জরুরি ভিত্তিতে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. রাজিউল হকের নেতৃত্বে নাসিমের অপারেশন হয়।

নাসিমের ছেলে সাবেক সাংসদ তানভীর শাকিল জয় জানান, আজ তার বাবাকে কেবিনে নেয়ার কথা ছিল। হঠাৎ করে ব্রেইন স্ট্রোক করায় অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। পরে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি তার বাবার জন্য দেশবাসী কাছে দোয়া চান। শারীরক দুর্বলতা নিয়ে গত ১ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তার করেনাভাইরাস পজিটিভ আসে। ৭২ বছর বয়সী মোহাম্মদ নাসিম জাতীয় চার নেতার অন্যতম ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে। তিনি সিরাজগঞ্জ-১ আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের দুই মেয়াদে স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়কের দায়িত্বও পালন করেন।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবে না- সরকারের এমন নির্দেশনা ছিল। কিন্তু অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার পর কিস্তি আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করে এনজিওগুলোও। এ অবস্থায় চলতি জুন মাসেও রাজশাহীতে কিস্তি আদায় করতে পারবে না ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওগুলো। ঋণের কিস্তি আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. হামিদুল হক।
গতকাল রোববার (৩১ মে) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলেছে অফিস-আদালত। ঘরবন্দি লোকজনও নেমেছেন কাজে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোও প্রস্তুতি নিচ্ছে কিস্তি আদায়ের। কোথাও কোথাও কিস্তি আদায়ে ঋণগ্রহীতাদের চাপ দেয়ারও অভিযোগ আসছে।

এরই প্রেক্ষিতে সোমবার (০১ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক লিখেছেন, ‘এনজিও থেকে গৃহীত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনো ঋণগ্রহীতাকে ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক হামিদুল হক বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় করা যাবে না। এ নিয়ে রেগুলেটরি অথরিটির নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কিস্তি আদায়ের প্রমাণ পেলে আইন ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কেউ স্বেচ্ছায় কিস্তি দিতে চাইলে সেক্ষেত্রে আপত্তি নেই।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির মনিটরিং সেলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, কোথাও জোর করে ঋণ আদায় করা হলে এনজিওর ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে আমাদের। প্রয়োজনে সেটাই করব আমরা। তিনি বলেন, রাজশাহী থেকে দু’একটি অভিযোগ পেয়েছি; জোর করে ঋণ আদায় করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তা বন্ধ করেছি। বার বার সতর্ক করার পরও ঋণ আদায় করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

নজরুল ইসলাম তোফা: গণ মানুষের মনে জেগে উঠার স্বপ্নমালার মতো এক রহস্যের বহু দিনের ‘নাট্যানুভূতির অনামা কুসুম’। বাস্তবের চেয়েও স্বপ্নের দিকেই এশিল্পের ঝোঁক- ‘কিছু মানুষের হৃদয়ে অধিকতর’। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়িত করবার জন্যেই নাট্য জগতের আলো-আঁধারি মাখা সিঁড়ির দিকে চেয়ে থাকে, এই শিল্প তাঁদের কখনো ডাকে আবার কখনো ডাকেই না। কারো কপালেই ডাক আসে অহরহ, ডেকে ডেকে কখনো ক্লান্ত হয় আর কেউ একবারও ডাক পায় না। কি যে, অধীর আগ্রহে থাকেন অবিরাম একটিবার ডাক শোনার জন্য। এমন স্বপ্নটা কি কখনো পুরন হবেনা তাঁদের। সে যেন তাঁর নিজের মতো করে সদা সর্বদাই স্বপ্নটাকে উপজীব্য করে নাট্য শিল্পের স্বরূপ অন্বেষণের চেষ্টার পাশাপাশি নানা ভাবে বিশ্লেষণ প্রেক্ষাপট বিবেচনা সহ নাট্যমঞ্চের কাজকর্মে গুরুত্বপূর্ণ সময় দিয়ে যাচ্ছেন। সে ব্যক্তিটার কালপরিক্রমায় বয়স হলেও যেন মনে বয়স হয়নি। তিনি বলেন,- এই পৃথিবীর সব আলো এক দিন নিভে গেলে পরে, পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন, মানুষ রবে না আর, রবে শুধু এই মানুষের স্বপ্ন তখন। তিনি সৃজনে-উপলব্ধিতেই কতখানি সার্থক তাও হতে পারে এ লেখাটির উপজীব্য বিষয়।

রাজশাহীর নাট্যচর্চা নিয়ে এখানকার সংস্কৃতিমনা মানুষ অবশ্যই গর্ব করতেই পারে। আর বর্তমানের নাট্যাঙ্গনের কথা বলতে গেলে অতীতের স্মৃতি একবার আলোচনায় আনতেই হয়। অতীত সবসময়ের জন্য বর্তমানকে শক্তি জোগায় এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নও দেখায়। তাই অভিজ্ঞতা অভিব্যক্তির সম্মিলিত উপস্থাপনের সাথেই যে প্রতিভাত হয়ে নানানমুখী শিল্পে পরিগণিত হয়েছে যাপিতজীবনে।তিনিই একজন নাট্যঅভিজ্ঞ এবং নাট্যজন মোঃ তাজুল ইসলাম। চীরসবুজ কিংবা তারুণ্যের প্রতীক রাজশাহীর সকল মানুষের পরিচিত মুখ তাজুল ইসলাম,- ‘রাজশাহী থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি ‘কচিপাতা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠা’। এই চীরশিশু মানুষটি যেন সদা সর্বদাই থাকেন খুব হাস্যোজ্জ্বল চেহারায়। তাঁর কথাবার্তাতে আছে যেন বিনয়ের ছোঁয়া। এ মানুষটি ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ এর নাট্যকলায় সেরা সম্মাননা, রাজশাহী জেলার ‘শিল্পকলা একাডেমী’ থেকেও সম্মাননা পেয়েছেন। তাছাড়া বিভিন্ন জেলার নাট্যাঙ্গন থেকেও তাঁকে অনেক সম্মাননা প্রদান করে থাকেন। পাওয়া, আর না পাওয়ার মধ্যেই আক্ষেপ নেই তাঁর। তিনি নাটক ভালোবাসেন, নাটক নিয়েই সারা জীবন থাকতে চান। আনন্দঘন মূহুর্ত তাঁর এজীবদ্দশায় অনেক এসেছে। তিনি নিজে পথেই চলেন। ইউরিপিডিস একজন গ্রীক নাট্যকার বলেছিলেন যে, ‘জ্ঞানী মানুষেরা নিজের পথেই চলেন’। তাঁর কথার সাথেই- “মোঃ তাজুল ইসলাম” এর মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

খুব অল্প বয়স থেকেই নাট্যজগতের কর্মের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। ‘অভিনয় এবং থিয়েটার’ নিয়েই যেন মাতামাতি করার পারিপার্শ্বিকতা তাঁর পরিবার তথা সমাজের নানা অভিভাবকদের অনেক প্রশ্রয় ছিল। ছোট, বড় নাটক বা গম্ভীরা, কবিতা, গানসহ নৃত্যকলার বিষয়ে লেখালেখির হাতও তাঁর অনেক ভালো। ‘নাটক’ নির্মাণের প্রয়োজনটা বোধ করতে শুরু করেছিল যেন ‘উত্তর কৈশোরে’। তখন মঞ্চাবতরণের ঝোঁকটা যেন শুধুমাত্রই বিনোদনিত হবার আকাঙ্ক্ষার মধ্যে তরঙ্গতুলে, তাতো তাঁর কখনোই যেন সমাপ্ত হতো না, মঞ্চায়ন বা অভিনয় তখন মনের মধ্যেই অত্যাগহন এক বেদনার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলতে ছিল। তখন তাঁর মনে হতে শুধু করেছে নিজস্ব এক ‘থিয়েটার’ করতে না পারলে এই জীবন যাপিত হবে কোন উপায়ে? তাই তো তিনি শুধু করেছিলেন রাজশাহী থিয়েটার। এর পরে তাঁর মনে হয়েছিল শিশুকিশোররাও তো নাট্যচর্চার জায়গা খোঁজে, তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করে ছিল’ “কচিপাতা থিয়েটার”। কচিপাতা থিয়েটারকে ২০০০ সালের দিকেই প্রতিষ্ঠিত করে আজ অবধি রাজশাহী সব শ্রেণীর শিশু- কিশোরদের মনের মাধুরী দিয়ে সংকৃতির শাখাপ্রশাখায় প্রবেশ করিয়ে থাকেন।

শ্রদ্ধেয় মোঃ তাজুল ইসলাম, নাট্যচর্চার অবক্ষয়ের চরম সীমায় মশাল ধরেছিলেন। চীর প্রাচীন রাজশাহী বিভাগ এর সাংস্কৃতিক সংঘের একটি ‘পদ্মা মঞ্চ’, সেখানে তিনি অনেক নাটকে অভিনয় সহ নির্দেশনার পাশা পাশি নাট্য পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। মঞ্চ হব- মঞ্চায়ন করব- এই রকম ভাসাভাসা কিন্তু অতি তীব্র এক স্রোতের টানে সে সময় ভাসতে শুধু করেছিলেন। তবুও তিনি তলিয়ে যায় নি, আজ অবধি হাল ধরেই আছেন। শিকড় ছাড়া যেমন গাছ বাঁচে না। তেমনি তিনি হচ্ছেন শিকড়ের এক তেজি পুরুষ। রাজশাহীর সংস্কৃতিমনা মানুষদের অবশ্য গর্বের পুরুষ। রাজশাহী শহরভিত্তিক নাট্যচর্চার প্লাটফর্ম বলতে ‘রাজশাহী থিয়েটার’ একটি উল্লেখযোগ্য নাম। থিয়েটার ১৯৮৫ সালেই জন্ম হয়। এখন পর্যন্ত বহু মঞ্চনাটক এবং পথনাটক প্রযোজনা করে যাচ্ছেন মোঃ তাজুল ইসলাম আর অভিনয় করেছেন অনেক নাটকে। তাঁর হাত ধরেই অনেক তরুণ প্রজন্ম অভিনয়, নির্দেশনা দেওয়ার শিক্ষা নিয়ে নাট্যাঙ্গনের খুব বড় পরিসরেই কাজ করছেন। তা ছাড়াও তিনি শিশু-কিশোরদের হাতে খড়ি দিয়ে যাচ্ছেন সেই কচিপাতা থিয়েটারে।

রাজশাহী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। সেখানে তিনি প্রতিনিয়ত নাট্যকর্মীদের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখার সহিত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। তিনি না থাকলে যে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়না। এই নাট্যজন রাজশাহীর গর্বিত পুরুষ বা উজ্জ্বল নক্ষত্র। ভারতবর্ষের নাট্যচর্চা ও তৎপরবর্তী পাকিস্তান পর্বের নাট্য চর্চার পরে এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চার ক্ষেত্রেই “রাজশাহীর সাংস্কৃতিক অঙ্গন” যেন অন্য এক রূপ ধারণ করে। যাঁরা এই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিল তাঁদের মধ্যে অনেকেই আজ বেঁচে নেই। কিন্তু বেঁচে আছে তাঁদের সৃষ্টি। তমধে ‘মোঃ তাজুল ইসলাম এর নাম উঠে আসে। “বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন” এর সাথে জড়িত আছেন। বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের দুইবার তিনি নির্বাচিত কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য এবং বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সাবেক সমন্বয়কারী নাট্যজন তাজুল ইসলাম। তিনি নানাভাবেই যেন সকল অপশক্তি রুখে দিতে, শোষণ মুক্ত সমাজ বা অসাম্প্রদায়িক স্বদেশ গড়ে তুলতেই নাট্য চর্চাকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় সবসময়ে ব্যক্ত করেছেন খুব দৃঢ় চিত্তে।

বঙ্গবন্ধু চত্বর আলুপট্টিতে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা, এরপর মুনস্ গার্ড পার্ক বড়কুঠি মুক্তমঞ্চ, লালন মঞ্চ ও রাজশাহী শহরের ঐতিহ্যবাহী “পদ্মা মঞ্চ” সহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে তাঁর পদচারণা নাহলে যেন নাটক পরিবেশন হয় না। তা ছাড়াও তো- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন সহ রাকসু ভবনে যেসব আলোচনা, নাচ-গান কিংবা আড্ডা চলে সেসব জায়গায় উপস্থিত থেকে নাট্য অতিথি হয়েই শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান ও বিনোদনের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন। রাজশাহীর নাট্য কর্মী-সাংস্কৃতিক কর্মীদের ”বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কিংবা বাংলাদেশ শিশু একাডেমি”র মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি না হলে অনুষ্ঠান চলেই না। সত্যি বলতে কি রাজশাহী সিটি করপোরেশনে নানা সময় চলে সিটি মেয়র নাট্য উৎসব। সেই নাট্য মঞ্চটাকে সঠিকভাবে নির্মাণ সহ নাটক মঞ্চায়নের উপযোগী করা থেকে ‘শুরু কিংবা শেষ’ করা পর্যন্ত তাঁর অবদান থাকে।না হলেই রাজশাহীর সাংস্কৃতিকচর্চার মান সত্যিই অনন্য রূপ নেয় না বলেই সবার বিশ্বাস।

এই জীবদ্দশায় এতো কিছু করার পরেও এমন মানুষটি কখনো সখনো হয়ে যান অসুস্থ। তবুও প্রানের জায়গাটি হলো নাট্যাঙ্গন। জানা যায় যে, অসুস্থতা যখন খুব বাড়ে তখন লান্সে ইনফেকসান ধরা পড়ে। উচ্চতর চিকিৎসার জন্য তাকে খুব তাড়াতাড়ি ভারতে নিতে হয়েছে। শ্রদ্ধেয়  তাজুল ইসলাম ভাইয়ের সার্টিফিকেট জন্মগ্রহনে তারিখ যেন ১৯৪৬ সালে। এমন আবির্ভাব দিবসটাকে ঘিরে হয় অনেক সময়েই “কেক কেটে ও ফানুস” উড়িয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য ও অভিন্দন জানিয়ে থাকেন ‘রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী জননেতা সভাপতি বা সিটির সকল জনতার জনপ্রিয়, মাননীয় মেয়র জনাব এ.এইচ. এম. খাইরুজ্জামান লিটন এর পাশাপাশি এ মহানগরের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ‘রেণী ভাবি’ও তাঁর জন্ম দিনে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেন। রাজশাহী থিয়েটার- এর প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার জন্য, উনিই সেখানে বিখ্যাত হন। রাজশাহী থিয়েটার এর নাট্যকর্মীদেরসহ তাঁর কচিপাতা থিয়েটার এর কর্মীরাও ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সকল শিশু, কিশোর, যুবকরা তাঁকে নিয়ে শুভ জন্মদিন পালন করেন। সেখানে রাজশাহী শহরের কিংবা রা.বি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটভুক্ত সংগঠনের নেতা কর্মী’রা উপস্থিত থেকে সারা দিন নাটক-গান-নৃত্য- গম্ভীরা গানের বিভিন্ন আয়োজন করেন। আমন্ত্রণে উপস্থিত সবাই তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে থাকেন। সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ নাট্যজন মো: তাজুল ইসলামের ফুসফুসে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও যেন প্রাণচ্ছল মানুষটি আরও সতেজ হয়ে উঠেন, যখন একপাল থিয়েটার বন্ধুরা এসেই খোঁজ খবর নেয়। যাঁরা সাহস জোগালেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জনাব কাজী সাইদ হোসেন দুলাল, ইলা মিত্র অঞ্চলের সমন্বয়কারী মশগুল হোসেন ইতি, পুঠিয়া থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক: সাগর কুমার, রাজশাহী থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম প্রমুখ।

পরিশেষে বলতে চাই যে এমন তারুণ্যের প্রতীক, শিকড় সংস্কৃতির প্রাণপুরুষ ব্যক্তিটিকেই ঢাকা থেকে কারগাড়ি নিয়ে শুধুমাত্র তাঁকে দেখার জন্যেই-  এ তরুণ প্রজন্মের ‘নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকার’ যখন এসে ছিল ঠিক তখনই শ্রদ্ধেয় শিমুল সরকার ভাই আমাকে ডেকে ছিলেন। আমি সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলাম। নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকার তাঁকে  বলেছিলেন তাজুল ভাই প্রস্তুতি নেন, আমি আপনাকে আমার নিজের লেখা ও পরিচালনা একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সুযোগ দিবো। তখন শ্রদ্ধেয় তাজুল ভাই যে কি খুশি, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আবার আমিও কোনো এক সময়েই নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকার এর কথার ফাঁকেই বলা যায় কানে কানে বলেছিলাম তাজুল ভাই আপনাকে নিয়ে একটা খুববড় লেখা প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে। উনি বললেন যে, তথ্য চাও তো ঠিক আছে আমার ফেসবুকেই পাবে। অনেকদিন পরে হলেও উনার কথা ও স্মৃতিকথা আলোচনায় নিয়ে আসার যতসামান্য  প্রচেষ্টা মাত্র।

লেখকঃনজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc