Wednesday 8th of July 2020 07:54:46 PM

“আবার ভাতা পেলেও দিতে হয় কমিশন, মহিলা মেম্বারের উপর দুনীর্তি আর অনিয়মের যত অভিযোগ” 

কার্ড করতে নাকি অনেক টাকা লাগে। উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তাকে নাকি ঘুষ দিতে হয়। উপজেলার কর্মকর্তাদের টাকা না দিলে কার্ড করা যায় না এসব কথা বলে মেম্বারনি আমার কাছ থেকে কার্ড করার আগে ৫ হাজার টাকা নেন। আমি ঋণ করে তাকে টাকা দেই। পরে আমাকে অনেক দিন ঘুরিয়ে কার্ড করে দেন।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অগণিত অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে কিছু দুর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে।যাদের বিরুদ্ধে তাদের সিন্ডিকেটের হুমকির মুখে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেনা ভুক্তভোগিরা।

এ দিকে ভূনবীর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যা মিনারা বেগম৷ তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগের কমতি নেই।তাদের অভিযোগ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, গর্ভবতী ভাতা এমন কোনো ভাতা নেই যেখান থেকে এই ইউপি সদস্য কমিশন নেন না এমন কি দশ টাকা কেজি চাল থেকে ভাগ নেন তিনি।

এসব করে তিনি গত ৪ বছরে বণে গেছেন কয়েক লাখ টাকার মালিক।শূণ্য থেকে এখন হয়েছেন লাখ টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স;র মালিক।কিনেছে জায়গা জমিন।থাকতেন মাটির ঘরে এখন থাকেন টাইলসের মেঝে ঘরে বসবাস।এলাকাবাসী বলছেন এইসব করেছেন সরকারী বিভিন্ন ভাতার টাকার কমিশন মেরে ও অন্যন্যা অনিয়ম করে।

উপকারভোগীরা কার্ড করার জন্য কখনো ভাতার পুরো টাকা, কখনো অগ্রিম টাকা, কখনো বা ভাতারা টাকার একটি অংশ দিতে বাধ্য হন ওই ইউপি সদস্যকে৷

ইউনিয়নের বিভিন্ন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা৷ টাকা না দিলে কার্ড করে দেন না বলেও অভিযোগ করেছেন তার এলাকার ভোটাররা।

বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, গর্ভকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য কার্ড পাওয়ার আগে ও পরে পাঁচ হাজার টাকা না দিলে এই নারী ইউপি সদস্য কার্ড বাতিল করার হুমকিও দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। কার্ডের করিয়ে দেওয়ার টাকা বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হেনস্তা বা হুমকি দিয়ে দেন তিন উপকারভোগীদের।

ভুনবীর ইউনিয়নের বাসিন্দা ছমেদ মিয়া বলেন,আমি বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু, ভাতা পাই না। মেম্বারনির কাছে গেলে তিনি বলেন, ভাতা করে দেব, কিন্তু ভাতা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে।আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। তারপরে তার কাছে অনেক ধন্না দিয়েও কার্ড পাইনি

পরে ভাবলাম আমি গরিব মানুষ। কিছু টাকা দিয়েও যদি কার্ড পাই, অসুবিধা কী।পরে মেম্বারনিকে বলেছি, ভাতার টাকা পেলেই পাঁচ হাজার টাকা দেব। পরে তিনি আমায় কার্ড করে দেন।

তিনি আরও বলেন,যেদিন ব্যাংক থেকে আমি বয়স্ক ভাতার টাকা উঠাই, সেদিন তিনি ব্যাংকের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন।ব্যাংক থেকে বের হওয়ার পরই তিনি পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে নেন।

শুধু আমার কাছ থেকেই নয়, আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও নেন, যোগ করেন ছমেদ মিয়া।

জ্যোৎস্না বেগম নামে একজন বলেন, আমি গর্ভবতী অবস্থায় মিনারা বেগমের কাছে গিয়েছিলাম গর্ভ-ভাতার কার্ড করে দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, টাকা ছাড়া এসব কার্ড করা যায় না। আমার কাছে কোনো টাকা ছিল না। তিনি বলেন, যতবার টাকা পাবে ততবার অর্ধেক টাকা দিতে হবে।
আমি গরিব মানুষ। টাকার দরকার ছিল তাই আমি রাজি হই। আমি চার বার তিন হাজার টাকা করে পাই। এর মধ্যে তিন বার তিনি টাকা উঠানোর সঙ্গে সঙ্গে অর্ধেক (১,৫০০ টাকা) করে নিয়েছেন। শেষবার আমি তাকে টাকা দেইনি।

জ্যোৎস্না বেগম নামের এক নারী বলেন, আমি গর্ভবতী অবস্থায় মিনারা বেগমের কাছে গিয়েছিলাম গর্ভভাতার একটা কার্ড করে দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, টাকা ছাড়া এসব কার্ড করা যায় না। আমার কাছে কোন টাকা ছিল না। তিনি বলেন, যতবার টাকা পাবে ততবার অর্ধেক উনাকে দিতে হবে। আমি গরীব মানুষ, টাকার দরকার ছিল। তাই আমি রাজি হই। আমি চারবার তিন হাজার টাকা করে পাই। এর মধ্যে তিনবার তিনি টাকা উঠানোর সাথে সাথে অর্ধেক (১৫০০ টাকা) নিয়েছেন। শেষবার আমি তাকে টাকা দেইনি। তিনি এই টাকা নেওয়ার জন্য আমার সাথে অনেক খারাপ আচরণ করেন। বলেন আর জীবনেও আমার ও আমার পরিবারের কাউকে কার্ড করে দিবেন না। তিনি মোট ৪ হাজার পাঁচশ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছেন।

চেরাগ আলী নামে ১জন অভিযোগ করে বলেন, কার্ড করতে নাকি অনেক টাকা লাগে। উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তাকে নাকি ঘুষ দিতে হয়। উপজেলার কর্মকর্তাদের টাকা না দিলে কার্ড করা যায় না এসব কথা বলে মেম্বারনি আমার কাছ থেকে কার্ড করার আগে ৫ হাজার টাকা নেন। আমি ঋণ করে তাকে টাকা দেই। পরে আমাকে অনেক দিন ঘুরিয়ে কার্ড করে দেন।

গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, তারা কার্ড করার আগেই ইউপি সদস্য মিনারা বেগমকে পাঁচ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। যারাই টাকা দিয়েছেন তাদেরই কার্ড হয়েছে। কেউ আগে টাকা না দিলেও পরে ব্যাংক থেকে ভাতা পাওয়ার সময় টাকা তুলে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

৫ হাজার টাকা নেওয়ার পরও তিনি আরও টাকা দাবি করেন উল্লেখ করে গ্রামবাসীরা জানান, যদি কেউ মুখ খোলে তাহলে মিনারা বেগম তাদের কার্ড বাতিল করে দেওয়ার হুমকি দেন। তার লোকজন মারধরের হুমকি দেয়। তাই কেউ এই বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না।

এদিকে, উপকারভোগীরা যে ব্যাংক থেকে টাকা তুলেন সেই ব্যাংকের নিচে এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মিনারা বেগম প্রায়ই লোকজন নিয়ে এখানে আসেন এবং ব্যাংকের নিচে দাঁড়িয়ে থাকেন।

ভুনবীর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) মো. নিয়াজ ইকবাল মাসুদ বলেন,আমাদের কাছেও অনেকে ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ জনগণ ভয়ে উনার নামে লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন না। তবে আমাদেরকে এলাকার লোকজন প্রায়ই অভিযোগ করছেন। আমরা বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মিনারা বেগম সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কোনো ভাতার কার্ড করার জন্য কারো কাছে টাকা-পয়সা চাইনি।

এব্যাপরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আমি অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। সত্যতা পাওয়া গেলে ওই ইউপি সদস্যার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ রোডস্থ বাস টার্মিনালে হবিগঞ্জ মটর মালিক সমিতির অফিসে বসা অবস্থায় এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে আজ বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে।এ সময় আশপাশের লোকদের মধ্যে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে উপজেলা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত হলে আতঙ্ক কিছুটা কমে আসে।নিহত ব্যাক্তির নাম রঘু দেবনাথ (৫৫) তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উলচাপাড়া গ্রামের একজন সোনা রুপা ব্যবসায়ী বলে জানা যায় ৷

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে,শ্রীমঙ্গলের হবিগঞ্জ রোডস্থ বাস স্ট্যান্ডে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  রঘুনাথ নামের এক লোক হঠাৎ চেয়ারে বসা থেকে নিচে ফ্লোরে পড়ে যান, এ সময়  করোনা সংক্রমনের ভয়ে নিহত ব্যাক্তির কাছে কেউ  আসেনি ৷

স্থানীয়রা পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগকে খবর দিলে উপজেলা কর্মকর্তাসহ তারা সেখানে আসেন ৷ এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হক মামুন, ৩নং শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভানুলাল রায় ও শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি দল।

শ্রীমঙ্গল থানা স্বর্ন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতিশ দেব জানান, তিনি বিভিন্ন সময়ে রোপার তৈরী চেইন এনে শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন দোকানে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন।

শ্রীমঙ্গলের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন,নিহত ব্যাক্তির স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তার মৃতদেহ লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্স যোগে  স্বজনদের সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ গ্রামে পাঠানো হয়েছে।

সোলেমান আহমেদ মানিক, শ্রীমঙ্গল  প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনাসহ প্রধান সড়ক,কলেজ রোড ও ষ্টেশন রোডস্থ এলাকার জলাবদ্ধতা এখন সাধারণ জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।  সামান্য  বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে হাঁটু সমান হয়ে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সময় মতো ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় এই জলাবদ্ধতার সৃস্টি করেছে। তবে পৌরসভা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটা বৃষ্টির জন্য সময়িক জলাবদ্ধতা।
ঘুর্ণিঝড় নিসর্গ এর প্রভাবে বুধবার (৩ জুন) শ্রীমঙ্গলে দিনভরই হালকা, হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এতে করে শহরের কেন্দ্রস্থল চৌমহনা এলাকায় সারাদিনই কমবয়সী জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তবে সন্ধ্যার পর পরই এ এলাকায়  হাঁটু সমান পানিতে সড়কগুলো তলিয়ে যেতে দেখা গেছে। এসময় সাধারণ মানুষ ও ছোট ছোট  যানবাহন চলাচলে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন অনেকে।
শহরের কলেজ রোডের টেলিকম ব‍্যাবসায়ী ( ইরা টেলিকম ) মোঃ সেলিম আহমেদ জানান, করোনায় এমনিতেই দীর্ঘদিন ব‍্যাবসা বানিজ‍্যে স্থবির এর ভিতর শহরের রাস্তার এই  অবস্থায় আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। তিনি প্রয়োজনের তুলনায় ড্রেনেজ ব‍্যবস্থা কম থাকায় এ পরিস্থিতিকে দায়ী করেন। তিনি বৃষ্টিপাতে শহরে জনসাধারণের চলাচলের উপযুক্ত পরিবেশ  ও নাগরিক সমস্যা গুলোর চিহ্নিত করে তার আশু সমাধানে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
শ্রীমঙ্গল চৌমহনায় অবস্থিত আবাসিক হোটেল স্কাইপার্কের সত্ত্বাধিকারী মো. ইকরামুল ইসলাম জানান অল্প বৃষ্টিতেই পুরো চৌমহনা চত্বরে হাঁটু পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। শ্রীমঙ্গল পৌরসভার অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব‍্যবস্থার কারণে পানি নিস্কাশনে বিলম্ব হয়। এতে করে মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
মক্কা শপিং সিটির মোবাইল মিডিয়ার সত্ত্বাধিকারী সুমন দাশ জানান বৃষ্টিতে চৌমহায় পানি জমে থাকার কারনে দোকানে ক্রেতা আসতে পারছেন না। হাঁটু  পানি মারিয়ে অনেকেই মার্কেটে প্রবেশ না করে ফিরে যান এতে মার্কেটের ব‍্যবসায়িরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
শহরের  সি এন জি পরিবহন ব‍্যাবসায়ী মো. আলমাস মিয়া ( রানা ) জানান, এমনিতেই  আমরা করোনায় কাহিল,  এখন জলাবদ্ধতার কারনে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তির মধ্যে পড়েছি। পৌরসভা ঠিকমত ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় সামান্য  বৃষ্টির পানিতে রাস্তা  তলিয়ে যাচ্ছে। প্রায়শই ইন্জিনে পানি প্রবেশ করে গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে। ফলে শহরে যাত্রী চলাচলে নানা বাঁধা বিড়ম্বনা লেগেই থাকে।
জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল  করিম জানান, ‘শহরের  কোন ড্রেনমুখ বন্ধ নেই। সব পরিষ্কার করা। ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে সৃষ্ট  জলাবদ্ধতা সাময়িক। কিছু  সময় পর পানি নিষ্কাশন হয়ে যায়। শহরের জলাবদ্ধতা নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ সজাগ রয়েছে’ বলে তিনি জানান।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় করোনা মহামারির এই দুর্যোগ মুহূর্তে ২৫ হাজার ৮০০ পরিবার পেল সরকারি ত্রাণ। চা বাগান এলাকায় ত্রাণ পেয়েছে ৫ হাজার ৫০০ পরিবার।

প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত চুনারুঘাট উপজেলায় লক্ষাধিকের উপরে গরীব অসহায় ও দিনমজুর পরিবার আছে। যাদের প্রতিদিনের আয়-রোজগারে ঘর সংসার চলে।

শুধু মাত্র চা বাগানে শ্রমিকই আছে প্রায় ২২ হাজার। করোনার প্রভাবে কর্মহীন এই জনসাধারণের এখনো অনেকে সরকারি ত্রাণের আওতায় আসেনি। অনেকেই পড়েছেন খাদ্য সংকটে।

চুনারুঘাট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল আমাদের নতুন সময়কে জানান, করোনা সময়কালে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে এই উপজেলায় ২৬০ মেট্রিক টন চাউল এবং বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারের জন্য নগদ ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে । এছাড়া শিশুদের পুষ্টিকর খাবার ও দুধ ক্রয়ের জন্য আসে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যার মধ্যে  বেশির ভাগই জনসাধারণের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাশ জানান, বরাদ্দকৃত সরকারি ত্রাণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সরকারি অফিসারের মাধ্যমে বন্টন করা হয়েছে। করোনা সময়ে ত্রাণ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। পর্যায়ক্রমে উপকার ভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হবে। চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও উপহার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন  প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী (এমপি)র পরামর্শ ক্রমে গরীব অসহায় মানুষের কাছে বন্টন করা হয়েছে।

সরকারি উপকার পেয়েছেন ভবঘুরে, দিনমজুর, চা শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। করোনা সময়কালে সরকারের ত্রাণ বন্টন অব্যাহত থাকবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc