Saturday 30th of May 2020 03:30:28 PM

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গৌতম আইচ সরকার। ভুগছিলেন কিডনির জটিলতায়। মেয়ে ডা. সুস্মিতা আইচ সরকারের স্বাস্থ্য সেবা দানকারী ৩৩৩ হটলাইনে দায়িত্ব পালন করছেন।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে অসুস্থ বাবাকে নিয়ে একের পর এক হাসপাতাল ঘুরেও কোনো সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন মেয়ে সুস্মিতা আইচ। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘আমি ডাক্তার হয়েও কিছু করতে পারলাম না।’

অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন গৌতম আইচ সরকার। তার কিডনির সমস্যাও ছিল। ডায়ালাইসিসের জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার তার জ্বর, অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এই সরকারি কর্মকর্তাকে। সেখানেই আজ শনিবার সকালে গৌতম আইচের মৃত্যু হয়।

গৌতম আইচের মেয়ে ডা. সুম্মিতা জানান, ‘কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ না থাকলেও অন্য কোনো উপায় না পেয়ে অনেক কষ্টে বাবাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই। বাবার আইসিইউ সাপোর্টটা খুব দরকার ছিল কিন্তু তা পাওয়া যায়নি। বাবার চিকিৎসাই হলো না, তিনি মারা গেলেন।’

বাবার অবস্থার অবনতি হওয়ার পর হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোনো সহায়তা পাননি বলেও অভিযোগ করেন সুস্মিতা।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তার বাবা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত কি না, তা জানার চেষ্টাও করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

“দুই যুবক ঝুঁকি নিয়ে রক্ষা করলেন পথচারীসহ এলাকাবাসীদের।লোকবলের অভাব নেই জানালেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিস”

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে পল্লীবিদ্যুৎতের ১১ হাজার ভন্টোটিজে বড় ধরনে অগ্নিকান্ড থেকে রক্ষা করলো এক সাংবাদিকসহ দুই সাহসী যুবক।
গতকাল (৭মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল ইছবপুর এলাকার জ্যোতিষ দেব’র বাড়ির পিছনে ১১ হাজার পাওয়ারের কারেন্ট তাঁরের লাইন আর সেই লাইনে বাতাসে ভেঙ্গে পড়ে এক সাথে ৫ থেকে ৬ টি কাঁচা বাঁশ। একটু একটু করে আগুন ধরতে দেখে বাড়ির মালিকের ছেলে ধ্রুব দেব। এক মুহুর্তেই আগুনের শিখা জ্বলতে থাকে বিকট আকারে।
এই বাঁশের ঝাড়ে বৃষ্টি বাদলে সময় আসলে ঝড় বৃষ্টিতে এমন অনেকবার এরকম আগুন লেগে যায়। বাড়ির মালিক বহুবার পল্লী বিদ্যুৎতের অফিসের লোককে বলেছেন সব গুলো বাঁশ কেটে দিতে, কি কারনে তারা কাটছে না সেটা বোধগম্য নয় বাড়ির মালিকের। যে কোন ঝড়ের সময় বড় ধরণের র্দূঘটনা ঘটতে পারে বলে আমার

ধ্রুব দেব আমার সিলেটপ্রতিনিধিকে জানায়,গতকাল রাতে কাল বৈশাখী আচমকা ঝরের সাথে হালকা বৃষ্টি হচ্ছে তখন ঘরের বাহিরে একটা শব্দ শুনি বিকট আকারে।আমাদের ঘরের পিছনে বেশ কটা বাঁশের ঝাড় আছে আরেকটু কাছে এগিয়ে দেখি কারেন্ট’র তারে হালকা আগুন লেগেছে।এর পরেই দেখি আগুন বাড়ছে।আমি তাৎক্ষনিক শ্রীমঙ্গল পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে হট লাইনে কল করলে ওনারা বলে আমাদের লোকবল কম।আমরা কাল সকালে লোক পাঠাবো। আমি তো চিন্তায় পড়ে গেলাম এর পাশে স’মিল ও একটি রাইচ মিলে একই খুঁটিতে বড় তিনটি টান্সমিটার রয়েছে।
সেখানেও আগুন ধরে গিয়ে তার ছিড়ে পড়তে পারে।ঐ খুঁটির কাছের তারের নিচে একটি টিন সেটের ঘর আছে তাদের সর্তক করতে গিয়ে যাবার পথে আমাদের এলাকার কাকু আমার সিলেট এর রিপোর্টার ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলামকে  জানালে তিনি আমাকে বলেন তুমি কি বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করেছো ? তখন আমি বলি করেছি কিন্ত ওনাদের লোকবল কম সকালে আসবেন। চিন্তায় পড়ে যায় ধ্রুব দেব কি করবেন। এত রাতে। সাহস জোগাড় করে তরুণ সাংবাদিক ও নাট্য অভিনেতা জহিরুল ইসলাম বলে চল দেখি কি করা যায়।
তিনি আরোও বলেন ,কাকু পরে ওনার পরিচয় দিয়ে আবার অফিসে কল করলে একই কথা বলেন পল্লী বিদ্যুৎতের অফিসের কন্ট্রোল রুম থেকে।কাকু ঘটনার বিস্তারিত খুলে বললে ওনারা (পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে) আমাদের কে বিকল্প রাস্তা দেখায় কিভাবে এটা বন্ধ করা যাবে।

আমরা কাজে লেগে পড়ে যাই সাহস নিয়ে। তখন মনের ভিতরে ভয়ে কাজ করছে কাঁচা বাঁশ তারে আছে।আবার সেখানে বাঁশের ঝোপে সাপের ভয় বাহিরে খুব অন্ধকার।
এ ব্যাপারে ওই যুবকদের একজন আমার সিলেট প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম এই প্রতিনিধিকে জানান, পরিস্থিতি দেখে দ্রুবকে নিয়ে রিস্ক নিয়েই বাঁশ কাটার কাজে লেগে যায়, এ সময় পল্লী বিদ্যুতের কন্ট্রোল রুম থেকে বিদ্যুৎ লাইন অফ করে মোবাইলের সাহায্যে যোগাযোগ রক্ষা করি। এর মধ্যে হঠাৎ করে আমাদের টর্চ লাইটের চার্জ চলে গেলে ফোনের লাইট দিয়ে কাজ করে শেষ করি এবং অবশেষে মোবাইলের মাধ্যমে কাজ শেষ হয়েছে বলে জানালে পল্লী বিদ্যুতের শ্রীমঙ্গল কন্ট্রোল রুম আবার বিদ্যুতের সংযোগ প্রদান করেন,এ ভাবেই আমরা দুজন মিলে বড় ধরনের বিপদ থেকে এলাকার ১০টি পরিবার কে রক্ষা করতে সহযোগিতা করি।

তিনি আরও বলেন, গত ১২-১৩দিন আগে ও এমনি একটি ঘটনা সন্ধ্যার দিকে ঘটে বাঁশ পড়ে কারিতাসের পিছনে খুঁটির তার ছিড়ে পড়ে যায়।সেখানোও তিনটি টান্সমিটার ছিল। ছড়ার পাড়ে আর ছড়ার ও পুকুরের পানিতে কারেন্টের তার পড়ে ফেনা ওঠে পানিতে এবং বৃষ্টি পানিতে মাটির রাস্তা ভেজা থাকার কারনে রাস্তাতে কারেন্ট হয়ে যায়।আমি কল করলে তারা এসে রাত ৩ টা পর্যন্ত কাজ করে লাইন সচল করেন।সকালেই যেকোন বড় ধরনের দূর্ঘটনার স্বীকার হয়ে যেতো।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জি এম জিয়াউর রহমান আমার সিলেটকে বলেন, “গতকাল রাতে যারা আপনাদের বলেছেন আমাদের লোকবল কম সেটা তারা ঠিক বলেনি।তবে যে দু’জন যুবক সাহস করে একাজটি করেছে তারা বড় ধরনের ঝুকি থেকে রক্ষা করেছে এলাকাবাসিকে। আর আমাদের বর্তমানে লোকবল সংকট নেই যে কোন সময় এ ধরণের দূঘটনার আভাস পেলে আমাকে সরাসরি জানাবেন আমি তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিবো।

জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কর্তৃক বিজিবি’র উপর আস্থা রেখে সারাদেশ ব্যাপী হতদরিদ্র জনগনের মাঝে সুষ্ঠু ভাবে সহায়তার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় । তারই ধারাবাহিকতায় ১৯ বিজিবি’র অধীনস্থ বিওপি সমূহের আওতাধীন সীমান্তবর্তী হতদরিদ্র এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা সামগ্রী বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন হতে প্রাপ্ত সহায়তার ত্রাণ সামগ্রী স্থানীয় চেয়ারমান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে গত ০৬ মে ব্যাটালিয়ন ১৯ বিজিবি’র  অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ রফিকুল ইসলাম, পিএসসি ত্রাণ সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন করেন।
৮ মে বিজিবি সিলেট সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মাহমুদ মাওলা ডন, এএফডব্লিউসি, পিএসসি’র উপস্থিতিতে উত্তরকুল, সোনাপুর, লক্ষীবাজার, লোভাছড়া এবং বিয়াবাইল বিওপি’র পার্শ্ববর্তী এলাকা সমূহে খেটে খাওয়া, গরিব-দূঃখী এবং কর্মহীন মানুষের মধ্যে সহায়তার ত্রাণ বিতরণ করা হয়। সহায়তার ত্রাণের প্রতি প্যাকেটে ৬ কেজী চাউল, ২ কেজি আটা, ১ কেজি ছোলা, ১কেজি ডাল সহ অন্যান্য মোট ১১কেজি খাদ্য সামগ্রী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রতিরোধ মূলক সকল নির্দেশনা ও দূরত্ব বজায় রেখে বিতরণ করা হয়।

স্টাফ রিপোর্টারঃ পরকীয়ার অভিযোগে জনতার কাছে আটক হলেন ডাক্তার মোমিন উদ্দিন। তিনি চুনারুঘাট হাসপাতালের আরএমও। বৃহস্পতিবার রাতে চুনারুঘাট পৌর শহরের একটি বাসাতে পরকীয়া করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা খান তিনি। স্থানীয় যুবকরা গন ধুলাই দিয়ে সেই ডাক্তারকে পৌর কমিশনার আঃ হান্নানের জিম্মায় ছেড়ে দেন। পরকীয়ার বিষয়টি এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

এলাকাবাসিরা জানান, হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার মোমিনের সাথে এক প্রবাসির স্ত্রীর পরকীয়া চলছিলো। এলাকাবাসি বার কয়েক তাকে বারন করার পরও মোমিন সেই নিষেধ না মেনে ওই নারীর সাথে পরকীয়া চালিয়ে যান। ওই নারী জনৈক মনোহর আলীর ভাড়াটিয়া।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ডাঃ মোমিন পৌর শহরে অবস্থিত সেই বাসায় গেলে জনৈক হাজী আওয়ালসহ এলাকাবাসি ডাক্তারকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে গন ধুলাই দেয়। খবর পেয়ে পৌর কমিশনার আঃ  হান্নান ঘটনাস্থলে এসে ডাঃ মোমিনকে তার জিম্মায় নেন।

এ ব্যাপারে ডাক্তার মোমিন কোন কথা বলতে চান নি তবে হাসপাতালের আধিকারিক ডাঃ মোজাম্মেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ দিকে বিশ্বস্থ একটি সুত্র জানায়, বিগত সময়ে এক নার্সের সাথেও তার পরকীয়া ছিলো।

এদিকে ডাঃ মোমিন উদ্দিনের পরকীয়ার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পৌর শহরে অবস্থিত কয়েকটি ক্লিনিকের মালিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আপোষ সভা চলছিলো।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc