Saturday 30th of May 2020 03:24:58 PM

সোলেমান আহমেদ মানিক, শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  ২৬ এপ্রিল রবিবার মধ্যরাতে প্রসবকালীন জটিলতায় জীবন সংশয়ে পড়া এক প্রসূতি নারীকে নিজের সরকারি গাড়িতে করে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছিলেন র‍্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের কমান্ডার এএসপি মো. আনোয়ার হোসেন শামীম।  শুধু তাই নয়, শিল্পী রানি পাল নামের এই নারীকে কোলে করে তিন তলার প্রসূতি ওয়ার্ডে নিয়ে যান এ র‍্যাব কর্মকর্তা, যা দেশব্যাপী প্রশংসার ঝড় তোলে। পরবর্তীতে হাসপাতালে নিরাপদে পুত্র সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ পরের দিনই নারীর স্বামী রনজিত দাস এএসপি আনোয়ারকে ফোন করে নবজাতকের নাম ঠিক করে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
সন্তান জন্মলাভের প্রায় এক সপ্তাহ পর আজ ছিল নবাগত শিশুটির নামকরণের আনুষ্ঠানিকতা। যথাসময়ে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন দক্ষিণ উত্তরসূর গ্রামে রনজিত দাসের বসতবাড়িতে উপস্থিত হয়ে শিশুটির নাম শচীন চন্দ্র দাস রাখেন র‍্যাব কর্মকর্তা। তার  অনুরোধে কোনরকম আনুষ্ঠানিকতা ব্যতীত  একেবারে ঘরোয়াভাবে সম্পন্ন হয় নামকরণের প্রথা। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ওই বাড়ির কাউকে বাইরে আসতে দেননি, এমনকি তিনি নিজেও যাননি ঘরের মধ্যে। দরজার সামনে উঁকি দিয়ে তিনি বাচ্চাটির নামকরণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এ সময় তিনি নবজাতকের হাতে একটি কলম তুলে দেন এবং তার মায়ের জন্য কিছু উপহারসামগ্রীও হস্তান্তর করেন। এ প্রসঙ্গে বাচ্চাটির মা শিল্পী রানী পাল জানান, স্যার যে আমাদের বাড়িতে এসে আমার সন্তানের নাম রেখে গেলেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। আমি চাই, আমার ছেলে বড় হয়ে যেন স্যারের মতোই একজন মানুষ হয়।
বাচ্চাটির নাম শচীন চন্দ্র দাস রাখার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে এএসপি মো. আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, উপমহাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ শচীন দেব বর্মনের একজন বড় ভক্ত আমি। তাছাড়া ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের খেলা দেখতেও অনেক পছন্দ করতাম সেই ছোটবেলা থেকে৷ এই দুজনের মহাগুণী মানুষের নামের সাথে মিলিয়েই শিশুটির নাম রেখেছি আমি। তিনি আরো বলেন, ছেলেটি বড় হয়ে কি হবে-  না হবে, অনেক পয়সাওয়ালা বা জ্ঞানীগুণী হবে কিনা, তা নিয়ে আমার কোন চাওয়া নেই। শুধু চাই, সে যেন একজন মানুষ হয়। মানবজাতি এবং অন্য সকল সৃষ্ট জীবের প্রতি গভীর ভালবাসা বুকে ধারণ করেই যেন সে বেড়ে ওঠে- মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট নবজাতকের জন্য এটাই আমার দোয়া।
উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টির পর এএসপি আনোয়ার তার মানবিক কাজের মাধ্যমে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। তিনি ৩৪ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন উত্তর বড়বিল গ্রামের আব্দুল মান্নান ও বিলকিস বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তৃতীয়। পুর্বের নিউজ লিঙ্ক দেওয়া হল-
http://www.amarsylhet24.com/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8/?fbclid=IwAR2Iu9RXnKFCYzJuwgMzyTXqHdCBLJDazES5TIQrwIzbsDBSys4GlRxxhLw

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গিয়াসনগর ইউনিয়নের অন্তর্গত লাইংলা এলাকার আনিকেলিবড় গ্রামের বাইনকার একটি ছড়া (খারা গাং) থেকে মেরাজ মিয়া (৪০), পিতা আলতা মিয়া নামে ২ সন্তানের জনক এক ব্যক্তির শরীরে ও মুখ মণ্ডলে প্রচুর জখমযুক্ত লাশ উদ্ধার করেছে মৌলভীবাজার থানা পুলিশ।এ ঘটনায় সন্দেহ মূলক মৃতের ৪ সহোদর ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।

স্ত্রীর অভিযোগে জানা গেছে বৃহস্পতিবার ইফতারের পর থেকে নিখোঁজ থাকা মেরাজ আলীকে পরিবারের লোকজনের কেহ কোথাও খোঁজ করেনি এমন কি আমাকেও জানায়নি কেহ।

পারিবারিক সুত্রে আরও জানা গেছে,আজ থেকে ৪/৫ দিন আগে মৃতের স্ত্রী তার দুই শিশু সন্তান (৪) ও (৮) কে নিয়ে বাবার বাড়ি শ্রীমঙ্গলের আশিদ্রুন এলাকায় অসুস্থ ভাইকে দেখতে চলে যান। এ সময় মেরাজ নিজের ঘরে একাই থাকতেন এবং পাশের ঘরে তার ভাইয়েরা বসবাস করে থাকেন।

স্থানীয় সংবাদ এর ভিত্তিতে আজ শুক্রবার বিকাল ৩ টার দিকে মৌলভীবাজার সদর থানার পুলিশের একটি দল বানকা এলাকার একটি ছড়া (খারা গাং) থেকে মৃত মেরাজের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। এ সময় দেখা গেছে লাশের গায়ে প্রচুর জখমের চিহ্ন।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে এবং এই ঘটনায় সন্দেহমূলক মৃতের চার ভাইকে আটক করেছে । আটককৃতরা হলো  নিহতের ছোট ভাই ফজলু (৩৮),খছ্রু মিয়া (২৮),নজরুল মিয়া (২৬),বদরুল মিয়া (২৩) সর্ব পিতা আলতা মিয়া, সর্বসাং গিয়াসনগর ইউনিয়নের অন্তর্গত লাইংলা এলাকার আনিকেলিবড় গ্রামে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,তার স্ত্রী গত ৪/৫ দিন পূর্বে শ্রীমঙ্গল আশিদ্রোন এলাকায় বাবার বাড়িতে অসুস্থ ভাইকে  দেখতে চলে গেলে মেরাজ নিজ বাড়িতেই একা অবস্থান করছিলেন। খুনের ব্যাপারে নিহতের স্ত্রীর সুত্রে তার ভাই খালেদ আমার সিলেটকে জানান,”বাড়িতে একটি নতুন ছিপনী (রান্না ঘর) বানানো নিয়ে বিরোধ ছিল।

স্থানীয় অপর একটি সুত্রে জানা গেছে “ঘটনার দিন ভাইদের মধ্যে ঝগড়া চলছিলো তবে খুন খারাবির মতো কিছু আঁচ করতে পারেনি।”

মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান জানান, নিহতের শরিরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে।তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

নূরুজ্জামান ফারুকীঃ   নবীগঞ্জে নারায়নগঞ্জ ফেরত ৫ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ এই তথ্য সাংবাদিকদের জানান। এ সময় তিনি বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ১৭০ জনের নমুনা প্রেরন করি। এর মধ্যে ৫ জনের করোনা পজেটিভ ও বাকী সবার নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।

আক্রান্তরা হলেন, উপজেলার ১নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের ৩জন, জগন্নাতপুর গ্রামের ১জন ও করগাও ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের ১জন।

এ সময় তিনি বলেন কিছুক্ষনের মধ্যে আমরা আক্রান্তদের বাড়ীতে যাবো। এবং তাদেরকে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজণীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং পরিবারের বাকী সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে ও আক্রান্তদের বাধ্যতামুলক হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য বিধি অনুযায়ী যে ধরনের চিকিৎসা সেবা দেয়ার প্রয়োজন সেই ধরনের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হবে।

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  মহামারী করোনায় স্কুলসহ সকল সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সব কিছুই বন্ধ আর এখন বৈশাখ মাসে। হাওর জুড়েই পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে। এর মধ্যেই আছে কাল বৈশাখী ঝড়,বৃষ্টি,বজ্রপাত আর পাহাড়ি ঢলের কষ্টের ফলানো সোনার ফসল তলিয়ে যাবার শংকা।
কৃষক পরিবারের সন্তান তাই ঘর ছেড়ে চলে এসেছে বাবা,মা আর ভাইয়ের কষ্টের ফলানো বোরো ধান শুকানোর জন্য খলায়। এক পাশে মা,অন্য পাশে দুই ভাই তাতে কি নিজের মত করে ধান শুকানোর জন্য ধানে শুকানো আর ধানে থাকা ময়লা পা দিয়ে ন্যাড়ে আর হাতে থাকা ঝাড়ু দিয়ে সড়িয়ে ফেলছে। সে কখনও নিজের মত করে আবার কখনও মা,ভাইয়ের চাহিদা অনুযায়ী জিনিস এনে দিচ্ছে মিনহা বেগম(৬)। এমনি দৃশ্য দেখা যায় সুনামগঞ্জের হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক সংলগ্ন মমিসিংঙ্গা হাটির সামনের শনির হাওর পাড়ে ধান শুকানোর খলায়।
এক পাশে শনির হাওরের মধ্যে থেকে শ্রমিকরা ধান কেটে আনছে ঠলি,ঠেলাগাড়ী দিয়ে। এনে ফেলছে পাশের খলায়। এরপর কেউ মাড়াই করছে কেউ বা আবার ধান রৌদে শুকানোর কাজে ব্যস্থ সময় পাড় করছে। আর এসব কাজে কোমল হাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে খলায় আরও অনেক শিশুরাই।
এই সময় কাছে গিয়ে জিজ্ঞেসা করলে মিনহা জানায়,তাদের বাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামের মমিসিংগা হাটি আর লেখা পড়া করছে মধ্য তাহিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণীতে। পরিবারে তিন ভাই পাচঁ বোনের মধ্যে ছোট সে। সে জানায়,স্কুল বন্ধ ঘরে কাজ নেই তাই মা,বাবা আর ভাইদের কে ধান শুকানোর কাজে সহযোগী করার জন্য এসেছে।
এমনি একেই চিত্র দেখা গেছে ভাটি তাহিরপুর গ্রামের পাশের খলায়। সেখানে কাজ করছে হুসাইন মিয়া(৬),এলিনা বেগম(৭)। তারাও স্কুলে খেলাপড়া করছে। তাদের বাবা শনির হাওরে এবার বোরো ধানের চাষ করছে ফলন ও ভাল কিন্তু করোনার কারনে এখন শ্রমিক সংকট সাথে রয়েছে কাল বৈশাখী ঝড়,বজ্রপাত,বৃষ্টি আর ভারতীয় মেঘালয়ে পাহাড়ি ঢলের কারনে ফসল ডুবির আশংকা। স্কুল বন্ধ থাকায় আর প্রতি বছরেই এভাবে পরিবারের সবার সাথে ধান কাটা,মাড়াই আর শুকানোর কাজে আসে তারা। শুধু তারাই নয় হাওর পাড়ের প্রতিটি পরিবারের সবাই এক ফসলী বোরো ধান কাটায় অংশ নেয়। আর হাওরা লের প্রতি বছরেই এমনি দৃশ্য চোখে পরে।
হাওর পাড়ের কৃষক আমিন মিয়া জানান,আমি কৃষক পরিবারের সন্তান,কৃষি কাজ করেই আমরা বংশ পরমপরায় চলছি। বছরের এই সময়টাই আমরা সবাই মিলে বোরো ধান কেটে আনন্দ করি পরিবারের সবাইকে নিয়ে। আর এ কাজে স্কুল পড়ুয়া শিশুরাও আসে আনন্দের সাথে কাজে সহযোগিতা করতে তারাও একাজে আনন্দ পায়। আর আমরাও খাবার পানি আনা,বা ছাতা,ঝাড়ু এমন ছোটখাট কাজে তাদের সহযোগিতা নেই। করোনা ভাইরাসের কারনে বড় আতংকের মাঝে আছি।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন,হাওরা লে কৃষক ও তাদের পরিবারের সন্তানরা খুবেই পরিশ্রমী। স্কুল বন্ধ তাই এই সময়টায় তারা তাদের মা বাবা সাথে ধান কাটা মাড়াই করার জন্য খলায় গিয়ে কাজে সহযোগিতা করে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে সংকট কালীন সময়ে হাওরের ধান কাটার শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শনি ও মাটিয়ান হাওরসহ ছোট বড় মোট ২৩টি হাওরের কৃষকদের ধান কাটতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সংঘটনসহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন করোনাভাইরাস চীনে তৈরি করা হয়েছে। গতরাতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
আমেরিকার সকল গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যের বিপরীতে তিনি বলেন: উহানের ল্যাবরেটরিতে করোনা ভাইরাস তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প বলেন এ দাবির পক্ষে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ তার কাছে থাকলেও তিনি সেগুলো দেখাতে প্রস্তুত নন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চীনের উচিত কীভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে, এটা কি উদ্দেশ্যমূলক ছিল নাকি ভুলে ছড়িয়েছে সে বিষয়টি স্পষ্ট করা। মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গতকাল জানিয়েছে, করোনাভাইরাস মানবসৃষ্ট নয় কিংবা জিনগতভাবে পরিবর্তিত হওয়ারও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে করোনা বিপর্যয় মোকাবেলায় ট্রাম্প সরকারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সমালোচনা তুঙ্গে ওঠায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং চীনকে এ ভাইরাসের জন্য দায়ি করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্প সম্প্রতি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের জন্য চীনের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়েরও দাবি তুলেছেন।

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৫ হাজার ৩০৪ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৮৭১ জন।পার্সটুডে

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে বেড়ে চলেছে করোনা সনাক্ত পজিটিভ রোগীর সংখ্যা। আজো আরেক জন করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে এই উপজেলায়। তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট শ্রীমঙ্গল প্রশাসনের হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গে রোগী যে এলাকায় বসবাস করতেন সেটি লকডাউন করা হয়েছে।
আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি শ্রীমঙ্গল উপজেলার মৌলভীবাজার রোডস্থ নওয়াগাও গ্রামে। আজ শুক্রবার (০১ মে)রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে শ্রীমঙ্গলে মোট করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে ৩ জন।
আক্রান্ত ব্যক্তি শ্রীমঙ্গল শহরের একটি বেসরকারী ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড,তার বয়স ৪০, এর আগে গত ২৪ এপ্রিল ঐ একই ব্যাংকের ঢাকা ফেরত ক্যাশিয়ার প্রথম শ্রীমঙ্গলে করোনার পজেটিভ ধরা পড়ে। এই নিয়ে ঐ ব্যাংকের ২ জন করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আজকে শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার আরেক জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হলেন।এই রোগীর নমুনা গত (২৫এপ্রিল) সংগ্রহ করে সিলেট পাঠানো হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন,আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রোগীর বসবাসরত বাড়ি ও তার আশপাশের এলাকা শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় দিকে লকডাউন করেছি এবং আগামীকাল শনিবার আক্রান্তত ব্যক্তির পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।তবে রোগী বর্তমানে অনেকটা সুস্থ্য আছেন বলে জানান ডা.সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ পবিত্র রামাদ্বান ও করোনার সঙ্কটে মৌলভীবাজার জেলার অসহায় পরিবারবর্গের মাঝে মৌলভীবাজার একাটুনা ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব মৌলভীবাজার এর পক্ষ থেকে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি মকিস মনসুর এর কচুয়া গ্রামের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রীর ১ম ধাপের বিতরণ করা হয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর ছিলো চাল,ডাল,পেঁয়াজ,সাবান তৈল,খেঁজুর,গুরা মরিছ,হলুদ। আরো ৮ ধাপে বিতরণ করা হবে। রমজান মাসে অসহায় ৫ শত পরিবারবর্গের মধ্যে ৭ লাখ টাকার সমমূল্যের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছে একাটুনা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশন।প্রতি বছরের ন্যায় এবারকার এই প্রজেক্টে বৃটেন ও আমেরিকা থেকে ৮১ জন প্রবাসী সম্মানিত দাতাদের কাছ থেকে এই অর্থ কালেকশন করা হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ জানানো হয়েছে। একাটুনা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর সভাপতিত্তে এবং যুবনেতা শামীম আহমদ ও জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ ফয়ছল মনসুর এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন একাটুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান. ও বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা বদরুজ্জামান বদরুল. উপদেষ্টা আলহাজ্ব দুরুদ মিয়া. ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক সেলিম রেজা তরফদার. ট্রেজারার মোহাম্মদ মুজিব মনসুর. শাহ গিয়াস উদ্দিন.ও ফারুক আহমদ সহ গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ.শুরুতেই দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা শফিকুর রহমান।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউপি মেম্বার মনিরুল ইসলাম তরফদার ইমন. সাবেক মেম্বার নজরুল ইসলাম.নানু মিয়া. আব্দুল আলিম, মুজিবুর রহমান মুজিব. সাংবাদিক আলী হোসেন রাজন ,এম তাজুল চৌধুরী. শাহ সিতার আহমদ, পারভেজ আহমদ. কৃতি ফুটবলার জামাল আহমদ.শাহাজাহান চৌধুরী.মোহাম্মদ কামাল মনসুর রুমন আহমদ ও রাজু আহমদ সহ বাংলাদেশ টিমের সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠান চলাকালে বৃটেন থেকে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্নয়ক মোহাম্মদ মকিস মনসুর টেলিকনফারেন্সে উনার বক্তব্যে এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে যে সব সম্মানিত ট্রাষ্টি ও উপদেষ্টাবৃন্দ এবং সম্মানিত দানশীল ব্যাক্তিবর্গ অর্থ প্রদান করেছেন এবং এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে ফাউন্ডেশনের সভাপতি সেক্রেটারি ট্রেজারার সহ যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি এম কে আহমদ ফারুক ও প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি এম আলাউদ্দিন আহমদ ও উপদেষ্টা আলহাজ্ব মাসুক মিয়া সহ ইতিমধ্যে যারা মৃত্যুবরন করেছেন সবাইকে মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামীন যেনো জান্নাতবাসী করেন এবং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি মিয়া মনিরুল আলম ও প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি গোলাম আবু সালেহ সুয়েব. প্রতিষ্ঠাতা ট্রাষ্টি মোহাম্মদ বশির খাঁন. ও দাতা সদস্য হারুনুর রহমান সহ আমাদের ইউনিয়নের দেশে বিদেশে যারা অসুস্থ উনাদের সবার জন্য দোয়া করার অনুরোধ সহ মহাণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবার অনুদান ও পরিস্রমকে কবুল করুন.এবং করোনা ভাইরাস থেকে সকল মুসলমান সহ সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করেন এই দোয়া করার জন্য সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়ে ফাউন্ডেশনের আগামী দিনের অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সারা দেশে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত  ৫৭১ জন, মারা গেছেন  ২ জন, নতুন সুস্থ  ১৪ জন। মোট  মৃত্যু ১৭০ জন 

জহিরুল ইসলাম ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে এবং মৃত্যু কমেছে।সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জন মারা গেছেন। দেশে নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৫৭১ জন। এর মধ্য দিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়াল। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন।

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ৫৬৪ জন নতুন শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। ৫ জনের মারা যাওয়ার কথা জানানো হয়।

আজকের ব্রিফিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ১৭০ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা ৮ হাজার ২৩৮। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৫৭৩ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। এর আগের দিন ৪ হাজার ৯৬৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা

সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছ ৭০ হাজার ২৩৯ জনকে। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন। সব মিলিয়ে সুস্থ ১৭৪ জন। তবে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সুস্থ হওয়ার তথ্য নেই। যদিও প্রায় ৭৯ শতাংশ রোগী বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

কোভিড -১৯-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরবরাহ বোঝাই করে মঙ্গলবার একটি তুর্কি সামরিক কার্গো বিমান ‘কোকা ইউসুফ’ আঙ্কারার এটাইমসগাট সামরিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে গেছে বলে তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো ঐ প্যাকেজগুলোকে তাসাউফের শ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার, বিশ্ববিখ্যাত সুফি, মরমী কবি ও দার্শনিক মাওলানা জালালউদ্দীন রূমীর (কুদ্দিসা সিররুহুল আজীজ) বাণী: “যেখানে ধ্বংস রয়েছে, সেখানেই খচিত নতুন সম্পদের আশা” ইংরেজী ও তুর্কি ভাষায় লেখা রয়েছে!

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সোমবার ঘোষণা করেছিলেন যে, করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামূলক পোশাক ও মুখোশ সহ মেডিকেল গিয়ার প্রেরণ করবে তুরস্ক। কথা রেখেছেন তিনি।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর, এরদোয়ান সাংবাদিকদের বলেন: এমন দুর্যোগের সময়ে যখন উন্নত দেশগুলোও তুরস্কের সমর্থন চাচ্ছে, তখন আমরা বলকান থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় আমাদের সমর্থন দিয়েছি। অতি সম্প্রতি মঙ্গলবার আমরা আমেরিকায় সহায়তা পাঠিয়েছি – যেখানে সার্জিক্যাল মাস্ক, এন ৯৫, মুখোশ, হ্যাজমাট স্যুট ও জীবাণুনাশক রয়েছে।

ওয়াশিংটনের অনুরোধে পাঠানো ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জামগুলির মাঝে রয়েছে, ৫ লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক, ৪০ হাজার সুরক্ষা পোশাক, ৪ শত এন ৯৫ মাস্ক, ৪ হাজার ওভারল, ২,০০০ লিটার বা ৫২৮ গ্যালন জীবাণুনাশক, দেড় হাজার গগলস ও ৫ শত ফেইস শিল্ড রয়েছে।

এ সহায়তার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একটি চিঠিও দিয়েছেন এরদোয়ান। গতকাল (বুধবার) চিঠিটি প্রকাশ করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ। এতে মহামারী প্রতিরোধের লড়াইয়ে সংহতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি লিখেছেন: দু দেশের সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব মার্কিন কংগ্রেস ভালোভাবেই বুঝতে পারবে বলে আশা করছি। রাশিয়া থেকে এস-৪০০ কেনায় তুরস্কের ওপর অর্থনেতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলো মার্কিন কংগ্রেস। এখন মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আংকারা। কাজেই, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করতে সময় নিচ্ছে তুরস্ক। আমাদের প্রত্যাশা, আসছে দিনগুলোতে মার্কিন গণমধ্যম ও কংগ্রেস আমাদের কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবে – যে রকম সংহতি আমরা এ মহামারীর ভেতরে প্রদর্শন করতে পেরেছি। কাজেই, মহামারী প্রতিরোধের লড়াইয়ে আমাদের এ সামান্য সহযোগিতা আপনাদের কাজে আসবে বলে আশা রাখছি। আপনাদের নাগরিকদের সুস্থ হয়ে উঠতে এ সাহায্য অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা করছি। আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি যে, নির্ভরযোগ্য ও বলিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে সম্ভাব্য সব উপায়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবো।

যুক্তরাজ্য, ইতালি ও স্পেনসহ অন্তত ৫৫টি দেশকে একই রকম সহযোগিতা পাঠিয়েছেন এরদোয়ান। সূত্র: ডেইলি সাবাহ, আল-জাজিরা ও রয়টার্স।

হোসাইন ইকবাল স্পেন থেকে: করোনায় বিদ্ধস্ত স্পেনে সাময়িক বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের সহোযোগিতার হাত বাড়িয়েছে স্পেন ছাত্রলীগ।

স্পেন  ছাত্রলীগ এর সবচেয়ে পরিশ্রমী নেতা হানিফ মিয়াজি এর উদ্যোগে স্পেন আওয়ামিলীগ সভাপতি এস আর আই এস রবিন এবং সহ সভাপতি আকরামুজ্জামান কিরন মোল্লার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রায় ১২০ জন বিপর্যস্ত প্রবাসী কে উপহার প্রদান করা হয়।

ছাত্রলীগ নেতা হানিফ মিয়াজি বলেন বাংলাদেশ সৃষ্টির শুরু থেকেই সকল সংকটময় মুহুর্তে সামনে থেকে মোকাবেলা করার অগ্রনী সৈনিক হলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।  বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঘোষনা করেন ছাত্রলীগ যেনো স্ব স্ব অবস্থানে থেকে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসে।

তারই ধারাবাহিকতায় আমরা স্পেন ছাত্রলীগ নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী

১. চাল ৫ কেজি।

২. ডাউল ২ কেজি।

৩. খেজুর ২ কেজি।

৪. তৈল ২ কেজি।

৫. ছোলা ২ কেজি।

৬. দুধ ৬ লিটার।

৭. পিয়াজ ৩ কেজি।

৮. ডিম ১ কেচ (৩০টি)। উপহার দিয়ে  প্রবাসী বাঙ্গালীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এছাড়াও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন স্পেন এবং স্পেন আওয়ামিলীগের উপহার প্রদানের সকল কার্যক্রমে সেচ্ছাসেবী হিসেবে হানিফ মিয়াজির নেতৃত্বে কাজ করেছে স্পেন ছাত্রলীগ।

উপহার প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন স্পেন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি এস আর আই এস রবিন,  সহ সভাপতি আকরামুজ্জামান কিরন, সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, যুগ্ন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম দিদার,সদস্য আব্দুল আজিজ। ছাত্রলীগের বাপ্পি রহমান ,  আল আমিন, মাসুম শেখ, সুমন সহ প্রমুখ।

 
জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক:  মৌলভীবাজারে  শ্রীমঙ্গলের ফুলছড়া চা বাগানে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত তরুণীর পরিবারকে ফল,বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বই উপহার হিসেবে তুলে দিলেন মৌলভীবাজার জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, দ্বারিকা পাল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, শ্রীমঙ্গল ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক।উল্লেখ্য  গত ২২ এপ্রিল মেয়েটি তার বোনের বাসা  ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে এক বোন, বাবা, মামা ও পিসির সাথে শ্রীমঙ্গল আসে।
পরের দিন গত ২৩ তারিখ তাদের ৫ জনের  নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। শুধু ওই মেয়েটির প্রজেটিভ রিপোর্ট আসে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালিঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রানেশ গোয়ালা, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহব্বায়ক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লিটন পাল,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়বায়ক রোটারিয়ান সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, রোটারিয়ান মিঠন পাল, লিটন পাল, মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগ এর যুগ্ম সম্পাদক শেখ নোমান আহমেদ, কালীঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রানেশ গোয়ালা সমাজকর্মী এম এ খালেক সহ প্রমুখ।
এছাড়াও অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক করোনাভা্ইরাসে যাদের ঘরে খাদ্য সংকটে আছে তিনি  শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে হতদরিদ্র ও দিন মুজুরদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন।

অনিশ্চিত জীবনের সবচেয়ে কঠিন সত্যটি হচ্ছে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে জয়ী হওয়া। এই এক দেড়মাসে দেখেছি খোদার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজাতির কী করুণ পরিণতি। দেখেছি কতোটা আতঙ্ক আর অসহায়ত্বের মাঝে সময় পার করেছে । লাশের মিছিলে না যেতে কতইনা চেষ্টা চালিয়েছে মানুষ। তবুও যেতে হয়েছে। আসলেই এটি এক অবর্ণনীয় কষ্টের অভিজ্ঞতা।

হ্যাঁ, আজ আমি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথাই বলছি। চীনের সেই ভাইরাস যুক্তরাষ্ট্র সহ ইউরোপের দেশগুলোকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে। থামছেনা মৃত্যুর করুণ মিছিল। প্রাণঘাতী ভাইরাসে তুলনামূলক মৃত্যুর হার কমে আসলেও এটাকে আমি মোটেও কম বলছিনা। এখনো দু’চারশ মানুষ পরপারে পাড়ি জমাচ্ছে।

স্পেনে গত ২৬ তারিখ প্রায় ছয় সপ্তাহ গৃহবন্দী থাকার পর ১২ বছরের নিচে বাচ্চাদের শর্তসাপেক্ষে বাইরে হওয়ার অনুমতি দিয়েছে সরকার। স্কুল কলেজ সবি বন্ধ রাখা হয়েছে। ভেবেছিলাম হয়তো এ মহামারী বিদায়ের পথে! কিন্তু না, এখনো আশঙ্কাজনক হারে মৃত্যুর মিছিল থামছেনা। প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে ২৪ হাজারেরও অধিক প্রাণ হারিয়েছে। প্রতিদিন দু’তিন হাজার মানুষ নতুনকরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ যেন এক মৃত্যুপুরীতে। বসবাস। তবুও আল্লাহর রহমত থেকে বিন্দুমাত্র নিরাশ হয়নি। কিছুকিছু ক্ষেত্রে শীতল করলেও স্পেনের লকডাউন কিন্তু এখনো উঠে নেয়নি । এতো কিছুর পরেও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আমাদের বাংলাদেশীরা মোটামুটি ভালোই আছেন। অনেক স্বদেশী ভাই এই মারাত্মক মহামারীর স্বীকার হয়েছেন এবং হচ্ছেন। অনেক ভাই আছেন যাদের কাগজ নেই মূলত তারাই বেশী ভুক্তভোগী। বিদেশের মাটিতে কর্মহীন এ কঠিন পরিস্থিতিতেও সাম্যের বন্ধনে বাংলাদেশীরা বিন্দুমাত্র পিছু হটেনি। শক্তিকে মুক্তির পথে রুপান্তরিত করে এগিয়ে চলেছে।

দক্ষিণ ইউরোপের ইসলামি ঐতিহ্যের আইবেরীয় দেশ স্পেন শীতের বিদায়ে প্রকৃতি অপরুপ সাজে আজ সজ্জিত, কিন্তু সে সৌন্দর্য দেখার যেন কেউ নেই। রাস্তারধারে শোভা পাচ্ছে অগণিত নাম না-জানা ফুলের মিলন মেলা। আলোয় জ্বলজ্বল করা নীল আকাশে চাঁদের উঁকি দেয়া দৃশ্য উপভোগের সেই ইচ্ছেটুকুও মানুষ হারিয়ে ফেলেছে। আজ বায়ুমন্ডলে কার্বনডাইঅক্সাইডের রাজত্ব নেই, ফলে চোখ তার নিজস্ব দূরসীমারেখাও খুঁজে পেয়েছে। এতো কিছু পরিবর্তনের মাঝেও মানুষ আজ শঙ্কিত কারণ এখনো আশঙ্কামুক্ত নয় স্পেনের পরিস্থিতি। বাকীটা আল্লাহ তায়া’লা দয়ার উপর ছেড়ে দিয়েছি। তিনিই সবাইকে এ মানব বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবেন।

লেখকঃ ইমরান বিন বদরী।
৩০/০৪/২০২০ মাদ্রিদ, স্পেন।

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী থানা পুলিশের সুত্রে জানা যায়, গত ২৯/০৪/২০২০ ইং তারিখ রাত্র আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকায় থানায় সংবাদ আসে যে, উপজেলার শিপপুর (ভাগানীয়া) হাওরে দশ বছরের এক শিশু সাহেদ তার খালার সাথে ধানের খলায় গিয়ে কাজ করার সময় সবাই যখন সন্ধার দিকে কাজে ব্যস্ত তখন হঠাৎ শিশু সাহেদ নিখোঁজ হয়ে যায়, সে সময় তার আত্বীয়স্বজন অনেক খোজাখোজি করিয়া ব্যর্থ হলে থানায় এসে অভিযোগ জানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে নেত্রকোনা জেলার পুলিশ সুপার, মোঃ আকবর আলী মুন্সীর নির্দেশে তাৎক্ষনিক খালিয়াজুরী থানা হতে অফিসার ও ফোর্স প্রেরণ করিয়া হাওরে কাল বৈশাখী ঝড়ের মধ্যে খোঁজাখোজি শুরু করে ।

শিশু সাহেদের আত্নীয়স্বজনসহ খালিয়াজুরী থানার এসআই কামরুজ্জামান ও সঙ্গীয় পুলিশ ও এ সময় খোঁজতে থাকে। তার আত্বীয়সজনেরাও এক সময় খোজতে অপারগতা প্রকাশ করে, তবুও এস আই কামরুজ্জামান ও তার টিম নির্জন, অন্ধকার হাওরে, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে খোঁজতে থাকে, খোঁজাখোঁজির এক পর্যায়ে শিশু সাহেদকে ধান ক্ষেতের পাশে অচেতন অবস্থায় রাত্র ১১.০০ ঘটিকার দিকে পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, শিশু সাহেদ হাওরের মধ্যে বাড়ির পথ হারিয়ে ফেলে কাল বৈশাখী ঝড়ের মধ্যে পরে বিদুৎ চমকানোতে ভয়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা ধান ক্ষেতের আইলের পাশ থেকে  উদ্ধার করিয়া সাধারণ চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করিয়া তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। অবশেষে শিশু সাহেদ তার মায়ের কুল ফিরে পায়।

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ  মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদূর্ভাবে সারাদেশে কার্যত লকডাউন চলছে। দেশে বর্তমানে একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছে প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, পুলিশ সদস্যসহ কর্মরত সাংবাদিকরা। ইতোমধ্যে চিকিৎসকের পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ডাক্তার, পুলিশ ও সাংবাদিক মারা গেছেন। এমন পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমদ পিপিএম (বার)।

‘পুলিশ সাংবাদিক করোনা যুদ্ধে, সবাই আমরা এক কাতারে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে কুলাউড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য সুরক্ষা সামগ্রী ‘ফেইসশিল্ড’ উপহার সামগ্রী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাওছার দস্তগীরের কাছে পৌঁছে দেন জেলা পুলিশ সুপার । বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে কুলাউড়া থানার সম্মুখে এই উপহার সামগ্রী সাংবাদিকদের মাঝে হস্তান্তর করেন কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইয়ারদৌস হাসান।

কুলাউড়া উপজেলায় কর্মরত সকল প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে এই সুরক্ষা সামগ্রী উপহার তুলে দিয়ে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়ারদৌস হাসান বলেন, “দেশের এই ক্রান্তিকালে চিকিৎসক, পুলিশ এর পাশাপাশি সাংবাদিকরাও অনেক ঝুঁকি নিয়ে সমাজের অনেক অসঙ্গতি তুলে ধরছেন এবং মানুষদের সচেতন করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরাও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই সাংবাদিকদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে জেলা পুলিশ সুপার স্যার কুলাউড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য এই উপহার প্রদান করেন। ভবিষ্যতেও সাংবাদিকদের সুরক্ষায় পুলিশ প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে” বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc