Saturday 30th of May 2020 02:47:09 PM

আমার সিলেট অনলাইন ডেস্ক: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান ইতোমধ্যে ব্যাপক শক্তি অর্জন করে ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করেছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এরআগে বলা হয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার এবং ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের সর্বোচ্চ গতিবেগ ২২৩ কিলোমিটার। এই ঘূর্ণিঝড় সরাসরি সরাসরি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আঘাত হানতে পারে বলে আগেই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে থাকতে বলা হয়েছে আবহাওয়া অধিদফতরের নির্দেশনায়।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

১৮ মে দুপুর ১২টার তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। তাতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গেপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গেপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে বর্তমানে পশ্চিম মধ্য বঙ্গেপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

বাংলাদেশের মতো ঘূর্ণিঝড়ের আমফানের গতিপথের দিতে চোখ রাখছে ভারতও। দেশটির আবহাওয়া দফতরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী ঝড়ে পরিণত হবে।

ঘূর্ণিঝড়টি ১৮ মে দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে শেষরাত থেকে ২০ মে বিকাল/সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবেলায় উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী মোংলা বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন নদনদী উত্তাল থাকলেও স্বাভাবিক আবহাওয়া বিরাজ করছে মোংলার আশপাশের উপকূলীয় এলাকায়। তবে এ অঞ্চলে প্রচণ্ড গরম ও তাপদাহ বিরাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ৫০ লাখ মানুষকে আর্থিক সহায়তা নিয়ে ‘বাটপারি চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ (সোমবার) রাজধানীর শংকরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামের তত্ত্বাবধানে ত্রাণ বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির এ নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫০ লাখ মানুষকে আর্থিক সহায়তা করবেন। এখানেও চলছে বাটপারি। ৪০ জনের টাকা যাবে একজনের বিকাশ নাম্বারে। এবং সেটা মেম্বারের একজন লোকের। তাই তো দেখা যাচ্ছে গরিব মানুষের নাম নেই। এখনেও গরিব অসহায় মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। সব তাদের আত্মীয়-স্বজনের নাম। তাহলে যারা গরিব মানুষের টাকা চুরি করে আত্মসাৎ করে এরা কী মানুষ? এদের জনগণের প্রতি কোনো মায়া থাকতে পারে না। এদের মানুষের প্রতি কোনো দরদ নেই বলেই আজকে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

চিকিৎসা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে মন্তব্য করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘চিকিৎসার অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। সরকার স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নেতাকর্মীদের পকেট ভারী করার জন্য তারা ফ্লাইওভার করছে। তৈরি করেছে ক্যাসিনো।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি সারা দেশের অসহায় দুস্থ কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এজন্য প্রতিহিংসায় ভুগছে সরকার। এ কারণে আমাদের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, গুম করা হচ্ছে। এটা কোনো সরকারের নিদর্শন হতে পারে না। যারা ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচার, মানুষের কথা শুনতে পারে না তারা এ ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা ত্রাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে। অথচ জনগণের টাকা নিয়ে নয় ছয় করছে সরকার। শুধু আওয়ামী লীগের লোকেরাই ত্রাণ আত্মসাৎ করছে না, প্রশাসনের লোকও এতে জড়িত। তারা মনে করে, সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছি আমরা। চুরি করলেও সরকার আমাদের কিছু বলতে পারবে না। জনগণের ত্রাণ আওয়ামী লীগের তথাকথিত মেম্বার, চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে। এই হলো সরকারের মানবতা।

এ সময় বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীমসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।পার্সটুডে

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনার থাবা, দেশে  নতুন করে ১ হাজার ৬০২ জনের দেহে নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে, যা ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ। এ ছাড়া এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর এই সংখ্যাও ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ।

সোমবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ৯ হাজার ৭৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৬০২ জনের দেহে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হলো ২৩ হাজার ৮৭০ জন।

ডা. নাসিমা জানান, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২১ জনের। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৪৯ জনের মৃত্যু হলো। সর্বশেষ মৃতদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী ।
সর্বশেষ মারা যাওয়া ২১ জনের বয়স সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, এদের মধ্যে ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৬ জন ও ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ২ জন রয়েছেন।

এদিকে আগে থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা আরও ২১২ জন রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন জানিয়ে ডা. নাসিমা বলেন, এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ৪ হাজার ৫৮৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (সিএসএসই) তথ্য অনুযায়ী, রোববার দুপুর পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৭ লাখ ২৭ হাজার ৬২৫ জন। এদের মধ্যে মারা গেছে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৩৮৯ জন। আর ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১৭ লাখ ৩৯ হাজার ৩ জন।

“ধান-চাল সংগ্রহে যে কোন ধরনের ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দুদক চেয়ারম্যানের”

সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহে যে কোন ধরনের ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান দুদকের পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য। রবিবার কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন কমিশনের চেয়ারম্যানের নিকট উপস্থাপন কালে দুদক চেয়ারম্যান এই নির্দেশ দেন।

কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট থেকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের ‘ধান-চাল সংগ্রহ কর্মসূচিতে’ সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ নিজেরা লাভবান হওয়ার মানসে ঘুষ-দুর্নীতির মতো অনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদন ছাড়াও কমিশন ভার্চুয়াল মাধ্যমেও এ জাতীয় কিছু অভিযোগ পেয়েছে।সংবাদ ইত্তেফাক

এ প্রেক্ষাপটে গোয়েন্দা প্রতিবেদন পেয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ, কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট, সমন্বিত জেলা কার্যালয় ও বিভাগীয় কার্যালয় সমূহের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক বিশেষ জরুরি বার্তায় বলেন, সরকারের ধান-চাল সংগ্রহ কর্মসূচিতে দুদকের কর্মকর্তাদের এলাকা ভিত্তিক নিবিড় নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ধান-চাল সংগ্রহে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যেন কোনো প্রকার ঘুষ-দুর্নীতির সুযোগ না পায়। কথিত প্রভাবশালীদের চাপে কৃষক নয় এমন মধ্যস্বত্বভোগী দালালদের নিকট থেকে ধান সংগ্রহের সুযোগও দেওয়া হবে না।

অভিযোগ রয়েছে বেশির ভাগ উপজেলা কৃষি অফিস গুলো ধান চাল সংগ্রহের পুর্বে কোন এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোষণা না দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে লটারির নামে তালিকা করে প্রকৃত কৃষকদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভুগিরা দুদকের সহযোগিতা কামনা করে এর প্রতিকার ছেয়েছেন।

স্টাফ রিপোর্টারঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গত ১৩ই মে ২০২০ ইং তারিখে মোঃ কসিরদ্দীন ওরফে গুন্ডরী,মোঃ হামিদুল ও মোঃমামুন পরিকল্পিত ভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোঃ আব্দুল হাইকে বেধম মারপিট ও হামলা চালায়।জানা যায়,মোঃমিন্টু ও আব্দুল হাই পারস্পরিক সুসম্পর্কের বন্ধুতে দীর্ঘ দিন ধরে একসাথে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালান বর্তমানে আব্দুল হাই ও মিন্টু কলা ব্যবসা করার পরিকল্পনা করেন,সে বিষয়ে ব্যবসায়িক আলাপ আলোচনা করার জন্য মোবাইল ফোনে মিন্টু তার বাড়ীতে আসতে বলেন পরে মিন্টুর বাড়ীতে আব্দুল হাই গেলে দূই বন্ধু মিলে আলোচনা করেন সে সময় হঠাৎ কসিরদ্দীন ওরফে গুন্ডরী ও তার দুই ছেলে হামিদুল ও মামুন।
মিন্টু রহমানের ঘরে প্রবেশ করিয়া, আব্দুল হাই কে দুই হাত পিছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি বেআইনিভাবে মারপিট করে ও কসিরদ্দীন ওরফে গুন্ডরীর লোহার রড দিয়ে আব্দুল হাইয়ের নিচের সারির দাঁত ভেঙে দেন এবং লোহার রডের আঘাতে দুই দাঁত অকেজো  হয় পড়ে,দুষ্কৃতিকারী কসিরদ্দীন ওরফে গুন্ডরী,হামিদুল ও মামুনের আঘাতে আব্দুল হাই আহত অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়লে আব্দুল হাইয়ের কলা ব্যবসা করার জন্য তার বাবার কাছে নেওয়া টাকা পকেট হতে ছিনিয়ে নেন।সে সময় তার বন্ধু মিন্টু রহমান আব্দুল হাই কে মারপিট,হামলা,ও অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে গেলে পরে মিন্টু ও তার স্ত্রী সৃতি বেগমকে বেধম মারপিট করে, বাড়ি থেকে বাহির করে দেন এবং মিন্টুর ঘরের আসবাবপত্র ও রান্নার চুলা ভেঙে দিয়েছে।এ বিষয়ে মিন্টুর সাথে কথা বলে জানতে পারা যায়,আমার বাবা পূর্বের শুত্রুতার জের ধরে আব্দুল হাই কে মারপিট করে, এবং  অমানুষিক নির্যাতন চালায়।পরে এলাকা বাসী জানতে পেরে আব্দুল হাইয়ের বাঁধন খুলে দিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় ভ্যান যোগে পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা ১ নং কেবিনে ভর্তি করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ঐ এলাকার লোকজন জানায়,কসিরদ্দীন ওরফে গুন্ডরী অনেক লোকের উপর অন্যায় ভাবে পূর্বে মিথ্যা মামলা করান ও হুমকি ধামকি দেন।এ ব্যাপারে এলাকার লোকের কাছে জানতে পারি,আব্দুল হাই এর পরিবারের লোকজন সৎ ও নিরীহ এবং তার পিতা এবং চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা।
এ বিষয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিক কে জানান আমার ছেলে মোঃ আব্দুল হাইয়ের উপর হামলা ও অমানুষিক নির্যাতন করায় বাদী হয়ে গত ১৬/০৫/২০২০ইং তারিখে আনুমানিক  বেলা ১.০০ ঘটিকার সময় পীরগঞ্জ থানায় সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচারের জন্য এজাহার দায়ের করেন।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্থ ইলেক্টিক,সেলুন,টেইলার্স ও লন্ডি সমিতিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারস্বরূপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সকালে মৌলভীবাজার পৌর জনমিলন কেন্দ্রে পৌরসভার উদ্যোগে পৌর মেয়র ফজলুর রহমান,ইলেক্টিক সমিতি,সেলুন সমিতি,টেইলার্স সমিতি,ও লন্ডি সমিতির মধ্যে ৩৫০ জনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার খাদ্য সামগ্রী তোলে দিয়েছেন। এতে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মনবীর রায় মঞ্জু ,আমিনুল ইসলাম সহ পৌরসভার কর্মকতা বৃন্দ।
এসময় পৌর মেয়র ফজলুর রহমান বলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর কাজ থেকে উপহার হিসেবে যে সামগ্রী পেয়েছি,সংসদ সদস্যের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিনের কাজ থেকে সেই খাদ্য সামগ্রী ৪টি সমিতিকে আজকে বিতরণ করেছি।

মিজানুর রহম্চুরান,চুনারুঘাট থেকেঃ “মানবতার ডাকে আমরা সবার আগে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়ন প্রবাসী সংগঠনের পক্ষ থেকে ২৪০ জন হত দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।
মিরাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রমিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মাষ্টার শাহজাহান মোল্লার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সাবেক পিপি ও চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীগের সভাপতি এডভোকেট এম আকবর হোসেন জিতু,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী এর সহ সভাপতি আলহাজ্ব মদরিছ মিয়া মহালদার, মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক নুরুল আমীন, মানিক মিয়া মেম্বার, মাষ্টার আলী হায়দর আলী, হোসেন মোঃ আলামিন,আলহাজ্ব আকছির মিয়া, মাষ্টার আজিজুল হক সুমন,আব্দুল হাকিম, পলাশ, মোঃ শাহাব উদ্দিন সহ সংগঠনের এক ঝাক সেচ্চাসেবী দল।
মিরাশী ইউনিয়মের প্রবাসী আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, হাফেজ আলী আহমদ, হারুনুর রশিদ জুনেল মমিনুল ইসলাম মোমেন সহ একটি নব তরুন  সংগঠনের আয়োজনে ২৪০ জন হত দরিদ্রদের মাঝে চাল,ডাল,তেল, পেয়াজ, লবন, আলু,চিনি বিতরন করা হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ করোনা পরিস্থিতিতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নির্দেশনায় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও সাবেক তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হকের উদ্যোগে স্থানীয় বিএনপি,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে দিনমুজুর,অসহায়,কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
রবিবার(১৭,০৫,২০২০)উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ০৮নং ও ০৯নং ওয়ার্ডে ৪১৪টি পরিবারের মধ্যে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
খাদ্য সমগ্রী বিতরণে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক আবুল হুদা,বাদাঘাট ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ড বিএনই’র সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা উসমান গণি,বাদাঘাট ইউনিয়ন বিএনপি’র সেক্রেটারি ও সাবেক ইউ/পি সদস্য নুরুল্লাহ,বাদাঘাট ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলাল উদ্দিন,তাহিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন,বাদাঘাট ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,যুবদল নেতা সবুজ মিয়া,তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সংগ্রামী সভাপতি,আবুল কালাম,উপজেলা ছাত্রদল নেতা আরিফ আহমেদ তালুকদার,জমির হোসেন,অভি আহমেদ অপু,শেখ সারোয়ার, মজিবুর রহমান, রুহুল আমিন রানা,আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ বিএনপি,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
আনিসুল হক জানান,বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে করোনাভাইরাস বিশ্বমহামারির ফলে সারাদেশে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি আর এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় সাত হাজার দিনমুজুর পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছি।
ধারাবাহিক এই খাদ্য সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,শ্রীমঙ্গলঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সাজন আহমেদ রানা নামে এক সংবাদকর্মীর উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার ১৭ মে দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার কাকিয়া বাজারের  রাজাপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাজন আহমেদ রানাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এসময় সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহারকৃত একটি ধারালো দা ও উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ। হামলার স্বীকার সংবাদকর্মী উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,দৈনিক জনতার মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি ও শ্রীমঙ্গল বিজয়ী থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সাজন আহমেদ রানা শ্রীমঙ্গল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ প্রতিনিধিকে আহত সাজন আহমেদ রানা জানান, “তার বাড়ির পাশে রাস্তায় নিজ গাড়ির পার্কিং সমস্যা দেখা দেওয়ায় রাস্তার একপাশে গাড়িটি দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলো যার পাশ দিয়ে অন্যান্য গাড়ির যাওয়ার যতেষ্ট রাস্তাও ছিলো কিন্তু রাস্তা থেকে গাড়ি সড়ানো নিয়ে একই এলাকার মাছুম এবং জুনেদের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়, এ সময় আমার মা এবং বোন খবর পেয়ে বাড়ি থেকে ঘটনা স্থলে ছুটে আসলে এক পর্যায়ে জুনেদ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে উত্তেজিত হয়ে হামলা করে । আমি হামলা থেকে আমার মা-বোন কে বাঁচতে এগিয়ে আসলে আমার ঘাড়েও কোপ লাগে এতে আমি মারাত্মক আহত হই।”

সাজন আরোও বলেন, “জুনেদ, জসিম এলাকার বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত তারা এলাকার বিএনপির সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তারা সব সময় আমাকে মারার জন্য সাথে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে চলা ফেরা করে।তারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে ও সাজন আহমেদ দাবী করেন।”

অপরদিকে অভিযোগের ব্যাপারে বিবাদীদের একজন জসিম মিয়ার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি আমার সিলেটকে জানান “বিষয়টি মূলত পারিবারিক, রাস্তা নিয়ে পূর্ব থেকেই চলে আসছে। যা উপজেলার গণ্যমান্য মুরুব্বীরা বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নেতা ইউছুফ আলী,চেয়ারম্যান বানু লাল রায়সহ অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিতিতে মীমাংসা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনার দিন রোববারে রাস্তায় গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয় এতে সাজন  আহমেদ রানা এবং আমি নিজেও জড়িত ছিলাম না।মহিলাদের অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা থেকে সৃষ্ট ঘটনায় পারিবারিকভাবে সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের সকল আত্মীয়-স্বজন চেষ্টা করেছে। এখন শুনতেছি তারা থানায় মামলা করেছে যা সত্যি দুঃখজনক। আমাদেরকে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা । আমি  আওয়ামীলীগ করি না বিএনপি করি তা স্থানীয় এমপিসহ এলাকার সবাই জানে।”

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালেক বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এবং তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি এসময় ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় এ বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা যথাযথ আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc