Saturday 30th of May 2020 01:35:19 PM

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভারতীয় সীমান্তলগ্ন জাম্বুরা ছড়া পাহাড়ি এলাকাতে পূর্ব শত্রুতা এবং গরু চোরের সন্ধানের জেরে কাঁচা ধান কেটে সাবাড় করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ এমন অভিযোগ করেছে জমির মালিক আব্দুল সাত্তার। এ বিষয়ে সোমবার সকাল ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল থানাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনা স্থল থেকে ভারতীয় সীমান্ত প্রায় ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত।

জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গল সিন্দুর খাঁ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কৃষক আব্দুল সত্তার (৫৫) এর ৪৫ শতক জায়গার কাঁচা ধানের ফসলসহ পুরো জমির ধান নষ্ট করা হয়েছে।তিনি এ বিষয়ে ১১ জনকে আসামী করে শ্রীমঙ্গল থানাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

খবর পেয়ে এই প্রতিনিধি সরেজমিনে গেলে দেখা যায় কৃষক আব্দুল সত্তার এর ধানের জমিনের সকল ধান কেটে ফেলা হয়েছে।

এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে এলাকার নারী পুরুষ সহ ৩০/৪০ জন ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার বিবরণ দিতে থাকে। এ সময় সবাই অভিযোগ করে বিবাদীরা খুব খারাপ চরিত্রের। এদের যন্ত্রণায় এলাকাবাসীরা আতঙ্কে দিন যাপন করেন।

ঘটনার ব্যাপারে আব্দুল সত্তার (৫৫) বলেন, আজ সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে দেখি আমার বাড়ির পাশে আমার ৪৫ শতক ধানের জমিনে কমপক্ষে ২০/৩০ জনের একটি দল জমিনের কাচা ধান কেটে ফেলতেছে।আমি আরেকটু কাছে গিয়ে দেখি আসমত আলী,আব্দুল রহিম,আব্দুল হক,রুপন মিয়া,তোফিক, শফিক মিয়া,কালাম মিয়া,আছমত আলী,আব্দুল শাহিনসহ আরোও অনেকের হাতে ধারালো দা কাঁচি দিয়ে ধানের ক্ষেতে এলোপাতারি কুপিয়ে কুপিয়ে মাটিতে ফেলতেছে।আমরা কাছে গেলে আমাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করতে ধাওয়া করে।

আজগর মিয়া (৩২) জানান,গত শুক্রবার পহেলা মে রাতে আছমত আলীর লোকেরা আমার একটি গরু চুরি করে চুনারুঘাট থানার কালেঙ্গাতে নিয়ে যায়। আমরা অনেক খোজাখুজির পর জানিতে পারি যে মো. রফিক মিয়ার ছেলে (১) মো. সোহেল মিয়া (৩০) মো. মানিক মিয়ার ছেলে (২) মো.সোহেল মিয়া (২৫) আসতম আলীর ছেলে রুশন মিয়া (৩০) ও মো.মাহমুদ উল্লাহ ছেলে মনা মিয়া (৩২) তারা আমার গরু চুরি করে নিয়ে যায়।আমরা তাদের চুরির বিষয়ে জানতে পারায় তাদের বাপ চাচারা মিলে আমাদের এলাকার কৃষক আব্দুল সত্তার এর ধানী জমিনের কাচা ধান কেটে ফেলে । এতে ২০/৩০ জনের একটি দল অংশ গ্রহণ করে। আমরা তাদের বাঁধা দিতে আসলে তারা আমাদের কে উল্টো হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্রসহ আমাদের ক্ষেতে হামলা চালাতে তাড়া করে।প্রাণ বাঁচাতে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

কাটা ধান ক্ষেতের পাশেই পেঁপের এই জমিন নিয়ে মালিক নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে  হোসেন পোষণ করেছেন।

অপর দিকে ধান ক্ষেতের পাশে থাকা পেঁপে বাগানের মালিক মো. হোসেন মিয়া (৪১) জানান,আমি আমার পেঁপে বাগান নিয়ে এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি তারা আমার ফসল যে কোন সময় নষ্ট করে দিতে পারে। এদের বিশ্বাস করা আর না করা সমান।আসমত আলীরা খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক এরা এলাকার মানুষকে বিভিন্নভাবে ক্ষয়ক্ষতি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

এদের নামে শ্রীমঙ্গল থানাসহ কোর্টে চুরি, ডাকাতি,নারী নিযার্তন ও মার্ডার মামলা রয়েছে।এরা সীমান্ত দিয়ে গরু চুরি ও বিভিন্ন বেআইনী অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে।এদের কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি।

অভিযুক্ত মো. আসমত আলী ও অভিযুক্ত শফিক মিয়ার সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে এলাকার ৬নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মো. তারেক মিয়া বলেন,আজ থেকে ২ বছর আগে আমি গিয়েছিলাম তাদের জায়গার দাগ নিয়ে সমস্যা ছিল। আমরা ক’জন বসে শালিশ করেছি।দাগ নিয়ে সমস্যা ছিল আমরা আমিন নিয়ে মেপে জমিনের দাগ নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা ছিল কিন্ত তারা দুই পক্ষই বিবাদে জড়িয়ে পরে। এতে আব্দুল সত্তারের ছেলের ডান হাতে কুপিয়ে গুরুতর ভাবে জখম করে।এনিয়ে বর্তমানে কোর্টে মামলা বিচারাধীন আছে।আজকের বিষয়ে আমাকে কেহ এখনো জানাইনি আমাকে। আর গরু কারা চুরি করেছে তাকে আমরা এখনও শনাক্ত করতে পারি নাই। তবে গরু কোথায় আছে আমরা খবর পেয়েছি গরু উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় থানার ওসি আব্দুছ ছালেক জানান অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজার  প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসকের করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে। তিনি আজও দায়িত্ব পালনে হাসপাতালে এসেছিলেন বলে হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে। এর আগে তার বাসার কাজের মহিলার স্বামী শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। তার বাড়ি জেলার রাজনগরে। পরে ওই চিকিৎসক করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন।

আজ  রোববার ৩ মে সকালে মুঠোফোনে জানানো হয় চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত। পরে তিনি হাসপাতাল থেকে নিজ বাসায় আইসোলেশনে চলে যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন জানান মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ ফয়ছল জামান। এ ঘটনার পর থেকে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর শরীর থেকে নমুনা নেয়া হচ্ছে।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ জনে।

উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্ত হয়ে এই জেলায় মোট ৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে রাজনগরে ১ জন, জেলা সদরের ১ জন ঢাকায়  ও সর্বশেষ কমলগঞ্জে ১ জন মারা যান। এ ছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান আরও ৭ জন।

কমিউনিটি রেডিওগুলো বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগণের জীবন বাঁচানোর জন্য তথ্য প্রচার করছে

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আলোচকবৃন্দ বলেন, কোভিড-১৯: মহামারী মোকাবেলায় কমিউনিটি রেডিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ বছর বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ভয়-ভীতি ও প্রভাব বিহীন সাংবাদিকতা’ (জার্নালিজম উইদাউট ফিয়ার এ্যন্ড ফেবার)। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও এন্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) সম্প্রচাররত ১৭টি কমিউনিটি রেডিও স্টেশনের সাথে যৌথ উদ্যোগে বিশ^ মুক্ত পালন করেছে। এ বছরের বিএনএনআরসির প্রতিপাদ্য ছিলো “কোভিড ১৯: সংকটকালীন কমিউনিটি মিডিয়ার অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিতকরণে চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ বিষয়ক একটি আলোচনা অনুষ্ঠান।

মোট ৫১ জন অলোচক এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, জেলা তথ্য কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি, স্থানীয় এবং জাতীয় পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক, এনজিওর নির্বাহী পরিচালক, এ্যাডভোকেট, কমিউনিটি রেডিওর প্রধান নির্বাহী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদ (বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সরকারি বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সরকারি বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক) উপস্থিত ছিলেন।

এই আলোচনার উদ্দেশ্য ছিলো করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কমিউনিটি মিডিয়া তথা কমিউনিটি রেডিও ও স্থানীয় গণমাধ্যমের অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিতকরণে চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সমন্বিত সহযোগিতা।

আলোচকবৃন্দ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমিয়ে আনার জন্য গ্রামীণ জনগণকে এই মহামারীর ভয়াবহতা সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন করা, নাগরিক সমাজের সংগঠনসমূহ, সরকার, স্বাস্থ্য কর্মীদের এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ ; জনগণের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখা এবং স্থানীয় বাজার, নাগরিক সমাজের সংগঠন এবং সরকারে মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে কমিউনিটি রেডিওগুলো এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আলোচকবৃন্দ কমিউনিটি রেডিওর সম্প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য এই সংকটকালীন সময়ে সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং প্রণোদনার আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানান এবং নি¤œলিখিত প্রস্তাবসমূহ তুলে ধরেন:
১. জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে কমিউনিটি রেডিওর সম্প্রচার সময় ক্রয় করে কভিড-১৯ বিষয়ক অনুষ্ঠান প্রচার করা। কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচার এলাকায় ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো। সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং মোবাইল ফোনের সংযোগ শক্তিশালী করা।

২. করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যে সমস্ত স্পন্সরকারী ও দাতা সংস্থা বা সরকারি-বেসরকারি সংস্থাসমূহ কাজ করছে তাদের স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা কার্যক্রমে সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কমিউনিটি রেডিওকে প্রাধান্য দেয়া বা বিবেচনায় রাখা ।

৩. কমিউনিটি রেডিও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তাদের সম্প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কারিগরি ও জরুরী আর্থিক সহযোগিতা প্রদান।

৪. স্থানীয় পর্যায়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি-এর কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি রেডিও’র সম্প্রচারকারীদের ফোনে বা অনলাইনে কমিটির প্রতিনিধিগণ যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাক্ষাৎকার প্রদান করেন সে ব্যাপারে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো।

৫. কমিউনিটি রেডিও স্টেশনগুলোর সম্প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)-এর সামাজিক দায়বদ্ধতা ফান্ড (সোশ্যাল অবলিগেটরি ফান্ড) থেকে জরুরি আর্থিক অনুদানের জন্য সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছে। বিটিআরসি ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে মোবাইল অপারেটরদের আয়ের শতকরা ১ ভাগ অর্থ দিয়ে এই ফান্ড গঠন করেছে গ্রামীণ জনগণকে যাঁরা এখনো মোবাইল নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত নন তাঁদের সংযুক্ত করার জন্য। কমিউনিটি রেডিও স্টেশনগুলো গ্রামীণ জনগণকে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের মাঝে এক সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। বিটিআরসি-এর এই সোশ্যাল অবলিগেটরি ফান্ড টেলিকম অপারেটরদের অবদানের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে এবং ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই ফান্ডের অর্থের পরিমাণ দাাঁড়িয়েছে এক হাজার চারশত বাইশ কোটি নব্বই লক্ষ টাকা (১,৪২২.৯০)।

বর্তমানে কোভিড-১৯-এর প্রার্দুভাব মোকাবেলায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে অব্যাহতভাবে কাজ করছে দেশের কমিউনিটি রেডিওগুলো। বর্তমানে চলমান ১৭টি কমিউনিটি রেডিও সম্মিলিতভাবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৮৫ ঘন্টা বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। স্থানীয় পর্যায়ে করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্যসহ বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা, এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কমিউনিটি রেডিওগুলো করোনা ভাইরাস প্রতিরোধমূলক রেডিও অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সম্প্রচার করছে। রেডিও’তে সম্প্রচারিত হওয়ার পাশাপাশি স্টেশনগুলো তাদের সামাজিক মাধ্যমেও (ফেসবুক এবং ইউটিউব চ্যানেল) করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ক প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। ১৭টি কমিউনিটি রেডিওতে প্রায় ৮০০ জন সম্প্রচারকারী অনুষ্ঠান তৈরি ও সম্প্রচারে সম্পৃক্ত ছিলো এখন লকডাউনের কারণে এখন ২০০ জন যুব ও যুব নারী এই প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছেন।প্রেস বার্তা

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc